IUBAT Travelers

IUBAT Travelers �This page/post made just Entertainment & Non-commercial purposes.

Rightful owner of any material posted by us and want us to remove it,just send us a message.We will do so immediately.Sometime We do not own any of the pictures/audio/video/text.

�"C

17/05/2022
Batali Hills পার্ক। এটি চট্টগ্রাম শহরের উচু পাহাড় গুলোর একটি।জিলাপির মত প্যাঁচালো বলে অনেকেই আদর করে ডাকে "জিলাপির পাহাড়...
03/03/2020

Batali Hills পার্ক। এটি চট্টগ্রাম শহরের উচু পাহাড় গুলোর একটি।
জিলাপির মত প্যাঁচালো বলে অনেকেই আদর করে ডাকে "জিলাপির পাহাড়" :p
উচ্চতা প্রায় ২৮০ ফুট। সর্বোচ্চ চূড়াটিকে বলা হয়- Shotayu Angan/ শতায়ু অঙ্গন ।
এখান থেকেই পাবেন চট্টগ্রাম পোর্ট সহ পুরো শহরের বিশাল এক ভিউ
(তবে সব চেয়ে বড় কিন্তু নয়, ওটা অন্য আরেকটা পাহাড় চূড়া থেকে, সেটাও কাছেই) :)

▶নামঃ করতোয়া নদী▶অবস্থানঃ বগুড়ারাজশাহী বিভাগের অন্তর্গত একটি ছোট নদী যা একসময় একটি বড় ও পবিত্র নদী ছিল। এর একটি গতিপ...
02/03/2020

▶নামঃ করতোয়া নদী
▶অবস্থানঃ বগুড়া
রাজশাহী বিভাগের অন্তর্গত একটি ছোট নদী যা একসময় একটি বড় ও পবিত্র নদী ছিল। এর একটি গতিপথ বর্তমানে বগুড়া জেলার মহাস্থানগড় দিয়ে (যা পুণ্ড্রনগর নামে পরিচিত ও প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধন নগরীর রাজধানী) প্রবাহমান। করতোয়া মাহাত্ম্য এর অতীত ঐতিহ্যের প্রমাণ করে।
মহাভারতে বলা আছে যে, তিনদিন উপবাসের পর করতোয়া নদীতে ভ্রমণ করা অশ্বমেধা (ঘোড়া বলিদান) এর সমান পূণ্যের সমান।আরেকটি প্রাচীন শহর শ্রাবস্তী,
খুব সম্ভবত মহাস্থানগড়ের উত্তরে করতোয়ার পাড়ে অবস্থিত ছিল। অবশ্য শ্রাবস্তীর সম্ভাব্য অবস্থান নিয়ে বিতর্ক আছে
যেভাবে যাবেনঃ ঢাকা থেকে বগুড়া
বগুড়া ৭মাথা থেকে মহাস্থান গড় এর পাশেই

Chittagong War Cemetery
02/03/2020

Chittagong War Cemetery

মিরপুর বেড়িবাঁধ (বটতলা )বিরুলিয়া জমিদার বাড়ি বালিয়াটি জমিদার বাড়ি পাকুটিয়া জমিদার বাড়ি (ছবি নিতে ভুলে গেসি।.. .)কেদারপুর...
01/02/2020

মিরপুর বেড়িবাঁধ (বটতলা )
বিরুলিয়া জমিদার বাড়ি
বালিয়াটি জমিদার বাড়ি
পাকুটিয়া জমিদার বাড়ি (ছবি নিতে ভুলে গেসি।.. .)
কেদারপুর নাগরপুর ব্রিজ
নাগরপুর জমিদার বাড়ি
তিনঘাটলা পুকুর নাগরপুর
নাগরপুর এলাসিন ব্রিজ

টাঙ্গাইল জেলার একমাত্র উপজেলা শহর ছিলো নাগরপুর যেখানে ২০১৩ পর্যন্ত যোগাযোগের একমাত্র উপায় ছিলো ফেরী পারাপার। তিনদিকে যমুনা,ধলেশ্বরী আর ঝিনাই নদী বেষ্টিত এই অঞ্চলটি ছিলো দ্বীপের মতো। .!! পরবর্তীতে এলাসিন নাগরপুর ব্রিজটি নাগরপুরকে মূল জেলা শহর টাঙ্গাইলের সাথে সংযোগ স্থাপন করে। আর কেদারপুর ব্রিজটি মানিকগঞ্জ এর সাথে যোগাযোগ সহজ করে তুলে।

