Ahlus Sunnah

Ahlus Sunnah Totally non political Islamic organisation

09/06/2026

হে যুবক বিদেশী পতাকা নিয়ে উন্মাদনায় না মেতে নিজের মায়ের জন্য কিছু একটা কিনে নিয়ে যাও। জীবন বদলে যাবে

11/01/2026

আসসালামু আলাইকুম,
সম্মানিত সুধী,
আপনি জেনে অত্যন্ত খুশি হবেন যে,
আমাদের শ্রদ্ধেয় হুজুর কিবলা জহুরীয়া দরবার শরীফের মরহুম পীর ছাহেব প্রখ্যাত ইসলামী চিন্তাবিদ, মুক্তির পথ প্রদর্শক, কোরআন ও হাদিসের আলোকে বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব বিশ্লেষণকারী জাহেরী ও বাতেনী ইলমের আলোক বর্তীকা, ইসলামী জাগরণের অগ্রদূত, শির্ক ও বিদ-আতের মূল উৎপাটনকারী, সমাজ সংস্কারক, ফুরফুরা শরীফের খলিফা, ভূতপূর্ব অধ্যাপক-পদার্থবিজ্ঞান ও উপাধ্যক্ষ-সরকারী জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, পীরে কামেল, আলহাজ্ব হযরত মাওলানা অধ্যাপক মোঃ জহুরুল ইসলাম আল কাদেরী রহঃ এঁর অক্লান্ত পরিশ্রম ও আধ্যাত্মিক সাধনার হেদায়েতের মারকায ঐতিহ্যবাহী জহুরীয়া দরবার শরীফ এর ২২ তম বার্ষিক ঈছালে ছাওয়াব মাহফিল ২০২৬ আগামী ০৬ ফেব্রুয়ারি, রোজ শুক্রবার অনুষ্ঠিত হবে ইনশাআল্লাহ্।

তারিখঃ
🔹০৩ ফেব্রুয়ারী মঙ্গলবার বাদ আসর হতে ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ঈসায়ী শুক্রবার
সকাল পর্যন্ত তা’লীমি মাহফিল।

🔹০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ঈসায়ী শুক্রবার বাদ মাগরিব হতে ওয়াজ ও ঈছালে ছাওয়াব মাহফিল।

স্থানঃ “আল ইসলাম জহুরীয়া হাজী আইনউদ্দীন দাখিল মাদ্রাসা প্রাঙ্গন, ইসলামবাগ রোড, উত্তর বাহেরচর, তারানগর, কেরাণীগঞ্জ, ঢাকা।

উক্ত মাহ্ফিলে স্ববান্ধব উপস্থিত হয়ে আল্লাহ্পাক ও রাসূলে করিম সাল্লেল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এঁর মহব্বত হাসিল করুন।

-আরোজগুজারে-
শাহ্ সূফী আলহাজ্ব প্রফেসর মোঃ ফজলে ইলাহী
পীর কিবলা,
জহুরীয়া দরবার শরীফ
ইসলামবাগ রোড, উত্তর বাহেরচর, তারানগর, কেরাণীগঞ্জ, ঢাকা।

ঐতিহ্যবাহী জহুরীয়া দরবার শরীফ এর উদ্যোগে আগামী ০৩ ফেব্রুয়ারী হতে ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৫ ইসায়ী, রোজ সোম, মঙ্গল, বুধ ও বৃহ...
26/01/2025

ঐতিহ্যবাহী জহুরীয়া দরবার শরীফ এর উদ্যোগে
আগামী ০৩ ফেব্রুয়ারী হতে ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৫ ইসায়ী, রোজ সোম, মঙ্গল, বুধ ও বৃহস্পতিবার (৪ দিন ব্যাপী) প্রখ্যাত ইসলামী চিন্তাবিদ, মুক্তির পথ প্রদর্শক, কোরআন ও হাদীসের আলোকে বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব বিশ্লেষণকারী জাহেরী ও বাতেনী ইলমের আলোক বর্তীকা, ইসলামী জাগরণের অগ্রদূত, শির্ক ও বিদ-আতের মূল উৎপাটনকারী, সমাজ সংস্কারক, ফুরফুরা শরীফের খলিফা, ভূতপূর্ব অধ্যাপক-পদার্থবিজ্ঞান ও উপাধ্যাক্ষ-সরকারী জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, পীরে কামেল-
আলহাজ্ব হযরত মাওলানা অধ্যাপক মোঃ জহুরুল ইসলাম আল কাদেরী রহমতুল্লাহ আলাইহি এঁর
২১ তম ইন্তিকাল বার্ষিকী উপলক্ষে “আল ইসলাম জহুরীয়া হাজী আইনউদ্দীন দাখিল মাদ্রাসা প্রাঙ্গন, উত্তর বাহেরচর, তারানগর, কেরাণীগঞ্জ, ঢাকায় ৪ দিন ব্যাপি বার্ষিক ঈছালে ছাওয়াব ও তা’লীমি মাহ্ফিল-এর আয়োজন করা হয়েছে। উক্ত মাহ্ফিলে স্ববান্ধব উপস্থিত হয়ে আল্লাহ্পাক ও রাসূলে করিম সাল্লেল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এঁর মহব্বত হাসিল করুন।

