The Truth Checker - সত্যতা যাচাই

The Truth Checker - সত্যতা যাচাই “Two Things are Infinite: The Universe and Human Stupidity; and I'm Not Sure about The Universe"

Verified Account Official Facebook V.I.P Page
█║▌│█│║▌║││█║▌│║█║▌
© Official Page ✔ All rights reserved. ®

12/08/2021

আইনস্টাইনের থিওরি অফ রিলেটিভিটি থেকে টাইম ডাইলেশন নিয়ে কিছু মজার তথ্য -

"আপনি যদি কোন মহাকাশযানে আলোর গতির খুব কাছাকাছি স্পিডে এক সপ্তাহ ভ্রমণ করে আসেন তাহলে পৃথিবীতে এসে দেখবেন আপনার সমবয়সী বন্ধু এখন বৃদ্ধ পার হয়ে গেছে অনেক বছর"

কিন্তু অনেক এই বিষয়টা অনেকেই বুঝতে পারছেন না, অনেকে কমেন্টে প্রশ্ন করছেন এক ঘন্টা কিভাবে অনেক বছর হতে পারে। বিষয়টা আসলে খুবই সহজ, শুধুমাত্র আপনার গতানুগতিক চিন্তাধারা থেকে একটু বাইরে বেরিয়ে আসতে হবে।

আমাদের সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো আমরা ভাবি সময় পরম অর্থাৎ সবখানে সমান ভাবে চলে।

কিন্তু সত্যটা হল সময় পরম নয় আপেক্ষিক, অর্থাৎ আমাদের পৃথিবীর এক মিনিট অন্য গ্রহে হয়তো এক ঘন্টা অথবা এক সেকেন্ড।

সময় স্লো বা ফার্স্ট হওয়ার জন্য দুইটি বিষয় নির্ভর করে-
১, স্পিড (গতি)
২, ম্যাস (ভর)

সাধারণত বেশি গ্রাভিটি যুক্ত প্লানেটে সময় ধীরে চলে। যেমন ব্ল্যাকহোলের পাশে যে গ্রহ গুলো আছে তাদের সময় আমাদের পৃথিবীর তুলনায় অনেক ধীরে চলে। আবার গতিশীল মহাকাশযানে থাকলে সময় স্লো হয়ে যায় ।

অর্থাৎ এখান থেকে একটি জিনিস ক্লিয়ার বুঝতে পারছেন সময় এক এক জায়গায় এক এক রকম স্পিডে চলে।

একটি উদাহরণ দেই তাহলে বিষয়টি আরো ক্লিয়ার হয়ে যাবে, ধরুন আপনি প্লানেট এক্স এ আছেন যেটা একটি সুপার ম্যাসিভ ব্ল্যাকহোলের খুব কাছের গ্রহ, যেখানে সময় পৃথিবীর তুলনায় অনেক ধীরে চলছে।
আপনি যখন ওই গ্রহে এক ঘন্টা কাটাচ্ছেন তখন আপনি অবশ্যই বুঝতে পারছেন আপনি এই গ্রহে মাত্র এক ঘণ্টা কাটিয়েছেন আপনার ঘড়িতে একঘন্টা কাউন্ট হয়েছে, এখন যদি আমি বলি না আপনি 20 বছর ধরে এই গ্রহে আছেন তাহলে নিতান্তই আপনার কাছে হাস্যকর মনে হবে কারণ আপনি মাত্র এক ঘণ্টা কাটিয়েছেন।

কিন্তু মজার ব্যাপার হলো এটা আপনি যতক্ষণে ওই গ্রহে 1 ঘন্টা কাটাচ্ছেন পৃথিবীতে ততক্ষনে পার হয়ে গেছে 20 বছর। কারণ পৃথিবীর সময়ের স্পিড ছিল অনেক বেশি। পৃথিবীতে থাকা প্রত্যেকটি মানুষ প্রত্যেকটি বস্তু অনুধাবন করছে তারা 20 বছর কাটিয়েছে। তাদেরকে যদি বলি যে আপনারা তো একঘন্টা কাটিয়েছেন তাহলে তাদের কাছেও বিষয়টি হাস্যকর মনে হবে। আসলে এখানে মূল বিষয় হচ্ছে আপনারা একই অবস্থানে নাই দুইটা দুই স্থানে।

