Arik's world

Arik's world A dreamer, an optimist, a visionary thinker. I don't like captive life, freedom is my tranquility.

18/10/2025

শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড।
বাসার বারান্দা থেকে অগ্নিকাণ্ডের ধোঁয়ার কুন্ডলী দেখে স্পষ্ট আগুনের তীব্রতা কতোটা ভয়ানক। ইতিমধ্যেই ফায়ার সার্ভিসের ১৭ টি ইউনিট আগুন নেভানোর কাজ করছে। দেশটা শেষ হয়ে গেলো। 😰

26/06/2025

With great sadness, I would like to inform everyone that all of my accounts have been disabled. I'm uncertain of the reason and when my account will be restored and I will be able to contact everyone again, I really don't know.

But, my heart will always be with all of my beloved individuals. Please keep me in your thoughts and prayers. 🙂🙏

23/06/2025

A critique of 'Taandob' in Sydney, Australia.
Shakib Khan is now in his decade. He has grown into a gigantic figure that the audience was anticipating. His global value in the international markets has made him a global superstar.

Keep going Shakib Khan ❤️
And Hats off Raihan Rafi Siam Ahmed Sabila Nur Afran Nisho

Finally - 😳💥💥💥What a tremendous collaboration ❤️💥💥Now, the Bengali film industry is on the right track. No one can stop ...
08/06/2025

Finally - 😳💥💥💥
What a tremendous collaboration ❤️💥💥
Now, the Bengali film industry is on the right track.
No one can stop this storm.

~ একজন সাদা মনের মানুষের মুখোমুখি~কখনও কখনও সময় ও পরিস্থিতি আমাদের জীবনে  এমন কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত মুহূর্তের সাক্ষাৎ ঘটায়, ...
07/06/2025

~ একজন সাদা মনের মানুষের মুখোমুখি~


কখনও কখনও সময় ও পরিস্থিতি আমাদের জীবনে এমন কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত মুহূর্তের সাক্ষাৎ ঘটায়, যেখানে ভালো-মন্দের দ্বন্দ্বের মাঝে শুধুই মুগ্ধতার প্রকাশ ঘটে!

আমি নিতান্তপক্ষে ক্ষুদ্র একজন মানুষ, কিন্তু যে অনিশ্চিত জীবনকে বয়ে চলছি, আচমকা সেখানে দমকা হাওয়ার মতোই এমন কিছু ভালো মানুষ এসে জুড়ে যায়, যেখানে নিজেকে পরম সৌভাগ্যবান বলে মনে হয়! কারণ, এক জীবনে এতোটাও ভালো কাজ করতে পারিনি যতোটা করার কথা ছিলো, তবুও এতো এতো সুন্দর মুহূর্ত প্রাপ্তি কোথাও গিয়ে নিজের প্রতি স্রষ্টার আশীর্বাদের প্রকাশ মনে হয়!

মূল ঘটনায় প্রবেশ করছি:
আজ পবিত্র ঈদুল আজহা! স্রষ্টাকে সন্তুষ্ট করতে মনের পশুত্বকে কোরবানি করার দিন! যদিও আক্ষরিক অর্থে পশু জবাই প্রতীকী মাত্র! কিন্তু, মনের পশুকে কোরবানি করে প্রতীকী পশুর গোশত পাড়াপ্রতিবেশি, আত্নীয়-স্বজন, অসহায় মানুষের মাঝে ভাগ করে নেয়ার এ মহিমার দিন অন্য এক আত্মিক প্রশান্তি নিয়ে আসে!
স্বভাবতই, কোরবানির নিয়ম-নীতি শেষে বোনের শ্বশুর বাড়িতে রওয়ানা হয় তাদের হক নিয়ে! সময়টা তখন মধ্য দুপুর! তপ্ত রোদ, আর ক্লান্ত তনুমন নিয়ে যখন ঘর থেকে বের হতে যাবো, তখন পোশাক পরিবর্তন করে আবহাওয়ার সাথে মানানসই কিছু পরিধান করি! কিন্তু, বিপত্তি তৈরি হয়, যখন খেয়াল হয় ব্যাগি প্যান্টের পকেট ভীষণ ছোট! তবুও অনেকটা তাড়াহুড়ো আর আত্নবিশ্বাসী হয়েই মানিব্যাগ আর স্মার্টফোন নিয়ে বের হয়ে যায়!

