RadioAmar24.com

RadioAmar24.com Radioamar21.com আপনাকে সাগতম।

18/01/2016

[ ভালবাসার ২য় গল্প ]
Written by ---- রোহান আহমেদ
নীরব আজ প্রায় ৯ বছর পর ইতালি
থেকে
বাংলাদেশ এ আসছে, নীরব এর কোন
দিন আসার ইচছা ছিল না, শুধু আসতে
হলো ওর আদরের ছোট ভাই এর কারনে
আগামী কাল নীরবের ছোট ভাইয়ের
বিয়ে, নীরব এর ছোট ভাই বিয়ে
করতেছে কিন্তু নীরব আজ ও বিয়ে
করেনি, আর কোনদিন বিয়ে করবে ও
না
বলে নিরব ঠিক করেছে, নীরব বিয়ে
না করার কারন টা হলো নীরব যখন
বাংলাদেশ এ থাকাতো তখন
সাদিয়া নামে একটি মেয়ে কে
ভালবাসতো এবং আজ ও খুব
ভালবাসে ।
নীরব যখন দশম শ্রেনীতে পড়তো তখন
নীরব এর সাদিয়া সাথে পরিচয় হয় ।
সাদিয়া দেখতে খুবি অসাধারণ
ছিল,
নীরব আসলেই খুব নিরব ছিল কারো
সাথে বিনা কারনে কোন কথা
বলতো
না সব সময় চুপ করে থাকতো । আর
সাদিয়া ছিল এক রুকা যা বলতো
তাই
করতো, সাদিয়ার বন্ধুদের সাথে
সাদিয়া বাজি ধরেছিল, ও নীরব
যে
চেয়ারটাতে বসে ঐ চিয়ার টাতে
সুপারগ্লো লাগাবে এবং লাগিয়ে

ছিল, সাদিয়া এই কাজটি করেছিল
ক্লাস শুরু হওয়ার আগেই , একটু পরেই
ক্লাস
শুরু হয়েগেছে স্যার রোল কল করছেন,
স্যার যখন নীরব এর নাম ডাকলেন তখন

নীরব ক্লাসে আসেনি নীরব একটু
পরে
আসল ক্লাসে তখন রোল কল করা শেষ
তখন
নীরব ঐ চেয়ার টাতেই বসলো একটু
পড়েই স্যার নীরব কে পড়া দরলেন
নীরব
পড়া টা খুব ভাল ভাবেই শিখেছে
কিন্তু নীরব কিছুতেই দাড়াতে
পারছে
না স্যার বললেন কি হলো নীরব তুমি
দাড়াচ্ছ না কেন..? তখন নীরব জুড়ে
দাড়াতে গিয়ে ওর পেন্ট টাই
ছিড়ে গেল ঐ দিন ক্লাসের সবাই খুব
হাসা হাসি করেছিল, কিন্তু নীরব
এর
এই অবস্থা দেখে সাদিয়ার নিজের-

খুব খারাপ লেগেছিল এবং নিজের
প্রতি নিজের-ই খুব গৃণা হচিছল ঐ দিন
এর
পর থেকে সাদিয়া কেমন জানি
হয়েগেছে, সাদিয়া মনে মনে ঠিক
করলো ও নীরব এর কাছে ক্ষমা চাইবে
কিন্তু ঐ দিন এর পর থেকে বেশ
কয়েকদিন স্কুলে আসেনি নীরব ।
সাদিয়ার কোন কিছুই ভাল লাগছে
না,
সাদিয়ার মাথায় শুধু একটাই চিন্তা

