Tinshed_BARI

Tinshed_BARI We r BARI Tinshed dwellers. This page, carrying the info's of our musical daily life & activities.

25/09/2023
29/08/2023

স্ত্রীর অফিসের সামনে দাঁড়িয়ে মিজান সাহেব তার স্ত্রীকে ফোন দিলো। বেশ কয়েকবার রিং হওয়ার পর উনার স্ত্রী নবনী ফোনটা রিসিভ করে নিচু স্বরে বললো,
-আমি মিটিংয়ে আছি। আমার আসতে দেরী হবে। তুমি বরং বাসায় চলে যাও। সুপ্তি আজ বাসায় একা আছে।

মিজান সাহেব চাবি দিয়ে দরজার লক খুলে বাসার ভিতর ঢুকলেন। সুপ্তির রুমে উঁকি দিয়ে উনি আঁতকে উঠলেন। উনার ১১ বছরের ছোট মেয়ে সুপ্তির ন/গ্ন শরীরটা বিছানায় পড়ে আছে। সাদা বিছানার চাদরটাতে রক্তের ছোপ ছোপ দাগ লেগে আছে। মিজান সাহেব পাশে পড়ে থাকা ওড়নাটা দিয়ে মেয়ের ন/গ্ন শরীরটা ঢেকে মেয়েকে জড়িয়ে ধরে কাঁদতে কাঁদতে বললো,
-- মা, তোর এমন অবস্থা কে করেছে?

সুপ্তি ব্যথায় কাতরাতে কাতরাতে অস্পষ্ট স্বরে বললো,
~ আ/নি/স আং/কেল।
সুপ্তি ICU তে ভর্তি। ডাক্তার বলেছে ১২ ঘন্টার ভিতর কিছু বলা যাবে না। নবনী কাঁদতে কাঁদতে মিজান সাহেবকে জড়িয়ে ধরে বললো,
-- বাসার দারোয়ানটা আমাদের বাচ্চা মেয়েটার সাথে এমনটা করতে পারলো! এই ন/র/প/শু/র বুকটা কি একটুও কাঁপলো না?
মিজান কিছু বললো না। শুধু পাথরের মূর্তির মত
স/টা/ন হয়ে দাঁড়িয়ে রইলো।

রাত ১২টা বেজে ২১ মিনিট। মিজান সাহেবের খুব অস্বস্তি লাগছিলো। তাই তিনি ক্লিনিকের ছাদে গেলেন হাঁটার জন্য। হঠাৎ খেয়াল করলেন উনার মতই দেখতে কেউ একজন ছাদের কার্ণিশে হাত দিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। মিজান সাহেব যখন ভয়ে চিৎকার দিবে ঠিক তখনি লোকটা বললো,

~ কি রে, ভয় পেয়েছিস না কি? আমাকে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। আমি তোরই ভিতরে বসবাস করা আরেকটা মানুষ। মেয়ের ন/গ্ন শরীর, বিছানার চাদরে রক্তের লাল দাগ আর মেয়ের ব্যথায় কাতরানো দেখে তোর কি কিছু মনে পড়ছে না? তোর মনে না পড়লে আমি তোকে মনে করিয়ে দিচ্ছি। অনেক বছর আগে তোর বাসায় শেফালি নামের একটা ১৩ বছরের কিশোরী কাজ করতো। তুই অফিস থেকে বাসায় এসে জানতে পারলি তোর স্ত্রী অফিসের কাজে দুইদিনের জন্য ময়মনসিংহ যাবে। আর তখনি তোর ভিতর আমার জ/ন্ম হয়। মাঝরাতে শেফালির উপর ঝাপিয়ে পড়েছিলি তখন শেফালি বারবার তোর কাছে বাঁচার জন্য আকুতি-মিনতি করেছিলো। সেই রাতে শেফালির ব্য/থার চিৎকার চার দেয়ালের মাঝেই আটকে গিয়েছিলো। সাদা বিছানার চাদর র/ক্তের দাগে লাল হয়ে গিয়েছিলো। অস্পষ্ট স্বরে শেফালি বারবার তোকে বলেছিলো,
" স্যার আমার খুব কষ্ট হচ্ছে। আপনার পায়ে পড়ি! আমাকে ছেড়ে দেন। "
সেদিন তুই হেসেছিলি। আজ শেফালির জায়গায় তোর মেয়ের মুখটা কল্পনা করে দেখ। তোর মেয়েও হয়তো ব্যথায় এইভাবে চিৎকার করেছিলো। আর আনিস ঠিক ঐভাবেই হেসেছিলো সেদিন তুই যেভাবে হেসেছিলি। বুঝলি মিজান, এই জগৎ বড় রহস্যময়। এখন যতদিন তুই বেঁচে থাকবি, ততদিন নিজের মেয়ের এই অবস্থার জন্য নিজেকেই দায়ী করবি। তারচেয়ে বরং চল, আমরা এই রহস্যময় জগৎ থেকে মুক্তি নেই।

