Shimu's Rajya

Shimu's Rajya It's Rajya's Gallery
Our picture's and vedio's are made for entertainment purpose only
(40)

ছোটবেলায় এই বিস্কুট কে কে খাইছেন???এই বিস্কুট দেখলেই আমার ছোটবেলার স্কুলজীবনের কথা মনে পরে যায়।বহুদিন পরে আজকে বাসার পাশ...
23/06/2026

ছোটবেলায় এই বিস্কুট কে কে খাইছেন???এই বিস্কুট দেখলেই আমার ছোটবেলার স্কুলজীবনের কথা মনে পরে যায়।
বহুদিন পরে আজকে বাসার পাশের দোকান থেকে এই বিস্কুট টা এনেছে আর আমার কত স্মৃতি মনে পরে গেছে।
আমি যখন স্কুলে পড়তাম তখন এটার দাম ছিলো ৬ টাকা।আর কসমস একটা বিস্কুট ছিলো ওইটার দাম ছিলো ৮ টাকা।আমার কসমস টা বেশি মজা লাগতো।চিনি দেয়া থাকতো।
৬ টাকা থেকে এটা ১৫ টাকা হয়ে গেলো সাথে আমিও বুড়ি হয়ে গেলাম।😜

সকালে যখন না খেয়ে স্কুলে চলে যেতাম আব্বা বলতো দোকান থেকে একটা গ্লুকোজের প্যাকেট কিনে খেয়ে নিতে।দোকান বাঁধা ছিলো।কিন্তু আমি গ্লুকোজ না খেয়ে এত্তগুলা বার্মিজ আচারের প্যাকেট কিনে বান্ধবীদের নিয়ে খেতাম।বিস্কুট খেতে মনই চাইতোনা।

কার কার ছোটবেলার কথা মনে পরে এটা দেখে?

দুপুরে তাড়াহুড়ায় মাছ ভুনা করেছিলাম আর পুইশাক দিয়ে ডাল ভুনা।কালকে অনেকেই বলেছিলো পুইশাক দিয়ে ডাল নাকি অনেক মজা।আমি এভাবে ...
23/06/2026

দুপুরে তাড়াহুড়ায় মাছ ভুনা করেছিলাম আর পুইশাক দিয়ে ডাল ভুনা।
কালকে অনেকেই বলেছিলো পুইশাক দিয়ে ডাল নাকি অনেক মজা।আমি এভাবে রান্না করেছি।জানিনা অন্যরা কিভাবে রান্না করে।
শুকনা শুকনা করে রান্না করেন নাকি?

আমার খালা দিয়ে কাজ করানো নিয়ে মানুষের এত জ্বা*-লা কেন বুঝিনা😁 সকালের পোস্টে মনে হচ্ছে ঝড় উঠতেছে🤣🤣আমি কেন রাতের থালাবাসন রেখে দেই।ধুইনা কেন? এগুলো ধুইতেও খালা লাগে??
আচ্ছা যাদের খালা দিয়ে হাড়িপাতিল মাজার কাজ করান তারা থালাবাসন কি করেন?রাখেন না?নাকি নিজেই ধুয়ে রেখে দেন?আর খালাকে এমনিই ওই কাজের টাকা দেন?

আমাদের এখানে খালা যত বাসায় কাজ করে সবজায়গাই তো থালাবাসন সব রেখে দেয়। খালা সকালে এসে আগে ওইগুলাই ধোয়।আমার বাসায় বরং কম হয় যেহেতু মানুষ কম।খালা একদিন ছুটি নিলে পরেরদিন এসে বলে- জানেন আজকে সব বাসায় হাড়িপাতিল এর পাহাড় জমিয়ে রাখবে আর আমার বাসায় যেতে আজকে কয়টা যে বাজবে।
কিন্তু খালা ছুটি নিলে আমি জমিয়ে রাখিনা।ধুয়ে ফেলি।