আসসালামুআলাইকুম। আগামী ০৩ ফেব্রুয়ারী হতে ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৫ ইসায়ী, রোজ সোম, মঙ্গল, বুধ ও বৃহস্পতিবার (৪ দিন ব্যাপী) জ...
20/01/2025

আসসালামুআলাইকুম।
আগামী ০৩ ফেব্রুয়ারী হতে ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৫ ইসায়ী, রোজ সোম, মঙ্গল, বুধ ও বৃহস্পতিবার (৪ দিন ব্যাপী) জহুরীয়া দরবার শরীফ এর উদ্যোগে প্রখ্যাত ইসলামী চিন্তাবিদ, মুক্তির পথ প্রদর্শক, কোরআন ও হাদীসের আলোকে বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব বিশ্লেষণকারী জাহেরী ও বাতেনী ইলমের আলোক বর্তীকা, ইসলামী জাগরণের অগ্রদূত, শির্ক ও বিদ-আতের মূল উৎপাটনকারী, সমাজ সংস্কারক, ফুরফুরা শরীফের খলিফা, ভূতপূর্ব অধ্যাপক-পদার্থবিজ্ঞান ও উপাধ্যাক্ষ-সরকারী জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, পীরে কামেল-
আলহাজ্ব হযরত মাওলানা অধ্যাপক মোঃ জহুরুল ইসলাম আল কাদেরী রহমতুল্লাহ আলাইহি এঁর
২১ তম ইন্তিকাল বার্ষিকী উপলক্ষে “আল ইসলাম জহুরীয়া হাজী আইনউদ্দীন দাখিল মাদ্রাসা প্রাঙ্গন, উত্তর বাহেরচর, তারানগর, কেরাণীগঞ্জ, ঢাকায় ৪ দিন ব্যাপি বার্ষিক ঈছালে ছাওয়াব ও তা’লীমি মাহ্ফিল-এর আয়োজন করা হয়েছে। উক্ত মাহ্ফিলে স্ববান্ধব উপস্থিত হয়ে আল্লাহ্পাক ও রাসূলে করিম সাল্লেল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এঁর মহব্বত হাসিল করুন।

17/07/2024

শোক সংবাদ
إنا لله و إنا اليه راجعون
রফিকে আ'লার দরবারে চলে গেলেন ভারত উপমহাদেশের শ্রেষ্ঠতম আধ্যাত্মিক চর্চা কেন্দ্র, দক্ষিণ বঙ্গের ইলমে শরীয়াত ও ত্বরীকতের প্রাণকেন্দ্র, ঐতিহাসিক ছারছীনা দরবার শরীফের হযরত পীর এবং মুর্শিদ ছারছীনা দরবার শরীফের আ'লা হযরত পীর কিবলা।

■ দেশ-বিদেশের কোটি কোটি মানুষের আধ্যাত্মিক রাহবার বাংলাদেশ জমইয়াতে হিযবুল্লার মাননীয় আমির, প্রায় দুই হাজার দ্বিনিয়া মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা, বাংলাদেশ জমিয়াতুল মুদার্রেসিন এর প্রধান পৃষ্ঠপোষক ও মসজিদে গাউসুল আজম কমপ্লেক্সের মুতাওয়াল্লী এবং ছারছীনা দরবার শরীফের পীরে কামেল শাহ সূফী আ'লা হযরত মাওলানা শাহ মোহাম্মাদ মুহিব্বুল্লাহ রহমতুল্লাহ আলাইহি আজ রাত দুইটা ১১ মিনিটের সময় রাজধানী সেন্ট্রাল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহী র’জিয়ূন! ইন্তেকালের সময় মরহুমের বয়স হয়েছিল ৭০ এর কাছাকাছি!"

