27/10/2025
হাতিমে কাবায় নামজ আদায়ের নতুন পদ্ধতি
About
We shall strive to inform you about the latest news regarding Makkah Mukaramah, Madina Munawarah and Hajj and Umrah related events. hajjnews.com.bd
Www. Hajjnews. Com. Bd, Jila Parishad Market, East Aganagr, South Keranigonj, Dhaka
Dhaka
1310
| Monday | 09:00 - 19:00 |
| Tuesday | 09:00 - 19:00 |
| Wednesday | 09:00 - 19:00 |
| Thursday | 09:00 - 19:00 |
| Saturday | 09:00 - 19:00 |
| Sunday | 09:00 - 19:00 |
Be the first to know and let us send you an email when HajjNews.com.bd posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.
Send a message to HajjNews.com.bd:
এক নজরে হজ্ব ও ওমরাহ্ হজ্জের ফরজ ৩টি ১। ইহরাম বাধা ২। উ'কুফে আ'রাফা (আরাফাতের ময়দানে অবস্থান) ৩। তাওয়াফুয্ যিয়ারাত হজ্জের ওয়াজিব ৬টি (১) 'সাফা ও মারওয়া' পাহাড় দ্বয়ের মাঝে ৭ বার সায়ী করা। (২) অকুফে মুযদালিফায় (৯ই জিলহজ্জ) অর্থাৎ সুবহে সাদিক থেকে সুর্যদয় পর্যন্ত একমুহুর্তের জন্য হলেও অবস্থান করা। (৩) মিনায় তিন শয়তান (জামারাত) সমূহকে পাথর নিপে করা। (৪) 'হজ্জে তামাত্তু' ও 'কি্বরান' কারীগণ 'হজ্জ' সমাপনের জন্য দমে শোকর করা। (৫) এহরাম খোলার পূর্বে মাথার চুল মুন্ডানো বা ছাটা। (৬) মক্কার বাইরের লোকদের জন্য তাওয়াফে বিদা অর্থাৎ মক্কা থেকে বিদায়কালীন তাওয়াফ করা। এছাড়া আর যে সমস্ত আমল রয়েছে সব সুন্নাত অথবা মুস্তাহাব। ওমরাহর ফরজ, ওয়াজিব দুইটি ফরজ: (১) ইহরাম পরিধান করা (২) তাওয়াফ দুইটি ওয়াজিব: (১) সাফা ও মারওয়া মধ্যবর্তী (সবুজ বাতি) স্থানে সাতবার সায়ী করা (২) মাথার চুল মুন্ডানো বা ছাটা। তালবিয়া ''লাব্বাঈক আল্লাহুম্মা লাব্বাঈক, লাব্বাঈক, লা-শারীকা-লাকা লাব্বাঈক, ইন্নাল হামদা ওয়ান্ নি'মাতা লাকা ওয়াল-মুল্ক, লা শারীকালাক।" অর্থ: আমি হাজির হে আল্লাহ! আমি উপস্থিত! আপনার ডাকে সাড়া দিতে আমি হাজির। আপনার কোন অংশীদার নেই। নিঃসন্দেহে সমস্ত প্রশংসা ও সম্পদরাজি আপনার এবং একচ্ছত্র আধিপত্য আপনার। আপনার কোন অংশীদার নেই। ইহরাম অবস্থায় নিষিদ্ধ কাজ (১) সেলাইযুক্ত যে কোন কাপড় বা জুতা ব্যবহার, এক্ষেত্রে স্পঞ্জ সেন্ডেলের ব্যবহার করা। (২) মস্তক ও মুখমন্ডল (ইহরামের কাপড়সহ যে কোন কাপড় দ্বারা) ঢাকা, (৩) পায়ের পিঠ ঢেকে যায় এমন জুতা পরা। (৪) চুলকাটা বা ছিড়ে ফেলা, (৫) নখকাটা, (৬) ঘ্রানযুক্ত তৈল বা আতর লাগানো। (৭) স্ত্রীর সঙ্গে সংগম করা। (৮) যৌন উত্তেজনামূলক কোন আচরণ বা কোন কথা বলা। (৯) শিকার করা। (১০) ঝগড়া বিবাদ বা যুদ্ধ করা। (১১) চুল দাড়িতে চিরুনী বা আঙ্গুলী চালনা করা, যাতে ছিড়ার