Fahim Shahriyar

Fahim Shahriyar Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Fahim Shahriyar, Arcade, Dhaka.

Coach special discount, starting from 50% off, very cheap, if you like send pictures to me, leave a message, cash on delivery, honest merchants, guaranteed authentic

美國代購100%正品outlets代購 全套包裝 最新款式支持專櫃驗貨    現在1-2折清倉處理喜歡請私訊+1    #相機包  #托特包  #特價
25/03/2022

美國代購100%正品
outlets代購 全套包裝 最新款式
支持專櫃驗貨 現在1-2折清倉處理
喜歡請私訊+1 #相機包 #托特包 #特價

special discount, starting from 50% off, very cheap, if you like send pictures to me, leave a message, cash on delivery,...
24/03/2022

special discount, starting from 50% off, very cheap, if you like send pictures to me, leave a message, cash on delivery, honest merchants, guaranteed original

Coach special discount, starting from 50% off, very cheap, if you like send pictures to me, leave a message, cash on del...
24/03/2022

Coach special discount, starting from 50% off, very cheap, if you like send pictures to me, leave a message, cash on delivery, honest merchants, guaranteed authentic

18/01/2022

প্রসঙ্গঃ ফুল সিলেবাসে মেডিকেল এডমিশন টেস্ট।

কে কেমন এডভান্টেজ পাচ্ছে, কারা এগিয়ে থাকবে, কেমন কম্পিটিশন হবে, এসব ভাবার মতো অনর্থক আর কিছুই নাই, বিশ্বাস করো।

এই ভয় আমি নিজেও অনেক পেতাম। সেই ইন্টার ফার্স্ট ইয়ার থেকেই। জানতাম, যে মেডিকেলে পরীক্ষা দেয় সবচেয়ে বেশি শিক্ষার্থী। গড়ে ৬০/৭০ হাজার। এতেই ভয়েই অস্থির। অটোপাশ দেয়ার পর, মেডিকেল এডমিশনে এপ্লিকেশন শুরু হলে জানতে পারলাম, পরীক্ষা দিবে লাখের ওপর। শেষমেশ পরীক্ষা দিল প্রায় ১ লক্ষ ১৬ হাজার। যেই আমি ৬০/৭০ হাজারে ভয় পেতাম, সে এই সংবাদে খুব তো খুশি হতে পারিনি, সেটাই কি হওয়ার কথা নয়?

কিন্তু আজকের দিনে দাঁড়িয়ে, এইটুকু বলতে পারি, এই দুশ্চিন্তাটুকু আমার জন্য লাভবান কিছু হয়নি। এর চেয়ে বরং লস হবার চান্স ছিল। মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায়, কনফিডেন্স ঘাটতি ও ভয় থাকলেই যত সমস্যা।
সময় তো আছে। হ্যা তোমরা হয়তো বলবে, ভাইয়া আপনি তো অনেক সময় পেয়েছেন, বলা তো সহজ, করা কঠিন। ঠিকই তো। সময় আমার সময় সবাই পেয়েছে, ১লাখ ১৬ হাজারের সবাই। ভুলে গেলে চলবে না সেকেন্ড টাইমার আমার সময়ও ছিল। তারাও তো আমাদের চেয়ে বেশি সময় পেয়েছে। তাতে কিছু এসে যায় নি কিন্তু।
কারণ মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় অন্যের সাথে কম্পিটিশন নয়, কম্পিটিশন বা ফাইট টা হয় নিজের সাথে। ঠিকই বলছি। তুমিই পরীক্ষার হলে গুবলেট করে এসে সহজ প্রশ্ন ভুল করবা। তুমিই একটা দাগাতে যেয়ে অন্যটা দাগিয়ে আসবা, তুমিই নার্ভাস হয়ে সব ভুলে যাবা। It's all about you.
আবার তুমিই পারো এমন প্রিপারেশন নিতে, যে তুমি কনফিডেন্টলি বলতে পারো, আমি ১০০টা প্রশ্নে ৮০টা সঠিক করে আসবই। আসতেই হবে। করব খাটুনি। করব পরিশ্রম। কীই বা হবে। একটু বেশি পড়তে হবে, যেই স্বপ্ন দেখি, কল্পনায় সাদা এপ্রোনে কেমন লাগে নিজেকে ভাবি, সেটা পূরণ করার জন্য নাহয় দিলাম নিজেকে একটু বেশি উজাড় করে। পারব না কেন?

