Beauty of Bangladesh

Beauty of Bangladesh picture uploading

একদিন আমিও সপ্নগুলোকে কিনে নিব।💔💔💔
31/08/2023

একদিন আমিও সপ্নগুলোকে কিনে নিব।💔💔💔

23/10/2022

এমন একটা মানুষের জীবনে খুব দরকার যে আমার ম্যাসেজ পেয়ে বাকি সবকিছুকে রেখে আমার ইনবক্সেই পড়ে থাকবে। 🌸

23/10/2022
23/10/2022

বেশিরভাগ রিলেশনশিপে একজন থাকে খুব সিরিয়াস। যে বেশি দুর্বলতা দেখিয়ে ফেলছে।একারণে তাকে কষ্টও পেতে হয় বেশি। সবকিছুতে তাকেই স্যাক্রিফাইজ করতে হয়। ভুল না করেও বারবার সরি বলতে হয়। রিপ্লাই না পেলে বারবার মেসেজ দিয়ে যেতে হয়। ইগো, সেল্ফ রেসপেক্ট কিছুই থাকতে পারবেনা তার। উনি যা বলবে তাই অক্ষরে অক্ষরে পালন করতে হবে। যেন সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার সব দ্বায়িত্ব একা তার উপর এসে পড়েছে।😊

© সেতু জিৎ

23/10/2022

রাত্রে তাহাজ্জুদ নামাজ পড়ার অভ্যাস করুন, জীবনে শান্তি চলে আসবে ইনশাআল্লাহ!😇☺️

মাঝরাতে ছেলেটা আমাকে মেসেজ দিয়ে বললো " ২৫ ডজন চুড়ি, ০৫ টা শাড়ি, ০৫ টা থ্রি পিছ, ০৫ জোড়া জুতা আরো অনেক কিছু অর্ডার করতে চ...
08/10/2022

মাঝরাতে ছেলেটা আমাকে মেসেজ দিয়ে বললো " ২৫ ডজন চুড়ি, ০৫ টা শাড়ি, ০৫ টা থ্রি পিছ, ০৫ জোড়া জুতা আরো অনেক কিছু অর্ডার করতে চাই। আপনি কি ঠিকমতো পৌঁছে দিতে পারবেন? "

আমি অবাক হয়ে গেলাম। সবেমাত্র কিছুদিন আগে থেকে শুরু করেছি আমার অনলাইনের এই ছোট্ট বিজনেস। কিছু কিছু গ্রুপের মধ্যে টুকটাক পোস্ট করি। কিন্তু এই লোকটা যে পরিমাণ লিস্ট দিয়েছে তাতে কমপক্ষে ত্রিশ হাজার টাকার শপিং হবে।

আমি বললাম " ভাইয়া সবটাই যোগাড় করে দিতে পারবো, আপনার কবে নাগাদ লাগবে? "

" আমার হাতে বারো দিন সময় আছে, আপনি সেই বারো দিনের মধ্যে সংগ্রহ করবেন। সবকিছু হিসাব করে দামটা বলেন। আমি আপনাকে টাকা পাঠিয়ে দেবো। "

এবার আরেকটু ভাবনা বেড়ে গেল। এতগুলো টাকা তিনি অগ্রিম দিতে চাইছেন। একদিকে যেমন ভাবছি, অন্যদিকে তেমন আনন্দ হচ্ছে। চোখ ভর্তি ঘুম ছিল, সব ঘুম হারিয়ে গেছে। আবার হঠাৎ করে মনে হলো কেউ ফাজলামো করে না তো। এমনও হতে পারে যে সবকিছু বলে তারপর আর নিবে না।

বললাম " ঠিক আছে ভাইয়া, আমি আপনাকে সম্পুর্ন খরচের লিস্ট দিচ্ছি। "

" ঠিক আছে তাড়াতাড়ি করবেন, গার্লফ্রেন্ডের জন্মদিন উপলক্ষে গিফট করবো। "

আমি সবকিছুর হিসাব করলাম। কিছু কিছুর দাম জানা নেই সেগুলোও জেনে ও আনুমানিক ভাবে হিসাব দিলাম। সবমিলিয়ে মোট তেত্রিশ হাজার সাতশো সত্তুর টাকা হলো।