আশংকা থাকে। (১২) শরীরে সাবান লাগানো। (১৩) উকুন, ছারপোকা, মশা ও মাছিসহ কোন জীবজন্তু হত্যা করা বা মারা। (১৪) কোন গুনাহের কাজ করা, ইত্যাদি। হজ্জের প্রকার ও নিয়তসমূহ প্রথম প্রকার হজ্জে ইফরাদ বর্ণনা: ওমরাহ্ ব্যতিত শুধু হজ্জের জন্য ইহরাম বাঁধা এবং হজ্জের সাথে ওমরাহকে না মিলানো। (বদলী হজ্জের জন্যও এই হজ্জ)। নিয়্যাত: আল্লাহুমা ইন্নী উরীদুল হাজ্জা ফায়াসছির হুলিওয়াতা কাব্বালহুমিনি্ন। (বাংলা নিয়ত- আল্লাহ আমি ইফরাদ হজ্জের উদ্দেশ্যে আপনার সন্তুষ্টির জন্য ইহরাম বাধলাম। তা সহজ করে দিন ও কবুল করে নিন)। দ্বিতীয় প্রকার হজ্জে কি্বরান বর্ণনা: একত্রে একই স্থান থেকে হজ্জ ও ওমরার নিয়্যাত করে হজ্জের সাথে ওমরাহকে মিলানো এবং একই ইহ্রামে উভয়টি আদায় করা। নিয়্যাত: আল্লাহুমা ইন্নী উরীদুল উ'মরাতা ফায়াচ্ছির লী-ওয়াতাক্াব্বাল মিন্নী। বাংলা নিয়ত- হে আল্লাহ আমি আপনার উদ্দেশ্যে হজ্জে কি্বরানের জন্য ইহরাম বাধলাম তা সহজ করে দিন ও কবুল করে নিন। তৃতীয় প্রকার হজ্জে তামাত্তু বর্ণনা: একই সফরে পৃথক পৃথক ভাবে 'ইহরাম' পরিধান করে 'হজ্জ ও ওমরাহ' আদায় করা। প্রথম ইহ্রামে ওমরাহর নিয়্যাত করে তা পালন শেষে চুল কেটে 'ইহরাম' খুলে হালাল হয়ে দ্বিতীয় বার নতুন করে হজ্জের নিয়্যাতে ৮ই জিলহজ্জ 'মক্ক শরীফ' থেকে হজ্জের জন্য ইহরাম বাধা। তামাত্তু করার ইচ্ছা থাকলে প্রথমে ওমরার নিয়্যাত করে এহরাম বাঁধুন। শুধু ওমরাহর নিয়্যাত আল্লাহুমা ইন্নী উরীদুল উম'রাতা ফায়াচ্ছির লী-ওয়াতাক্াব্বাল মিন্নী। বাংলা নিয়ত- হে আল্লাহ আমি ওমরাহ্ পালনের জন্য ইহরাম বাধলাম তা সহজ করে দিন এবং কবুল করে নিন। শুধু হজ্জের নিয়্যাত আল্লাহুম্মা ইন্নী উরীদুল হাজ্জা ফায়াচ্ছিরহু-লী অ-তাকাব্বালহু মিন্নী। বাংলা নিয়ত- হে আল্লাহ আমি পবিত্র হজ্জ পালনের জন্য ইহরাম বেধে নিয়ত করলাম তা সহজ করে দিন এবং কবুল করে নিন। তাওয়াফের বিবরণ হাজীদের সর্বপ্রথম কাজই হলো (তামাত্তু ও ক্বেরান কারীগণ) নিজের মালছামানগুছিয়ে রেখে পাকপবিত্র হয়ে মোটেই দেরী না করে 'হারাম শরীফে' হাজিরা দেওয়া এবং 'তাওয়াফ' করা। ওমরাহ এবং হজ্জের তাওয়াফ ব্যাতিত নফল তাওয়াফ ও করা যায়। যেমন: রাসূল (দঃ), সাহাবা-আওলিয়া, আহ্লে বাইত, মা-বাবা, পীর-উস্তাদ ও অন্যান্য মুরুব্বী বা সন্তানদের স্মরনে বা তাঁদের নামে তাওয়াফ করা। তাওয়াফের ওয়াজিব সমূহ (১) শরীর পাক-সাফ রাখা, ওজু করা। মহিলাদের হায়েজ নেফাছ অবস্থায় তাওয়াফ করা জায়েজ নাই। (২) ছতর ঢাকা। অর্থাৎ যেটুকু ঢাকা প্রত্যেক পুরুষ-নারীর জন্য ফরজ। (৩) 'হাতীমে কা'বার' বাইরে থেকে 'তাওয়াফ' করা। (৪) পায়ে হেঁটে 'তাওয়াফ' করা। অম ব্যক্তি খাটিয়ার মাধ্যমে 'তাওয়াফ' করতে পারেন। (৫) 'হাজ্রে