যখন বাস স্ট্যান্ডে পৌঁছালাম, তখন CNG তে উঠি! সামনে ড্রাইভারের সাথে বসেছিলাম! আচমকা খেয়াল হলো ড্রাইভারের অপর পাশে আমার পরিচিত কাছের এক নানাভাই বসা! CNG চলছে, আর আমাদের গল্পের আসরও জমজমাট! যখন বোনের শ্বশুর বাড়ির সামনে পৌঁছে গেলাম, ভাবলাম নানাভাইয়ের সাথে আবার কখন এমন মুহূর্ত আসে না আসে, সেইজন্য মুহূর্তটাকে স্মৃতিতে ধরে রাখতে চাইলাম! ভাড়াটা আমিই দিতে এগিয়ে আসি! কিন্তু, যখন পকেটে হাত দিলাম, আমি সপ্ত আকাশ ভেদ করে মাটিতে আছড়ে পড়লাম! মানিব্যাগ রীতিমতো হাওয়া!

ড্রাইভারকে বলতেই ওনিও অবাক! তিনি বললেন, আমি তো দেখলাম যখন আপনি গাড়িতে উঠলেন, পকেটে মানিব্যাগটা রাখলেন! এখন, ঐ মুহূর্তে কি করার বুঝতে পারছিলাম না! যদিও নানাভাই নামার সময়ই বলেছিলেন, আমি ভাড়া দিবো, তুই চলে যা!

যাইহোক,
দু:খভারাক্রান্ত মন নিয়ে বোনের বাসায় পৌঁছেই হঠাৎ খেয়াল হলো, শুধু মানিব্যাগ হারায়নি, সাথে আমার স্মার্টফোনও তো নেই!
মাথায় রীতিমতো বাজ পড়লো! সেটা স্মার্টফোন হারিয়ে তারজন্য নয়, ওখানে থাকা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, সিমকার্ড এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের এক্সেস- সবকিছুর চিন্তা করে!
বোনকে মুহূর্তেই সবকিছু খুলে বললাম! তাকে কল দিতে বললাম ফোনে! সে অনবরত কল দিতে থাকে! ফোনে রিং হচ্ছে, অথচ কোন সংকেত নেই!
ভাবলাম, হয়তো এখনও সেটা কারো নজরে আসেনি!
প্রায় বিশ-পঁচিশ মিনিট কল দিয়ে যখন কোনপ্রকার সাঁড়া পেলাম না, তখন একপ্রকার ভেবেই নিই, এটা আর পাচ্ছি না! কারণ, এই সময়ে দেশে ভালো মানুষের বড্ড অভাব! কে বা কার হাতে পড়বে, সেটা কি আদৌও ফেরত পাবো?

বোনের কাছ থেকে টাকা নিয়ে ঘরে ফেরার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হলাম! আসার পথে বলে এলাম, তুমি ফোনে কল দিতে থাকো! যদি ভালো মানুষের হাতে পড়ে, রিসিভ করে হয়তো ফেরত দিতে পারে!

যখন আমি বাস স্ট্যান্ডে ফিরতি গাড়ির অপেক্ষা করছিলাম, অদ্ভুতভাবে সেই CNG হাজির! ড্রাইভার আমাকে দেখেই জিজ্ঞেস করলেন, কি ব্যাপার ভাই- মানিব্যাগের খোঁজ তাহলে পাননি?
আমি বললাম- ভাই, শুধু মানিব্যাগ নয়, হারিয়েছে ফোনও! তিনি দু:খ প্রকাশ করে বললেন, তাহলে পাবার আশা ছেড়ে দেন! এই ফোন আর আপনি পাচ্ছেন না, এটাই ১০০% গ্যারান্টি!

তিনি বললেন- এখন কি করবেন? বাড়ির দিকে যাবেন? তাহলে উঠুন গাড়িতে!

