MD:Sabbir Ahmmed Shuvo

MD:Sabbir Ahmmed Shuvo Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from MD:Sabbir Ahmmed Shuvo, Video game, Gazipur.

হাত-পা ঝিনঝিন করা, খোঁচানো, জ্বালা করা। হাত-পা অবশ হয়ে আসা। হাত-পায়ের অনুভূতি কমে যাওয়া। ব্যথা করা। হাত-পায়ের শক্তি কমে ...
20/06/2025

হাত-পা ঝিনঝিন করা, খোঁচানো, জ্বালা করা। হাত-পা অবশ হয়ে আসা। হাত-পায়ের অনুভূতি কমে যাওয়া। ব্যথা করা। হাত-পায়ের শক্তি কমে যাওয়া।
চিকিৎসাশাস্ত্রের পরিভাষায় এই সমস্যাকে ‘পেরিফেরাল নিউরোপ্যাথি’ বলে। এর অর্থ হাত–পায়ের দূরবর্তী স্নায়ুগুলোর সমস্যা।
• অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস
• থাইরয়েড হরমোনের সমস্যা
• কিডনির রোগ
• ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
• ভিটামিনের অভাব
এই রোগের অন্যতম কারণ।

• প্রিগাবালিন ও এমিট্রিপটাইলিন জাতীয় ওষুধ হাত-পা ঝিনঝিন কমাতে পারে। পেরিফেরাল নিউরোপ্যাথির রোগীদের এ ওষুধগুলো দীর্ঘদিন সেবন করতে হতে পারে।
• হাত-পা ঝিনঝিন করার অনুভূতি খুবই অস্বস্তিকর হলেও সঠিক কারণ নির্ণয় ও চিকিৎসায় তা নিরাময়যোগ্য। প্রয়োজনে নিউরোলজি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
আর্টিকেলটি শুধুমাত্র তথ্যমূলক। যেকোন ঔষধ গ্রহণের পূর্বে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

চুলকানি, হাঁচি, কাশি, সর্দি, নাক দিয়ে পানি ঝরা, চোখ দিয়ে পানি ঝরা, এলার্জিক রাইনাইটিস, নাক বন্ধ জনিত সমস্যায় নির্দেশিত...
20/06/2025

চুলকানি, হাঁচি, কাশি, সর্দি, নাক দিয়ে পানি ঝরা, চোখ দিয়ে পানি ঝরা, এলার্জিক রাইনাইটিস, নাক বন্ধ জনিত সমস্যায় নির্দেশিত গুরুত্বপূর্ণ ঔষধ।

খাওয়ার নিয়ম:-
১২ বছর বা তার বেশি বয়স প্রতিদিন রাতে একবার।
শিশুদের ক্ষেত্রে সিরাপ ফরমেটে পাওয়া যায়।

Bilastine গ্রুপের অন্যান্য ব্যান্ডের নাম :-
Bilista
Beltas
Biltin
Bilan
Bilasi
Bilastin
Billi
Tinabil
ইত্যাদি।

সাবধানতা:-
লিভার ও কিডনি অকার্যকর রোগীদের ক্ষেত্রে বিলাস্টিন ব্যবহার করা উচিত নয়।

সাধারণত বিলাস্টিন সুসহনীয়।
তবে কিছু পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হতে পারে যেমন :-মাথা ব্যথা,মাথা ঘোরা, উদ্যোগ, ভার্টিগো, পেট ব্যথা ইত্যাদি।

আর্টিকেলটি শুধুমাত্র তথ্যমূলক। যেকোনো ওষুধ গ্রহণের পূর্বে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।....?

টনসিল হল গলার পিছনের অংশে অবস্থিত দুটি ডিম্বাকৃতির লিম্ফ গ্ল্যান্ড, যা আমাদের রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে। এটি একটি লিম্ফ্...
03/06/2025

টনসিল হল গলার পিছনের অংশে অবস্থিত দুটি ডিম্বাকৃতির লিম্ফ গ্ল্যান্ড, যা আমাদের রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে। এটি একটি লিম্ফ্যাটিক অঙ্গ যা ক্ষতিকারক জীবাণু যেমন ব্যাকটেরিয়া এবং ভাইরাসকে আটকাতে সাহায্য করে। টনসিলের প্রদাহ বা ফোলা হলে টনসিলাইটিস হয়, যা সাধারণত শিশু এবং কিশোর-কিশোরীদের মধ্যে বেশি দেখা যায়।

টনসিলের কাজ:
____________________
◑ লিম্ফ্যাটিক সিস্টেমের অংশ হিসেবে কাজ করে।
◑ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস এবং অন্যান্য ক্ষতিকারক অণুজীবকে আটকাতে সাহায্য করে।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
টনসিলাইটিসের লক্ষণ:
____________________
◑ গলা ব্যথা
◑ গলাতে ফোলা এবং লাল হওয়া
◑ ঠোঁট ও জিহ্বায় সাদা বা হলুদ আস্তরণ
◑ সর্দি, কাশি, জ্বর
◑ ঠোঁট ও জিহ্বায় ফোলা
◑ ঠোঁট ও জিহ্বায় সাদা বা হলুদ আস্তরণ
◑ খাবার গিলতে সমস্যা
◑ শ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া

টনসিলাইটিসের কারণ:
___________________
◑ ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ, অ্যালার্জি.