আস্ওয়াদ' থেকে শুরু করে ডানদিক দিয়ে 'তাওয়াফ' শুরু করা। (৬) এক নাগাড়ে বিরতিহীন ভাবে 'সাতবার চক্কর' দিয়ে 'তাওয়াফ' পূর্ণ করা। (৭) 'সাত চক্করে' এক 'তাওয়াফ', এটা পূর্ণ হলেই 'তাওয়াফের' নামাজ পড়া। তাওয়াফের সুন্নত কার্যাবলী (১) 'তাওয়াফে'র শুরুতে 'হাজারে আসওয়াদ' এর দিকে মুখ করা। (২) সম্ভব হলে 'হাজ্রে আস্ওয়াদ' চুম্বন করা। নতুবা হাত দ্বারা দূর থেকে ইশারা করা, এবং মুখে 'বিসমিল্লাহি আল্লাহু আক্বার ওয়ালিল্লাহিল হ্ামদ' বলা। (৩) 'হা্জ্রে অস্ওয়াদ' বরাবর দাঁড়িয়ে তাকবীরে তাহরিমা'র ন্যায় উভয় হাত সিনা পর্যন্ত উঠান। (৪) যে 'তাওয়াফে'র পরে 'সাঈ' আছে তাতে 'এযতেবা' করা। অর্থাৎ ইহরামের চাদরের (উপরের অংশের) দুই মাথা ডান বগলের নিচ দিয়ে বাম কাঁধের উপর ফেলে দেওয়া। (৫) 'সাঈ' যুক্ত 'তাওয়াফে'র প্রথম তিন চক্করে 'রমল' করা। অথর্াৎ বীরের মত হেলে দুলে জোর ক্বদমে (একের পর এক পা ফেলে) চলা। (৬) বাকী চার চক্কর সাধারণ গতিতে (ধীরে ধীরে) সম্পন্ন করা। (৭) প্রত্যেক চক্কর তাওয়াফ শেষ করে এবং শেষ চক্করেরও পরে 'হাজ্রে অস্ওয়াদ'কে চুম্বন করা। সম্ভব না হলে দূর থেকে ইশারা করে বিসমিল্লাহে আল্লাহ আকবর ওয়ালিল্লাহিল হামদ্"দোয়াটি পাঠ করা এবং ৩ নং নিয়মের ন্যায় দাড়িয়ে ইশারা করে 'তাওয়াফ' শেষ করা। তাওয়াফের নিয়্যাত আল্লাহুম্মা ইন্নী উরীদু তাওয়াফা বাইতিকাল হারাম ফায়াচ্ছিরহু-লী, ওয়া তাক্বাব্বাল-হু-মিন্নী, সাবাআ'তা আশ্ওয়াতি্বন লিল্লাহি তায়া'লা। বাংলায় নিয়ত- হে আল্লাহ আমি তাওয়াফ পালনের জন্য নিয়ত করলাম। সায়ীর নিয়ম 'হজ্জ ও ওমরাহ' ছাড়া নফল 'তাওয়াফে'র কোন সায়ী নাই। কারো নামে ওমরাহ করতে হলেও সায়ী করতে হবে। সায়ী অর্থ দৌড়ানো। এটা 'ছাফা' পাহাড় থেকে প্রথমে শুরু করতে হবে। ছাফা থেকে মারওয়া। মারওয়া থেকে ছাফায়। এভাবে সাতবার সায়ীর সময় প্রথম তিন চক্কর সবুজ বাতির মাঝের অংশটুকু দৌড়ে দৌড়ে হেলে দুলে যাওয়া সুন্নাত (পুরুষদের জন্য)। পরের চার চক্কর সাধারণ গতিতে সম্পন্ন করতে হবে। সায়ীর সহজ দোয়া সুবহানাল্লাহি ওয়াল হামদু লিল্লাহি ওয়া লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার ওয়া লা-হাওলা, ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লাবিল্লাহিল আ'লিয়্যিল আ'যীম, রাবি্বগফির ওয়ারহাম ওয়াআনতাল আ-আজ্জুল আকরাম। সায়ীর কুরআনী দোয়া 'ইন্নাছ্ ছাফা ওয়াল মারওয়াতা মিন্ শাআ'ইরিল্লাহ্ ফামান হাজ্জাল বাইতা আও-ই' তামারা ফালা জুনাহা আ'লাইহি আইয়াত্ত্বাওয়াফা বিহিমা ওমান তাত্বাওয়াআ খাইরান ফা-ইন্নাল্লাহা শাকিরুণ আ'লীম।" উপরোক্ত দুই দোয়া সাতবার চক্করের সময় হাটতে চলতে পড়তে হবে। পরেরটি না পারলে উপরেরটিই যথেষ্ট হবে।