03/03/2025
( অবহেলিতো ভালোবাসা)
শুরু তে বলি এককঠিন প্রেম কাহিনী ছেলে নাম ছিলো নীলকাব্য। মেয়েটি ছিলো অসম্ভব সুন্দরী চোখ দুইটি টান টান! মুখটি ছিলো মায়াভরা হাঁসি, তার দিখে তাগালে অন্তর করে কম্পন, যাক সে সবকথা ছেলেটি পড়তো অনার্য ১ম বর্ষ। ছেলেটি ছিলো আনেক লাজুক প্রতিক তার হাতেগনা দুই একটা বন্ধু ছিলো। একদিন একটি মেয়ে ঐ ছেলেটিকে ডেকে বলো এই বন্ধু শোনছে।
ছেলে : জি আমার বলছেন?
মেয়ে: হ্যাঁ তোমাকে। বলছি ভাইয়া, কলেজে অনার্য ভবনটা কোনদিকে আমি এই কলেজে নতুন ভর্তি হয়েছি।
ছেলে: ও?সোজা গিয়ে বাম হাতে যে ভবনটি পড়বে ওটা অনার্য ভবন।
মেয়ে: ধ্যনবাদ ভাইয়া।
ছেলে : আচ্ছা ঠিক আছে।
লেখক: মেয়েটি সেখান থেকে চলে গেলো তার ক্লাস। নীল কাব্য তার হাতে ঘড়ি দিকে তাগায়ে দেখে তার ক্লাস সময় হয়েছে। তার বন্ধু নিয়ে সে ক্লাসে চলে গেলো সে গিয়ে দেখতে পেলো ঐ মেয়েটি বসে আছে।ছেলেটি বুঝতে পারলো ঐ মেয়ে আার আমি সেম ক্লাস পড়ি,, একটু পরে স্যার চলে আসলো পড়া ধলো এবং বুঝায়ে দিলো,এভাবে চতুর্থ ক্লাস শেষ হলো তখন আমি বাড়ি উদ্দেশ্য রওনা দিলাম।তখন হঠাৎ করে মেয়েটির সাথে দেখা আমার দেখা।
মেয়ে: ভাইয়া!
ছেলে: হুম।
মেয়ে: বলো তোমার নাম টা কি যানতে পরি ভাইয়া।
ছেলে: হুম। আমার নাম নীলকাব্য।
মেয়ে: ও,আর আমার নাম নীলা। আমার একি ক্লাসে পড়ি তাহলে কি, আমরা কি ফেন্ড হতে পারি।
ছেলে: হুম পারি।
মেয়ে: বাই!
লেখক : আমি ঐ থেকে বাড়ি উদ্দেশ্য রওনা দিলাম দুপুরে খাওয়া দাওয়া করে বিকালে মাঠে উদ্দেশ্য খেলতে চললাম। সন্ধ্যা হয়ে গেল,হাত পা ধরে পড়তে বসলাম।
পরের দিন, কলেজের উদ্দেশ্যে রওনা দিলাম। গিয়ে দেখি নীলা বসে আছে ।একটা বেঞ্চে একা। আমি তখন সোজা কলেজের দিকে যেতে লাগলাম। পিছন থেকে নীলকাব্য, নীলকাব্য বলে। ডাকার আওয়াজ পেয়ে, আমি পেছনে দেখে ঘুরে দেখলাম ওই মেয়েটি,,
মেয়ে: বলছি এই কলেজে কাউকে আমি চিনি না। তুমি কি আমার বন্ধু হবে। প্লিজ না বলো না
ছেলে: আচ্ছা ঠিক আছে, আমরা বন্ধু।
লেখক:এভাবে চলতে থাকে কিছু দিন , এমধ্যে নীলা বেশ কিছু বন্ধু- বান্ধব হলো, আর একটা বিষয় নীলা আমার উপরে অনেক অধিকার করতে লাগলো এভাবে ও বেশ কিছু দিন চলে গেলো,হঠাৎ একদিন আমাকে বললো কাব্য তোমাকে কিছু বলতে চায়। তুমি কি আমাদের এই পার্কে দেখা করতে পারবে।আমি বললাম আচ্ছা ঠিক আছে। বিকাল ৪টা দিকে।নীলা বললো ঠিক আছে। আমি যথা সময়ে পৌছিলাম । আমি গিয়ে দেখি নীলা বসে আছে তার বান্ধবীকে নিয়ে।
ছেলে: কখন এলে, অনেক লেট করে ফেললাম তাই না।
মেয়ে : না ঠিক আছে। কেনো বেপার না।
ছেলে: ও তা কেমন আছো, বান্ধবী।
মেয়ে: হুম, ভলো। তুমি কেমন আছো।
ছেলে: হুম মোটামুটি ভালোই আছি।
*মেয়ে বান্ধবী : তোমার কথা বলো আমি পার্কটা দেখে আসি।
মেয়ে: আচ্ছা যা তুই।
মেয়ে: আজকের আবহাওয়াটা অনেক সুন্দর তাই না।
ছেলে: হুম, অনেক।
ছেলে: ঐ তুমি যেনো কি কারণে ডাকছো আমাকে।
মেয়ে: তুমি হয় তো জানো না, আমি তোমাকে অনেক ভালোবাসি,,,,,?
