Mousomy Lipi

Mousomy Lipi Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Mousomy Lipi, Poet, Uttara, Dhaka.

12/10/2025

*** ঝরা পাতা **
শুন্যে ভাসতে ভাসতে,
আবার ফিরে আসি শুন্যের কোটায়
কি আজব
কারো দেখার নেই ,
কারো খোঁজার নেই।
এক অনন্ত কাল ভেসে চলা।
বেদনা হতে হতে,
আকাশের সব নীল শেষ হয়ে যায়,
তবুও কেউ বুঝার নেই।
যখন দেখে, এখনো দাঁড়িয়ে আছি ঠায়।
ভাবে, কম হয়ে গেল কি?
আরেকটু বলা উচিৎ ছিল,
তবেই, লাগতো কিছু গায়।
বড্ড রাগ,
সে-তো শুধু আমাদের এখতিয়ার।
অন্য কারো, অভিমানের মুল্য নেই,
তুমি হেরে যাওয়া মানুষ,
রাগ নয় তোমার অধিকার।
তুমি হেরে যাওয়া শুন্যে ভাসা মানুষ,
তোমার ঘর নেই,
তোমার জন নেই,
তোমার চাওয়া নেই, পাওয়া নেই।
তুমি কেবলই এক প্রানহীন বৃক্ষের,
আদুরে ঝরা পাতা।
যার চোখের জল,দেখানো,
যার নিরব আর্তনাদ, শুধু ঢং,
মায়ায় ভাসা এক ঝরা পাতা,
তোমাকে বুঝার সাধ্যি নেই কারো।
ক্লান্তি হীন ভেসে চলেছো, এক ঠিকানার খোঁজে ।
যদি কিছু রয়ে যায়,
যদি কিছু থাকে নিজের তরে,
শুন্যে হাত বাড়ায়,
আলেয়ার আলোক সাজে,
শুধুই শুন্যতা, অসীম সীমানা জুড়ে।
**** লেখায়, **** লিপি হক ****

07/09/2025

সন্ধ্যা তারার মত আজও জেগে থাকো পাহারায়,
যাকে ধরা যায়না, ছোঁয়া যায় না,
অযুত দুরের তারা, শুধু অনুভবে রয়ে যায়।
কখনো মেঘের আড়ালে হাসো, শুন্য আকাশে নিঃশব্দে ভাসো,
কেউ বুঝে-না, কেউ দেখেনা,
উল্কা ঝড়ের মতো ঝরো, অলীক মায়ায়।
ও মধ্য রাতের তারা, দুর আকাশে জ্বলো,
একা একা থাকো, নিজেকে জ্বালিয়ে রাখো,
জড়িয়ে রাখো গভীর ভালোবাসায়।
কত বৃষ্টি ঝরে যায়, জোছনায় পথ হারায়,
তবুও মনে মনে থাকো, শুন্যতায় বাঁধো,
পাশাপাশি রেখো অদৃশ্য ছায়ায়।
লেখায়, লিপি হক।

22/08/2025

*** হে রব ***
সন্ধ্যা নামে ভবে, দিনের শেষে,
দ্বীন হীন রেখোনা প্রভু, অবশেষে।
ভবের নদী, যেন, দিতে পারি পাড়ি,
হে রব, তোমাকে ভালোবেসে।
এতো মায়া, আত্মার আত্মীয়,
রক্তের পরিজন।
সম্পদের হানাহানি, অহম, অভিযোগ,
বিমুখ যত স্বজন।
হিসাব কষে চলে, জীবনের ঘড়ি,
একদিন বন্ধ হবে সব।
গুণায় গুণায় বাড়ছে, পাপের পাহাড়,
হেদায়েতের আলো দাও, হে রব।
বড্ড ভয় হয়, অন্ধকারে,
নেক আমল দাও প্রভু, অন্তরে।
ও আল্লাহ, ক্ষমা করো, কৃপা করো,
হে রব, মিনতি করি, তোমার তরে।
****লিপি হক****
তারিখ, ২২/৮/২৫ইং