■ পীর সাহেব কেবলা(রহঃ)দীর্ঘদিন যাবত বার্ধক্য জনিত বিভিন্ন রোগে ভুগতে ছিলেন। প্রথমতঃ তিনি রাজধানীর গ্রীন লাইফ হাসপাতালে, এরপরে সিঙ্গাপুর মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে এবং সর্বশেষ গ্রিন রোদস্থ সেন্ট্রাল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

■ ইন্তেকালের সময় তিনি স্ত্রী, দুইপুত্র এবং তিন কন্যা সহ অনেক নাতি নাতনি রেখে যান। সকল পীরভাই, মুহিব্বীন দের নিকট পীর সাহেব কেবলার রুহের মাগফিরাতের জন্য দু'আ কামনা করছেন হযরত পীর সাহেব কেবলা (রহঃ) এর বড় সাহেবজাদা আলহাজ্ব হযরত মাওলানা শাহ্ আবু নছর নেছরুদ্দীন আহমদ হোসাইন (মাঃআঃ)।

■ জানাজা ও দাফনঃ
আগামীকাল ১৮ জুলাই, ০৩ শ্রাবণ, ১১ মুহাররম, রোজ- বৃহস্পতিবার বেলা ৩টায় ছারছীনা দরবার শরীফ (পিরোজপূর জেলার, নেসারাবাদ থানা/ঊপজেলা) ময়দানে জানাজা শেষে তাঁকে দাফন করা হবে ইন শা আল্লাহ! সকল পীরভাই, মুহিব্বীন এবং দল-মত ও ছেলছেলা নির্বিশেষে সকল ঈমানদার মুসলমান ভাইদেরকে হুজুরের জানাজায় উপস্থিত হবার/থাকার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি!

■ মরহুমের ইন্তিকালে ঐতিহ্যবাহী জহুরীয়া দরবার শরীফ এর বর্তমান পীর সাহেব কিবলা পীরে তরিকত আলহাজ্ব শাহ সূফী মোহাম্মাদ আজহারুল ইসলাম আল কাদেরী, মাঃজিঃআঃ আজ সকালে এক বার্তায় গভীর শোক প্রকাশ করেন। তিনি শোকাহৃত মরহুমের পরিবার ও ভক্ত-অনুরক্ত সকলের প্রতি সমবেদনা জানান এবং মরহুমের রাফয়ে দারাজাত কামনা করেন।

।। ডেস্ক_রিপোর্ট।।
জহুরীয়া দরবার শরীফ
উত্তর বাহেরচর, তারানগর
কেরাণীগঞ্জ, ঢাকা।
১৭ জুলাই ২০২৪, রোজ বুধবার
০২/০৪/১৪৩১ বঙ্গাব্দ
১০/০১/১৪৪৬ হিজরী

জহুরীয়া দরবার শরীফ নিউজআগামী ৩০ জানুয়ারি হতে ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ইসায়ী, রোজ মঙ্গল, বুধ, বৃহস্পতি ও শুক্রবার (৪ দিন ব্য...
26/12/2023

জহুরীয়া দরবার শরীফ নিউজ

আগামী ৩০ জানুয়ারি হতে ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ইসায়ী, রোজ মঙ্গল, বুধ, বৃহস্পতি ও শুক্রবার (৪ দিন ব্যাপী) জহুরীয়া দরবার শরীফ এর উদ্যোগে পীর ছাহেব কিবলা রহমতুল্লা আলাইহি- এঁর ২০তম ইন্তিকাল বার্ষিকী উপলক্ষে “আল ইসলাম জহুরীয়া হাজী আইনউদ্দীন দাখিল মাদ্রাসা প্রাঙ্গন, উত্তর বাহেরচর, তারানগর, কেরাণীগঞ্জ, ঢাকায় বার্ষিক তা’লিমী ও ঈছালে ছাওয়াব মাহ্ফিল- এর আয়োজন করা হয়েছে। উক্ত মাহ্ফিলে উপস্থিত হয়ে আল্লাহ্পাক ও রাসূলে করিম সাল্লেল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এঁর মহব্বত হাসিল করুন।

আরজগুজার
মুহেব্বীনে হযরত মাওলানা আলহাজ্ব অধ্যাপক মোঃ জহুরুল ইসলাম আল কাদেরী (রহঃ) এঁর পক্ষে-
মাহ্ফিল ইন্তেজামিয়া কমিটি

‘‘বিসমিল্লাহীর রাহমানির রাহীম’’সম্মানিত সুধি, আসসালামু আলাইকুম। আগামী ১০, ১১, ১২ ও ১৩ জানুয়ারী ২০২৩ ইসায়ী, রোজ মঙ্গল, ...
08/01/2023