কিভাবে ও নীরবের কাছে ক্ষমা
চাইবে, অত:পর নীরব আজ স্কুলে আসছে
তখন সাদিয়া নীরব কে বলল ঐ দিনের
কাজটা আমি করেছিলাম প্লিজ
মাপ
করে দাও তখন নীরব বলল মাফ করতে
পারি যদি তুমি আমার বন্ধু হও
সাদিয়া
বলল মাফ পাওয়ার জন্য তুমি যা বলবে
আমি তা করতেই রাজি আছি। নীরব
আগে থেকেই সাদিয়া কে পছন্দ
করতো। এ ভাবেই ওদের বন্ধুত্ব শুরু হয়।
আস্তে আস্তে সাদিয়া খুবি দুর্বল
হয়ে
পড়ে নীরবের উপর এবং ওদের
ভালবাসার কথাটি সাদিয়াই প্রথম
বলেছিল নীরব কে, আর নীরব ও না
করেনি কারন নীরব তো আগে
থেকেই
ডুবে ডুবে পানি খাচিছল তার পর
থেকে ওদের রিলেশন ভালই চলছিল।
তারপর একদিন ওরা ২ জন এক সাথে
ঘুরিতেছিল হঠাৎ সাদিয়া মাথা
ঘুরে
মাটিতে পড়ে যায়। তার পর থেকেই
সাদিয়া নীরব কে দেখলেই এড়িয়ে
যায় ফোন দিলে ফোন রিসিভ করে
না
তার পর একদিন সাদিয়া নীরব কে
বলল
আমি তোমার সাথে রিলেশন
রাখতে
পারবো না আমার বাবা আমার
বিয়ে
অন্য যায়গায় ঠিক করেছেন তাই আমি
আমার বাবার অবাধ্য হতে পারবো
না
তাই তুমি আমাকে মাফ করে দিও এই
কথা বলে চলে গেল নীরব কে কোন
কথা বলার সুযোগ -ই দেয়নি সাদিয়া,
তার পর নীরব ইতালি চলে আসে।
এবং
বহু বছর পর আজ নীরব দেশে ফিরেছে ।
সব
কিছুই কেমন জানি বদলে গেছে ।
সবাই
রেডী হচেছ বর যাত্রীর সংগে
যাওয়ার জন্য। নীরবের যাওয়ার কোন
ইচছাই নেই কিন্তু ওর ছোট ভাই এর জন্য
যেতে হচেছ । ঐ বিয়ে বাড়ীতে যে
সাদিয়ার সাথে দেখা হবে এটা
কখনো আশা ও করেনি নীরব !! !!!,
সাদিয়া নীরব কে দেখেও না
দেখার
ভান করে চলে যাচ্ছিল , তখন নীরব
সাদিয়া কে পেছন থেকে ডাক দিল
সাদিয়া দাড়াল নীরবের ডাক
শুনতে
পেয়ে, নীরব সাদিয়া কে বলল কেমন
আছো? ভাল, তোমার বর আসেনি
বিয়েতে? সাদিয়া বলল না,এই কথা
বলেই সাদিয়া চলেগেল , একটু পড়েই
নীরবের দেখা হল সাদিয়ার মায়ের
সাথে তখন উনিই নীরব কে বললেন
আসল
ঘটনা টা, ঐ দিন সাদিয়া মাথা ঘুড়ে
পড়ে যাওয়ার পড়ে, ওকে নিয়ে
ডাক্তার এর কাছে গিয়েছিলাম
ডাক্তার বলেছিল ওর নাকি ব্রেন
ক্যানসার সাদিয়া আর বেশীদিন
বাচবেঁনা বলেছিল তাই সাদিয়া
তোমার সাথে বিয়ের নাটক টা
করেছিল আসলে ও তোমাকে খুব
ভালবাসে তো তাই সাদিয়া ওর
অনিশ্চিত জীবনের সাথে
তোমাকে
জড়াতে চায়নি, তুমি ইতালিতে
যাওয়ায় পর জানতে পারি যে, ঐ
ডাক্তার এর রিপোর্ট টা ভুল ছিল
আসলে ওর কোন ক্যানসার হয়নি।
সাদিয়া আজ ও বিয়ে করেনি শুধু
তোমার আশায় পথ চেয়ে বসে আছে ও
বিশ্বাস করতো তুমি আবার ফিরে
আসবে ওর জীবনে, এই কথগুলো শুনে
নীরব
এক দৌড়ে সাদিয়ার কাছে গেল
তখনও
সাদিয়া বসে কাদঁতেছে তখন নীরব
বলল কি মেডাম আর কত কাদঁবেন?
আমি
ঐ ক্যানসারের রোগী টা কেই
বিয়ে
করতে চাই রোগী টা কি বিয়ে
করবে
আমায়? তখন সাদিয়া কোন কথা না
বলেই ঝাফিয়ে পড়ল নীরবের বুকে,
তখন
ও কাদঁতেছে সাদিয়া নীরব বলল
তুমি
এখন ও কাদঁতেচো তখন সাদিয়া বলল
এটা দুঃখের নয় এটা সুখের কান্না
[ স্পর্শের বাহিরে আমি]'

14/01/2016

কখনো মানুষকে ইচ্ছে করে আঘাত দিবেন না। কারন আঘাত সহ্য করার ক্ষমতা মানুষের নেই। যদিও সহ্য করে, তবে তা স্বল্প পরিসরের জন্য। এই আঘাত তার মৃত্যু ঢেকে আনতে পারে!
--N.B.