12/08/2025

*** শুন্যতা ***
কবিতা আমায় বড্ড টানে,
যেমন টানে, সকালের নিরব প্রকৃতি।
ঝিরিঝিরি হাওয়া।
এক তারে বসা, ছোট্ট এক পাখি ।
কিছু নিরব মুহূর্ত আছে বড্ড শীতল,
এক মুহূর্তে অসুস্থ শরীর টাকে ঠান্ডা করে দেয়।
কিছু কিছু কথা আছে বড্ড নরম,
মন টাকে, তুলার মতো নরম করে দেয়।
পৃথিবীটা বড্ড সুন্দর।
কতই না সুন্দর, আমার সৃষ্টিকর্তা।
আকাশ টাকে সাজিয়েছেন তারকা সাজে,
তার মাঝে ভাসে সাত রঙের মায়া।
রিমঝিম বৃষ্টি আমায় খুব টানে,
আনমনে দাঁড়ানো খোলা জানালায়,
হঠাৎ ছুঁয়ে যায় মুক্তোর জল,
সবটুকু মেঘ, ভেসে যায় দুর ভুবনে।
কত চেনা, অচেনা জন,এলো জীবনে,
সবই ছিল প্র‍য়োজন, নয় নিষ্প্রয়োজনে।
কেন এসেছি, জানিনা তার মানে,
শুন্য শুন্য সব, জমা নেই কিছু,
বিদায়ের পরে, রবেনা স্মরণে।।
লেখা, **** লিপি হক ***
তারিখ, ১২/৮/২৫ইং

26/05/2025

হজ্জ সফর।২০২৩(৪র্থ অংশ)
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
আসসালামু আলাইকুম। আর কয়েক দিনের মধ্যে মূল হজ্জ শুরু হয়ে যাবে। আলহামদুলিল্লাহ।
এই সময়, মক্কা মদিনার আকাশ বাতাস লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাঈক ধ্বনিতে মুখরিত থাকে। চারিদিকে ছড়িয়ে থাকে মক্কা মদিনার জান্নাতি সুবাস। সেই খুশবু, পবিত্রতা অন্তর ছুঁয়ে যায়। মক্কা মদিনার সেই অদ্ভুত টান, পৃথিবীর জাগতিক মায়াকে ভুলিয়ে রাখে।
যারা আল্লাহ তায়ালার পবিত্র কাবা ছুঁয়ে দেখেছে, রওজায় দাঁড়িয়ে সালাম দিয়েছে তারাই জানে, কি ব্যাকুলতা, কি তৃষ্ণা মনের ভেতর জমা থাকে। ভাষায় প্রকাশ করা যাবেনা।
কাবা ছুঁয়ে দেখা, গিলাফ ছুঁয়ে দুফোঁটা অশ্রু ফেলা প্রতিটি হাজির স্বপ্ন। লাখ লাখ হাজিদের ভিড়ে, হাজরে আসওয়াদ চুম্বন করা, দরজা ছুঁয়ে দেখা সম্ভব হয়না।
তারজন্য একটা নিয়ম শিখেছিলাম। যেমন, প্রতি ওয়াক্ত নামাজের ঠিক পাঁচ, দশ মিনিট আগে, পুরুষ হাজিগন, কাবার চারপাশে একটা মানব দেয়াল তৈরি করেন। নামাজের জন্য এই দেয়াল তৈরি করেন। গোল হয়ে চারপাশে নামাজের জন্য দাঁড়িয়ে যান।
এই দেয়ালের ভেতরে যারা আটকে পড়েন, নিরাপত্তা কর্মীরা ধাপে ধাপে বের করে দেন। আল্লাহ তায়ালা চাইলে, আটকে পড়া হাজিগন হাজরে আসওয়াদ চুম্বন করার সুযোগ পেয়ে যেতে পারেন। এই সময় প্রান ভরে কাবা ছুঁয়ে ক্ষমা, ও রহমতের আশ্রয় কামনা করাও যেতে পারেন।
আরেকটি কথা, এখানে এসে কেউ হারায় না। তবে রাস্তা ভুলে যায়। যদি গেট নাম্বার মনে রাখা যায় তাহলে ভুল কম হবে।যেমন, মসজিদ আল হারামে ৭৯গেট দিয়ে প্রবেশ করলাম আর বের হলাম ১০৫নম্বর গেট দিয়ে। তাহলে , ৭৯নম্বর গেটে পৌঁছাতে হলে, আমাকে ১০৪, ১০৩,১০২এভাবে এগুতে হবে। তাহলে চেনা রাস্তা পেয়ে যাব।
যদি, তাওয়াফ করার সময় কোন কারনে ওজু ভেঙে যায় তাহলে বাহিরে গিয়ে ওজু করে আসা অনেক ঝামেলা। ৭৯নম্বর গেট দিয়ে প্রবেশ করার সময় যে চলন্ত সিঁড়ি পার হতে হয়।এর নিচেই, মসজিদ আল হারামের ভেতরেই ওজুখানা আছে।পুরুষ ও নারী হাজিদের আলাদা ব্যাবস্থা আছে।
হে আল্লাহ, যারা এখনো তোমার ঘর দেখেনি, তাদেরকে তোমার ঘরের আতিথি করে নাও।
কাবার গিলাফ ছুঁয়ে দুফোঁটা অশ্রু ফেলার সৌভাগ্য দাও।
ভুল ত্রুটি ক্ষমা করবেন।
****লিপি হক****