লোকটা আমার বিকাশ নাম্বার নিয়ে পঁচিশ হাজার টাকা পাঠিয়ে দিলেন। তারপর মেসেজ দিয়ে বললেন " বাকিটা আগামীকাল দেবো, আজকে আর পাঠানো যাবে না। আপনি সবগুলো সংগ্রহ করার ব্যবস্থা করবেন। "

" ঠিক আছে ভাইয়া, কিন্তু ঠিকানা? "

" ঠিকানা দেবো, আগে সংগ্রহ করেন। তাছাড়া লিস্টে আরো কিছু এড হতে পারে। আপনি সব সংগ্রহ করে আমাকে বলবেন। আর আমি পঁচিশটা চিরকুট দেবো, আপনি সেগুলো আলাদা আলাদা কাগজে লিখবেন। "

" ঠিক আছে। "

" আরেকটা কথা, আমার পরিচিত একজনের কাছ থেকে আপনার কথা জেনেছি। তাই আপনার কাছে সব অর্ডার দিলাম। তাছাড়া আমিও খুলনার মানুষ, আপনি আমি একই শহরের মানুষ। "

" কে সে? "

" তেমন কেউ না, বাদ দেন। "

" আচ্ছা। "

লোকটা শুভরাত্রি বলে অফলাইন হয়ে গেল। আমি আমার আইডি দিয়ে তার আইডির ভিতর গেলাম। অনেকটা কৌতূহল নিয়েই গেলাম। যিনি তার প্রিয়জনের জন্মদিনে এতকিছু দিচ্ছেন তার প্রতি কৌতূহল হতেই পারে।

অনেক পোস্ট আর পিকচার আপলোড দেখলাম। একটা মেয়ের হাতে হাত রেখে, পিছন থেকে ও মেয়েটা হিজাব পরিধান করা অবস্থায় কিছু ছবি আছে। বুঝতে পারলাম এটাই সেই মেয়ে। সম্ভব বারো দিন পরে তার তার পঁচিশতম জন্মদিন।
এদিকে আমি তেইশ বছরের হয়েও আজ পর্যন্ত কোনো মনের মতো কাউকে পেলাম না। অনেক ছেলে প্রপোজ করেছে কিন্তু তাদের কারো প্রতি নিজের দিক থেকে অনুভূতি আসেনি।

পরদিন সকালে দুটো বান্ধবীকে নিয়ে মার্কেটে গেলাম। প্রায় চার ঘন্টা ঘোরাঘুরি করে ৮০℅ কেনাকাটা হয়ে গেল। কিছু কসমেটিকস বাকি আছে সেগুলো বসুন্ধরা অথবা যমুনা ফিউচার পার্কে গিয়ে নিতে হবে।

সন্ধ্যার কিছুক্ষণ আগে আরো দশ হাজার টাকা বিকাশে এলো৷ ১২৩০ টাকা বেশি এসেছে। একটু পরে সেই লোকটা মেসেজ দিয়ে বললো,

" আপনি সবকিছু কিনে ফেলুন। পরশু আমার অফিস বন্ধ, সেদিন আমি চিরকুট লিখে দেবো। আপনি এরমধ্যে কিনে নিয়ে সবকিছু আলাদা আলাদা প্যাকেট করবেন। "

" ভাইয়া, যেগুলো প্রিন্ট ডিজাইন করার জন্য দিয়েছেন সেগুলো তিনদিন পরে পাবো! "

" সমস্যা নেই হাতে তো সময় আছে। "

" আপনি কিছু টাকা বেশি দিয়েছেন। "

" ওটা আপনার আলাদা প্যাকেট করার জন্য। "

" ওকে, তাহলে আপনি দ্রুত চিরকুটের জন্য লেখা পাঠিয়ে দেন। আমি আজকে রঙিন কাগজ নিয়ে এসেছি। "

" খুব ভালো, খুব ভালো। "