পরদিন সকালে মিজানের লা/শ পাওয়া গেলো ক্লিনিকের পিছনে আর ডাক্তার নবনীকে বললো,
" আপনার মেয়ের আর কোনো সমস্যা নেই। বিপদ কেটে গেছে।"
______
_________

টেবিলে বসে যখন একমনে পড়ছিলাম তখন হঠাৎ আমার রুমমেট (রাশেদ ভাই) আমায় বললো,
-পিয়াস, আনিকার ন্যূ/ডপিক দেখবে?
আমি অবাক হয়ে বললাম,
-- আনিকা আপু তো আপনার গার্লফ্রেন্ড ছিলো।

রাশেদ ভাই মুচকি হেসে বললো,
- ছিলো! এখন তো আর নাই!
আমি রাশেদ ভাইকে বললাম,
-- এখন আনিকা আপু আপনার গার্লফ্রেন্ড না দেখে মানুষকে উনার ন্যূ/ডপিক দেখিয়ে বেড়াবেন? এটা তো ভাই ঠিক না। আপনাদের সম্পর্ক থাকাকালীন আপনার জোরাজোরিতে হয়তো আনিকা আপু আপনাকে বিশ্বাস করে একটা ন্যূ/ডপিক দিয়েছিলো । এখন যেহেতু সম্পর্ক নেই সেহেতু আপনার উচিত হবে সেই পিকটা ডিলিট করে দেওয়া।

রাশেদ ভাই আমার উপর কিছুটা রেগে গিয়ে বললো,
- তুমি মিয়া সবসময় বেশি বুঝো। দেখতে ইচ্ছে না হলে দেখবে না। এত কথা বলার কি আছে?
এমন সময় রাশেদ ভাই আমার বন্ধু রাফিকে ডেকে বললো,
--রাফি, দেখে যাও তোমাদের ভার্সিটির বড় আপু আনিকার ন্যূ/ডপিক।

কয়েক মাস পরের কথা। আমি ভার্সিটি থেকে এসে রুমে ডুকে দেখি রাশেদ ভাই নীরবে কান্না করছে। আমি ভাইয়ের হাতটা ধরে বললাম,
-- ভাই কি হয়েছে আপনার?
রাশেদ ভাই কিছু না বলে চুপ করে রইলো। এমন সময় রাফি দৌঁড়ে এসে রাশেদ ভাইকে বললো,
- ভাই, আপনার বাড়ি জামালপুর নয়াবাড়ি না? আপনাদের এলাকার একটা মেয়ের ভি/ডিও ও ভাইরাল হয়ছে? মেয়েটা সেইরকম মা/ল ভাই। দেখলে আপনার মাথা ন/ষ্ট হয়ে যাবে। দেখবেন না কি?

আমি যা বুঝার বুঝে গিয়েছিলাম। রাফিকে রুম থেকে বের করে রাশেদ ভাইয়ের হাতটা ধরে বললাম,
-- ভাই, এই জগৎটা খুব রহস্যময়। এই রহস্যময় জগতে কেউ পার পেয়ে যায় না। আজ আপনি পা/প করে বের হয়ে আসলেও; সেই পাপের ফলটা আপনারই পরিবারের কাউকে না কাউকে ভোগ করতে হবেই....
_____
________

রেহানা বেগম ছোট মাছের তরকারি দিয়ে ভাতগুলো মাখাতে মাখাতে উনার ছেলের বউকে বললো,
-- বৌমা, আজ না গরুর গোশত রান্না করেছো? একটু গরুর গোশত দিবে। অনেক দিন গরুর গোশত দিয়ে ভাত খাই না।

ছেলের বউ সায়মা কিছুটা বিরক্ত হয়ে বললো,
- গরুর গোশত রান্না করেছি এটা আপনাকে কে বললো?

রেহেনা বেগম করুণ দৃষ্টিতে ছেলের বউয়ের দিকে তাকিয়ে বললো,
-- যখন রান্না করেছিলে তখন তরকারির ঘ্রাণ পেয়েছিলাম মা।

ছেলের বউ সায়মা রেগে গিয়ে বললো,
-গরুর গোশত শেষ হয়ে গেছে। আপনার তো এক পা কবরে চলে গেছে। তারপরও এত খাওয়ার ইচ্ছে হয় কেন?

