Gouri's Lifestyle Vlog

Gouri's Lifestyle Vlog Welcome To My Facebook family ���

-স্টুডেন্টকে পড়াচ্ছিলাম। নাস্তা হিসেবে শুধু চা দিছে।☕-অন্য কিছু খেতে চাইলে বিস্কুট আর নুডলস আছে। চা স্টুডেন্টর মা বানিয়ে...
13/05/2024

-স্টুডেন্টকে পড়াচ্ছিলাম। নাস্তা হিসেবে শুধু চা দিছে।☕

-অন্য কিছু খেতে চাইলে বিস্কুট আর নুডলস আছে।
চা স্টুডেন্টর মা বানিয়ে দিয়ে গেছে।

-চায়ের সাথে বিস্কুট খেতে চাইলে, নিজে গিয়ে কিচেন থেকে এনে খেতে হবে। আর নুডলস খেতে চাইলে, কিচেনে গিয়ে রান্না করে আনতে হবে।

-সাথে স্টুডেন্টকে আর তার মাকেও খাওয়াতে হবে।

-যদি নিজে গিয়ে কিচেন থেকে বিস্কুট নিয়ে আসি, তাহলে সব বিস্কুট স্টুডেন্ট নিজেই খেয়ে নিবে। এতো কিছুর পর, মাস শেষে স্টুডেন্ট এর মা কোনো বেতনও দিবে না।😒

-ও হ্যাঁ! বলতে ভুলে গেছি।

-আমি স্টুডেন্টের বাবা মায়ের একমাত্র কন্যা সন্তান।
আর স্টুডেন্ট আমার আপন মায়ের পেটের ভাই। 🙂

✅✅সংগৃহীত✅✅

        ছেলে মাকে বলছে, মা একটা কথা বলি, আমার একটা অনুরোধ রাখবে?  তুই চাইলে আমি কি না করতে পারি? বল্ তোর সব কথা আমি রাখব...
11/05/2024


ছেলে মাকে বলছে, মা একটা কথা বলি, আমার একটা অনুরোধ রাখবে?
তুই চাইলে আমি কি না করতে পারি? বল্ তোর সব কথা আমি রাখবো।

তোমার বৌ'মা বলছিল তোমার বয়স হয়েছে। এখন তো তোমার শরীরের একটু বিশ্রাম প্রয়োজন। আর এই বাড়িটা তো খুব একটা ভালো না। ছোট ঘুপচি! তোমার কাশিটাও বেড়ে গেছে। আর ডায়াবেটিস তো আছেই, হার্টের সমস্যা, হাড়ের সমস্যা..... আরো কতো কি!"

হ্যাঁ রে, মনে হয় আর বেশিদিন....!
আহ্ থামো তো মা। তোমার সব সময় দেখা শোনার জন্য কাউকে রাখতে হবে।
আচ্ছা আমাকে তাহলে গ্রামের বাড়িতে...।
না না ওই যে বৃদ্ধাশ্রমের স্পেশাল ব্র্যাঞ্চে ভর্তি করালে কেমন হয়? এটাই বলছিল তোমার বৌ'মা। ওখানে অনেকে থাকবে তোমার মতোই। তাদের সাথে গল্প করতে পারবে আর এ বাড়িতে তো কেউই নেই, আমি ব্যবসায় দৌড়াচ্ছি, তোমার বৌ'মা অফিসে আর মিঠু তো সারাদিনই স্কুলে।ওখানে তুমি আরামেই থাকবে মা। এটাই আমার, মানে আমাদের অনুরোধ ছিল।
আচ্ছা তুই চাইলে তাই হবে।
থ্যাংকস মা......।
আচ্ছা কালকে বিকেলেই কিন্তু তাহলে ওখানে যাচ্ছো। তোমার ব্যাগ গুছিয়ে রাখবে।
পরের দিন, অস্বস্তিকর জ্যামে আটকে আছে মা-ছেলে। নীরবতা ভাঙলেন মা.......!
বাবা ওখানে আমাকে দেখতে যাবি তো? পারলে একটা ফোন কিনে দিস আমাকে।
--- মা তুমি ফোন দিয়ে কি করবে? ওখানে ফোন আছে তো।
কিছুক্ষন পরে একটা বাড়ির সামনে এসে গাড়ি থামালো। বেশ কিছুক্ষণ নিরব থেকে এবার ছেলে বলে উঠলো।

-নামো মা, এটাই তো ওই বৃদ্ধাশ্রম। বলেছিলাম না তোমার পছন্দ হবে। তোমার জন্য দোতালার দক্ষিণের ঘরটা বুকিং দিয়ে রেখেছি।

টিং ডং টিং ডং (দরজা খুললো)
- হ্যাপি বার্থ ডে টু ইউ ! হ্যাপি বার্থ ডে টু ইউ 'মা' ! !

