28/07/2026
প্রধানমন্ত্রীTarique Rahman, এই বিদেশি নাগরিকের দিকে একটু নজর দিন। উনার ছেলেকে উনার কাছে ফিরিয়ে দিন। এই ভদ্রলোক এত বছর ধরে বাংলাদেশে পড়ে আছেন শুধুমাত্র উনার ছেলের জন্য। এই বাবার আকুতি কি আপনার কাছে পৌঁছায় না?
এই আমেরিকান ভদ্রলোকের নাম গ্যারিসন লুটেল। তিনি ২০১৮ সালে ফারহানা করিমকে বিয়ে করেন। ফারহানা করিম যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করতেন। তিন বছর আগে তাদের প্রথম সন্তান জন্ম হয়। যুক্তরাষ্ট্রে ফারহানা ও গ্যারিসনের নিজস্ব বাসাও ছিল।
২০২৩ সালের শুরুর দিকে ফারহানা আবার অন্তঃসত্ত্বা হন। অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায়, জুন মাসে তিনি বাংলাদেশে চলে আসেন। তিনি জানান, এই সময়ে মা ও বোনের সঙ্গে থাকা জরুরি—এই কারণ দেখিয়েই বাংলাদেশে আসেন। কিন্তু দেশে আসার পর তিনি গ্যারিসনের সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন। সন্তানদের কথা চিন্তা করে গ্যারিসন নিয়মিত ফারহানাকে টাকা পাঠিয়ে আসছিলেন।
কিন্তু অনেক দিন পার হয়ে গেলেও কোনো যোগাযোগ বা আপডেট না পেয়ে গত আগস্ট ও সেপ্টেম্বর মাসজুড়ে তিনি বহুবার যোগাযোগের চেষ্টা করেন, কিন্তু ব্যর্থ হন। শেষ পর্যন্ত, যোগাযোগ করতে না পেরে তিনি অক্টোবর মাসে বাংলাদেশে আসেন। বাংলাদেশে এসে যোগাযোগ করলেও ফারহানা দেখা করতে রাজি হননি, এমনকি সন্তানদেরও দেখতে দেননি।
একপর্যায়ে উত্তরা থানার পুলিশ এবং গ্যারিসন যে হোটেলে অবস্থান করছিলেন, তাদের সহযোগিতায় তিনি ফারহানার বাসায় যান। সেখানে গিয়ে তিনি জানতে পারেন, ফারহানা করিম একজন কানাডিয়ান নাগরিকের সঙ্গে বসবাস করছেন। ফারহানার দাবি, তিনি ওই কানাডিয়ান ব্যক্তিকে বিয়েও করেছেন। এদিকে, এক মাস আগে ফারহানা আরও একটি ছেলে সন্তানের জন্ম দিয়েছেন।
বাংলাদেশের আদালত ও আইন এই ভদ্রলোককে শুধু অসহায়ের মতো ঘুরিয়েই রাখছে। শেষ পর্যন্ত তিনি আজ গলায় ব্যানার ঝুলিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে সাহায্য চেয়েছেন।
আসলেই আর কত দিন এভাবে অসহায়ের মতো ঘুরবেন তিনি?
প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। এই ভদ্রলোকের কাছে তার ছেলে সন্তানকে ফিরিয়ে দেওয়া হোক। ❤️