যাত্রা : আমি আর আমার এক ফ্রেন্ড (বান্ধবী ) মিরপুর ২ থেকে প্রথমে বাসে করে মিরপুর চিড়িয়াখানার সামনে গিয়ে নামি। ভাড়া #১০ টাকা।
বোটানিক্যাল টিকেট কাটি (২০টাকা).. বোটানিক্যাল ভিতর দিয়ে হেটে হেঁটে (মর্নিং ওয়াক ) বেড়িবাঁধের সাইডের গেট দিয়ে বের হয়। বেড়িবাঁধের রাস্তা পার হলেই বটতলা। ..চাইলে এখান থেকে নৌকা যুগে বিরুলিয়া যেতে পারবেন। আমার ফ্রেন্ড এর পানিভীতির জন্য আমার বেড়িবাঁধ সড়ক থেকে বিরুলিয়া ব্রিজ পর্যন্ত বাসে আসি (লেগুনা পাওয়া যায় ) ভাড়া ১০টাকা। ব্রিজ থেকে সামনের দিকে তাকালে যে গ্রামটি পরে ঐটাই বিরুলিয়া গ্রাম। ব্রিজ থেকে ৫ বা ৬ মিন হাঁটলেই পেয়ে যাবেন ভগ্নপ্রায় জমিদার বাড়ি। স্থানীয়দের জোর দখলে শ্রী হারিয়েসে অনেক আগেই। বাড়ির সামনে নতুন করে স্থাপনা করে এমনকি জমিদার বাড়িগুলোতে মানুষের বসবাস। সব শেষের বাড়িটা কিছুটা তুলনামূলক ভালো অবস্থানে আছে। ..আমার কাছে পুকুরপাড়টি বেশী ভালো লেগেছে। ভগ্নপ্রায় সিঁড়ি আর সামনে বিস্তীর্ণ জলরাশি (শুধুমাত্র বন্যার সময়ে ) ..ঘাঁটে বসেই সাথে করে আনা খাবার দিয়ে সকালের নাশতা করে নিলাম। তারপর আবার হেঁটে বিরুলিয়া ব্রিজ। বান্ধুবীকে বিদায় দিয়ে আমি অটোতে করে চলে আসলাম বিরুলিয়া থেকে আকরান ভাড়া ১৫ টাকা। ..আর আকরান থেকে ১৫ টাকায় সাভার বাসস্ট্যান্ড (সাভার যাওয়ার শর্টকাট রোড )...!! সাভার স্ট্যান্ড থেকে চলে এলাম ব্যাঙ্ক টাউন আর এক বান্ধবীর বাসায় ওখানে লাঞ্চ আর গল্প করতে করতে ৪ টা ...ব্যাঙ্ক টাউন থেকে চলে এলাম ধামরাই ১৫ টাকা। পাশের সিটে আপু বাসা ছিলো সাটুরিয়ার দিকে। উনি পরামর্শ দিলেন এস বি লিংক বাসে সাটুরিয়া যেতে পারবো। ..এ পর্যন্ত আমি এসেছিলাম গুগল ম্যাপ সাহায্যে। ..ভাবলাম আপুর কথা শুনেই দেখি। ..ধামরাই নেমে এস বি লিংক কাউন্টার থেকে টিকেট কাটলাম সোজা নাগরপুর মামুদপুর ভাড়া #৭৫ টাকা । বিকেল হয়ে গেসে তাই আর ওই দিন বালিয়াটি যায়নি। ..সন্ধ্যা ৭.৩০ নাগাদ মামুদপুর পৌঁছে ছিলাম। ঈদের আগে বলে রাস্তায় অনেক জ্যাম ছিলো। ..কালামপুরের পর জ্যাম ততটা পাইনি। তবে রাস্তা অনেক সরু আর চাপা ছিলো। ...মামুদপুর থেকে অটোতে নাগরপুর ভাড়া #৫ টাকা। ওখান থেকে মামা এসে নিয়ে গিয়েছিলো আমাকে। পরের দিন মামামামি সমেত আমরা সিএনজিতে টাঙ্গাইল চলে যায় ভাড়া #৬০ টাকা (ঈদের আগে বলে বেশী নিতে পারে ).. টাঙ্গাইল থেকে ফেরার দিন এলাসিন ব্রিজ হয়ে আবার নাগরপুর। দুপুর পর ২ টা নাগাদ নাগরপুর থেকে জমিদারবাড়ি। রিক্সা ভাড়া ১৫ টাকা। নাগরপুর জমিদার বাড়ি বর্তমানে মহিলা কলেজ। জমিদারবাড়ি থেকে সামনের দিকে মিনিট ৫ হাঁটলেই পাবেন তিনঘাটলা পুকুর। ..পুকুর ঘুরে চলে আসুন মামুদনগরের দিকে যাওয়া অটোর দিকে। ..মামুদনগর থেকে চাইলে বাসে অথবা সিএনজিতে পাকুটিয়া নামতে পারেন। বাসস্ট্যান্ড থেকে কিছুটা সামনেই জমিদার বাড়ি। বর্তমানে এটি একটি স্কুল। পাকুটিয়া থেকে সিএনজিতে চলে আসুন বালিয়াটি ভাড়া ৩০ টাকা। বালিয়াটি স্ট্যান্ড থেকে ভ্যান জমিদার বাড়ি ১০টাকা।.চাইলে হেঁটে যেতে পারেন। ...জমিদারবাড়ি প্রবেশ মূল্য ২০ টাকা। জমিদারবাড়ির মূল ফটক থেকে শুরু করে প্রতিটি অনেক সুন্দর। বিশেষ করে রানীদের ভবন..অন্দরমহলের পুকুরপাড়টা অনেক বেশিই মনোমুগ্ধকর। ফেরার পথে বালিয়াটি স্ট্যান্ড থেকে সাভার বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত ভাড়া ৫৫ টাকা। ঈদের পরে সিট্ ফাঁকা ছিলো নাহ পুরো রাস্তা দাঁড়িয়ে এসেছি তাই ওখানে নেমে পড়েছি। তারপর অগ্রদূত করে মহাখালী ভাড়া ৪৫ টাকা। এই ছিলো নানু বাড়ি যাওয়া আসার পথে নাগরপুর আর জমিদার বাড়ি ঘুরার প্ল্যান। ..!!


নোট : আমাদের দেশটা অনেক বেশী সুন্দর, সুন্দর তাঁর সাজানো গোছানো পরিবেশ।আমরা ঘুরতে গিয়ে এই সুন্দর পরিবেশটা ময়লা আবর্জনা ফেলে অসুন্দর আর নাই বা করি। .!!

Credit: Riffatara Jannat
Source: TOB

......... কাঁটা তারের ওপারে .........      2019 এর ফ্রেরুয়ারীর 8/10 তারিখের দিকে এক বন্ধু বলল 'বাংলাদেশ যাচ্ছি, ভাষা দিব...
23/01/2020

......... কাঁটা তারের ওপারে .........