দরজা খুলতেই চমকে গেলেন মা। আরে ওই তো তার একমাত্র নাতি আর বৌ'মা কেক নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। এতো বেলুন আগে কখনো দেখেননি। এতো আয়োজন করে কখনো কেউ তাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছাও জানায় নি। আরে, ওই তো তার দুই মেয়ে আর তাদের জামাই দাঁড়িয়ে।ওদেরও ডেকে এনেছে তার পাগল ছেলেটা।

হ্যাপি বার্থ ডে মা।
--- তুই অনেক বড় হয়ে গেছিস (মা কান্না ভেজা কন্ঠে)। কিন্তু, এটা কার ঘর?

--- বাড়ির ফলকে নাম দেখোনি! বাবার নামে রেখেছি। মা পুরো বাড়িটাই আমাদের। এবার তুমি আরামে থাকতে পারবে মা।

--- তুই না ! এমন কি কেউ করে? (কান্না ভেজা চোখে জোরে জোরে মাথা নাড়ছেন। আনন্দে কথা বলতে পারছেন না)

আয়োজন শেষে ঘুমাতে যাবে এমন সময় পেছন থেকে মায়ের ডাক। হাতের ব্যাগটা আতিপাতি খুঁজে একটা কৌটা বের করে ছেলের হাতে ধরিয়ে দিলেন।

--- নে এটার আর দরকার হবে না। (ইঁদুর বিষ)
চিন্তা করেছিলাম যদি বৃদ্ধাশ্রমে রেখে আসিস তাহলে সেদিনই খেয়ে নেবো।

--- ধুর মা কি যে বলো ! এটাই তো আমি কাল রাতেই পাল্টে তোমার ক্যালসিয়ামের ওষুধ ভরে রেখেছি। তুমি ঘুমাও।

মার আজ আর কিছুই চাওয়ার নেই। আর কিছু না হোক তার ছেলেকে অন্তত মানুষ করতে পেরেছে সে। যাক আজকের ঘুমটা সত্যিই আরামের হবে, ঘুমের ঔষুধ খেতে হবে না।

প্রত্যেক সন্তানই যেন মা-বাবাকে এভাবেই ভালোবাসে এবং মা-বাবার শেষ বয়সে যেন তাদেরকে বৃদ্ধাশ্রমে না পাঠায়।❤️🙂

✅✅সব বাবা মায়ের উচিত তার মেয়েকে এসব কিছু না দিয়ে এমন একটা ছোট বাড়ি করে দেয়া।------যাতে স্বামী ও তার বাড়ির লোকে বলতে না প...
10/05/2024

✅✅

সব বাবা মায়ের উচিত তার মেয়েকে এসব কিছু না দিয়ে এমন একটা ছোট বাড়ি করে দেয়া।
------
যাতে স্বামী ও তার বাড়ির লোকে বলতে না পারে আমার বাড়ি থেকে বেরিয়ে যা।
------
আমার মেয়ের বিয়েতে ভরি ভরি গয়না আর ফার্নিচার না দিয়ে অল্প পরিমান কিছু দেবো।কিন্তু আমার কাছে মেয়ে ওয়ারিস হিসেবে যেই সম্পত্তি পাবে,সেটা দিয়ে মেয়েকে ছোট করে হলেও একটা ঘর বানিয়ে দেবো।অথবা ঘর করার একটা ছোট জায়গা কিনে দেবো, যেইটাতে একমাত্র হস্তক্ষেপ থাকবে শুধুমাত্র আমার মেয়ের, তার স্বামী,সন্তান,বাবা,ভাই,
কেউ সেখানে কোনো অংশ পাবে না তার মৃত্যুর আগ পর্যন্ত।এর ফলে অন্তত কোথাও অবহেলিত হতে হবে না ওকে।
------
আমার মেয়ে যেনো অন্তত বাসাটা ভাড়া দিয়ে হলেও মান্থলি একটা ইনকাম করতে পারে।
((জানো তো,আজকাল টাকা আর জায়গা ওয়ালা মানুষের খুব দাম!!🙂))
------
আর বাবার বাড়িতে ভাইয়ের সংসারে বা স্বামীর বাড়িতে অথবা নিজের ছেলের সংসারে অশান্তিতে থাকলে অন্তত আমার মেয়ে দিনশেষে এইটা ভেবে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলতে পারে যে, আমার একটা ঘর আছে।🙂
সেই ঘর টাতে গিয়ে মাঝে মাঝে আমার মেয়ে আনন্দে চোখের জল ফেলবে।মন চাইলে বেলা গড়িয়ে ঘুম থেকে উঠবে,দেরিতে খাবে।কোনো কথা শুনানোর অধিকার কারো থাকবে না।

কথাগুলোতে অনেক প্রশ্ন উঠবে আমি জানি,কিন্তু বাস্তবতা বড্ড তিক্ত🙂যারা ভুক্তভোগী তারাই বুঝবে আমার কথা গুলোর মর্ম।