ফেইসবুকে সব সাধু সন্নাসীরা ঘুরে বেড়ায়😁আর আমি কিছু লিখলেই জ্বা*-লা ধরে যায়।আজব!!সামান্য একটা কথা লিখেছি সেটাকে নিয়ে কি করতেছে।
আমি খালা রেখে কাজ করাবো তাতে আপনার এত মাথা ব্যা-*থা কেন ভাই?আমার জামাই তো সবসময় বলে আমি তোমাকে রাজরানী বানিয়ে রাখতে চেয়েছিলাম।কিন্তু আফসোস পারলাম না।ও চায় আমি রান্নার জন্যও খালা রাখি আর আমি শুধু বাচ্চা রাখি।সেটা হইলেতো মনে হয় ফেইসবুকের খালারা আমাকে বাসায় আইসা ধুয়ে রেখে যেতেন😁😁

নিজের জীবন নিয়ে আপারা মনে হয় অনেকবেশি হতাশ। কাজ আর খুঁজে পায়না।তাই আমার কাছে আসে খোঁচাইতে😁

হুট করেই সকালে আজকে খালা আসেনাই।সকালে  খালার কলিং বেলে আমার ঘুম ভাঙে।আজতো একটু পরে পরে নড়েচড়ে দেখি খালাতো আসেনা। ভাবছি হ...
23/06/2026

হুট করেই সকালে আজকে খালা আসেনাই।সকালে খালার কলিং বেলে আমার ঘুম ভাঙে।আজতো একটু পরে পরে নড়েচড়ে দেখি খালাতো আসেনা। ভাবছি হয়তো সময় হয়নি এরপরে মোবাইল হাতে নিয়ে দেখি অনেক সময় পেরিয়ে গেছে। দৌড়ায়ে উঠে ছেলেরে আনতে গেছি।
এখন তো ঘর একদম অগোছালো আর সিংকভর্তি ময়লা বাসনকোসন পরে আছে।আমি কোনটা রেখে কোনটা ধরবো দিশা পাচ্ছিনা।
তাই কোনটাই না ধরে চিৎ হয়ে পোলা নিয়ে শুয়ে আছি।

কিন্তু রান্নাটা তো করতে হবে।দুপুর হয়ে গেলো।কি যে করি।খালা এভাবে না বলেকয়ে মিস দেয়না এতে অনেক অসুবিধায় পরতে হয়।মনে মনে খালি ভাবতেছি ঝটপট কম ঝামেলায় কি রান্না করা যায়🤔🤔

আইডিয়া দেন তো আমি দুপুরের জন্য কাটা-বাছা করতে হবেনা এরকম কি রান্না করতে পারি?যেটাতে আমার খাটনি কম হবে।আজকে কোনরকম করে শুধু চালিয়ে নিবো।

সারাদিন পরিশ্রমের পরে সারাটা রাত যায় ঘুমের জন্য অপেক্ষা করতে করতে।এই যে এখন সবাই ঘুমাচ্ছে কিন্তু আমি পারছিনা।চোখের মধ্যে...
22/06/2026