2019 এর ফ্রেরুয়ারীর 8/10 তারিখের দিকে এক বন্ধু বলল 'বাংলাদেশ যাচ্ছি, ভাষা দিবসের সময়, তুই কি যাবি?" বহুদিনের আশা,এই সুযোগ... সেই মতো ভিসা করতে দেওয়া, আর 19 তারিখ আমাদের রওনা দেওয়ার দিন ...
বন্ধু যখন বলল"ভাষা দিবসে যাচ্ছি "কোনো ভাবেই এ সুযোগ ছাড়া যাবে না... এখনো মনে আছে M.A পড়ার সময় আমাদের 1 টা সেমে বাংলাদেশের সাহিত্য ও সে দেশ সম্পর্কে পড়তে হয়েছে, সেখানে ভাষা আন্দোলন পড়ানোর সময় স্যার বলেছিলেন "তোমরা জীবনে অন্তত একটি বার,একটি বার প্রভাত ফেরীতে হেঁটে দেখো......."আরোও অনেক কথা বলেছিলেন ভাষা আন্দোলন নিয়ে;, সেদিন ক্লাসের পর সবাই সবার মুখের দিকে শুধু চেয়েছিলাম, কেউ কোনো কথা বলতে পারেনি...আর সেই প্রভাত ফেরীতে যোগদানের সুযোগ এসে গেল....
সত্যি বলতে আমি বাংলাদেশকে আলাদা দেশ বলে ভাবি না;আমি মনে করি ,আমাদের এক ভিটে দুই সংসার ....
আমাদের বাস ছিল করুণাময়ী,কলকাতা থেকে সকাল 7টায় ,ঢাকায় পৌঁছাতে রাত 10 টা....
ওখানকার এক বন্ধুর কথায়, ঢাকা শহর কোনো সময় ঘুমায় না,সত্যিই তাই....সারা রাত বাস ,রিক্সা চলে, দোকান সব খোলা, লোকজনের যাতায়াত ও আছে .....
21 এ ফ্রেরুয়ারীর আগের রাত সহবাগ চত্বরে নানা প্রোগ্রাম, রাস্তায় রাস্তায় ফুলের দোকান,বহু মানুষের সমাগম, সত্যিই সব মিলিয়ে সে রাত উপভোগ করার মতো...সে রাত রাস্তায় হাঁটতে হাঁটতে কাটিয়েছি ...
রাতে মাঝে মাঝে বান্ধবীর সাথে WhatsApp এ কথা,সে বলে এই তো শহীদ মিনার সাজাচ্ছি; তোমরা সকালে যেখানে আসবে....বান্ধবী ঢাকা ইউনিভার্সিটিতে পড়ে..সেরাতে বাইরের লোকদের শহীদ মিনারে যাওয়ার allow নেই ....

ভোরের আলো তখন ফুটেছে,মানুষের ঢল তখন রাস্তায় ,সবাই সমবেত ভাবে আসছে, কোন বিশৃঙ্খলা নেই,সবার হাতে ফুল,শহীদ মিনারে তা দেওয়া হবে,....আহা এই সেই প্রভাত ফেরী, কি শান্ত আথচ সবার কতই না উন্মাদনা ....ভাষা দিবস আর মুক্তিযোদ্ধ একে অন্যের সাথে যুক্ত ,মুক্তিযুদ্ধের বীজ বপন হয়েছিল ভাষা আন্দোলনের মধ্যে দিয়ে ...তাই প্রভাত ফেরীতে ছোটো বড়ো,জাত ধর্ম ভুলে সব মানুষেরা শ্রদ্ধা জানাতে আসে শহীদ বেদীতে....
এই সময় 21শে বইমেলা হয়.....সেটিতে যাওয়ার সৌভাগ্য হয় আমার....বাস ভাড়াটা কোনো মতে বঁচিয়ে, সব টাকা শেষ হয়ে গিয়েছে বই কিনতে...

একটা কথা বলতেই হবে, সেদেশের মানুষ অতিথি পরায়ণ...অনেক অনেক ভালোবাসা পেয়েছি সবার থেকে ....
ক্ষোভের কথা হলো, বাংলাদেশ নদী মাতৃক দেশ হয়েও 3 দিনে 2জনের 900 টাকার জল কিনে খেতে হয়েছে 😭যে আমার মতো বেকার মানুষের কাছে অনেকটা😜....
***শুধু ভ্রমণ কালে যত্রতত্র নোংরা ফেলা থেকে বিরত থাকা নয়,পরিবেশ সম্পর্কে নিজে সচেতন হই এবং অপরকে সচেতন করতে হবে ....

Credit: Shopnomoy gaayn
Source: TOB

অসাধারণ স্থাপনা ফ্রেন্ডশিপ সেন্টার:ফ্রেন্ডশিপ সেন্টার গাইবান্ধা শহরের কাছেই ফুলছড়িতে অবস্থিত এক চমৎকার স্থাপনা।  মাটির ন...
13/01/2020

অসাধারণ স্থাপনা ফ্রেন্ডশিপ সেন্টার:

ফ্রেন্ডশিপ সেন্টার গাইবান্ধা শহরের কাছেই ফুলছড়িতে অবস্থিত এক চমৎকার স্থাপনা। মাটির নিচে নির্মিত এ ভবন উপর থেকে দেখতে অনেকটা প্রাচীন বৌদ্ধ বিহারের মতো। জানা যায় এর নির্মাণ শৈলীর অনুপ্রেরণাও প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার মহাস্থানগড় থেকে পাওয়া। ভবনের ছাদ ও ভূপৃষ্ঠ একই লেভেলে হওয়াতে এবং ছাদে সবুজ ঘাসের আচ্ছাদন থাকাতে দূর থেকে ভবনটি চোখে পড়েনা। স্থাপনাটি ২০১৪-১৬ সালের শ্রেষ্ঠ স্থাপনা হিসেবে ‘আগা খান অ্যাওয়ার্ড ফর আর্কিটেকচার’ পুরস্কারের জন্য বিশ্বব্যাপী চূড়ান্ত মনোনয়ন পাওয়া ১৯টি স্থাপত্যের একটি হিসেবে নির্বাচিত হয়।

