Heaven

Heaven প্রিয় বন্ধুরা সবাই কেমন আছো
ফলো দিয়ে সাথে থাকুন

26/01/2023
আমার প্রিয় একজন মানুষ
28/12/2022

আমার প্রিয় একজন মানুষ

06/03/2018

কওমী মানেই উদ্ধত, অভিশপ্ত ও জালিম...
কওমীরা আল্লাহ-রাসূলের (দ.) দুশমন: কোন মুসলমানই 'কওমী' হতে পারে না
[ঈমান বিধ্বংসী ওহাবী-কওমী ও সালাফী ভাইরাস থেকে নিজে বাঁচুন এবং অপরকে বাঁচান]
-আবছার তৈয়বী

খারেজি চেতনার দরিন্দা কুখ্যাত ওহাবী ও সালাফীরা বাংলাদেশে নিজেদেরকে 'কওমী' হিসেবে জাহির করে। তাই আমি 'কওম' এবং 'কওমী'দের নিয়েই খানিক আলোচনা করবো। যা ইতোপূর্বে কেউ কখনো করেনি- এমনকি কওমীরাও না, কওমী বিরোধীরাও না। কওমীরাও জানেন না- তারা কেন নিজেদেরকে 'কওমী' হিসেবে প্রচার করছেন? বাংলাদেশের সকল কওমী মাদ্রাসা 'দেওবন্দী ধাঁচে' গড়া। আর দেওবন্দী মানেই ওহাবী। বাংলাদেশের জনমানুষ এই কওমী মাদ্রাসাকে 'ওহাবী মাদ্রাসা' বা 'খারেজী মাদ্রাসা' হিসেবেই চেনে এবং জানে। মাত্র একযুগ আগে থেকেই এই ওহাবী মাদ্রাসাগুলো 'কওমী মাদ্রাসা' হিসেবে পরিচিত হতে থাকে এবং তারা নিজেদেরকে 'কওমী' হিসেবে পরিচিত করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। এর আগে তারা নিজেদেরকে 'দেওবন্দী' হিসেবেই পরিচিত হতে গর্ববোধ করতেন। কিন্তু হঠাৎ করে কেন তারা নিজেদেরকে 'কওমী' হিসেবে পরিচিত করতে লাগলেন- গবেষনার বিষয় সেটাই। খোদ ভারতের দেওবন্দ মাদ্রাসাকেও কওমী মাদ্রাসা বলা হয় না। দেওবন্দী ধাঁচের কোন মাদ্রাসাকে ভারত বা পাকিস্তানের কোথাও 'কওমী' মাদ্রাসা বলা হয় না। মজার ব্যাপার কি জানেন? বাংলাদেশের কোন 'কওমী' মাদ্রাসার নামের সাথেও 'কওমী' শব্দটি যুক্ত নেই। কোন ওহাবী-কওমী বন্ধু তাদের কোন মাদ্রাসার নাম 'কওমী' দেখাতে পারবেন না। সকল ওহাবী-কওমী বন্ধুদের প্রতি এটি আমার চ্যালেঞ্জ হিসেবে থাকলো। ১৫-৫৭ হাজার কওমী মাদ্রাসার (যার সঠিক পরিসংখ্যান না সরকারের কাছে আছে, না কওমীদের কাছে) একটি মাদ্রাসার নামের সাথেও 'কওমী' শব্দটি যুক্ত না থাকাটা একথাই প্রমাণ করে যে, তাদের গোড়াতেই গলদ আছে। এমনকি 'দেওবন্দী' নামেও কোন কওমী মাদ্রাসা নেই। অথচ তার বিপরীতে আলিয়া মাদ্রাসাগুলোর দিকে দেখুন- আপনি শত শত আলিয়া মাদ্রাসা পাবেন। যেমন- ঢাকা আলিয়া মাদ্রাসা, সিলেট আলিয়া মাদ্রাসা। কোন কোন মাদ্রাসার সাথে 'সুন্নী' শব্দটিও উল্লেখ আছে। যেমন- জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া আলিয়া মাদ্রাসা, শর্ষীনা দারুস সুন্নাত আলিয়া (কামিল) মাদ্রাসা। কোন কোন মাদ্রাসার সাথে আবার আলিয়ার পরিবর্তে ইদানিং 'কামিল' শব্দটিও ব্যবহৃরিত হচ্ছে। যেমন- ঢাকা মোহাম্মদপূর কাদেরিয়া তৈয়বিয়া কামিল মাদ্রাসা, তামিরুল মিল্লাত কামিল মাদ্রাসা ইত্যাদি। সে এক ভিন্ন কথা।