আমিও দুশ্চিন্তা ভুলে আশাহত হয়েই উঠে গেলাম! ড্রাইভার পুরো রাস্তা অনেকটাই ধীরে এগিয়েছেন! আমার দৃষ্টিসীমার কোথাও খুঁজে পেলাম না হারানো মানিব্যাগ আর স্মার্টফোন!
নেমে গেলাম নির্ধারিত গন্তব্যে!
যখন বাড়ির দিকে যাত্রা, তখন বাস স্টেশনে আম্মুকে অটোরিকশা থেকে নামতে দেখে হতবাক!
তিনি আমাকে দেখামাত্রই বললেন, তোমার ফোন পেয়েছি!

আমি রীতিমতো অবাক!
_ কিভাবে পেয়েছো?
_ এক ভদ্রলোক পেয়েছেন, তিনি ঠিকানা দিলেন, সেখানে তিনি অপেক্ষা করছেন! যেতে বললেন!

কিঞ্চিৎ হাসলাম! কারণ, কোথাও গিয়ে বিশ্বাস ছিলো ফোনটা ফিরে পাবো! কারণ, আজ পর্যন্ত যে সকল গুরুত্বপূর্ণ জিনিস আমি হারিয়েছি, তা ফিরে এসেছে তার আপন সৌন্দর্য নিয়ে!
তবুও কোথাও গিয়ে তো ভয় ছিলোই, কারণটা সময়ের পালাবদলের! সবসময় যে এক রকম অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হব, তার তো কোন নিশ্চয়তা নেই!

তবে, স্রষ্টা তো আমার প্রতি বরবর মহান! তার আশীর্বাদের স্পর্শ থেকে দূরে রাখেননি! চোখ ছলছল - মনে স্রষ্টার প্রতি একরাশ কৃতজ্ঞতার প্রকাশ! স্বতঃস্ফূর্ত মন নিয়ে আম্মুর সাথে আবারও ছুটে চলা! তবে, শুধুমাত্র ফোন প্রাপ্তিতে নয়, একজন ভালো মানুষের সন্ধানেও!

নির্ধারিত স্থানে পৌঁছে গেলাম মিনিট পঁচিশে! পৌঁছেই ফোনে কল!
ওপাশ থেকে তখন সেই ভালো মানুষের কন্ঠ ভেসে এলো!

_ আপনি মসজিদের প্রধান ফটকে চলে আসুন!

আমরা দুজন সেখানে পৌঁছে গেলাম! এখন শুধুই অপেক্ষা! এ যেনো থ্রিলার সিনেমার চেয়েও কম অভিজ্ঞতা নয়! ভাবছিলাম, কেমন হবে মানুষটা?
কল্পনায় ভেসে আসছিলো তার অবয়ব!
যখন ভাবনার জগতে নানা প্রতিকৃতির লড়াই চলছে, তখনই সত্যিকারের আলোর দেখা! ভালো মানুষ চলে এসেছে আমাদের খুব কাছাকাছি! মনে হলো, তিনি যেনো মনের ঠিক সমান দুরুত্বে এসে দাঁড়ালেন!

মুহূর্তেই তার চোখেমুখে সততার আলো ছড়িয়ে গেলো! তিনি ভীষণ উচ্ছ্বসিত প্রকৃত মালিকের হাতে তার আমানত ফিরিয়ে দিতে পেরে!
আমি জড়িয়ে ধরলাম তাকে! এমন সাদা মনের মানুষের আশীর্বাদ নেবার লোভ সামলাতে পারছিলাম না!

তিনি অকপটে বললেন-
যখন ফোনটা রাস্তার পাশে পড়ে থাকতে দেখলাম, আমি সামনে গিয়ে নিতে যাবো, এমন সময় একে একে বিভিন্ন লোক, যাত্রাপথে থাকা CNG ড্রাইভারও এগিয়ে আসে! তারা নিতে চায় সেই ফোন! কিন্তু, আমি স্পষ্ট বলে দিয়েছি, এই ফোন আমি পেয়েছি, সেটা কাউকেই দেয়া যাবে না! যার ফোন, সে যতোক্ষণ কল না করছে, ততোক্ষণ সেটা কারো হাতে দিতে পারবো না!
তিনি তারমতো চলে গেলেন আলাদাভাবে! আর, অপেক্ষা করতে লাগলেন কাঙ্ক্ষিত কলটির জন্য!