09/05/2025

হজ্জ সফর ২০২৩(৩য় অংশ)
বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম।
আসসালামু আলাইকুম। শুরু হয়ে গেল হজ্জের মওসুম। আলহামদুলিল্লাহ।
বাংলাদেশ থেকে প্রথম ফ্লাইট চলে গেছেন অনেক আগেই।
আমাদের যেদিন ফ্লাইট ছিল, আমরা যথেষ্ট সময় নিয়ে হাজি ক্যাম্পে চলে যাই।।আমরা হাজি ক্যাম্পের কাছেই থাকি। বহুবার আপনজন দের বিদায় দিতে এখানে এসেছি। এখানকার পরিবেশ এবং ইহরাম বাঁধা হাজিদের দেখলে মন এমনিতেই নরম হয়ে যায়। ভেতর টা অনেক পরিষ্কার পরিছন্ন। দল বেধে হাজিগন হজ্জের নিয়ম কানুন শিখছেন। নরম ও শান্ত পরিবেশ। এখানে এলে কাবা দেখার ইচ্ছেটা প্রবল হয়।
নিজের জন্য যখন প্রবেশ করলাম তখন থেকেই বুঝতে পারলাম হজ্জের মর্যাদা এবং হাজিদের সম্মান। ব্যাপারটা বেশ আবেগীয়।
এখানে আসার পর দুটো বিষয় নিয়ে হাজিদের ভাবতে দেখেছি।
এক, হাজিগন কোথায় থেকে ইহরাম বাঁধবেন। বাড়ি থেকে ইহরাম বেঁধে আসবেন নাকি হাজি ক্যাম্পে, নাকি বিমানবন্দরে এসে ইহরাম বাঁধবেন।
তারপর, ইহরাম বাঁধার পর খেতে পারবো কিনা, ঘুমাতে পারবো কিনা, ওয়াশরুমে যেতে পারবো কিনা।
এসব প্রশ্নের উত্তর সব আপনার গাইড, বা দলের মুয়াল্লিম থেকে জেনে নিতে হয়।
মুয়াল্লিম , আপনার সুবিধামত সব বলে দিবেন।
দুই, হাজি ক্যাম্পে আসার পর সবাই একটু ভাবনায় পড়ে যান। পাসপোর্ট, আইডিকার্ড, হাতের ব্যাজ এগুলো কিভাবে সংগ্রহ করবো।
দল বা, গাইড বা,দলের মুয়াল্লিমের সাথে যোগাযোগ করতে হবে। উনারাই সব ব্যাবস্থা করে দিবেন।
তারপর শুরু হবে ইমিগ্রেশন।
যে কাজটা বিমানবন্দরে হত, সেই কাজটাই এখানে হয়। তাতে সময় বাচে এবং ঝামেলা মুক্ত হয়। যেমন, অফিসের কাজ ঘরে বসে করা। আমাদের ঘরের মানুষ গুলোই পরম যত্নে ইমিগ্রেশন পার করে দেন। তারপর বাসে করে সম্মানের সঙ্গে বিমানবন্দরে পৌঁছে দেন। ধাপে ধাপে বাড়তে থাকে হাজিদের সম্মান।
চলবে,
ভুল ত্রুটি ক্ষমা করবেন।
*****লিপি হক****

