Anabia Chowdhury Anayea

Anabia Chowdhury Anayea "যদি ভালো পেনসিল হতে না পারো,কারো সুখের গল্প লেখার জন্য, তাহলে ভালো রাবার হও, যেন কারো দুঃখ মুছে দিতে পারো"

→যারা Follow দিবেন ভাবছেন, তারা একটু কষ্ট করে পড়ুন।

আপনি আমার বন্ধু হওয়ার জন্য about দেখতে এসেছেন? এখন ভাবছেন একটা Follow দিবেন।
দেন সমস্যা নাই। আমার বন্ধু হবেন,আমার
সাথে সখ্য গড়বেন তাতেও সমস্যা নাই। তবে হ্যা আপনাকে অবশ্যই শালিন চিন্তা চেতনা সম্পুর্ন হতে হবে। অশালীন হলে আপনাকে আমার পক্ষে বন্ধু হিসেবে নেওয়া অসম্ভব।

আমার অনুমতি ছাড়া কখনো ই ট্যাগ করা যাবেনা। কারন নোটিফিকেশন আমার খুব অসহ্য লা

গে। আশা করি বুঝতে পেরেছেন।

খারাপ পেইজ এ লাইক দেওয়া, খারাপ ছবি পোষ্ট করা জনিত যদি কোন সংক্রামক ব্যাধি থেকে থাকে তাহলে আশা করি আমার কাছ থেকে খারাপ কিছু না শুনে আপনি নিজে থেকেই আমার থেকে দুরে থাকবেন।

ইনবক্সে এসে অযথা লাইক চেয়ে বিরক্ত করতে পারবেননা। আপনি লাইক পাওয়ার মত পোষ্ট করুন,আমি অবশ্য ই আপনার পোষ্টে লাইক কমেন্ট করবো ইনশাল্লাহ।

আমি প্রতিদিন ই দুই একটা পোষ্ট করি আপনার ভাল লাগলে লাইক দিবেন না লাগলে দিবেননা। কিন্তু মাইরালা, কাইট্টালা
টাইপের কোন কমেন্ট করতে পারবেননা। এতে আমার ব্যাক্তিগত সুনাম ক্ষুন্নু হয়।আশা করি এটা থেকে বিরত থাকবেন।

নাস্তিক রা দয়া করে আমার আইডির ধারে কাছেও আসবেননা। যারা ধর্ম হাইড করে রাখেন এমন লোকরা দয়া করে আমাকে Follow দিবেননা। আপনার আইডি আর নাস্তিক চিন্তা চেতনা নিয়ে দুরুত্ব বজায় রাখুন,কাছে আসলে বিপদ আছে।

আমার অপরিচিত বা বয়সে ছোট হলে কখনো ই তুমি বলে ডাকার দুঃসাহস দেখাবেননা। কারন এটা আমার একদম ই পছন্দ না। এতে করে আমাকে আপনার দাম্ভিক ভাবার শতভাগ সুযোগ আছে,কিন্তু আমার কিছু করার নাই।সবারই আলাদা কিছু পছন্দ থাকে।

আমার কথা গুলিকে প্লিজ শর্ত ভাববেননা। এগুলো আমার অনুরোধ। আপনি যদি এবার মনে মনে ভেবে থাকেন যে আমাকে Follow দিবেন, তাহলে দিন। তবে Follow দিয়ে অবশ্যই একটা ম্যাসেজ দিবেন।

→উপরিক্ত কথা গুলো পড়ে হয়তো ভাবছেন আমি খুব কঠিন মনের মানুষ? তাহলে আমি বলবো আপনি সম্পুর্ন ভুল। আমি ও আপনার মত রক্তে মাংসে গড়া একজন মানুষ। ভার্চুয়াল লাইফ কারো জিবনেই অধিক গুরুত্ব বহন করেনা। এখানে আশার মুল উদ্দ্যেশ্য হল,কিছু অলস সময় একটু আনন্দে কাটানো। আমিও ব্যতিক্রম নই। হাসি ঠাট্টা আমিও বুঝি তবে আপনাকে অবশ্যই সিনিয়র জুনিয়র বিষয় টা মাথায় রাখতে হবে।

কলেজের সেই প্রথম দিনটির কথা ভাবলে আজও বুকের ভেতরটা কেমন হাহাকার করে ওঠে। নবীনবরণ অনুষ্ঠান—চারদিকে ঢাক-ঢোলের শব্দ, নতুন ন...
14/03/2026