টনসিলাইটিসের চিকিৎসা:
______________________
◑ ভাইরাসজনিত টনসিলাইটিসের ক্ষেত্রে বিশ্রাম,
◑ প্রচুর পানি পান ও ব্যথানাশক ওষুধ উপসর্গ কমাতে সাহায্য করে।
◑ ব্যাকটেরিয়াল সংক্রমণ হলে অ্যান্টিবায়োটিক প্রয়োজন হতে পারে।
◑ টনসিলাইটিস বারবার হলে বা জটিলতা তৈরি হলে টনসিল অপসারণ (টনসিলেক্টমি) করার প্রয়োজন হতে পারে।

টনসিলের ঘরোয়া চিকিৎসা:
________________________
◑ উষ্ণ জল ও মধু দিয়ে গার্গল করা।
◑ গরম দুধ ও হলুদ মিশ্রিত পানীয়।
◑ লেবু, মধু ও নুন মিশ্রিত গরম জল।

টনসিল সংক্রান্ত সতর্কতা:
______________________
◑ টনসিলাইটিস সঠিকভাবে চিকিৎসা না করা হলে জটিলতা তৈরি হতে পারে।
◑ স্ট্রেপটোকোকাস ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ হলে জটিলতা আরও বেশি হতে পারে।

‎আপনার সন্তানের চুলকানি বা স্ক্যাবিস থেকে মুক্তি পেতে হলে আমার লেখা এই পোস্টটি ভালো ভাবে পড়ুন এবং বুঝুন।‎‎স্ক্যাবিস এখন ...
02/06/2025

‎আপনার সন্তানের চুলকানি বা স্ক্যাবিস থেকে মুক্তি পেতে হলে আমার লেখা এই পোস্টটি ভালো ভাবে পড়ুন এবং বুঝুন।

‎স্ক্যাবিস এখন মহামারি আকার ধারন করেছে। সবাইকে তাই সচেতন হবার অনুরোধ করছি।

‎স্ক্যাবিস (Scabies) একটি তীব্র চর্মরোগ, যা Sarcoptes Scabiei নামক এক ধরনের পোকা বা ক্ষুদ্র পরজীবী মাইট (mite) দ্বারা হয়। এটি খুবই সংক্রামক এবং চুলকানির মাধ্যমে এর প্রধান উপসর্গ প্রকাশ পায়।

‎স্ক্যাবিসের ভয়াবহতা :

‎১. চরম চুলকানি: স্ক্যাবিস হলে বিশেষ করে রাতে বেশি চুলকানি হয়, ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায়। অনেক বাচ্চারা চুলকাতে চুলকাতে ঘুম ভেঙে যায়, যন্ত্রনায় কান্নাকাটি করে।

‎২. চামড়ায় ফুসকুড়ি ও ক্ষত: স্ক্যাবিস হলে ঘর্ষণ এবং চুলকানোর ফলে চামড়ায় ঘা ও ইনফেকশন হতে পারে। কখনো কখনো চামড়ার নিচে পুঁজ জমে যায়।

‎৩. পরিবারে দ্রুত ছড়ায়: স্ক্যাবিস রোগে পরিবারে একজন আক্রান্ত হলে তার সংস্পর্শে এলে পুরো পরিবার এই রোগে আক্রান্ত হতে পারে। মারাত্মক ছোঁয়াচে রোগ এটি।

‎৪. দীর্ঘমেয়াদে হলে সেকেন্ডারি ইনফেকশন: স্ক্যাবিসের সঠিক চিকিৎসা না হলে শরীরে ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ, সেলুলাইটিস, এমনকি শিশু রোগীর কিডনি সমস্যা পর্যন্ত হতে পারে, তাই সচেতনতা ভীষন ভাবে প্রয়োজন।

‎৫. মানসিক অস্বস্তি: অতিরিক্ত চুলকানি ও অস্বস্তির কারণে শিশুর মানসিক চাপ ও অস্থিরতা তৈরি হয়।

‎স্ক্যাবিস থেকে মুক্তির উপায়:

‎১. চিকিৎসা:

‎🍀 পারমেথ্রিন - ৫% (Permethrin - 5%) ক্রিম: এটি সবচেয়ে কার্যকর। শরীরের গলা থেকে পা পর্যন্ত মেখে রাতভর রেখে সকালে (১০-১২ ঘন্টা শরীরে রাখার পর) ধুয়ে ফেলতে হয়। এই নিয়মে একটু ভুল হলে কোনেভাবেই এউ স্ক্যাবিস রোগ শরীর থেকে যাবেনা। মাসের পর মাস এই রোগের অসহ্য যন্ত্রণা ভোগ করতে হবে। হাজার হাজার টাকা, ১০-১২টা ডাক্তার যাই করেন, কাজ হবেনা। শরীরের এক ইঞ্চি তো দূরের কথা একসূতা পরিমাণ জায়গাও বাদ রাখবেন না, রাতে ওয়াসরুমে গেলে, ওষুধ ধুয়ে গেলে, আবার প্রয়োগ করুন। মনে রাখবেন, ভীষণ জরুরি। না কমলে ৭ দিন পরপর একই নিয়মে ব্যবহার করুন। আর অবশ্যই পরদিন সকালে গায়ে থাকা পোষাক, বিছানার চাদর, বালিশের কাভার সব কিছু গরম পানিতে ৩০ মিনিট ধরে সিদ্ধ করে ধুয়ে ফেলুন। নিজের ও শিশুর শরীর গরম পানি ও বডি ওয়াস দিয়ে ভালো ভাবে রগরে গোসল করুন ও করান।

