Drama Cut

Drama Cut n

14/11/2017

ছেলেরা ভালোবাসার অভিনয় করতে করতে যে কখন সত্যি সত্যি ভালোবেসে ফেলে তারা তা নিজেও জানেনা … মেয়েরা সত্যিকার ভালোবাসতে বাসতে যে কখন অভিনয় শুরু করে তারা তা নিজেও জানেনা ।—- সমরেশ মজুমদার ।

06/11/2017

ভিখারী সকালে এসে দাদীকে
বলছে>>>
ভিখারী:"
আম্মা একটা রুটি দিবেন?
নাস্তা করি নাই।
দাদী:" একটু
অপেক্ষা করো রুটি এখনো হয়
নাই।
ভিখারী:"
অপেক্ষা কি করমু?
এই নেন
আমার মোবাইল
নাম্বার
রুটি হইলে একটা মিসকল
দিয়েন
ভিখারী Rockzz
দাদী Shockzzzz
দাদী:" মিসকল
দেওয়ার কি আছে?
রুটি হইলে ফেইসবুকে আপলোড
করমুনে ডাউনলোড
করে খেয়ে নিও
এখন
দাদী Rockzzzz আর
ভিখারী Shockzzzzz,,,,, ,

04/10/2017
20/09/2016

__নিষ্ঠুর পৃথিবী
অনেকটা জোড়ে দৌড়াচ্ছে মায়া। একটু দেরি হলে হয়তো
ট্রেনটা মিস হয়ে যাবে। আর ট্রেন মিস হলেই সে ধরা
পড়ে যাবে। পরনে বিয়ের সাজসজ্জা। লাল বেনারসি,
পায়ে আলতা, হাতে মেহেদী, গায়ে হালকা গয়না।চোখ
দিয়ে পানি গড়িয়ে পড়ছে।
বাবা মাকে ধোঁকা দিয়েছে সে। বিয়ের আসর থেকে
পালিয়ে এসেছে। একটাই কারন, ভালোবাসা। এই
ভালোবাসার জন্য আজ সে বিয়ের আসর থেকে
পালিয়েছে। হয়তো এর মাশুল দিতে হবে তার পিতা-
মাতাকে।
অতঃপর ট্রেনে উঠে পড়লো মায়া। সকলেই তার দিকে
অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে। বিন্দুমাত্র দেরি না করে
সিটে বসে পড়লো।মোবাইলটা বের করে কার সাথে যেন
কথা বললো। সারা শরীরে তার বিষাদের ছাপ। মনে মনে
আল্লাহকে ডাকতে থাকে মায়া। এটা হয়তো তার
জীবনের সবচেয়ে বড় পরীক্ষা। একদিকে বাবা-মা আর
অপরদিকে ভালোবাসা। শেষপর্যন্ত ভালোবাসাকেই
বেছে নেয় মায়া।
নাহিদকে ঘিরে মায়ার রয়েছে অগাধ বিশ্বাস।নাহিদই
সেই, যার জন্য মায়া বিয়ের আসর থেকে পালিয়েছে।
সেই ভার্সিটি লাইফ থেকে তারা একে অপরকে
ভালোবাসে।তাদের ভালোবাসায় যে কোন খাঁদ নেই।
সেটা তাদের বন্ধুবান্ধব সবাই জানে। অনেকেই হিংসা
করতো তাদের ভালোবাসাকে। এজন্যই তো আজ এত বড়
আত্মত্যাগ মায়ার।
ট্রেনটা চলতে শুরু করেছে। বাইরের প্রকৃতিকে দেখা
যাচ্ছে না। কারণ এখন তো অনেকটা রাত হয়ে গেছে।
মোবাইলটা অন করে দেখলো ১১ বেজে ৪৯ মিনিট।
বাইরের বাতাস জানালা দিয়ে ভিতরে প্রবেশ করছে।
চুলগুলো উড়ছে উড়ন্ত বাতাসে। হিম পরশ শরীরকে
অনেকটাই নাড়িয়ে দিচ্ছে।
এভাবে সময় বয়ে চললো আপন গতিতে। সময় যত কাটলো
রাত ততই গভীর হলো। এক পর্যায়ে ট্রেন থেকে নেমে
পড়ে মায়া। পেটে প্রচুর ক্ষিধে। খুব জ্বালা করছে। সেই
দুপুরে একটু খানি ভাত খেয়েছে। তারপর থেকে আর কিছুই
খাওয়া হয়নি। এত রাতে খাবার পাবে কোথায়?
নাহিদের সাথে দেখা হলেই হয়তো সে একটা ব্যবস্থা
করে দিবে। মনে মনে ভাবলো মায়া।
অতঃপর ষ্টেশনে বেঞ্চে বসে পড়লো মায়া। এখনো
নাহিদের সাথে দেখা না হওয়া পর্যন্ত কোন ক্রমেই
শান্ত হতে পারছে না সে। মোবাইলটা বের করে আবারো
ফোন দিলো মায়া। সারা শরীরে অস্থিরতার ছাপ।
আরো মিনিট পাঁচেক ষ্টেশনে অপেক্ষা করতে বললো
নাহিদ।
বাবা-মাকে ছেড়ে আসার জন্য কাঁদতে লাগলো মায়া।
হয়তো আর কখনো বাবা-মায়ের সাথে দেখা হবে না। সেই
স্বৃতিগুলো মনে গেল মায়ার। যখন তার বাবা-মা তাকে
অতিকষ্টে মানুষ করেছিলো।
কয়েকজন মধ্যবয়সী যুবক এসে মায়ার সামনে দাড়ালো
এবং মায়ার কাছে যা আছে সব দিতে বললো। মায়া
হতভম্ব হয়ে গেল অনেকটা। কি করবে কিছু বুঝতে পারছে
না।অতঃপর তাদের মধ্য হতে দুজন দুটো চাপাতি বের করে
মায়ার গলায় ধরলো। পুনরায় মায়া তাদের কিছুই দিবে না
প্রতিজ্ঞা করে।
নাহিদ ষ্টেশনে এসেছে। এসে দেখলো কেউ নেই।
মোবাইলটা বের করে ফোন দেয় মায়ার নাম্বারে। একি!
নাম্বার যে বন্ধ।
একটু আগেও তো নাম্বার দো খোলা ছিলো। অনেকটা
আশ্চর্য হয়ে গেল নাহিদ।
মায়া, মায়া বলে জোড়ে জোড়ে ডাকতে লাগলো
নাহিদ। মাথা দিয়ে ঘাম বেরুচ্ছে তার। একটু সামনে
এগিয়ে গেল। খুঁজতে লাগলো চারদিক। এতে তাকে
সহযোগিতা করছিলো তার দু বন্ধু অনিক আর সোহেল।
কিছুক্ষনপর সোহেল নাহিদকে ডাক দেয়। নাহিদ দৌড়ে
আসে। এসে যা দেখলো তা তার কাছে কোনদিনই কাম্য
ছিলো না। একটা মেয়ের লাশ পড়ে আছে ষ্টেশনের
খানিকটা দূরে রাস্তার ধারে। মুখটা দেখে চিনতে কোন
অসুবিধাই হলো না নাহিদের।
হতভম্ব হয়ে দাড়িয়ে আছে নাহিদ। চোখ দিয়ে টপটপ করে
পানি ঝরছে বৃষ্টির ন্যয়। হাটুটা মাটিকে স্পর্শ করলো।
রমনীর মাথাকে নিজের উরুর উপর রেখে একবার জোড়ে
চিৎকার দিয়ে উঠলো "মায়া................. "।
plz মা-বাবার মনে কষ্ট দিওনা এতে পরিনতি ভালো হয়না।

