Reyaj's Storyline

Reyaj's Storyline Reyaj's Storyline: Where every moment becomes a tale. Join me on adventures, travels, and everyday discoveries. Let's explore life's stories together!

09/06/2025

পবিত্র ভূমির জন্য সোচ্চার ক|| ফিরর|| গাফেল মুসলিমদের চেয়ে ভালো—এধরণের ঢালাও আলাপ এখন বেশ জোরেশোরে হচ্ছে।
বারবার এধরণের কথা বলার একটা মনস্তাত্ত্বিক প্রভাব আছে। এর ফলে এমন একটা ধারণা নিজের অজান্তের তৈরি হয় যে:
মুহাম্মদ ﷺ-এর উম্মাহ যেন অন্যদের তুলনায় নিচু হয়ে গেছে। যেন ঈমান আছে কি নেই, তার কোনো প্রভাবই মানুষের চরিত্রে পড়ে না।
এই ধরণের ঢালাও মন্তব্য না-ইনসাফীও বটে। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন:
❝যে বলে, ‘লোকেরা ধ্বংস হয়ে গেছে,’ সে-ই তাদের মধ্যে সবচেয়ে ধ্বংসপ্রাপ্ত।❞
নিঃসন্দেহে, এমন অনেকে আছে যার মুসলিম হবার দাবি করে, কিন্তু তারা নিজেদের উম্মাহর দায়-দায়িত্ব থেকে পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন করে নিয়েছে। এরা শুধু নিজেদের খেয়াল-খুশির পেছনে ছুটে বেড়ায়। এরা বন্যার স্রোতে ভেসে চলা ফেনার মতো।
এটা-ও সত্য যে, কিছু মানুষ নিজেদেরকে উম্মতে মুহাম্মদ ﷺ-এর অংশ দাবি করলেও, বাস্তবে তারা নিজেদের ভাই-বোনদের ওপর নির্যাতনে অংশগ্রহণ করে। এই ধরনের লোকেরা উম্মাহর পক্ষ থেকে প্রত্যাখ্যাত।
কিন্তু এই উম্মাহর মধ্যকার বিপুল কল্যাণকে অস্বীকার করা নাইনসাফী। এই উম্মাহর মধ্যে থাকা কল্যাণকে পরিকল্পিতভাবে স্তব্ধ করে দেওয়া হয়, দমন করা হয়, গলা টিপে মারা হয়। এটা চলছে আজ বহু বছর ধরে। তারপরও দেখুন:
➤ এই উম্মাহর কত মানুষ আছেন যাদের অন্তর এখনো জীবিত। যারা গা য||বাসীর পাশে দাঁড়িয়েছেন। ত্যাগ স্বীকার করেছেন, বিনা অপরাধে জেলে গেছেন, অপমানিত হয়েছেন, দীর্ঘ কারাদণ্ড পেয়েছেন। যার বোঝা টানতে হয়েছে তাদের সন্তান, স্ত্রী ও পিতামাতাকে?
➤ কত মানুষ রাস্তায় নেমেছেন বিক্ষোভে কিংবা মানববন্ধনে। কত মানুষ হাত খুলে দান করেছেন। এতো পরিমান দান হয়েছে যা শুধু গা য||-র জন্যই না, বরং একটা গোটা দেশের জন্য যথেষ্ট?
➤কত ডাক্তার, স্বেচ্ছাসেবক, সাংবাদিক নিজের স্বাচ্ছন্দ্যের জীবন ছেড়ে দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পৌঁছে গেছেন গা য||য় চিকিৎসা দিতে, সেবা করতে, এবং যালিমের যুলুম আর মযলুমের কষ্টের বিবরণ রাখতে?
➤ আরব বসন্তের পর এই উম্মাহর কত আলিম ও দায়ী কারাগারে বন্দি হয়ে আছেন। হাজার হাজার তরুণ ও বৃদ্ধ আজও অন্ধকার কনক্রিটের দেয়ালের ভেতর পচে মরছেন।যাদের কেউ একসময় ভালোবাসতো, এখন সবাই ভুলে গেছে। অথচ এরা উম্মাহর জন্য বিশাল অবদান রেখেছেন।
➤ এই উম্মাহর মধ্যে কতো মানুষ আছে যারা প্রতিদিন ঘুম থেকে উঠে এবং ঘুমাতে যাবার সময় নিজেদের ভাইদের দুরবস্থার কথা চিন্তা করে প্রচণ্ড কষ্ট পারেন।যদি কোনো পথ থাকতো, তারা নিজেদের সর্বস্ব কুরবানী করতেন।
হ্যাঁ, নিখাদ কষ্টের জায়গা থেকে উম্মাহর ব্যাপারে হতাশা কিংবা অন্যদের প্রশংসা অনেক সময় আসে। কিন্তু এই আবেগের কারণে আমরা সত্যকে বিকৃত করতে পারি না। এই আবেগের কারণে আমরা এই উম্মাহকে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করতে পারি না। এই উম্মাহর আল্লাহ-প্রদত্ত মর্যাদাকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে পারি না।
যেসব অমুসলিম অ্যাক্টিভিস্ট পবিত্র ভূমির মুসলিমদের পাশে দাড়িয়েছেন আমরা তাদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করি। আমরা আল্লাহর কাছে দুআ করি তনি যেন তাদের হিদায়াত দেন, তাদের অন্তরগুলোকে যেন ইসলামের প্রতি খুলে দেন। কারণ আমরা তাদের জন্যও কল্যাণ কামনা করি, যেমনটা তারা আমাদের ভাই-বোনদের জন্য চেয়েছেন।
আর আমাদের, মুসলিমদের অবিচল থাকতে হবে। সম্ভাব্য সব উপায়ে আমাদের ভাইদের পাশে থাকতে হবে। হতাশ না হয়ে, এবং এমন আত্ম-সমালোচনায় না জড়িয়ে যা আমাদের দুর্বল করে দেয়।
আমরা আল্লাহর কাছে দুআ করি, যারা আমাদের ভাই-বোনদের সাহায্য করায় বাঁধা দিচ্ছে, তিনি যেন দুনিয়া ও আখিরাতে তাদের বিচার করেন। আর তিনি যেন আমাদেরকে এমনভাবে পবিত্র ভূমির অধিবাসীদের সাহায্য করার তাওফিক দেনযা তাঁর সন্তুষ্টি অর্জনের উপযুক্ত হবে।
ড. ইয়াদ কুনাইবি হাফিযাহুল্লাহ