বললাম তো, তুমি এমন প্রিপারেশন নাও, যাতে ১০০ প্রশ্নে তুমি ৮০ এর মত কারেক্ট করে আসতে পারো।কে কত পেলো আর ভাবার দরকারই পড়বেনা। আমি বলে দিচ্ছি পরের বছর ডিএমসি ক্যাম্পাসে তোমাকে ওয়েলকাম করবো ইনশাআল্লাহ। বারবার কাউকে জিজ্ঞেস করবেনা যে ভাইয়া কত পেলে চান্স হয়, লাস্ট মার্ক কত থাকে। Confident হও। নিজেকে বলো I will not stand Mediocrity. ওই যে বল্লাম, ৭৫-৮০ পাওয়ার মত প্রিপারেশন নেয়ার মত যথেষ্ট সময় তোমার আছে। ১০০ তোমার পাওয়া লাগবে না। কেউই কখনো পায়না।

তাই আজ থেকেই লেগে পড়ো। রেজাল্ট এর দিন এ তোমার বাবা মার চোখে গর্বের অশ্রু না দেখা পর্যন্ত থামবে না। Invest time, hard work, এই investment এ loss এর কোনই চান্স নাই। লাভই হবে। অনেক লাভ।

শুভ কামনা। সবার স্বপ্ন পূরণ হোক ইনশাআল্লাহ।

মাহমুদুন নবী ইমন
ঢাকা মেডিকেল কলেজ
সেশনঃ ২০২০-২১
মেরিটঃ ১২তম
স্কোরঃ ৮৫

18/01/2022

দেশের সরকারি-বেসরকারি মেডিকেল কলেজের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষা আগের নিয়মেই আয়োজনের নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। শিগগিরই পরীক্ষার তারিখসহ বিস্তারিত জানিয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করবে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর।

সোমবার (১৭ জানুয়ারি) ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে আয়োজিত এক সভায় এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

সভায় স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব মো. সাইফুল ইসলাম বাদল সভাপতিত্ব করেন। সভায় অন্যান্যের মধ্যে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক এ এইচএম এনায়েত হোসেন, স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (শিক্ষা) অধ্যাপক ডা. আবু ইউসুফ ফকির, স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (চিকিৎসা শিক্ষা ও জনশক্তি উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. এ কে এম আহসান হাবীব উপস্থিত ছিলেন।

এপ্রিল মাসের প্রথম সপ্তাহে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা আয়োজন করা হবে। এছাড়া আগের নিয়মেই ভর্তি পরীক্ষা আয়োজন করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, সভা শুরুর পর পরীক্ষা আয়োজক কমিটির এক সদস্য সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে ভর্তি পরীক্ষা আয়োজনের বিষয়টি উত্থাপন করেন। তবে অধিকাংশ সদস্য এর বিপক্ষে মত দেন। ফলে পূর্বের নিয়মেই সম্পূর্ণ সিলেবাসে ভর্তি পরীক্ষা নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

এ প্রসঙ্গে অধ্যাপক ডা. আবু ইউসুফ ফকির বলেন, সভায় সংক্ষিপ্ত সিলেবাসের বিষয়টি তোলা হয়েছিল। তবে সেটিতে কেউ রাজি নন। তাই ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষা সম্পূর্ণ সিলেবাসের আলোকেই অনুষ্ঠিত হবে। সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে ভর্তি পরীক্ষা হবে না।

বসে থাকার দিন শেষ ২১ ব্যাচ এর এডমিশন যুদ্ধ শুরু হয়ে গেল😃MIST এর ভর্তি সার্কুলার প্রকাশিত😃MIST ভর্তি পরীক্ষার সার্কুলার প...
09/01/2022

