Sopno Neer

Sopno Neer This Page is Created for Entertainment and this is my Sweet Home page also. This is One of the Sweetest Home in the World,because it's my home.

11/01/2026

আমি এমন মানুষও দেখেছি—বিরিয়ানির হাঁড়ি থেকে শুধু মাংস তুলে নিতে ব্যস্ত, পরের জন আদৌ পাবে কি না সে চিন্তা নেই; অথচ আজান হলেই নামাজে দাঁড়িয়ে যায়।

***একটি বিয়ে বাড়ির অভিজ্ঞতা।
খেতে বসেই মনে হিসাব কষা শুরু—
গিফট ৬০০ টাকা, গাড়ি ভাড়া ৬০ টাকা;
মোট খরচ ৬৬০ টাকা।
অর্থাৎ, এই খরচটা খাবারের টেবিল থেকেই “উসুল” করতে হবে!

এই মানসিকতা নিয়ে কয়েকজনের খাবার একাই খেয়ে নেব—এই ভেবে সব আইটেম প্লেটে তুলে নিলাম।
খাওয়া শেষে দেখলাম, প্রায় ৬০ শতাংশ খাবারই খাওয়া হয়নি।
তবুও আফসোস নেই—কারণ খরচের টাকা তো “উসুল” হয়েছে!

হাসিমুখে বিজয়ীর ভঙ্গিতে টেবিল ছেড়ে এলাম।
কিন্তু পেছনে রয়ে গেল এক পিতা—যিনি জীবনের বহু বছরের তিল তিল করে জমানো অর্থ দিয়ে মেয়ের বিয়ের খাবারের আয়োজন করেছেন।
হয়তো এই মুহূর্তে তিনিই হিসাব কষছেন—এই আয়োজনের জন্য নেওয়া ঋণ কীভাবে শোধ করবেন।

আমি যখন অপচয়ে তৃপ্তির হাসি হাসছি, ঠিক তখনই পৃথিবীর কোথাও কোনো মানুষ খাবারের অভাবে বুকফাটা আর্তনাদ করছে—আমারই মতো রক্ত-মাংসের মানুষ।

তাই অনুরোধ—
সামর্থ্য থাকলে গিফট দিন, না থাকলে দেবেন না।
কিন্তু গিফটের টাকা “উসুলের” অজুহাতে বিয়ে বাড়িতে খাবার অপচয় করবেন না।

আসুন, প্রয়োজন অনুযায়ী খাবার নিই।
অপচয় নয়—মানবিকতাই হোক আমাদের পরিচয়।

***সংগৃহীত

28/12/2025

ধরা যাক, আপনার কোনো বিত্তশালী আত্মীয় আপনাকে দাওয়াত করেছেন তাঁর ছেলে কিংবা মেয়ের বিয়েতে। কমিউনিটি সেন্টারে জমকালো আয়োজন—আলোঝলমল পরিবেশ, সাজসজ্জার বাহার, গণ্যমান্য অতিথিদের ভিড়।

একই দিনে, একই সময়ে আপনি আরেকটি দাওয়াতও পেলেন। আপনার বাসার দারোয়ান কিংবা ঘরের কাজের বুয়ার মেয়ের বিয়ে। সেখানে কোনো জাঁকজমক নেই। বাড়ির উঠোনে শামিয়ানা টানিয়ে, চাটাই বিছিয়ে ঘরোয়া আয়োজন।

এখন প্রশ্ন—আপনি কোন দাওয়াতে যাবেন?
বড়লোক আত্মীয়ের কমিউনিটি সেন্টারে, নাকি গরিব বুয়ার উঠোনের সাধারণ আয়োজনে?

চলুন, সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে দুটি বিষয় বিবেচনায় আনি।

ধরা যাক, আপনি উপহার হিসেবে পাঁচ হাজার টাকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন—অথবা সমমূল্যের কিছু। যদি বড়লোক আত্মীয়ের অনুষ্ঠানে এটি দেন, বাস্তবতা হলো, সেটি তাদের কাছে খুব একটা গুরুত্ব পাবে না। তারা একবেলা রেস্টুরেন্টে খেয়েই দশ হাজার টাকার বিল মেটায়। আপনার দেওয়া পাঁচ হাজার টাকার উপহার সেখানে তেমন কোনো পার্থক্য গড়ে তোলে না। অনুষ্ঠানস্থলে গিয়েও দেখবেন, গণ্যমান্য অতিথিদের ভিড়ে আপনাকে আলাদা করে দেখার বা কথা বলার সময় কারও নেই। কোণার একটি টেবিলে বসে খেয়ে নীরবে ফিরে আসাই হবে আপনার ভূমিকা।

