Radiomunnabd.com

Radiomunnabd.com ►► Radio Munnabd is the 1st Digital Online Live Radio Station in Bangladesh ►► Visit to Listen Now - http://www.radiomunnabd.com/ & Stay Tuned !

23/10/2022

কাশফুলের দিন শেষ শিউলি ফুলের বাংলাদেশ!🤍 😁

ভাইয়া আমি ছোট বলে আমাকে কেউ লাইক কমেন্ট করেনা, আমি কি দেখতে খুবই খারাপ ??
27/10/2016

ভাইয়া আমি ছোট বলে আমাকে কেউ লাইক কমেন্ট করেনা, আমি কি দেখতে খুবই খারাপ ??

উনি বাড়িতে নাই পরে আসেন...
26/10/2016

উনি বাড়িতে নাই পরে আসেন...

আপনার প্রিয় খেলোয়ার কে??১: নেইমার২: মেসিকমেন্ট প্লিজlike Radiomunnabd.com
18/10/2016

আপনার প্রিয় খেলোয়ার কে??
১: নেইমার
২: মেসি
কমেন্ট প্লিজ
like Radiomunnabd.com

মডার্ণ বাংলার মাটিRadiomunnabd.comবিলিন এখন পালকির বিয়েনৌকায় বেদের বহর,যেথায় ছিলো শাপলার দিঘিআজ সেখানে শহর।বিলিন এখন রাখ...
17/10/2016

মডার্ণ বাংলার মাটি
Radiomunnabd.com
বিলিন এখন পালকির বিয়ে
নৌকায় বেদের বহর,
যেথায় ছিলো শাপলার দিঘি
আজ সেখানে শহর।
বিলিন এখন রাখাল বাঁশি
গ্রাম্য গরুর গাড়ী,
যেথায় ছিলো ধানের জমি
আজ সেখানে বাড়ী।
বিলিন এখন নৌকাবাইচ
বাউলের পথ হাঁটা,
যেথায় ছিল বৃক্ষরাজি
সেখানে ইট ভাটা।
বিলিন এখন যাত্রাপালা
পুঁথিপাঠের আসর,
যেথায় বসতো গ্রাম্য শালিস
আজ সেখানে নগর।
বিলিন এখন কাঠের ঢেঁকি
গোয়াল ভরা গরু,
যেথায় ছিলো উত্তাল নদী
আজ সেখানে মরু।
সভ্যতারই বদৌলতে
মডার্ণ বাংলার মাটি,
পুরনো ঐতিহ্যে তবু
মন হতে চায় খাঁটি।

like page Radiomunnabd.comবিসমিল্লাহির রাহমানীর রাহিম।আসসালামু আলাইকুম -------***-----, -- শিক্ষা মূলক ---- ,এক খৃষ্টান ...
17/10/2016

