14/05/2026
#বুনো_মেঘের_হাতছানি
(গুরুত্বপূর্ণ আপডেট)
“ইউ ব্লাডি আর্সহোল! ইউজলেস টোয়াট! হাউ ডেয়ার ইউ স্নিয়ার অ্যাট মাই চেস্ট! কজন মেয়ের ক্লিভেজে ঘুমিয়ে এসে তুলনা করছ আমার সঙ্গে? নিজেকে খুব পারসোনালিটি ফিলড ভাবো‚ না? বাট ইউ আর অ্যাক্টিং জাস্ট লাইক এভরি ব্লাডি এক্স।”
“ইয়েস‚ মাই ব্লাডি এক্স। আমি সত্যি প্রশংসা করতে দ্বিধা করি না। ইয়োর বুজম লুক্স কিউট টু মি‚ বাট ইট ডাজেন্ট মেক মি ফিল অ্যাট্রাক্টেড।”
“শাট ইয়োর গব‚ আশফি! আমি তোমার মুখ ভেঙে দেব নয়তো। এসব শোনানোর জন্য ফোন করেছ তুমি? ইউ ফিলদি ক্যাড! শেইম অন ইউ!”
“আমি তো ফোন করেছিলাম‚ তোমার ঘরে আরেকবার আসার পারমিশন পাবো কিনা‚ সেটা জিজ্ঞেস করতে। তুমি তো আর জানো না‚ তোমাকে একবারে বম্বশেল লাগছিল! তোমাকে দেখে আসার পর আমি কেমন এলোমেলো হয়ে আছি! চোখ বুজলেই শুধু তোমাকে দেখতে পাচ্ছি৷ না চাইতেও দুষ্টু দুষ্টু চিন্তা মনে উঁকিঝুঁকি দিচ্ছে। এভাবে কি ঘুমানো যায়?”
“আমার সঙ্গে একদম চিজি ফ্লার্ট করার চেষ্টা করবে না! আমি স্পষ্ট টের পাচ্ছি তুমি হাঁপাচ্ছ। মনে হচ্ছে দৌড়াদৌড়ি করছ।”
“পুশআপ দিচ্ছি”‚ হাঁপাতে হাঁপাতে বলল আশফি‚ “তোমাকে ছোঁয়ার পর থেকেই শরীর গরম হয়ে আছে৷ কিন্তু কাছে পাওয়ার সুযোগ তো আর নেই। তাই মন-মগজ ডাইভার্ট করতে এক্সারসাইজ শুরু করেছি।”
আমার প্রতিটি গল্পের কনসেপ্টগুলো প্রাপ্তবয়স্ক এবং মুক্তমনা পাঠককে টার্গেট করেই লেখা হয়৷ কিন্তু এর বাইরেও কিছু পাঠক পড়তে এসে আমাকে অশ্লীল লেখার তকমা দিয়ে চলেই যায় না শুধু, ঘুরেফিরে আবারও পড়তে আসে৷ এই যে এখানের সংলাপই আমি প্রাপ্তবয়স্ক উপযোগী রেখেছি৷ কিন্তু এমনভাবে রেখেছি, যেটা একদম খোলামেলা চিজিভাবে বোঝাবে না৷ সেটাও যাদের কাছে প্রচুর অশ্লীল, তারা এই পোস্টটা ইগনোর করে যেতে পারেন। এবার আসল কথা বলি।
#আপডেট – বুনো মেঘের হাতছানি ফেসবুকে আসলে দিল খুলে লিখতে পারিনি৷ সমস্ত পাঠকের একটাই তাড়া ছিল, ওদের মিল কবে হবে... মিল কবে হবে! পর্যাপ্ত সাড়ার অভাবে আমিও মাঝের বেশ কিছু খুনসুটির কাহিনি বাদ ছাদ দিয়ে সমাপ্তির দিকে এগোলাম দ্রুত৷ কিন্তু ইনবক্সে এই উপন্যাসের ভক্তরা রীতিমতো বইয়ের জন্য আবদার জুড়ছেন বারবার৷ কারণ ফেসবুকে তো তৃপ্তিদায়ক করে লেখা হয়নি৷ অবশ্য গল্পকার নিজেই যেখানে তৃপ্তি নিয়ে লিখতে পারেনি, সেখানে পাঠকের তৃপ্তি আসবে কই থেকে? সেটা একমাত্র সম্ভব বইতেই। আমি যেখানে কোনোরকম চাপ ছাড়া স্বাধীন মতো লিখে যেতে পারব৷ তারপর বিচারের দায়িত্ব পাঠকের। তবে এই উপন্যাসের কলেবর অনেক বড়ো। সেটা এক সঙ্গে আনা সম্ভব হবে কিনা জানি না৷ আর আমিও এখনো বেশ দুর্বলতার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি৷ তাই ঠিক কবে নাগাদ বই আপনাদের হাতে তুলে দিতে পারব, তা বলতে পারছি না। কিন্তু বইয়ের কাজে হাত দেওয়ার যাত্রাটা শুরু করব শরীরটা আরেকটু স্টেবল হলেই, ইনশা আল্লাহ। অর্থাৎ আশফি মাহির অপেক্ষাতে থাকা পাঠকের মূল অপেক্ষার পালা শুরু। আর বই অবশ্যই কঠোর প্রাপ্তবয়স্কের এলার্ট থাকবে৷ (এই এলার্ট মানে আবার কিছু আপুরা কালা রোমান্সের এলার্ট ভেবে নিয়েন না শুধু 🙂) যে বিপদটা পার করলাম তার আগে মনটা অভিমানে বেশ শক্ত করে ফেলেছিলাম, হাইপ না পেলে বই-ই আর লিখব না। কিন্তু বিপদে আমার এই বইয়ের উপার্জনটাই সবার আগে কাজে এসেছিল৷ তাই পরিশ্রমের লেখাগুলো অভিমানে আর ফেলে রাখতে চাইছি না৷ আল্লাহ তা'আলা আমার রিজিকে যতটুকু রেখেছেন, ততটুকুই আমার জন্য সন্তুষ্টি। লেখালিখিটা আমার জন্য যতখানি শান্তির, ততখানিই এখান থেকে পাওয়া ছোট্ট উপার্জনের উৎসও৷ যেটা স্বীকার করতে আমার একটুও আপত্তি নেই।
#নোট – বুনো মেঘের লুকোচুরি ফেসবুকে ইনশা আল্লাহ দেব আমি৷ তবে তা কেবল প্রমোশনের উদ্দেশ্যেই।