25/07/2016

কখনো বুঝিনি ফিরে আসবেনা আমার পৃথিবী
রাঙিয়ে.
"যত ঝগড়া আর রাগারাগি সব কাছের মানুষের
সাথেই
হয়।.. একটা মানুষ যত বেশি তোমার সাথে মিশবে,
দিনের
পর দিন ঐ তোমার প্রতি ঐ মানুষটার এক্সপেকটেশন
একটু
একটু করে বাড়তে থাকবে ... একটা সময় তুমি যখন
তার
কাছের মানুষ হয়ে যাবা, মানুষটা তোমার কাছ
থেকে
নিজের অজান্তেই অনেক বেশি এক্সপেক্ট করা শুরু
করবে !!
খুব সকালে ঘুম ভাঙতেই মানুষটা এক্সপেক্ট করবে,
তুমি
তার খোঁজ নিবে ... ঐ সময়টায় তোমার সামান্য
নীরবতাই
তখন তাকে ভয়াবহ রাগিয়ে দিবে ... মানুষটা
নিজেও
জানবে, সে সামান্য ব্যাপারেই তোমার উপর বেশি
রাগ
করে ফেলেছে ... সে সব জানবে, কিন্তু মানবে না.. সব
দোষ ঐ "এক্সপেকটেশন" এর !! পুরো পৃথিবীর সবাই
ব্যস্ত
থাকুক, সমস্যা নেই ... কিন্তু তুমি ব্যস্ত থাকলে
তার
পৃথিবীটাই উলটে যাবে ... মানুষটা মনেপ্রাণে
চাইবে,
শত ব্যস্ততার মাঝেও তুমি তাকে সময় দাও ... সেই
চাওয়া যখন পূরণ হয় না, তখনই কষ্ট হয় ... ভীষণ
কষ্ট !!
কারণ ছাড়াই যে মেয়েটা তোমার উপর রাগ দেখায়,
তাকে ভুল বুঝো না ... একটু উনিশ-বিশ হলেই যে
ছেলেটা
তোমার উপর মন খারাপ করে বা ওভার-রিঅ্যাক্ট
করে,
তাকে দূরে ঠেলে দিও না !!
কারো "কাছের মানুষ" হওয়াটা সহজ ব্যাপার না ...
চারপাশের হাজার হাজার মানুষের মাঝে কেউ
একজন
তোমাকেই খুব আপন ভাবে, তার একটুখানি অত্যাচার
সহ্য
করতে পারবে না তুমি ?? ... অবশ্যই পারবে !!
অন্যান্য সব অত্যাচারের ভেতর যন্ত্রণা মেশানো
থাকে.. কাছের মানুষের অত্যাচারের ভেতর ভালোবাসা
মেশানো থাকে ... এই অত্যাচার সয়ে নিও ...
হাসিমুখে
সয়ে নিও !!"