বৌমার কথা শুনে রেহানা বেগম নীরবে কাঁদতে লাগলো। উনার চোখের পানি গাল বেয়ে খাবার প্লেটে পড়ছে। হঠাৎ উনার আগের কথা মনে পড়লো। একটা সময় উনার শ্বাশুড়িও উনার কথা শুনে খাবার প্লেটে চোখের জল ফেলতেন। বাসায় বড় বড় মাছ, গোশত রান্না হলেও উনি উনার শাশুড়িকে খেতে দিতেন শুটকির তরকারি আর বাসি ডাল। সময় পাল্টে গেছে। উনিও এখন বৌমা থেকে শ্বাশুড়ি হয়েছেন। আর তাই এখন উনি উনার কৃতকর্মের ফল ভোগ করছেন....

দুইদিনের এই দুনিয়ায় প্রতিটা মানুষেরই জীবনের একটা পর্যায়ে তার কর্মফল ভোগ করতে হবে,করে। তুমি আজ ভালো কাজ করলে আল্লাহ তা'লা তোমাকে সেই ভালোকাজের প্রতিদান দুনিয়াতে না দিলেও আখিরাতে কিন্তু ঠিকই দিবেন। কিন্তু তুমি যদি দুনিয়াতে পাপ করো, তাহলে তার ফল কিছুটা হলেও দুনিয়াতেই ভো/গ করে যেতে হবে তোমায়।
(কপি)

29/08/2023

কে হতে পারে? Mention the Papi & Star!

18/04/2021

কোভিড ১৯ রোগের চিকিৎসার ভয়ংকর খরচ সম্পর্কে বলি। এটা কিন্তু বেশ বড়লোকি রোগ।

ধরুন আপনার করোনা হলো। আমি চাইনা হোক, মনে মনে একটু ধরে নিন।

প্রথমে ঘরে বসে আপনি মাইল্ড (হালকা) করোনার চিকিৎসা নিলেন। ফ্যাভিপিরাভির নামের ভাইরাসের ঔষধ, এন্টিবায়োটিক ইত্যাদি সহকারে আপনার দৈনিক প্রায় ১৫০০ টাকার মেডিসিন লাগতে পারে।

তো প্রথম ৫ দিনে আপনার খরচ ৭৫০০ টাকা।
একটা পালসঅক্সিমিটার কিনতে হবে স্যাচুরেশন মাপার জন্য। আরো ২০০০ টাকা। মোট প্রায় ১০ হাজার টাকা খরচ হলো আপনার।

এখন ৫ দিনে মোট ১০ হাজার খরচ করার পর আপনি দেখলেন জ্বর কমছে না। ভালো বোধ করছেন না। রক্তের অক্সিজেন স্যাচুরেশন আপ ডাউন করছে। ডাক্তার আপনাকে পরবর্তী ধাপের কিছু টেস্ট দিলেন।

করোনার জন্য যেসব টেস্ট দেওয়া হয় তার মাঝে সবচাইতে প্রয়োজনীয় টেস্টগুলো দাম সহ বলি,
CBC 400/=, RBS 150/=, D Dimer 1500/= S ferritin 1000/=, Procalcitonin 3000/=, Prothrombin time 500/=, HRCT Scan chest 6000/=..

কোন ডিসকাউন্ট ছাড়া মোট দাড়ায় প্রায় ১৩ হাজার টাকার টেস্ট।

রিপোর্ট আসার পর জানতে পারলেন ফুসফুস এর ৪০% করোনা সংক্রমন হয়ে গেছে। আপনি এখন মডারেট করোনা (একটু সিরিয়াস) রোগের রোগী। আপনার ইনজেকশন নিতে হবে, অক্সিজেন লাগবে, মনিটরিং লাগবে।

এখন?

এখন তাইলে এবার হাসপাতালে ভর্তী হবার পালা।
প্রাইভেট হাসপাতালে ভর্তী হই চলেন।

ধরুন ওখানে কেবিন ভাড়া দৈনিক সর্বনিম্ন ৫০০০/=
ডাক্তারের ভিজিট দৈনিক ১০০০/=
অক্সিজেন এবং অন্যান্য সার্ভিস দৈনিক ১০০০/=
ঔষধ যেগুলা ব্যবহার করা হয় এর মাঝে রেমডেসিভির এর দাম প্রায় ৫০০০/= করে প্রতি টি। ১০০০/= টাকার মেরোপেনাম এন্টিবায়োটিক ৩ বেলা দিতে হয়।
তো এগুলো এবং অন্যান্য ইনজেকশন মিলিয়ে দৈনিক ঔষধ খরচ ধরে নিন ৯০০০/=

তাইলে প্রতিদিন হাসপাতালে খরচ আপনার ১৫-১৬ হাজার প্রায়।

তো এভাবে আরো ৫ দিন দৈনিক ১৫০০০/= করে মোট ৭৫ হাজার টাকা খরচ করার পর আপনি দেখলেন সব ঔষধ সব চিকিৎসাকে যুদ্ধে হারিয়ে করোনাভাইরাস আপনাকে আরো কাহিল করে ফেলেছে।

