মাপকাঠি

মাপকাঠি Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from মাপকাঠি, Arts and entertainment, Dhaka.

ফেব্রুয়ারির গল্পফেব্রুয়ারি, বছরের এক বিশেষ মাস। শীতের হালকা শীতলতা যেন গাঢ় হয়ে ওঠে, আর বসন্তের কোমল আলোর সান্নিধ্যে আস...
25/02/2025

ফেব্রুয়ারির গল্প
ফেব্রুয়ারি, বছরের এক বিশেষ মাস। শীতের হালকা শীতলতা যেন গাঢ় হয়ে ওঠে, আর বসন্তের কোমল আলোর সান্নিধ্যে আসে। এই মাসে প্রকৃতির রূপে এক অদ্ভুত মেলবন্ধন ঘটে, যেখানে শীত ও গরম একসাথে ধরা দেয়। তবে, ফেব্রুয়ারির এক বিশেষ আকর্ষণ হলো বাংলা ভাষার গৌরবময় ইতিহাস, বিশেষত ২১শে ফেব্রুয়ারি, যখন শহীদ দিবস পালিত হয়।

এ মাসের প্রথম দিকে, সূর্যের আলোটা একটু একটু করে ঔজ্জ্বল্য পেতে শুরু করে, কিন্তু রাতের শীত কমে না। সন্ধ্যা নামলে বাতাসের ঠান্ডা টানে শরীর শিরশির করে ওঠে। রাস্তার মাঝে ফুলের গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে, আর গাছপালায় নতুন পাতা ফুটে ওঠে।

ফেব্রুয়ারি মাসে, বিশেষত ২১শে তারিখে, সারা দেশে নানা ধরনের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহাসিক শহীদ মিনারে প্রতি বছর লাখো মানুষ ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে রক্তস্নাত ইতিহাসের অমরত্বকে উদযাপন করা হয়। সেই দিনটি সব বাংলাদেশীর হৃদয়ে এক গভীর অনুভূতির জন্ম দেয়।

শীতের কুয়াশা সরে যাওয়ার পর, ফেব্রুয়ারি মাসে যেন এক নতুন সূর্যোদয় হয়। গ্রামের খেতে ধান আর ফসলের সোনালি রং ফুটে ওঠে। বসন্তের আগমনে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য যেন নতুন করে প্রাণ ফিরে পায়। কিছু কিছু এলাকায় বাগানে বকুল, চামেলি, বেলী ফুলের গন্ধে বাতাস পূর্ণ হয়ে ওঠে।

এ মাসের শেষের দিকে, যেন পৃথিবী এক নতুন রঙে ঢেকে যায়। আসন্ন বসন্তের আগমন ঘোষণা করা হয়। এই মাসে যে এক ধরনের অস্থিরতা থাকে, তা আবার বসন্তের শান্তির প্রতীক হয়ে ওঠে।

ফেব্রুয়ারি, যেন এক বিশেষ সময়—শীতের অবশিষ্ট স্পর্শ এবং বসন্তের স্নিগ্ধ সান্নিধ্য, আর এই মাসটি বাংলাদেশের ভাষা আন্দোলনের ইতিহাসে চিরকাল অমর হয়ে থাকবে।

মহান বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা সবাইকে। হাসি আনন্দে ভরে উঠুক আজকের এই দিনটি।
16/12/2024

মহান বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা সবাইকে। হাসি আনন্দে ভরে উঠুক আজকের এই দিনটি।