ছেলেটা অতিরিক্ত কোনো কথা বলে নাই। আমার নামটাও জিজ্ঞেস করেনি। অবশ্য সে নাকি আমার পরিচিত কাউকে চিনে, তাই হয়তো নাম জানে। আমি সবকিছু সামনে নিয়ে আমার কতো টাকা লাভ হবে সেই হিসাব করতে লাগলাম।

শুক্রবার রাতে তিনি পঁচিশটা চিরকুটে লেখার জন্য আলাদা আলাদা বাক্য লিখে দিলেন। আমি সবগুলো পড়ার পরে মুগ্ধ হয়ে রইলাম। মেয়েটাকে অনেক ভালোবাসে সেটা আবারও চোখের সামনে জীবন্ত মনে হলো।

রাত দুইটা পর্যন্ত বসে বসে সবগুলো চিরকুট লেখা শেষ করলাম। মাঝে মাঝে পাতা ছিঁড়তে হয়েছে। কাটাকাটি হয়েছে, বা দু একটা লাইন বাঁকা হয়ে গেছে এরকম কিছু দেইনি। এতো সুন্দর মানের লেখার মধ্যে কাটাকুটি আর বাঁকা লাইন মানায় না।

তিনদিনের মধ্যে তার সবকিছু আমি সংগ্রহ করে ফেললাম। প্যাকিং কমপ্লিট করে তাকে মেসেজ দিয়ে কনফার্ম জানিয়ে দিলাম। কিন্তু লোকটা অনলাইনে ছিল না।
পরদিন সারাদিন পেরিয়ে গেল তবুও তাকে অনলাইনে দেখতে পেলাম না। ভাবলাম হয়তো কাজের চাপে ব্যস্ত আছে। আমি সবকিছু রেডি করে রাখলাম যেন সে ঠিকানা দিলেই সঙ্গে সঙ্গে পাঠিয়ে দিতে পারি।

আমরা চার বান্ধবী মিলে একসঙ্গে থাকতাম। তিনজন একই ডিপার্টমেন্টে পড়ি আর বাকি আরেকজন অন্য ডিপার্টমেন্টে কিন্তু একই কলেজে। পরদিন কলেজ থেকে ফেরার সময় আমার রুমমেট ইরা বললো

" কিরে নওশিন, তোর সেই কেয়ারিং বয়ফ্রেন্ডের কোনো খোঁজ পেলি? মেসেজ করেনি আর? "

" নাহ করেনি, গতকাল থেকে তার কোনো পাত্তা নেই। কি হয়েছে কে জানে? যে নাম্বার দিয়ে টাকা পাঠিয়েছে সেই নাম্বারে আজকে কল দেবো ভাবছি। "

" বিকাশ নাম্বার? "

" হ্যাঁ। "

" কিন্তু সেটা যদি কোনো দোকানের নাম্বার হয়? "

" মনে হয় তার পারসোনাল নাম্বার, কারণ প্রথম রাতে সে প্রায় রাত দুইটার দিকে টাকা পাঠিয়েছে। তখন তো শহরের মধ্যে দোকান খোলা থাকার কথা নয়! "

" হতেও তো পারে তাই না? "

" তবুও চেষ্টা তো করবো যোগাযোগ করার। সম্ভবত সাতদিন পরে তার গার্লফ্রেন্ডের জন্মদিন। প্রথম রাতে বারো দিন বলেছিল, অলরেডি পাঁচ দিন পেরিয়ে গেছে। "

বাসায় ফিরে ওই নাম্বারে কল দিলাম কিন্তু নাম্বার বন্ধ। এরপর থেকে যখনই মোবাইল হাতে নিতাম কিংবা তার কথা মনে পড়তো তখনই কল দিতাম। কিন্তু তার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারলাম না। অনলাইনেও আর পেলাম না কয়েকদিন।

আরো চারদিন পরে রাতে তার আইডির পাশে সবুজ বাতি দেখতে পেলাম। আমি সঙ্গে সঙ্গে তাকে মেসেজ দিলাম কিন্তু সিন করলো না। তারপর কিছু না ভেবেই মেসেঞ্জারে কল দিলাম, এবং রিসিভ করলো।