জীবনে মেয়েরা একটা সময় একটা ঘরের খুব অভাব বোধ করে।একটা ব্যক্তিগত ঘরের অভাব।💔

©️colllected✅✅

✅ছোট খাট একটা চাকরি করি। গত মাসে বড় মেয়ে কে বিয়ে দিয়েছি, ধার দেনা ক‌রে প্রায় ৬ লক্ষ টাকা খরচ করে। একটু আগে মেয়ের ফোন।বাব...
09/05/2024

✅ছোট খাট একটা চাকরি করি। গত মাসে বড় মেয়ে কে বিয়ে দিয়েছি, ধার দেনা ক‌রে প্রায় ৬ লক্ষ টাকা খরচ করে। একটু আগে মেয়ের ফোন।বাবা কেমন আছো?
---
---হ্যাঁ মা ভাল। তুই ভাল আছিস তো?
আছি বাবা ভাল।
----এইভাবে বলছিস কেন??তোর শ্বশুর রা খুশি হয়েছে তো?
ওরা কিছু বলেনি। শাশু‌ড়ি বলেছে বি‌য়ে‌তে যে আসবারপত্র গু‌লো দি‌য়ে‌ছো ওগু‌লো না‌কি নিম্নমা‌নের ।
-(তখন আমার চোখের জলটলটল করছিল) আচ্ছা মা তোর শাশু‌ড়ি কে ব‌লিস প‌রে না হয় তা‌দের পছন্দমত কি‌নে দেব ।
বাবা শোনো। তুমি আমাদের বাড়িতে পুজার কাপড় দেবে না?
-হ্যা মা দেব। কেন?
তুমি কাপড় দিওনা। ননদ(জামাইয়ের বোন) বলেছে কাপড় দিলে সবার পছন্দ হবে না।কাপড় না দিয়ে টাকা দিয়ে দিতে। ৩০,০০০ টাকা দিলে,সবার নাকি হয়ে যাবে।
-আচ্ছা মা। তুই চিন্তা করিস না। আমি এখন ও বেঁচে আছি।
(আমার বুঝতে দেরি হলনা, এতক্ষনে মেয়ের চোখের অনেক জল গড়িয়ে পড়েছে)
আচ্ছা বাবা,এখন রাখি।
-আচ্ছা মা ভাল থাকিস।
রাতে ছোট ছেলে বা‌ড়ি ফি‌রে আমা‌কে বল‌ছে।
বাবা তুমি আছো ?
-হ্যাঁ আছি। কিছু বলবি?
হ্যাঁ, অামার একটা ল্যাপটপ কিন‌তে হ‌বে। আমার টিউশনির কিছু টাকা আছে। তুমি ৫০ হাজার দিলে হয়ে যাবে ।
-আচ্ছা দেখছি । খেয়ে ঘুমিয়ে পর।
না বাবা,লেট হলে এক্সাম দিতে পারব না।
এইখানে শেষ নয়,, নি‌জের বা‌ড়ি‌তে পুজোর জামা কাপড় কিনতে অা‌রো ১৫ -২০ হাজার টাকা লাগ‌বে। আরো রয়েছে মেয়ের বাড়িতে দেওয়ার বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন আয়োজন।
এই সব চিন্তা করতে করতে না খেয়ে শুয়ে পড়েছি। অ‌নিতার মা অনেক কিছু জিজ্ঞেস করেছিল,কিছু না বলে শুয়ে পড়েছি।
মাথায় একটা বিষয় কাজ করছে। টাকা!!টাকা!! আর মেয়ের সুখ।

এইভাবে রাত ১২ টা। হঠাৎ করেই বুকের ব্যথাটা বেড়ে গেছে। ধীরে ধীরে আমি দুর্বল হয়ে যাচ্ছি। আমার হাত-পা গুলো অকেজো হয়ে আসছে। আমার সারা জীবনের অনেক স্বপ্ন অসমাপ্ত রয়ে গেছে। সেই চিন্তা গুলো এখনো আমার পিছু ছাড়ছেনা।

পরদিন সকাল বেলা। সবাই কান্না কাটি করছে। আমার ছোট মেয়ে আর আমার স্ত্রী সব চেয়ে বেশি কাঁদছে। শুনলাম বড় মেয়ে অামার অসুস্থতার খবর পে‌য়ে ইতি এরই মধ্যে এসে গেছে। সবার দিকে চেয়ে থাকলাম। অনেক কিছু বলতে চাইছি। কিন্তু কিছুই বলতে পারছিনা। ঠিক ২ মিনিট পর আর কিছু জানিনা। সব শেষ!!!