19/11/2024

অ্যাক্সিডেন্ট করে এক ব্যক্তির মাথায় আঘাত লেগেছে। তিনদিন পর জ্ঞান ফিরলে দেখা গেল তার স্মৃতিশক্তি চলে গেছে। ডাক্তার দেখেশুনে পরীক্ষা করে বললেন, আগের জীবনের কিছুই আর ইনি কখনো মনে করতে পারবেন না, শুধু...!
আত্মীয় স্বজনরা একটু যেন আশার আলো পেলেন। আগ্রহী হয়ে জানতে চাইলেন, 'শুধু কি, ডাক্তার সাহেব?
ডাক্তার সাহেব কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে বললেন, 'আগের জীবনের মাত্র একটা কথা সে মনে করতে পারবে। যেটা সে সবচাইতে বেশিবার শুনেছে, বলেছে বা ব্যবহার করেছে তার পুরো লাইফে। মনে রাখবেন, মাত্র একটা কথা। সেটা হতে পারে একটা মাত্র শব্দ, অথবা কোনো বাক্য।
রোগী তখন ঘুমাচ্ছিলো।
ফ্যামিলির সবাই একসাথে আলোচনায় বসলো।
মা বললো, 'আমার ছেলে তার জীবনে সবচেয়ে বেশিবার আমাকে মা বলে ডাক দিয়েছে। ও অবশ্যই এই মা ডাকটাই বলবে।'
বউ মুখ বাকিয়ে বললো, 'আমার সেটা মনে হয়না। আমি ওকে গত বারো বছরে লক্ষ কোটিবার ভালোবাসি বলেছি। ভালোবাসার অঙ্গীকার করেছি। ও অবশ্যই আমার থেকে শোনা এই ভালোবাসি বা আই লাভ ইউ কথাটা বলবে। আমি শিওর।'
বাবার মনে ক্ষীণ আশা। সবকিছু ভুললেও বাবার নাম কি কেউ ভুলতে পারে?
একমাত্র মেয়ে বললো, 'আমিও বাবাকে জীবনে কমবার 'আব্বু' বলে ডাকিনি। আব্বু ডাকটাও তো শুনেছে অনেকবার। এটা মনে রাখলে আমি খুব খুশি হবো।'
ডাক্তার সবার আলোচনা শুনে বললো, 'আসুন, রোগীর ঘুম ভেঙেছে। আমরা উনাকেই জিজ্ঞেস করি।' 'আপনার কি কিছু মনে পড়ছে?' ডাক্তার বললো, 'একটু ভেবে দেখুন। মাত্র একটা কথা। যেটা আপনি আপনার জীবনে সবচাইতে বেশিবার বলেছেন বা শুনেছেন। মনে পড়ে কি সেই কথাটি?'
রোগী বেশ কিছুক্ষণ পর হ্যাঁ সূচক মাথা নাড়ল।
ঘরে উপস্থিত সবার মুখ থেকে একটা আনন্দসূচক আওয়াজ বেরোলো।
ডাক্তার বললো, 'আপনি কি বলতে পারেন কি সেই কথাটি? যেটা আপনার স্মৃতিশক্তি হারানোর পরও মনে আছে। যে শব্দ বা বাক্যটা আপনি আগের জীবনে সবচেয়ে বেশিবার শুনেছেন অথবা বলেছেন। আমাদেরকে বলুন তো কি সেটা।'
রোগীর ঠোঁট নড়ে উঠলো।
সবাই উৎকণ্ঠা নিয়ে অপেক্ষা করে আছে। কার কথা বলবে, মা৷ বাবা। ভালোবাসি। নাকি অন্যকিছু!
মায়ের মুখে মাতৃত্বের অহংকার। বউ চায় তার ভালোবাসার স্বীকৃতি। বাবা অপেক্ষায় আছে নিজের সম্মানের।
প্রত্যেকেই চিন্তিত মুখে একে অন্যের দিকে চাইলো।
রোগীর মুখ দিয়ে ধীরে ধীরে বেরোলো সেই কথাটি।
সবাই প্রচন্ড অবাক হয়ে স্পষ্ট শুনতে পেলো রোগী বলছে,
"ইনবক্সে আসেন"😆😆😆
©