আমি বেশ আগ্রহ নিয়ে বললাম,

" আপনি কেমন আছেন? এতদিন কোথায় ছিলেন? "

লোকটার কণ্ঠ শুনে আমি অবাক হলাম। খুব সান্ত কণ্ঠে তিনি বললেন,

" আমি ভালো আছি, আপনি? "

" আলহামদুলিল্লাহ ভালো, আপনার কোনো খোঁজ নেই। আমি সবকিছু রেডি করে বসে আছি। "

" আপনার জন্মদিন কবে? "

" আরো প্রায় দু’মাস পরে, কেন? "

" সবগুলো জিনিস আপনি রেখে দিন। আসলে আমি যার জন্য অর্ডার করেছিলাম সে মা!রা গেছে। সেদিন আপনার সঙ্গে শেষ যেদিন কথা হয়েছে তার পরদিন সকালে ওর এক্সিডেন্ট হয়। তিনদিন অসহ্য যন্ত্রণা ভোগ করে তারপর পৃথিবী ছেড়ে চলে গেছে। "

তিনি কলটা কেটে দিলেন, আমি যেন বিশ্বাস করতে পারছি না। শুধু চোখের সামনে আবছায়া হয়ে ভেসে আসে একটা প্রতিচ্ছবি। জীবন ও মরনের মাঝখানে যার বসবাস।

সমাপ্ত

লেখাঃ ডা: আব্দুর রবপুরুষ মানুষের মন খারাপের অনেক কারন থাকে। টাকা পয়সা তার একটি। এই জিনিষ টা ছাড়া পুরুষ হয়ে যায় হাঁফ লেডি...
03/10/2022

লেখাঃ ডা: আব্দুর রব

পুরুষ মানুষের মন খারাপের অনেক কারন থাকে। টাকা পয়সা তার একটি। এই জিনিষ টা ছাড়া পুরুষ হয়ে যায় হাঁফ লেডিস।

ইন্টার্নীতে থাকার সময় যশোর থেকে এক টি বিয়ের প্রস্তাব এসেছিল। পাত্রীর ধনী বাবা আমাদের বাড়ী দেখতে এসে বাড়ির পথ থেকে পালিয়েছিল, ভিতরে আর আসে নি। এই বয়সে বিয়ের কোন আগ্রহ ছিল না আমার, সেটা চাইও নি, পাত্রীকেও চিনি না। তবুও একটা অদ্ভুত কষ্ট হয়েছিল সেদিন। কষ্টটা আমার জন্য নয়। আমাদের গোলপাতার বাড়িটার জন্য।...
এক ব্যাচ সিনিয়র এক ভাইয়ের সাথে দেখা হল সেদিন। চেহারা শুকিয়ে গেছে, চোখ কোটরে ঢুকেছে। ভালবেসে বিয়ে করেছিল, কোর্ট ম্যারেজ। পরিবার মেনেও নিয়েছিল। নবম মাসের মাথায় ডিভোর্স দিয়েছে। ডিভোর্স হয়েছে উনি নিজেও জানতেন না। খবর টা শুনেছে অন্যের কাছে। একটা বিশাল অপরাধ করেছিলেন উনি::: জুলাইতে এফসিপিএস চান্স হয় নাই, বিসিএস প্রিলি হয় নাই।
বিসিএস রিটেন দেওয়া রংপুর মেডিকেলের এক ছেলের সাথে নতুন করে শুরু করেছে মেয়েটা।