এবার ভাবুন, আপনি যদি সেই গরিব বুয়ার মেয়ের বিয়েতে যান। তারা কল্পনাও করেনি আপনি সেখানে উপস্থিত হবেন। তাদের মতো মানুষের ঘরে আপনার যাওয়া তাদের স্বপ্নের বাইরের ঘটনা। সেখানে গণ্যমান্য অতিথি বলতে আপনিই। যে সম্মান, যে আন্তরিকতা আপনি পাবেন, তা আপনাকে অভিভূত করবে। আপনার দেওয়া পাঁচ হাজার টাকার উপহার তাদের কাছে হবে অমূল্য—এত দামী উপহার তারা হয়তো জীবনে কখনো পায়নি। আপনার জন্য তাদের হৃদয়ে তৈরি হবে বিশেষ একটি জায়গা। প্রয়োজনে, সংকটে তারা আপনাকে আপনজন ভেবে পাশে দাঁড়াতে দ্বিধা করবে না।

প্রিয় পাঠক, ব্যতিক্রম নিশ্চয়ই আছে। তবে সামাজিকতা রক্ষা আর তথাকথিত স্ট্যাটাস বজায় রাখতে গিয়ে আমরা যেসব অভ্যাসে বন্দী হয়ে পড়েছি, সেগুলোর দেয়াল একবার ভেঙে দেখুন। গণ্ডির বাইরে ভাবুন। বলয় ছাপিয়ে পৃথিবীটাকে দেখুন। আপনার চেয়ে নিম্ন অবস্থানে থাকা মানুষদের গুরুত্ব দিন।

দেখবেন—এক ধরনের অলৌকিক প্রশান্তিতে আপনার জীবন ভরে উঠেছে।

21/12/2025

একদিন এক জ্ঞানী ব্যক্তি তার ছেলেকে বললেন, শোনো, জীবনে তিনটি বিষয়ে কখনোই আপোষ করবে না। সর্বোত্তম খাবার খাওয়া, সর্বোত্তম বিছানায় ঘুমানো এবং সর্বোত্তম ঘরে বসবাস করা।

একথা শুনে ছেলে বলল, কিন্তু বাবা, আমরা তো গরিব! এসব তো কেবল ধনীদের পক্ষেই সম্ভব। আমি চাইলেও তো এগুলো করতে পারব না।

বাবা তখন ছেলেকে বুঝালেন, যদি তুমি কেবল তখনই খাও যখন তুমি সত্যিকারের ক্ষুধার্ত এবং সে খাবার যদি আসে সৎ উপায়ে — অন্য কাউকে না ঠকিয়ে, তাহলে যা খাবে সেটাই হবে পৃথিবীর সর্বোত্তম খাবার।

যদি তুমি অনেক পরিশ্রম করো এবং ক্লান্ত হয়ে ঘুমাও তাহলে তোমার শোবার বিছানাই হবে সর্বোত্তম বিছানা।

আর যদি তুমি মানুষের সাথে ভালো ব্যবহার করো, মানুষের প্রতি সদয় হও, তাহলে তুমি তাদের হৃদয়ে বাস করবে। ফলে সেটাই হবে তোমার জন্য সর্বোত্তম ঘর।

20/12/2025

আপনার ৫ বছরের বাচ্চা তার কাজিনকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিয়েছে। আপনি দৌড়ে গিয়ে চোখ বড় বড় করে বললেন - "শিগগির সরি বলো!" বাচ্চা মাটির দিকে তাকিয়ে, অনেকটা রোবটের মতো বিড়বিড় করে বলল - "স...রি..."