কলেজের সেই প্রথম দিনটির কথা ভাবলে আজও বুকের ভেতরটা কেমন হাহাকার করে ওঠে। নবীনবরণ অনুষ্ঠান—চারদিকে ঢাক-ঢোলের শব্দ, নতুন নতুন মুখের আনাগোনা, আর রঙিন সব আড্ডা। সেই উৎসবের কোলাহলের মাঝে আমার চোখ দুটো হঠাৎ থমকে গিয়েছিল একটি শান্ত ছেলের ওপর। ভিড়ের মাঝে ও যেন এক টুকরো স্নিগ্ধতা। কেন জানি মনে হয়েছিল, এই অচেনা মানুষটাই বুঝি আমার খুব চেনা। কোনো এক অদৃশ্য সুতোয় ও আমায় টেনেছিল সেদিন। সেই প্রথম দেখা থেকেই মনের এক গহীন কোণে ওকে সযত্নে সাজিয়ে রেখেছিলাম। কাউকে বলিনি, এমনকি ওকেও না। একতরফা ভালো লাগাগুলো যখন গোপনে মহীরুহ হয়ে উঠছিল, তখন ভাগ্যের এক অদ্ভুত খেলায় কলেজের ফেসবুক গ্রুপে ওর আইডিটা পেয়ে গেলাম। ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠানোর সময় আমার আঙুল কাঁপছিল, বুক ধড়ফড় করছিল এক অজানা ভয়ে। কিন্তু সবটুকু অবাক করে দিয়ে ও যখন নিজেই মেসেজ দিয়ে বলল, "তোমাকেই তো আমি খুঁজছি!"—সেদিন মনে হয়েছিল আমি পৃথিবীর সবচেয়ে ভাগ্যবতী মেয়ে।
​আমি সেদিনই বুঝেছিলাম, ভালোবাসা হয়তো দুই তরফ থেকেই ছিল। ও ভাবত আমি খুব সহজ-সরল একটা মেয়ে, দুনিয়াদারির প্যাঁচঘোচ বুঝি না। আমাদের সম্পর্কের শুরুটা ছিল স্বপ্নের মতো। কিন্তু সেই স্বপ্নের কাঁচ ভাঙতে খুব বেশি সময় লাগেনি। ওর বন্ধুরা আড়ালে বলত, ও নাকি আমার সাথে কেবল সময় কাটানোর জন্য মিশছে। কিন্তু প্রেমে পড়লে মানুষ বোধহয় অন্ধ আর বধির হয়ে যায়। আমিও হয়েছিলাম। ওর ওপর আমার বিশ্বাস ছিল পাহাড় সমান।
​হঠাৎ একদিন সব এলোমেলো হয়ে গেল। ওর আইডি থেকে একটা অচেনা মেয়ের মেসেজ এল— "কে তুমি?" মুহূর্তেই আমার মাথায় রক্ত উঠে গেল। যাকে আমি আমার আকাশ ভেবেছি, তার ভাগ অন্য কেউ নেবে—এটা ভাবতেই আমার দম বন্ধ হয়ে আসছিল। সেই মেয়েটার সাথে আমার প্রচণ্ড ঝগড়া হলো, গালিগালাজ হলো। অথচ যাকে নিয়ে এই যুদ্ধ, সেই মানুষটা সারাদিন নিখোঁজ। রাতে যখন ওর দেখা পেলাম, আমি কেবল সত্যটা জানতে চেয়েছিলাম। আমি ওর ফোন থেকে সেই মেয়েটির—মৌ-এর—বাড়ির নম্বর নিয়ে ফোন করে সব বিচার দিলাম। আমার প্রেমিক সেখানে মূর্তির মতো চুপচাপ দাঁড়িয়ে দেখছিল। তখন বুঝিনি, তার সেই নীরবতা কোনো অনুশোচনা ছিল না; বরং অন্য কাউকে হারানোর চরম আতঙ্ক ছিল।
​সম্পর্কটা এরপর থেকে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলতে লাগল। ও ফেসবুকে সারাক্ষণ বিষণ্ণ পোস্ট দিত, আর আমি বোকার মতো ভাবতাম হয়তো আমার সাথে ঝগড়া করে ও কষ্ট পাচ্ছে। দু-মাস পর একদিন আমার সামনে ও শিশুর মতো ডুকরে কেঁদে উঠল। ওর সেই কান্নার আওয়াজ আজও আমার কানে বাজে। ও বলল, "আমি ওর কাছে চলে যাব, ওকে ছাড়া আমি বাঁচব না।" আমার পায়ের তলার মাটি যেন এক নিমিষেই সরে গেল। যাকে আমি আমার সর্বস্ব দিয়ে আগলে রেখেছি, সে অন্য কারো জন্য মেঘ হয়ে ঝরছে! ওর কষ্ট দেখে আমি নিজের ক্ষতগুলোর কথা বেমালুম ভুলে গেলাম। ওর এক বন্ধু তখন ওকে বোঝাচ্ছিল, "মৌ-এর সাথে তোর হবে না রে, ওর বাসা দূরে, পরিবার মানবে না। এভা তো ঘরের মেয়ে, একে দিয়েই তোর পরিবারকে মানাতে পারবি।"
​সেদিন প্রথম উপলব্ধি করলাম, আমি ওর কাছে ভালোবাসা নই, স্রেফ একটা 'সেফ অপশন'। যখন ও মৌ-কে পেল না, তখন আবার আমার কাছে ফিরে এল। আমি জানতাম ওর হৃদয়ে আমার কোনো স্থান নেই, তবুও আমি ওকে ছেড়ে যেতে পারিনি। প্রতিদিন বিষের মতো নীল হয়ে জিজ্ঞেস করতাম, "তুমি কি ওকে ভুলে গেছ?" ও হাসিমুখে বলত, "হ্যাঁ।" কিন্তু সেই হাসি ছিল সাপের কামড়ের মতো বিষাক্ত। এক মাসও কাটেনি, একদিন মাঝরাস্তায় ও আমায় থামিয়ে প্রশ্ন করল, "এভা, আমাকে ভুলতে তোমার কতদিন সময় লাগবে?"