ছেলে: আমি তো শুধুই বান্ধবীর চোখে দেখি তোমাকে।
মেয়ে: আমি তো তোমাকে নিজের চেয়ে ও অনেক ভালোবাসি। তা হলে কি আমার ভালোবাসা কেনো মূল্য নেই।
ছেলে: তুমি এভাবে বলো না।তোমার ভালোবাসা মূল্য আছে। আমাকে কিছু দিন ভাবতে দেওয়
মেয়ে : আচ্ছা ঠিক আছে। তোমার যে কয়দিন সময় লাগে, তুমি ভাবো।
*মেয়ে বান্ধবী : নীলা তোর চোখে জল কেন? আর ভাইয়া তোমাকে বলছি নীলা তোমার অনেক বেশি ভালোবাসে।
এবলে নীলা হাত ধরে নিয়ে চলে গেলো তা বান্ধবী। আমি ও বাড়ি চলে আসলাম। তার পরে থাকে নীলা কথা ভাবতে লাগলাম।সন্ধ্যা হয়ে এসেছে বই নিয়ে বসলাম। তবে পড়া আর মন বসলো না। নীলা কথা ভাবতেছি যে আমার জন্য কেনো মেয়ে তার চোখের জল ফেলাছে।এ সব ভাবতে ভাবতে ঘুময়ে গেলাম।হটাৎ, সপ্ন দেখি নীলা বসে বসে কাঁদছে। আমার ঘুম ভেঙে গেলো। এভাবে দুই -তিন দিন চলে গেলো। নীলা কেও কলেজে দেখতে পায় না।আর আমি নীলা কে ফোন দিলাম।
ছেলে: ঐ নীলা, তুমি কি আমার সাথে একটু দেখা করতে পারবে।তোমাদের ঐ পার্ক টা তে আসলে চলবে।
মেয়ে : আচ্ছা ঠিক আছে,,,,।
তারা যথা সময়ে দুই হাজির ছেলেটি চোখে জল টলমল করছে। মেয়েটি বলছে
মেয়ে :তোমার চোখ জল কেনো?
ছেলে: জানিনা, তবে ঐদিন পার্ক থেকে যাওয়া পরে থেকে আমি শুধু তোমাকে নিয়ে ভাবছি।আজকে আমার বলেতে কেনো দ্বিধা নেই, যে আমি তোমাকে ভালোবাসি।
লেখক: তখন মেয়েটি ছেলেটি জড়িয়ে ধরল আর বলতে লাগলো,,,,
মেয়ে: আমি তোমাকে পাগলের মতো ভালোবাসা। তুমি আমার জীবন মরণ।
ছেলে : হুম,, আমার সোনা পাগলি। তোমার ছাড়া আমি বাঁচতে পারবো না,, পাগলি আমার।
মেয়ে : পাগল টি আমার।
লেখক :এভাবে তাদের অনেক দিন পার হতে লাগলো। তাদের এই অফুরন্ত ভালোবাসা নিয়ে জীবনের, এক নতুন অধ্যায় আরম্ভ হলো। তারা দুইজন হাতে হাত ধরে রাস্তা দিয়ে হাঁটতে লাগলো। খুঁটিনাটি প্রেমের কথা বলতে লাগলো। এভাবে অনেকদিন চলে গেলো।তাদের ভালবাসা আরো গভীর। একে অন্যকে ছাড়া থাকতে পারে না। হঠাৎ,,,,, কিছুদিন ধরে আমাকে ইগনোর করতে লাগলো নীলা,ফোন দিলে তেমন কথা বলতে চায় না। সব সময় অজু হাত দিতে লাগলো। যে আমি এখন কথা বলতে পারবো না। আমি খেয়াল করলাম।নীলার ব্যবহার আগের মত নেই। সে কেমন জানি আমাকে সহ্য করতে পারছে না।এভাবে আমি আরও দিন দিন দুর্বল হয়ে পড়ছি। আমি কয়েক হাজার বার ফোন দেওয়ার পরে। একবার ফোন রিসিভ করলো।
মেয়ে:হ্যালো ?