‘‘বিসমিল্লাহীর রাহমানির রাহীম’’
সম্মানিত সুধি, আসসালামু আলাইকুম। আগামী ১০, ১১, ১২ ও ১৩ জানুয়ারী ২০২৩ ইসায়ী, রোজ মঙ্গল, বুধ, বৃহস্পতি ও শুক্রবার জহুরীয়া দরবার শরীফ এর উদ্যোগে ফুরফুরা শরীফের খলিফা, প্রখ্যাত ইসলামী চিন্তাবিদ, মুক্তির পথ প্রদর্শক, কোরআন ও হাদিসের আলোকে বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব বিশ্লেষণকারী, জাহেরী ও বাতেনী ইলমের আলোকবর্ত্তীকা, ইসলামী জাগরণের অগ্রদূত, শিরক ও বিদআতের মূল উৎপাটনকারী, সমাজ সংস্কারক, ভূতপূর্ব অধ্যাপক- পদার্থ বিদ্যা ও প্রাক্তন অধ্যক্ষ- সরকারী জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ, প্রাক্তন অধ্যক্ষ- কলাতিয়া ডিগ্রী কলেজ, ওলীয়ে কামেল হযরত মাওলানা আলহাজ্ব অধ্যাপক মোঃ জহুরুল ইসলাম আল কাদেরী রহমতুল্লা আলাইহি- এঁর ১৯তম ইন্তিকাল বার্ষিকী উপলক্ষে “আল ইসলাম জহুরীয়া হাজী আইনউদ্দীন দাখিল মাদ্রাসা প্রাঙ্গন, উত্তর বাহেরচর, তারানগর, কেরাণীগঞ্জ, ঢাকায় ৪ দিন ব্যাপি বার্ষিক ইছালে ছাওয়াব মাহ্ফিল- এর আয়োজন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে ফাতেহা শরীফ, হামদ, নাত, কোরআনখানি, জিকির- আজকার, তা’লীম, ওয়াজ, মিলাদ ও দোয়া মাহ্ফিল অনুষ্ঠিত হবে।

উক্ত মাহ্ফিলে প্রধান মেহমান ও প্রধান ওয়ায়েজ হিসেবে উপস্থিত থেকে দোয়া মুনাজাত পরিচালনা করবেন বিশ্ব বরেণ্য আলেমে দ্বীন- আলহাজ্ব ড.মুফতী হযরত মাওলানা মুহাম্মদ কাফীলুদ্দীন সরকার সালেহী, গভর্নর- ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ; অধ্যক্ষ- ঢাকা নেছারিয়া কামিল মাদ্রাসা; খতিব- আমিনবাগ জামে মসজিদ, শান্তিনগর, ঢাকা। মাহফিলে তা’লীম-তরবিয়াত প্রদান ও ওয়াজ করবেন জহুরীয়া দরবার শরীফের বরেণ্য ওলামায়ে কিরামগণ।

মাহ্ফিলে তা’লীম- তরবিয়ত প্রদান করবেন দরবার শরীফের খোলাফাবৃন্দ।

মাহ্ফিলে সভাপতিত্ব করবেন পীরে ত্বরিকত শাহ্ সূফী আলহাজ্ব প্রফেসর মোঃ ফজলে ইলাহী, খলিফা- পীর ছাহেব কেবলা উত্তর বাহেরচর; প্রাক্তন অধ্যাপক- সরকারী জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ও অধ্যক্ষ- ক্যামব্রিয়ান স্কুল এন্ড কলেজ; সভাপতি- আল ইসলাম জহুরীয়া কমপ্লেক্স; এডুকেশন এডভাইজার- ইউনাইটেড ট্রাস্ট।

উক্ত মাহ্ফিলে উপস্থিত হয়ে আল্লাহ্পাক ও রাসূলে করিম সাল্লেল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এঁর মহব্বত হাসিল করুন।


আরজগুজার
মুহেব্বীনে হযরত মাওলানা আলহাজ্ব অধ্যাপক মোঃ জহুরুল ইসলাম আল কাদেরী (রহঃ) এঁর পক্ষে-
মাহ্ফিল ইন্তেজামিয়া কমিটি

21/11/2022

জানেন কি মারধর করে আপনি কতটা ক্ষতি করছেন আপনার সন্তান বা ছাত্রের ?