​কথাটা শুনে মনে হলো কেউ আমার জ্যান্ত বুকে ধারালো ছুরি বসিয়ে দিয়েছে। ও কাঁদতে কাঁদতে বলল, "আমি তোমার সাথে ভালো নেই। প্লিজ, আমাকে মৌ-এর কাছে ফিরিয়ে দাও।" নিজের ভালোবাসার মানুষকে অন্যের কাছে ভিক্ষা দেওয়ার চেয়ে বড় যন্ত্রণা পৃথিবীতে আর কী হতে পারে? ওর সেই আকুতি সইতে না পেরে আমি নিজেই মৌ-কে মেসেজ দিলাম ওর সাথে কথা বলতে। ভেবেছিলাম হয়তো একদিন কথা বললে ওর মন শান্ত হবে, পরদিন ও আবার আমার কাছেই ফিরবে। কিন্তু পরদিন সকালে উঠে দেখলাম ওরা একে অপরের হয়ে গেছে। আমাকে এক নিমিষেই ছুঁড়ে ফেলে দেওয়া হলো কোনো এক ভাগাড়ের আবর্জনার মতো।
​আমি যখন যন্ত্রণায় ছটফট করছি, ও তখন আমাকে সান্ত্বনা দিয়ে বলল, "তুমি কয়েকটা দিন অপেক্ষা করো, আমি আবার তোমার কাছে আসব।" অর্থাৎ মৌ-এর সাথে বনিবনা না হলে আমি তো 'বিকল্প' হিসেবে আছিই! ও আমাকে অগ্রাহ্য করা শুরু করল। আমার অস্তিত্ব তখন ওর কাছে কেবল এক বিরক্তির নাম। বন্ধুদের চাপে নিজেকে সামলাতে অন্য একটি ছেলের সাথে কথা বলা শুরু করেছিলাম। কিন্তু আমার মন পড়ে থাকত সেই মানুষটার কাছেই। নতুন ছেলেটির চোখের দিকে তাকালে আমি আমার প্রাক্তনকেই খুঁজতাম। ছেলেটি যখন আমার মনের এই অস্থিরতা বুঝে গেল, সেও একদিন নীরবে সরে গেল। আমার তাতে কোনো আফসোস ছিল না।
​এরপর একদিন ও আবার ফিরে এল। যেন কিছুই হয়নি! আমি তো পাগল, ওকে দেখেই সব ভুলে গেলাম। কিন্তু ও যখন জানতে পারল মাঝখানের সময়টাতে আমি অন্য কারো সাথে কথা বলেছি, ও পশুর মতো আচরণ শুরু করল। আমাকে চড়-থাপ্পড় মারল, যাচ্ছেতাই গালি দিল। আমাকে টেনে নিয়ে গেল সেই ছেলেটির সামনে। ওর নোংরা অভিযোগ ছিল, আমি নাকি ওই ছেলেটির সাথে শারীরিক সম্পর্কে জড়িয়েছি। আমার চরিত্র নিয়ে ওর সেই বিষাক্ত প্রশ্নগুলো আমার আত্মাকে ছিঁড়ে ফেলছিল। ছেলেটি যখন সবার সামনে পরিষ্কার করে বলল যে আমাদের মধ্যে কিছুই হয়নি, ও তখন গটগট করে চলে গেল। আর আমি? আমি ওর পেছনে গিয়ে সেই ভুলের জন্য ক্ষমা চাইলাম, যা আমি কোনোদিন করিনি। কেবল ওকে হারানোর ভয়ে আমি নিজের শেষ আত্মসম্মানটুকুও ওই রাস্তার ধুলোয় বিসর্জন দিলাম।
​পরবর্তী দিনগুলো ছিল জীবন্ত নরক। ও কথায় কথায় আমাকে সেই অপবাদ দিত। নোংরা ভাষায় বিঁধত। অথচ ওর সব নোংরা অতীত আমি সমুদ্রের মতো বিশাল মন নিয়ে সয়ে গিয়েছিলাম। হঠাৎ ও আবার খুব যত্ন দেখাতে শুরু করল। আমার তপ্ত মরুভূমির মতো জীবনে এক পশলা বৃষ্টির মতো মনে হলো ওকে। ভাবলাম, মানুষটা বুঝি এবার সত্যিই বদলেছে। কিন্তু কপালে সুখ নেই যার, তার জন্য সব আশাই মরিচিকা। একদিন ওর ফোন চেক করে দেখলাম, সেই পুরনো মৌ-এর সাথে ওর নিয়মিত যোগাযোগ চলছে। সবটুকু যত্ন ছিল নিছক অভিনয়।
​আমার পরিবারের সবাই ওর কথা জানত, কিন্তু ও কোনোদিন ওর বাসায় আমার কথা বলেনি। বিয়ের কথা তুললেই ও এড়িয়ে যেত। আজ আমাদের আর কথা হয় না। ও নেই, কিন্তু আমার জগতের প্রতিটি ধূলিকণায় ওর স্মৃতি বিষ হয়ে মিশে আছে। আমি জানতাম ও আমাকে কোনোদিন প্রকৃত ভালোবাসেনি, তবুও আমি ওকে ভালোবেসে গেছি নিঃস্বার্থভাবে। আজ এক অদ্ভুত শূন্যতা কাজ করে। ফোনের গ্যালারিতে ওর ছবি নেই হয়তো, কিন্তু মস্তিষ্কের কোষে কোষে ওর প্রতিটি আঘাত আর প্রতিটি ভালোবাসার নাটক পাথরে খোদাই করা অক্ষরের মতো রয়ে গেছে।
​আমি জানি, ওর জীবনে আমার কোনো জায়গা নেই। আমি ছিলাম ওর গল্পের একটি অপ্রয়োজনীয় চরিত্র, যে কেবল প্রয়োজনে ব্যবহৃত হয়েছে। কিন্তু আমার গল্পের প্রতিটি পাতায় শুধু ও-ই ছিল। আজ আমি একা, বিষণ্ণ এক নিঃসঙ্গ পথিক। ভালোবাসা হয়তো সবার জন্য নয়, অন্তত আমার মতো মেয়েদের জন্য তো নয়ই। আমার এই নিঃশব্দ কান্নার খবর কোনোদিন ওর কানে পৌঁছাবে না, আর পৌঁছালেও ওর তাতে কিছু যায় আসবে না। কারণ কিছু মানুষ জন্মায় কেবল ভালোবাসার জন্য, আর কিছু মানুষ জন্মায় শুধু ব্যবহৃত হওয়ার জন্য।