আস্সালামুআলাইকুম, ঈদ উপলক্ষে প্রিমিয়াম কোয়ালিটি পাঞ্জাবির  কালেকশন।সব গুলোই পাচ্ছেন আকর্ষনীয় মূল্যছাড় এ।অর্ডার করতে ইনবক...
05/06/2025

আস্সালামুআলাইকুম, ঈদ উপলক্ষে প্রিমিয়াম কোয়ালিটি পাঞ্জাবির কালেকশন।
সব গুলোই পাচ্ছেন আকর্ষনীয় মূল্যছাড় এ।

অর্ডার করতে ইনবক্স অথবা নাম্বারে যোগাযোগ করুন।

ক্যাশ অন ডেলিভারি পাওয়া যাচ্ছে ।

✅যোগাযোগ করুন whatsapp- 01701741293

টাকা ছাড়া কোথাও কোন মূল্য নেই — তাই কৃষি উদ্যোক্তা হয়ে উঠুন |আমরা সবাই জীবনের উন্নতি চাই, চাই সম্মান, চাই নিরাপত্তা, চাই...
01/06/2025

টাকা ছাড়া কোথাও কোন মূল্য নেই — তাই কৃষি উদ্যোক্তা হয়ে উঠুন |

আমরা সবাই জীবনের উন্নতি চাই, চাই সম্মান, চাই নিরাপত্তা, চাই স্বপ্নপূরণ। কিন্তু প্রশ্ন হলো, এগুলো সম্ভব হয় কী দিয়ে? খুব সহজ উত্তর—টাকা দিয়ে। আপনি ভালো চিকিৎসা চান, সন্তানকে ভালো স্কুলে পড়াতে চান, ঘরে শান্তি চান, সমাজে সম্মান চান—সবকিছুর পেছনে রয়েছে অর্থের গুরুত্ব।

কিন্তু টাকা কী শুধু শহরের চাকরিতেই আছে? বিদেশে গিয়েই কি কেবল আয় সম্ভব? মোটেও না। বরং আজকের পৃথিবীতে কৃষিই হতে পারে সবচেয়ে নিরাপদ, লাভজনক, এবং সম্মানজনক পেশা—যদি আপনি এটিকে উদ্যোক্তার মতো দেখেন।