সারাদিন পরিশ্রমের পরে সারাটা রাত যায় ঘুমের জন্য অপেক্ষা করতে করতে।এই যে এখন সবাই ঘুমাচ্ছে কিন্তু আমি পারছিনা।চোখের মধ্যে কত যে ঘুম কিন্তু বন্ধ করলে ঘুম আর আসেনা।
কত রাত ধরে আমি ঘুমাইনা.।লাস্ট এক সপ্তাহ ধরে রাতে ঘুম আসলেই আমার কাশি শুরু হয়।সারাদিন কোন কাশি থাকেনা কিন্তু চোখ লেগে আসলেই খুশখুশানি শুরু হয়।
আর আমি যত বেশি ক্লান্ত হই আমার পায়ে তত বেশি ব্যাথা হয়।এই ব্যাথা টের পাওয়া যায় শুধু আমি রিলাক্সে শোয়ার পরে।
রাতে সবাই ঘুমিয়ে গেলে আমিও যখন ঘুমাবো তখন আমার পায়ে অসহ্য ব্যাথা শুরু হয়।সেজন্য আমার আর ঘুম হয়না।আমি প্রায় সারারাত ব্যাথায় পা শুধু ছুড়তে থাকি।বিকাল বেলায় বৃষ্টি হলে বাচ্চারা ঘুমায় ঘন্টার পর ঘন্টা আর আমি চোখে এক আকাশ সমান ঘুম নিয়ে এক পাশে পরে থাকি।ঘুমাইতে পারিনা তখনও এরকম ব্যাথা হয়।প্রচন্ড রকমের ব্যা*থা।
দিন যদি ঠান্ডা ঠান্ডা থাকে বৃষ্টি হয় সেদিন আমার সারা শরীর জুড়েই ব্যা*থা*রা জানান দেয়।ঘাড়ে কোমড়ে পিঠে ব্যাথা তো আছেই।অলটাইম চিলিক দিতে থাকে।
পায়ে হাড়ের ভিতরে মনে হয় কিলবিল করছে।আর অসহ্য যন্ত্রণা হচ্ছে।এজন্য ঘুমাতেও পারছিনা।আমাকে অনেকেই বলে কাজের মানুষ কেন লাগে এগুলো কাজ তো নিজেই করা যায়।
আমার শরীরের কন্ডিশন কেবল আমিই জানি।কতগুলো রাত না ঘুমিয়ে কাটাচ্ছি।সকাল চারটা পাচটার দিকে ঘুম আসে তখন ছেলে উঠে যায়।কান্না করে ব্রেস্ট ফিডিং করে।আর ওদের স্কুল যাওয়ার সময় হয়ে যায়। আমি গড়ে তিনঘন্টা দুইঘন্টাও ঘুমাইনা কতদিন হয়ে গেছে।একটা মানুষ কতদিন না ঘুমিয়ে থাকতে পারে?
পা গুলো ব্যাথায় টনটন করতেছে আর আমি শুধু এপাশ ওপাশ করতেছি।এ থেকে আমার মুক্তি নেই।সারাদিন বাচ্চাদের নিয়ে দৌড়ঝাপ হাটাহাটি আমাকে আমার শরীরকে নিঃশেষ করে দিচ্ছে।

আর কারও এমন হয় বলে আমি জানিনা কিন্তু আমার হয়।সবার শরীর এক হয়না।সবাই এতটা বহন করার মতো ক্ষমতা রাখেনা।তাই নিজের শরীরের শক্তি দিয়ে অন্যকে কেউ বিচার করবেননা।

ছোটবেলায় পড়াশোনা একটুও ভাল্লাগতোনা।খালি ভাবতাম কবে বিয়ে হবে আর বিয়ে হলেই আমি পড়াশোনা ছেড়ে দিবো।আব্বার ভ য়ে পড়াশোনা করতাম...
22/06/2026

ছোটবেলায় পড়াশোনা একটুও ভাল্লাগতোনা।খালি ভাবতাম কবে বিয়ে হবে আর বিয়ে হলেই আমি পড়াশোনা ছেড়ে দিবো।আব্বার ভ য়ে পড়াশোনা করতাম🤭কস্ট হবে বলে ভাবতাম আমি কখনো চাকরি করবোনা।সংসার করবো।ভাবতাম সংসার মনে হয় অনেক আরামের।সংসার করে আবার চাকরি করা অনেক টাফ।তাই কোনদিন চাকরির কথা মাথায়ই আনিনি। ভাববেননা আবার চাকরি পাইনি😜আগে তো চেষ্টা করতে হবে তারপর না পাবো।আমার অনেক অনেক বান্ধবী আছে চাকরি করে অনেক ভালো ভালো জায়গায়। তারা পরিশ্রম করেছে তাই পেয়েছে।।আমার চেয়েও খারাপ রেজাল্ট করে অনেক ভালো পজিশনে আছে অনেকেই।