যখন আমি বোনের বাসায় বসে কল দিচ্ছিলাম, তখন ফোনটি এই ভদ্রলোকের হাতেই ছিলো! কিন্তু, তিনি স্মার্টফোন সম্পর্কে অজ্ঞ না হওয়ায় কিভাবে ফোনকল রিসিভ করতে হয় জানেন না! পরে অবশ্য তিনি অন্য কাউকে জিজ্ঞেস করে শিখে নিলেন! আর, তখনই বোনের কলটি তিনি রিসিভ করে তার অবস্থান জানিয়ে দেন! আর, সেই সূত্র ধরেই আমাদের সেই স্থানে পৌঁছে যাওয়া!

ফোনটি আমার হাতে দিয়ে মানুষটির চোখেমুখে হাসি, আর মনের আত্মতুষ্টির প্রকাশ আমাকেও আপ্লুত করছিলো বারবার! আবারও জড়িয়ে ধরলাম, ছবি তুললাম একসাথে! ফোন নাম্বার বিনিময় হলো, দাওয়াত দেয়া হলো বাসায়! তিনি বারবার আমাকে বলছিলেন, আমি তোমার জন্য অনেক দোয়া করছি, তুমি অনেক বড় হও!

তাকে সাধ্যমতো খুশি করতে চাইলে, তার হাজারো বারণে মুগ্ধ হওয়া! অত:পর, অনুরোধে রাজি হওয়া! সত্যিই মন ভরে গেছে!

আজ পবিত্র এই দিনে অবাক, বিস্ময় আর মুগ্ধতা নিয়ে ঘরে ফিরলাম! সারা রাস্তায় একটা ঘোরের মাঝে ছিলাম, আর ভাবছিলাম, আমার প্রতিটি কঠিন মুহূর্তে কিভাবে এই অচেনা আগন্তুকেরা হাজির হয়? কিভাবে তারা জানিয়ে যায়, এই পৃথিবীর শত নিষ্ঠুরতা ও হিংস্রতার মাঝে মানবতা এখনও বেঁচে আছে!

দীর্ঘজীবী হোন, হে ভালো মানুষ! আবারও এই সুন্দর মনের সাক্ষাৎ পাবার প্রত্যাশায় থাকলাম! এই ফোনটা হয়তো আমার জন্য তেমন কিছুই না, কিন্তু আপনার মতো মূল্যবান মানুষের সাক্ষাৎ আমার জীবনে আরও চমৎকার কিছু করার অনুপ্রেরণা দিয়ে গেলো! ❤️❤️

゚viralシfypシ゚viralシalシ

কি চমৎকার একটি ফ্রেম! ❤️গোটা একটা ইন্ডাস্ট্রি দাঁড়িয়ে আছে! ভুল-সঠিকের দ্বন্দ্ব পেরিয়ে পাশাপাশি দু'জন প্রিয় মুখ!এবার সময় ...
03/06/2025

কি চমৎকার একটি ফ্রেম! ❤️
গোটা একটা ইন্ডাস্ট্রি দাঁড়িয়ে আছে! ভুল-সঠিকের দ্বন্দ্ব পেরিয়ে পাশাপাশি দু'জন প্রিয় মুখ!
এবার সময় ইন্ডাস্ট্রির পরিবর্তনের! শুভ কামনা সুপারস্টার শাকিব খান ও জনপ্রিয় অভিনেতা আফরান নিশো!

দুজনের সম্মেলিত প্রচেষ্টায় এই ইন্ডাস্ট্রি থেকে দুর্দান্ত কিছুর সৃষ্টি হোক!
ভক্তরা দ্বন্দ্ব ভুলে ভালোবাসার কাঁতারে সামিল হোক!

একটু ইতিবাচক হলেই বদলে যায় চারপাশ! ☺️

゚viralシfypシ゚viralシalシ

~একটি মানবিক সাহায্যের জন্য আবেদন~মানুষ মানুষের জন্য,জীবন জীবনের জন্য,একটু সহানুভূতি কি মানুষ পেতে পারে না?সেই সহানুভূতি...
03/06/2025

~একটি মানবিক সাহায্যের জন্য আবেদন~

মানুষ মানুষের জন্য,
জীবন জীবনের জন্য,
একটু সহানুভূতি কি মানুষ পেতে পারে না?