09/12/2024

হজ্জ সফর ২০২৩.(২য় অংশ)
আসসালামু আলাইকুম।
আমি যে মানসিক প্রস্তুতি লিখেছি প্রথম অংশে তাতে ছোট্ট কারেকশন আছে। মানসিক প্রস্তুতি টা শুধু মাত্র হজ্জ যাত্রীদের জন্য। উমরাহ যাত্রীদের জন্য নিয়তই যথেষ্ট।
নিবন্ধন করার পর যখন সব ঠিক হয়ে যায়। অর্থাৎ দিন তারিখ ঠিক হয়ে যায়, তখন শুরু হয় প্রাথমিক প্রস্তুতি। এই সময়, মনের ভেতর একটা অদ্ভুত আনন্দ অনুভব হয়। যা, ভাষায় লিখা যাবে না। ব্যাগ কিনতে যাচ্ছি, উনারা যখন শুনে হজে যাব, নরম হয়ে যায়। কাপড় কিনতে যাচ্ছি, উনারা নরম হয়ে যায়। অদ্ভুত এক আনন্দ। আত্মীয় স্বজনের ভালোবাসাও বেড়ে যায়। কেমন যেন শান্তি শান্তি ভাব। কাবার একটা সুগন্ধ আছে। মনে হয়, আল্লাহ তায়ালা এই সুগন্ধি ছড়িয়ে দিয়েছেন।
কি কি জিনিস নিতে হবে, তার একটা ফর্দ এজেন্সি থেকে দিবেন। কম বা বেশি, যার যার প্রয়োজন অনুযায়ী জিনিস কিনে নিতে হয়।
আমরা চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র অনুযায়ী যতটা মেডিসিন লাগে, তার চেয়েও অতিরিক্ত নিয়েছিলাম। পরে আমাদের এতটা দরকার হয়নি। তাই, যার যতটা মেডিসিন প্রয়োজন ততটা নেয়া উচিত। কিছু মেডিসিন বেশি নিতে হয়, যেমন, মাথা ব্যথার মলম, কাটা ছেঁড়ার মলম, ভ্যাসলিন, স্যালাইন। তাছাড়া, বাংলাদেশের হাজিদের জন্য, বাংলাদেশের পতাকা আঁকা স্বাস্থ্য কেন্দ্র আছে। উনারা সেবা দেয়ার জন্য বসে থাকেন। উনাদের সেবা অনেক ভালো। চিকিৎসা ও মেডিসিন সব ফ্রী।
একান্ত ব্যক্তিগত কিছু জিনিস যেমন, ক্লিপ, চুল বাধার ব্যন্ড, চিরুনি, ক্রিম,নেয়া উচিত।
আমি সুতির বোরকা বানিয়ে নিয়েছিলাম।আসলে, সুতির বোরকা গায়ে আটকে থাকে। হাঁটতে কষ্ট হতো। তাই, পর্দা ও আরামের দিকে খেয়াল রেখে কাপড় নেয়া উচিত।
আমরা এক জোড়া কেডস, তিন জোড়া চপ্পল নিয়েছিলাম। হঠাৎ চপ্পল পরে হাঁটা যায় না। তাই, এক জোড়া কেডস, আর দুই জোড়া দুই ফিতা ওয়ালা আরাম দায়ক জুতো হলেই ভালো। সাথে দুই জোড়া মোটা মোজা । যদি কখনো জুতো ছিঁড়ে যায় বা হারিয়ে যায়, তাহলে মোজা পরে ঘরে ফেরা যাবে।।
একটা হালকা পাতলা জায়নামাজ, কোরআন মাজিদ তিন অংশে ভাগ করে নিলে, হজের মুল সফরে ছোট ব্যাগে সহজেই বহন করা যাবে।
কেউ যদি চায়ের অভ্যাস থাকে তাহলে টি ব্যাগ, ছোট ছোট বিস্কিটের প্যাকেট নিতে পারেন।
আসলে, কবিতা লিখা সহজ, হজ্জ সফর লিখা কঠিন। তাই, ভুল ক্ষমাপ্রার্থী।
***লিপি হক **
চলবে,