পাঁচ বছরের বালক তার বন্ধুর মাথা দেওয়ালে ঠুকে ফাটিয়ে দিয়েছে। তার এই আচরনের জন্য জিজ্ঞাসাবাদ করার সময় সে বলে তার বাবা কথা না শুনলে দেওয়ালে মাথা ঠুকে দেয়। বন্ধু তারকথা শুনছিল না, তাই সেও বাবার মতন বন্ধুর মাথা দেওয়ালে ঠুকে দিয়েছে।
দশ বছরের এক বালিকাকে তার মা একদিন যখন মারধর করতে যাচ্ছিলেন সেই মুহূর্তে সে চিৎকার করেবলে, কত মারবে মারো, আমার কিচ্ছু হবে না। আমি সহ্য করে নেবো। অসহায় মা টি ছুটে যান ডাক্তারের কাছে। তার দুচোখে ভয় ও হতাশা। কারণ তার শাসন করার একমাত্র উপায়টি আর কাজ করছেনা!! মারধর করার প্রবণতা অনেক অভিভাবকদের মধ্যেই থাকে। কিন্তু জানেন কি এর ফলে কতটা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে আপনার সন্তান? আপনার সন্তানের অন্যায় আচরণের জন্য তাকে আপনি সীমিত শাসন করতেই পারেন। তবে তা যেন কখনোই মাত্রা ছাড়িয়ে না যায়। সব সময় শাসনের ভাষা দিয়ে সব ঠিক করা যায় না। বরং ভালোবাসা আর মমতা দিয়েও অবাধ্য সন্তানকে পথে আনা যায়।
১). আপনি যদি আপনার সন্তানকে মারধর করেন তাহলে তার মধ্যেও আস্তে আস্তে তৈরী হবেসাংঘাতিক আক্রোশ। বয়ঃসন্ধির সময় সেই আক্রোশ একটি সাংঘাতিক রূপ নিতে পারে।বিভিন্ন রিসার্চের দ্বারা এটা প্রমাণিত হয়েছে যে সকল মানুষ বিভিন্ন রকম অপরাধমূলক কাজের সাথে জড়িত, তাদের শৈশব সব সময়ই অত্যধিক শারীরিক আঘাতের মধ্যে দিয়ে কেটেছে।প্রকৃতির স্বাভাবিক নিয়ম অনুযায়ী একটি শিশু তার জীবনের মূল্যবোধ শেখে তার অভিভাবকদের দেখে। সেই অভিভাবকত্বে যদি মেশানো থাকে ভালোবাসা এবং সহমর্মিতাতবেই তার শিক্ষা সম্পূর্ণ হয়। তাই পরিবর্তন করুন আপনার শাসনের প্রকৃতি।
২). অনেক কর্মরত অভিভাবক আমায় বলেন যে তারা যখন কর্মস্থল থেকে বাড়ী ফেরেন তখন তাদের সন্তানদের মধ্যে অত্যন্ত বেশী দুষ্টুমি লক্ষ্য করা যায়। সারাদিনের কর্মক্লান্ত শরীরে আর তা নেওয়া যায়না। ফলে তাদের ধৈর্যচ্যুতি হয়। তখনই তারা মারধর করেন বাচ্চাকে। এ বিষয়েএকটি কথা বলার খুবই প্রয়োজন। যখনই দেখবেন আপনি বাড়ী ফেরা মাত্র বাচ্চা খুব দুষ্টুমি করছে, তার মানে ও আপনাকে সম্পূর্ণ ভাবে পেতে চায়। কোথাও নিশ্চিতভাবে আপনার ঘাটতি হচ্ছে ওকে দেওয়া সময়ের পরিমাণ। নতুনভাবে ভাবুন এ বিষয়ে। বাড়ীতে ফিরে কি কি করবেন বা খেলবেন ওর সাথে মনে মনে তারও একটি তালিকা তৈরী করে ফেলুন। দেখবেন আস্তে আস্তে ওর দুষ্টুমি কমতে শুরু করবে।
৩). যে বাচ্চা কোনও অপরাধ করলেই তাকে মারধর করে শাস্তি দেওয়া হয়, তার মধ্যে কখনই অপরাধ বোধ বা নিজের ভুলত্রুটি সংশোধন করার ভাবনা তৈরী হয় না। মারধরের বদলে তখন তার মনে প্রতিশোধ স্পৃহা তীব্র হয়ে ওঠে। সমস্যা সমাধান করার কোন চেষ্টাই সে আর করেনা।
৪). বাচ্চার সাথে অভিভাবকের ভালো রসায়নের প্রধাণ উপকরন হলো ভালোবাসা এবং শ্রদ্ধাজ্ঞাপক সম্পর্ক। অনেক অভিভাবকই আমায় বলেন, আমি তো মারধর করি তবুও আমার বাচ্চা খুব ভালোবাসে আমায়। একবার ওর হৃদয় ছুঁয়ে দেখুন, সেই ভালোবাসা কিছুটা ভয় থেকে জন্মাচ্ছেনা তো? আপনার সন্তানকে যত বেশী মারধর করে শাসন করবেন, ততই ও নিজেকে গুটিয়ে নেবে। আপনাকে সত্যি কথা বলতে ভয় পাবে। নিজের মূল্যবোধ থেকে চ্যুত হবে। শুধুতাই নয়, প্রতিটা কাজে তৈরী হবে অনীহা এবং আত্মবিশ্বাসের অভাব।
৫). অনেক অভিভাবকের কাছে বাচ্চাকে সঠিকভাবে শাসন করার পদ্ধতিটিই জানা নেই। তারা মনে করেন শাসনের পরিভাষা হলো মারধর। তাদের জন্য বলে রাখি বাচ্চাকে না মারধর করে শাসন করার কিছু পদ্ধতি আছে। যেমন টাইম আউট, লজিক্যাল কনসিকুয়েন্স বা উইথড্রল। এপদ্ধতিগুলোর মাধ্যমে বাচ্চা শেখে অপরাধবোধ, যেটি খুব জরুরি।
৬). বয়ঃসন্ধির সময় অনেক বাচ্চার আচরণ তাদের অভিভাবকদের কাছে চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।এ বিষয়ে একটি কেস স্টাডির উল্লেখ না করে পারছিনা। এক টিনএজার সন্তানের অভিভাবক আমার কাছে এসে বলেছিলেন তার সন্তানকে মারতে যাওয়ায় তৎক্ষনাৎ সে তার মায়ের হাতটি ধরে মুচড়ে দেয়। তাতে স্তম্ভিত হয়ে যান মা টি। এ বিষয়ে বলে রাখি হঠাৎ করে কিন্তু তার সন্তানের মধ্যে এ আচরণ আসেনি। দীর্ঘদিন ধরে মায়ের কাছে মার খেতে খেতে তার কৈশোর মন হঠাৎ প্রতিবাদী হয়ে ওঠে। তার ফলেই এ ঘটনা।
৭). যে সকল অভিভাবকেরা বাচ্চার শরীরের নিম্নাংশে ( শিরদাঁড়ার শেষ থেকে পায়ের পাতা) আঘাত করেন তারা সাবধান থাকুন। এতে একটি শকওয়েভ সঞ্চারিত হয় বাচ্চাদের শরীরে, যার থেকে আপনার বাচ্চার নার্ভ সংক্রান্ত বিভিন্ন অসুখ এমনকি প্যারালিসিস পর্যন্ত হতে পারে।
৮). মারধর করার অভ্যাস আপনার সন্তানের মধ্যে একটি ভুল ধারণার জন্ম দেয়। সে মনে করে দুর্বলের ওপর সব সময় মারধর করাটাই বোধহয় সামাজিক নিয়ম। শুধু তাই নয়, বাচ্চা কখনই শেখেনা উত্তেজনার সময় নিজের স্নায়ুতন্ত্রকে কিভাবে নিয়ন্ত্রনে রাখতে হয়।
৯). লেখাপড়ায় মনোযোগ কমে যায়
শারীরিক শাস্তির ভয়ে পড়তে বসলেও তা ঠিকমত আত্মস্থ করতে পারে না। ফলে পড়া ভালোভাবে মনে রাখতেও পারে না। সেক্ষেত্রে স্কুলেও আশাপ্রদ রেজাল্ট করতে পারে না। যার ফলে পড়ালেখার প্রতি অমনোযোগী হয়ে পড়ে।
১০). মিথ্যা বলা শেখে
শাস্তির ভয়ে কথা গোপন করে বা মিথ্যা বলে। আর এই মিথ্যা থেকেই সব অসততার বীজ বপন শুরু হয়ে থাকে। ফলে তার নৈতিকতার ভিত দুর্বল হয়ে গড়ে ওঠে।