৩ মাসের মধ্যে সংসদে যাচ্ছেন নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারী? কি আশ্চর্য হচ্ছেন?? কীভাবে কাজ করবে এই নতুন সমীকরণ!​গণভোটে 'হ্যাঁ' জয়ী...
13/02/2026

৩ মাসের মধ্যে সংসদে যাচ্ছেন নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারী? কি আশ্চর্য হচ্ছেন??

কীভাবে কাজ করবে এই নতুন সমীকরণ!
​গণভোটে 'হ্যাঁ' জয়ী হওয়ার পর বাংলাদেশের সংসদীয় কাঠামোতে বড় পরিবর্তন আসতে যাচ্ছে। নতুন করে যুক্ত হচ্ছে ১০০টি আসনের "উচ্চকক্ষ"। আর এই আসনগুলো বণ্টন হবে সম্পূর্ণ নতুন একটি পদ্ধতিতে, যাকে বলা হয় PR (Proportional Representation) বা আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব।
​PR পদ্ধতিটা আসলে কী? 🤔
খুব সহজ! এখানে কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তির চেয়ে বড় পরিচয় হলো তাঁর 'দল'। সারা দেশে একটি দল মোট ভোটের যত শতাংশ (Percentage) পাবে, ১০০টি আসনের মধ্যে তারা ঠিক ততগুলো আসনই পাবে।
​📊 হিসাবটা অনেকটা এইরকম:
✅ দল A যদি ৪০% ভোট পায় → তারা পাবে ৪০টি আসন।
✅ দল B যদি ৩০% ভোট পায় → তারা পাবে ৩০টি আসন।
✅ দল C যদি ২০% ভোট পায় → তারা পাবে ২০টি আসন।
​নির্বাচনে হারা প্রার্থী কি এমপি হতে পারবেন? 🧐
হ্যাঁ, পারবেন! সরাসরি নির্বাচনে কেউ হেরে গেলেও যদি তাঁর দল তাকে উচ্চকক্ষের 'তালিকা'য় (Priority List) রাখে, তবে তিনি অনায়াসেই সংসদে যেতে পারবেন (যদি কোনো আইনি বাধা না থাকে)।
​এই নিয়মেই হয়তো আমরা আগামী ৩ মাসের মধ্যে নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারীসহ অনেক পরিচিত মুখকে নীতি-নির্ধারণী উচ্চকক্ষে দেখতে পাব। ক্ষমতার ভারসাম্য রক্ষায় এটি একটি ঐতিহাসিক পদক্ষেপ হতে যাচ্ছে! 🇧🇩

কেউ কথা রাখেনি, চুয়ান্ন বছর কাটলো,কেউ কথা রাখেনি।​রাজপথের সেই লড়াকু ছেলে ওসমান হাদি বলেছিল—"ভাই, এবার একটা ভোট দেবো, বুক...
12/02/2026

কেউ কথা রাখেনি, চুয়ান্ন বছর কাটলো,
কেউ কথা রাখেনি।

​রাজপথের সেই লড়াকু ছেলে ওসমান হাদি বলেছিল—
"ভাই, এবার একটা ভোট দেবো, বুক ভরে নিশ্বাস নেবো।"

তারপর কত রাত গেল, কত রক্ত ঝরলো পিচঢালা পথে,
কিন্তু হাদি আর ফিরলো না, সে ঘুমিয়ে আছে মাটির তলে;

পবিত্র সেই ভোটের অধিকার হাদির সাথে কবরেই রয়ে গেল!
হাদি, আমি আর কত রক্ত দিলে—
তোমার সেই স্বপ্নের মানচিত্রটা একবার ছুঁতে পারবো?

​ঢাকা-৮ এর সেই আমলা বন্ধু আমায় বলেছিল—
"বন্ধু,,, এবার আমরা সৎ, এবার বড় আদর্শবান!"

২৭৫,০০০ ভোটারের ছোট্ট পাড়া, মাত্র একশো আটটি কেন্দ্র;
তিন প্রহরের বিল নয়, আমি তো চেয়েছিলাম কয়েকটা স্বচ্ছ বাক্স।

অথচ সূর্য ডুবলো, চাঁদ উঠলো, রাত পেরিয়ে ভোর হতে চললো—
৫ লাখের ফলাফল চলে আসে নিমিষেই সাতটার বাঁশিতে,
কিন্তু এক লাখের ঢাকা-৮ কেন আটকে থাকে নয় ঘণ্টার ফাঁশিতে?

​লস্কর বাড়ির ছেলেরা নয়, এখন প্রিসাইডিং সাহেবেরা—
সাদা ব্যালটকে লাল নীল রঙে রাঙিয়ে একপাক্ষিক হিসেব কষে!

ভিখারীর মতো গেটে দাঁড়িয়ে আমরা দেখেছি ব্যালটের উৎসব—
ভিতরে শোষকের নখ আর ক্ষমতার অশুভ অঙ্ক মিলেমিশে একাকার।

পোস্টাল ব্যালটের সেই ছয় হাজার চব্বিশটি আত্মা—
অফিসিয়াল ঘোষণার আগেই কারচুপির ভাগাড়ে গিয়ে হারালো।

কেউ কথা রাখেনি, আমার আমলা বন্ধু কথা রাখেনি!
​বাবা আমার কাঁধ ছুঁয়ে বলেছিলেন, "দেখিস খোকা, একদিন সব ঠিক হবে।"
বাবা এখন অন্ধ, মাটির তলে হাদি আজ বড় বেশি নিশ্চুপ;
আমাদের দেখা হয়নি কিছুই—
সেই আমানত, সেই পোস্টাল ব্যালট, সেই স্বচ্ছ বিজয়!
বরুণা বলেছিল, "ভালোবাসলে বুকে আতরের গন্ধ হবে।"
আমি ভালোবাসার জন্য হাতে গণতন্ত্রের নিশান নিয়েছি,
কিন্তু গণতন্ত্রের বুকে এখন শুধুই বারুদের গন্ধ—
সে এখন কেবলি এক ক্ষমতার নিথর শরীর!
​কেউ কথা রাখেনি, চুয়ান্ন বছর কাটলো,
সবাই মীরজাফর হয়ে গেল, কেউ কথা রাখে না!