ব্যাস! আপনি খুশি। যাক, বাচ্চা আমার খুব ভদ্র! সমাজে মুখ রক্ষা পেল! 😌

কিন্তু সত্যিটা একটু তেতো। চাইল্ড সাইকোলজিস্টরা বলছেন, ওই মুহূর্তে আপনার বাচ্চা আসলে মনে মনে ভাবছে, "উফ! এই একটা জাদুর শব্দ 'সরি' বললেই মা/বাবা চুপ হয়ে যায়। ধাক্কাও দিলাম, আবার বেঁচেও গেলাম! আমি তো জিনিয়াস!" 😎

আমরা বাচ্চাকে 'অনুশোচনা' শেখাচ্ছি না, আমরা তাকে Politics শেখাচ্ছি। সে শিখছে কীভাবে লিপ-সার্ভিস দিয়ে পরিস্থিতি সামাল দিতে হয়।

কেন জোর করে 'সরি' কাজ করে না? (The Science) 🧠

১. The Empathy Gap: বিখ্যাত মনোবিজ্ঞানী Jean Piaget-এর মতে, ২ থেকে ৭ বছরের বাচ্চারা প্রাকৃতিকভাবেই Egocentric হয়। তাদের ব্রেইনের Prefrontal Cortex (যা অন্যের অনুভূতি বুঝতে সাহায্য করে) তখনো "Under Construction"। তাই তারা যখন অন্যকে মারে, তারা আসলেই বোঝে না যে অন্যজনের ব্যথা লেগেছে। এই বয়সে তাদের দিয়ে জোর করে সরি বলানো আর মাছকে দিয়ে গাছে ওঠানো একই কথা। 🐟

২. Shame vs Learning: গবেষণায় দেখা গেছে, জোর করে ক্ষমা চাওয়ানো বাচ্চার মনে 'লজ্জা' (Shame) তৈরি করে, কিন্তু 'দায়িত্ববোধ' (Guilt/Responsibility) নয়। লজ্জা তাকে Aggressive করে তোলে, আর দায়িত্ববোধ তাকে মানুষ করে।

তাহলে স্মার্ট প্যারেন্ট হিসেবে আপনি কী করবেন?

শব্দের চেয়ে কাজের গুরুত্ব বেশি। তাকে "Sorry" বলার আগে সংশোধন করতে শেখান। একে বলা হয় Restitution Method।

ধাক্কা দেওয়ার পর ধমক না দিয়ে শান্ত হয়ে বলুন: "ওহ নো! বাবুটার পায়ে ব্যথা লেগেছে, ও খুব কাঁদছে। চলো দেখি ওর ব্যথা কমাতে আমরা কী করতে পারি?"

তাকে অপশন দিন:

- "আমরা কি বরফ লাগিয়ে দেব?" 🧊
- "নাকি ওর ফেভারিট খেলনাটা এগিয়ে দেব?" 🧸
- "নাকি মাথায় একটু হাত বুলিয়ে দেব?" ✋

বাচ্চা যখন নিজে অ্যাকশন নেবে, তখন তার ব্রেইনে Empathy-র নিউরনগুলো জ্বলে উঠবে। সে বুঝবে "আমার কাজের ফলে ও ব্যথা পেয়েছে, এবং আমাকেই সেটা ঠিক করতে হবে।"

Bottom Line: বাচ্চাকে তোতাপাখি বানাবেন না। তাকে মানুষ বানান। আজকের "সরি" বলা রোবটটি ভবিষ্যতে একজন অনুভূতিহীন মানুষ হতে পারে। তার চেয়ে আজ একটু সময় নিয়ে তাকে অন্যের কষ্ট বুঝতে শেখান। ❤️

সংগৃহীত

20/12/2025

প্রিন্সেস ডায়নার ছোট্ট একটি কথা ছিলো!
তার সাথে কম বেশি আমরা সবাই পরিচিত!

সে বলেছিলেন!
"আমি যাকে ভালোবেসে ছিলাম, সে ছাড়া গোটা বিশ্ব আমায় ভালোবেসে ছিলো"

সুন্দর্য, ব্যাক্তিত্ব কিংবা আভিজাত্য কোনো কিছু দিয়েই প্রিন্সেস ডায়নাকে পিছনে ফেলবার মতো, তার মৃত্যুর এতো বছর পরও কেও আসতে পারেনি।

অথচ, তার স্বামীও তাকে ঘরে রেখে, আসক্ত হয়েছিল পর নারীতে। যার শেষটা হয়েছিল তাদের বিবাহ বিচ্ছেদ দিয়ে।

তোমরা অনেকেই বলো না, গুছিয়ে না চললে, নিজেকে সাজিয়ে না রাখলে পুরুষ হাত ছাড়া হয়ে যায়? আসলে এটা পুরোপুরি মিথ্যে....!