08/12/2024

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম। আসসালামু আলাইকুম।
আল্লাহ তায়ালার ইচ্ছায় *হজ্জ কাফেলা,২০২৩,এ আমরা হজ্জ পালনের উদ্দেশ্য মক্কায় গিয়েছিলাম। আলহামদুলিল্লাহ। যারা হজ্জে যাচ্ছেন বা যাবেন, অনেকেই আমাকে প্রশ্ন করে বিভিন্ন বিষয়ে অভিজ্ঞতা জানতে চান। আমি অতি ক্ষুদ্র মানুষ। এই বিষয়ে সত্যিই কিছু জানিনা। আমি আমার কিছু অভিজ্ঞতা তুলে ধরছি। আমার ভুল ক্ষমাপ্রার্থী। আর যারা হজ্জে যাচ্ছেন, তাদের হজ্জ আল্লাহ তায়ালা সহজ ও কবুল করুন। আমিন।
আমরা যখন ২০২৩এ হজ্জের উদ্দেশ্যে নিবন্ধন করি,তার আগে থেকেই কিছু মানসিক প্রস্তুতি নিতে থাকি। যেমন,
১, প্রথমেই উত্তম ভাবে নিয়ত করেছি। এই সময় মনোবল ঠিক রাখতে হয়। বাজারে হজ্জের উপর অনেক বই,গাইড পাওয়া যায়। এগুলো পড়েছি আর দিন গুনেছি।কভে আসবে সেই দিন, যেদিন আমি কাবা দেখব।
২, উমরাহ আদায় করার পর, ছেলেদের মাথা মুন্ডন অর্থাৎ ন্যাড়া করতে হয়।আর, মেয়েদের এক ইঞ্চি বা এক কর চুলের অগ্রভাগ কাটতে হয়। আমি নিবন্ধন করার আগে থেকেই নিয়ত করেছিলাম যে প্রথম উমরাহ আদায় করেই চুল কাটবো। তার আগে আর চুল কাটবো না। কথাটা হাস্যকর হলেও এটাই সত্যি। আল্লাহ তায়ালা আমার আশা পূর্ণ করেছেন। আলহামদুলিল্লাহ।
৩, সৌদি আরবে প্রচুর গরম ও রোদ থাকে। হজ্জের সময় গাড়ি তেমন পাওয়া যায় না। প্রচুর হাঁটতে হয়। তাই, আমি মাঝে মাঝেই দুপুর বেলায়, রোদের মধ্যে হাঁটতে বের হতাম। আমি খুবই অলস। হাঁটতে পারিনা। কখনো দশ মিনিট, কখনো পনের মিনিট, এভাবে প্রায় আধা ঘণ্টা, এক ঘন্টা হাঁটতাম। সত্যিই, এতে, আল্লাহ পাক আমার হাঁটা সহজ করে দিয়েছিলেন। আলহামদুলিল্লাহ
৪, মক্কায় গিয়ে অনেক হাজিগন খেতে পারেন না। চিড়া,মুড়ি খেয়ে এক রকম বাঁচেন। তাই, আমিও চিড়া খাওয়ার চেষ্টা করতাম।কিন্তু পারতাম না। গ্যাস হত। আমার আপা, তিন কেজি চিড়া দিয়ে দিলেন। পরে দেখলাম, ওখানে প্রচুর সুস্বাদু ফল পাওয়া যায়। বাংগালি হোটেলের অভাব নাই। তাছাড়া দুটো খেজুর খেয়ে, জমজমের পানি পান করলে আর ক্ষুধা লাগেনা। যত কম খাওয়া যায়, তত ওয়াশরুমের সামনে লম্বা লাইনে কম দাঁড়াতে হবে। আর, যাদের ডায়াবেটিস আছে, তারা শুকনো ফল সাথে রাখবেন। জমজমের পানি তো আছেই। চিড়া আর খেতে হইনি আমার।
৫, আমি আরেকটা কাজ করতাম। আল্লাহ তায়ালার কাছে কি কি চাইবো, যখন যা মনে পড়তো, সব একটা খাতায় লিখতাম। বিভিন্ন হুজুরের মোনাজাত লিখে রাখতাম। আমার পরিবার, আত্মীয় স্বজনের নাম লিখে দোয়া লিখতাম। এবং যারা দোয়া পৌঁছাতে বলতো, তাদের নামও লিখে রাখতাম। পরে যদি মনে না থাকে তাই লিখতাম। আমি যখন মোনাজাতে এই নোট বুক পড়তাম, তখন পাশের জনও এইটা পড়ত।
৬, কারো কাছে আমার কোন দেনা পাওনা আছে কিনা, কিংবা কারো সাথে খারাপ আচরণ করেছি কিনা তার জন্য ক্ষমা চাইতাম।
৭, আমি সব সময় দোয়া করতাম যেন, আমরা একটা উত্তম কাফেলার সঙ্গী হই। এবং আমার সাথে যারা এক কক্ষে থাকবেন, তারা যেন ভালো মানুষ হয়। আলহামদুলিল্লাহ, আমি খুবই ভালো দুজন বোন পেয়েছিলাম।
৮, আমরা যখন মক্কায় গিয়ে নতুন নতুন বিষয়ের সম্মুখীন হয়েছি, তখন মনে হয়েছে এই বিষয়ে কিছু জানাশোনা বা পড়াশোনা করে আসলে ভালো হত। অচেনা দেশ, নতুন পরিবেশ, নতুন আবহাওয়া , মানিয়ে নিতে একটু সময় লাগে। সৌদি আরবের ভাষা আরবি। ছোট ছোট আরবি কথোপকথন জানা থাকলে ভালো হয়। হঠাৎ রাস্তা ভুলে যাওয়া, কিংবা উমরাহ করার পর স্যালনের খোঁজ, তার দরদাম, গাড়ি ভাড়া করা, বাজার করা কিছুটা আরবিতে বলতে পারলে ভালো হয়।বাকিটা উনারা সাহায্য করেন।উনারা হাজিদের খুবই সম্মান করেন।
পরের অংশে লিখব, প্রাথমিক প্রস্তুতি। ইনশাআল্লাহ।
****লিপি হক*****

