Nispapツ

Nispapツ �সময় গেলে সাধন হবে না�

19/10/2025

সামরিক নেতৃত্বের পেছনে পিনাকীদের লাগার কারণ | Jewels Thought

#নাগরিকস্বাধীনতা
#সামাজিকন্যায়
#নিরপেক্ষতা
#বাংলাদেশ
#সেনাবাহিনী
#পিনাকী
#গুজব

16/10/2025

খালেদা জিয়াকে মইনুল রোডের বাড়ি থেকে উচ্ছেদ ও কর্নেল হাসিনুরকে গুমে জড়িত মোস্তাফিজুর রহমান এখনও গ্রেফতার হচ্ছে না কেন?

#বাংলাদেশেরইতিহা
#নাগরিকস্বাধীনতা
#সামাজিকন্যায়
#হাসিনুররহমান
#লেফটেন্যান্টকর্নেল
#নিরপেক্ষতা

গুজব ও উস্কানি বাবা পিনাকী ভুট্টোবীর্য। যার রয়েছে উপদেষ্টা ও সামরিক গুজব বিষয়ক সূত্রও। #বাংলাদেশেরইতিহা #নাগরিকস্বাধীনতা...
16/10/2025

গুজব ও উস্কানি বাবা পিনাকী ভুট্টোবীর্য। যার রয়েছে উপদেষ্টা ও সামরিক গুজব বিষয়ক সূত্রও।

#বাংলাদেশেরইতিহা
#নাগরিকস্বাধীনতা
#সামাজিকন্যায়
#হাসিনুররহমান
#লেফটেন্যান্টকর্নেল
#নিরপেক্ষতা
#পিনাকী

13/10/2025

লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাসিনুর রহমানকে গুম কে করেছিলো নিজের মুখেই স্বীকার করলেন

#লেফটেন্যান্টকর্নেল #হাসিনুররহমান #গুম #বাংলাদেশ #সেনাবাহিনী #সামরিক #নিরপেক্ষতা #সত্যিকথা #অবিচার #শান্ত #নাগরিকস্বাধীনতা #সাংবাদিকতা #প্রতিবাদ #আলোচনা #জনমত #সচেতনতা #অধিকার #গণতন্ত্র #সামাজিকন্যায় #বিচার #সত্যনিষ্ঠা #বাংলাদেশেরইতিহা #মানবতা

📍ভিউ ব্যবসায়ীদের দুই গালে, জুতা মারো তালে তালে।🩴🩴               #গুজব
12/10/2025

📍ভিউ ব্যবসায়ীদের দুই গালে, জুতা মারো তালে তালে।🩴🩴

#গুজব

🔴দুষ্টু কোকিলরা সব এক হয়েছে আজ। এসব কোকিল থেকে দূরে থাকাই উত্তম। এই জিনিসটা জাতি যত তাড়াতাড়ি বুঝবে ততই মঙ্গল।গতকাল রাতে ...
12/10/2025

🔴দুষ্টু কোকিলরা সব এক হয়েছে আজ। এসব কোকিল থেকে দূরে থাকাই উত্তম। এই জিনিসটা জাতি যত তাড়াতাড়ি বুঝবে ততই মঙ্গল।