যার মানসিকতা নোংরা, তার ঘরে হুর থাকলেও, সে কাজের মেয়ের পিছনে ঘুরে বেড়াবে, আর যার মানসিকতা পরিষ্কার, সে দিনের পর দিন, শত শত সুন্দরী নারী উপেক্ষা করেও, শুধু মাত্র তার স্ত্রীর কথা ভেবে থেকে যাবে।

27/11/2025

শপিংমলে কেনাকাটা করে 💸বিল দেবার জন্য 👜 ব্যাগ খুলতেই ম্যানেজারের নজরে পড়ে ব্যাগের ভিতরে টিভির রিমোট! ম্যানেজার কৌতূহলবশত জানতে চান, "ম্যাডাম, ব্যাগে কি সবসময় রিমোট নিয়ে ঘোরাফেরা করেন?"

আমি জবাব দি, "নাহ! মাঝে মাঝে। আজ আমার হাজবেন্ড বিশ্বকাপের ফাইনাল দেখবে বলে আমার সাথে শপিংয়ে এলো না। তাই ওকে টাইট দেওয়ার জন্য এই কাজ করেছি।"

শিক্ষা ১ : স্ত্রীকে যথেষ্ট গুরুত্ব না দিলে স্বামীর কপালে বিপদ আছে।

ম্যানেজার মৃদু হেসে ক্রেডিট কার্ড ফেরত দিয়ে বলেন, "পেমেন্ট হচ্ছে না, আপনার স্বামী কার্ড ব্লক করে দিয়েছেন।"

শিক্ষা ২ : স্ত্রীর উচিত স্বামীর শখকে সম্মান করা।

আমি মুচকি হেসে কার্ডটি Swipe করে ক্যাশিয়ারকে বললাম, "এমনটা হতে পারে তা আমি আগেই সন্দেহ করেছিলাম!"

শিক্ষা ৩ : নারী জাতির ক্ষমতার দৌড় সম্পর্কে পুরুষের জ্ঞান পরিপূর্ণ নয়।✅✅✅

কেনাকাটা শেষে বাড়ি ফিরে আমি দেখলাম দরজায় তালা মারা। স্টিকারে লেখা, গাড়ি নিয়ে বন্ধুর বাড়িতে খেলা দেখতে গেলাম। ফিরতে রাত হবে, বাইরে অপেক্ষা করো।

শিক্ষা ৪: আপনার প্রতিপক্ষকে কখনো ছোট করে দেখবেন না।❌

আমিও মুচকি হেসে ডুপ্লিকেট চাবি দিয়ে দরজা খুলে খেয়েদেয়ে ঘুমিয়ে পড়লাম। রাতে স্বামী বাড়ি ফিরে দেখেন দরজা ভেতর থেকে লক করা আর স্টিকারে লেখা:
গাড়িতেই ঘুমিয়ে পড়ো। কলিং বেল বাজিও না, তাতে লাভ হবে না, কলিং বেলের তার কাটা। আর খবরদার দরজায় ধাক্কাধাক্কি করবে না, ভুলে যেও না এটা ভদ্রলোকের পাড়া।

শিক্ষা ৫: নারীশক্তি হতে সাবধান!✅🙂👸

সংগৃহীত ✅

পরিচিত এক ভদ্রলোক ইন্তেকাল করেছেন। জানাজার ব্যাপারে জানলাম, দুই ছেলের আগমনের উপর নির্ভর করছে উনার দাফন। একজন আমেরিকা, অন...
17/11/2025

পরিচিত এক ভদ্রলোক ইন্তেকাল করেছেন। জানাজার ব্যাপারে জানলাম, দুই ছেলের আগমনের উপর নির্ভর করছে উনার দাফন। একজন আমেরিকা, অন্যজন কানাডা হতে আসবে। শেষ পর্যন্ত ৩ দিনের মাথায় একজন এসে পৌঁছানোর পর দাফন করা হল, অন্যজন টিকেট সমস্যায় ৫ দিনের মধ্যে আসতে পারবে না দেখে যাত্রা ক্যান্সেল করেছে।