আপনি প্লানেট এক্স থেকে যদি পৃথিবীর দিকে তাকাতে পারতেন তাহলে দেখতেন পৃথিবীর রাতদিন 24 ঘন্টা পার হচ্ছে না, পার হচ্ছে এক সেকেন্ডের কম সময়ে, আপনার কাছে মনে হতো পৃথিবীর একি হলো এত দ্রুত গতিতে চলছে কেন?

আবার উল্টোদিকে পৃথিবী থেকে আপনার গ্রহের দিকে তাকালে মনে হবে সবকিছু এতই স্লো যে আপনারা প্রায়ই স্থির আছেন।

কিন্তু প্রত্যেকে প্রত্যেকের অবস্থান থেকে মনে হবে সময় একদম ঠিকঠাক মতো চলছে। কিন্তু প্রবলেম টা হল একজনের সাপেক্ষে অন্যজনের সময় ঠিক নাই। বিষয়টা অনেকটা এরকম যে আপনার কাছে যেটা 9 আপনার উল্টা দিকে থাকা মানুষের কাছে 6 ।

আসলে আমরা যে অবস্থানে থাকি আমাদের আশেপাশের সবকিছু যদি সেইম স্পিডে চলতে থাকে তাহলে আমরা আমাদের গতিশীল অবস্থাটাকে কখনো পার্থক্য করতে পারিনা। ধরুন আপনাকে হাত-পা বেঁধে অজ্ঞান করে একটি জাহাজের কেবিনে আটকে রাখা হলো তারপর যখন আপনার জ্ঞান ফিরল তখন আপনি দেখলেন আপনি একটি রুমে শুয়ে আছেন আপনি কিছুতেই বুঝতে পারছেন না আপনি কোথায় আছেন, আপনার কোন আইডিয়া নেই আপনি গতিশীল নাকি স্থির। এখন আপনি যদি কেবিন থেকে বাইরে বেরিয়ে আসেন তাহলে সমুদ্রের দিকে তাকালে আপনি বুঝতে পারবেন যে আপনি কতটা গতিশীল জাহাজে আছেন।

ঠিক তেমনিভাবে আপনি আমি এখন যে যে অবস্থানে আছি আমরা মোটামুটি সিওর যে আমরা স্থির, কিন্তু পৃথিবী যে গতিশীল সেটা আমরা বুঝতে পারছি না কারণ আমাদের আশেপাশের সব কিছুই আমাদের সেইম স্পিডে চলছে।

ঠিক একইভাবে আমাদের কোন আইডিয়া নেই যে সময় অন্য স্থানে ভিন্ন স্পিডে চলতে পারে।

তাহলে এখন প্রশ্ন হল "সময়" জিনিসটা আসলে কি? স্লো বা ফাস্ট হয় কিভাবে? সেটা না হয় অন্যদিন আলোচনা করবো। সবাই ভালো থাকুন গবেষণায় থাকুন আপনার কোন আইডিয়া জন্ম দিতে পারে নতুন একটি পৃথিবী।

সবার জীবনে আছে এমন গল্প, বিশেষ করে যারা হোস্টেল বা মেসে পড়াশোনা করেছে❤️
30/07/2021

সবার জীবনে আছে এমন গল্প,
বিশেষ করে যারা হোস্টেল বা মেসে পড়াশোনা করেছে❤️

30/07/2021

বাংলাদেশ ঘুরায় আপনার স্কোর কত?

আমার স্কোর ২ মাত্র.... আমি ডিপ্রেশনে গেছিগা🙃

আপনাদের স্কোরও দেখে নিতে পারেন...