গতকাল রাতে আর্মির বিরুদ্ধে মাদ্রাসার শিক্ষার্থী, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, সাধারণ মানুষকে নেমে আসার আহ্বান করেছেন কেউ কেউ। যারা এই আহ্বান করেছেন, তারা কিন্তু বলেন নি, আমি লাগেজ নিয়ে রওনা দিয়েছি, বিমানে উঠেছি, দেশমাতৃকাকে রক্ষা করতে সেনাবাহিনীর এপিসির সামনে শুইয়ে দেশকে ক্যু থেকে বাঁচাতে রওনা দিয়েছি। এসব গুঁজবে কান দিয়ে যদি সত্যিই কতিপয় মাদ্রাসার শিক্ষার্থী, সাধারণ মানুষ কিংবা স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীরা রাজপথে নেমে এসে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি রক্ষার জন্য টহলরত সেনাবাহিনীর সদস্যদের প্রতিরোধ করার উদ্যোগ নিতো, তখন কি পরিবেশ তৈরি হতো? আমি স্রেফ বলি, যারা সারাক্ষণ বলে ক্যু চায়না, ক্যু চায়না। এরাই মূলত জনগণকে উস্কানি দিয়ে পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করে ক্যু তৈরির বা ১/১১ সৃষ্টির পায়তারা করছে। এর পিছনে কাজ করছে ভারতীয় 'র'। ' র' এজেন্টরা এমনভাবে খেলছে যে, খালি চোখে মনে হতে পারে, এরা আপনার পক্ষে কথা বলছে, কিন্তু এরা বাস্তবে আপনাকে দিয়ে আত্মঘাতী কাজ করিয়ে ক্যু এর প্রেক্ষাপট তৈরি করতে চায়। এটাই ভারতীয় প্লান। সুতরাং কারও পাতানো ফাঁদে পা না দিয়ে, নিজেই সত্যমিথ্য যাচাই-বাছাই করতে শিখুন।

#গুজব

12/10/2025

সেনাবাহিনীর 'মোরাল' ভাঙার দায় কে নেবে?

#বাংলাআলোচনা #রাজনৈতিকবিশ্লেষণ
#গুজব

12/10/2025

সেনাবাহিনী দেশের জন্য,কোন পলিটিক্যাল পার্টির জন্য নয়: সেনাসদর

এই মানুষটাকে সাপোর্ট দিয়ে রাখলাম। মানুষটা বাংলাদেশকে একটা গৃহযুদ্ধের হাত থেকে রক্ষা করে আওয়ামিলীগ এর রাজনৈতিক জীবনে সবথে...
12/10/2025

এই মানুষটাকে সাপোর্ট দিয়ে রাখলাম।

মানুষটা বাংলাদেশকে একটা গৃহযুদ্ধের হাত থেকে রক্ষা করে আওয়ামিলীগ এর রাজনৈতিক জীবনে সবথেকে বড় শত্রুতে পরিনত হয়েছেন। মানুষটার জন্য হাজার হাজার প্রাণ রক্ষা পেয়েছিলো, আইনশৃঙ্খলা অন্তত স্বাভাবিক পর্যায়ের দিকে আসতে পেরেছে, পুরো সিস্টেম ফল করেনি শুধুমাত্র এই লোকটির কিছু উদ্যোগের জন্য।

আবার এই মানুষটা দেশে অবস্থানরত কিছু বাংলাদেশবিরোধী রাজনৈতিক দল ও এনার্কিস্টদেরও শত্রুতে পারিনত হয়েছে, কেননা এদের যা স্বপ্ন, বাংলাদেশকে একটা অনিশ্চিতের দিকে নিয়ে যাওয়া, সেই স্বপ্নের পথে বাধা হয়ে দাড়িয়েছেন এই দেশপ্রেমিক মানুষটি। এনার্কিস্টরা প্রতিনিয়ত দেশকে একটা বাজে অবস্থানে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টায় চেষ্টারত, বাধা এই মানুষটা।

মানুষটাকে সমর্থন দিয়ে গেলাম। সেনাপ্রধানের হাত শক্ত করা, দেশকে গনতান্ত্রিক উত্তরণের পথে নিয়ে যাওয়া, এই মুহূর্তে এর থেকে জরুরী আর কিছু নেই।

@ Rizwan Rizu

🔴 পিনাকী ভট্টাচার্য যে একটা টপ ক্লাস ফ্রড সেটা নিয়ে কোনও সন্দেহ থাকার কারণ নেই। দু’দিন পর পর এক একটা ফালতু টাইপ হাইপ তুল...
12/10/2025