এই ৩ দিন বাবার শীতল মৃতদেহ, লাশ বহনকারী তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রিত গাড়িতে বাসার নীচে অপেক্ষায় ছিল। যতদিন শরীরে আত্মা ছিল, চোখ দুইটা অপেক্ষায় ছিল দুই রত্নের জন্য। চোখ বন্ধ হবার পর অপেক্ষার পালাও শেষ। দুই ছেলে ভাল চাকুরী করলেও গত ৩ বছর দেশে আসেনি। অথচ ভদ্রলোক শেষ ছয়মাস মৃত্যুশয্যায় অনেক কষ্ট পেয়েছেন। উনার একমাত্র মেয়ে সব দেখাশুনা করেছে সংসার ফেলে। মেয়ের জামাই ও যথেষ্ট দৌড়াদৌড়ি করেছেন।

বেশ কিছুকাল আগে ওদের বাসায় গিয়েছিলাম। কথাবার্তায় দুপুর হয়ে যাওয়াতে ভদ্রলোক খাওয়ার জন্য জোরাজুরি করলেন। ডাইনিং টেবিলে ভুলে একটা চেয়ারে বসে পড়েছিলাম। বাসার কর্ত্রী দু:খপ্রকাশ করলেন, এই চেয়ারে উনার ছোট ছেলে বসে, নইলে ভাত খাবে না। বড় ছেলেরও চেয়ার ফিক্সড। আমি কোনার একটা চেয়ারে গিয়ে বসলাম।

ছুটির দিন, সবাই বাসায় ছিল। একজন এসএসসি দিয়েছে অন্যজন এইচএসসি। লক্ষ্য করলাম মা দুই ভাইয়ের পাতে দুইটা মুরগীর রান তুলে দিলেন। আমাদের অন্য পিস দিয়ে ছোট বোনের জন্য একটা ছোট টুকরা বরাদ্দ হল। খাবার পর ফজলি আম কাটা হল। সেখানেও কিছুটা বৈষম্য। আমের মাংসল টুকরা ছেলেদের প্লেটে গেল আর কাছা, আঁটি মেয়ের জন্য। মেয়েকে অবশ্য মন খারাপ করতে দেখিনি এজন্য। হাসিমুখেই ত্যাগ স্বীকার করেছে।

এখনো ছোট বোনটা শেষদিনগুলোতে সব দায়িত্ব পালন করলেও ভাইদের বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ করতে শুনিনি। ভদ্রলোক দুই ছেলেকে বিদেশে পড়াবার জন্য শেষ সম্বল জমিটুকু বিক্রি করে দিয়েছিলেন। যার পরিনতিতে উনার উন্নত চিকিৎসায় অর্থসংকটে পড়েছিলেন।

মা বাবা কি ভেবেছিলেন, মুরগীর ছোট পিস আর আমের আঁটি খাওয়া মেয়েটাই সব বিপদে পাশে থাকবে? উনারা কি ভেবেছিলেন মুরগীর পায়ের রান নিয়মিত খাওয়ালেও দুই রত্ন প্রয়োজনে নিজেদের পায়ে শক্তি পাবে না?

সুস্থ কিংবা অসুস্থ অবস্থায় বছরের পর বছর যাকে দেখা সম্ভব হয় না, দেশে এসে সময় দেয়া সম্ভব হয় না, মৃত্যুর পর লাশ ৩ দিন গাড়িতে রেখে একটু চেহারা দেখাতে দেশে আসা কেন এত জরুরী? সম্পত্তি ভাগের কথা উঠলে কিন্তু ২৪ ঘন্টার মধ্যেই অনেকে টিকেট ম্যানেজ করে ফেলে।

04/11/2025

আমি আনুগত্যের অর্থ নিয়ে এক অন্তহীন যুদ্ধে আছি।
বিশ্বাসঘাতকদের প্রতিও দিয়েছি আনুগত্যের শপথ—
এ যেন নিজেকেই ধোঁকা দেওয়ার প্রতিজ্ঞা।

আগুন আজ সাগরে পরিণত,
বাতাসও বয়ে যায় উন্মত্ত ঝড়ের মতো।
ভাঙা ধার হাতে, তবু আমি পথ হারাইনি—
কারণ নীরবতা, আসলে, এক প্রতারণাময় মুখোশ।

তুমি কি কখনো দেখেছো, কেন আমি ক্রোধে জ্বলছি?
আমার সম্পর্কের খেলোয়াড়রা—
এখন তাদের বিছানাতেই আমি শিখছি প্রতারণার কৌশল।