1. সাজেক - ৩
২. ময়ুঙকপাল -২
৩ রিসাং ঝর্ণা - ১
৪ তারেং- ১
৫ আলুটীলা -১
৬ বিছানাকান্দি - ২
৭ রাতারগুল - ২
৮ জাফলং - ২
৯ লালখাল - ২
১০ উৎমাছড়া -২
১১ সাদাপাথর -২
১২ তুরং ছড়া -২
১৩ মাধবকুন্ডু -২
১৪ মাধবপুর লেক-২
১৫ লাওয়াছড়া - ১
১৬ হাম হাম ঝর্ণা - ৩
১৭ চন্দ্রনাথ পাহাড় - ৩
১৮ নাপিত্তিছড়া ট্রেইল -২
১৯ খৈয়াছড়া- ২,, খৈয়াছড়া ৮ম স্টেপ -৩, খৈয়াছড়া ১৩ম সিড়ি -৪
২০ কমলদহ ট্রেইল - ২
২১ সোনাইছড়ি ট্রেইল -৩
২২ সুপ্তধারা, সহস্রধারা - ২
২৩ বাশবাড়িয়া -১
২৪ কুমিরা সি বিচ - ১
২৫ সন্দিপ - ২
২৬ কুয়াকাটা -৩
২৭ নিঝুম দ্বীপ -৩
২৮ চর কুকরি মুকরি - ৩
২৯ মনপুরা - ২
৩০ ভাসমান পেয়ারা বাজার -২
৩১ বিরিসিরি - ২
৩২ বারিক্কা টিলা -১
৩৩ টাংগুয়ার হাওর -৩
৩৪. শিমুল বাগান -২
৩৫ টেকেরঘাট -১
৩৬ নিলাদ্রি লেক -১
৩৭ কাপ্তাই লেক -২
৩৮ দুপ্পানি ঝর্ণা -২
৩৯ গাছকাটা ঝর্ণা-১
৪০ ণকাটা ঝর্ণা -১
৪১ দুমলং -৭
৪২ পতেংগা সি বিচ -২
৪৩. নারিকেল সি বিচ - ২
৪৪ মহেশখালি -২
৪৫ সেইন্ট মার্টিন -৪
৪৬ সোনারগাও - ১
৪৭ মৈনট ঘাট - ১
৪৮ মাওয়া ঘাট -১
৪৯ - আড়িয়াল বিল -১
৫০ নীলগিরি -১
৫১ নিলাচল -১
৫২ স্বর্ম্মন্দির - ১
৫৩ মেঘলা -১
৫৪ অমিয়াখুম জলপ্রপাত -৭
৫৫ আলীকদম গুহা -৩
৫৬ কেওক্রাডং -5
৫৭ জাদিপাই ঝর্ণা - 3
৫৮ চিম্বুক পাহাড় - ২
৫৯ দামতুয়া ঝর্ণা - ৩
৬০ তিনাপ সাইতার - ৪
৬১ নাফাখুম -৩
৬২ নাইক্ষংমুখ -১
৬৩ সাতভাইখুম -১
৬৪ - ভেলাখুম -১
৬৫ দেবতাখুম -৩
৬৬ মহামায়া লেক ক্যাম্প - ২
৬৭ গুলিয়াখালি -১
৬৮ ক্রিস তং -৫
৬৯ সাকাহাফং - ১০
৭০ জোতলং - ৮
৭১ যোগী হাফং -৬
৭২ তাজিংডং - ৪
৭৩ ডিম পাহাড় -২
৭৪ তলাবং ঝর্ণা - ২
৭৫ রেমাক্রি - ৩
৭৬ সুন্দরবান - ৪
৭৭ কক্সবাজার -১
৭৮ সোয়াচ অফ নো গ্রাউন্ড -২
৭৯ হরিংঘাট -২
৮০ বগাকাইন হ্রদ -২
৮১ লিলুক ঝর্ণা -৩
৮২ রিজার্ভ ফলস-৩
৮৩ নিকলী হাওর-১
৮৪ ঢিবির হাওর-২
৮৫ কালাপাহাড় -২
৮৬ মাতায়ন্তং-২
৮৭ দেবতাপুকুর-২
৮৮ হাজাছরা ঝরনা-২
৮৯- লালনের কুঠিবাড়ি-৩
৯০-রবীন্দ্র কুঠিবাড়ি-৩
৯১-মন্টু মিয়ার বাগানবাড়ী -২
৯৩- মুজিবনগর- ২
৯৪. কান্তজিউ মন্দির- ৩
৯৫. তিনবিঘা করিডোর-৭
৯৬. গুঠিয়া মসজিদ- ১
৯৭. পাথরঘাটা- ২
৯৮. বালাসি ঘাট- ২
৯৯. বালিয়া মসজিদ- ৪
১০০. রামসাগর - ২