🔴 পিনাকী ভট্টাচার্য যে একটা টপ ক্লাস ফ্রড সেটা নিয়ে কোনও সন্দেহ থাকার কারণ নেই।

দু’দিন পর পর এক একটা ফালতু টাইপ হাইপ তুলবেন, তারপর বাংলার শিক্ষিত–অশিক্ষিত, ধনী–গরিব, মাদ্রাসা–অমাদ্রাসা, পিএইচডি–অপিএইচডি, সবাই সেটা বিশ্বাস করে বসে থাকে। তার ভুয়া সব ন্যারেটিভ এমন লোকজন বিশ্বাস করে, তারা নিজেরাই ভাবে না, তাদের একটু সুস্থ চিন্তা এই অসুস্থ মানুষটার চেয়ে কয়েক গুণ ভালো। ৫ আগস্টের আগে সে প্রথমে আন্দোলনকে নিজেই বিশ্বাস করত না, পরে দেখা গেছে সে সবচেয়ে বড় স্টেকহোল্ডার হয়ে বসে আছে। ৫ আগস্টের পরে প্রথম কয়েক দিন তার পেজে ঠিক মতো লাইক পড়ত না। পরে সে একটা নির্দিষ্ট দিকে ঝুঁকে লেখা শুরু করল। যখন লাইক পাওয়া শুরু করল, সত্য–মিথ্যা মিলিয়ে লেখা আরম্ভ করল—“এ হচ্ছে আর্মির দালাল, ও হচ্ছে ভারতের দালাল।” তার সব কথার শেষ কথা হচ্ছে এই দুইটা। আর কোনো কনটেন্ট নাই।

গতকাল রাতেও সে সবাইরে বলল রাস্তায় নেমে আসতে। সে নিজে বসে আছে বিদেশে! স্পেসিফিক্যালি সে মাদ্রাসার ছাত্রদের রাজপথ দখল নেওয়ার কথা বলে। কেন? মাদ্রাসার ছাত্রদের কি জীবনের কোনো মূল্য নাই? তারা ২০১৩ সালের ৫ মের মতো রাস্তায় গুলি খেয়ে মরবে? পিনাকী তো তখন তাদের মৃত্যুতে উল্লাস করেছিলেন। অথচ দেখা গেল, কালকের সব গল্প আসলে ভুয়া! জাস্ট একবার চিন্তা করুন, পিনাকীর কথায় ভর করে যদি রাস্তায় মানুষ নেমে আসত, হুট করে দেশজুড়ে কি একটা ভয়াবহ বিশৃঙ্খলা দেখা দিত! এইসব ভুয়া ছাইপাশ ছড়ানোই তার কাজ। সব সময়ই তাই করে। অথচ ফাঁকতালে মানুষটা বিদেশে বসে এইসব ছাইপাশ ছড়িয়ে শুধু নিজের জন্য ডলার কামায়।

এই যে গত এক সপ্তাহ ধরে তিনি বলে গেলেন, আর্মি গুম–খুনের অভিযোগ ওঠা কর্মকর্তাদের বিচার করতে দেবে না। তাদের পালিয়ে যেতে দেবে, প্রয়োজনে তাদের বাঁচাতে ক্যু করবে—এগুলোর একটাও কি আদৌ হয়েছে? তিনি, মোস্তাফিজ, ইলিয়াসসহ উনাদের পুরো টিম এক সপ্তাহ ধরে কত রকমের কথা বলে পুরো বিষয়টা নিয়ে মার্কেট গরম করে ফেলল। অথচ শুরু থেকে সেনাবাহিনীর আচরণ ছিল পেশাদার। তারা ক্রমবর্ধমান গুজবের মুখেই গতকাল সংবাদ সম্মেলন ডেকে পুরো বিষয়টি পরিষ্কার করে দেন এবং ন্যায়বিচারের প্রতি তাদের পূর্ণব্যক্ত করেন। পিনাকীরা যে বলল, সেনাপ্রধান বিচার চান না—তাহলে তার অনুমতি ছাড়া কি এসব সেনা কর্মকর্তাকে সেনা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে? আসলে বিচার, আদালতের কার্যক্রম নিয়ে সেনাবাহিনীর কোনো মাথাব্যথা নেই। সেনাপ্রধানের ভয়ের কারণ এই পিনাকীরা। গত রাতে তিনি যে পরিমাণ গুজব ছেড়েছেন, তাই যথেষ্ট ভয়ের কারণ হতে! সবার উচিত ঠান্ডা মাথায় এখন পর্যন্ত তার করা ভবিষ্যদ্বাণীগুলো নিয়ে ভাবা। তার একটা কথাও ফলেনি। তবুও তিনি সমানে গুজব ছড়িয়ে যাচ্ছেন।