এইভাবে হারিয়ে যাচ্ছে অনেক বাবা। আর বাবার স্নেহ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে শত শত ছেলে মেয়ে। হয়ত অনেকে এখন ও জানে না,তাদের বাবার মৃত্যুর রহস্য।

এইভাবে প্রতিনিয়ত আমরা হারাচ্ছি আমাদের প্রিয় বাবাদের।।

Collected✅✅

08/05/2024

Good night all😍🍫

স্ত্রী আর মেয়ের জন্য শ্যামপ্রসাদ বাবু দুটো বোরখা কিনে আনলেন।স্ত্রী বললো " হিন্দু হয়ে আমরা বোরখা পড়বো? "শ্যামপ্রসাদ বাবু ...
06/05/2024

স্ত্রী আর মেয়ের জন্য শ্যামপ্রসাদ বাবু দুটো বোরখা কিনে আনলেন।স্ত্রী বললো " হিন্দু হয়ে আমরা বোরখা পড়বো? "
শ্যামপ্রসাদ বাবু মুখ কাচুমাচু করে বললো " উপায় নেই।বাধ্য হয়ে কিনেছি "
ওনার স্ত্রী বললেন " মানে? "
" বাজারের যা অবস্থা।এক কেজি চাল ৬৫ টাকা থেকে শুরু।লোকলজ্জায় তো হাত পাততেও পারিনা,তাই এই ব্যবস্থা "
" বোরখা এনেছো কেনো?এটা দিয়ে কি হবে? "
" টিসিবির ট্রাকগুলো আসে।কার্ড করে নিয়েছি।ওখানে গিয়ে দাঁড়াবে।ওখানে দশ টাকা কেজিতে চাল পাওয়া যায়।ডাল,তেলের দামও কম "
কথাটা বলতে বলতে শ্যামপ্রসাদ বাবুর চোখ ভিজে উঠলো।চোখের সামনে তার বাবার মুখটা ভেসে উঠলো।এলাকার মান্য গণ্য ব্যক্তি ছিলেন,সবাই চিনতেন।তার ছেলে হয়ে কি পরিণতি!লোকলজ্জায় কিছু বলতেও পারেনা,সইতেও পারেনা।সমাজে মধ্যেবিত্তরা যেন অভিশাপস্বরুপ!
চোখের সামনে শ্বশুরের মুখটাও ভেসে উঠলো।তার মেয়ের যোগ্য স্বামী হয়ে উঠতে পারেনি।ভাবতেই বু"কটা হু হু করে কেঁদে উঠলো।কাল স্ত্রী আর মেয়ে টিসিবি'র ট্রাকের পিছনে লাইনে দাঁড়াবে!
স্ত্রী অভয় দিয়ে বললো " ভেবো না।আমাদেরও সুসময় আসবে "
শ্যামপ্রসাদ বাবু চোখের জল আর আটকাতে পারলেন না।কেঁদে ফেললেন।বললেন " সেই আশাতেই বেঁচে আছে মধ্যবিত্ত শত শত শকুনের দল।মৃ"ত দেহের অভাব,সবাই ক্ষুদা পে!টে আকাশে উড়ে বেড়াচ্ছে "
゚viralシ

✅✅

Sub:শেষ পর্যন্ত পড়ার অনুরোধ রইল 🥺🥺মার্কেট থেকে যখন বাসায় ফিরছিলাম তখন খেয়াল করি একটা আবাসিক হোটেল থেকে আমার স্বামী আর আম...
04/05/2024

Sub:শেষ পর্যন্ত পড়ার অনুরোধ রইল 🥺🥺

মার্কেট থেকে যখন বাসায় ফিরছিলাম তখন খেয়াল করি একটা আবাসিক হোটেল থেকে আমার স্বামী আর আমার আপন ছোট বোন অনু বের হচ্ছে। ওদের একসাথে দেখে আমি যখন হাসিমুখে ওদের ডাকতে যাবো তখন হঠাৎ মনে হলো, ওরা এই হোটেলে কি করে?

হোটেলটা আমার পূর্ব পরিচিত। এই হোটেলের খোঁজ পিয়াস(আমার স্বামী) সর্বপ্রথম আমায় দিয়েছিলো।
ভার্সিটিতে পড়া অবস্থায় আমরা দুইজন দুইজনকে বিয়ে করে ফেলি। তারপর প্রায় সময় এই হোটেলে এসে আমরা একান্তে কিছুটা সময় কাটাতাম। কিন্তু এতো বছর পর পিয়াস সেই হোটেলে আমার ছোট বোনের সাথে...