কমপ্লেক্সটিতে অফিস, প্রশিক্ষণ সেন্টার, লাইব্রেরি ও আবাসনের ব্যবস্থা রয়েছে। প্রশিক্ষণ সেন্টার হওয়ায় প্রশিক্ষণার্থীদের জন্য নিরিবিলি ও শান্ত একটি পরিবেশ তৈরি এবং পর্যাপ্ত আলো আর বাতাস প্রবেশের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। ছাদে যাতে কোনো পানি জমে না থাকে সে জন্য পুরো ছাদজুড়ে চমৎকার ড্রেনেজ ব্যবস্থা।

স্থপতি কাসেফ মাহবুব চৌধুরীর তত্ত্বাবধানে
ইন্টেরিওর ও ফার্নিচার ডিজাইন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান আরবানা এটি তৈরি করে। নির্মাণে সময় লেগেছে প্রায় দুই বছর।

যেভাবে যাবেন :
ফ্রেন্ডশিপ সেন্টার গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার কঞ্চিপাড়া ইউনিয়নে রাস্তার পাশেই অবস্থিত। গাইবান্ধা শহর থেকে বালাসী ঘাটের অটোতে উঠতে পারেন। জনপ্রতি ১০ টাকা নিবে। এছাড়া রিক্সা নিয়ে আসলে ৩০ টাকা নিতে পারে।

বি.দ্র. যেহেতু একটা প্রাইভেট প্রতিষ্ঠানের অফিস তাই অনুমতি ছাড়া প্রবেশ করা কঠিন।

আরেকটি কথা ফ্রেন্ডশিপ সেন্টার অত্যন্ত পরিচ্ছন্ন এলাকা। ভুলেও নোংরা করার চেষ্টা করবেন না। দেয়ালে নিজের নাম লেখার কিম্ভুত চেষ্টা করলে কতৃপক্ষ বেধেও রাখতে পারে।

ফরিদ ফারাবী
১৯০৩১৮

“দানবীয় দামতুয়া” ঝর্না অভিযান-দামতুয়া ঝর্না যাওয়ার কথা চলছে বেশ কয়েকদিন ধরেই, কিন্তু সময় আর হয়ে উঠছে না। আমরা ৮জন এবার ক...
12/01/2020

“দানবীয় দামতুয়া” ঝর্না অভিযান-

দামতুয়া ঝর্না যাওয়ার কথা চলছে বেশ কয়েকদিন ধরেই, কিন্তু সময় আর হয়ে উঠছে না। আমরা ৮জন এবার কোমড় বেঁধে নামলাম। এবার যাবই যাব। যেমন ভাবনা, তেমন কাজ। দুই দিনের প্ল্যান করে ফেললাম। অর্ধেক বেলা অফিস করে দিলাম ছুট চট্টগ্রামের ২য় শাহ আমানত সেতুর দিকে। কেননা সেখান থেকেই আমরা কক্সবাজারের বাসে করে চকরিয়া যাব। প্রায় আড়াই ঘন্টা পর বাস আমাদের চকরিয়াতে আলীকদম যাওয়ার জীপ স্ট্যান্ডে নামিয়ে দিয়ে গেল। এবার সেখান থেকে আলীকদম যাওয়ার চাঁন্দের গাড়ী (এক ধরনের জীপ) ধরতে হবে। জানি, যেতে যেতে রাত হয়ে যাবে। তাড়াতাড়ি করে ৮ জন উঠে পড়লাম চাঁন্দের গাড়ীতে। ঘন্টা খানেক জার্নি শেষে গাড়ী আমাদের আলীকদম বাসস্ট্যান্ডে নামিয়ে দিল। সেখান থেকে টমটমে করে চলে গেলাম আলীকদম বাজারে। আমাদের গন্তব্য ছিল “হোটেল আলীকদম আবাসিক”। দামতুয়া যেতে হবে মোটরসাইকেল অথবা রিজার্ভ চাঁন্দের গাড়ী করে। আমাদের পছন্দ মোটরসাইকেল, তাই হোটেলে সামান্য ফ্রেশ হয়েই বেড়িয়ে পড়লাম পরের দিনের জন্য মোটরসাইকেল ঠিক করতে। শেষ পর্যন্ত ৮জনের জন্য ৪টা মোটরসাইকেল ঠিক করে রাতের খাবার খেয়ে তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে পড়লাম, কেননা কাল খুব ভোরে উঠতে হবে।