09/01/2016

09/01/2016

'লোভ, হিংসা এবং অহংকার- এই তিনটি জিনিস মানুষকে ধ্বংস করে।'' লোভ হলো একটি মানব বিধ্বংসী মারাত্মক ও ক্ষতিকর ব্যাধি।

08/01/2016

নিজেকে শুধু বিশ্বাস করে দেখেন। আপনিও সব অবিশ্বাস্য কাজ করে ফেলতে পারবেন।
--radioswadesh

06/01/2016

যে কড়া ভাবে আপনার সাথে কথা বলবে, বিনিময়ে আপনিও যদি তার সাথে কড়া ভাবে কথা বলেন তবে পরিস্থিতির অবনতি হবে। এমনকি সে এবং আপনার মধ্যে যুদ্ধ লেগে যেতে পারে! ফলে বিশৃঙ্খলা দেখা দিবে।
-
তবে, যদি তার কড়া স্বরের প্রত্যুত্তরে কিছু না বলে কাতর হয়ে তার চোঁখের দিকে চেয়ে থাকেন অথবা মাথা নিচু করে থাকেন; তাহলে ঐ লোকটিও আপনার বন্ধু হয়ে যেতে পারে। এটা আমি গ্রান্টি দিয়ে বলতে পারবো। B| B|
·
post- MD Alamgir

06/01/2016

কাউকে কষ্ট দেয়ার আগে একটু ভেবে দেখবেন ঐ কষ্টটা নিজে সহ্য করতে পারবেন কিনা। যদি না পারেন তাহলে দোহাই লাগে, অযথা কাউকে কষ্ট দিবেন না।
·
post- MD Alamgir

06/01/2016

কোন কিছু বলার আগে একটু ভাববেন। এই একটু ভাবার কারনে আপনি হয়তো বিশালাকারের মারাত্মক বিপদ থেকে বেঁচেঁ যেতে পারেন।
·
post- MD Alamgir