কৃষি মানেই আর হালচাষ নয়—এখন কৃষি মানে আধুনিকতা, পরিকল্পনা, আর মুনাফা।
আজকাল একজন কৃষকও ড্রোন ব্যবহার করেন, মাটির গুণাগুণ বোঝেন, সারের হিসাব রাখেন, ফেসবুকে লাইভে এসে নিজের ফার্মের আপডেট দেন, এমনকি অনলাইনেই নিজের উৎপাদিত পণ্য বিক্রি করেন।
এই যুগে কৃষক মানেই উদ্যোক্তা। আপনি গরু পালন করুন, ছাগল পালন করুন, হাঁস-মুরগির খামার করুন, সবজি উৎপাদন করুন, মাছ চাষ করুন—সঠিক পরিকল্পনায় এগুলোর প্রতিটিই হতে পারে আপনার টাকার খনি।

বাংলাদেশের বাজারে চাহিদা অনেক, কিন্তু সরবরাহ কম।
খাঁটি দুধ, দেশি মুরগি, অর্গানিক সবজি, রাসায়নিকমুক্ত চাল—এসবের জন্য আজ মানুষ দ্বিগুণ দাম দিতেও প্রস্তুত। অথচ অনেকেই এই সুযোগটি কাজে লাগাচ্ছেন না, কারণ তারা এখনও কৃষিকে "গরিবের পেশা" বলে ভুল করে ভাবছেন।

আপনি যদি উদ্যোক্তা হয়ে ওঠেন, তাহলে আপনি শুধু নিজের জীবন নয়, বদলে দিতে পারেন অন্য অনেকের জীবন।
একটি গরুর খামার খুললে আপনি শুধু নিজের আয় বাড়াচ্ছেন না, বরং আশেপাশের মানুষের কর্মসংস্থান তৈরি করছেন, দেশীয় দুধের ঘাটতি পূরণ করছেন, বাজারে ভেজাল পণ্যের বিরুদ্ধে লড়াই করছেন। আপনি হচ্ছেন একজন সমাজ-পরিবর্তক।

কেন কৃষি উদ্যোক্তা হবেন?
আপনার নিজস্ব মাটি আছে—সেটিকে কাজে লাগান

সরকারের সহায়তা ও প্রশিক্ষণ সুবিধা আছে
শুরু করতে লাগে কম পুঁজি, কিন্তু লাভের সম্ভাবনা বিশাল
বাজার আছে, প্রযুক্তি আছে, কাস্টমারও খুঁজছে ভালো পণ্য

শুরুর দুশ্চিন্তা ভুলে যান—ছোট করে শুরু করুন, বড় স্বপ্ন দেখুন।
হয়তো ২টা গরু দিয়ে শুরু করবেন, ১০টা হবে এক বছরে। ১ বিঘা জমিতে সবজি শুরু করবেন, ৫ বিঘায় পৌঁছাবেন। মোবাইলেই এখন বাজার খুঁজে পাওয়া যায়। ইউটিউব, ফেসবুক, অনলাইন মার্কেটপ্লেস—সব আপনার ব্যবসার হাতিয়ার।

টাকা ছাড়া কোথাও কোন মূল্য নেই। তাই যদি জীবনে মূল্য পেতে চান, সম্মান পেতে চান, নিরাপত্তা চান—তাহলে বসে থাকবেন না। আজই সিদ্ধান্ত নিন। কৃষিকে ভালোবাসুন, নিজেকে উদ্যোক্তা বানান। মাটি আপনাকে ফিরিয়ে দেবে সোনা।

#কৃষি_উদ্যোক্তা #কৃষিতেই_সম্ভব
ৃষক

সম্প্রতি আফ্রিকার ছোট্ট দেশ বুরকিনা ফাসোর প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম ট্রাওরের একটি বক্তব্য বেশ ভাইরাল হয়েছে। যেখানে তিনি শুধু ...
31/05/2025

সম্প্রতি আফ্রিকার ছোট্ট দেশ বুরকিনা ফাসোর প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম ট্রাওরের একটি বক্তব্য বেশ ভাইরাল হয়েছে। যেখানে তিনি শুধু তার নিজের দেশ না, পুরো আফ্রিকার মুক্তির কথাই বলেছেন। তুলে ধরেছেন তাদের সম্পদ সম্ভবনাকে কিভাবে পশ্চিমারা লুটেপুটে নিয়েছে এবং তাদের দমন করে রেখেছে। সেই ব্যবস্থা তিনি ভেঙ্গে দিচ্ছেন এবং দেশের মালিকানা দেশের জনগণের হাতে ফিরিয়ে আনার কথা বলছেন।