সকালের নাস্তা করতে না করতেই মোটরসাইকেল এসে হাজির। শুরু হল পাহাড়ী আঁকাবাকা পথ দিয়ে আমাদের পথচলা। আলীকদমের পান বাজার হয়ে আলীকদম টু থানচি যে সড়কটি হয়েছে সেই সড়কটি দিয়েই যাচ্ছি। বর্তমানে এটি বাংলাদেশের সর্বোচ্চতম সড়ক। পর্যটন স্পট ডিম পাহাড় এই রাস্তা ধরেই যেতে হয়। মাঝখানে পড়ল আর্মি ক্যাম্প, সেখানে আমাদের নাম এন্ট্রি করে নিল আর জমা রাখল সাথে আনা এন.আই.ডি কার্ডের ফটোকপি। আবার আমাদের যাত্রা শুরু। এই রাস্তায় মোটরসাইকেলের সর্বোচ্চ মজা নিলাম। প্রায় ৩০-৪০ মিনিটের যাত্রা শেষে পৌঁছে গেলাম আদুপাড়া। এখানে থেকে গাইড নিয়েই আমাদের ট্রেকিং শুরু হবে। যথারীতি গাইড সমিতি আমাদের একজন গাইড ধরিয়ে দিল। আর তাকে নিয়ে শুরু হল আমাদের ট্রেকিং। প্রথমে দুটো খাড়া পাহাড় বাইতে হল। আমাদের কষ্ট দেখে গাইড বাঁশ কেটে আমাদের হাতে ধরিয়ে দিলেন। তারপর আবার ঝিরিপথ। এভাবে কয়েকবার পাহাড় আর ঝিরিপথ পাড়ি দিয়ে পৌছলাম একটি পাড়ায়। কি বলে!! এখান থেকে নাকি আরও ঘন্টা খানেকের পথ। পাড়ার গাছ থেকে ফ্রী ফ্রী কামরাঙ্গা খেয়ে শরীর চাঙ্গা করে আবার রওয়ানা দিলাম। ঝিরিতে নামার পর দেখছি পানির জোর বাড়ছে। বুঝলাম দামতুয়া আমাদের জন্য সেজে আছে তার পূর্ণ যৌবনে। খুশিতে সবার মন টগ বগ। প্রায় ৮০ ডিগ্রী খাড়া একটি পাহাড় নেমে পৌঁছাই দামতুয়া ঝর্নার কাছে। দামতুয়া সেজে আছে তার পূর্ণ যৌবন সাজে। বিশাল সাইজের ঝর্নাটি সত্যিই দানবাকৃতির। দুই দিক থেকে দুই ঝিরির পানি পড়ে ঝর্নার সৌন্দর্যকে করেছে দ্বিগুন। আর এই রুপটি দামতুয়াকে করেছে অন্যান্য ঝর্না থেকে আলাদা। সবার মধ্যে প্রতিযোগিতা চলছে ঝর্না থেকে খুমের মধ্যে লাফ দিয়ে পড়ার। দামতুয়া ঝর্নাটি মুলতঃ সৃষ্টি হয়েছে তুক-অ ঝিরি থেকে। ওই ঝিরিটিও খুব সুন্দর। সবাই গোসলে ব্যস্ত, ভুলেই গেল এখান থেকে ফেরার পথে আমাদের আরেকটি ঝর্না দেখতে হবে, নাম তার ওয়াং-পা। এভাবে কিছুক্ষণ সময় কাটানোর পর শেষ হল আমাদের দামতুয়া অভিযান। সামনে এগুতে থাকলাম ওয়াং-পা দেখার জন্য। এই গল্প না হয় আজ তোলা থাক, আরেকদিন বলার জন্য।

যাতায়াতঃ বাংলাদেশের যে কোন প্রান্ত থেকে কক্সবাজারগামী বাসে উঠে যান। নেমে যান চকরিয়াতে। সেখান থেকে ৭০ টাকা ভাড়া দিয়ে চলে যান আলীকদম বাজারে। আলীকদম বাজার থেকে মোটরসাইকেল অথবা চাঁন্দের গাড়ী করে চলে যান আদুপাড়া গ্রামে। মোটরসাইকেল ভাড়া দুইজন ৬০০-৭০০ টাকা (আপ-ডাউন) আর চাঁন্দের গাড়ী রিজার্ভ ৩০০০-৩৫০০ টাকা (আপ-ডাউন)।

থাকার ব্যবস্থাঃ আলীকদম বাজারে তিনটি থাকার হোটেল রয়েছে। আলীকদম গেস্ট হাউজ, হোটেল দামতুয়া, হোটেল আলীকদম। আমরা হোটেল আলীকদমে ছিলাম। মান মোটামুটি। পানির ব্যবস্থা তেমন ভালো নয়। আর বিভিন্ন সাইজের রুমের জন্য ভাড়াও বিভিন্ন। তবে ভাড়া ৬০০- ২০০০ টাকার মধ্যে। অবশ্যই রুম নেওয়ার আগে ভাড়ার ব্যাপারে কথা বলে নিবেন।

খাওয়া-দাওয়াঃ আলীকদম বাজারে মোটামুটি সবকিছুই পাবেন। এছাড়া দুপুর বা রাতের খাবারের জন্য বেশ কয়েকটি খাবার হোটেল রয়েছে।

গাইড খরচঃ আদুপাড়াতে রয়েছে গাইড সমিতি। গাইড ভাড়া পড়বে ১০০০ টাকা। টীম মেম্বার কোন ব্যাপার না, কিন্তু গাইডকে ১০০০ টাকা দিতেই হবে, এটা ফিক্সড।

কিছু টিপসঃ

১) চেষ্টা করবেন আগেরদিন মোটরসাইকেল বা চান্দেঁর গাড়ী ঠিক করে রাখার, তাহলে সকালে সময় নষ্ট হবে না।

২) সাথে করে এন.আই.ডি বা জন্ম নিবন্ধনের ফটোকপি নিয়ে যাবেন, মাঝপথের আর্মি ক্যাম্পে চাইতে পারে। আর আর্মি ক্যাম্প ক্রস করার সময় হল ভোর ৭টা- বিকাল ৫টা। এর মধ্যেই আপনাকে আস-যাওয়া করতে হবে।

৩) যদি ওয়াং-পা ঝর্না দেখতে চান, তবে অবশ্যই গাইডকে আগে থেকে বলে নিবেন। না হয় পরে ঝামেলা হতে পারে।

৪) ট্রেইলে শুকনো খাবার নিয়ে যাবেন। কারন মাঝখানে কোন দোকান-পাট নেই। এছাড়া জোঁক রয়েছে, তাই সাথে লবন রাখতে পারেন।

৫) যতটুকু ‍দেখলাম ট্রেইলটি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন। মনে হয় এখনও খুব একটা টুরিষ্ট যায় না। তাই যেখানে-সেখানে ময়লা ফেলে পরিবেশটা নষ্ট করে আসেবেন না। সবশেষে ”হ্যাপী ট্রাভেলিং।” 😃😃😃