05/01/2016

এক শিতের সকালে
সকালবেলা ফোনের শব্দে আবিরের ঘুমটা ভেঙে গেল। শিতের সকালে ঘুম ভেঙে যাওয়া খুবই বিরক্তিকর। তাই ফোনের স্ক্রিনে তাকিয়ে মুখে বিরক্তির ছাপ কিছুটা থেকেই গেল।
বিরক্তি সহকারে ফোন ধরতেই ওপাশ থেকে মারিয়া বলল
-ঘুম থেকে উঠতে এত সময় লাগে?
-আরে শিতের সময়ে কি এত সকালে ঘুম ভাঙে!!
-ঘুম ভাঙে না তবুও তো আজ ঘুম ভেঙেছে। যাক ভাল হয়েছে। তুমি আধঘণ্টার মধ্যে আমার সাথে দেখা করবে।
-কি বলো!! এত অল্প সময়ের মধ্যে!!
-আমি কতকিছু শুনতে চাই না। না আসলে কি হবে সেটা বুঝতেই পারছ।
-আচ্ছা আমি আসছি।
আবির খিটখিটে মেজাজ নিয়েই বিছানা ছেড়ে উঠে পরলো। উঠে গায়ে জ্যাকেট দিয়ে ওয়াশরুমের দিকে ছুটলো।
ওয়াশরুমে পানি গরম থাকায় কোন ভোগান্তি পোহাতে হল না। তাই ওয়াশরুম থেকে দাত ব্রাশ করে, ফ্রেশ হয়ে বেড়িয়ে এল।
বেড়িয়ে জামাকাপড় পরে নিচতলার দিকে গেল। গরিবদের ঘুম ভাঙে ক্ষুধার জ্বালায়। আর ধনিদের ঘুম ভাঙে বউ অথবা প্রেমিকার জ্বালায়। আবিরের মনেহয় আজ তাই হয়েছে।
নিচতলায় এসে দেখে ড্রাইভার নেই। ড্রাইভার গ্রামের বাড়িতে গিয়েছে কালকে। অথচ আজও ফিরে নি। তাই এখন আবির নিজেই গাড়ি চালিয়ে নিয়ে যাবে।
আবির মাঝেমাঝেই গাড়ি চালায়। তাই আবিরের কাছে সবসময় গাড়ির একটা চাবি থাকেই। নিজে নিজে চালালে খুব একটা অসুবিধা হবে না।
আবির নিজেই গাড়িতে উঠে ড্রাইভ করতে থাকল। যদিও ঠান্ডার জন্য একটু অসুবিধা হচ্ছে। গাড়ির বন্ধ থাকায় বেশি অসুবিধা হচ্ছে না।
আবির গাড়িতে বসা অবস্থায় আবারও মারিয়ার ফোন। আবির ফোন ধরে বলল
-আমি আসছি।
-কতদুর?
-কাছাকাছিই।
-তারাতারি আসো। দেরি হলে আমি কোন অজুহাত শুনতে চাই না।
-আচ্ছা।
আবির গাড়িতে বসে গাড়ির গতি একটু বাড়িয়ে দিল। বড় রাস্তা না দিয়ে ছোট রাস্তা দিয়ে গাড়ি চালাচ্ছে। কারন এই রাস্তায় যানজট কম থাকে।
কিছুদুর আবিরের গাড়ি বন্ধ হয়ে গেল। আবির আবারও চালু করার চেষ্টা করেও চালু করতে পারছে না। তাই গাড়ি থেকে বেড়িয়ে আসলো।
গাড়ি থেকে বেড়িয়ে আবিরের মেজাজ আরো খারাপ হয়ে গেল। গাড়ির ঢাকনা খুলে দেখল ব্যাটারি ডাউন হয়ে গেছে। তবুও গাড়িতে উঠে চালু করার চেষ্টা করলো।
গাড়ি যখন চালুই করতে পারছিলো না তখন গাড়ি থেকে বেড়িয়ে আসলো। তখন গাড়ির বাইরে দাঁড়িয়েই মারিয়াকে ফোন দিতে গিয়ে হঠাৎ একটা দৃশ্য দেখে আবির থমকে গেল।
আবির দেখল দুরে কিছু শিশু এক জায়গায় বসে আছে। তাদের শরিরে শিত দুর করার মত যথেষ্ট কাপড় নেই। তবুও তারা চুপচাপ বসে আছে। আবিরের মুখে যে বিরক্তির ছাপ তাদের মুখে তার রেশমাত্র নেই।
আবির হাটতে হাটতে সেই শিশুগুলোর কাছে চলে গেল। কাছে গিয়ে দেখল কিছু মানুষ ঠান্ডায় কাপছে। আর ঠান্ডার কারনে কষ্ট পাচ্ছে।
আবির জিজ্ঞেস একটা শিশুকে জিজ্ঞেস করল
-আচ্ছা। তুমি এই শিতের মধ্যে শিতের কাপড় গায়ে দাও নি কেন?
-শিতের কাপড় পামু কই সাহেব!!
-কেন? কিনে দেয় নি?
-না সাহেব। আমাদের কাপড় কেনার মত টাকা নেই।
আবির আর কিছু বলতে পারল না। তাই কিছুটা দুরে চলে আসলো। দুরে দাঁড়িয়ে কিছু চিন্তা তার মধ্যে কাজ করছে। কাচের গাড়িতে বসে শিতকে বিরক্তির লাগে। আবার সকালবেলা কম্বলের নিচ থেকে উঠতেও বিরক্ত লাগে। কিন্তু তাদের বিরক্ত নেই!!
ঘরে রুম হিটার আর কাচের গাড়িতে ঠান্ডার মাঝে সামান্য ঠান্ডাকেও অনেক মনে হয়েছে। কাচের বাইরে যে এক জগত আছে। যে জগতে কষ্ট আছে। সেটা আজ আবিরের চোখে পরে গেল।
আবিরের চোখে কেন যেন আজ পানি জমে গেল। মা বলত "যদি চোখে পানি আসে তবে মনের মাঝে কোন চাপা কষ্ট জেগে ওঠে। " আজ মনেহয় আবিরের তাই হয়েছে।
মারিয়া ওদিকে ফোন করে যাচ্ছে তারাতারি যাওয়ার জন্য। কিন্তু আবিরের সেদিকে যেতে ইচ্ছা হচ্ছে না। আবিরের মনেহচ্ছে আজ মারিয়ার কাছে না গিয়ে টাকা দিয়ে ওই শিশু বাচ্চাদের শিতের কাপড় কিনে দিলেই আবিরের বেশি ভাল লাগবে।
-- Jubaer Hasan Rabby

05/01/2016

বিশ্বাস রাখুন নিজের প্রতি। কখনো দমে যাবেন না। প্রয়োজনে ঝুঁকিনিন, তবু কখনো পিছু হাঁটবেননা। দেখবেনআপনার বিশ্বাসই আপনাকে সঠিকপথের সন্ধান দেবে।

05/01/2016

"নামাজে সেজদারত মানুষ যদি জানতো যে, আল্লাহ তায়ালা কতটুকু রহমত দিয়ে তাকে ঘিরে রাখেন, তবে সে কোন দিন সেজদাহ থেকে উঠত না। ___হযরত আলী (রা:)

05/01/2016

তুমি যদি কাউকে ভালোবাস,তবে
তাকে ছেড়ে দাও।
যদি সে তোমার কাছে ফিরে আসে,
তবে সে তোমারই
ছিল। আর যদি ফিরে না আসে, তবে
সে কখনই
তোমার ছিল
না।
—রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

Address

Dhaka
3070

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when RadioAmar24.com posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share