ক্রেডিটঃ Savage Thoughts

তাহাজ্জুদ⭕তাহাজ্জুদ নিয়ে মোটিভেশনাল কিছু কথা এইভাবে তাহাজ্জুত পড়ে দেখুন, আজ থেকে আপনার সকল অভিযোগ বন্ধ হয়ে যাবে! ইন...
02/06/2021

তাহাজ্জুদ

⭕তাহাজ্জুদ নিয়ে মোটিভেশনাল কিছু কথা এইভাবে তাহাজ্জুত পড়ে দেখুন, আজ থেকে আপনার সকল অভিযোগ বন্ধ হয়ে যাবে! ইনশাআল্লাহ

রাত ২/৩ টা তাহাজ্জুত এর সময় হয়েছে, ওঠো! ওয়াশরুমে যাও, মিসওয়াক শেষে উত্তমরুপে ওযু বা গোসল করে সবচেয়ে সুন্দর ও পবিত্র জামাটি পরিধান করো; কাউকে দেখানোর জন্য না! একমাত্র তোমার রব আল্লাহর জন্য।

চোখে সুরমা লাগাও, মাথার চুল আঁচড়া ও হালাল সুগন্ধি লাগাও। নিজেকে উত্তমরুপে সাজাও, আজকের এই গোসল, এই সাজ আল্লাহর জন্য। শুধুই মহান সৃষ্টিকর্তার জন্য, জায়নামাজ বিছিয়ে ধীরস্থির ভাবে দুই রাকাত নামাজ পড়ো।

নামাজান্তে সেজদায় লুটিয়ে চোখের পানি ছেড়ে মহান সেই রবকে ডাকো, যিনি তোমার প্রার্থনা শোনার জন্য, তোমার চোখের পানি দেখার জন্য প্রথম আসমানে নেমে এসেছেন, ধৈর্য্যধারণ করে, প্রশান্তচিত্তে, নামাজের মধ্যে তাঁকে ডাকতে থাকো। সেই রব তোমার দোয়া কবুল করবেন না তো আর কার দোয়া কবুল করবেন!

তোমার ডাক শুনবেন না তো আর কার ডাক শুনবেন! তুমি আর সেই ব্যক্তি কি এক হয়ে গেলে যিনি বেঘোরে ঘুমাচ্ছে আর তুমি অশ্রুবর্ষণ করে মহান রবের কুদরতি পা সিক্ত করছো!

না না তুমি আল্লাহর রহমতের ছাঁয়ার নিচে আর সে অনেক অনেক দূরে।
তোমার প্রার্থনায় আরশ কেঁপে ওঠছে, তকদির দোলছে, অবশেষে আল্লাহ তকদির পরিবর্তন করে বান্দার আরজি কবুল করেন।

وَمِنَ ٱلَّيۡلِ فَتَهَجَّدۡ بِهِۦ نَافِلَةٗ لَّكَ عَسَىٰٓ أَن يَبۡعَثَكَ رَبُّكَ مَقَامٗا مَّحۡمُودٗا ٧٩ – الاسراء.