ওহাবী দেওবন্দী আলেমগণ কেন নিজেদের আসল পরিচয় না দিয়ে 'কওমী' হিসেবে পরিচিত হতে চাচ্ছেন- সে সম্পর্কে এককথায় বলতে গেলে বলতে হয়, তা হলো- 'স্রেফ জনমানুষকে ধোঁকা দেয়া', আর কিছু না। তারা ইসলামের আড়ালে কুখ্যাত 'ওহাবীবাদ' প্রচার ও প্রতিষ্ঠা করছেন। ওহাবীবাদ কী- সে সম্পর্কে আমি আরেকটি পর্বে আলোচনা করবো। এখানে শুধু এটুকু বলে রাখি- 'ওহাবীবাদ' হলো ইসলামের প্রাথমিক যুগে সৃষ্ট সর্বপ্রথম বাতিল ফিরকার একটি- 'খারেজী' মতবাদের আধুনিক সংস্করণ। যা কুখ্যাত ইবনে আবদুল ওহাব নজদীর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠা পায়। সরলমনা সাধাসিধে মুসলমানদের ধরে ধরে 'মুশরিক' আখ্যা দেওয়াই তাদের কাজ। এ হিসেবে বলা যায়- 'প্রতিটি ওহাবী-কওমী মাদ্রাসা মানেই মুসলমানদেরকে মুশরিক বানানোর একেকটি ফ্যাক্টরি'। অনুমোদনহীন এই বিশাল সংখ্যক ফ্যাক্টরির প্রভাবে ইতোমধ্যে বাংলাদেশের জনমানুষ ওহাবীবাদের দিকে ঝুঁকছে। তাদের লেখাপড়ার মান কতো নিন্ম পর্যায়ের, তা জাতির সামনে ওঠে এসেছে- যখন এরশাদ আমলে বাংলাদেশ মাদ্রাসা বোর্ডের চেয়ারম্যান পটিয়ার ওহাবী মাদ্রাসা পরিদর্শনে যান, তখনই। তিনি বিশাল পটিয়া মাদ্রাসার বিভিন্ন ক্লাস পরিদর্শনকালে যখন তাদের পাঠ্য বই নিয়েই ওহাবী কওমীদের প্রশ্ন করেছিলেন, তখন ছাত্র-শিক্ষক কেউই তাঁর কোন প্রশ্নেরই উত্তর দিতে পারেননি। তিনি তাদেরকে তিরষ্কার করে বলেছিলেন- "যে কিতাব আপনারা পড়াচ্ছেন- সে সম্পর্কে তো অন্ততঃ আপনাদের জ্ঞান থাকা চাই। জাতির সাথে এই ধাপ্পাবাজি কেন করছেন?" এতে করে ওহাবী কওমী ছাত্র-শিক্ষকরা 'লা জবাব' হয়ে যান। পরিদর্শন শেষে আসার সময় তারা তাঁর সামনে পরিদর্শন বই মেলে ধরলে তিনি প্রাঞ্জল আরবীতে ঝরঝরে অক্ষরে লিখে দিলেন- 'মাদরাসাতুন আলিয়াতুন খালিয়াতুন আনিল ইলমি ওয়াল হুদা' অর্থাৎ 'এটা এমন এক মাদ্রাসা- যার সুউচ্চ বিল্ডিং আছে বটে, কিন্তু ইলম ও হেদায়াত থেকে পরিপূর্ণ খালি বা যোজন যোজন দূরে।' পটিয়া ওহাবী-কওমী মাদ্রাসার যদি এই হাল হয়, তাহলে বুঝতেই পারছেন- কওমীদের অন্যান্য মাদ্রাসাগুলোর অবস্থা কী?