বসে থাকার দিন শেষ
২১ ব্যাচ এর এডমিশন যুদ্ধ শুরু হয়ে গেল😃
MIST এর ভর্তি সার্কুলার প্রকাশিত😃
MIST ভর্তি পরীক্ষার সার্কুলার প্রকাশিত হয়েছে।
HSC-21 : MIST Admission Circular
(Military Institute of Science and Technology)
💌আবেদন যোগ্যতাঃ
✔️SSC তে ন্যূনতম জিপিএ 4.0 (৪র্থ বিষয় ব্যতীত)।
✔️HSC তে গণিত, পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন ও ইংরেজি এই চারটি বিষয়ে মোট জিপি 17.0/20 হতে হবে।
💌পরীক্ষার ধরন:
✔️ক গ্রুপ=১০০ নম্বর (Written) এবং সময়: ২ ঘণ্টা । এবং খ গ্রুপের ড্রয়িং এর উপর আরো ১০০মার্ক্সের পরীক্ষা সময় ২ঘন্টা।
✔️ক গ্রুপ=গণিত (৪০ নম্বর), পদার্থবিজ্ঞান (৩০ নম্বর), রসায়ন (২০ নম্বর) ও ইংরেজি (১০ নম্বর)
💌ফলাফল নির্ণয় পদ্ধতি : শুধুমাত্র ভর্তি পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরের উপর মেধাতালিকা প্রকাশ করা হয়।পাশ মার্ক্স ৪০%।
💌নেগেটিভ মার্কিং : নেই
💌ক্যালকুলেটর: আছে
💌সেকেন্ড টাইম: আছে(তবে ৫% মার্ক্স কর্তন করা হয়)
💌আবেদন ফি: A ইউনিটে ৮০০ এবং আর্কির জন্য ২০০(মোট ১০০০)
💌আবেদনের তারিখ ও ভর্তি পরীক্ষার তারিখ ফলাফল প্রকাশের পর প্রকাশ করবেন।

বুয়েট ভর্তি পরীক্ষার খাতা মূল্যায়ন পদ্ধতি:সময়টা ছিল ২০১৪ সালের আগাস্ট মাস, আমি লেকচারার থাকার কলঙ্ক মুছে সহকারী অধ্যাপক ...
09/01/2022