কিন্তু কে এই ইব্রাহিম ট্রাওরে? সে কোন লিগেসি বহন করে এইরকম মুক্তিকামী দেশপ্রেমিক হয়ে উঠলো? এই বিষয়টা একটু জানা দরকার। কেন এক সেনা কর্মকর্তা অভ্যুত্থান ঘটিয়ে এখন জাতীয় সম্পদ রক্ষা এবং বিদেশি দাসত্ব ভাঙ্গার লড়াই করছেন, তার এই রাজনৈতিক চেতনার উৎস্য কোথায় সেটা জানা দরকার।

২০২২ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর, মাত্র ৩৪ বছর বয়সে ক্যাপ্টেন ইব্রাহিম এক অভ্যুত্থান ঘটিয়ে বুরকিনা ফাসোর ক্ষমতা দখল করেন। এর ৩৯ বছর আগে ১৯৮৩ সালে আরেক ক্যাপ্টেন থমাস সানকারা ৩৩ বছর বয়সে অভ্যুত্থান ঘটিয়ে ক্ষমতা দখল করেন। তখন ফ্রান্সের ছায়া উপনেবিশক রাষ্ট্রটির নাম ছিলো ‘আপার ভোল্টা’। শোষন দূর্নীতি বৈষম্য আর ধনীদের লুটপাটের কলোনি ছিলো এই দেশটি। থমাস সানকারা এই সবকিছুই গোড়া থেকে উৎপাটন শুরু করেন। দেশের নাম বদলে রাখেন-বুরকিনা ফাসো। যার অর্থ ‘সৎ মানুষের দেশ’।
আইএমএফ,বিশ্বব্যাংকসহ বিদেশি ঋণ নির্ভর উন্নয়নকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে স্বনির্ভর দেশ গড়ার লড়াই শুরু করেন। মাত্র ৪ বছরে তিনি শিক্ষা চিকিৎসাসহ আমলাতন্ত্র, সেনাকাঠামো, সাসটেইনেবল ইকোসিস্টেম, জাতীয় সম্পদ রক্ষাসহ এমন সব পদক্ষেপ সফলতার সাথে নেন যা চারিদিকে হইচই ফেলে দিয়ে আলোচনায় নিয়ে আসে এই বিপ্লবী মার্কসবাদী থমাস সানকারাকে। তার আর্দশ লিডার ছিলো ফিদেল ক্যাস্ত্রো এবং চে গুয়েভারা। থমাস নিজে ফলো করতেন চে গুয়েভারার রননীতি। তাকে মনে প্রাণে নিজের কমান্ডার মানতেন। ফলে তাকেই ডাকা হতো ‘আফ্রিকান চে’। ফিদেল নিজেও থমাসকে সেই চোখেই দেখতেন। থমাস সানকারা জানতেন যে কোন সময় তাকে হত্যা করা হবে। তার আগেই মানুষের ভেতর স্বপ্ন আদর্শ এবং ‘ঘটনা যে ঘটানো’ সম্ভব সেই আত্মবিশ্বাস ও উদাহরন তৈরি করে যেতে হবে। তিনি সেটা পেরেছেনও।
থমাসের রাষ্ট্র নীতিতে ক্ষুদ্ধ ছিলেন ফ্রান্স-আমেরিকাসহ সাম্রাজ্যবাদীরা। ১৯৮৭ সালে তাকে হত্যা করা হয়। ( কমেন্টে থমাস সম্পর্কে আরো কিছু তথ্য সম্বলিত পোষ্ট দেয়া হলো)
এরপর আবার বুরকিনা ফাসো সেই পুরানো পথে ফিরে গেলো। বিদেশি ঋণ নির্ভর উন্নয়ন, রাষ্ট্রীয় সম্পদ-খনি সব বিদেশিদের হাতে তুলে দেয়া, দূর্নীতি, সিস্টেমিক লুটপাট শুরু হলো। আবারো ফ্রান্সের ছায়া উপনিবেশিক শাষন শুরু হলো।
থমাস সানকারা চে গুয়েভারার একটি কথা সব সময় বলতেন- ‘আপনি একজন বিপ্লবীকে হত্যা করতে পারবেন, কিন্তু তার আর্দশকে হত্যা করা যায় না’।