একজন শিক্ষক হিসেবে শিক্ষার্থীদের সাথে কেমন দৃষ্টিভঙ্গি বা আচরণ হওয়া উচিত সে বিষয়ে আমরা নির্দেশনা পাই সূরা আর-রাহমানের প্রথম আয়াতগুলোতে। এখানে আল্লাহ বলেছেন, ‘যিনি পরম দায়ালু তিনি মানবজাতিকে কুরআন শিক্ষা দিয়েছেন।’ এখানে আল্লাহ মানবজাতির কুরআনের শিক্ষায় তিনি নিজেই শিক্ষক হিসেবে অবতীর্ণ হয়েছেন। আর আল্লাহ যখন শিক্ষকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছেন তখন তার যে গুণটি উল্লেখ করেছেন তা হলো- ‘আর রহমান’ যার অর্থ অনেক দয়ালু এবং পরম মায়াময়। অথচ শিক্ষার সাথে আল্লাহর গুণবাচক নাম ‘আলিম’ বা ‘আল্লাম’ (অনেক জ্ঞানী) বেশি যথার্থ হতে পারত। কিন্তু আল্লাহ তায়ালা এখানে ‘আর রহমান’ তথা পরম দয়ালু উল্লেখ করে আমাদের বার্তা দিয়েছেন যে, যারা শিক্ষক হবেন বিশেষ করে কুরআনের শিক্ষক তাদের অন্তরভরা মায়া থাকতে হবে, দয়া থাকতে হবে। যেমনটি মহান রব তার নিজের ক্ষেত্রে উল্লেখ করেছেন।