বুয়েট ভর্তি পরীক্ষার খাতা মূল্যায়ন পদ্ধতি:
সময়টা ছিল ২০১৪ সালের আগাস্ট মাস, আমি লেকচারার থাকার কলঙ্ক মুছে সহকারী অধ্যাপক হিসাবে যোগদান করলাম, তার কিছুদিন পরেই সেইবারের ভর্তি পরীক্ষার সভাপতির পক্ষ থেকে একটা চিঠি পেলাম তাতে লেখা রয়েছে যে আমাকে আসন্ন বুয়েট ভর্তি পরীক্ষার খাতা scrutiny, সমষ্টিকরণ, সর্টিং, ইকো চেকিং এবং পরবর্তীতে সাবজেক্ট চয়েজ এর ফর্ম গ্রহন ও ছাত্রছাত্রীদের কাগজপত্র ভেরিফিকেশন এর দায়িত্বে নিয়োগ করা হয়েছে।
আর আমার কোন নিকট আত্মীয় পরীক্ষার্থী থাকলে আমাকে লিখিত ভাবে জানাতে বলা হয়েছে, এরপর আত্মীয়র যে সংজ্ঞা দিয়েছে তা আমার জানা ছিল না যে আত্মীয় আবার এত প্রকার হয়! এক কথায় যত প্রকার আত্মীয় মানুষের থাকতে পারে সব উল্লেখ করেছে।
আমি তো চিঠি পেয়ে অনেক গর্ববোধ করলাম এই ভেবে যে এতদিন আকাশে বাতাসে এই ভর্তি পরীক্ষার খাতা কিভাবে দেখা হয় তা নিয়ে অনেক গল্প শুনেছি, তো এইবার আমি নিজের চোখে দেখবো যে আসলে কি হয় সেখানে! তো আমার কোন আত্মীয় পরীক্ষার্থী ছিলনা বিধায় আমি ভর্তি পরীক্ষার পরদিন সরাসরি চলে গেলাম যেখানে খাতা দেখা হবে সেখানে।
গিয়ে দেখি অনেক দূর থেকেই নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং দরজা জানালা সব সিল গালা করা, আমি সময়ের একটু আগেই হাজির হয়েছিলাম তো তাই তখনও সব বন্ধ ছিল, কারন তখনও সভাপতি স্যার আসেন নি। সভাপতি আসার পর উনার উপস্থিতিতে গার্ডকে দিয়ে সব দরজা জানালার তালা খুললেন তারপর আমরা প্রবেশ করলাম।
২০১১ সালে লেকচারার হিসাবে নিয়োগের পরপরই ভর্তি পরীক্ষার দিন কক্ষে দায়িত্ব পড়েছিল, সেইবার থেকেই একটা জল্পনাকল্পনা ছিল যে খাতা মূল্যায়নে থাকতে পারলে আরও ভালো লাগত, যেহেতু খাতা মূল্যায়নে কেবল সহকারী অধ্যাপক থেকে উপরের স্তরের শিক্ষকরা নিয়োজিত থাকে তাই আমাকে আরও অপেক্ষা করতে হবে।
সেই অপেক্ষার পালা শেষ করে সেদিন আমি সেখানে উপস্থিত হয়ে তাই বেশ আনন্দিন ছিলাম, কিন্তু সেই আনন্দ বেশিক্ষণ থাকলো না কারণ শুরু হল আসল কাজ যেটা অনেক পরিশ্রমের, দায়িত্বের, নিষ্ঠার এবং গর্ব ও ঐতিহ্যের, আর এই পদ্ধতির সাথেই জড়িয়ে থাকবে অনেক শিক্ষার্থীর আশা আকাংখা, সপ্ন আর ভবিষ্যৎ।
এই জন্যই এমন নিছিদ্র ব্যবস্থা, প্রতিদিন সকালে সিল গালা খোলা হয় আবার দুপুরে সব দরজা জানালা সিল গালা করা হয়, আবার তা বিকাল বেলা খোলা হয় এবং রাতে আবার সিল গালা করা হয় যাতে কোন প্রকার কোন ঝুকি না থাকে, এটা হল নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
এবার আসি খাতা মূল্যায়ন ব্যবস্থায়, যারা সিনিওর শিক্ষক তারাই কেবল খাতায় নম্বর দিতেন, একটি প্রশ্ন দুই জন শিক্ষক দেখার পর আমাদের কাছে আসত পুঙ্খানুপুঙ্খ রূপে পরীক্ষা করবার জন্য।