৩৯ বছর পর সেই আদর্শেরই পুনজন্ম হলো বুরকিনা ফাসোতে আজকের এই ইব্রাহিম ট্রাওরে। রাষ্ট্র ক্ষমতা দখল করেই ইব্রাহিম বিপুল পরিমাণ খনিজ সম্পদ সমৃদ্ধ বুরকিনা ফাসোর বেশ কয়েকটি সোনার খনি বিদেশি প্রতিষ্ঠানের হাত থেকে রাষ্ট্রীয় মালিকানার অধীনে নিয়ে আসেন। আরো অনেকগুলো খনি রাষ্ট্রের অধীনে আনার প্রক্রিয়াতে আছেন। বিদেশি ঋণ নির্ভর উন্নয়ননীতি বাতিল করেছেন। বুরকিনা ফাসোতে বামপন্থী অর্থনৈতিক নীতি প্রণয়ন করেন। ফ্রান্সের সেনাদের দেশ থেকে বিতারিত করেন। শিক্ষা স্বাস্থ্যর উপর বিশেষ নজর দেন। প্যান-আফ্রিকান ঐক্য গড়ে তোলার উপর জোড় দেন। আরো অনেক পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে ইব্রাহিমের জনপ্রিয়তা তার নিজ দেশ ছাড়িয়ে আশেপাশেও ছড়িয়ে পরেছে।

ইব্রাহিম ট্রাওরে সাম্রাজ্যবাদীদের নীতি কৌশল সবকিছুই রীতিমত গুড়িয়ে দিচ্ছেন। তথাকথিত পপুলিস্ট রাজনীতির পথে না হেটে ইব্রাহিম ট্রাওরে তার রাজনৈতিক গুরু থমাসের পথে হেটেই জনপ্রিয়তা পেয়েছেন। কিছুদিন আগে উদ্বোধন করলেন থমাস সানকারার ভাস্কর্য। এই ভাস্কর্য বিষয়ে একটি মজার আলাপ আছে। একবার থমাস সানকারাকে এক সাংবাদিক প্রশ্ন করেছিলো আপনি এতো জনপ্রিয় প্রেসিডেন্ট অথচ কোথাও আপনার ভাস্কর্য নেই কেন? উত্তরে থমাস বলেছিলেন ‘এই দেশের ৮৭ লাখ মানুষই প্রেসিডেন্ট আমি তাদের প্রতিনিধি মাত্র’। এবার সেই থমাসের প্রতি কৃতজ্ঞতা থেকে তার ভাস্কর্য গড়লেন ইব্রাহিম। তিনি বলেন, ‘থমাস সানকারা শুধু নেতা নন তিনি একটি আদর্শ। আমরা তার আদর্শকে বাঁচিয়ে রাখবো।’

গত মার্চে সৌদি-আরব ২০০ মসজিদ নির্মানের কথা বলেছিলেন সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমানের দেশ বুরকিনা ফাসোতে। সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে ইব্রাহিম ট্রাওরে বলেন, ‘বুরকিনা ফাসোতে ইতোমধ্যেই যথেষ্ট মসজিদ রয়েছে এবং অনেক মসজিদ পুরোপুরি ব্যবহার করা হয় না। তার চেয়ে বরং আমার দেশের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাতে এই বিনিয়োগ করুন।’

এইসব কিছু মিলিয়েই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন ইব্রাহিম। প্রবীনরা তার ভেতর দেখছেন থমাস সানকারাকে। তাকে কেউ এই যুগের থমাস সানকারা বলেন। কেউ বা বলেন আফ্রিকান চে! বুরকিনা ফাসোর বাইরে তাকে সবাই আফ্রিকান চে নামেই চিনেন। থমাস সানকারা মতো তাকেও একাধিক বার হত্যার চেষ্টা হয়েছে। এখনও তিনি সেই হুমকির ভেতরই আছেন। তবে অসীম সাহসী ইব্রাহিমও সেই একই কথা শোনাচ্ছেন- ‘একজন বিপ্লবীকে হত্যা করতে পারবেন হয়তো, কিন্তু তার আর্দশকে হত্যা করা যায় না’। তবে তিনি এটাও বলেন আমরা শান্তি চাই, তবে কেউ যদি লড়াই করতে চায় আমরা প্রস্তুত। আমরা সর্বাত্মক লড়াইয়ের মাধ্যমে প্রতিহত করবো।

ইব্রাহিম ট্রাওরে বলেন, ‘ফ্রান্স আমাদের সম্পদ লুটেছে, কিন্তু আমাদের আত্মা লুটতে পারেনি। এখন সময় এসেছে আমাদের সম্পদ আমাদেরই নিয়ন্ত্রনে রাখার’।