মিনিটে ১৫ লিটার অক্সিজেন নিয়েও হচ্ছে না। আরো বেশী অক্সিজেন লাগবে। আরো ক্লোজ মনিটরিং লাগবে। তারমানে আপনি এখন সিভিয়ার করোনা (বেশি সিরিয়াস) রোগের রোগী।

তাইলে এবার চলেন ICU তে যাই।

ICU এর ব্যাপারে বেশী বলবো না, শুধু ধরেন ঔষধ, অক্সিজেন, সার্ভিস, টেস্ট, মেশিন ইত্যাদি সব মিলিয়ে দৈনিক সর্বনিম্ন ২০ হাজারের নীচে ICU তে খরচ হয় না।
সুতরাং ধরুন ৫ দিন দৈনিক ২০ হাজার খরচ করে ICU তে থেকে আল্লাহর ইচ্ছায় এবং চিকিৎসকদের প্রচেষ্টায় আপনি বেচে ফেরত আসলেন।

ICU তে খরচ হলো মিনিমাম ১ লাখ টোটাল।

এরপর ICU থেকে কেবিন এ আসলেন আবার। আরো দিন পাচেক কেবিনে থেকে আরো প্রায় মিনিমাম ৫০ হাজার টাকা খরচ করে বাড়ি ফিরলেন।

আচ্ছা এবার গত ২০ দিনে মোট কত খরচ হলো হিসেব কষেন??

১০ হাজার + ১৩ হাজার + ৭৫ হাজার + ১ লক্ষ + ৫০ হাজার

টোটাল = ২ লাখ ৪৮ হাজার। রাউন্ড ফিগার আড়াই লক্ষ টাকা।

আচ্ছা দাড়ান দাড়ান। এটা জিনিস ভুলে যাচ্ছেন।

পরিবারে কি আপনি একলাই থাকেন?? বাকিরা থাকেন না??
আপনার থেকে যদি তাদের করোনা হয়ে যায় তাইলে??

উপরের হিসাবটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পরিবারের সবার জন্য আবার করুন।

কি মনে হয়? খরচের কথা ভেবে হাত পা ঠান্ডা হচ্ছে? মধ্যবিত্ত এবং উচ্চ মধ্যবিত্তদের হবার কথা।

হ্যা, আমরা সবাই ই চাই প্রথম দিকের ঐ ১০-২০ হাজার টাকার মাঝেই করোনার চিকিৎসা সেড়ে ফেলতে।
কিন্তু সবার কপাল এত ভালো থাকে না।
যার পরিনতি ICU পন্ত গড়ায়, তার খরচ কম বেশী ঐ আড়াই লাখ ই হয়ে দাড়ায়।

উপসংহারঃ

করোনা, স্বাস্থ্যবিধি, লকডাউন ইত্যাদি প্রসংগ আসলেই ইকোনমি নিয়ে আমাদের ভয়ংকর চিন্তা হয়ে যায়। চিকিৎসা বাবদ ব্যক্তিগত খরচটি ও কিন্তু একটি বড়সড় ইকোনমিক লস, এটাও মাথায় রেখেন।

স্বাস্থ্যবিধি মানতে টানতে আর বলবো না। এগুলা শুনতে শুনতে বলতে বলতে আমরা টায়ার্ড।

সংগৃহীত

28/07/2020
সে জানে আর আমি জানি,আর কেহ না জানে.... #চিনতে পারলে কমেন্ট করুন 😎
21/07/2020

সে জানে আর আমি জানি,আর কেহ না জানে....
#চিনতে পারলে কমেন্ট করুন 😎

বিশ্বকাপ ফুটবল ২০১৮ এর সময় সূচিঃ
05/06/2018

বিশ্বকাপ ফুটবল ২০১৮ এর সময় সূচিঃ

এরা হচ্ছে টিনসেড এলাকার উজ্জ্বল নক্ষত্র......:-) :-) :-)আজকের নকিং খেলায় সেমিফাইনাল এ বিজয় অজন করে...ফাইনাল এ উঠে.....যা...
18/06/2017

এরা হচ্ছে টিনসেড এলাকার উজ্জ্বল নক্ষত্র......:-) :-) :-)

আজকের নকিং খেলায় সেমিফাইনাল এ বিজয় অজন করে...ফাইনাল এ উঠে.....যা আমাদের এলাকার জন্য বড় অর্জন......

Address

BARI TINSHED Road
Gazipur
1701

Telephone

01683249599

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Tinshed_BARI posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share