আমার আমলা বন্ধুরা আজ বড় বেশি ধোয়া তুলসী পাতা,তাদের ফাইলে নাকি সব পরিষ্কার, নেই কোনো মিথ্যে কথা!প্রিজাইডিং সাহেব হেসে বলে...
12/02/2026

আমার আমলা বন্ধুরা আজ বড় বেশি ধোয়া তুলসী পাতা,
তাদের ফাইলে নাকি সব পরিষ্কার, নেই কোনো মিথ্যে কথা!

প্রিজাইডিং সাহেব হেসে বলেন— "সততায় আমরা অবিচল,"
অথচ পর্দার আড়ালে তাদেরই হাতে চলে কারচুপির কল।

​আক্ষেপ হয় বন্ধু তোমাদের এই শিক্ষিত মেধা দেখে,
মীরজাফরি বিদ্যা শিখেছো তোমরা চেয়ারে বসে থেকে!

তোমাদের 'সৎ' পাহারায় কী অপূর্ব দৃশ্য দেখলাম দেশে,
ছেলের ভোটটা বাবা দিয়ে যায় খুব তৃপ্তির এক হাসি হেসে!

​ছেলের অধিকার যখন বাপের হাতেই তোমাদের সামনে হারায়,
তখন তোমাদের ওই 'আইন' আর 'নীতি' কোথায় গিয়ে দাঁড়ায়?

হাজার টাকা তেলের খরচ করে যে যুবক এলো বুথে,
তোমাদের জালিয়াতি তাকেই আজ থামিয়ে দিল গেইটে!

​সে দেখলো তার পবিত্র আমানত আগেই হয়েছে চুরি,
আর তোমরা তখনো টেবিলের নিচে করছো টাকার বাহাদুরি।

পচা ভোটকে সাদা করার তোমরা অলৌকিক জাদুকর,
আমলা সেজে ঘরের ভেতরেই তোমরা একেকজন মীরজাফর!

​মানুষের চোখের জল আর হাজারটা গালি যখন পিছু নেয়,
তোমরা তখন 'ডিউটি'র দোহাই দিয়ে নিজেকেই দাও প্রশ্রয়।

পলাশীর সেই বেইমানি আজ তোমাদের কলমেই শুধু হাসে,
তোমাদের ওই 'আদর্শের' দুর্গ আজ দুর্নীতির জোয়ারে ভাসে।

​এ দেশ কখনো সুস্থ হবে না—যতক্ষণ মেধাবীরা সপে দেবে শির,
যতক্ষণ প্রিজাইডিং অফিসার নিজেই হবে জালিয়াতির এক পীর।

তোমাদের ওই ডিগ্রি আর পদকের গায়ে লেগে আছে বেইমানির দাগ,
ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে তোমাদের জন্যই তোলা আছে ঘৃণার শত ভাগ।

​এ দেশ সুস্থ হবে না, যতক্ষণ না এই মিথ্যে 'সততার' নাটক শেষ হবে,
আর যতক্ষণ না তোমাদের মতো মীরজাফরদের মুখোশ রাজপথে নামবে।

থুতু দিই সেই ব্যালট পেপারে যেখানে জালিয়াতিই শেষ কথা,
আর থুতু দিই তোমাদের সেই মেধায়, যা জনগণের বুকে দিয়েছে কেবল ব্যথা!

এ দেশ কখনো সুস্থ হবে না!​কথা ছিল একটি মানচিত্র পেলে মিটে যাবে সব তৃষ্ণা,অথচ আজ মানচিত্রজুড়ে শুধু শোষকের নখ আর বিষাক্ত ঘৃ...
12/02/2026

এ দেশ কখনো সুস্থ হবে না!
​কথা ছিল একটি মানচিত্র পেলে মিটে যাবে সব তৃষ্ণা,
অথচ আজ মানচিত্রজুড়ে শুধু শোষকের নখ আর বিষাক্ত ঘৃণা।

আমরা রক্ত দিয়েছি, অকাতরে প্রাণ দিয়েছি একাত্তরের রাতে,
ভেবেছিলাম ভাঙবে অর্গল, সূর্য উঠবে আমাদের এই হাতে

কিন্তু হায়! বাঘ তাড়ানোর মিছে গৌরবে আজ আমরা উল্লাস করি,
অথচ পেছনে তাকিয়ে দেখি— কুমিরের খপ্পরে ধুঁকে ধুঁকে মরি

​এ দেশ কখনো সুস্থ হবে না—
যতক্ষণ নেতার বেশে হায়েনারা টেন্ডারবাজি আর ক্যাডার পালে,
যতক্ষণ সাধারণের ভোট চুরি হয় মাঝরাতে, অন্ধকারের জালে।

পবিত্র জন্মভূমি আজ যেন এক বিষাক্ত গ্যাস চেম্বার,
যেখানে মানবতার ধর্ম মানেই— শাসকের জুতো চাটা বারবার!