অতএব একজন কুরআনের শিক্ষক তার শিক্ষার্থীকে বেদমভাবে প্রহার করতে পারেন না বা অমানবিক আচরণ করতে পারেন না। যদি করে থাকেন তাহলে অবশ্যই তিনি কুরআনের শিক্ষক হওয়ার যোগ্য নন।

ইসলামের পঞ্চম খলিফা খ্যাত ওমর ইবনে আবদুল আজিজ রহ:-এর শাসনামলে বিভিন্ন অঞ্চলের দায়িত্বপ্রাপ্তদের উদ্দেশে একটি চিঠি তিনি লিখেছিলেন। তাতে তিনি নির্দেশ দিয়েছেন, কোনো শিক্ষক যেন কোনো শিক্ষার্থীকে তিনটির বেশি আঘাত (মৃদু) না করে। আর অবশ্যই তা হতে হবে শাসনের জন্য রাগের বশে নয় বা ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকে নয়। শিক্ষার্থীকে সতর্ক করার জন্য কিছুটা ভয় দেখানোর জন্য এ শাসন। শিক্ষার্থীকে শাস্তি বা কষ্ট দেয়ার জন্য আঘাত করা যাবে না। ব্যক্তিগত আক্রোশ বা রাগ থেকে শিশু, শিশুশিক্ষার্থী বা যেকোনো বয়সের শিক্ষার্থীকে আঘাত করলে অবশ্যই কিয়ামতের ময়দানে আসামির কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে।

বিশিষ্ট তাবেয়ি ইমাম দাহাক রহ: বলেছেন, কোনো শিক্ষক যদি ছাত্রকে তিনটির বেশি আঘাত করেন বা এমনভাবে মারধর করেন যা নির্যাতনের পর্যায়ে চলে যায় বা বেদম প্রহারের পর্যায়ে চলে যায় তাহলে সেই শিক্ষককে শিশুদের শাসনে ইসলামের নীতিমালা বিচারের মুখোমুখি করতে হবে এবং তার কাছ থেকে কিসাস তথা অনুরূপ শাস্তি ওই শিক্ষককে দিতে হবে।

রাসূলে করিম ﷺ বলেছেন, ‘তোমাদের সন্তানদের সাত বছর বয়সে সালাতের নির্দেশ করো। আর তারা যখন ১০ বছরে উপনীত হয় তখনো যদি সালাত আদায় না করে তাহলে শাসনমূলক প্রহারের ব্যবস্থা গ্রহণ করো।’ -আবুদাউদ শরীফ।

ইমামে আজম আবু হানিফা, ইমাম মালেক ও ইমাম আহমদ ইবনে হাম্বল রহ:সহ সব স্কলার তথা সংখ্যাগরিষ্ঠ স্কলার এ হাদিসের ব্যাখ্যায় বলেছেন, ‘সালাত আদায় না করার জন্য ১০ বছরের শিশুকে সর্বোচ্চ তিনটি মৃদু আঘাত করা যেতে পারে। তবে সেটি যেন শাস্তিমূলক পর্যায়ে না হয়। একান্তই শাসনমূলক হয়। তাকে সালাতের গুরুত্ব বোঝানোর জন্য এই শাসনমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। অবশ্যই শিশুকে এমন শাসন বা প্রহার করা যাবে না যাতে শিশুর শরীরে কোনো দাগ হয় বা বেশি ব্যথা পেয়ে যায়। একইভাবে শিশুর মনে ব্যথা দিয়েও শাসন করা যাবে না।