‎🍀 আপনার শিশুকে শিশু বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দেখানোর পর শিশু বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী (Permethrin - 5% + Crotamiton) Combined Cream বা Monosulfuram - 25% Solutions ইত্যাদি ব্যাবহার করতে পারবেন।

‎🍀 আইভারমেকটিন (Ivermectin) ওষুধ: কিছু ক্ষেত্রে শিশু বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক আপনার শিশুর স্ক্যাবিস রোগের চিকিৎসায় খাওয়ার ওষুধ দিতে পারেন, বিশেষ করে জটিল ও পুনঃসংক্রমণের ক্ষেত্রে।

‎🍀 অ্যান্টিহিস্টামিন ট্যাবলেট: চুলকানি কমাতে সাহায্য করে। শিশুদের ক্ষেত্রে Syrup বড়দের ক্ষেত্রে ট্যাবলেট।

‎২. পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা:

‎আক্রান্ত ব্যক্তির পোশাক, বিছানার চাদর, তোয়ালে গরম পানিতে ৩০ মিনিট ধরে সিদ্ধ করে ধুয়ে রোদে শুকাতে হবে।

‎এই রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির ব্যবহৃত জিনিসপত্র থেকে ৩ দিন পর্যন্ত দূরে রাখতে হবে (কারণ রোগ সৃষ্টিকারী পোকা বা মাইট ২–৩ দিন বেঁচে থাকে)।

‎৩. একসাথে চিকিৎসা:

‎পরিবারের সকল সদস্যকে একসাথে চিকিৎসা গ্রহণ করা জরুরি। এমনকি উপসর্গ না থাকলেও। এটা খুবি জরুরি।

‎৪. নিয়মিত হাত ধোয়া ও শরীর পরিষ্কার রাখাবেন। বাইরে থেকে বাসায় ফিরে সবার আগে ভালো ভাবে হাত ধোয়ার অভ্যাস করবেন। এতে রিইনফেকশন হবার সম্ভাবনা কমে যায়।

‎বিশেষ সতর্কতা:

‎শিশুদের জন্য শিশু বিশেষজ্ঞ এবং গর্ভবতীদের নারীদের গাইনী বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। কারণ ঔষধ গুলো শিশু ও নারীদের প্রতি বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে।

‎বিশেষ দ্রষ্টব্য:
‎এই স্ক্যাবিসকে সাধারন ভাবে দেখবেন না। এর ভয়াবহতা অনেক। তাই সচেতন হবেন। যারা আক্রান্ত হয়েছিলেন এখন সম্পূর্ণ সুস্থ তারাও প্রতি মাসে একবার করে পরিবারের সবাই একসাথে পারমিথ্রিন ৫% ব্যবহার করুন এবং পরিধেয় পোষাক, বিছানার চাদর গরম পানিতে ধুয়ে নিন।
‎নিজে জানুন অন্যকে জানান।

‎আশা করি আজকের আলোচনা আপনাদের অনেক উপকারে আসবে, আমার জন্য দোয়া রাখবেন, সবাই সুস্থ থাকবেন, সম্ভব হলে এই পোস্টটি শেয়ার করবেন।

‎দয়া করে আপনারা সবাই সচেতন হবেন।


‎ধন্যবাদ।

‎এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), এমডি (শিশু)

বাচ্চাদের স্ক্যাবিস কীভাবে ছড়ায়?___________________________☞ শিশুরা একে অপরের সঙ্গে খেলতে গিয়ে স্ক্যাবিসে আক্রান্ত হতে প...
02/06/2025

বাচ্চাদের স্ক্যাবিস কীভাবে ছড়ায়?
___________________________
☞ শিশুরা একে অপরের সঙ্গে খেলতে গিয়ে স্ক্যাবিসে আক্রান্ত হতে পারে।

☞ আক্রান্তের ব্যবহৃত জামা-কাপড়, বিছানাপত্র বা তোয়ালে থেকে সহজেই ছড়াতে পারে।

☞ পরিবারের একজন আক্রান্ত হলে অন্যদের মধ্যেও দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে।

☞ স্কুলে সামান্য এলার্জি মনে করে বাচ্চাকে পাঠাচ্ছেন।এক বাচ্চা থেকে আরেক বাচ্চায় সহজেই ছড়াচ্ছে।