কারো চাই টাকা, আর কারো চাই স্ট্যাটাস। ভালবাসা এখানে শ্বান্ত্বনা ।
ভাইটাও এখন শ্বান্তনা পায়। মেয়েটির উপর তার কোন অভিযোগ নেই। " ও ভেবেছিল আমি ভাল মেডিকেলে পড়ি, অনেক ব্রিলিয়ান্ট কেউ। আমি যে গড় পড়তামানের স্টুডেন্ট পরে বুঝেছে । বোঝার পর চলে গেছে। ওর কোন দোষ নেই।" এভাবেই বলেছিলেন উনি। ....
আপনি পুরুষ মানুষ হয়েছেন, আর আপনার বিসিএস নাই, এফসিপিএস নাই আবার টাকাও নাই। ভুলেও নিজেকে পুরুষ ভাববেন না। যেদিন বউ চলে যাবে সেদিন ই বুঝবেন নিজেকে ভুল জেনেছেন। 'ভালবাসার সাথে টাকার সম্পর্ক নেই' এই কথা যে বলে তার দুই গালে কষে থা #*ড় দিন। নিকৃষ্টতম মিথ্যাটি সে আপনাকে বলেছে।...
টাকা সবারই লাগে। অথচ বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এটি থাকে পুরুষের পকেটে। এর ওজন ও ব্যাথা প্রতিটা পুরুষকে বইতে হয়। টাকা না থাকলে কোন মেয়ে অমানুষ হয়ে যায় না, কিন্তু একটি পুরুষ মহিলা হয়ে যায়।
টাকা আসে, আবার চলে যায়। মাঝ থেকে ভালবাসাটা নিয়ে গেলে আর কষ্টের সীমা থাকে না।...
গতকাল ওয়ার্ডে দুই জন রুগী খারাপ ছিল। 27 বছরের এক মেয়ে , Sub Arachnoid haemorrhage ... ICU এর জন্য. councelling. করেছিলাম। টাকা দিয়ে হয়ত সুখ কেনা যায়, জীবন তো আর কেনা যায় না। তবুও আমাদের টাকাই সব।.
যতবার বিয়ের কথা উঠেছে, ততবার ই আমি ভয় পেয়েছি। টাকা আমাকে আজীবন তাড়িয়ে বেড়িয়েছে। তাই বিয়ে - ভালবাসার কথা শুনলে ভয় পাই। ফার্স্ট ইয়ারে কেরানীগঞ্জ এর ওপারে যখন দেড় হাজার টাকার টিউশুনি করতাম, নদী পার হওয়ার ছয় টাকা আমার থাকত না। আধা কিলোমিটার হেটে ব্রিজ পার হতাম। আর আজ হাজার হাজার টাকা আয় করেও দেখি ঈদে বাড়ি যাওয়ার টাকা থাকে না। জীবন আসলে একই থাকে, শুধু সময় আর চক্র টা বদলায়। ..
একজন বিখ্যাত প্রফেসরের সাথে কথা বলতেছিলাম। উনি যখন ইন্টার্নীতে পাঁচ হাজার টাকা বেতন পেতেন তখন দুই হাজার টাকা ঘাটতি থাকত। এখন বিশ লাখ টাকা আয় করেও দুই লাখ টাকা ঘাটতি থাকে। কাকে কি বলব??..
সতের শ টাকায় যখন মাস চলত। তখনও পকেটে একটা টি শার্ট কেনার মত টাকা থাকত না। আর আজ নিজের খরচই হয় ষোল হাজার টাকা। আজও টি শার্ট কেনার টাকা নাই। ..
আমি এই হিসেব বুঝি না।

শ্যাম্পু কিনতে গিয়ে দেখি ৩৫০ মি.লি সানসিল্কের বোতল এর দাম নিচ্ছে ৩০০ টাকা।হুট'করেই মাথার উপরে ঝুলানো মিনি প্যাকের দিকে ত...
03/10/2022

শ্যাম্পু কিনতে গিয়ে দেখি ৩৫০ মি.লি সানসিল্কের বোতল এর দাম নিচ্ছে ৩০০ টাকা।
হুট'করেই মাথার উপরে ঝুলানো মিনি প্যাকের দিকে তাকাতেই দেখি ৬ মি.লি ২টাকা।
'হিসেব কষে দেখলাম ২ টাকা দরে ৫০ পিস নিলে ৩০০ মি.লি হয়, দাম পড়ে মাত্র ১০০ টাকা।
পরিশেষ ১০০ টাকায় ৫০ পিস, ৩০০ মি.লি শ্যাম্পু কিনে নিয়ে জীবন যু*দ্ধে আরো একধাপ এগিয়ে গেলাম।'🙂🥰🥰🥰🥰

Address

Faridpur

Telephone

+8801889307114

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Beauty of Bangladesh posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share