এরপরেও কি আপনি আপনার ছাত্র বা সন্তানকে মারধর করবেন? নিজের পেরেন্টিং পদ্ধতি নিয়ে ভাবনা চিন্তাকরুন। দেখবেন উত্তর আপনি নিজেই পেয়ে যাবেন। শিক্ষার্থীদের শাসনের ক্ষেত্রে ইসলামের একেবারে প্রথম সারির মনীষীদের দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশ করলাম। উপরোক্ত দৃষ্টিভঙ্গিগুলো একত্র করলে আমাদের কাছে স্পষ্ট হয়ে যায় যে, কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সেটি স্কুল হোক, মাদরাসা হোক অথবা হেফজখানা হোক, যদি শিশুদের বা শিক্ষার্থীদের বেদম প্রহার করা হয় তাহলে সেটি সম্পূর্ণ নাজায়েজ এবং গুনাহের একটি কাজ হিসেবে বিবেচিত।
বাবা মায়ের যেমন শাসনের ক্ষেত্রে সাবধান হওয়া প্রয়োজন তেমনি শিক্ষকগণকে সতর্ক কৌশলী হওয়া একান্ত প্রয়োজন। কারনে আকারনে সবসময় ছাত্রের গায়ে আঘাত করা অন্যায়। অপরাধ।

সংকলনেঃ
মোহাম্মদ আজহারুল ইসলাম

02/10/2022

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী ‎ﷺ উপলক্ষে ঐতিহ্য বাহী জহুরীয়া দরবার শরীফের উদ্দোগে শুরু হয়েছে ১২ দিন ব্যাপী খতমে কুরআন, খতমে খাজিগান, ওয়াজ, মিলাদ, দোয়া মাহফিল এবং ইসলামিক রেলী।
উত্তর বাহেরচর, তারানগর, কেরাণীগঞ্জ, ঢাকা।
✨ অনষ্ঠান সূচীঃ
— — — — — — —
✨১ রবিউলআউয়াল হতে ১২ রবিউলআউয়াল
— — — — — — — — — — — — —
পহেলা রবিউলআউয়াল হতে ১২ রবিউলআউয়াল- প্রতি দিন বাদ ফজর ও বাদ আসর ছাওয়াব রেছানী, মিলাদ ও দোয়া মাহফিল।
✨১১ রবিউলআউয়াল, ১৪৪৪ হিজরী। ০৮ অক্টোবর ২০২২ ঈসায়ী, রোজ শনিবার।
— — — — — — — — — — — — —
সকাল ০৯ টাঃ খতমে কুরআন
বাদ আসরঃ খতমে খাজিগান, মিলাদ, দোয়া
বাদ মাগরিবঃ ছাওয়াব রেছানী, জিকির তা’লিম
বাদ ইশাঃ রাসূল ‎ﷺ এঁর জীবনে বিভিন্ন দিক নিয়ে বিষয় ভিত্তিক আলোচনা
রাত ১১ টাঃ মিলাদ ও দোয়া, তোবারক বিতরণ।

✨১২ রবিউলআউয়াল, ১৪৪৪ হিজরী। ০৯ অক্টোবর ২০২২ ঈসায়ী, রোজ রবিবার।
— — — — — — — — — — — — —
বাদ ফজরঃ ছাওয়াব রেছানী, জিকির তা’লিম, মিলাদ ও দোয়া
সকাল ৭ টাঃ দরবার শরীফ প্রাঙ্গণ হতে ইসলামিক রেলী শুরু
সকাল ১১ টাঃ সংক্ষিপ্ত আলোচনা, মিলাদ ও তোবারক বিতরণ।এবং বিশ্ব মুসলিম, দেশ ও জাতির সমৃদ্ধি কল্যানকামনা, আল্লাহ্ ও রাসূলে পাক ﷺ এঁর মহব্বত হাসিলের জন্য দোয়া-মুনাজাত।
ঈদে মীলাদুন্নবী ﷺ উপলক্ষে মুবারক র‍্যালিতে সহ ১২ দিনের সকল অনুষ্ঠানে সর্বস্তরের আশিকানে রাসূল ছাত্র-জনতার উপস্থিতি কামনা করছি৷

Address

Uttar Baherchar, Taranagar
Keranigonj

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ahlus Sunnah posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share