28/12/2025
সচেতনতামূলক পোস্ট:⛔
🖋️শাহেদ সরোওয়ার্দী
পড়ুন এবং উদ্যোগী হোন!🙏
নিজে সচেতন হোন এবং অপরকেও সচেতন করুন।👊 প্রতিরোধ গড়ে তুলুন। নিবৃত্ত করুন!✊
বলছি চায়না দুয়ারী জাল প্রসঙ্গে:🥅🕸️🐠🐟🦈🕸️🥅
চায়না দুয়ারী জাল বাংলাদেশে মৎস্য আইনে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ, তবে নির্দিষ্ট কোনো একটি নির্দিষ্ট সাল থেকে এটি নিষিদ্ধ হয়েছে এমন তথ্য নেই, বরং এর ক্ষুদ্র ফাঁস (mesh size) এবং মাছের পোনা ও ডিমসহ সবকিছু ধরে ফেলার কারণে এটি সবসময়ই নিষিদ্ধ ছিল এবং এখনও এর ব্যবহার বন্ধে নিয়মিত অভিযান চলছে ও এটি অবৈধ। বাংলাদেশের প্রচলিত মৎস্য আইন অনুযায়ী, সাড়ে চার সেন্টিমিটারের কম ফাঁসের যেকোনো জালই নিষিদ্ধ, যার মধ্যে চায়না দুয়ারী জাল অন্যতম, যা ছোট মাছ ও জলজ প্রাণী ধ্বংস করে জীববৈচিত্র্যের হুমকি সৃষ্টি করে।
মূল বিষয়:🐠🐚
নিষিদ্ধকরণ: চায়না দুয়ারী জাল কবে নিষিদ্ধ হয়েছে তার নির্দিষ্ট সাল নেই, কারণ এটি সর্বদা আইনত নিষিদ্ধ।
আইনি ভিত্তি: মৎস্য আইন অনুযায়ী, ৪.৫ সে.মি. এর ছোট ফাঁসের জাল (যেমন চায়না দুয়ারী) অবৈধ, যা পোনা ও ডিমসহ সব মাছ ধরে ফেলে।
বর্তমান অবস্থা: আইন থাকা সত্ত্বেও এর ব্যবহার ব্যাপক, তাই মৎস্য অধিদপ্তর ও অন্যান্য সংস্থা নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে এই জাল জব্দ ও ধ্বংস করছে।
সুতরাং, এটি একটি স্থায়ীভাবে নিষিদ্ধ জাল, যা মাছের বংশবৃদ্ধি ও জীববৈচিত্র্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। চায়না দুয়ারি'র বিস্তারে হুমকিতে মৎস্যভান্ডার |
চায়না দুয়ারি জাল তৈরি, ব্যবহার, বিপণন, পরিবহন নিষিদ্ধ।
এখনই যদি সচেতন না হই তবে আমার দেশীয় সকল মাছ বিলুপ্ত ও ধ্বংস হয়ে যাবে। আমাদের অতিরিক্ত লোভ মৎস সম্পদ ধ্বংস করে ফেলবে। একবারে খেয়ে ফেলার প্রবণতার কারণেই আজ সকল দেশীয় মৎস্য বিলুপ্ত বা ধ্বংস হবার পথে।
সোনার ডিমপাড়া হাঁসের পেট ফেড়ে যেমন হাঁসকে মেরা ফেলা হয়েছিল তেমনি একবারে ধরে ফেলে দেশীয় মাছের প্রজাতি ধ্বংস করা হচ্ছে। আসুন নিজে এই জাতীয় সকল প্রকার জাল ব্যবহার থেকে বিরত থাকি। অন্যদেরও এই জাল ব্যবহারে নিরুৎসাহিত করি। প্রয়োজনে বাঁধা প্রদান করি। এমনকি বিশেষ প্রয়োজনে আইন প্রণয়নকারী সংস্থার এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের সাহায্য নিই।
🐠🐟🐠 দেশীয় প্রজাতির মাছ রক্ষা করতে পারলেই আমাদের ও আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের আমিষের চাহিদা পূরণ হবে। পাশাপাশি প্রকৃতির ভারসাম্যও রক্ষা পাবে।।
#মৎস্য #মৎসঅধিদপ্তর #আইন #পরিবেশমন্ত্রণালয়