ছেলে:নিলা তুমি আমার সাথে এমন কেন করছো। তুমি জানো তোমাকে ছাড়া আমি এক মুহূর্ত থাকতে পারিনা। তুমি এমন কেন করছো নীলা।
মেয়ে: আমি কিছুই করিনি আমার কাছে এখন সময় নেই।তোমাকে দেওয়ার মত?
ছেলে : প্লিজ তুমি এমন ভাবে বলো না, নীলা।
মেয়ে : রাখছি।এসব ফালতু কথা শোনার টাইম নেই।
লেখক :এভাবে দিন কাটতে লাগলো।ছেলেটি পরস্পর নেশা করতে লাগলো। যতদিন যায় তত নেশার পরিমাপ তাহার বেড়ে যায়। হঠাৎ একদিন নীলার বান্ধবীর সাথে দেখা হয়। আপু,,নীলা কেমন আছে।
নীলার বান্ধবী : সে তো ভালই আছে। আর তুমি নিজের অবস্থা কি করেছ ভাইয়া।
ছেলে:আমার আর কি হবে নীলা ভালো আছে এইটাই আমি খুশি।
নীলার বান্ধবী : ভাইয়া তোমাকে আমি কিছু সত্যি কথা বলতে চাই!
ছেলে: জি বলুন।
নীলার বান্ধবী :ভাইয়া নীলা তো নতুন রিলেশনে গেছে। আর এসব কথা তোমাকে বলতে বারণ দিল। আর তোমার এই অবস্থা দেখে আমি আর নিজেকে সামলাতে পারলাম না ভাইয়া। ওদের ভালবাসাটা পাঁচ বছরের ওদেরমধ্যে কিছুদিন ঝামেলা চলছিলো। তাই তোমার সাথে নীলা টাইম পাস করেছে ভাইয়া।
ছেলে: হায়রে ভালোবাসা আমার। এ কেমন ভালোবাসা যে তিলে তিলে শেষ হয়ে যাচ্ছে আমি। আমি নিজে নিজেই বলতে লাগলাম
লেখক :এভাবে ছেলেটির দিন কাটতে লাগলো।ছেলেটি ভালোভাবে খোঁজ নিয়ে জানতে পারে নীলা বর্তমান যে প্রেমিক তার বিশাল বড় পদের চাকরি হয়েছে। এটায় আমাকে ছেড়ে দেওয়ার কারণ,আমি এটাও জানতে পেরেছি যে তাদের বিয়ে সামনে মাস দুই তারিখে। আর মাত্র তিন দিন সময়। যথা বিয়ের দিন মেয়েটির নতুন বস্ত্র অলংকার পড়ে বসে আছে। নতুন বিয়ের সাজে।আর এই দিকে ছেলেটি ঘর দরজা দিয়ে বিষের বোতল হাতে নিয়ে বসে আছে।কিছুক্ষণ পরে বিষ পান করে। নিঝুম ঘুমে ঘুমাচ্ছে। সকালে নীলা নতুন বেশে শ্বশুরবাড়ি। আর এইদিকে কাব্য নতুন বেশে কবরে,,, এভাবে ভালোবাসা সমাপ্ত ঘাটে।
বিঃদ্রিঃ-লেখক বলেছেন,,,,
সব ভালোবাসা ভালোবাসা, নয়। ক্ষনিকের সময়ে জন্য ।