27/10/2024

একজন স্বামী তার স্ত্রীকে কখন পাগলের মত ভালোবাসে জানেন?
এক বৃদ্ধা মহিলার সাক্ষাৎকার। যিনি তাঁর স্বামীর সাথে সফলতার সাথে কাটিয়ে দিলেন দীর্ঘ পঞ্চাশটি বছর। তাদের জীবন শান্তিতে ভরপুর ছিল। ঝগড়া তো দুরের কথা, দাম্পত্য জীবনে কখনো কথা কাটাকাটি পর্যন্ত হয়নি।
একজন সাংবাদিক এই বৃদ্ধার কাছে তার পঞ্চাশ বছরের স্থায়ী সফলতার রহস্যের ব্যপারে জানতে চাইলেন।কী ছিল সে রহস্য? মজার মজার খাবার বানানো? দৈহিক সৌন্দর্য? বেশী সন্তান জন্ম দেয়া? নাকি অন্যকিছু?
বৃদ্ধা বললেন, দাম্পত্য জীবনের সুখ শান্তি প্রথমত আল্লাহর ইচ্ছা অতপর স্ত্রীর হাতেই। একজন স্ত্রী চাইলে তার ঘরটাকে জান্নাতের টুকরো বানাতে পারেন আবার চাইলে এটাকে জাহান্নামেও পরিনত করতে পারেন।কীভাবে? অর্থ দিয়ে? তা তো হতে পারে না। কেননা অনেক অর্থশালী মহিলা আছেন, যাদের জীবনে দুঃখ দুর্দশার শেষ নেই, যাদের স্বামী তাদের কাছেই ভিড়তে চান না।সন্তান জন্ম দান? না, তাও নয়। কারণ, অনেক মহিলা আছেন, যাদের অনেক সন্তান আছে, অথচ স্বামী পছন্দ করেননা। এমনকি এ অবস্থায় তালাক দেওয়ার নজিরও কম নয়।ভালো খাবার বানানো? এটাও না, কারণ অনেক মহিলা আছেন, যারা রান্না বান্নায় বেশ দক্ষ, সারা দিন রান্না ঘরে কাজ করে, অথচ স্বামীর দুর্ব্যবহারের সম্মুখীন হন।তার কথায় সাংবাদিক বিস্মিত হয়ে গেলেন। বললেন, তাহলে আসল রহস্যটা কী?
বৃদ্ধা বললেন, যখনই আমার স্বামী রেগে গিয়ে আমাকে বকাবকি করতেন, আমি অত্যন্ত সম্মান দেখিয়ে নিরবতা অবলম্বন করতাম এবং অনুতপ্ত হয়ে মাথা দুলিয়ে তার প্রতিটি কথায় সায় দিতাম।
সাবধান! বিদ্রুপের দৃষ্টিতে কখনো চুপ হয়ে থেকো না, কেননা পুরুষ মানুষ বিচক্ষণ হয়ে থাকে, এটা সহজেই বুঝতে পারে।সাংবাদিক: ঐ সময় আপনি ঘর থেকে বের হয়ে যান না কেন?
বৃদ্ধা: সাবধান! সেটা কখনো করবেননা। তখন তিনি মনে করবেন, আপনি তাঁর কথায় বিরক্ত হয়ে পালাতে চাচ্ছেন। আপনার উচিত, চুপ থেকে ওর প্রতিটি কথায় হা সুচক সায় দেওয়া, যতক্ষণ না তিনি শান্ত হন।
অতপর আমি তাকে বলি, আপনার শেষ হয়েছে? এবার আমি যেতে পারি? তারপর আমি চলে যাই, আর আপন কাজে লেগে যাই। কারন চিৎকার করে তিনি ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন, তার বিশ্রাম প্রয়োজন।সাংবাদিক: এরপর কি করেন? এক সপ্তাহ খানেক তার থেকে দূরে থাকেন, এবং কথা বলা বন্ধ রাখেন নিশ্চয়?
বৃদ্ধা: সাবধান! এধরনের বদভ্যাস থেকে দূরে থাকুন।
যা দুধারী তরবারির চেয়েও মারাত্মক। স্বামী যখন আপনার সাথে আপোষ করতে চান তখন যদি আপনি তার কাছে না যান, তখন তিনি একা থাকতে অভ্যস্ত হয়ে যাবেন। কখনো কখনো এ অবস্থা তাকে প্রচন্ড জিদের দিকে ঠেলে দেবে।সাংবাদিক: তাহলে কি করবেন তখন?
বৃদ্ধা: দুই ঘন্টা পর এক গ্লাস দুধ বা এক কাপ গরম চা নিয়ে তার কাছে যাই, আর বলি, নিন, এগুলো খেয়ে নিন, আপনি খুব ক্লান্ত। এসময় তার সাথে অত্যন্ত স্বাভাবিক ভাবেই কথা বলি। তারপর তিনি বলেন, রাগ করেছো? আমি বলি, না।
তারপর, তার দূর্ব্যবহারে দুঃখ প্রকাশ করেন এবং স্নেহ ও ভালোবাসার কথা বলেন।সাংবাদিক: আপনি কি তার কথা তখন বিশ্বাস করেন?
বৃদ্ধা: অবশ্যই। কেন নয়? শান্ত থাকা অবস্থায় যা বলেন তা বিশ্বাস না করে, রাগান্বিত অবস্থায় যা বলেন তা বিশ্বাস করব?সাংবাদিক: তাহলে আপনার ব্যক্তিত্ব?
বৃদ্ধা: আমার স্বামীর সন্তুষ্টিই আমার ব্যক্তিত্ব। আমাদের স্বচ্ছ সম্পর্কই আমাদের ব্যক্তিত্ব। আর স্বামী স্ত্রীর মধ্যে কোন ব্যক্তিত্ব থাকে না। যার সামনে তুমি পুরোপুরি ভাবে বস্ত্রমুক্ত হয়েছ, তার কাছে আবার কিসের ব্যক্তিত্ব?
মহান রব আমাদের দুনিয়ার জীবন ও আখেরাতের জীবনে কল্যান দান করুন। আমীন

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when মাপকাঠি posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share