like page Radiomunnabd.com
বিসমিল্লাহির রাহমানীর রাহিম।
আসসালামু আলাইকুম -------***-----
, -- শিক্ষা মূলক ---- ,
এক খৃষ্টান বাদশাহ চারটি প্রশ্ন
লিখে ওমর (রাঃ) এঁর কাছে
পাঠালেন এবং
আসমানী কিতাবের আলোকে
উত্তর চাইলেন।
১ম প্রশ্নঃ একই মায়ের পেট হতে
দু'টি বাচ্চা একই দিনে একই সময় জন্ম
গ্রহন করেছে
এবং একই দিনে ইন্তেকাল করেছে
তবে তাদের একজন অপরজন থেকে
১০০ বছরের বড় ছিলো। তারা দুইজন
কে? কিভাবে তা হয়েছে?
২য় প্রশ্নঃ পৃথিবীর কোন্ স্থানে
সূর্যের আলো শুধুমাত্র একবার
পড়েছে।
কেয়ামত পর্যন্ত আর কখনো সূর্যের
আলো সেখানে পড়বে না?.
৩য় প্রশ্নঃ সে কয়েদী কে, যার
কয়েদ খানায় শ্বাস নেওয়ার
অনুমতি নেই আর সে শ্বাস নেওয়া
ছাড়াই জীবিত থাকে?
৪র্থ প্রশ্নঃ সেটি কোন কবর, যার
বাসিন্দা জীবিত ছিল এবং কবর ও
জীবিত ছিল আর সে কবর তার
বাসিন্দাকে নিয়ে ঘোরাফেরা
করেছে এবং কবর থেকেতার
বাসিন্দা জীবিত বের হয়ে
দীর্ঘকাল পৃথিবীতে জীবিত
ছিল?
হযরত ওমর (রাঃ) হযরত আব্দুল্লাহ
ইবনে আব্বাস (রাঃ) কে ডাকলেন
এবংউত্তর গুলো লিখে দিতে
বললেন। ইবনে আব্বাস (রাঃ)
উত্তরগুলো লেখেন
১ম উত্তরঃ দুই ভাই ছিলেন হযরত
ওযায়ের (আঃ) এবং ওযায়েয
(আঃ). তারা একই দিনে জন্ম এবং
একই দিনেইন্তেকাল করা সত্বেও
ওযায়েয (আঃ) ওযায়ের (আঃ)
থেকে ১০০ বছরের বড় হওয়ার কারন
হল, মানুষকে আল্লাহ তায়ালা মৃত্যুর
পর আবার কিভাবে জীবিত করবেন?
হযরত ওযায়ের (আঃ) তা দেখতে
চেয়েছিলেন। ফলে আল্লাহ
তাকে ১০০ বছর যাবত মৃত্যু অবস্থায়
রাখেন এরপর তাঁকে জীবিত করেন।
যার কারনে দুই ভাইয়ের বয়সের
মাঝে ১০০ বছর ব্যবধান হয়ে যায়।
২য় উত্তরঃ হযরত মুসা (আঃ) এর
মু'জিযার কারনে বাহরে কুলযুম তথা
লোহিত সাগরের উপর রাস্তা হয়ে
যায় আর সেখানে সূর্যের আলো
পৃথিবীর ইতিহাসে একবার
পড়েছে এবং কেয়ামত পর্যন্ত আর
পড়বে না।.
৩য় উত্তরঃ যে কয়েদী শ্বাস
নেওয়া ছাড়া জীবিত থাকে, সে
কয়েদী হল মায়ের পেটের বাচ্চা,
যে নিজ মায়ের পেটে কয়েদ
(বন্দী) থাকে।.
৪র্থ উত্তরঃ যে কবরের বাসিন্দা
জীবিত এবংকবর ও জীবিত ছিলো,
সে কবরের বাসিন্দা হল হযরত ইউনুস
(আঃ) আর কবর হল ইউনুস (আঃ) যে
মাছের পেটেছিলেন সে মাছ। আর
মাছটি ইউনুস (আঃ) কে নিয়ে
ঘোরাফেরাকরেছে।
মাছের পেট থেকে বের হয়ে
আসার পর ইউনুস (আঃ) অনেক দিন
জীবিত ছিলেন। এরপর ইন্তেকাল
করেন..
সুবাহান আল্লাহ্।
আমিন।
আল্লাহু আকবার।
আমিন।

like pages Radiomunnabd.comমেয়ে শুনো , তোমাকে ভালবাসি।-- আপনারতো সাহস কম না।-- তুমি নিশ্চই ভীতু কোন ছেলেকে ভালবাসবে?-- আ...
17/10/2016