যখন দিনের আলোয়ও পা রাখার পথ থাকে না,
তখন হিজরের রাতগুলো দোলনায় তোলে নিঃসঙ্গতার গান।

02/11/2025

ভারতীয় অভিনেতা আরশাদ ওয়ার্সী এক ইন্টারভিউয়ে মাকে নিয়ে বলেন। তিনি বলেন,আমার মা ছিলো কিডনি পেশেন্ট।

তার ডায়ালাইসিস চলছিলো।

তিনি ভর্তি ছিলেন হাসপাতালে। ডাক্তার আমাকে বলেন কোন অবস্থায় পানি দেয়া যাবে না।

সেই রাতে হঠাৎ মা জেগে বলতে লাগলো পানি পানি পানি।

আমি বললাম না মা,তোমাকে পানি দেয়া যাবে না।

ডাক্তারের নিষেধ আছে।বহুবার বলার পরও আমি তাকে একফোঁটা পানি দেই নি।

সেই ভোর রাতেই মা মারা যান।

It killed me.আমি অনেক কষ্ট পেয়েছি এর জন্য। অনেক মানসিক যন্ত্রণায় ভুগেছি।

পরে মনকে এই বলে সান্ত্বনা দিয়েছি,আচ্ছা সেই রাতে আমি যদি মাকে পানি দেয়ার পর মা মারা যেতো।সারাজীবন আমার মনে হতো আমার ভুল কাজের জন্য মা মারা গেছেন।

অভিনেতার কথাগুলো শুনে মনে হলো,আসলে জীবনটা বড় অদ্ভুত!

প্রিয়জনদের ভালো রাখার জন্য,তাদের ভালো খাবার দেয়ার জন্য আমরা জীবনে কতো কষ্ট করি।

অথচ

সময় এমনও কঠিন পরিস্থিতিতে আমাদের এনে দাঁড় করায়,সেই প্রিয়জনকেই শেষ সময়ে তার প্রিয় কোন খাবার কিংবা জলটুকু দেয়া যায় না।

আর সেই আফসোস আমাদের বয়ে বেড়াতে হয় আজীবন!

ইমরান খান ও জেমিমা খানের বিবাহ বিচ্ছেদের সময় কোর্টের বিচারক ঘোষণা করলেন, জেমিমার সম্পত্তির অর্ধেক ১২ হাজার কোটি পাউন্ড ...
23/10/2025

ইমরান খান ও জেমিমা খানের বিবাহ বিচ্ছেদের সময় কোর্টের বিচারক ঘোষণা করলেন, জেমিমার সম্পত্তির অর্ধেক ১২ হাজার কোটি পাউন্ড ইমরান খান পাবেন।

ইমরান খান উত্তর দিলেন, আমার তার দরকার নেই।

বিচারক আশ্চর্য হয়ে গেলেন, জেমিমাকে জিজ্ঞেস করলেন, তিনি কেন এরকম নির্লোভ এবং মহান একজন স্বামীর সাথে বিচ্ছেদ চাচ্ছেন?

জেমিমার উত্তর ছিল, ইমরান খান যদি লন্ডনে তার সাথে বসবাস করেন তাহলে তিনি এই বিচ্ছেদ চাইবেন না। বিচারক জিজ্ঞেস করলেন জেমিমা আপনি কেনো পাকিস্থানে থাকতে চান না?

জেমিমার উত্তর ছিলো, পাকিস্তানের কলুষিত রাজনৈতিক নোংরা শিকারে পরিণত হচ্ছেন তিনি। নওয়াজ শরিফ সরকার তাকে স্মাগলিং মামলায় ফাঁসিয়েছে।

বিচারক ইমরান খানকে জিজ্ঞেস করলেন তিনি কেনো লন্ডনে থাকতে চাচ্ছেন না? ইমরান খানের উত্তর ছিলো পাকিস্তান অনেক গরিব দেশ এই দেশে অশিক্ষা দারিদ্র্য অবিচারে ভরপুর তিনি কিছু একটা করতে চান দেশের জন্য। তাই লন্ডনে থাকে তার জন্য সম্ভব নয়।

বিচারক বলেন সে ক্ষেত্রে বাচ্চা দুজন তাদের মায়ের সাথে থাকবে। ইমরান সানন্দে রাজি হলেন এবং বললেন জেমিমা অত্যন্ত চমৎকার একজন স্ত্রী এবং তার চেয়েও চমৎকার একজন মা সুতরাং বাচ্চাদের তার কাছেই থাকা উচিত।