আইয়ুব-ইয়াহিয়ারা মরেনি, তারা আজ আমাদেরই নেতাদের শরীরে
নতুন নামে, নতুন পোশাকে গদি আঁকড়ে বসে আছে স্বগৌরবে।

​এ দেশ কখনো সুস্থ হবে না—
যদি না হাদি হত্যার রক্ত ধুয়ে দেয় এই বিচারহীনতার কলঙ্ক,
যদি না মিটে যায় শাসকের ক্ষমতার এই অশুভ অংক।

আজকের নির্বাচনেও যখন কারচুপির মহোৎসব চলে,
যখন জনতা নির্বাক তাকিয়ে দেখে তাদের স্বপ্নকে পিষ্ট হতে তলে,

তখন বুঝে নিতে হয়— এ মাটি এখন কেবলি এক বিশাল কবরস্থান,
যেখানে সত্যের সমাধি ঘটে আর মিথ্যের হয় জয়গান!

​আমাদের অনাগত শিশুরা কি তবে পাবে কেবল ঝাপসা অন্ধকার?
প্রতিটি জীবন কি আজীবন বয়ে বেড়াবে অনিশ্চয়তার হাহাকার?

পদ্মা-মেঘনা-যমুনার জল আজ লোনা হয়ে গেছে মায়ের চোখের জলে,
তবুও শোষকের দম্ভ থামে না, তারা চলে মানুষের লাশের ওপর দিয়ে দলে।

​এ দেশ কখনো সুস্থ হবে না—
যদি না একাত্তরের সেই অসমাপ্ত যুদ্ধ আবার শুরু হয়,
যদি না প্রতিটি রাজপথ দাউদাউ করে জ্বলে ওঠে বিদ্রোহের উত্তাপে।

যে ব্যবস্থা হাদিদের খুন করে, যে ব্যবস্থা জনতাকে দাসে পরিণত করে—
সেই ব্যবস্থার মুখে থুতু দিয়ে আজ এক চূড়ান্ত লড়াই চাই।

​শুনে রাখো হে ক্ষমতার দম্ভে অন্ধ শাসকের দল—
রক্তে ভেজা এই মাটি একদিন তোমাদের গ্রাস করবেই,
কারচুপির ওই কাগজ দিয়ে কোনোদিন মানুষের হৃদয়ের আগুন নেভানো যায় না।

এ দেশ সুস্থ হবে না, যতক্ষণ না তোমরা পুড়ছো জনগণের ক্রোধের অনলে!
আমাদের সুন্দর ভবিষ্যৎ আজ বন্দি তোমাদের নোংরা রাজনীতির খাঁচায়—
তাই ভাঙতে হবে এই খাঁচা, উপড়ে ফেলতে হবে এই জংধরা ব্যবস্থা।
​এ দেশ কখনো সুস্থ হবে না— যতক্ষণ না এক ইঞ্চি মাটিও তোমাদের জন্য নিরাপদ থাকে!

কথা ছিল রক্তের বিনিময়ে যে মাটি পাবো,সে মাটি হবে নিরাপদ—মায়ের আঁচলের মতো।কথা ছিল, কোনো হাদিকে অকালে ঝরতে হবে না,কোনো বিচা...
06/02/2026

কথা ছিল রক্তের বিনিময়ে যে মাটি পাবো,
সে মাটি হবে নিরাপদ—মায়ের আঁচলের মতো।
কথা ছিল, কোনো হাদিকে অকালে ঝরতে হবে না,
কোনো বিচারহীনতার সংস্কৃতি আমাদের গিলে খাবে না।
কিন্তু আজো রাজপথ ভিজে যায় তরতাজা প্রাণের লাল রক্তে,
আজো হাদির বিচার চেয়ে আকাশ-বাতাস প্রকম্পিত হয়
নিদারুণ হাহাকারে!
​আমরা কি এই জন্য অস্ত্র ধরেছিলাম?
যেখানে খুনিরা পার পেয়ে যায় নষ্ট রাজনীতির ছায়ায়,
আর ইনসাফ গুমরে মরে আদালতের বারান্দায়!
বাঘের থাবা থেকে বাঁচতে গিয়ে
আমরা কি আজ কুমিরের রক্তচক্ষুর সামনে?
হাদির রক্তাক্ত শার্ট আজ আমাদের বিবেকের কাছে এক বিশাল প্রশ্ন—
এই বিষাক্ত জন্মভূমিতে আমাদের শিশুরা কি তবে কেবল মরতেই জন্মায়?
​না! এই মৃত্যুমিছিল আর চলতে দেয়া যায় না।
হাজার বছরের কালোরাত্রি ভাঙার শপথ আবার নিতে হবে।
হাদি হত্যার প্রতিটি ফোঁটা রক্তের কসম—
আমাদের বিচার চাই, আমাদের ইনসাফ চাই!
আর এই ইনসাফ কেবল শাসকের মুখ বদলে আসবে না,
আসবে সেই পচা-গলা ব্যবস্থার কফিনবন্দি হলে।
​তাই আবার একটি যুদ্ধের ডাক দিচ্ছি—
এ যুদ্ধ কোনো কামানের নয়, কোনো বুলেটের নয়;
এ যুদ্ধ আপনার আঙুলের ডগায়, একটি ব্যালট পেপারে।
১২ই ফেব্রুয়ারির গণভোট হোক হাদি হত্যার প্রতিবাদের মঞ্চ,
আমাদের 'হ্যাঁ' হোক শোষণের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত বজ্রপাত!
​মনে রেখো—
৭১-এর লড়াই ছিল শৃঙ্খল ভাঙার,
২৬-এর লড়াই হোক ইনসাফ কায়েম আর ব্যবস্থা বদলের।
আপনার একটি 'হ্যাঁ' নিশ্চিত করবে—
আর কোনো হাদিকে যেন অকালে মরতে না হয়,
আর কোনো জননীকে যেন বিচারহীনতার বিষে নীল হতে না হয়।
​আসুন, ব্যবস্থার বদল চেয়ে 'হ্যাঁ' বলি—
হাদি হত্যার ইনসাফ আর সুন্দর আগামীর শপথ নিই।