like pages Radiomunnabd.com
মেয়ে শুনো , তোমাকে ভালবাসি।
-- আপনারতো সাহস কম না।
-- তুমি নিশ্চই ভীতু কোন ছেলেকে ভালবাসবে?
-- আপনার মতো গুন্ডাকে ও ভালবাসবো না।
-- আমি গুন্ডা কে বলছে?
-- গুন্ডা ছাড়া কেউ এইভাবে প্রপোজ করে?
-- ও তাহলে তিন মাস পিছু পিছু ঘুরে
তোমাকে হয়রান করে প্রপোজ করা উচিৎ ছিলো?
-- না তাওনা। তবে এভাবে প্রপোজ করাটা ঠিকনা।
-- কিভাবে ঠিক প্রপোজ করতে হয়?
-- সেটা আমি কি জানি?
-- এভাবে প্রপোজ করলে ঠিকনা, আর কিভাবে করলে ঠিক সেটা জাননা ?
-- এই যে তুমি গুন্ডামো শুরু করছো!
-- উফ!! এটা গুন্ডামো?
-- গুন্ডামো নাতো কি? ইয়া বড় বড় দাঁড়ি গোফ নিয়ে কেউ আঙ্গুল উঠিয়ে কথা বললে গুন্ডামো হয়ে যায়।
-- ও সমস্যা তাহলে দাঁড়ি গোফ?
-- না আরো আছে।
-- কি?
-- আচরণ! তোমার আচরণ ভালনা।
-- আচরণ পাল্টাতে পারবোনা।
-- কেনো?
-- শুনো মেয়ে, তোমাকে ভালবাসি, ব্যাস।
-- মামার বাড়ির আবদার?
-- হ্যাঁ মামার বাড়ির আবদার!
-- গুন্ডা!
-- এবার কিন্তু সত্যি সত্যি গুন্ডাদের মতো তুলে নিয়ে যাবো!
-- এইতো পারো, আর কি?
-- উফ! শুন মেয়ে, অতশত বুঝিনা আমি তোমাকে ভালবাসি।
-- পাল্টাতে হবে।
-- কি?
-- আচরণ।
-- আর দাঁড়ি গোফ?
-- অবশ্যই।
-- টাকা দাও।
-- কিসের টাকা?
-- ব্লেড কিনতে হবে আর আচরণ ভাল করতে হবে।
-- ব্লেড কিনতে না হয় টাকা লাগবে কিন্তু আচরণ ভাল করতে টাকা লাগবে নাকি?
-- টাকা ছাড়া ভাল হওয়া যায় না।
-- ভাল হতে টাকা লাগে না।
-- লাগে। টাকা দিয়ে সিগারেট কিনবো। সিগারেট না খেলে আচরণ ভাল হবেনা।
-- সিগারেট? কখনো না!
-- শুনো মেয়ে, সিগারেট খেয়ে আচরণ ভাল হবে। তখন হয়ত তোমাকে বাইকের পেছনে বসিয়ে জিন্দাবাজার গিয়ে ফুল কিনবো, তারপর তোমার সামনে হাঁটু গেড়ে বসে নায়কের মত করে বলব,"I LOVE U"
-- মিঠু।
-- মিঠু কে?
-- আমার জামাই!
-- কি?
-- আরে ধ্যাত! তুমি বললে "I LOVE U" আর আমি বললাম ME TOO...
-- ও তাই? আমি জানতাম তুমি আমাকে ভালোবাসো!
-- বল কি!!! কখন থেকে জানো?
-- ঐ যে যখন আপনি থেকে তুমি বলা শুরু করলে।
-- উফ! গুন্ডা একটা।
-- তুলে নিয়ে যাবো কিন্তু।
-- যাওনা, নিষেধ করলো কে?
(চাইলে আমাকে ফেইসবুকে follow. করে রাখতে পারেন।)

hi বন্ধুরা সকলে কেমন আছ, Radiomunnabd.com এটা একটা নতুন পেইজ এই পেইজটাতে আপনাদের কিছু help প্রয়োজন, যারা পেইজ চালান বা আ...
17/10/2016

hi বন্ধুরা সকলে কেমন আছ, Radiomunnabd.com এটা একটা নতুন পেইজ এই পেইজটাতে আপনাদের কিছু help প্রয়োজন, যারা পেইজ চালান বা আগে ব্যবহার করেছেন তারা বুজতে পারবেন একটা পেইজে অনেক জন add menপ্রয়োজন তাই যারা এই পেজে add men হতে চান তারা আইডি লিংক কমেন্ট করতে পারেন তাদেরকেaddকরা হবে, Radiomunnabd.com
দুটি শর্ত
1)ভালো post দিতে হবে, আজে ভাজে post দেওয়া জাবে না
2)পেইজে জনপ্রিয় তার জন্য কাজ করতে হবে, বন্ধুদের পেইজ invited করে লাইক করাতে হবে
Radiomunnabd.com যারা addকরতে ইচ্ছা করেন তারা করতে পারেন,