☞ এলার্জি ভেবে চিকিৎসা না নিয়ে বসে আছেন অথবা ঘুরে বেড়াচ্ছেন।

✳☞ স্ক্যাবিসের সাধারণ লক্ষণ

☞ তীব্র চুলকানি, বিশেষত রাতে বেশি হয়।

☞ ত্বকে লালচে র‌্যাশ, ফোস্কা বা ক্ষত।

☞ আঙ্গুলের ফাঁকে, কব্জি, কোমর, বগল, এবং শিশুর ক্ষেত্রে নাভি ও কুঁচকিতে বেশি হয়।

☞ স্ক্যাবিস কোন এলার্জি না।এটি একটি ক্ষুদ্র পোকা দ্বারা সৃষ্ট রোগ।

☞ নিজে থেকে ওষুধ ব্যবহার নয়।কারণ এতে করে আপনি রোগটাকে আরো জটিল করে তুলছেন।

☞ সঠিকভাবে চিকিৎসা না নিলে ও সুস্থ না হলে এই রোগ থেকে কিডনির জটিল রোগ হতে পারে।

☞ শিশুর যত্নে সচেতন হন!এটি সঠিক চিকিৎসায় পুরোপুরি সেরে যায়।

বৃষ্টি বা গরমের এ সময়ে পায়ের আঙুলের ফাঁকে ঘা হতে দেখা যায়। প্রচণ্ড চুলকায় ও জায়গাটি লাল হয়ে যায়। কখনো ত্বক ফেটে যায়, আবা...
01/06/2025

বৃষ্টি বা গরমের এ সময়ে পায়ের আঙুলের ফাঁকে ঘা হতে দেখা যায়। প্রচণ্ড চুলকায় ও জায়গাটি লাল হয়ে যায়। কখনো ত্বক ফেটে যায়, আবার কখনো ফুসকুড়ির মতো হয়, জ্বালাপোড়াও করে। এ সমস্যাকে ‘টিনিয়া পেডিস’ বা ‘অ্যাথলেটস ফুট’ বলে।

এটি সংক্রামক। সংক্রমণের মাত্রা বেড়ে গেলে আঙুলের ফাঁকে ক্ষত তৈরি হয়ে থাকে।

সাধারণত ছত্রাক সংক্রমণ মারাত্মক কিছু নয়। কিন্তু কখনো কখনো এর নিরাময় কঠিন হতে পারে। ডায়াবেটিস থাকলে অথবা রোগ প্রতিরোধক্ষমতা দুর্বল হলে এমন সংক্রমণের চিকিৎসা নিতে দেরি করা উচিত নয়। এ ক্ষেত্রে পরিস্থিতি জটিল হতে পারে।
কেন হয়
সাধারণত গরমকালে ও আর্দ্র স্যাঁতসেঁতে আবহাওয়ায় ছত্রাকের সংক্রমণ বেশি হয়।

পা সব সময় ভেজা থাকা, একই মোজা বারবার পরা, সারা দিন আঁটসাঁট জুতা পরার কারণে পা ঘেমে গেলে ছত্রাকের সংক্রমণ বেশি ঘটে।

সংক্রমিত ব্যক্তির কাপড়, মোজা, বিছানা ব্যবহারে অন্য ব্যক্তিও আক্রান্ত হতে পারেন।

খালি পায়ে হাঁটলে সংক্রমণের ঝুঁকি থাকে। # #
⍟⍟ উপাদান : প্রতি গ্রাম ক্রীমে আছে ক্লোট্রিমাজল ১০ মি.গ্রা.।

⍟⍟ নির্দেশনা :

ট্রাইকোফাইটন প্রজাতি দ্বারা সৃষ্ট সব ডার্মাটোমাইকোসিস, মোল্ডস্‌ ও অন্যান্য ছত্রাক দ্বারা সৃষ্ট ডার্মাটোমাইকোসিস এবং ত্বকের রোগসমূহ যেগুলোতে ছত্রাকজনিত সংক্রমণ সমূহ দেখা যায়। উপরে উল্লেখিত ডার্মাটোমাইকোসিস গুলোর মধ্যে আছে ইন্টারডিজিটাল মাইকোসিস প্যারোনাইকিয়াস, ক্যানডিডা ভালভাইটিস, ক্যানডিডা ব্যালানিটিস, পিটাইরিয়াসিস ভারসিকালার।

⍟⍟ মাত্রা ও ব্যবহার বিধি : দৈনিক ২ থেকে ৩ বার আক্রান্ত স্থানে।

⍟⍟ সতর্কতা ও যেসব ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যাবে না : ক্লোট্রিমাজলের প্রতি অতি সংবেদনশীলতার ক্ষেত্রে ।

⍟⍟ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া : খুবই কম ক্ষেত্রে প্রয়োগস্থানে চুলকানি বা জ্বালা পোড়া হতে পারে।

⍟⍟ অন্য ওষুধের সাথে প্রতিক্রিয়া : এখন পর্যন্ত কোন তথ্য পাওয়া যায়নি।

⍟⍟ গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদানকালে ব্যবহার :

চিকিৎসক প্রয়োজন মনে করলে গর্ভকালীন সময়ে ব্যবহারের জন্য নির্দেশনা দিতে পারেন।

⍟⍟ সরবরাহ : এফান® ক্রীম : ১০ গ্রাম।

দেহের প্রধান প্রধান অর্গান গুলোর মধ্যে হার্ট অন্যতম। তাই যে কোন মূল্যে তাকে সতেজ ও কার্যকর রাখতে হবে।❤️হার্ট শুধু ভালোব...
31/05/2025

দেহের প্রধান প্রধান অর্গান গুলোর মধ্যে হার্ট অন্যতম। তাই যে কোন মূল্যে তাকে সতেজ ও কার্যকর রাখতে হবে।❤️
হার্ট শুধু ভালোবাসা বোঝে না,
সে বোঝে রক্তচাপ,
কোলেস্টেরল এবং চিনির হিসেবও