সেই সহানুভূতির প্রত্যাশা রেখেই আজকে দু-কলম লিখতে যাচ্ছি সবার উদ্দেশ্যে!
আমি আজ পর্যন্ত কাউকে নিয়ে এভাবে লিখিনি, কিন্তু যে মানুষটিকে ঘিরে আমার আজকের মানবিক লেখা, তিনি একজন দুরারোগ্য ক্যান্সার পেশেন্ট! জীবনে যখন বসন্তের আগমণ, ঠিক তখনই এক অজানা ঝড়ের মুখোমুখি তিনি, মুহূর্তেই এলোমেলো হয়ে গেছে আগামীর স্বপ্নগুলো! কি করবেন, কিভাবে বহন করবেন নিজের চিকিৎসা খরচ, সেই চিন্তায় দিশেহারা!

মানুষটির নাম পাপরিয়া জান্নাত পলি! ভীষণ স্নিগ্ধ, সুন্দর মনের একজন মানুষ! ছোটবেলা থেকেই পছন্দের তারকা শাকিব খান! তাকে ঘিরেই তার যতো উচ্ছ্বাস! কিন্তু, আচমকা তার হাসি থেমে যায়, যখন তিনি জানতে পারেন তিনি ব্রেস্ট ক্যান্সারে আক্রান্ত! কি করবেন, কোথায় যাবেন বুঝে উঠতে পারছিলেন না! নিজেদের যেটুকু সামর্থ্য, সেই সাথে মানবিক মানুষদের সাহায্য, সব মিলিয়ে তিনি এই পর্যন্ত তার চিকিৎসা চালিয়ে গেছেন! কিন্তু, এখন বলতে গেলে ভীষণ অসহায় হয়ে পড়েছেন! যখন তার সাথে ইনবক্সে আলাপ হচ্ছিলো, তখন তার জীবনের টানাপোড়েন, গল্পের ভাঁজে লুকিয়ে থাকা নিদারুণ কষ্ট মন ছুঁয়ে গেছে!

সামনেই তো কোরবানি! আমরা চাইলে সেই অর্থ এই মানুষটাকে দিয়ে সাহায্য করতে পারি! আল্লাহ বলেছেন, মনের পশুত্বকে কোরবানি করতে, সত্যিকারের পশু কোরবানি তো একটি প্রতীকী মাত্র!
আমরা একজন মানুষ হিসেবে হয়তো কঠিন, কিন্তু সবাই মিলে এগিয়ে আসলে, এই মানুষটি হয়তো আরও কিছুদিন এই পৃথিবীর আলো-ছায়ায় বেঁচে থাকবেন! তার স্বপ্নগুলো হারিয়ে যাবে না!
আসুন না, একটু মানবিক হই, একটি প্রাণ বাঁচাতে এগিয়ে আসি! কতো টাকা-পয়সা কতোভাবে খরচ করি, এবার একটা জীবনের প্রদীপ জ্বালিয়ে রাখার জন্য একটু মানবিক হই!

জীবন যুদ্ধে লড়ে যাওয়া সেই মহিয়সী বোনটির
লিখে দেয়া পুরো অনুচ্ছেদটি নিচে উল্লেখ করছি:

আসসালামু আলাইকুম। আমার নাম পাপরিয়া জান্নাত পলি। আমি মাস্টার্স শেষ করে সরকারি জবের জন্য চেষ্টা করছিলাম। পরিবার ধনী না। অনেক কষ্ট করে বাবা মা আমাকে পড়াশোনা করিয়েছেন। ২০২৩ সালের নভেম্বর মাসে হঠাৎ করে আমি ব্রেস্ট ক্যান্সারে আক্রান্ত হই। কিন্তু আমি কখনো মনোবল হারাই নি। আল্লাহর উপর সবসময় ভরসা আছে। গত ১ বছর ধরে চিকিৎসা করেছেন আমার পরিবার কিন্তু এখন আমার কেমো গুলো রেসপন্স করেছে কম। সার্জারী এখন করা যাবে না। মেডিসিন পরিবর্তন করে পুনরায় কেমোথেরাপি দিতে হবে। কিন্তু পুনরায় চিকিৎসা খরচ আমার পরিবারের পক্ষে বহন করা অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে।এমনিতেই আমার চিকিৎসা করতে গিয়ে অনেক টাকা ঋণ করে ফেলেছে আমার পরিবার। টাকার সমস্যার কারণে প্রায় ৬ মাস ধরে চিকিৎসা বন্ধ আমার।
এমতাবস্থায় আর্থিকভাবে আপনাদের সহযোগিতা কামনা করছি। আপনাদের সাহায্য আমার একান্ত দরকার।
সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন।