কথা সেটা না কথা হচ্ছে
মাস্টার্স পড়ার পরে মনে হলো আহ জীবন থেকে পড়াশোনা নামক শনি গেছে।কি শান্তি। জীবনে আর কোনদিন পড়তে হবে না।জীবনে আর কোন চিন্তা নাই ভাবনা নাই।পরীক্ষা নিয়ে কোন প্যারা নাই।

ওমা গো মা কে জানতো আমার জীবনে সেই কাল আবার নতুন করে আসতে যাচ্ছে শুরু থেকে মহাসমারোহে। ভাভাগো ভাভা এখন আবার আমার নতুন করে অ, আ,ক খ শিখতে হচ্ছে।মাথার তার আমার ছিড়ে যাইতেছে।

ছেলের জীবনে প্রথম পরীক্ষা দিচ্ছে।মনে হয় পরীক্ষা সে দিচ্ছেনা গো আমিই দিচ্ছি।এতদিন মায়েদের দেখতাম বাচ্চাদের পরীক্ষা নিয়ে কতটা ওরীড থাকতো। এখন সেই অধ্যায় আমার জীবনেও এসে গেছে।কালঘাম ছুটে যাচ্ছে আমার ছেলেরে এই টেন পর্যন্ত বানান লিখাতে গিয়ে। বারবার মেজাজ হারিয়ে ফেলছি আমি।মনে হচ্ছে সত্যিই আমার তার ছিড়ে যাবে🥲
এইসব আমার দ্বারা সম্ভব না বলেই বাসায় টিচার দিয়েছিলাম কিন্তু সে যে এতদিন কি পড়াইছে সেই জানে।এখন শুরু থেকে আমারই পড়াতে হচ্ছে।ছেলেরও চাপ পরতেছে আমারও চাপ পরতেছে।

জীবন থেকে কি এই পড়ালেহা বাদ দেয়া যায় না ভাই???২৪/২৫ বছর পড়ালেহা কইরা এখন আবার নতুন কইরা সেই পড়ালেহা শুরু করার এনার্জি কি আছে ভাই?জীবন তো তাইলে এই পড়ালেহাতেই শেষ হইয়া গেলো😪😪

এক কেজি পুইশাক সিদ্ধ দিলে এইটুকু হয়ে যায়।আর পানি ছেড়ে দেয় এক পুকুর।এই পানির মধ্যেই নাকি সব ভিটামিন চলে যায়।তারপর শাক সিদ...
22/06/2026

এক কেজি পুইশাক সিদ্ধ দিলে এইটুকু হয়ে যায়।আর পানি ছেড়ে দেয় এক পুকুর।এই পানির মধ্যেই নাকি সব ভিটামিন চলে যায়।

তারপর শাক সিদ্ধ করার পরে বাড়তি এই পানিটাকে কি করেন?ফেলে দেন???
আমিতো এই পানি শুকাইতে গিয়ে শাক আরো কমিয়ে ফেলছি।
শাক ধুয়ে পানি ঝড়িয়ে বসানোর পরেও এত্ত পানি বের হয় কেন বুঝলাম না।
এই পানি ফেলে দিলে তো ভিটামিন সব পানিতেই চলে যাবে।

বলেন তো এগুলো কি???আঞ্চলিক ভাষায় কি বলে এটাকে আপনাদের এলাকায়???
22/06/2026

বলেন তো এগুলো কি???

আঞ্চলিক ভাষায় কি বলে এটাকে আপনাদের এলাকায়???

বরবটি দিয়ে আমি কখনো তরকারি রান্না করিনি।জানিওনা বরবটি দিয়ে তরকারি রান্না করা যায়।বরবটি ভাজি করি সবসময় আলু দিয়ে। ফ্রাইড র...
22/06/2026

বরবটি দিয়ে আমি কখনো তরকারি রান্না করিনি।জানিওনা বরবটি দিয়ে তরকারি রান্না করা যায়।বরবটি ভাজি করি সবসময় আলু দিয়ে। ফ্রাইড রাইসে বা সবজিতে দেই। কিন্তু ফেইসবুকে দেখি অনেকেই তরকারি রান্না করে।
আমার ফ্রিজে কয়েকদিন ধরে কয়েকটা পুইশাকের ডাঁটা পরে ছিলো।খালা কুটেবেছে রেখেছিলো কিন্তু কি দিয়ে রান্না করবো বুঝতে পারছিলাম না।