#গুজব

লে. কর্নেল (অব.) মোঃ মুস্তাফিজুর রহমান: সেনাবাহিনী-বিরোধী প্রচারণার আড়ালে এক ভিন্ন উদ্দেশ্যবাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সাবেক কর...
10/10/2025

লে. কর্নেল (অব.) মোঃ মুস্তাফিজুর রহমান: সেনাবাহিনী-বিরোধী প্রচারণার আড়ালে এক ভিন্ন উদ্দেশ্য

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা লে. কর্নেল (অব.) মোঃ মুস্তাফিজুর রহমান এখন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এমন এক চরিত্রে পরিণত হয়েছেন, যিনি সেনাবাহিনী, সেনাপ্রধান ও বর্তমান দায়িত্বশীল অফিসারদের বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবে বিষোদগার করছেন।
তার সাম্প্রতিক ফেসবুক পোস্ট ও ভিডিওগুলিতে দেখা যাচ্ছে—তিনি সেনাবাহিনীর অভ্যন্তরীণ বিষয়, কর্মকর্তাদের নাম ধরে অপমান করছেন, এমনকি রাষ্ট্রের নিরাপত্তা সংস্থার বিরুদ্ধে সরাসরি অভিযোগ ছুঁড়ে দিচ্ছেন।
একজন সাবেক সেনা কর্মকর্তা হিসেবে এমন আচরণ শুধু দায়িত্বহীন নয়—এটি উদ্দেশ্যমূলক, পরিকল্পিত ও ষড়যন্ত্রমূলক।

⚙️ ১. খালেদা জিয়ার বাড়ি উচ্ছেদে সক্রিয় ছিলেন মুস্তাফিজ

২০১০ সালে বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার ক্যান্টনমেন্ট বাসা উচ্ছেদ অভিযানে মোস্তাফিজুর রহমান সরাসরি অংশ নেন।
তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের নির্দেশে তিনি সেই অভিযানে অতি উৎসাহী ভূমিকা পালন করেন এবং বাড়ির ভেতরে প্রবেশ পর্যন্ত করেন—এমন তথ্য পরে গণমাধ্যমেও প্রচারিত হয়।
অর্থাৎ, খালেদা জিয়ার প্রতি আজকের তার “সহানুভূতি” আসলে কৃত্রিম; রাজনৈতিক অবস্থান বদলে নিজেকে সুবিধাজনক অবস্থানে রাখার এক উদাহরণ মাত্র।

🎖️ ২. শেখ হাসিনার কাছ থেকে পুরস্কার নিয়েছিলেন

২০১৬ সালে সেনাবাহিনীতে দায়িত্ব পালনকালে তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত থেকে কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের জন্য পদক গ্রহণ করেন।
অবিশ্বাস্য হলেও সত্য, ২০২১ ও ২০২৫ সালে তিনি সেই পুরস্কার গ্রহণের ছবিটি নিজের ফেসবুকে গর্বের সঙ্গে পোস্ট করেন—এমনকি কভার ফটো হিসেবেও ব্যবহার করেন।
শেখ হাসিনার হাত থেকে পুরস্কার নেওয়া ব্যক্তি আবার হাসিনা বিরোধী হয় কী করে!