দামতুয়া ঝর্না সম্পর্কে বিস্তারিত দেখতে আমাদের ভিডিওটি দেখতে পারেন :

https://youtu.be/59hcbVsLeAU

Credit: Sanjay Ghush
Source:TOB

 #বালিয়াটি_জমিদার_বাড়িবালিয়াটি প্রাসাদ বাংলাদেশের ঢাকা বিভাগের অন্তর্গত মানিকগঞ্জ জেলার সদর থেকে আনুমানিক আট কিলোমিটার ...
12/01/2020

#বালিয়াটি_জমিদার_বাড়ি

বালিয়াটি প্রাসাদ বাংলাদেশের ঢাকা বিভাগের অন্তর্গত মানিকগঞ্জ জেলার সদর থেকে আনুমানিক আট কিলোমিটার পশ্চিমে এবং ঢাকা জেলা সদর থেকে পয়ত্রিশ কিলোমিটার দূরে সাটুরিয়া উপজেলার বালিয়াটি গ্রামে অবস্থিত। এটি বাংলাদেশের ১৯ শতকে নির্মিত অন্যতম প্রাসাদ। একে বালিয়াটি জমিদার বাড়ি বা বালিয়াটি প্রাসাদ বলেও ডাকা হয়।[১]
মোট সাতটি স্থাপনা নিয়ে এই জমিদার বাড়িটি অবস্থিত। এই বালিয়াটি জমিদার বাড়ি বা প্রাসাদটির সবগুলো ভবন একসাথে স্থাপিত হয় নি। এই প্রাসাদের অন্তর্গত বিভিন্ন ভবন জমিদার পরিবারের বিভিন্ন উত্তরাধিকার কর্তৃক বিভিন্ন সময়ে স্থাপিত হয়েছিল। বর্তমানে কেন্দ্রীয় ব্লকটি যাদুঘর। এই প্রাসাদটি বাংলাদেশ প্রত্নতাত্ত্বিক বিভাগ কর্তৃক সংরক্ষিত ও পরিচালিত।

ইতিহাস

বালিয়াটি প্রাসাদ।
“গোবিন্দ রাম সাহা” বালিয়াটি জমিদার পরিবারের গোড়াপত্তন করেন। ১৮ শতকের মাঝামাঝি সময়ে তিনি লবণের বণিক ছিলেন। জমিদার পরিবারের বিভিন্ন উত্তরাধিকারের মধ্যে “কিশোরিলাল রায় চৌধুরী, রায়বাহাদুর হরেন্দ্র কুমার রায় চৌধুরী তৎকালীন শিক্ষাখাতে উন্নয়নের জন্য বিখ্যাত ছিলেন। ঢাকার জগন্নাথ কলেজ (বর্তমানে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়) প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন কিশোরিলাল রায় চৌধুরীর পিতা এবং যার নামানুসারে উক্ত প্রতিষ্ঠানের নামকরণ করা হয়।

বালিয়াটি জমিদার বাড়ি নামে পরিচিত, এই প্রাসাদ চত্বরটি প্রায় ১৬,৫৫৪ বর্গমিটার জমির উপর ছড়িয়ে থাকা ৭টি দক্ষিণমুখী দালানের সমাবেশ। এই দালানগুলো খ্রিষ্টীয় মধ্য ঊনবিংশ শতক থেকে বিংশ শতকের প্রথমভাগের বিভিন্ন সময়ে জমিদার পরিবারের কয়েকজন সদস্যের দ্বারা নির্মিত হয়েছিল। সামনের চারটি প্রসাদ ব্যবহৃত হত ব্যবসায়িক কাজে। এই প্রসাদের পেছনের প্রাসাদকে বলা হয় অন্দর মহল যেখানে বসবাস করত তারা।

স্থাপত্য

বালিয়াটি প্রাসাদ।
বালিয়াটি প্রাসাদ বাংলাদেশের ১৯ শতকে নির্মিত রেনেসা যুগে নির্মিত স্থাপত্যকৌশলের সাহায্যে নির্মিত অন্যতম নিদর্শন। এই বিশাল প্রাসাদটি ২০ একরের চেয়ে বেশি স্থান জুড়ে অবস্থিত। আসলে এই প্রাসাদটি একই রকম দেখতে কিন্তু পাচটি স্বতন্ত্র ব্লকের সমন্বয়ে গঠিত যার সর্ব পূর্বদিকের একটি ব্লক ব্যতিত বাকি চারটি ব্লক এখনো বিদ্যমান। বর্তমানে চারটি ব্লক আছে যার মধ্যে মাঝের দুইটি ব্লক, যার একটি দ্বীতল বিশিষ্ট এবং আরেকটি টানা বারান্দা বিশিষ্ট যা তিনতল বিশিষ্ট।

এই প্রাসাদের চারটি ব্লকের পিছন অংশে চারটি আলাদা আভ্যন্তরিণ ভবন বা অন্দর্মহল আছে। উত্তরদিকে কিছুদূরে অবস্থিত পরিত্যক্ত ভবনটি হল বহির্মহল যা কাঠের কারুকার্য সম্পন্ন। এই ভবনে প্রাসাদের চাকর বাকর, গাড়ি রাখার গ্যারেজ, ঘোড়াশাল ছিল বলে ধারনা করা হয়। এই বিশাল প্রাসাদটির চারপাশ সুউচ্চ দেয়াল দ্বারা পরিবেষ্টিত। এই প্রাসাদের তিনটি প্রবেশপথ আছে। যার প্রত্যেকটিতে অর্ধবৃত্তাকার খিলান আকৃতির সিংহ খোদাই করা তৌরণ বিদ্যমান।