স্থায়ী ঠিকানা:
রোগীর নাম: পাপরিয়া জান্নাত পলি
পিতার নাম: ইদ্রিস মিয়া
মাতার নাম: রাহেলা আক্তার আহেদা
গ্রাম: বাগজান পো: তিয়শ্রী উপজেলা: মদন জেলা: নেত্রকোনা

বিকাশ/নগদ/রকেট: 01313975513 (পার্সোনাল)
ব্যাংক:
A/C Name: Papriya Jannatu Poly
A/C No: 20503380202231900
ইসলামী ব্যাংক
কোনাবাড়ী ব্রাঞ্চ,গাজীপুর।
Routing number: 125330947

~ আশা করছি এই পোস্টের পর অসংখ্য মানবিক মানুষের সাঁড়া পাবে নিয়তির কাছে পরাজিত এই আপুটি! আমি বিশ্বাস করতে চাই, এই পৃথিবীতে অসংখ্য খারাপ মানুষের ভিড়ে মানবিক মানুষ রয়েছেন, যারা অপেক্ষায় থাকেন অসহায় মানুষের পাশে থেকে তার জীবনকে আলোকিত করার জন্য! ❤️❤️


ধন্যবাদ!

゚viralシfypシ゚viralシalシ

If someone is not sick, they won't realize the significance of living a healthy life. Being healthy is a great blessing ...
30/05/2025

If someone is not sick, they won't realize the significance of living a healthy life. Being healthy is a great blessing that is worth more than millions of dollars. 🖤🖤

মুখে নেই লম্বা দাড়ি, মাথায় নেই টুপি, কিন্তু অন্তরে ছিল স্রষ্টার প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসা! আর, সেই ভালোবাসাই রীতিমতো স্রষ্...
29/05/2025

মুখে নেই লম্বা দাড়ি, মাথায় নেই টুপি, কিন্তু অন্তরে ছিল স্রষ্টার প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসা!
আর, সেই ভালোবাসাই রীতিমতো স্রষ্টার আশীর্বাদে তাকে সিক্ত করেছে!

বলছিলাম, লিবিয়ার জৈনেক ভদ্রলোক আমেরের কথা! দীর্ঘদিনের স্বপ্ন সে হজ্জে যাবে, দু'চোখ ভরে আল্লাহর ঘর পবিত্র কাবা শরীফকে দেখবে! হৃদয় উজাড় করে প্রভুর প্রতি তার ভালোবাসার নিবেদন প্রকাশ করবে!

সেই উদ্দেশ্যেই তার হজ্জ যাত্রার সূচনা! কিন্তু, এয়ারপোর্টের ইমিগ্রেশনে বাঁধলো বিপত্তি! ভিসা জটিলতায় বিমানবন্দরে আটকে যায় আমের! যে সকল যাত্রীরা হজ্জের উদ্দেশ্যে ঐ ফ্লাইটে যাচ্ছিলেন, সবাই তাকে বলছিলো- 'ফিরে যাও আমের! এবার হয়তো তোমার হজ্জ আল্লাহ কবুল করেনি!'

কিন্তু, আমেরের ঈমানের জোর আর স্রষ্টার প্রতি ভালোবাসা এতোটাই তীব্র ছিলো যে, তাদের উদ্দেশ্য করে অশ্রুসিক্ত চোখে সে বলেছিলো- 'আমি হজ্জে যাবো, এবারই যাবো এবং এই ফ্লাইটেই যাবো! যদি আমার নিয়ত সত্যি হয়ে থাকে, তবে এই ফ্লাইট ফিরে আসবে, আমাকে নিয়েই যাবে!'