“আর রাতের কিছু অংশে তাহাজ্জুদ আদায় কর ‎‎তোমার অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে। আশা করা ‎যায়, তোমার রব তোমাকে প্রশংসিত অবস্থানে ‎প্রতিষ্ঠিত করবেন”। (সূরা ইসরা:৭৯)

তোমার দোয়া কবুল হয় না, তোমার দুঃখ মোচন হয় না, তোমার বিপদ আরো বেড়েই চলছে...। ওই নিয়মে ডাকতে থাকো,যদি ডাকার মতো তাঁকে ডাকো তবে তোমার দোয়া কবুল হতে ১মিনিটও লাগবে না।
আল্লাহ তায়ালা বলেন,

"আমি যখন কোনো কিছু করার ইচ্ছে করি
তখন তাকে এতটুকুই বলি যে 'হয়ে যাও'
সুতরাং তা হয়ে যায়!!
[ সূরা আন'নহল: 40 ]
পৃথিবীতে এমন কেউ কি আছে যে আল্লাহর কাছে কিছু চেয়েছে কিন্তু আল্লাহ তা দেয়নি? প্রমাণ করতে পারবে?
হুমম...হুবহু সেই জিনিসটি হয়তো দেননি তবে তার থেকে অনেক অনেক গুণ উত্তম কিছু দিয়েছেন। পরবর্তীতে প্রার্থনাকারী অবশ্যই তা টের পেয়ে লজ্জিত হয়ে বলেছেন- হায়! আমি কত বোকা, না বুঝে কত ছোট প্রার্থনাই না করেছিলাম।
কখনো কি আল্লাহর জন্য নিজেকে সাজিয়েছো? ঐ ভাবে মহান রবকে ডেকেছো?
তাহলে প্রস্তুত হয়ে যাও আজ থেকেই
উঠো,তাহাজ্জুদ পড়ো...
⭕ আল্লাহ আমাদের সকলের নেক দোয়া গুলো কবুল করুন,আমিন ।

!!এক চমকপ্রদ ইতিহাস!!হজ্জ কিংবা উমরাহ করতে যাঁরা মক্কায় হারাম শরীফে গিয়েছেন, তাঁরা সবাই নিশ্চয়ই একটা ব্যাপার লক্ষ্য করে...
28/05/2021

!!এক চমকপ্রদ ইতিহাস!!

হজ্জ কিংবা উমরাহ করতে যাঁরা মক্কায় হারাম শরীফে গিয়েছেন, তাঁরা সবাই নিশ্চয়ই একটা ব্যাপার লক্ষ্য করেছেন- চামড়া পোড়ানো প্রখর রোদে খোলা আকাশের নিচে কাবার চারপাশে তাওয়াফ করার সময় পায়ের তলাটা পুড়ে যায় না, বরং বেশ ঠান্ডা অনুভূত হয়।
কারণ, এর নেপথ্যে রয়েছে এক চমকপ্রদ ইতিহাস।
ড. মোহাম্মাদ কামাল ইসমাইল (১৯০৮-২০০৮) একজন মিশরীয় প্রকৌশলী ও স্থপতি; লোকচক্ষুর অন্তরালে থাকতেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করতেন। মিশরের ইতিহাসে তিনিই ছিলেন প্রথম সর্বকনিষ্ঠ শিক্ষার্থী- যিনি হাইস্কুল শেষে ‘রয়েল স্কুল অব ইঞ্জিনিয়ারিং’-এ ভর্তি হয়ে স্নাতক সম্পন্ন করেন। ইউরোপে পাঠানো ছাত্রদের ভেতরেও তিনি ছিলেন সর্বকনিষ্ঠ, ইসলামি আর্কিটেকচার-এর ওপর তিনটি ডক্টরেট ডিগ্রিপ্রাপ্ত প্রথম মিশরীয় প্রকৌশলী।

ড. মোহাম্মাদ কামাল ইসমাইল প্রথম প্রকৌশলী- যিনি হারামাইন (মক্কা-মদিনা) সম্প্রসারণ প্রকল্পের পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের ভার নিজের কাঁধে তুলে নেন। এই সুবিশাল কর্মযজ্ঞ তত্ত্বাবধান করার জন্য সৌদি বাদশাহ ফাহাদ এবং বিন লাদেন গ্রুপের সুপারিশ থাকা সত্ত্বেও তিনি কোনো পারিশ্রমিক গ্রহণ করেননি; মোটা অংকের চেক উনি ফিরিয়ে দেন! তাঁর সততা ও কাজের প্রতি আন্তরিকতা তাঁকে বাদশাহ ফাহাদ, বাদশাহ আব্দুল্লাহসহ সকলের প্রিয়পাত্র ও বিশেষ আস্থাভাজন করে তোলে।