বর্তমান সময়ে হার্ট অ্যাটাক এমন একটি রোগে পরিণত হয়েছে যা উন্নয়নশীল দেশগুলোতে ভয়াবহভাবে বিস্তার লাভ করছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS, 2022) অনুসারে, দেশে মোট মৃত্যুর ১৭.৪৫% হার্ট অ্যাটাকজনিত কারণে ঘটে। আবার Resolve to Save Lives (2023)–এর তথ্য অনুযায়ী, দেশের মোট মৃত্যুর প্রায় ৩৪%-এর কারণ হৃদরোগজনিত সমস্যা।

আগে যেখানে হার্ট অ্যাটাক ৬০ বছরের বেশি বয়সীদের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল, এখন তা আর বয়স মানে না। ১৮ বছর থেকে শুরু করে যেকোনো বয়সের মানুষ এতে আক্রান্ত হচ্ছেন। তাই হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ সম্পর্কে সচেতন হওয়া অত্যন্ত জরুরি। যেমন—বুকে বা বাম পাশে তীব্র ব্যথা অনুভব হওয়া, শ্বাসকষ্ট, অতিরিক্ত ঘাম, ক্লান্তি বা অচেতন হয়ে পড়া, বুকের মাঝখানে চেপে ধরা বা জ্বালাপোড়া করা (যা অনেকেই অ্যাসিডিটি মনে করেন), বমি ভাব, মাথা ঘোরা, ঘাড় ও কাঁধে ব্যথা ইত্যাদি।

কিছু নির্দিষ্ট গোষ্ঠী রয়েছে যারা হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার বেশি ঝুঁকিতে থাকে। যেমন—উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তি, ধূমপানকারী, যাদের অতিরিক্ত ওজন রয়েছে এবং যারা অলস জীবনযাপন করেন। পাশাপাশি যারা নিয়মিত ফাস্টফুড, তৈলাক্ত খাবার ও অতিরিক্ত কার্বোহাইড্রেটজাত খাবার (চিনি, মিষ্টান্ন, ড্রিঙ্কস) গ্রহণ করেন, তারাও ঝুঁকিতে থাকেন। পর্যাপ্ত ঘুম না হওয়া (৬ ঘণ্টার কম ঘুম) এবং অতিরিক্ত মোবাইল ব্যবহারের কারণেও এই ঝুঁকি বাড়তে পারে।

তবে সুসংবাদ হলো—হার্ট অ্যাটাক প্রতিরোধযোগ্য। প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটাচলা করলে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি ২৫–৩০% পর্যন্ত কমে যেতে পারে। অতিরিক্ত লবণ, মসলা ও তৈলাক্ত খাবার এড়িয়ে চলতে হবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) মতে, নিয়মিত সবুজ শাকসবজি ও ফলমূল খাওয়া হৃদরোগের ঝুঁকি প্রায় ৩০% পর্যন্ত কমায়। ফাইবারযুক্ত খাবার যেমন ওটস, ব্রাউন রাইস কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। প্রোবায়োটিক জাতীয় খাবার যেমন দই হজমে সহায়ক এবং প্রদাহ হ্রাস করে। ওমেগা–৩ ফ্যাটি অ্যাসিডযুক্ত খাবার যেমন মাছ, আখরোট, বাদাম ইত্যাদি হার্টের জন্য অত্যন্ত উপকারী।

এছাড়া পর্যাপ্ত ঘুম (প্রতিদিন অন্তত ৬ ঘণ্টা), স্ট্রেস কমানো, অতিরিক্ত শারীরিক বা মানসিক পরিশ্রম এড়িয়ে চলা, চিনি কম খাওয়া এবং নিয়মিত ব্যায়াম করা—এই অভ্যাসগুলো হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে কার্যকর ভূমিকা রাখে।

নিচে কিছু কার্যকর খাবার পরিবর্তনের পরামর্শ দেওয়া হলো, যা হৃদরোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে

🔴 ভাতের পরিবর্তে:
✅ ব্রাউন রাইস / লাল চাল – এতে রয়েছে প্রচুর ফাইবার ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।
✅ কুইনোয়া / ওটস – কম গ্লাইসেমিক ইনডেক্সযুক্ত এবং হার্ট-সুরক্ষাকারী বিটা-গ্লুকান ফাইবারে সমৃদ্ধ।

🔴 পরিশোধিত তেলের পরিবর্তে:
✅ অলিভ অয়েল (Extra Virgin) – মনোস্যাচুরেটেড ফ্যাট হার্টকে সুরক্ষা দেয় ও ভালো কোলেস্টেরল বাড়ায়।
✅ সানফ্লাওয়ার অয়েল – এতে থাকে পলিইনস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড ও ভিটামিন E, যা হৃদযন্ত্রের জন্য উপকারী।

🔴 রেড মিটের পরিবর্তে:
✅ চামড়া ছাড়া চিকেন – কম স্যাচুরেটেড ফ্যাট, উচ্চ প্রোটিন ও হার্ট-সহায়ক।
✅ সামুদ্রিক মাছ (যেমন টুনা, সালমন, ম্যাকেরেল) – ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডে ভরপুর যা হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।