মুহূর্তের মাঝে আমার হাসিমুখটা বদলে গেলো। আমার কাছে মনে হচ্ছিলো আমি এই মুহুর্তে রিকশা থেকে পরে যাবো। রিকশাওয়ালা কয়েকবার আমার দিকে ফিরে বললো,
"আফা কোন সমস্যা?"
কিন্তু আমি কোন উত্তর দিলাম না। আমি স্তব্ধ হয়ে শুধু বসে ছিলাম

রাত ৮টার দিকে পিয়াস বাসায় এসে কলিংবেল বাজালো। আমি দরজা খুলে হাসিমুখে পিয়াসের দিকে হাতটা বাড়িয়ে বললাম,
--দাও
পিয়াস পকেটে হাত দিয়ে অবাক চোখে আমার দিকে তাকিয়ে বললো,
-" শ্রাবণী খুব বড় ভুল হয়ে গেছে। আজ তোমার জন্য ফুল আনতে ভুলে গেছি। আসলে অফিসে কাজের এতো প্রেসার ছিলো যে দম নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছিলাম না।"

আমি হাসতে হাসতে পিয়াসকে বললাম,
-- আরে তুমি এমন করছো কেন? ভুল তো হতেই পারে। যাও তুমি ফ্রেস হয়ে আসো আমি টেবিলে খাবার দিচ্ছি

চুলায় তরকারি গরম দিয়ে আমি ভাবতে লাগলাম পিয়াসের কথা। এতোবছর সংসার জীবনে আজকে প্রথম এমন হলো পিয়াসের সাথে আমার দেখা হয়েছে অথচ ও আমায় কোন ফুল দেয় নি।
একবার অফিসে কি যেন একটা সমস্যা হয়েছিলো। ওর বাসায় আসতে আসতে রাত ১টা বেজে গিয়েছিলো। এতো রাতে ফুলের কোন দোকান খোলা ছিলো না। পিয়াস তখন বাসার কলিংবেল না চেপে সোজা ছাদে চলে গিয়েছিলো। ছাদ থেকে লাউ ফুল এনে আমার হাতে দিয়ে বলেছিলো,
"শ্রাবণী, আমি আজোও তোমায় প্রথম দিনের মতো ভালোবাসি"
আজ সকালেও যে মানুষটাকে আমার খুব কাছের মনে হতো সেই মানুষকে এখন আমার খুব অচেনা মনে হচ্ছে

হঠাৎ খেয়াল করি পিয়াস ভেজা শরীরে দৌড়ে রান্নাঘরে এসেছে। আমি পিয়াসের দিকে তাকিয়ে বললাম,
-- কি হয়েছে?
পিয়াস বিস্ময়ের চোখে আমার দিকে তাকিয়ে বললো,
-" কি হয়েছে তুমি বুঝতে পারছো না?আমি ওয়াশরুম থেকে পোড়া পোড়া গন্ধ পেয়ে ছুটে আসলাম আর তুমি রান্নাঘরে থেকেও বুঝতে পারলে না?"

পিয়াসের কথা শুনে আমি চুলার দিকে তাকিয়ে দেখি তরকারি পুড়ে কয়লা হয়ে গেছে অথচ সেদিকে আমার কোন খেয়াল ছিলো না। আমি পিয়াসকে তখন বললাম,
-- তুমি গোসলে যাও। আমি অন্য তরকারি গরম দিচ্ছি

আমার পাশে পিয়াস বিভোর হয়ে ঘুমাচ্ছে। অথচ আমি ঘুমাতে পারছি না। শুধু আমার চোখ দিয়ে অনবরত চোখের জল গড়িয়ে পরছিলো। হঠাৎ পাশে থাকা পিয়াসের ফোনটা বেজে উঠলো। ফোনের স্কিনের দিকে তাকিয়ে দেখি আমার ছোট বোন অনুর নাম্বারটা জ্বলজ্বল করে ভাসছে। আমি তখন চোখটা বন্ধ করে শুয়ে রইলাম। পিয়াস ঘুম থেকে উঠে ফোন হাতে নিয়ে চুপিসারে অন্য রুমে চলে গেলো আর আমার তখন চোখের জলে বালিশ ভিজে যাচ্ছিলো....

পরের দিন বিকালে আমার ছোটবেলার বান্ধবী মালিহা আমায় ফোন দিলো। ইচ্ছে না থাকা শর্তেও আমি ফোনটা রিসিভ করে হ্যালো বললেই অপর পাশ থেকে মালিহা হাসতে হাসতে বললো,
-" বান্ধবী, আজ একটা মজার ঘটনা ঘটেছে রে। রেস্টুরেন্টে গিয়েছিলাম খেতে। হঠাৎ খেয়াল করি তোর স্বামী একটা মেয়েকে নিয়ে রেস্টুরেন্টে বসে আছে। পিছন থেকে মেয়েটার খোলা চুল দেখে মনে করেছিলাম মেয়েটা তুই। আমি দুষ্টামি করে চুল ধরে টান দিলাম। পরে তো দেখি এটা তুই না, তোর ছোট বোন ছিলো। বোকার মতো কাজটা করে কি যে লজ্জা পেয়েছিলাম। তাই না খেয়েই রেস্টুরেন্টে থেকে বের হয়ে গিয়েছিলাম"

আমি তখন নিজেকে সামলে মালিহাকে বললাম,
-- আসলে অনুর বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের চান্স হয়েছে তো সেজন্য অনু ওর দুলাভাইয়ের কাছে ট্রিট চেয়েছিলো। আমার শরীরটা একটু খারাপ লাগছিলো তাই আমি যায় নি ওদের সাথে