থমাস সানকারা বলতেন- ‘যে তোমাকে খাওয়াবে, সেই তোমাকে নিয়ন্ত্রণ করবে। তাই নিজের নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে নিতে হলে নিজের শক্তিতে স্বয়ংসম্পূর্ণ হওয়ার বিকল্প নেই’। একই নীতি অনুসরনের চেষ্টায় আছেন ইব্রাহিম ট্রাওরেও। যে কোন বিপ্লবী সরকার তার নিজের সম্পদ রক্ষা, পরর্নিভরশীলতা কময়ে আনা, টেকসই উন্নয়ন ব্যবস্থা গড়ে তোলার দিকেই মনযোগ দিবেন। আমরা পারিনা বলে নিজেদের বন্দর বিদেশীদের হাতে তুলে দেয়া তার কাজ না। তার কাজ, কিভাবে আমরা পারবো সেই উদাহরন তৈরি করা।

এই সব কিছুই আসলে নির্ভর করে আপনার রাজনৈতিক কেবলা কোন দিকে থাকে তার উপর। রাজনীতিই নির্ধারন করে দেশের সম্পদ রক্ষার নীতি, উন্নয়ন নীতি, দূনীর্তি বৈষম্য ভাঙ্গার নীতি কি হবে।

এখন দেখা যাক কতদূর যেতে পারেন এই বিপ্লবী। একদিকে নীতিতে অটল থাকার লড়াই অন্যদিকে আছে হত্যার প্রচেস্টা থেকে নিজেরে বাঁচিয়ে রাখা।

You see what time it is? Why are you still awake? 🤣
28/05/2025

You see what time it is? Why are you still awake? 🤣

শিক্ষণীয় গল্প(শুধু পিঁপড়ে নয় আমাদের জীবন),,,,একটি পিঁপড়ার কলোনিতে থাকতো একটি ছোট পিঁপড়ে। না ছিলো সে  সবচেয়ে শক্তিশালী, ন...
22/05/2025

শিক্ষণীয় গল্প(শুধু পিঁপড়ে নয় আমাদের জীবন),,,,

একটি পিঁপড়ার কলোনিতে থাকতো একটি ছোট পিঁপড়ে। না ছিলো সে সবচেয়ে শক্তিশালী, না সবচেয়ে দ্রুতগামী, না সবচেয়ে বুদ্ধিমান, কিন্তু তার একটি গুণ ছিল যা তাকে
অন্যদের থেকে আলাদা করতো,,,, আর তা হলো - সে কখনোই অন্যের কষ্ট উপেক্ষা করতে পারতো না।

যদি কেউ ক্লান্ত হয়ে পড়ে এবং শস্যের দানা বাসায় নিয়ে যেতে না পারে, সে সাহায্য করতো। যদি কেউ হোঁচট খেয়ে পড়ে যেতো, সে তাকে তুলে দিতো। যদি বৃষ্টিতে সুড়ঙ্গ ধসে যেতো, সে-ই সবার আগে তা মেরামত শুরু করতো।

পিঁপড়ারা তার সবসময় পাশে থাকার অভ্যস্ত হয়ে উঠেছিলো। তারা জানতো, যদি তারা কোনো বোঝা ফেলে দেয়, সে তা তুলে নেবে। যদি তারা কোনো পথ শেষ না করে, সে তা শেষ করবে। যদি তারা ক্লান্ত হয়ে পড়ে, সে তাদের কাঁধ দেবে ভর দিয়ে চলার জন্য।

কিন্তু কেউ কখনও জিজ্ঞেস করেনি,,,, সে নিজে কি ক্লান্ত,,,,?

দিনের পর দিন, সে শুধু নিজের কাজই করত না, সবার কাজও করে যেতো। তার কখনও বিশ্রামের সময় ছিল না, কিন্তু সে নিজেকে বোঝাতো,,,, “আর একটু, তারপর সব ঠিক হয়ে যাবে।” তার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো—অন্যদের যেন কষ্ট কম হয়।

একদিন, পিঁপড়েটি লক্ষ্য করলো তার পা কাঁপছে ক্লান্তিতে। সে আর আগের মতো দ্রুত শস্য বয়ে নিতে পারছিলো না। তার পিঠ ব্যথা করছিলো আর চোখে ক্লান্তি জমে ছিলো সেই অন্তহীন কাজের চাপ দেখে। কিন্তু সে তো পিঁপড়ার ঢিপিকে নিরাশ করতে পারতো না।

যখন এক পিঁপড়ে তাকে একটি বোঝা বয়ে নিতে সাহায্য চাইলো, সে তার শেষ শক্তিটুকু জড়ো করে রাজি হলো।