তিনি বাকার বিন লাদেনকে বলেছিলেন, এই দু’টি পবিত্র মসজিদের কাজের জন্য পারিশ্রমিক নিলে শেষ বিচারের দিনে আমি কোন মুখে আল্লাহর সামনে গিয়ে দাঁড়াবো?

ব্যক্তিগত জীবনে তিনি ৪৪ বছর বয়সে বিয়ে করেন। তাঁর স্ত্রী সন্তান জন্ম দিয়ে মারা যান। এরপর তিনি আর বিয়ে করেননি। মৃত্যু পর্যন্ত তাঁর পুরোটা জীবন আল্লাহর ঘর রক্ষণাবেক্ষণে উৎসর্গ করেন। অর্থ-বিত্ত, খ্যাতি-যশ, মিডিয়ার লাইম লাইট থেকে দূরে সরে থেকে তিনি তাঁর ১০০ বছরের জীবনের পুরোটা সময় মক্কা ও মদীনার দুই মসজিদের সেবায় বিনিয়োগ করে গেছেন।

মক্কা-মদিনার হারাম শরীফের মার্বেলের কাজের সঙ্গে উনার জীবনের একটি বিস্ময়কর ঘটনা রয়েছে। উনি চেয়েছিলেন- মাসজিদুল হারামের মেঝে তাওয়াফকারীদের জন্য এমন মার্বেল দিয়ে আচ্ছাদিত করে দিতে- যার বিশেষ তাপ শোষণ ক্ষমতা রয়েছে। এই বিশেষ ধরনের মার্বেল সহজলভ্য ছিল না। এই ধরনের মার্বেল ছিল পুরো পৃথিবীতে কেবলমাত্র গ্রিসের ছোট্ট একটি পাহাড়ে।

ড. মোহাম্মাদ কামাল ইসমাইল গ্রিসে গিয়ে পর্যাপ্ত পরিমাণে মার্বেল কেনার চুক্তিস্বাক্ষর করে মক্কায় ফিরে এলেন এবং সাদা মার্বেলের মজুদও চলে এলো। যথাসময়ে বিশেষ নকশায় মাসজিদুল হারামের মেঝের সাদা মার্বেলের কাজ সম্পন্ন হলো।

এর ঠিক ১৫ বছর পরে সৌদি সরকার তাঁকে মাসজিদুন নব্বীর চারদিকের চত্বরও একইভাবে সাদা মার্বেল দিয়ে ঢেকে দিতে বললেন। কিন্তু ড. মোহাম্মাদ কামাল ইসমাইল দিশেহারা বোধ করলেন! কেননা ওই বিশেষ ধরনের মার্বেল কেবলমাত্র গ্রিসের ওই ছোট্ট জায়গা বাদে গোটা পৃথিবীর কোথাও পাওয়া যায় না এবং সেখানে যতটুকু ছিল, তার অর্ধেক ইতোমধ্যেই কিনে মক্কার হারাম শরীফে কাজে লাগানো হয়ে গেছে। যেটুকু মার্বেল অবশিষ্ট ছিল- সেটা মাসজিদুন নব্বীর প্রশস্ত চত্বরের তুলনায় সামান্য!