মালিহা তখন বললো,
- "ভার্সিটেতে চান্স হয়েছে সেটা তো ভালো কথা তাহলে.."
আমি কাঁপা কাঁপা গলায় মালিহাকে বললাম,
--তাহলে কি?
মালিহা বললো,
-"আসলে অনুকে দেখছিলাম খুব কাঁদছিলো। আর তোর স্বামী ওরে কি যেন সমানে বুঝাচ্ছিলো"
আমি হাসতে হাসতে তখন বললাম,
-- আরে পিয়াস নিশ্চয় অনুকে দুষ্টামি করে বলেছিলো ওকে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি করাবে না। ওরে ঢাকায় ইডেন কলেজে ভর্তি করাবে। এজন্যই হয়তো অনু রাগে কেঁদে দিয়েছিলো

মালিহাকে সাত-পাঁচ বুঝিয়ে আমি ফোনটা রেখে দিলাম। এই মুহুর্তে আমি ঠিক কি করবো বুঝতে পারছিলাম না। আমি না পারছিলাম এই বিষয়ে কাউকে কিছু বলতে আর না পারছিলাম এইগুলো সহ্য করতে....
---
-------

অনেকদিন নিজের সাথে নিজে যুদ্ধ করে যখন একটা সিদ্ধান্ত নিলাম ঠিক সেই সময় আমি বুঝতে পারলাম আমি প্রেগন্যান্ট। তারপরও আমি শিওর হওয়ার জন্য ডাক্তারের কাছে গেলাম। ডাক্তারের চেম্বারের সামনে যখন অপেক্ষা করছিলাম হঠাৎ খেয়াল করি ডাক্তারের চেম্বার থেকে পিয়াস আর অনু বের হচ্ছে। ওরা আমার দিকে খেয়াল করে নি। পিয়াস অনুকে সমানে কি যেন বুঝাচ্ছিলো আর অনু মাথা নিচু করে চোখের জল ফেলছিলো। ওরা চলে গেলে আমি ডাক্তারের চেম্বারে ঢুকে ডাক্তারকে বললাম,
-- ম্যাডাম, কিছুক্ষণ আগে একটা ছেলে আর একটা মেয়ে এসেছিলো। ওরা কি জন্য এসেছিলো?

ডাক্তার তখন বললো,
-" মেয়েটার পিরিয়ড হচ্ছিলো না। ওরা ভেবেছিলো প্রেগন্যান্ট কিনা। তাই এসেছিলো"

কথাটা শুনার পর আমার সারাটা শরীর কাঁপতে লাগলো। আমি অনেক কষ্টে নিজেকে সামলে ডাক্তারকে বললাম,
-- মেয়েটা কি প্রেগন্যান্ট?
ডাক্তার হেসে বললো,
-" আরে না"...

আমি আর কিছু না বলে চেম্বার থেকে বের হয়ে আসলাম। বাসায় এসে দেখি পিয়াস বাসাতে। আমার দিকে পিয়াস রাগী চোখে তাকিয়ে বললো,
-"তোমার সমস্যা কি? এতোবার তোমায় কল দিয়েছি ফোন রিসিভ করছিলে না কেন? চিন্তায় তো আমার অবস্থা খারাপ হয়ে যাচ্ছিলো "

আমি হেসে পিয়াসের দিকে তাকিয়ে বললাম,
-- বা বা, আমার জন্য তোমার চিন্তাও হয়?
-" মানে!"
-- মানেটা কিছু না। শুধু এটা শুনে রাখো আমার ইচ্ছে করছে তোমার মুখে থুথু ফেলতে কিন্তু ফেললাম না
-" তোমার কি মাথা ঠিক আছে? কি যা তা বলছো?"

আমি চিৎকার করে তখন বললাম,
-- আমার মাথা ঠিক আছে। কিন্তু তোর মাথা ঠিক নেই। তোর মাথা ঠিক থাকলে আমার ছোট বোনটার সাথে এমন করতি না। আমাকে তোর ভালো লাগে না মানলাম। দুনিয়াতে কি মেয়ের অভাব ছিলো? তুই অন্য মেয়ের কাছে যেতি। আমি নিজ থেকে তোর জীবন থেকে সরে যেতাম। কিন্তু তুই তা না করে আমার আপন ছোট বোনটার কাছে গেলি। আরে আমার এই বোনটা তোকে ভাই বলে ডাকতো আর তুই থাকে নিজের লালসার শিকার বানালি

আমার কথা শুনে পিয়াস মাথা নিচু করে চুপচাপ দাঁড়িয়ে রইলো। আমি আর কিছু না বলে বাসা থেকে বের হয়ে গেলাম.....
---
------

