04/04/2025
ঈদের শেষে ঢাকায়ে ফেরায় কিছু সতর্কতা অবলস্বন করুন
ভালো করে ব্যাগ গুছিয়ে নিন।
কাপড় থেকে শুরু করে, ল্যাপটপ, চার্জার সব কিছুই আগেভাগে ব্যাগে ঢুকিয়ে ফেলুন। বাড়ি থেকে বের হওয়ার সময় টিকিটটা নিতে ভুলবেন না।
দরকার মতো পর্যাপ্ত পরিমাণ খাবার পানি, স্যালাইন ওয়াটার আর কিছু শুকনা খাবার সাথে নিতে পারেন যাত্রার সময়।
পারলে মাস্ক পরে থাকার চেষ্টা করবেন। ভ্রাম্যমান লোকের কাছ থেকে মাস্ক কিনবেন না। মাস্ক বিষয়ে সতর্ক হবেন অবশ্যই কাপড়ের মাস্ক ব্যবহার করবেন।
যে গাড়িতে আপনি গন্তব্যে যাবেন সেই ড্রাইভারকে ওভারটেক না করতে অনুরোধ করুন, গাড়ি আসতে ধিরে চালাত বলুন।
একা যাত্রী হয়ে কোন গাড়িতে ভ্রমণ করবেন না। অতিরিক্ত যাত্রী হয়ে বাস, ট্রেন ও লঞ্চে উঠবেন না। তাড়াহুড়া করে কিংবা ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় যানবাহনে উঠবেন না। ট্রেনের ছাদে কিংবা বাসের ছাদে চড়া থেকে বিরত থাকুন। নদীপথে ফেরার সময় ছোট শিশুদের হাতছাড়া করবেন না। বাচ্চাদের নিয়ে লঞ্চের বাহিরে রেলিংয়ের পাশে দাঁড়াবেন না।
ফেরার পথে রাস্তার পাশে ডাব বা পানীয় জিনিস খাওয়া থেকে সতর্কতা অবলম্বন করুন। রাস্তায় অপরিচিত কারও কাছ থেকে কোন কিছু খাবেন না।
রাস্তায় বাস বা ট্রেন বা লঞ্চ টার্মিনালে পকেটমার ও দুস্কৃতিকারী হতে সাবধান থাকুন।
সহযাত্রী বেশে থাকা অজ্ঞান পার্টি ও মলম পার্টির খপ্পর হতে সাবধানতা অবলম্বন করুন। মধ্য কিংবা শেষ রাতে বাসস্ট্যান্ড, লঞ্চ টার্মিনাল ও রেলস্টেশন থেকে নামলে সতর্কতার সাথে চলাচল করুন।
গাড়ির সিটে অথবা সিটের আশেপাশে পড়ে থাকা পানি কখনোই ব্যবহার করবেন না। ভ্রমণের সময় অপরিচিত কোনো ব্যক্তির কাছ থেকে কখনোই কোনো কিছু খাবেন না, সে যতই ভালো মনে হোক না কেন।
আপনার আশেপাশে অপরিচিত কোন ব্যক্তির হাত, আপনার নাকে মুখে আনতে দেওয়া যাবে না, হাতটা খালি মনে হলেও।
ভ্রমণের সময় গাড়ির ভেতরে কারো সাথে বন্ধুত্বসূলভ সম্পর্ক গড়ে তুলবেন না। মনে রাখবেন গাড়ি থেকে নামার পরে আপনাদের বন্ধুত্ব শেষ হয়ে যাবে।
কোনো অপরিচিত ব্যক্তি আপনার কাছে ঠিকানা জানার জন্য কোন প্রকার কাগজ হাতে দিতে চাইলে সেটা ভুলেও ধরবেন না। এমনকি কোনো কাগজ ঠিকানা দেখার বাহানাতে আপনার চোখের সামনে নিয়ে আসতে দিবেন না।
গাড়ির ভেতরে কেউ আপনাকে মুখ দিয়ে বাতাস করার সাথে সাথে চিৎকার করে উঠবেন। আশেপাশে থাকা সবাইকে অবহিত করবেন যে আমি যদি অজ্ঞান হয়ে যাই তার জন্য আমার এই পাশে বসা লোক দায়ী।
আবার কেউ যদি বলে যে আমার মোবাইলে ঘড়ির টাইমটা একটু ঠিক করে দেন বা হাতে মোবাইল দিতে চাইলে সেটা নিবেন না। কারন স্কোপোলামিন কেমিক্যাল আপনার হাতে লাগলে আপনার মনের অজান্তেই কখন মুখের কাছে নিবেন সেটা বুঝতেই পারবেন না। আর ওটার জন্যই ফাঁদ পেতে অপেক্ষা করবে সেই ব্যক্তি।
প্রয়োজনে আপনার আশেপাশে থাকা নিকটস্থ পুলিশের সহায়তা নিন।