কালকে ওই ডাটা গুলো আলু দিয়ে কয়েকটা বরবটি কেটে সাথে একটা ধুন্দল ছিলো ওইগুলা দিয়ে ভাবলাম চ্যাপা শুটকি দিয়ে রান্না করবো। কিন্তু আমার চ্যাপার তরকারি এখন আর ভালো লাগে না।এই বছর চ্যাপার তরকারি রান্নাই করা হয়নি।আমার মাছই ভালো লাগে।
তারপর রুইমাছের পেটি দিয়ে এই তরকারি টা ভেজা ভেজা করে রান্না করেছি।যখন রান্না করছিলাম তখন মনে হচ্ছিলো না জানি কেমন হয়।
কিন্তু খাওয়ার পরে জাস্ট আমি স্পিচলেস......এত্ত মজা লাগছে এত্ত মজা লাগছে যে মন চাইতেছে বরবটি এখন থেকে শুধু তরকারি রান্না করেই খাবো।এখনো মুখে লেগে আছে অথচ গতকাল খেয়েছি।এতদিন বরবটি কে আমার ঘাসের মতো লাগতো।রষকষহীন একটা সবজি।শুধু কিনতাম বাচ্চাদের জন্য ভালো সবজি ভেবে।
কিন্তু এখন আমি এটার ফ্যান হয়ে গেছি ভাই।

কয়দিন আগে রান্না করেছিলাম কিন্তু সাথে ঢেড়শও দিয়েছিলাম তাই একদম ই ভালো লাগে নি।ঢেরশের জন্য তরকারি টা পিচ্ছিল হয়ে গেছিলো তাই বরবটির স্বাদটা বুঝতে পারিনি।কিন্তু গতকালকের তরকারি ভীষণ মজা লেগেছে।
এখন আমি বরবটি পাইলেই নিয়ে আসবো।একটু একটু করে দিবো।সেইইইই মজা। আপনারাও রান্না করে দেখতে পারেন।
এতদিন এটাকে আমার আজাইরা সবজি মনে হতো😜মনে হতো এটা যখন খাই তখন মনে হয় ঘাস চিবাই😁
ঢেরশের তরকারি খেয়ে আমার অতটা ভালো লাগেনাই।পিচ্ছিল হয়ে যায়। আর রানবোনা ঢেরশ ওইটা ভাজিই ঠিক আছে।

আজকে দেখলাম আমার লিখা বড় এটা নিয়ে অনেকেই কমেন্ট করেছেন।ক্যাপশন ছোট করে দিতে বলেছেন।আবার কেউ বলেছেন এই বেডি এত সময় কই পায়...
21/06/2026

আজকে দেখলাম আমার লিখা বড় এটা নিয়ে অনেকেই কমেন্ট করেছেন।ক্যাপশন ছোট করে দিতে বলেছেন।
আবার কেউ বলেছেন এই বেডি এত সময় কই পায়?
শোনেন আমার লিখতে ভীষণ ভালো লাগে। আমি যখন লিখি তখন লিখতেই থাকি আমার লিখা শেষই হতে চায়না।আর আমি অনেক দ্রুত লিখতে পারি।হেঁটে হেঁটেও আমি লিখতে পারি খেতে খেতেও আমি লিখতে পারি😜তাই সময় নিয়ে আমার কোন সমস্যা হয়না।
ছেলেকে খেলতে দিয়ে আমি লিখি, বাচ্চাকে ঘুম পারানোর সময় আমি লিখি।সারাদিন মোবাইলে অন্যকিছু দেখার থেকে অন্যের পেইজে ঘোরার থেকে আমার মনে হয় একটা কিছু লিখি।
প্রথমত আমি আমার ভালো লাগার জন্য লিখি।আমার লিখতে ভালো লাগে তাই লিখি।আমি জানি এত বড় লিখা পড়তে ভালো না ই লাগতে পারে।ভালো যাদের না লাগবে তারা পড়বেনা।