রাত ১১টা বেজে ৪০ মিনিট। অনু আমার রুমে এসে আমায় বললো,
-" আপু তুই কি ঘুমিয়ে পড়েছিস?"
আমি চোখের নিচে জমে থাকা পানি মুছতে মুছতে বললাম,
--তুই আমার সামনে থেকে যা। তোর এই মুখটা আমি দেখতে চাই না

অনু কিছু না বলে চুপচাপ আমার পায়ের কাছে এসে বসলো। আমি রাগে অনুকে বললাম,
--তুই আমার সামনে থেকে যা বলছি। তা নাহলে লাথি মেরে খাট থেকে ফেলে দিবো

অনু তখন আমার পা জড়িয়ে ধরে কাঁদতে কাঁদতে বললো,
- আপু আমার ভুল হয়ে গেছে। তুই আমায় মাফ করে দে। তুই মাফ না করলে আমি মরে যাবো "

আমি তখন অনুর গালে থাপ্পড় মেরে বললাম,
-- তুই কেন মরবি? মরবে তো ও যে তোর সাথে এমন করেছে। পিয়াসকে আমি কখনোই ছাড়বো না

অনু আমার পা ছেড়ে চোখের জলটা মুছতে মুছতে বললো,
-" পিয়াস ভাই কি করলো?"
-- কি করলো মানে! তোর সাথে এতোবড় অন্যায় করেছে।আর আমায় ঠকিয়েছে
-" আরে পিয়াস ভাই কখন আমার সাথে অন্যায় করলো? বরং পিয়াস ভাই আমার সাথে না থাকলে আমি এতোদিনে মরে যেতাম। হোটেলে যখন শিহাবের সাথে ধরা খেয়েছিলাম তখন পিয়াস ভাই আমাকে হোটেল থেকে ছাড়িয়ে নিয়ে গিয়েছিলো । ভুলবশত শিহাবের সাথে আমার শারীরিক সম্পর্ক হয়ে যায়। এজন্য বারবার আমার মনে ভয় হচ্ছিলো আমি প্রেগন্যান্ট হয়ে যায় কিনা। আমার মনের ভয় দূর করার জন্য পিয়াসভাই আমাকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে গিয়েছিলো। কয়েকদিন আগে আমাকে সাথে নিয়ে রেস্টুরেন্টে বসে পিয়াসভাই শিহাবের বাবা, মা'র সাথে সব কথা বলেছিলো। উনারা বলেছে উনারা বিয়ের প্রস্তাব পাঠাবে "
আমি অনুর গালে আরেকটা থাপ্পড় মেরে বললাম,
-- এইকথা এতোদিন আমায় বলিস নি কেন?
অনু গালে হাত রেখে বললো,
-" আসলে আপু আমি ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম। তাই পিয়াস ভাইকে সবার আগে বলেছিলাম। পিয়াসভাই তখন আমায় বলেছিলো কাউকে কিছু না বলতে। উনি সব ব্যবস্থা করে আস্তে আস্তে সবাইকে জানাবে। আজ তোকে রেগেমেগে বাসায় আসতে দেখে ভাবলাম পিয়াস ভাই তোকে বিষয়টা জানিয়েছে। তাইতো তোর কাছে মাফ চাইতে আসলাম "

আমি অনুকে বললাম,
-- তুই এখন আমার সামনে থেকে যা। তুই হলি একটা গাধী আর তোর পিয়াস ভাই হলো একটা রামছাগল। আর এই মুহুর্তে তোর শাস্তি হলো তুই এখন তোর পিয়াস ভাইয়ের জন্য খিচুড়ি রান্না করবি।
-"মানে!এত রাতে রান্না করবো?"
--তোকে যা বলছি তা কর গিয়ে

অনু চলে গেলে আমি পিয়াসকে ফোন দিলাম। পিয়াস ফোনটা রিসিভ করে হ্যালো বলতেই আমি ওকে বললাম,
-- তুই এখনি আমার বাসায় আসবি
পিয়াস শান্তভাবে বললো,
-"কেন, আমার মুখে থুথু দিতে?"

এই কথা শুনে আমি কাঁদতে কাঁদতে বললাম,
--তোর মুখে থুতু দিতে না, তোর কপালে চুমু দিতে ডাকছি। আর শুন আসার সময় আমার জন্য আচার নিয়ে আসবি। আমার আচার খেতে ইচ্ছে করছে
পিয়াস অবাক হয়ে বললো,
-"এত রাতে আচার খেতে কেন ইচ্ছে করছে?"

আমি তখন রাগে চিৎকার করে বললাম,
-- তুই এতো বোকা কেন? শাবানা আলমগীরের কাছে কেন আচার খেতে চাইতো সেটা কি তুই বুঝতি না?
-" তারমানে আমি.....