📉 ৩. সেনাবাহিনীতে ছিলেন গড়পড়তা অফিসার, পদোন্নতিতে ব্যর্থ

২৪তম বিএমএ লং কোর্সের অফিসার হিসেবে মুস্তাফিজুর রহমান সেনাবাহিনীতে কখনোই “অসাধারণ” ছিলেন না।
সেনা সূত্র মতে, তিনি দুইবার পদোন্নতি বোর্ডে ব্যর্থ হন।
পরবর্তীতে তোষামোদি ও সম্পর্কের জোরে লেফটেন্যান্ট কর্নেল পদে উন্নীত হন, কিন্তু তাতেও তাঁর ক্যারিয়ার বিতর্কে জড়িয়ে পড়ে।
তার বিরুদ্ধে অসদাচরণ ও ব্যক্তিগত অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ উঠলে, তদন্ত শুরু হয়—আর তখনই তিনি বিদেশে চলে যান।
অর্থাৎ, যতোটুকু যোগ্যতা ছিল, ততোটুকুই পেয়েছিলেন; সেনাবাহিনীতে ব্যর্থ হয়েই এখন বাহিনী ও নেতৃত্বের বিরুদ্ধে আক্রোশ উগড়ে দিচ্ছেন।

🔁 ৪. একসময় ওয়াকারের প্রশংসা, এখন বিষোদগার

১১ জুন ২০২৪ তারিখে কণক সরওয়ারের টকশোতে মুস্তাফিজ বলেছিলেন—
“জেনারেল ওয়াকার উজ জামান একজন ভিন্নধারার অফিসার, সেনাবাহিনীর ভাবমূর্তি পুনরুদ্ধারে ভূমিকা রাখবেন।”
কিন্তু দুই মাসের মধ্যেই সেই প্রশংসা উল্টে গেল বিষে ভরা সমালোচনায়।
এখন তিনি জেনারেল ওয়াকারকে নিয়ে কটাক্ষ করে লিখছেন—“ওয়াকার মাস্ট গো”, এমনকি সরাসরি তার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগ তুলছেন।
এমন দ্রুত অবস্থান বদল ব্যক্তিগত ক্ষোভ ও জনপ্রিয়তার লোভ ছাড়া আর কিছু নয়।

⚠️ ৫. মানসিক ভারসাম্যহীনতা ও স্মৃতিভ্রংশের স্বীকারোক্তি

মোস্তাফিজ নিজেই একাধিকবার ভিডিওতে স্বীকার করেছেন—
“আমার মানসিক অবস্থা ভালো না” এবং “আমি একেক সময় একেক কথা বলি।”
তার বক্তব্যগুলোতেও দেখা যায়, একই বিষয়ের ওপর পরস্পরবিরোধী মন্তব্য।
একবার বলেন “প্রধানমন্ত্রী দেশে নেই”, পরের ভিডিওতে বলেন “তিনি দেশে ফিরেছেন”—এমন অসংলগ্ন কথাবার্তাই প্রমাণ করে, তিনি মানসিকভাবে অস্থিতিশীল এবং নিজের কথার দায় নিতে সক্ষম নন।
একজন প্রাক্তন সেনা কর্মকর্তার কাছ থেকে এ ধরনের অস্থির আচরণ কেবল লজ্জাজনকই নয়, বরং বিপজ্জনকও।