16/10/2016

গল্পঃ তন্নীর চোখে জল
লেখকঃ ওমর ফারুক শ্রাবণ
হ্যাঁ, এখন আমার সবকিছু মনে পড়তেছে। কোচিংয়ে যাওয়ার জন্য সকালে ফার্মগেটের উদ্দেশ্য রওনা দিয়েছিলাম। বাস থেকে নামার পর মাথা চক্কর দিয়ে ওঠলে রাস্তায় পড়ে যাই, এর পর আর আমার কিছুই মনে নেই।
এমনকি কে আমাকে হাসপাতালে এনেছে সেটাও আমি জানিনা। এখন আমার চাচাত ভাই বলতেছে আমাকে চারদিন আগে হাসপাতালে আনা হয়েছে। কিন্তু আমার মনে হচ্ছে ঘটনাটা আজ সকালেই ঘটেছে
আমি একটি মেয়ে হয়ে আমার ভালবাসার মানুষের সাথে আরেকটি মেয়েকে কিছুতেই মেনে নিতে পারবনা।
রাতুল এতদিন আমাকে বলত সোনালি শুধুই তার বন্ধু। আমিও মেনে নিয়েছিলাম, বন্ধু থাকতেই পারে।
কিন্তু কয়েকদিন আগে যখন লাবন্য, সুস্মিতা, তুলি সব বান্ধবীরা এসে বলতে লাগল, তন্নীরে তুই মনে হয় আর রাতুলকে তোর ভালবাসা দিয়ে আগলে রাখতে পারলিনা।
তখনই হৃদয়টা কাচের টুকরোর মত ফেটে যাচ্ছিল।
তারপর থেকেই শুনতাম, কেউ এসে বলত রাতুল আর সোনালীকে দেখলাম সিনেমা দেখতে গেল।
কেউ এসে বলত সোনালীকে দেখলাম রাতুলের কাঁধে মাথা রেখে শোয়ে আছে।
সবাই মোটামোটি শতভাগ নিশ্চিত রাতুল আর সোনালীর মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক চলছে।
আর নিজেকে মানাতে পারিনি। রাতুল তাহলে কেন বলে সোনালী শুধুই তার বন্ধু? তাহলে সোনালীর সাথে যে সময় দেয় বা ঘুরাফিরা করে সেটা আমার সাথে হওয়ার কথা কারন তার ভালবাসার মানুষ আমি।
ছুটে গিয়েছিলাম রাতুলের কাছে, অনেক ঝগড়া হল দুজনের মধ্যে। সেই থেকে আজো পর্যন্ত রাতুলটা যোগাযোগ করেনি আমার সাথে।
চিন্তায় ভাবনায় ঠিকমত খেতে পারিনা, রাতে ঘুমোতে পারিনা, চোখের নীচে কালি পড়ে গেছে।
পাগলের মত হয়ে গেছি আমি। যাকে এতটা ভাল ভালবাসি তার কাছ থেকে এতটা কষ্ট, অবহেলা আর ছলনা সহ্য করাটা কিভাবে সম্ভব?
অসুস্থ হয়ে গিয়েছি আমি। তবুও কোচিং বাঁধা দেইনি। সকালেও না খেয়েই কোচিংয়ের জন্য বেরিয়ে পড়েছিলাম।
বাস থেকে নামার পরও আমি স্বাভাবিক ছিলাম। কিন্তু হঠাৎ একটি মেয়েকে রাতুলের সাথে রিক্সায় দেখলাম।
মাথাটা কেমন যেন চক্কর দিয়ে ওঠল, রাস্তায় পড়ে গেলাম। এর পর আর কিছুই মনে নেই।
আজ দশদিন পর বাসায় ফিরলাম হাসপাতাল থেকে। ঐ দশ দিনের প্রথম চারদিন নাকি আমি বার বার স্মৃতি হারিয়ে ফেলছিলাম। রাস্তায় যখন পড়ে গিয়েছিলাম তখন আমার মাথার পিছনের দিকটা ফেটে গেছে।