আর যাদের ভালো লাগবে তারাই তো পড়বে।আর যাদের পেইজ আছে তারা এত বড় লিখা পড়তে চায়না।আর তারাই আমাকে এসে বলে ক্যাপশন ছোট করে দিয়েন।কিন্তু আমি আমার ভালো লাগার জন্য লিখি কে পড়লো কে পড়লোনা সেজন্য লিখিনা।
আর আমি তাদের জন্যই লিখি যারা পড়তে ভালোবাসে।এবং অনেক মানুষ আমার লিখা পড়ে।আর পড়ে বলেই আমার পেইজে আলহামদুলিল্লাহ অনেক রিচ ভিউজ হয়।আর আমিও সেই কারণেই লিখি।আর আমার লিখা যারা পড়ে তাদের বেশিরভাগেরই পেইজ নেই।তারা এমনিই পড়ে আর আমি এইজন্যই লিখি।আমার পেইজে খুবই অল্প সংখ্যক মানুষ আছে যাদের পেইজ আছে আর বাকিরা শুধু পড়তেই আসে।আর আমি বুঝি কে কতটুকু পড়ে আমার লিখা ।পেইজ সম্পর্কে আমার এতদিনে খুব ভালো এক্সপেরিয়েন্স হয়েছে। দুইটা পেইজ এমনি এমনি উঠেনি।
কেউ যদি না পড়তো তাহলে হয়তো লিখতামনা।দেখেন আমার এত বড় পেইজটা এক বছরের বেশি সময় ধরে ফেলে রেখেছি আমার ভালো লাগেনা বলে।ওখানে আমি যাই ই না কারণ আমার মন চায়না।অথচ এক সময় আমি অনেকটাই ই ন কা ম করেছি ওই পেইজটা থেকে।

এখন আমার এখানে লিখতে ভালো লাগে তাই লিখি।আশা করি আপনাদের সব প্রশ্নের উত্তর পেয়েছেন।মানুষ চাইলে সময় বের করা কোন ব্যাপার না।আর আমার কাছে আমার ভালো লাগাটাই সবচেয়ে বড় ব্যাপার।

আচ্ছা এই ফলটা পছন্দ করে এমন মানুষ আছে?আমার তো এটাকে কোনভাবেই ফল মানতে মন সায় দেয়না😁কোন স্বাদই নেই এটার।পানসে পানসে লাগে।...
21/06/2026

আচ্ছা এই ফলটা পছন্দ করে এমন মানুষ আছে?আমার তো এটাকে কোনভাবেই ফল মানতে মন সায় দেয়না😁
কোন স্বাদই নেই এটার।পানসে পানসে লাগে। অথচ অনেকেই নাকি পছন্দ করে।
আম কিনার সময় ওইদিন চাচা খুব সাধতেছিলো আমাকে এগুলো নিতে আমি বলি চাচা আমারে এমনিতে দিয়ে দিলেও আমি এটা নিবোনা।
তাও চাচা বলে নিয়ে দেখেন একবার এত্ত মিস্টি।

আমাদের বাসায় ছিলো আগে কিন্তু ওটা সাদা ছিলো। সারাদিন নিচে পরে থাকলেও মন চাইতোনা একটা মুখে দেই।আর এখন কিনে খাবো?চাচাকে বললাম চাচা আমাদের বাসায় আছে এটা তখন চাচা ছাড়লো🤣🤣নাহলে দিয়েই দিতো।

তবে এটার নাকি অনেক উপকার আছে।
কে কে পছন্দ করেন এটা?নাম কি আপনাদের ওখানে?

জামরুল বলে জানি আমি।

Address

33/8 Kewatkhali, Powerhouse Road, Sadar, Mymensingh
Dhaka

Telephone

+8801770091055

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Shimu's Rajya posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Establishment

Send a message to Shimu's Rajya:

Share