10/08/2026
জীবনের দীর্ঘ একটা সময় টিফিন হিসেবে শুধু মিল্ক বিস্কুট এবং এনার্জি প্লাস পেয়েছি।
কোন কোন দিন তিন প্যাকেট ও কিনে দিতো আব্বু একদিনের জন্য 🙂।
আমাকে দোকানের বাইরে দাড়াতে বলে নিজে হাসি হাসি মুখ করে এগুলা এনে আমাকে দিতো।প্রতিদিন ই দিতো।
অন্যকিছু মানে ফল মুল কিছু আনলেও দিতো।
কি জানি কি মনে করে এটাকে দেওয়া আব্বু বাধ্যতামুলক করে নিয়েছিলো নিজের উপর🙂।
তো করতাম কি নিজে খেয়ে শেষ করতে পারতাম না রুচি হতো না বান্ধবী দেরকে জোর করে খাওয়াতাম।
।ওরা বিরক্ত হয়ে গেলে চুপি চুপি বাড়ি এনে আম্মুকে দিতাম।ঘ্যানর ঘ্যানর করতাম আব্বুকে যেনো বুঝায় অন্যকিছু কিনে দিতে বা টাকা দিতে আমি কিনে নিবো।
আব্বুর মন ভালো অবস্থায় বুঝালে কতদিন বাদ দিতো।তারপর আবার মনে পড়ে যেতো আহারে মেয়েটা আমার কতদিন ঐ মিল্ক আর এনার্জি প্লাজ বিস্কিট খায়না।আবার দিই কিনে।
আবার শুরু হয়ে যেতো সেই সার্কেল।
যদি কখনো টের পায় আমরা অমুক খাবারটা পছন্দ করে খেয়েছি সেটা টানা কয়েকদিন কয়েক সপ্তাহ আনা শুরু করতেন।
তারপর খেতে খেতে বিরক্তি দেখলেই আবার সে একটু মন খারাপ ও করতেন।একটু না বেশ অনেকটাই মন খারাপ করতেন।
এখনো করেন।
বাবাদের মন সমুদ্রের থেকেও গভীর।ভেতরে কি চলছে বোঝাই যায় না...........
ভালো থাকুক পৃথিবীর সব বাবারা