ডাক্তার বলে দিয়েছে যদিও আমি স্মৃতি ফিরে পেয়েছি, তবুও আমার ভুলে যাওয়ার সমস্যাটা থাকবে।
আমি অনেক কিছুই ভুলে যাই, মনে রাখতে পারিনা।
জীবনের ঘটে যাওয়া কিছু কিছু অংশ প্রতিদিন মুছে যাচ্ছে, মনে রাখতে পারছিনা। তাই সিদ্ধান্ত নিয়েছি আমার আর আমার ভালবাসা রাতুলের কাহিনী ডায়রীতে লিখে রাখব, তাহলে ভুলে গেলেও আবার মনে রাখতে পারব।
কলেজে চারদিনের দিন ক্লাসে হঠাৎ রাতুলকে দেখে চমকে ওঠেছিলাম।
রাতুল একই কলেজে আমারি ক্লাসে এটা কিকরে সম্ভব। ওর বাড়িতো নরসিংদী, ঢাকায় কোথায় থাকে? আর এতদিন পরে দেখে কি করব কি বলব ঠিক বুঝে ওঠতে পারছিনা। রাতুল মনে হয় আমাকে দেখেনি এখনো। দেখলে নিশ্চয় স্কুল জীবনের কথা মনে পড়ত।
আমি তখন দশম শ্রেণীতে পড়ি। আমার বাড়িও নরসিংদী। রাতুল পড়ত কালীকুমার বয়েস স্কুল আর আমি গার্লস স্কুল, রাস্তার এপার আর ওপার।
তখনই আমি আবিষ্কার করলাম একটি ছেলে আমাকে ফলো করে। স্কুলে আসতে যেতে, টিফিনের সময় চলে আসত। এসেই ড্যাব ড্যাব করে তাকিয়ে তাকত, তবে কখনো কিছু বলতনা।
রাতুল দেখতে অনেক সুন্দর। আমি তখন জানতামনা রাতুল কিসে পড়ত, তার বন্ধুরা নাম ধরে ডেকেছিল বিধায় নামটা এখনো মনে আছে আমার।
ওর তাকিয়ে থাকাটা আমার কাছেও ভাল লাগত। আমার কিশোরী মনটাও রাতুলের মুখ থেকে কিছু শুনতে চাইত। কিন্তু সে শুধু বোকার মত তাকিয়েই থাকত।
পরবর্তীতে এস. এস. সি পরীক্ষার পর আর রাতুলের খুঁজ পাইনি। আমি ঢাকায় চাচার বাড়িতে চলে এলাম।
কলেজে পরেরদিন আমি ইচ্ছে করেই রাতুলের আশেপাশে ঘুরে বেড়াতাম। কিন্তু সে তাকাতনা, মনে হত সে নিজেকে নিয়ে খুব ব্যাস্ত, আশে পাশে কেউ আছে কিনা সেটা মনে হয় তার দেখার প্রয়োজন নেই।
একসময় সে দেখছে, কিন্তু সে অবাক হয়নি। সেই আগের স্বভাব, এখনো বোকার মত তাকিয়ে থাকে। এতদিন পর দেখা হল, কোথায় তারাতারি এসে কথা বলবে সেটা না করে শুধু তাকিয়েই থাকে।
পরেরদিন রাতুলের তাকিয়ে থাকা দেখে কাছে এগিয়ে গেলাম, কিন্তু নিজে কিছুই বলতেছিনা। হঠাৎ চোখের দৃষ্টি নীচে রেখে রাতুল বলতেছে...
---কোথায় হারিয়ে গিয়েছিলে তুমি? আমি তোমাকে কত খুঁজছি।
--- আমি তোমাকে কোথায় খুঁজব? আমিওতো জানিনা তুমি কোথায় থাকতে?
--- তো ঢাকায় কোথায় এলে?
--- চাচার বাড়িতে। তুমি কোথায় ওঠেছো?
--- হোস্টেলে।
এমন কিছু স্বল্প কথা দিয়েই রাতুলের সাথে আবার নতুন করে পরিচিত হলাম। এবং এই কথাগুলোই প্রথম কথা ছিল, আগে শুধু তাকিয়ে থাকত।.