আমি ফোনটা সাথে সাথে কেটে দিলাম। আর বেলকনিতে দাঁড়িয়ে থেকে অপেক্ষা করতে লাগলাম পিয়াসের জন্য------

সমাপ্ত


মাংস রান্না হয়েছে দেখে আনন্দে উৎফুল্ল হয়ে বললাম " মা,মুরগীর পা টা আমারে দিবা?"।মা বললো " এটা তোর ভাই খাবে।তুই এমনি মাংস ...
03/05/2024

মাংস রান্না হয়েছে দেখে আনন্দে উৎফুল্ল হয়ে বললাম " মা,মুরগীর পা টা আমারে দিবা?"।মা বললো " এটা তোর ভাই খাবে।তুই এমনি মাংস খা "
বাবা বললো " পা তো দুইটা আছে।মেয়েটা খেতে চাচ্ছে দেও।দুই পা দুইজনরে দেও "
মা বললো " প্রণয় দুই বেলাই মুরগীর পা ছাড়া ভাত খাবে না।ছেলেটা পা পছন্দ করে খুব "
বললাম " আচ্ছা তাহলে প্রণয়কেই দিও,আমার লাগবে না।এমনি মাংসই দাও "
প্রণয় আর আমি সমবয়সী।দুজনে একই ক্লাসে পড়ি।জন্মের পর থেকে দেখে এসছি মা এভাবে পক্ষপাতিত্ব করেছে।আমি ভাইকে কখনো হিংসে করিনা।তবুও মনের অজান্তেই ভালোলাগা মুখ থেকে বেড়িয়ে যায়।যখন বুঝতে পারি এটা ভাইয়ের জন্য বরাদ্দ তখন আর জেদ করিনা।বাবা এ নিয়ে একটু প্রতিবাদ করতো।বাবা চাইতো দুজনেই যেন সমান ভাবে সবকিছু পাই।
সময় যেতে লাগলো।দুজনেই একসাথে এসএসসি পরিক্ষা দিলাম।প্রণয় পেলে ফোর পয়েন্ট,আমি পেলাম গোল্ডেন জিপিএ ফাইভ।
আমাদের মধ্যেবিত্ত পরিবার।বাবার ইনকাম সামান্য।আমার রেজাল্ট ভালো হওয়া সত্বেও বাবা ভর্তি করালেন গ্রামের নিম্ন পর্যায়ের একটা কলেজে।আর প্রণয়কে ভর্তি করালেন শহরের দামী কলেজে।
যে বাবা সবসময় চাইতেন দু'জনে সমান অধিকারে বড় হই সেই বাবাই আজ পক্ষপাতিত্ব করলো।বুঝলাম আমি মেয়ে,ও ছেলে।ছেলেদের অধিকার বেশি।

Love the nature 🥰🥰
02/05/2024

Love the nature 🥰🥰

01/05/2024

Good Morning all🥵🥰

Sub:love💖একসময় পেঁয়াজ কাটার ভয়ে কখনো নিজ হাতে ডিম ভেজে খেতাম না। হাত কালো হয়ে যাবে বলে কখনো আলু কাটতাম না। সবজি কাটার ভয়...
26/04/2024

Sub:love💖

একসময় পেঁয়াজ কাটার ভয়ে কখনো নিজ হাতে ডিম ভেজে খেতাম না। হাত কালো হয়ে যাবে বলে কখনো আলু কাটতাম না। সবজি কাটার ভয়ে মা যখন রান্না ঘরে ঢুকতো তখন তার আশে পাশেও থাকতাম না। রান্না ঘরে ঢুকতাম না,যদি হাত পুড়ে যায় আর পোড়া দাগ টা যদি থেকে যায়! কি বিশ্রী ব্যপার হবে....!!😊❤️

__🪷খাবার শেষে প্লেট টা টেবিলে রেখেই উঠে যেতাম। তবুও মায়ের কোন অভিযোগ থাকত না-আমার মা টা খুব দুঃখী। সারাজীবন কষ্টই করে গেছে, একা একা সব কাজ করে। কখনো বলেনি আমার মেয়ে কোন কাজ করে না। বরং বলে,আমার মেয়েটার কাজ করার প্রয়োজন নেই,মেয়েটা সারাদিন খুব খাটুনির
উপরে থাকে!💚

আজ যখন পেঁয়াজ কাটি, সবজি কাটি, আলু কাটি ,রান্নাও করি; তেল ছিটে আসলে উহ্ শব্দও করি না; তখন মায়ের মুখ টা চোখে ভাসে আর দু চোখ গড়িয়ে মায়ের জন্য জল পড়ে। তখন খুব ইচ্ছা হয় আবার যদি মায়ের কাছে চলে যেতে পারতাম, তাকে কোন কাজ
করতেই দিতাম না----☺️🤍

আজ মায়ের কষ্ট উপলব্ধি করতে পারি। সেও হয়তো তার মায়ের ঘরে আমার মতো
আদরের মেয়েই ছিলো....🙂❤️

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Gouri's Lifestyle Vlog posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Establishment

Send a message to Gouri's Lifestyle Vlog:

Share

Category