🔴 তেলেভাজা খাবারের পরিবর্তে:
✅ স্টিম/গ্রিল/সেদ্ধ খাবার – এতে অতিরিক্ত তেল ব্যবহার হয় না, ক্যালোরি কম ও স্বাস্থ্যকর।
✅ ননস্টিক ফ্রাইং প্যান / এয়ার ফ্রায়ার – অল্প বা একেবারে তেল ছাড়া রান্নার সুযোগ।

🔴 অতিরিক্ত লবণের পরিবর্তে:
✅ কম লবণ ব্যবহার – দিনে ৫ গ্রামের কম লবণ গ্রহণ করা হার্টের জন্য নিরাপদ।

✅ লবণের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করুন:
লেবুর রস 🍋
ধনে পাতা 🌿

আদা, রসুন, কালো মরিচ 🌶️ – এগুলো খাবারে স্বাদ আনে, রক্তচাপও নিয়ন্ত্রণে রাখে।

🔴 মিষ্টি বা ডেজার্টের পরিবর্তে:
✅ ফ্রেশ ফল (আপেল, বেরি, কলা, পেয়ারা) – প্রাকৃতিক চিনি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে সমৃদ্ধ।
✅ ডার্ক চকোলেট (৭০% বা তার বেশি কোকো) – মাঝেমধ্যে খেলে হার্টের জন্য উপকারী ফ্ল্যাভোনয়েড পাওয়া যায়।

🔴 বিস্কুট / ফাস্ট ফুডের পরিবর্তে:
✅ হোমমেড হেলদি স্ন্যাকস:
সিদ্ধ ছোলা 🫘
সবজি সালাদ 🥗

✅ চিরা, মুড়ি, বাদাম মিক্স (কম লবণ দিয়ে) – সহজলভ্য ও পুষ্টিকর বিকল্প।

🔴 সফট ড্রিংকের পরিবর্তে:
✅ ডাবের পানি – প্রাকৃতিক ইলেক্ট্রোলাইট ও কম ক্যালোরি।
✅ লেবুর পানি (চিনি ছাড়া) – ভিটামিন C ও হাইড্রেশন বজায় রাখে।
✅ গ্রিন টি / হারবাল টি – অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসমৃদ্ধ ও স্ট্রেস কমায়।

✅ মনে রাখবেন: নিয়মিত ব্যায়াম, পর্যাপ্ত ঘুম ও মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি খাদ্যাভ্যাসে এমন কিছু ছোট পরিবর্তন হার্টকে রাখতে পারে দীর্ঘদিন সুস্থ ও সচল।

✍️ ( copyrighted l
বিদ্র: ভবিষ্যত প্রয়োজনে শেয়ার করে রাখুন।

31/05/2025

⍟⍟ উপাদান : ডেক্সট্রোমেথরফ্যান ১০ মি.গ্রা./৫ মি.লি. সিরাপ।

⍟⍟ নির্দেশনা : শুকনো কাশি, এবং তীব্র কাশি যা স্বাভাবিক কার্যাবলী অথবা ঘুমের বিঘ্ন ঘটায়।

⍟⍟ মাত্রা ও ব্যবহার বিধি : প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে: দিনে ১৫-৩০ মি.গ্রা. ৩ থেকে ৪ বার।

৬-১২ বছরের শিশুদের ক্ষেত্রে : ৬.৭৫ মি.গ্রা. দিনে ৪ বার পর্যন্ত।

৬ বছরের নিচের শিশুদের ক্ষেত্রে: ২.৫-৫ মি.গ্রা. দিনে ৪ বার পর্যন্ত।

⍟⍟ সতর্কতা ও যেসব ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যাবে না : মনোঅ্যামাইন অক্সিডেজ ইনহিবিটর-এর সাথে ব্যবহার করা যাবে না।

⍟⍟ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া :

কদাচিৎ দেখা যায়। কিন্তু মাঝে মাঝে বমি বমি ভাব এবং মাথা ঝিম ঝিম করতে পারে। মাত্রাতিরিক্ত ওষুধ গ্রহণের ফলে উত্তেজনা, বিভ্রান্তি এবং শ্বাসতন্ত্রের কার্যকারিতার অবনমন দেখা দিতে পারে।

⍟⍟ অন্য ওষুধের সাথে প্রতিক্রিয়া :

ফিন্যালজিন এবং ডেক্সট্রোমেথরফ্যান একই সঙ্গে গ্রহণকারীদের মারাতড়বক প্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে।

⍟⍟ গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদানকালে ব্যবহার :

গর্ভকালীন প্রথম তিন মাস এ ওষুধ ব্যবহার করা অনুচিত। স্তন্যদানকারী মায়েদের এ ওষুধ ব্যবহার না করার পরামর্শ দেয়া যেতে পারে।

⍟⍟ সরবরাহ : ব্রোফেক্স™ সিরাপ : ১০০ মি.লি.।

⍟⍟ উপাদান:বারিফ™ ৪০ ট্যাবলেট: প্রতিটি ফিল্ম কোটেড ট্যাবলেটে রয়েছে ফেবুক্সোস্ট্যাট আইএনএন ৪০ মি.গ্রা.। বারিফ™ ৮০ ট্যাবলেট...
31/05/2025