22/06/2016

স্বামী প্রথম রাতেই স্ত্রীকে বলছে, দেখ
আমি এই বিয়েতে রাজি ছিলাম না, আমার
পরিবার জোর পূর্বক বিবাহ দিয়েছে, সো
তোমার মতো তুমি, আর আমার মতো আমি।
স্ত্রী একদম চুপ, কিন্তু হতাশ হলেন না।
মধ্যে রাতে স্ত্রী তাহাজ্জুদ সালাতের
জন্য উঠলেন, স্বামীর এলোমেলো চুলে
শীতল পরশ হাতখানা বুলিয়ে দিয়ে, আলতো
করে কানের কাছে মুখ নিয়ে ফিসফিস করে
বলল, চলুন আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করি, আর
আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করার একমাত্র
সেতু হলো সালাত, স্বামী চোখ খুলে
স্ত্রীর মুখের দিকে তাকিয়ে অবাক, কি
মিষ্টি হাসি, অপূর্ব চাহনি, স্বামী বলল
তুমি যাও, আমি ঘুমাবো, সকালে কাজ
আছে,,,,
স্ত্রী বলল আমি আপনাকে জান্নাতের পথে
ডাকছি, সুখ, শান্তি, সচ্ছলতা, সম্মৃদ্ধির
পথে ডাকছি, স্বামী বলল ওকে ঠিক আছে,
তাহলে আমাকে জান্নাতে নিয়ে যাও,
স্ত্রী বলল তাহলে ওযু করে এসে আল্লাহর
কাছে জান্নাত চাও পেয়ে যাবে, স্বামী
বলল আমি অনেক সুখ চাই, স্ত্রী বলল
পৃথিবীর সবাই সুখের ক্রেতা, আর আল্লাহ
রাব্বুল আলামিন হলেন একাই সুখের
বিক্রেতা, স্বামী বলল কিভাবে, স্ত্রী
বলল, আল্লাহ মুমিন ব্যাক্তির জান ও মাল
ক্রয় করে নিয়েছেন জান্নাতের বিনিময়ে।
স্বামী বলছে আমি তো খারাপ, আর তুমি
এই জামানার একজন পুত ও পবিত্র নারী,
আমার মতো একজন অপবিত্র ছেলের সাথে
তুমি জীবন কাটাতে পারবেনা,,,,,
স্ত্রী বলল, আপনার সমস্ত শরীর যদি হযরত
আইয়ুব (আঃ) মতো পোকাই ভরে যায়, তবে
আমি বিবি রহিমার মতো আপনার পাশে
থেকে সেবা যত্ন করবো। আপনার সাথে
বিয়ের পর, আপনার সম্পদ, আমার ইজ্জত,
সবই আপনার আমানত, আর এই আমানতের
খিয়ানত আমি কখনোই করবোনা, আমাদের
ঘরটা রাসূলের ঘরের মতো হোক,,,, দিনের
পর দিন রান্না না হোক, কিন্তু আপনার
মুখে মুক্তা ঝরা হাসি থাকুক,,,,,,,,
স্বামী ভাবছে, এমন জীবন সঙ্গীনি
ভাগ্যক্রমে পেয়েছি, আর তাকে অবহেলা
নয়, বরং আমার শরীরের একটা অংশ করে
নিই, স্বামী তার স্ত্রীকে বলছে, আমাকে
জান্নাতে নিয়ে যাবে বললে, কিন্তু
এটাতো বললে না যে, জান্নাতে আমার
বুকে মাথা রেখে, এমন মিষ্টি পরশ বুলাবে
কিনা।
স্ত্রী চোখের পানি ছেড়ে দিয়ে, মাথা
নাড়িয়ে হ্যাঁ সূচক বাক্য প্রকাশ করলো।
আপনার স্বামী যেমনই হোক না কেন, সে
তো আর ফেরাউন নয়, তাহলে তাকে
জান্নাতের দিকে ডাকুন, আর আমি এটা
বিশ্বাস করি, সমস্ত ছেলেই ভালবাসার
কাছে হেরে যায়, আর মেয়েরা ভালবাসার
ক্ষেত্রটি ছেলেদের চাইতে ভাল বুঝে, যার
কারনে আল্লাহ মেয়েদেকে মা
বানিয়েছেন।

Address

Gazipur

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Drama Cut posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share