30/06/2026
১৯৯০এর দশকে বসনিয়ার যুদ্ধের সময় মুসলমান নারীদের ব্যাপকভাবে ধর্ষণ করেছিল তাদের প্রতিবেশী সার্ব খ্রিস্টানরা। মুসলিম নারীদের ধর্ষণের সময় যখন বীর্যপাত হতো, তখন খ্রিস্টানরা চিৎকার করে বলতো যে, তারা তাদের মনিবদের মা বোনদের গর্ভে নিজেদের বীজ ঢেলে দিতে পেরেছে।
উল্লেখ্য, উসমানীয় শাসনামলে গোটা পূর্ব ইউরোপ ছিল মুসলিম শাসনাধীন, খ্রিস্টানরা ছিল মুসলমানদের প্রজা। সেই গোলামির জ্বালাকে ভোলার জন্য বসনিয়ার মুসলমানদের উপর এই হাল আমলেও গণহত্যা চালিয়েছিল খ্রিস্টানরা।
পাশের দেশে মুসলমানদের উপর হত্যা ধর্ষণ হিন্দুরা এ কারণেই চালায়, কারণ এর মাধ্যমে মনিবশ্রেণীর উপর নিজের কর্তৃত্বকে জানান দেয়া হয়। গোলামির গ্লানিকে তারা এর মাধ্যমেই মুছে দেয় যে, না তারা আর মুসলমানদের অধীন নয়, বরং মুসলমানদের মা বোনদের ধর্ষণকারী।
হায়দারাবাদ দখলের পর যে সুন্দরলাল রিপোর্ট প্রণয়ন করা হয়েছিল, তাতে উল্লেখ ছিল সেখানকার এক স্থানীয় বিচারক বা কাজীর ছয় জন মেয়েকে এক নিচুশ্রেণীর চামারের ঘরে তুলে নিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করা হয়েছিল।
কিন্তু বাঙালি মুসলমান হলো উল্টো। সাতচল্লিশের আগে যে অত্যাচারী হিন্দু কথিত জমিদার শ্রেণী ছিল, তাদের মা বোনদের বাঙালি মুসলমানরা এভাবে তুলে নিয়ে যায় নি। উল্টো সাতচল্লিশের আজাদীর পরও পূর্বের ন্যায় তারা হিন্দুদের গোলামি করে গিয়েছে। নাটোরে আজাদীর দশ বছর অতিক্রান্ত হওয়ার পরও স্থানীয় মুসলমানরা ধুতি পরে চলত। গরুর গোশত নাটোরে পাওয়া যেত না। সন্তান জন্ম হলে সেই সন্তান নিয়ে কোন হিন্দুবাড়িতে যেত নাম রেখে দেয়ার জন্য, হিন্দু বাড়ির প্রধান বলত যা নামটা পাঁচু রেখে দে।
অমুসলিম জনগোষ্ঠী যখন মুসলমান শাসনের অধীনে আসে, তখন তারা যতোই সুখে থাকুক, বংশপরম্পরায় ঘৃণার সিলসিলা বহন করে। প্রত্যেকে তার সন্তানকে শিখিয়ে দিয়ে যায়, সুযোগ পেলে মুসলিম শাসনের অবসান ঘটাবি, মুসলমানদের ঘরের মেয়েদের রেপ করবি।
যে কারণে মুসলমান শাসনের যখন অবসান হয়, তারা এক মুহূর্তে তার সমস্ত নিদর্শন, স্মৃতিকে মুছে দেয়। বুলগেরিয়ায় উসমানী শাসনামলের কোন নিদর্শন তারা টিকিয়ে রাখেনি। সৈয়দ আলী আহসান, বুলগেরিয়ায় গিয়ে মুসলিম শাসনামলের ৫০০ বছরের কোন রেকর্ড, দলিল দস্তাবেজ খুঁজে পায় নি। তার গাইড তাকে বলেছিল, ঐ ৫০০ বছরকে আমরা সংহার করেছি, মিটিয়ে দিয়েছি।
ঠিক তেমনি পশ্চিমবাংলায় শুভেন্দু অধিকারী যখন ক্ষমতায় এসেছে তখন থেকেই মুঘলদের সমস্ত স্মৃতি সে মুছে ফেলছে কেন এখানে অনেক কিছু আপনি বুঝতে পারবেন সে বলেছে মূঘলদের কোন স্মৃতিচিহ্নই রাখবে না।
আর বাঙালি মুসলমান!