আমরা ২০ জনের মত শিক্ষক প্রতিটা খাতা অতি গুরুত্বের সাথে পরীক্ষা করতাম যে, কোন প্রশ্নে নম্বর দিতে বাদ পড়েছে কিনা অথবা কোন প্রশ্নে কোন অসঙ্গতি আছে কিনা, সব ঠিক থাকলে আমরা ফিজিক্স, কেমিস্ট্রি আর ম্যাথেম্যাটিক্স এর নম্বর আলাদা আলাদা ভাবে যোগ করতাম।
এইভাবে দুএকদিনের মধ্যেই কিছু খাতা জমা হলে আমরা আবার সেই খাতাগুলো পরীক্ষা করতাম, এরপর দুইজন টেকনিশিয়ান যারা কম্পিউটার এ দক্ষ তারা আলাদা আলাদা দুটি কম্পিউটারে আলাদা দুটি প্রোগ্রামিং সফটওয়্যার এ খাতার নম্বরগুলো এন্ট্রি করত, কারণ পরে আমরা যখন আবার পরীক্ষা করব তখন তারা যদি একই নম্বর এন্ট্রি করে থাকে তাহলে ঠিক আছে বলে ধরে নেয়া যাবে।
এইভাবে সিনিওর স্যাররা দুইবার করে মানে ১২০ জন ৬০ টা প্রশ্ন ভালভাবে নম্বর দেবার পর এবং আমাদের দুইবার পরীক্ষার পর কম্পিউটারে ডাটা এন্ট্রি হবার পর শুরু হয় সবচেয়ে পরিশ্রমের কাজ তা হল এই দশ বারো হাজার খাতা সিরিয়াল করা, এইটাও করা হইত একটা এলগরিথম মেনে।
আমরা অনেক গুলো বড় বড় বাক্সে হাজারের খাতাগুলো একত্রে রাখতাম, যেমনঃ যেসব খাতার কোড ১০০০ দিয়ে শুরু সেগুলো এক বাক্সে এইভাবে। তারপর হাজার থেকে শ’তে তারপর সব সিরিয়াল করতাম, এইটা করতে যেয়ে সবার কোমরের অবস্থা খারাপ হয়ে যেত, কিন্তু কি আর করা, অনেকে সভাপতির কাছে আবেদনও করতেন যে সে মুক্তি চায়, সভাপতি অবস্থা খারাপ বুঝলে মুক্তি দিয়ে অন্যকে খুঁজতেন।
এইভাবে সব একই সিরিয়ালে আসার পর শুরু হইত সবচেয়ে মজার অংশ, ইকো (Echo) চেকিং, এইটাতে আমি অনেক মজা পেয়েছিলাম। এই পদ্ধতিতে আমরা যা করতাম তা হলো, দুইজন টেকনিশিয়ান যে নম্বর গুলো এন্ট্রি করেছিল সেগুলো ঠিক আছে কিনা তা পরীক্ষা করা, কারণ আমরা যত শত বারই খাতা দেখি না কেন এবং যতবারই Scrutiny করি না কেন, কম্পিউটারে নম্বর ভুলভাবে এন্ট্রি করলে সবই ভুল হয়ে যাবে।
তাই আমরা দুইটা প্রগ্রাম থেকেই প্রিন্ট করা নম্বর নিয়ে সিরিয়াল করা খাতা গুলো নিয়ে তিন জনের ছোট ছোট গ্রুপে ভাগ হয়ে যেতাম, তারপর একজন মূল খাতা থেকে তিনটি বিষয়েরই নম্বর বলতাম আর বাকি দুইজন তাদের কাছে থাকা কম্পিউটার থেকে নেওয়া প্রিন্ট আউট মিলাইত, যদি তারা একই নম্বর শুনতে পায় এবং তাদের প্রিন্ট আউট এ একই নম্বর দেখতে পায় তাহলে সব ঠিক আছে বলে ধরে নেওয়া হয়। তাই এই পদ্ধতির নাম ইকো চেকিং।
নম্বর বলতে বলতে মুখ দিয়ে ফেনা বের হয়ে যেত আর অনেকক্ষণ বলার পর ফ্যাটিগ চলে আসত তখন দেখত একটা আর বলত আরেকটা, ঐ সময় খুব মজা লাগত। এই কাজ করার পর মাথার ঝিম ঝিম করত কয়েকদিন। এইভাবে শতভাগ নিশ্চিত হয়ে, সবাইকে সমানভাবে বিচার করে, কোথাও কোন অসঙ্গতি না রেখে আমরা আমাদের দায়িত্ব শেষ করেছিলাম।