এর সাড়ে ছয়মাস পর হঠাৎ একদিন পাশে বসে অন্যদিকে তাকিয়ে রাতুল বলতেছে,,
--- একটা বলতে চেয়েছিলাম তোমাকে।
--- বলো বলো (শুনার আগ্রহটা বেশী কাজ করছিল)
---না মানে তন্নী, তুমি আমাকে ভালবাসতে পারবে? আমি তোমাকে অনেক আগে থেকে সেই স্কুলে থাকতেই ভালবাসতাম, এখন তোমাকে পেয়ে আর হারাতে চাইনা।"
আমি খুশিতে কি জবাব দিব বা বলব সব ভুলে গেছি। এই কথাটা শোনার জন্য কত অপেক্ষা করেছি।
রাতুল আবার বলতেছে,,
--- কি হল তন্নী? তুমি কি আমাকে ভালবাসতে পারবানা?
--- হ্যাঁ অবশ্যই পারব।
বলেই ওঠে চলে এসেছি। রাতুল অবশ্য পিছন দিয়ে ডাকছিল, "এই তন্নী, ভালবাসতে পারলে আবার পালাচ্ছ কেন?
আমি যে কেন পালাচ্ছি আমি জানি। আমি এই খুশির অশ্রুজল আমিই দেখব শুধু আয়নার সামনে দাড়িয়ে।
এর পরের দিনগুলো অনেক আনন্দেই কেটেছিল। দুষ্ট মিষ্ট ভালবাসায় ভরপুর ছিল দুজনার জীবন।
যত কঠিন মনের মানুষই হোক, প্রেমে পড়লে কাউকে ভালবাসলে তার মধ্যে পরিবর্তন আসবেই।
ভালবাসার মত ভালবাসলে অবশ্যই ভালবাসা সুন্দর ও পবিত্র।
পাগলের মতই ভালবাসতাম রাতুলকে।
মানুষের জীবনের সুখের দিনগুলো মনে হয় বেশীদিন থাকেনা। পরীক্ষা দেয়ার পর রাতুল মেডিকেলে চান্স পাওয়ার জন্য ওঠে পড়ে লাগল। আমিও যতটা পারতাম উৎসাহ দিতাম। তখন সেই সময়ে কোচিং থেকে সোনালী নামের মেয়েটির সাথে রাতুলের পরিচয় হয়।
তারা নাকি ভাল বন্ধুও। কিন্তু হঠাৎ রাতুলের পরিবর্তন দেখে প্রায়ই বলতাম, তোমার বন্ধু আমার কাছ থেকে তোমাকে কেড়ে নিবেনাতো?
তখন রাতুল বলত,
"আমিনা তোমাকে কথা দিয়েছি আমি তোমার ছাড়া অন্য কারো নই। সোনালী আমার শুধুই বন্ধু"
রাতুল কথা দিয়েছিল ঠিকই কিন্তু কথা রাখতে পারেনি। রাতুল আমার না সোনালীর হয়েছিল। রাতুল আজো জানেনা রাতুলের সাথে ঝগড়ার পর থেকে দিনের পর দিন চিন্তা ভাবনায় না খেয়ে খেয়ে আমি অসুস্থ হয়ে পড়েছি, আর দিন দিন আমার জীবনের কিছু কিছু স্মৃতি ভুলে যাচ্ছি। চোখের জলই মনে হয় আমার ভালবাসার প্রতিদান।
সাড়ে সাত মাস পর রাতুল আমার কাছে ছুটে এসেছে। আমার কাছে ক্ষমা চেয়েছে অসংখ্যবার। রাতুল আমাকে আগেরমত ভালবাসতে চায়, কিন্তু আমি রাতুলকে ফিরিয়ে দিয়েছি।
সোনালী আর রাতুল একসাথেই মেডিকেল কলেজে পরীক্ষা দিয়েছে। কিন্তু সোনালী চান্স পেলেও রাতুল মেডিকেল কলেজে চান্স পায়নি। এর পর থেকেই সোনালী আস্তে আস্তে রাতুলের সাথে যোগাযোগ কমিয়ে দেয়। সর্বশেষ সম্পর্ক ছিন্ন, বাহ্ কি তাদের ভালবাসা? ভালবাসা তাদের কাছে কত সস্তা মনে হয়। চাইলাম পাইলাম, পেয়ে হারালাম, হারিয়ে আবার খুঁজলাম, ভালবাসা তাদের কাছে কত সস্তা।