বাঙালি মুসলমান ২০০ বছর হিন্দুদের চাবকানি খেয়েও বংশপরম্পরায় গোলামির সিলসিলা বহন করে চলেছে। সে তার সন্তানকে শিখিয়ে যায়, আমি হিন্দুদের গোলামি করেছি, তুইও হিন্দুদের গোলামি করবি। আমি হিন্দুদের জন্য গরু খাওয়া বাদ রেখেছি, তুইও হিন্দুদের জন্য গরু খাওয়া বাদ রাখবি। আমি তো ব্রাহ্মণের গোলামি করেছি, যারা সাতচল্লিশে সবাই কলকাতায় চলে গিয়েছে।
কুছ পরোয়া নেহি, তুই বাংলাদেশে রয়ে যাওয়া নমশূদ্রটাকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে তোর পাশে বসতে দিয়ে, চাকরিবাকরি দিয়ে সমাজে প্রতিষ্ঠিত করে, দরকারে নিজের বোনকে তার বিছানায় তুলে দিয়ে গোলামি করবি।
হিন্দুরা আমাদের রাজা বাদশাহদের ঘেটোকরণ করবে, আর আমরা হতভাগা বাঙালি অর্ধ মুসলমান, হিন্দুদের নমশূদ্রটাকে রাজাকরণ করব!
আমার প্রিয় মুসলিম মা বোনেরা আপনাদের একটা কথা বলি আমাদেরকে অনেক আলেম শিখিয়েছে বিধর্মীদের মুসলিম বানাতে পারলে অনেক নেকি।
এখন ওই কাজের ভিতরেই হিন্দুরা ফাঁদ পেতেছে আপনাকে দেখাবে আমি মুসলিম হয়েছি বিয়ে করবে গর্ভবতী করে চলে যাবে আপনি তো বাচ্চা নষ্ট করতে পারতেন না আপনি তো মা। 🥲
যদি আপনাকে কোন হিন্দু ছেলে ভালোবেসে মুসলিম হতে চায় আগে উত্তর দিবেন আমাকে ভালবেসে মুসলিম হওয়া যাবে না মুসলিম হতে হলে ইসলাম সম্পর্কে জানতে হবে ইসলাম সম্পর্কে জ্ঞান নিতে হবে আগে তুমি ইসলামকে ভালোবেসে মুসলিম হও পরে আমি চিন্তা করব তোমাকে বিবাহ করব কিনা উত্তরটা এভাবে দিবেন 🙏🙏।
আমার বৃদ্ধ মা আছে কোন বোন নাই স্ত্রী সন্তানও নাই কিন্তু আমি আমার মুসলিম মা বোনদের নিয়ে অনেক চিন্তিত আপনাদের ঘরে অনেক পুরুষ আছে তারাও আপনাদের নিয়ে এত চিন্তা করে না কারণ তারা বর্তমান যুগ হিসেবে অনেক কিছুই জানে না আমি হয়তো আপনাদের পাশে থেকে আপনাদের সাহায্য করতে পারতেছি না কিন্তু যে কথাগুলো বললাম মেনে চলবেন ইনশাআল্লাহ আপনাদের উপকার হবে।।
বেহেস্ত যদি পাইতেই হয় কোন হিন্দুকে মুসলিম বানিয়ে নয়।
ইসলামের ফরজ কাজগুলো মেনে চলুন নবীর সুন্নত মেনে চলুন বাকিটা আল্লাহপাক দেখবে।