সবাই হয়তো ব্যাপারটা স্বাভাবিকভাবেই নিয়েছিলো! কিন্তু, যখন ফ্লাইট তাকে ছেড়ে মাঝ আকাশে উড়াল দিলো, মুহূর্তেই ঘটে গেলো এক অবিশ্বাস্য বিপত্তি! যান্ত্রিক ক্রটিতে পড়ে বিমান! পাইলট ব্যাপারটা বুঝতে পেরে বিমানের জরুরি অবতরণ করেন! বিমানের যান্ত্রিক ত্রুটি ঠিক করে আবারও উড়াল দেয় সেই বিমান!
কিন্তু, এবার সে মুখোমুখি হয় প্রবল ঝড় ও বজ্রপাতের! কোনভাবে সেই বিমান সামনে অগ্রসর হতে পারছিলো না! তখন পাইলট পুরো ব্যাপারটা অনুভব করতে পারলেন! তিনি পুনরায় ফিরে আসেন এবং সবাইকে জানিয়ে দেন, 'খোদার কসম, আমি ঐ ব্যক্তিকে না নিয়ে এই ফ্লাইটের যাত্রা করবো না!'
চারদিকে তখন শোরগোল পড়ে যায়!

তখন, ডাক আসে আমেরের! এক ঈমানদার বান্দার সান্নিধ্যে ফ্লাইট তার যাত্রা সফলভাবে সম্পন্ন করে!
স্বপ্ন পূরণ হয় আমেরের!

এই ঘটনা সারা বিশ্বে স্রষ্টার প্রতি নিবেদিত এক বান্দার নজিরবিহীন উদাহরণ স্থাপন করলো!

আমেরের এই ঘটনা আমাকে ভীষণভাবে ভেতর থেকে নাড়া দিয়েছে! আমি শুধু একটি কথাই ভাবছি, আমাদের দেশের মুসলিমদের অবস্থান ঠিক কোথায় দাঁড়িয়ে আছে?
মুখ ভর্তি দাড়ি আর অন্তর কুলষিত পাপে- অথচ, তাদের অর্জন, গর্জনে থাকা যায় না!

কিন্তু, আমেরের ঘটনা সবকিছু ভুল প্রমাণিত করে দিলো! সাচ্চা ঈমানদার হতে অন্তর পবিত্র হওয়া চাই! মুখের দাড়ি কতো ফুট লম্বা, কপালে কয়টা কালো দাগ স্পষ্ট হলো, এইসব দিয়ে ঈমানের জোর মেলেনা! ঈমানের জোর আসে অন্তরে পরম করুণাময়, অসীম দয়ালু আল্লাহর প্রতি পবিত্র ও খাঁটি ভালোবাসা থেকে! ভালোবাসা যদি শতভাগ বিশুদ্ধ হয়, বাহ্যিক লেবাস সেখানে তুচ্ছ!

゚viralシfypシ゚viralシalシ

কি অসাধারণ, অনবদ্য আজকের স্নিগ্ধ আকাশ! যেনো শিল্পীর তুলিতে আঁকা জীবন্ত কোন ক্যানভাস! স্রষ্টা যেনো তার সৃষ্টির সমস্ত সৌন্...
27/05/2025

কি অসাধারণ, অনবদ্য আজকের স্নিগ্ধ আকাশ! যেনো শিল্পীর তুলিতে আঁকা জীবন্ত কোন ক্যানভাস!
স্রষ্টা যেনো তার সৃষ্টির সমস্ত সৌন্দর্য ঢেলে দিয়েছেন প্রকৃতির কোলে! ব্যালকনিতে দাঁড়িয়ে নীরবে তাকিয়ে ছিলাম আকাশপানে!

একটু দূরেই এয়ারপোর্ট, ক্ষণে ক্ষণে প্রতিটি মুহূর্তেই এক একটি স্বপ্নের উড়ান দেখে ভাবছিলাম, আজ যাদের ফ্লাইট ছিলো, তাদের বিদায় দিতেই যেনো শুভ্র মেঘের এমন চমকপ্রদ আগমণ! 💭💭💭

27/05/2025

The sky today was so amazing that,
it appeared to be a colored canvas painted by an artist. 💭💭

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Arik's world posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Establishment

Send a message to Arik's world:

Share