14/11/2024

★★স্বপ্ন তরী★★
কখনো, কষ্ট গুলো উড়ে আসে,বৃষ্টির মতো,
ছোট্ট উঠোন জুড়ে জমা হয়।
একলা হতে দেয় না কখনো,
বুক জুড়ে থৈথৈ বাস,অবিরত।
প্রিয় জনের ভালোবাসা, হয়তো, ডুমুরের ফুল,
ক্লান্ত পথিকের মতো, তারে,খুঁজতে হয়।
পিদিম বাতির মতো, এদিক নয় সেদিক,
আশা, সেতো আলেয়ার আলো, সবই ভুল।
মানুষ কেন, এতো দয়া মায়া হীন?
সর্বদা, নিজের সুখে ব্যস্ত,
আজ মরলে, কাল হবে দুই দিন,
তবুও, দুর্বলকে অবহেলায় ন্যস্ত।
ব্যস্ত দুনিয়া, ব্যস্ত মানুষ,
আমি বড়,আমি সেরা,প্রতিযোগিতায় মশগুল।
সার্থের কারণে, আপনজন চক্ষু শুল।
হৃদয়ে আটকে থাকা কষ্টেরা নোনাজলে ভাসে,
জ্ঞানপাপীরা সব, আনন্দে হাসে।
যার উঠোন জুড়ে দুঃখের বহর,
ঢেউয়ের তালে তালে আঘাত হানে,
শুধু সেই জানে,অবজ্ঞা, অবহেলার মানে।
জীবন বয়ে চলে, স্বপ্নতরী ভাসে বর্ষার বানে।।
****লিপি হক*****