শোনো মেয়ে, তোমাকে কেউ  ধুলাবালি ভেবে উড়িয়ে দেবে আবার এই তোমাকেই কেউ কুড়িয়ে নিয়ে  ফুল ভেবে সাজিয়ে রাখবে বুকের ফুলদানীতে!ত...
07/12/2025

শোনো মেয়ে, তোমাকে কেউ ধুলাবালি ভেবে উড়িয়ে দেবে
আবার এই তোমাকেই
কেউ কুড়িয়ে নিয়ে ফুল ভেবে সাজিয়ে রাখবে বুকের ফুলদানীতে!

তোমাকে কেউ অসুন্দর ভেবে নীরবে পালিয়ে যাবে, আবার এই তোমাকেই কেউ অসীম সৌন্দর্যের অধিকারী ভেবে আগলে রাখবে বুকের পাঁজরটাতে!

তোমাকে কেউ অযোগ্য ভেবে নিশ্চুপে ছেড়ে চলে যাবে,
আবার তোমাকেই কেউ পৃথিবীর একমাত্র নিজের মানুষ ভেবে যত্নে রাখবে বুকের বাঁ-পাশটাতে।

মেয়ে,তোমার অমসৃণ বাস্তবতার মুখোমুখি হতে কেউ ভয় পাবে,
আবার এই তোমাকেই পাওয়ার জন্যই কেউ মাটি খুঁড়ে খুঁড়ে পথ তৈরি করবে।

শোনো মেয়ে, তোমাকে শুধু দাঁতে দাঁত চেপে দুঃসময়গুলোর সাথে লড়ে যেতে হবে।

তোমাকে বিশ্বাস করতে হবে এই পৃথিবীর কোথাও না কোথাও কেউ না কেউ আছে যে তোমাকে পাওয়ার জন্য ব্যাকুল হয়ে ছটফট করছে।

মেয়ে,ধৈর্য্য ধরে সময়ের পথটুকু পাড়ি দিলেই তুমিও পৌছে যেতে পারবে তোমার আপন গন্তব্যে,তোমার সঠিক মানুষের কাছে।।

যারা তোমাকে ঠকালো,
মিথ্যো প্রতিশ্রুতি দিলো,
নিখুঁত অভিনয়ে তোমার বিশ্বাসের পারদ কর্পূরের মতো হাওয়ায় উড়িয়ে দিতে চাইলো,
তাদের জন্য আফসোস নয়,
তাদের জন্য করুণা করো আর
নিজের জন্য আশীর্বাদ ভাবো মেয়ে।

যারা তোমাকে ছেড়ে গেলো,
পালিয়ে গেলো,
তাদের জন্য নিজেকে ছোট করে দেখো না মেয়ে,
ভাবো লসটা তাদেরই হলো,
যারা তোমার মতো এমন সাধারণ অথচ অসাধারণ মানুষকে জীবনের আশেপাশে পাবে না আর।

যার অন্তর্দৃষ্টি অন্ধ হয়ে গেছে,
যার হৃদয় শান্তনদীর মতো স্থির নয়,
যার মগজ অস্থির হয়ে এদিক সেদিক ছোটাছুটি করছে তাকে তো তুমি চাওনি মেয়ে।
তার জন্য কেনো কষ্ট পাবে মেয়ে?

সামনে চলো মেয়ে।চলো তোমার সঠিক মানুষের কাছে।

নাহয় একাই চলো ।ভুল মানুষ সঙ্গে নিয়ে চলার থেকে একা বাঁচো মেয়ে।

মনে রাখো মেয়ে__
Loneliness is better than toxicity......

06/12/2025

সবাইকে ক্ষমা করলেও প্রতিদিন সকালে টাইলস কা-টা মিস্ত্রিকে ক্ষমা করবো না🙂

“চাহিদা যত কম, সুখ তত বেশি” এই কথা আমারে দিয়ে খাটে না। আমি চাহিদা কমাইয়া দেখছি, তারপরেও কেমনে মা'রা খাইতে হয়!  শখের জিনি...
25/11/2025

“চাহিদা যত কম, সুখ তত বেশি” এই কথা আমারে দিয়ে খাটে না। আমি চাহিদা কমাইয়া দেখছি, তারপরেও কেমনে মা'রা খাইতে হয়!

শখের জিনিসটা ত্যাগ করছি, তবুও য'ন্ত্রণা কমে নাই। পৃথিবীর সবকিছুর উপর থেকে মন উঠাইয়া দিছি। ভাবছি, এবার শান্তি পামু। হইছে উল্টা। যেটুকু চাইছি, সেইটুকুও ভাগ্যে জোটে নাই।

আমি দেখছি, যাদের চাওয়া অনেক, যারা শুধু নিজের বেলায় চায়, অন্যের কষ্ট বুঝে না, তাদের কপালেই সব কিছু জোটে। যা চায় নাই, তাও পাইছে।

সমস্যাটা হইলো গিয়া, আমার মতো মানুষদের নিয়া। আমরা ত্যাগ করি, মায়া ছাড়ি, “ঠিক আছে” কইরা সব মানায়া নেই, তবুও শেষমেশ শান্তি মেলে না। পাই না কারো মতো একটুখানি সুখও।