যখন দ্বিতীয় পিঁপড়ে তাকে নিজের কাজ শেষ করতে বললো, সে দাঁত কামড়ে হ্যাঁ বললো।

যখন তৃতীয় পিঁপড়ে বললো, “তোমার তো সবসময় সময় থাকে, আমাকেও সাহায্য করো,” তখনও সে না বলতে পারলো না।

আর তখনই ঘটলো এমন কিছু, যা সে নিজেও আশা করেনি। সব দায়িত্বের ভারে তার পা ভেঙে পড়ল। সে মাটিতে পড়ে গেলো। অথচ পাশ দিয়ে ছুটে যাওয়া পিঁপড়ারা খেয়ালই করলো না যে সে আর নড়ছে না।

প্রথমে কেউ তার অনুপস্থিতি লক্ষ্যই করলো না। তারপর “ও নিশ্চয়ই শিগগিরই ফিরে আসবে,” তারা বললো।

কিন্তু দিন কেটে গেলো, আর কাজ আরও কঠিন হয়ে উঠলো। আর কেউ পড়া শস্য তুলে নেয় না। আর কেউ কাঁধ দেয় না। আর কেউ সুড়ঙ্গ মেরামত করে না।
পিঁপড়ার ঢিপিতে পরিস্থিতি কঠিন হয়ে উঠলো।

সব পিঁপড়ারাই এক এক করে বুঝতে শুরু করলো,,,,সে তাদের ধারণার চেয়ে অনেক বেশি কিছু করতো। তারা তাকে খুঁজলো, কিন্তু কোথাও তাকে পাওয়া গেল না।

আর তখনই, পিঁপড়ার ঢিপির এক কোণে থাকা এক বৃদ্ধ পিঁপড়ে একদিন দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললো,,,, “সে চলে গেছে।”
তার কাজের মূল্য তখনই বোঝা গেলো যখন সে আর ছিল না।

“কিন্তু সে আমাদের বলল না কেন,,,,?পিঁপড়ারা ক্ষুব্ধ হলো।
বৃদ্ধ পিঁপড়া বললো,,,,“তোমরা কি কখনো তাকে জিজ্ঞেস করেছিলে, সে কেমন আছে?” পিঁপড়ারা চুপ করে রইলো।

তারা বুঝতে পারলো,,,, তারা তার সাহায্যকে স্বাভাবিক মনে করেছিলো। সে সবসময় পাশে থাকতো, সাহায্য করত, সবাইকে কঠিন সময় থেকে রক্ষা করতো। আর যখন সে নিজেই কষ্টে ছিলো, তখন কেউ তা টেরও পায়নি।

☄️ নৈতিক শিক্ষা
প্রতিটি সমাজে কিছু মানুষ থাকে যারা অন্যদের দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নেয়।তারা সাহায্য করে, পাশে থাকে, সবার চেয়ে বেশি পরিশ্রম করে। তারা তখনও “হ্যাঁ” বলে যখন তারা খুব ক্লান্তও থাকে। তারা অন্যদের জীবন সহজ করে তোলে কিন্তু কেউ তাদের জিজ্ঞেস করে না,,,,তারা কেমন আছে।
একদিন যখন তাদের শক্তি শেষ হয়ে যায় আর তারা চলে যায়, তখনই সবাই বোঝে তারা কতটা গুরুত্বপূর্ণ ছিলো।

ভিক্ষার পথ নয়, পরিশ্রমের হাত ধরেই এগিয়ে চলা—ট্রেনের কামরায় বাদাম-বুট বিক্রি করে নিজের সম্মান টিকিয়ে রেখেছে লালমনিরহাটের ...
19/05/2025

ভিক্ষার পথ নয়, পরিশ্রমের হাত ধরেই এগিয়ে চলা—ট্রেনের কামরায় বাদাম-বুট বিক্রি করে নিজের সম্মান টিকিয়ে রেখেছে লালমনিরহাটের তিস্তার এই সাহসী বাবা।

বৃষ্টি মানেই শুধু ঠান্ডা হাওয়া আর ভেজা মাটি নয় এতে লুকিয়ে আছে এক বিস্ময়কর গন্ধ, যেটা আমাদের মন ছুঁয়ে যায়।বৃষ্টির প...
18/05/2025