⍟⍟ উপাদান:

বারিফ™ ৪০ ট্যাবলেট: প্রতিটি ফিল্ম কোটেড ট্যাবলেটে রয়েছে ফেবুক্সোস্ট্যাট আইএনএন ৪০ মি.গ্রা.। বারিফ™ ৮০ ট্যাবলেট: প্রতিটি ফিল্ম কোটেড ট্যাবলেটে রয়েছে ফেবুক্সোস্ট্যাট আইএনএন ৮০ মি.গ্রা.।

⍟⍟ নির্দেশনা :

বারিফ™ বাত রোগে পরিলক্ষিত হাইপারইউরিসেমিয়ার চিকিৎসায় নির্দেশিত। যেখানে হাইপারইউরিসেমিয়ার কোন লক্ষণ নেই সেখানে ইহা নির্দেশিত নয়।

⍟⍟ মাত্রা ও ব্যবহার বিধি :

বারিফ™ ৪০ মি.গ্রা. অথবা ৮০ মি.গ্রা. দিনে একবার ব্যবহার করতে হবে। যেসব রোগীদের সিরামে ইউরিক এসিডের মাত্রা ২ সপ্তাহ পরে ৬ মি.গ্রা. / ডেসিলিটার এর নীচে নামে না তাদের ক্ষেত্রে বারিফ™৮০ মি.গ্রা. নির্দেশিত। খাদ্য বা এন্টাসিডের সাথে বারিফ™ সেবনের ক্ষেত্রে কোন সম্পর্ক নাই। যে সব রোগীর কিডনী ও লিভারে সমস্যা আছে তাদের ক্ষেত্রে ফেবুক্সোস্টাট-এর মাত্রা সংশোধনের কোন প্রয়োজন নাই।

⍟⍟ সাবধানতা :

১। কিছু কিছু রোগীর ক্ষেত্রে ফেবুক্সোস্টাট শুরুর প্রথমে বাতের ব্যথা বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তখন ফেবুক্সোস্টাট বন্ধ না করে এর সাথে ব্যথার ওষুধ বা কোলচিচিন ৬ মাস পর্যন্ত ব্যবহার করতে হবে।

২। হার্টের এবং স্ট্রোকের রোগীদের ক্ষেত্রে ডাক্তারের পরামর্শানুযায়ী ব্যবহার করতে হবে।

৩। লিভার সঠিকভাবে কাজ করছে কিনা তা লক্ষ্য রাখতে হবে।

⍟⍟ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া : লিভারে সমস্যা, বমি বমি ভাব, অস্থিসন্ধিতে ব্যথা ও চামড়াতে লাল দাগ হওয়া।

⍟⍟ প্রতিনির্দেশনা :

যে সকল রোগী অ্যাজাথিওপ্রিন, মারক্যাপটোপিউরিন বা থিওফাইলিন ব্যবহার করছে তাদের ক্ষেত্রে ফেবুক্সোস্টাট ব্যবহার করা যাবে না।

⍟⍟ অন্য ওষুধের সাথে প্রতিক্রিয়া :

ফেবুক্সোস্টাট এর সাথে এযাথিওপ্রিন, মারক্যাপটোপিউরিন বা থিওফাইলিনের ব্যবহারে বিষক্রিয়ার সম্ভাবনা থাকে।

⍟⍟ গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে ব্যবহার :

গর্ভাবস্থার জন্য ক্যাটাগরি ‘সি’ ওষুধ। গর্ভাবস্থায় ব্যবহারের পর্যাপ্ত তথ্য পাওয়া যায়নি তবে যখন ভ্রুণের ক্ষতির তুলনায় সুস্থতার অধিক নিশ্চয়তা যুক্তিসঙ্গত প্রমানিত হবে তখনই ফেবুক্সোস্টাট দেয়া যেতে পারে। স্তন্যদানকারী মায়েদের ক্ষেত্রে সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে।

⍟⍟ শিশুদের ক্ষেত্রে ব্যবহার : শিশু রোগীদের ক্ষেত্রে ফেবুক্সোস্টাট এর নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা এখনও প্রতিষ্ঠিত হয়নি।

⍟⍟ সরবরাহ :

বারিফ™ ৪০ মি.গ্রা. ট্যাবলেট : প্রতি বাক্সে আছে ৩০টি ট্যাবলেট।

বারিফ™ ৮০ মি.গ্রা. ট্যাবলেট : প্রতি বাক্সে আছে ১০ট্যাবলেট।

⍟⍟ উপাদান :প্রতি ৫ মি.লি. সাসপেনশনে আছে সোডিয়াম এলজিনেট ইউএসপি ৫০০ মি.গ্রা. এবং পটাশিয়াম বাইকার্বনেট ইউএসপি ১০০ মি.গ্রা....
31/05/2025

⍟⍟ উপাদান :

প্রতি ৫ মি.লি. সাসপেনশনে আছে সোডিয়াম এলজিনেট ইউএসপি ৫০০ মি.গ্রা. এবং পটাশিয়াম বাইকার্বনেট ইউএসপি ১০০ মি.গ্রা.।

⍟⍟ নির্দেশনা :