একবছর পরের ঘটনা.....
আজ আবার বালিশ ভিজিয়ে কেঁদেছি আমি। আজ আমি রাতুলের সাথে সব সম্পর্ক ছিন্ন করে ফেলেছি।
সোনালীর কাছ থেকে রাতুল যখন আমার জীবনে ফিরে আসতে চেয়েছিল, তখন তাকে ফিরিয়ে দিয়েছিলাম।
এর পর থেকে বারবার রাতুল আমার কাছে ছুটে আসত তাকে ক্ষমা করে দেয়ার জন্য, তাকে ভালবাসার জন্য।
শেষ অবধি আমি রাতুলকে ক্ষমা করে দিয়েছিলাম। কারন আমি যে রাতুলকে বড্ড বেশী ভালবাসি।
ক্ষমা করে দেবার পর থেকে আবারো জীবনে রচিত হল প্রেম কাহিনী। সব দুঃখ কষ্ট ভুলে আবারো ভালবাসতে শুরু করেছি রাতুলকে।
কিন্তু "চোখের জলে যার জীবন গড়া, দুঃখ তার দরজায় বারবার কড়া নাড়ে।"
রাতুল একটি পার্টটাইম চাকুরী জোগাড় করে। সেখানকার এক মেয়ের সাথে রাতুল নতুন করে সম্পর্ক তৈরী করে।
এবারও রাতুল বলতেছে মেয়ে তার শুধুই একজন বন্ধু।
তবে যার ঘরে আগুন লাগে সে বিদ্যুৎ চমকালেও ভয় পায়।
আমি সব খবর পেয়ে গেলাম। রাতুলের নতুন প্রেমের খবর সব জানার পরও রাতুল সব অস্বীকার করে।
আমার সাথে রাগারাগি করে, পাল্টাতে থাকে আবার আগের মত করে।
গত পরশু সব আসল খবর জানতে পেরে আমি রাতুলের সাথে চিরদিনের জন্য সব সম্পর্ক ছিন্ন করেছি।
ভার্সিটির বান্ধবীরা আমাকে একা দেখলেই আমাকে সময় দেয়, আমাকে হাসানোর চেষ্টা করে।
আর আমি বোকা মেয়ের মত ওদের জড়িয়ে ধরে বাচ্চা মেয়ের মত কান্না করে ফেলি।
আমি কিছুতেই স্বাভাবিক হতে পারছিনা। মাথাটা প্রায় সময় ব্যাথা করে। ঔষধ খাওয়ার পরও একই অবস্থা।
ডাক্তার বলেছে চিন্তা ভাবনা কমাতে, কিন্তু আমিতো তা কমাতে পারিনা।
জীবন পাতার অনেক স্মৃতিই আস্তে আস্তে ভুলে যাচ্ছি, কিছু মনে রাখতে পারিনা।
আর আমি চেষ্টা করতেছি রাকুলকে যেন ভুলে যাই, কিন্তু ভুলতে পারিনা। চোখ দুটো সারাক্ষন শুধু রাতুলকেই খুঁজে ফিরে। যে রাতুল কখনো আমারনা, তাকেই ভুলতে পারিনা। মনে পড়ে বারে বারে।
এখন পড়তেও অনেক কষ্ট হয়। অনেক পড়া মনে রাখতে পারিনা। তবে রাতুলটা ঠিকই মনেরর গহীনে আছে, তাড়াতে পারছিনা। গভীর রাতে অন্ধকারে আমার দুই চোখে বৃষ্টি হয়। রাতুল কোনদিনও জানতে পারবেনা কিছু। কখনো বুঝবেনা আমি যে রাতুলটাকে কত্ত ভালবাসি।
" সব ভালবাসা পূর্ণ পায়না। কিছু ভালবাসা থাকে হৃদয়ের গহীন কোণে, আর কিছু ভালবাসা ঝরে পড়ে চোখের জল হয়ে।"