বৃষ্টি মানেই শুধু ঠান্ডা হাওয়া আর ভেজা মাটি নয় এতে লুকিয়ে আছে এক বিস্ময়কর গন্ধ, যেটা আমাদের মন ছুঁয়ে যায়।বৃষ্টির পর মাটির যেই চেনা গন্ধটা নাকে আসে, তার নাম পেট্রিকর (Petrichor)।এই গন্ধটা আসে একধরনের ব্যাকটেরিয়া থেকে, যার নাম অ্যাক্টিনোমাইসেটিস (Actinomycetes)।

এই ব্যাকটেরিয়া শুষ্ক মাটিতে বসবাস থাকে।বৃষ্টি পড়লেই মাটি ভিজে যায়, আর তখনই ব্যাকটেরিয়াগুলো জিওসমিন (Geosmin) নামক এক রাসায়নিক নিঃসরণ করে।জিওসমিনই সেই পরিচিত গন্ধের জন্য দায়ী, যেটাকে আমরা “বৃষ্টির গন্ধ” বলি।
মানুষের ঘ্রাণেন্দ্রিয় এই জিওসমিনের প্রতি খুবই সংবেদনশীল অল্প পরিমাণেই আমরা সেটা টের পাই।এই গন্ধ শুধু ভালো লাগা তৈরি করে না,অনেকের মনে ফিরিয়ে আনে শৈশব, স্মৃতি, ছুটির দিন কিংবা প্রথম প্রেমের বৃষ্টি!এটা একধরনের মানসিক প্রশান্তি, যেন প্রকৃতি নতুন করে শুদ্ধ হতে শুরু করেছে।বিজ্ঞান আর প্রকৃতির এই মেলবন্ধনই আমাদের পৃথিবীকে করে তোলে আরও রহস্যময় আর সুন্দর।

16/05/2025

স্বপ্নবাজ একজন মানুষের কাছে পৃথিবীতে অসম্ভব বলে কিছু নেই।

ইংরেজিতে একটা কথা আছে, If you thinking can, you can আপনি যদি একবার ভাবেন যে পারবেন, তাহলে আপনি পেরেই যাবেন। পুরো পৃথিবী একদিকে, আপনি আর আপনার স্বপ্ন একদিকে।

আর একবার যদি ভাবেন আমি আমার সমস্ত শক্তি ,সমস্ত পরিশ্রম দিয়ে আমি আমার অভিষ্ট লহ্ম্যে পৌছাব। তাহলে আপনাকে কেউ থামাতে পারবে না। পিছন থেকে কেউ টেনে ধরবে, সমালোচনা করবে, কটু কথা বলবে। কিন্তু বিশ্বাস করুন আপনার জেদ,, আপনার পরিশ্রম, আপনার স্বপ্ন আপনাকে গন্তব্যে পৌছে দেবে।
.স্বপ্নটাকে শুধু এই কারণে হারিয়ে যেতে দিবেন না যে সেটি পুরণ করতে সময় লাগবে!

সময়কে গুরুত্ব দিয়ে চেষ্টার যত গভীরে যাবেন তত সফলতার উচ্চতায় উঠবে!

সব যুক্তি এবং দলিল প্রমাণ যদি বাদ দেই, তবুও সূর্য পৃথিবী থেকে ছোট। কারণ আমি নিজ চোখেই দেখতে পাচ্ছি। এই যে ছবিটা, আমি নিজ...
16/05/2025

সব যুক্তি এবং দলিল প্রমাণ যদি বাদ দেই, তবুও সূর্য পৃথিবী থেকে ছোট। কারণ আমি নিজ চোখেই দেখতে পাচ্ছি। এই যে ছবিটা, আমি নিজেই তুলছি।

অথচ বল বাদীরা সূর্যকে পৃথিবী থেকে ১৩ লক্ষ গুণ বড় বলে দাবি করে, কিন্তু তাদের কাছে কোন দলিল, প্রমাণ, যুক্তি, বাস্তবতা কিছুই নেই। পুরোটাই কল্পনা এবং মিথ্যাচার।

নাসাপ্রেমি বাচ্চা-কাচ্চারা সারাদিন মোবাইলে নাসায়ী কার্টুন দেখা বাদ দিয়ে, নিজেদের চোখটাকে আসমানের দিকে উঠাও, সূর্যের দিকে তাকাও, সৃষ্টিতত্ত্বকে নিজের অন্তর দিয়ে বোঝার চেষ্টা করো। কোনদিন আসমানের দিকে তাকাইছো বলে তো মনে হয় না।

Address

Sadarpur
Faridpur
7821

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Reyaj's Storyline posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Establishment

Send a message to Reyaj's Storyline:

Share

Category