তাহলে চিন্তা করে দেখুন- এই ওহাবী-খারেজীরা জাতির কাছ থেকে কী লুকাতে চান? কেন তারা সরকারি নজরদারির বাইরে থাকতে চান? হ্যাঁ, ঠিক ধরেছেন, তারা যে 'ওহাবী' সেটাই লুকাতে চান। ওহাবী-কওমী মাদ্রাসাগুলো যে 'জঙ্গিবাদের আঁতুড়ঘর' সেটাই লুকাতে চান। আর তাদের ওহাবীবাদ লুকাতে গিয়েই এই 'কওমী' শব্দটি তারা আমদানি করেছেন। কিন্তু তারা নিজেদের জন্য 'কওমী' শব্দটি নির্বাচন করে নিজেরা নিজেদের এমন সর্বনাশটি করেছেন- তা কেউ কখনো ভেবেও দেখেননি। 'কওম' মানে গোত্র এবং সম্প্রদায়। পবিত্র কোরআনে 'কওম' শব্দটি সরাসরি এবং সর্বনাম ও অব্যয়যুক্ত হয়ে সর্বমোট ৩৫২ বার এসেছে। যেমন-
قوم ، قومًا ، قومنا ، قومي، قومهم ، قومك ، قومه ، القوم ، لقومه ، لقوم
ইত্যাদি। তবে কোন সর্বনাম এবং অব্যয় ছাড়া সরাসরি শুধু 'কওম' শব্দটি এসেছে ২০৬ বার। আশ্চর্যের ব্যাপার কি জানেন? অবাক করা ব্যাপার হলো- "আল্লাহ যতোবারই এই 'কওম' শব্দটি ব্যবহার করছেন, একবারও দুনিয়াতে মুমিন-মুসলমানের পরিচিতি হিসেবে ব্যবহার করেননি! বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এই 'কওম' শব্দটি ব্যবহার হয়েছে কাফিরদের জন্য, জালিমদের জন্য, মুনাফিকদের জন্য, ক্ষতিগ্রস্থদের জন্য, অপরাধীদের জন্য, ফাসিকদের জন্য, উদ্ধতদের জন্য এবং আল্লাহ ও নবীদের অবাধ্যতাকারীদের জন্য"। যেমন:
القوم الكافرون-القوم الظالمون-القوم الفاسقون-القوم الخاسرون-القوم المجرمون
এভাবে বিভিন্ন আয়াতে দেখতে পাবেন। নবীদের সাথে সম্পর্কিত ভাবেও 'কওম' শব্দটি এসেছে। যেমন কওমে নূহ, কওমে আ'দ, কওমে ছামুদ এবং কওমে লূত ইত্যাদি। এই শেষোক্ত কওমে লুতের কাজ কারবার মানে 'লাওয়াতাত' তথা 'বলাৎকার' ওহাবী- কওমী মাদ্রাসাসমূহে অঘোষিতভাবে চলছে এবং তা প্রমাণিত সত্য। কিন্তু কোরআনের কোথাও আপনি প্রিয়নবী হযরত রাসূলে করীম (দরুদ) এর সাথে 'কওম' শব্দটির ব্যবহার দেখাতে পারবেন না। পৃথিবীর কেউই দেখাতে পারবে না- 'কওমে মুহাম্মদ' বা কওমে আহমদ, বা কওমুর রাসূল বা কওমুন নবী- এ জাতীয় শব্দ সম্ভার। এ থেকে কী প্রমাণিত হয়? প্রমাণিত হয়- বাংলাদেশের তথাকথিত এই কওমীরা জালিম, এই কওমীরা উদ্ধত, এই কওমীরা মুনাফিক, এই কওমীরাই অপরাধী এবং আখেরে এই কওমীরাই ক্ষতিগ্রস্থ। এই কওমীরা কিছুদিন এরশাদ সাহেবের বগলতলে, তো কিছুদিন ম্যাডাম জিয়ার আঁচলতলে আবার তাদের দেখবেন- মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পদতলে। হাদিসে তাদের কথা বলা আছে ঠিক এভাবে- 'লা ইলা হাউলায়ি ওয়ালা ইলা হাউলায়ি'। মানে- কখনো ইধারকা, কখনো উধারকা। আর জেনে রাখুন- এটাই মুনাফিকের লক্ষণ। আপনি দেখবেন- তথাকথিত এই কওমীদের মুখের বুলি ছুটে গালাগালি ও হুমকি দিয়ে এবং কথা বলার আগেই তারা লাঠি বের করে। যা কোরআন, হাদীস এবং তাদের আচরণ দ্বারা প্রমাণিত সত্য। তারপরও কি সরকার এবং তথাকথিত এই কওমীদের হুঁশ হবে না? মিলিয়ন ডলার প্রশ্ন বটে!
[রিপোস্ট: ঈষৎ সংক্ষেপিত ও পরিমার্জিত]