16/10/2016

আল্লাহ তাআলার নেক বান্দা হলো ঐ সকল লোক যারা ব্যয়ের ক্ষেত্রে অপব্যয়কে প্রশ্রয় দেয় না আর কৃপণতাও করে না। বরং এই দু’টি পথের মধ্যে অবস্থান করে ব্যয় করে থাকে। সূরা আল ফুরকান: ৬৭

10/10/2016

এই পেইজটাতে সবায় লাইক দেই এবং পেইজটি কে জনপ্রিয় করে তুলি, আসা করি সবার ভালো লাগবে like pleZ Radiomunnabd.comlike plez Radiomunnabd.com like plez Radiomunnabd.com

10/10/2016

প্রিয়তমেষু
লেখকঃ #কথা_শ্রোতা_রনি
----(বোকার স্বর্গ)----
↓↓
এক গাঁদা ফুল নিয়ে অপেক্ষা করছি কিন্তু এখনো
আসছে না....
আমার সাথে ধোকাবাজি করলো নাতো
আবার.....
অপেক্ষা করতে করতে আদ ঘন্টা পেরিয়ে গেলো
কিন্তু এখনো আসছে না......
তার কাথামত ১০ টার সময় আসার কথা ছিল আর
এখন ১০ টা বেজে ৩০ মিনিট.......ও আমার সাথেই
সত্যিই ধোকাবাজি করছে.....
---
তিক্ত অপেক্ষার এই বুলি গুলো অয়নের.....
পাঁচ বছরের রিলেশন প্রিয়ার সাথে তার..........
আজ বেলেনটিনেজ ডে,সেই উপলক্ষে বরাবরের মত
পার্কে ঘুরতে বের হওয়ার কথা.....প্রিয়তম
েষুর
(প্রিয়াকে প্রিয়তমেষু বলেই ডাকা হয়) সাথে
তার এক বান্ধবীরও আসার কথা,কিন্তু এখনো
আসছে না.....
---
অনেক্ষন অপেক্ষায় থেকে মন খারাপ করে বাসার
উদ্দেশ্যে রওয়ানা হল অয়ন....রাস্তা দিয়ে
হাঁটছে আর ভাবছে কেন প্রিয়তমেষু এল না.....
বলতে বলতে প্রিয়তমেষুর নাম্বার থেকে কল
আসলো......
-হ্যালো কে অয়ন ভাইয়া?আমি শ্রাবনী প্রিয়ার
বান্ধবী....
-হুম....শ্রাবনী বল?
-ভাইয়া প্রিয়ার আজকে আসার কথা ছিলো....ও
প্রস্তুতিও নিছিলো কিন্তু বের হবে ঠিক ওই সময়ই
স্ট্রোক করলো.....এখন ও হসপিটালে.....(ক
ান্না
কন্ঠে)
-কোন হসপিটালে... অতঃপর হসপিটালের
ঠিকানা নিলো অয়ন....
---
রাস্তা দিয়ে হাঁটতে কেমন জানি অস্থিরতা
বোধ হচ্ছে তার....
আগেতো এমন হত না,আজ কেন এমন হচ্ছে নিজেকে
নিজে প্রশ্ন করলো অয়ন......
অতঃপর হসপিটালে গিয়ে পৌঁছলো অয়ন.....
---
হসপিটালের বেডে প্রিয়ার দেহ পড়ে আছে......
এটা ভাবতে অবাক লাগছে....
কেননা প্রিয়তমেষু খুব চঞ্চল এতক্ষন নীরব হয়ে
থাকা কি করে সম্ভব....
অতচ আজ নীরব,নিথর দেহ পড়ে আছে.....
---
ডাক্তারের সাথে কথা বললাম...
ডাক্তার আংকেল আমার প্রিয়তমেষুকে বাঁচাতে
পারবেন তো?
যে ভাবেই হোক ওকে বাঁচান আংকেল??
এতটা ভয় হত না এই নিয়ে ৩য় বার....
তাই অনেক ভয় হচ্ছে.....
আর ডাক্তার আংকেল ভয়টা আরো বাড়িয়ে
দিলো....
ওনি আমার কোন প্রশ্নের সঠিক জবাব দিল না.....
---
দীর্ঘ ৪৮ ঘন্টা পরে প্রিয়তমেষু একটু চোখ খুললো....
এখনো ভয় কাটেনি.....
পাশে আমি আর ওর আম্মু......
আম্মু পাশে তারপরও লজ্জাবোধ করলো না......
চুপি স্বরে আমাকে বলে উঠলো "আই লাভ ইউ"......
এই কথা বলে আবার ঘুমিয়ে গেল....
আমি অনেক লজ্জাবোধ করলাম কেননা পাশে ওর
আম্মু....
-------৪ দিন পর-------
জ্ঞান ফিরছে না প্রিয়তমেষুর.....
প্রিয়তমেষুর অবস্থার আস্তে আস্তে অবনতি
হচ্ছে......
ডাক্তার ২৪ ঘন্টা সময় দিল,এর মধ্যে জ্ঞান না
ফিরলে নাকি মারা যাবে.....
কথাটা শুনে অয়নের ভয় আরো বেড়ে গেল......
অতঃপর ১৫ দিন হসপিটালের বেডে গড়াগড়ি করে
প্রিয়া(প্রিয়তমেষু)মারা গেল.....অয়নের আত্ন
চিৎকারে পুরো হসপিটালে লাখো মানুষের ভিড়
জমে গেল......
সব স্বপ্ন আর ভালোবাসা বিসর্জন দিয়ে,এক নদী
অশ্রু উপহার দিয়ে প্রিয়তমেষুর দেহ কবরে রেখে
অয়ন তার বাসায় চলে আসলো.....
---
কয়েকটা দিন ভালো কাটছে না অয়নের....
খুব একা লাগছে,মনে হচ্ছে দেহটা বোধহয়
প্রিয়তমেষুর সাথে ওপারে চলে গেছে.....মন
থেকে ভুলা যাচ্ছে না তার কথা.....ভুলব কি করে
প্রিয়তমেষু বলে কথা.....ভালো ছিল প্রিয়তমেষুর
সাথে ওপারে চলে যাওয়া........
এমন ভাবনার মাঝেই কাটে অয়নের দিন......
*
*
আজ এক বছর পূর্ন হল প্রিয়তমেষুর মৃত্যুর......
বরাবরের মত হাতে এক গাঁদা ফুল নিয়ে দেখা
করতে যাচ্ছে অয়ন.....
পার্থক্য হচ্ছে আগে প্রিয়তমেষু পাশে থাকতো
আর এখন নেই.......
কবরের কাছে গেল অয়ন.....
ফুলগুচ্ছ গুলো কবরের উপর রাখলো.....
তারপর আর কি হবে সেই কান্না....
আবার কান্না আরম্ভ করলো....
জীবন কেটে যাবে অয়নের এই কান্না বোধহয় শেষ
হবে না..........
----সমাপ্ত----
# টিকলীর_প্রেমিক

Address

Dhaka
3030

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Radiomunnabd.com posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Establishment

Send a message to Radiomunnabd.com:

Share