03/11/2024

****বিষন্ন রাত***
হেমন্তের বিষন্ন রাত,
মানুষের মতোই, সমস্ত অন্ধকার লুকিয়ে আলোর দ্যুতি ছড়ায়।
তারাগুলোও বিষন্ন, ভীষণ একা।
যারা, কষ্ট লুকানোর বাহানায়, মধ্য রাতে এই বিশাল আকাশের নীচে শান্তি খুঁজে,
তারা, হেমন্তের আকাশ দেখে আরও বিষন্ন হয়।
ভোর যত কাছাকাছি আসে,কুয়াশার জাল বিছিয়ে ধীরে ধীরে শিশিরে ক্ষয় হয়।
মানুষের স্বভাবের সাথে কি অদ্ভুত মিল।
এখানে সেক্রিফাইস এর দাম নেই, শুধু ঝরে যাওয়া।
কষ্টগুলো নোনাজলে ভাসিয়ে শুধু অপেক্ষা করা।
যেভাবে তারাগুলো অন্ধকারে হারিয়ে যায়। ব্যস,নক্ষত্রের পতন।
***লিপি হক***
৩/১১/২০২৪ইং

31/10/2024

★★বিশ্বাস★★
মানুষ কে, বিশ্বাস করার নেশাটা গেলোনা আজও,
মরা নদীর মধ্যে খুঁজি,এক ফোটা জল, যদি থাকে কোথাও।
প্রতিবার হতাশ হই,
তারপরেও খুঁজি, যদি থাকে, এইটুকু, এক চিমটি, যুতসই।
ঠকে যাওয়ার মাঝে, কোন আফসোস নয়,
যারা ঠকায়, তারাই না হয় রাখুক দায়।
আমার না হয়, বোকার তকমাই থাকুক বুকে,
শৃগালও কিন্তু কম চালাক নয়, তবুও, দুর দুর করে লোকে।
মুক্তা কুড়ানোর মতো, একটু একটু করে বিশ্বাস কুড়াই,
চিকচিকে বালি ছাড়া তাতে, যদিও আর কিছু নাই।
তবুও, আশায় আশায় থাকি,
এখনো ফুরিয়ে যায়নি দিন, আছে কিছু বাকি।
লেখায়, লিপি হক ।

22/10/2024

ঈদে কিংবা অন্য কোন ছুটিতে,
আমরা ভাই বোন,ছেলে মেয়ে সবাই একসঙ্গে বাড়ি যেতাম।
চলতো, হৈচৈ, আনন্দ আড্ডা আয়োজন।
আমার মা, নানা পদ রান্নায় ব্যস্ত, রান্নাঘরে।
তারপর, এক সময় ফিরে যাওয়ার সময় হয়ে যেতো।
মা, মুখ টা করুণ করে বলতো, তোরা সবাই এক সাথে যাস না।
তুই কাল যা, তোরা, আগে পরে যাস।
হেসে বলতাম, কি যে বলো মা, আর থাকা যাবে না। সময় নেই।
মা চুপ হয়ে যেতেন।
এক বুক দীর্ঘ শ্বাস আটকে রেখে, হাসি মুখে বিদায় দিতেন।
কখনো পেছনে ফিরে দেখিনি, মা, কেমন আছেন।
আজ, আমি মা হয়েছি।
আমার সন্তান যখন ছুটি কাটিয়ে ফিরে যায়,
তখন, আস্ত একটা পাহাড় বুকের উপর চেপে বসে।
প্রচন্ড ভারি, টনটনে ব্যথা।
শ্বাস নিতে পারিনা।
অজানা এক রোগে, সারাটা দিন থাকি শয্যাশায়ী।
কাজ নেই, খাওয়া নেই, ঘুম নেই।
এক পাহাড়, দীর্ঘশ্বাস আটকে থাকে বুকের ভেতর।
মা কেন, এক সাথে যেতে মানা করতেন , সেদিন বুঝিনি। আজ বুঝি।
*****লিপি হক***
তারিখ, ২১/১০/২০২৪ইং

Address

Uttara
Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mousomy Lipi posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category