মানিকগঞ্জ জেলার সাটুরিয়া উপজেলায় অবস্থিত বালিয়াটি জমিদার বাড়ি উনিশ শতকে বাংলাদেশে নির্মিত প্রাসাদ সমূহের মধ্যে অন্যতম। এ জমিদার পরিবারের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন জনৈক গোবিন্দ রাম সাহা। যিনি একজন মহাজন ও ব্যবসায়ী ছিলেন। জমিদার বাড়িটিতে অনেকগুলো স্থাপনা রয়েছে যেগুলো পাচঁটি পৃথক ভাগে বিভক্ত। সর্বমোট আটটি সুবিশাল দ্বিতল ও ত্রিতল স্থাপনা রয়েছে। স্থাপনাগুলো ঘিরে রয়েছে প্রাচীর। প্রাসাদটির দক্ষিণ দিকে প্রবেশদ্বার হিসেবে চারটি সিংহদুয়ার রয়েছে এবং উত্তরে বিশাল আকৃতির পুকুর রয়েছে। দক্ষিণ দিকে অর্থাৎ সম্মুখভাগের ইমারতগুলোতে কোরিনথিয় স্তম্ভের সারি রয়েছে। এছাড়াও স্থাপনাগুলোতে দৃষ্টিনন্দন কারুকার্য লক্ষ করা যায়। জমিদার বাড়ির ভেতরে রং মহল নামে খ্যাত ভবনে বর্তমানে জাদুঘর স্থাপন করা হয়েছে।

যেভাবে যাবেন।

ঢাকা গাবতলী থেকে এসবি লিং বাস সরাসরি সাটুরিয়া ছেড়ে যায় ভাড়া ৮০ টাকা এছাড়াও সাভার জাতীয় সৃতিসোধ নবীনাগর বাস্টান থেকে বাসে করে যেতে পারবেন সাটুরিয়া বাস্টান নামার পর অটো করে জমিদার বাড়ি ভাড়া ২০ টাকা।
জমিদার বাড়ি প্রেশ মূল্য ৩০ টাকা।

#পাকুটিয়া_জমিদার_বাড়ি

ইতিহাস

ইংরেজ আমলের শেষ দিকে এবং পাকিস্তান আমলের দীর্ঘ সময় পর্যন্ত তৎকালীন বৃটিশ রাজাধানী কলকাতার সাথে মেইল স্টিমারসহ মাল এবং যাত্রীবাহী স্টিমার সার্ভিস চালু ছিল। একপর্যায়ে নাগরপুরের সাথে কলকাতার একটি বানিজ্যিক এবং সাংস্কৃতিক সম্পর্ক গড়ে উঠে। পরবর্তীতে পশ্চিম বঙ্গ কলকাতা থেকে আসেন রামকৃষ্ণ সাহা মন্ডল (ধনাঢ্য ব্যক্তি)।ঊনবিংশ শতাব্দীর শুরুতে তিনি পাকুটিয়ায় জমিদারী শুরু করেন। প্রায় ১৫ একর এলাকা জুড়ে একই নকশার পর পর তিনটি প্যালেস বা অট্টালিকা নির্মাণ করা হয় (১৯১৫)। তখন জমিদার বাড়িটি তিন মহলা বা তিন তরফ নামে পরিচিত ছিল।

তিনটি নাট মন্দির যা তিনটি বাড়ীর সামনে অবস্থিত। দ্বিতল বিশিষ্ট নাচঘরটি মাঠের মাঝখানে রয়েছে। উপেন্দ্র সরোবর নামে বিশাল একটি আট ঘাটলা পুকুর রয়েছে।

বর্তমান অবস্থা

এ সম্পদ অধিগ্রহণের পর এখানে গড়ে তোলা হয় বিসিআরজি ডিগ্রী কলেজ (১৯৬৭)

অবস্থান

টাংগাইল সদর থেকে ৩৫কিমি. দক্ষিনে নাগরপুর উপজেলার লৌহজং নদীর তীরে পাকুটিয়া জমিদার বাড়ী অবস্থিত।

যেভাবে যাবেন।

আপনি চাইলে বালিয়াটি জমিদার বাড়ি ঘুরে পাকুটিয়া জমিদার বাড়ি ঘুরে আসতে পারবেন কেননা বালিয়াটি থেকে পাকুটিয়া জমিদার বাড়ির দূরত্ব ৮ কিলোমিটার মিটার বাস অথবা সিএনজিতে করেও যেতে পারবেন ভাড়া বাস ১০ টাকা সিএনজি জনপ্রতি ২০ টাকা।

পরিশেষে পর্যটন স্পটে ময়লা ফেলা থেকে বিরত থাকুন
দেশটা আমার পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখার দায়িত্বও আমার
ধন্যবাদ হ্যাপি ট্রাভেলিং।

Credit: Rohul Amin
Source:TOB

মেঘালয় ভ্রমণ নিয়ে গ্রুপ অনেক পোস্ট ই আছে। নিজের ভ্রমণের বিস্তারিত লিখতে অনেক সময় লাগবে। তাই ঈদ এর এই সময়ে যারা যাচ্ছেন ত...
11/01/2020