ড. মোহাম্মাদ কামাল ইসমাইল আবার গ্রিসে গেলেন। সেই কোম্পানির সি.ই.ও-র সঙ্গে দেখা করে জানতে চাইলেন, ওই পাহাড় আর কতটুকু অবশিষ্ট আছে? সি.ই.ও জানালেন, ১৫ বছর আগে উনি কেনার পরপরই পাহাড়ের বাকি অংশটুকুও বিক্রি হয়ে যায়! এই কথা শুনে তিনি এতটাই বিমর্ষ হলেন যে, তাঁর কফি পর্যন্ত শেষ করতে পারলেন না! সিদ্ধান্ত নিলেন- পরের ফ্লাইটেই মক্কায় ফিরে যাবেন। অফিস ছেড়ে বেরিয়ে আসার আগে কী মনে করে যেন অফিস সেক্রেটারির কাছে গিয়ে সেই ক্রেতার নাম-ঠিকানা জানতে চাইলেন- যিনি বাকি মার্বেল কিনেছিলেন।

যদিও এটা অনেক দুরূহ কাজ, তবু কামালের পুনঃপুন অনুরোধে সে পুরোনো রেকর্ড চেক করে জানাবে বলে কথা দিলো। নিজের নাম এবং ফোন নম্বর রেখে বেরিয়ে আসার সময় কামাল মনে মনে ভাবলেন- কে কিনেছে, ১৫ বছর পরে তা জেনেই-বা আর লাভ কী?

পরদিন এয়ারপোর্টের উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ার আগে অফিস সেক্রেটারি ফোনে জানাল, সেই ক্রেতার নাম-ঠিকানা খুঁজে পাওয়া গেছে! কামাল ধীর গতিতে অফিসের দিকে যেতে যেতে ভাবলেন- ঠিকানা পেয়েই-বা লাভ কী? মাঝে তো অনেকগুলো বছর পেরিয়ে গেছে...।

অফিসে পৌঁছলে সেক্রেটারি তাঁকে ওই ক্রেতার নাম-ঠিকানা দিলেন। ঠিকানা হাতে নিয়ে ড. মোহাম্মাদ কামাল ইসমাইলের হৃদ্স্পন্দন বেড়ে গেল, যখন তিনি দেখলেন- বাকি মার্বেলের ক্রেতা একটি সৌদি কোম্পানি!

কামাল সেদিনই সৌদি আরব ফিরে গেলেন। সেখানে পৌঁছে তিনি কোম্পানির ডিরেক্টর এডমিন-এর সঙ্গে দেখা করে জানতে চাইলেন- মার্বেলগুলো দিয়ে তাঁরা কী করেছেন, যা অনেক বছর আগে গ্রিস থেকে কিনেছিলেন?

ডিরেক্টর এডমিন প্রথমে কিছুই মনে করতে পারলেন না। কোম্পানির স্টক রুমে যোগাযোগ করে জানতে চাইলেন- ১৫ বছর আগে গ্রিস থেকে আনা সাদা মার্বেলগুলো দিয়ে কী করা হয়েছিল? তারা খোঁজ করে জানাল- সেই সাদা মার্বেল পুরোটাই স্টকে পড়ে আছে, কোথাও ব্যবহার করা হয়নি!

এই কথা শুনে কামাল শিশুর মতো ফোঁপাতে শুরু করলেন। কান্নার কারণ জানতে চাইলে তিনি পুরো ঘটনা কোম্পানির মালিককে খুলে বললেন। ড. কামাল ওই কোম্পানিকে সৌদি সরকারের পক্ষে একটি ব্লাংক চেক দিয়ে ইচ্ছেমতো অংক বসিয়ে নিতে বললেন। কিন্তু কোম্পানির মালিক যখন জানতে পারলেন- এই সাদা মার্বেলে রাসূল (সা.)-এর মসজিদ চত্বর বাঁধানোর জন্য ব্যবহৃত হবে, তৎক্ষণাৎ তিনি এর বিনিময় মূল্য নিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে বললেন, আল্লাহ্ সুবহানুতায়ালা আমাকে দিয়ে এটা কিনিয়েছিলেন আবার তিনিই আমাকে এর কথা ভুলিয়ে দিয়েছেন; কেননা এই মার্বেল রাসূল (সা.)-এর মসজিদের উদ্দেশ্যেই এসেছে…!

(সংগৃহীত)

07/05/2021

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when The Truth Checker - সত্যতা যাচাই posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share