বিচারক আশ্চর্য হয়ে তাকিয়ে রইলেন ইমরান খানের দিকে। ইমরান খানের সাথে হাত মেলালেন এবং তার পরপরই বিবাহ বিচ্ছেদ ঘোষণা করলেন।

জেমিমা ও ইমরান খান পরস্পরকে জড়িয়ে ধরে কাঁদতে থাকলো। ©

“তালাক কেন বাড়ছে?” – ৯ মাসের বাস্তব গবেষণার ফলাফলগত ৯ মাসে ২৪৫ জন তালাকপ্রাপ্ত নারী ও পুরুষের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে — উদ্দ...
22/10/2025

“তালাক কেন বাড়ছে?” – ৯ মাসের বাস্তব গবেষণার ফলাফল

গত ৯ মাসে ২৪৫ জন তালাকপ্রাপ্ত নারী ও পুরুষের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে — উদ্দেশ্য একটাই, জানতে চাওয়া: কেন ভাঙছে সম্পর্ক?

📊 গবেষণার ফলাফল:
৭২% তালাক হয়েছে ভুল বোঝাবুঝি, অহংকার, এবং একে অপরকে সম্মান না করার কারণে।
১৮% তালাকের মূল কারণ পরকীয়া।

🔸 ১০% তালাক ঘটেছে স্ত্রীর অতিরিক্ত বিলাসিতা ও অবাস্তব চাহিদার কারণে।
👉 আশ্চর্যের বিষয় হলো, ৭৮% তালাকের কারণ নারী, আর ২২% ক্ষেত্রে দায়ী পুরুষ।

তালাকের পর অনুশোচনা:
৯২% নারী ও পুরুষই তালাকের পর অনুতপ্ত।
তাদের মুখে একটাই কথা —
“সিদ্ধান্তটা ভুল ছিল... যদি আরেকটু ধৈর্য ধরতাম!”

তালাকের পর নারীদের অবস্থা:
৮৯% তালাকপ্রাপ্ত নারী আর দ্বিতীয়বার বিয়ে করতে পারছে না।
৪% নারী নিজের ইচ্ছায় বিয়ে এড়িয়ে চলছে।
৭% নারী ভুল পথে চলে গেছে সমাজের অবহেলায়।

পুরুষদের অবস্থাঃ
৮৫% পুরুষ দ্বিতীয়বার বিয়ে করে সংসার করছে।
১৩% পুরুষ বিয়ে নিয়ে অনাগ্রহী।
২% পুরুষ পথভ্রষ্ট জীবনে জড়িয়ে পড়েছে।

আরও বিস্ময়ের বিষয় হলো —
৬৭% পুরুষ কুমারী মেয়েকে বিয়ে করেছে,
অথচ নারীরা কুমার পুরুষ পেয়েছে মাত্র ০.১% ক্ষেত্রে!

দ্বিতীয় বিয়ের পর বাস্তবতা:
১২% নারী দ্বিতীয় বিয়েতেও তালাকপ্রাপ্ত।
৮৯% নারী দ্বিতীয় সংসারে অসুখী।
অন্যদিকে, মাত্র ২% পুরুষ দ্বিতীয়বার তালাক দিয়েছে,
এবং মাত্র ৩% পুরুষ দ্বিতীয় সংসারে অসুখী।

সবচেয়ে অবাক করা তথ্য হলো —
> দ্বিতীয়বার তালাক দেওয়া পুরুষদের স্ত্রীরা প্রায় সবাই আগের তালাকপ্রাপ্ত নারী!
কিন্তু যারা বিধবা নারীকে বিয়ে করেছে, তাদের ৯৩% পুরুষই সুখী সংসার করছে।

শেষ কথা
তালাক শুধু দুটি জীবনের বিচ্ছেদ নয়,
এটা ভেঙে দেয় একটি পরিবারের শান্তি,
একটি শিশুর ভবিষ্যৎ, আর সমাজের ভারসাম্য।

Address

1st Moshjid Bari Lane, Aruapara
Kushtia
7000

Telephone

+8801711397601

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Sopno Neer posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Establishment

Send a message to Sopno Neer:

Share