হাসি মুখে থাকি ঠিকই, তবে ভেতরটা দিন দিন পু'ইড়া খাইতেছে। চাওয়া কমাইলে সুখ বাড়ে—এইটা বইয়ের কথা হইতে পারে, কিন্তু আমার জীবনে এইটা পুরাই মিথ্যা।

🌸 ✨ CHANÉ 4 in 1 Repairing Night Cream – আপনার রাতের স্কিন কেয়ার সঙ্গী ✨ 🌸📦 ম্যানুফ্যাকচার: CHANÉ (চানে)🏷 তৈরি দেশ: থাই...
24/11/2025

🌸 ✨ CHANÉ 4 in 1 Repairing Night Cream – আপনার রাতের স্কিন কেয়ার সঙ্গী ✨ 🌸

📦 ম্যানুফ্যাকচার: CHANÉ (চানে)
🏷 তৈরি দেশ: থাইল্যান্ড 🇹🇭

💛 উপকারিতা (Benefits):
✅ মুখের দাগ ও ব্লেমিশ হালকা করে
✅ ফ্রেকল ও ডার্ক স্পট কমাতে সহায়তা করে
✅ ত্বকের মলিনতা দূর করে গ্লো ফিরিয়ে আনে
✅ রাতে ত্বক রিপেয়ার করে আরও নরম ও উজ্জ্বল করে

💡 ব্যবহার পদ্ধতি (How to Use):
রাতের স্কিন কেয়ার রুটিনে মুখ পরিষ্কার করার পর অল্প পরিমাণ ক্রিম মুখে ও গলায় হালকা করে লাগিয়ে নিন। প্রতিদিন ব্যবহার করলে ত্বকে দৃশ্যমান পরিবর্তন আসবে।

🌟 বিশেষত্ব: 4 in 1 ফর্মুলা যা একসাথে চারটি সমস্যা সমাধানে কাজ করে — Blemish, Freckle, Dark Spot, Dull Skin।

💬 Glow & Confidence – Just One Night Cream Away! 💬

প্রতিটা মেয়েরই উচিত ধাক্কা খাওয়ার পর যতটুকুন ভাঙ্গে তার চেয়েও বেশি গুছিয়ে নেওয়া।কাউকে অসম্ভব ভালোবাসার পর প্রতারিত হলে উ...
09/11/2025

প্রতিটা মেয়েরই উচিত ধাক্কা খাওয়ার পর যতটুকুন ভাঙ্গে তার চেয়েও বেশি গুছিয়ে নেওয়া।কাউকে অসম্ভব ভালোবাসার পর প্রতারিত হলে উচিৎ সে মানুষটিকে মাফ করে দিয়ে নতুন করে নিজের ক‍্যারিয়ারে ফোকাস করা ।নিজেকে কুইনের মতন নিজেই ট্রিট করা শেখা। নিজেকে এমন ভালোবাসতে শেখা যাতে অন‍্য কেউ নতুন করে এসে আর কখনোই না ভাঙ্গতে পারে।

প্রতিটা কষ্ট এমন ভাবে দাফন করতে জানা যাতে কখনো নিজেকে আয়নায় দেখলে ,নিজেই বুঝতে পারে আগের মানুষটা বোকা ছিলো তাই দুনিয়া বদল করতে চেয়ে ছিলো। আর এখনকার মানুষটা একটু বুদ্ধিমতি তাই নিজেকে বদল করতে পেরেছে।

একজন পার্সোনালিটি সম্পূর্ন মেয়ে মানুষ যখন প্রতারিত হয় নিজের অঢেল ভালোমানুষির কাছে , সে দুনিয়া বদল করে না। নিজেকে নিজে এমন ভাবে চমকানো শিখে যাতে হীরার মতন সে দামী এবং আলোকিত ও শক্ত হয় । তাঁর জীবনে প্রেম ভালোবাসার জায়গায়টা দাফন দিয়ে সে ক‍্যারিয়ারে ফোকাস করে । নিজেকে ভালোবাসতে শিখে । নিজেকে সময় দিতে শিখে । প্রতিটা সময়ে সে নিজেকে হিল করতে শিখে ।

আসলে প্রতিটা মেয়ের মাঝেই এমন কোন দৈব শক্তি লুকানো থাকে সে যদি তার ভেঙ্গে পরা সময়টাতে সে শক্তিটা কাজে লাগায় নিজেকে গড়তে , তবে সেটা তার জীবনকে বদলে দেয়। আর বদলে যাওয়া নারী জানে কোথায় তার থামতে হবে। আর কোথায় তার সময়টাকে সে ব‍্যায় করবে। নিজেকে এমন ভাবে তৈরী করা শিখতে হবে, আর যদি কখনো কেউ তার সাথে প্রতারনা করে তবে, যেন সে মানুষটার আফসোসে রূহ কেঁপে উঠে।

এই যে মেয়ে মন ভাঙ্গা ব‍্যাপার গুলো যেন তোমার হয় অসুখের মতন , নিজেকে ভালো ট্রিট করে যাতে তুমি মুক্তি পাও । এমন ভাবে দেয়াল তৈরী করা শিখো যাতে কখনো কোন কালো ছায়া যেন তোমার আলোকিত উঠান গ্রাস না করে।

আমি চাই মানুষ আমাকে এমন ভাবে ভুলে যাক যেন আমি কখনো ছিলাম ই না।
08/11/2025

আমি চাই মানুষ আমাকে এমন ভাবে ভুলে যাক যেন আমি কখনো ছিলাম ই না।

Address

Bagerhat
Khulna

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Anabia Chowdhury Anayea posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Establishment

Send a message to Anabia Chowdhury Anayea:

Share