💰 ৬. ‘ভিউ ব্যবসা’ই এখন আসল কাজ

যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে মোস্তাফিজুর রহমান এখন ইউটিউব ও ফেসবুক লাইভকে বানিয়েছেন আয়ের উৎস।
ভিডিও ভিউ বাড়াতে তিনি সরকার ও সেনাবাহিনী সম্পর্কে বিভ্রান্তিকর গল্প বানান।
তার বক্তব্যে দেখা যায় নাটকীয়তা, বিকৃত তথ্য এবং সংবেদনশীল বিষয় নিয়ে উস্কানি।
এভাবে তিনি কেবল জনপ্রিয়তা নয়, রাজনৈতিক আশ্রয় ও বিদেশি সহানুভূতিও পেতে চান।
তথ্যভিত্তিক বিশ্লেষণ নয়—‘গুজব-বাণিজ্য’ই তার মূল ব্যবসা।
আর সেই গুজবের পেছনে লুকিয়ে আছে এক গভীর রাজনৈতিক পরিকল্পনা:
দেশের সেনাবাহিনীর ভাবমূর্তি নষ্ট করে রাষ্ট্রের ভিত দুর্বল করা।

🪖 ৭. বর্তমান অফিসারদের বিরুদ্ধে লিখে সেনাবাহিনীর মনোবল ভাঙছেন

তার সাম্প্রতিক পোস্টগুলোতে দেখা যায়—তিনি নাম ধরে সেনা অফিসারদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলছেন,
কেউ ‘ভারতীয় গোয়েন্দা এজেন্ট’, কেউ ‘গুমে জড়িত’, কেউ ‘দুর্নীতিবাজ’।
এই অভিযোগগুলোর কোনো প্রমাণ নেই, নেই নথি বা তথ্যসূত্র।
তবুও তিনি এসব কথা ছড়িয়ে সেনাবাহিনীর অভ্যন্তরে বিভ্রান্তি ও সন্দেহের পরিবেশ তৈরি করছেন।
একজন অবসরপ্রাপ্ত অফিসার হয়েও তিনি বাহিনীর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছেন—যা স্পষ্টভাবে মনোবল ভাঙার প্রচেষ্টা।

🔍 উপসংহার: সেনাবাহিনী বিরোধিতা নয়, এটা ব্যক্তিগত প্রতিশোধ

লে. কর্নেল (অব.) মোঃ মুস্তাফিজুর রহমানের বর্তমান কর্মকাণ্ড কোনো মতপ্রকাশ নয়—এটি এক সুনির্দিষ্ট ষড়যন্ত্রের অংশ।
একসময় সেনাবাহিনীর সুযোগ-সুবিধা ভোগ করে, খালেদা জিয়ার বাড়ি উচ্ছেদে নেতৃত্ব দিয়ে, শেখ হাসিনার কাছ থেকে পুরস্কার নিয়ে,
আজ তিনি সেই সেনাবাহিনীরই বিরুদ্ধে বিষোদগার করছেন—এটা কেবল দ্বিচারিতা নয়, এটা বিশ্বাসঘাতকতা।

তিনি “সত্য বলার” নামে আসলে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছেন, “বিশ্লেষণ” করার নামে ব্যক্তিগত আক্রমণ করছেন,
আর “দেশপ্রেম” নামে ব্যক্তিগত হতাশা ও ক্ষোভকে বিক্রি করছেন।

এই ধরনের ব্যক্তি শুধু নিজের নয়—দেশের ভাবমূর্তিরও ক্ষতি করেন।
জনগণের উচিত এমন “ভিউ-সৈনিক”দের মিথ্যা নাটক না দেখা,
বরং প্রশ্ন করা—যে নিজের বাহিনীর প্রতি বিশ্বাস রাখতে পারে না, সে কাকে ভালোবাসে—দেশকে, নাকি ভিউকে❓

ধর্ষণ হলো পাহাড়ি মেয়ে, ধর্ষক আটক হলো (হিন্দু) চয়ন শীল আর তারা দাবি তোলে, সেনাবাহিনী প্রত্যাহারের। 🤣🤣🤣
26/09/2025

ধর্ষণ হলো পাহাড়ি মেয়ে, ধর্ষক আটক হলো (হিন্দু) চয়ন শীল আর তারা দাবি তোলে, সেনাবাহিনী প্রত্যাহারের। 🤣🤣🤣






Address

Gazipur

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Nispapツ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share