[বি.দ্র.: দীন, মাযহাব ও সুন্নীয়তের স্বার্থে এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে লেখাটি বেশি বেশি শেয়ার করুন। কপি করে অবিকৃতভাবে নিজেদের টাইমলাইন থেকে একযোগে পোস্ট করুন। সকল গ্রুপে ও পেইজে দিন। মনে রাখবেন- আপনার একটি পোস্টেই দেশ ও জাতির প্রভূত কল্যাণ হতে পারে। সকলকেই ধন্যবাদ।]

তারিখ: ০১ মার্চ, ২০১৮ খৃ.
আবুধাবি, ইউ.এ.ই।

28/02/2018

তাবলীগ দল ওরা বলে, আমরা নবী ওয়ালা কাজ করি,
ওদেরকে দলিল দিতে বলেন, কোন নবী ওদের মত গাট্টি নিয়ে দল বেধে বাড়ী ঘর
পরিবার সন্তানদের ছেড়ে মসজীদে এক
রাত ঘুমাইছে, বলতে পারবেনা,
ওরা বলে ইতেকাফের নিয়তে মসজিদে
ঘুমাই, আর কার বউ কয়টা ছেলে মেয়ে কয়টা সব কথা বলে,রাতের পেটের গরম
বতাস তাও ছাড়ে মসজিদে,ছি,,ছি,,

বন্ধু গন,আমার কিছু কথা,,,
1),যারা ইতেকাফে থাকে তারা কী ???
রোজা রাখে? ? ওরা ?
খানা পাকায় ? ""
বাজার করে ? ""
দুনিয়াবী কথা বলে ?
ওরা হল ইতেকাফের নামে ধোকাবাজ ,
ওদেরকে যদি বলেন মসজিদ ছাড়া অন্ন
কোথায় ঘুমান,,ওরা রাজী হবেনা,,
কারন ? ওদের উদ্দের্শই মসজিদ অপবিত্র
বানানো,
²/ রাসূল সঃ বলছেন ইসলামের বেনা (পাচঁটি), কালীমা,নামাজ, রোজা,হজ্ব, যাকাত,
এরা এর মদ্ধ থেকে ( তিন ) টি বাতীল করেছে, তাহল,রোজা,হজ্ব যাকাত,
ওদের মনগড়া ঢুকিয়েছে ( চার) টি,
কুরআনে এ বিষয়ে কঠীন সতর্ক,,
اليوم اكملت لكم دينكم واتممت عليكم نعمتي ورضيت لكم السلام دين
অর্থঃ আল্লাহ বলেন আমি দীন ইসলামকে তোমাদের জন্ন পরিপূর্ন করেছি,

ওদের কাছে আল্লাহর কথাটা পছন্দ হয়না,
এজন্ন এরা ইসলামের মূল খুটি ( তিন) টা
বাদ দিয়ে ( চার) টি কলা গাছ ফিট করেছে,
বেয়াদবের দল,,কে দিয়েছে এ অধীকার,,,?

বন্ধুরা বলুনতো এদের ঈমান আছে,,?
আরো শত শত ভুল,এদের,
একারনেই এরা বহছে রাজী নয়,,
আল্লহ এদের হিদায়াত দিন,,

12/02/2018

অাসছে অাগামি ১৩/০২/০১৯তাং অামড়া গাছিয়া খানকায় ছালেহীয়া কমপ্লেক্সে বার্ষিক ইছালে ছওয়াব মাহফিল

Address

Dhaka
6880

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Heaven posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Establishment

Send a message to Heaven:

Share