এটি গ্যাস্ট্রোইসোফেজিয়াল রিফ্লাক্স জনিত সমস্যা, যেমন- এসিড রিগার্জিনেশন, হার্টবার্ন এবং বদহজমে নির্দেশিত। এটি খাবার পরবর্তী এসিডিটি, গর্ভকালীন অথবা যে সকল রোগীর রিফ্লাক্স ইসোফেজাইটিস আছে তাদের প্রতি নির্দেশিত।

⍟⍟ সেবন মাত্রা ও প্রয়োগবিধি :

খাবারের পরে এবং ঘুমানোর আগে দৈনিক ৪ বার প্রাপ্ত বয়ষ্ক এবং ১২ বছরের উপরে শিশুদের ক্ষেত্রে ১-২ চা চামচ (৫-১০ মি.লি.) সাসপেনশন। ২- ১২ বছরের শিশুদের ক্ষেত্রে ১/২-২ চা চামচ (২.৫-৫ মি.লি.) সাসপেনশন।

⍟⍟ প্রতিনির্দেশনা : সোডিয়াম অ্যালজিনেট এবং পটাশিয়াম বাইকার্বোনেট এর উপর সংবেদনশীল রোগীদের ক্ষেত্রে প্রতিনির্দেশিত।

⍟⍟ গর্ভবতী ও স্তন্যদানকারী মায়েদের ক্ষেত্রে ব্যবহার :

অ্যাসিন্টা™ সাসপেনশন গর্ভবতী ও স্তন্যদানকারী মায়েদের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যাবে।

⍟⍟ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া :

খুব কম সংখ্যক রোগীদের ক্ষেত্রে অ্যালার্জিক মেনিফেস্টেশন যেমন- ইউটিকারিয়া, ব্রোঙ্কোস্পাজম, এনাফাইলেটিক অথবা এনাফাইলেকিয়েড প্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে।

⍟⍟ মাত্রাধিক্যতা : সিম্পটোমেটিক চিকিৎসা রোগীকে দিতে হবে। রোগীর তলপেটে ব্যথা হতে পারে।

⍟⍟ সরবরাহ : প্রতি বোতলে আছে ২০০ মি.লি. সাসপেনশন

🧠 উদ্বেগ, হতাশা কিংবা আতঙ্ক? সমাধান হতে পারে Escilex! 💊Escilex (Escitalopram Oxalate) – একটি শক্তিশালী ও কার্যকর Antidep...
31/05/2025

🧠 উদ্বেগ, হতাশা কিংবা আতঙ্ক? সমাধান হতে পারে Escilex! 💊
Escilex (Escitalopram Oxalate) – একটি শক্তিশালী ও কার্যকর Antidepressant, যা Selective Serotonin Reuptake Inhibitor (SSRI) গ্রুপভুক্ত। এটি বাংলাদেশে উৎপাদন করে Renata PLC।

---

🔹 পাওয়া যায় নিচের Strength-এ:

Escilex 5 mg Tablet

Escilex 10 mg Tablet

Escilex 20 mg Tablet

---

📋 Dosage Guidelines (ব্যবহারের নিয়ম):

1️⃣ হতাশা (Major Depressive Disorder - MDD):

🔸 শুরু: 10 mg দিনে ১ বার
🔸 প্রয়োজনে: 20 mg পর্যন্ত বাড়ানো যায়
🔸 বৃদ্ধদের জন্য: 10 mg/day

2️⃣ সাধারণ উদ্বেগ (Generalized Anxiety Disorder - GAD):

🔸 শুরু: 10 mg দিনে ১ বার
🔸 প্রয়োজনে: 20 mg পর্যন্ত বাড়ানো যায়

3️⃣ আতঙ্ক ব্যাধি (Panic Disorder):

🔸 1ম সপ্তাহ: 5 mg/day
🔸 এরপর: 10–20 mg/day

4️⃣ সামাজিক উদ্বেগ (Social Anxiety Disorder):

🔸 ডোজ: 10 mg/day
🔸 প্রয়োজন অনুসারে: 5–20 mg/day

5️⃣ OCD (Obsessive-Compulsive Disorder):

🔸 শুরু: 10 mg/day
🔸 প্রয়োজনে: 20 mg/day পর্যন্ত

---

⚠️ বিশেষ সতর্কতা:

✅ গর্ভাবস্থা বা স্তন্যদানকালীন: চিকিৎসকের পরামর্শ আবশ্যক
✅ যকৃতের সমস্যা থাকলে: সর্বোচ্চ 10 mg/day
✅ ওষুধ বন্ধ করতে হলে ধীরে ধীরে ডোজ কমাতে হবে
✅ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করুন

---

💰 মূল্য (প্রতি ট্যাবলেট):

প্রায় ৳৭.০০ – দেশের যে কোনো নামকরা অনলাইন ফার্মেসিতে সহজলভ্য

---

📌 মনে রাখুন:
এই ওষুধটি সেবনের আগে অবশ্যই একজন রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করুন।

📢 শেয়ার করে জানিয়ে দিন, মানসিক স্বাস্থ্য সচেতনতা এখন সময়ের দাবি!

Address

Gazipur

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when MD:Sabbir Ahmmed Shuvo posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Establishment

Send a message to MD:Sabbir Ahmmed Shuvo:

Share

Category