মেঘালয় ভ্রমণ নিয়ে গ্রুপ অনেক পোস্ট ই আছে। নিজের ভ্রমণের বিস্তারিত লিখতে অনেক সময় লাগবে। তাই ঈদ এর এই সময়ে যারা যাচ্ছেন তাদের সাথে আমি কয়েকটা জিনিস শেয়ার করতে চাচ্ছি।
১. চেরাপুঞ্জি তে কোন কোন যায়গায় যেতে হবে কম বেশি সবাই জানি (কমন স্পট গুলি)। তবে একটা যায়গা আছে যেটা সম্পর্কে গ্রুপ এ/ কারো কাছে ওরকম নাম শুনলাম না। আমাদের ড্রাইভার আমাদের নিজে থেকে নিয়ে গেছে।
যায়গার নামঃ মঠ পালং।
থাংখারাং পার্ক এর আগে। আমরা সবাই জানি যে থাংখারাং থেকে বাংলাদেশ দেখা যায়। কিন্তু এখান থেকে আরো স্পষ্ট দেখা যায়৷
এরিয়াটার শুরু থেকেই শুধু সবুজ। টিয়া সবুজ, কউচ্চা সবুজ, গাড় সবুজ হালকা সবুজ। বলতে গেলে '50 shades of green!!!'
এক পাশে সবুজ পাহাড়ের সারি। সেই সারির কোন এক পাহাড় থেকেই ঝরে পড়ছে কিনরেম।
সামনে যতদূর চোখ যায় শুধুই বাংলাদেশ। আমরা যখন দেখেছিলাম তখন বন্যা চলছিল। উপর থেকে বাংলাদেশ কে যখন দেখি চারিদিকে শুধুই জল :(
আমরা যেদিন মঠ পালং যাই আল্লাহর রহমতে রৌদ্রজ্জ্বল ছিল। তাই চারিদিকে শুধুই সবুজ। নিচে সবুজ ঘাস। আর উপরে নীল আকাশে সাদা মেঘের ভেলা।
এই যায়গার ছোট্ট করে ইতিহাস হল, আগে যখন বাংলাদেশ ভারতের ই অংশ ছিল, তখন চেরাপুঞ্জির ওই অঞ্চলের মানুষ মঠ পালং এর এরিয়া দিয়ে বাংলাদেশে আসত। মাছ, সুপারি আরো অনেক কিছু আনা নেওয়া করত। তখন পথিক দের বিশ্রাম এর জন্য এই মঠ বানানো হয়। মঠ টা কোন রকম সিমেন্ট বাদে শুধুই পাথর বসিয়ে বানানো
আমি জানিনা এই যায়গা সম্পর্কে ওরকম কোন রিভিউ কেন নেই। কিন্তু যায়গা টা অন্য রকম সুন্দর।
আমরা যখন সেখানে যাই, google ম্যাপ এর মতে তখন পর্যন্ত সেখানে ৩৫ জন গেছে (অবশ্য ই আরো অনেক এই হয়ত গেছে). কিন্তু এর মাঝে ঘাসের ভেতর চিপ্স এর প্যাকেট, বোতল পরে থাকতে দেখেছি 😐😐😐। কারো যদি হাতে কম সময় থাকে আমি থাকে সাজেস্ট করব থাংখারাং, মসমাই কেভ বাদ দিয়ে এটাতে যেতে। আমার কাছে এই যায়গার যে ছবি আছে বেশির ভাগ ই পারসোনাল। তবু কিছু দেবার ট্রাই করছি৷
২. আমরা সবাই ই হয়ত সোনেংপেডেং এর ক্যাম্পিং এর কথা জানি। কিন্তু ঠিক ডাউকি বর্ডার ক্রস করেও একটা যায়গাতে ক্যাম্পিং করা যায়৷ আমরা ফেরত আসার সময় সোনেংসোনেংপেডেং এই থাকার ইচ্ছা ছিল তবে রাত হয়ে গেছিল দেখে ডাউকি বাজারেই নেমে যেতে হয়ম রবি বার হওয়ায় হোম স্টে নেয়াও পসিবল ছিল না। পরে দুইজন লোকাল লোক (খাসিয়া) বলল তারা তাবু ভাড়া দেয়। ক্যাম্পিং করা যাবে নদীর ধারে (আসলে ঠিক নদীর তীরে নয়) তবে সামনেই। যেহেতু এটা সম্পর্কে আগে থেকে জানতাম না তাই ভয় লাগছিল। তবে আমাদের কোন অপশন ও ছিল নাম পরে আমরা তাবু তেই থাকি। যার ভাড়া দিয়েছি। তাদের নাম টেম আর লুর। উনাদের আতিথেয়তা তে আমরা মুগ্ধ 😍। যেই ব্রিজ টা জাফলং থেকে দেখা যায় সেই ব্রিজ টা আমরা যখন ক্রস করি খেয়াল করলে দেখবেন এক যায়গায় বোটিং হচ্ছে। ক্যাম্পিং টাও আসলে ওখানে করা যায়। আমক এটাকে সোনেংপেডেং এর সাথে তুলনা দিচ্ছি না। শুধু জানিয়ে রাখছি এখানেও করা যায়। এবং সেইফ এনাফ। ফোন চার্জ দেবার জন্য উনারা আমাদের পাওয়ার bank দিয়েছিল। যতবার বাথরুম এ গেছি উনাদের একজন লাইট নিয়ে আমাদের পথ দেখিয়ে নিয়ে গেছেন। তাবু থেকে বাথরুম একটু দূরে। ২০০ কদম মত হাটতে হবে।
৩. মেঘালয় মেঘের শহর। তবে যতটুকুই সূর্য দেখা যাবে আপনাকে পুড়িয়ে দিতে এনাফ। প্লিজ ইউ সান্সক্রিন। প্লিজ ইউজ সান্সক্রিন। প্লিজ ইউজ সান্সক্রিন। আমরা তিন জনই দুই/তিন শেড ডার্ক হয়ে ফেরত আসছি। এই বার্নিং টা কক্সবাজার এর বার্নিং এর মত অথবা বেশি :(

যেখানেই যাই, যে দেশেই যাই, আমাদের ই তো পৃথিবী। please keep it clean. :)

Credit: Tasmin Afroz
Source:TOB

Address

4 Embankment Drive Road, Sector-10, Uttara
Dhaka
1230

Telephone

01676939908

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when IUBAT Travelers posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Establishment

Send a message to IUBAT Travelers:

Share