এরপর প্রতি বছরই চিঠি পেয়েছি এবং অতি নিষ্ঠার সাথে কাজ করেছি, শেষ বার মানে ২০১৭ সালে দায়িত্ব ছিল খাতায় নম্বর দেয়া, আমি ফিজিক্‌স এর দুটো প্রশ্ন দেখেছিলাম কিন্তু উত্তর সঠিক হলে ফুল নম্বর তাতে কোন চিন্তা ছিল না তবে পুরো সঠিক না হলে বিচার বিবেচনা করে নম্বর দিতে হত যা পরে আরও স্যাররা দেখে দিতেন যে আমি ঠিক করছি কিনা।
এইভাবে চলে আমাদের খাতা দেখা আর এই দায়িত্ব পালন কালে সবারই একটাই চিন্তা থাকে যে তার কোন গাফিলতির জন্য যেন কোন পরীক্ষার্থীর জীবন নষ্ট না হয়, এই দায় আমরা কেউই নেই না তাই আমরা এত পরিশ্রম করে, এত কষ্টের পরেও আমরা প্রশান্তি অনুভব করতাম। কাজেই এইটা অতি আত্মবিশ্বাসের সাথে বলা যায় যে এমন খাতা মূল্যায়ন পৃথিবীর কোথাও নাই।
এইভাবে চলে আমাদের খাতা দেখা আর এই দায়িত্ব পালন কালে সবারই একটাই চিন্তা থাকে যে তার কোন গাফিলতির জন্য যেন কোন পরীক্ষার্থীর জীবন নষ্ট না হয়, এই দায় আমরা কেউই নেই না তাই আমরা এত পরিশ্রম করে, এত কষ্টের পরেও আমরা প্রশান্তি অনুভব করতাম। কাজেই এইটা অতি আত্মবিশ্বাসের সাথে বলা যায় যে এমন খাতা মূল্যায়ন পৃথিবীর কোথাও নাই।
যাইহোক আমাদের ইকো চেকিং শেষ হবার পর ডিন স্যাররা ডিকোডিং শুরু করেন সকাল থেকে, এর মানে হল ভর্তি পরীক্ষার পরপরই কেবল মাত্র কয়েকজন ডিন পরীক্ষার্থীর রোল নম্বর এর স্থলে একটা কোড বসিয়ে দেয় খাতার উপর, আর রোল নম্বর টা কেটে নিজের কাছে রেখে দেয়।
এটা হল কোডিং, আর সব ধাপ সঠিক ভাবে সম্পন্ন হবার পর রোল নম্বরের বিপরীতে যে কোড বসিয়েছে তা আবার রোল নম্বরে পরিণত করা। কাজেই খাতা পরীক্ষা করার সময় কেউই জানে না যে কোনটি কার খাতা, ছেলে না মেয়ে তা বোঝা যেত না, তবে আমরা যারা একটু দুষ্ট বুদ্ধির চর্চা করি তারা হাতের লেখা দেখে আন্দাজ করতাম যে কোনটি কার হতে পারে, সোজা লেখা হলে ছেলে আর বাঁকা অক্ষর হলে সাধারণ মেয়েদের হয় !
তো সকাল থেকে ডিকোডিং শুরু হয়ে অনেক রাত পর্যন্ত তা সেনিওর স্যাররা করতেন বাইরের সাথে সব প্রকার যোগাযোগ বিছিন্ন করে। তাই বুয়েটের ফলাফল ঘোষণা করতে অনেক রাত লেগে যায়। এইভাবে আসলে আমরা বুয়েটে ভর্তি পরীক্ষার কার্যক্রম পরিচালনা করি অনেক ধৈর্য আর প্রত্যয় নিয়ে, তাই যারা উত্তীর্ণ হয় তারা ১০০ ভাগ খাটি , নিখাদ তাতে কোন বিন্দু মাত্র সন্দেহ নেই।
কাজেই উত্তীর্ণরা গর্বের সাথে বলতে পারবে যে তারা কেবলমাত্র নিজের যোগ্যতায় বুয়েটিয়ান হয়েছে, কারও করুনা বা প্রতারণায় নয়।
দেশের অন্য জায়গায় যখন দেখি পরীক্ষা হবার পর তা স্থগিত করা তখন ভাবি আমরাই কেবল মাত্র নিছিদ্র পদ্ধতির চর্চা করি তাতে কোন দ্বিধা নেই। কিন্তু এই পদ্ধতিতে বাছাই করার পর যখন সে খুনি হয় তখন মনে হয় আমাদের সব পরিশ্রম বৃথা গেল নাকি!।
পরিশেষে এইটুকুই বলব যে যারা বুয়েটে এইবার ভর্তি হতে চলেছে তারা একটা সুস্থ সুন্দর ও সবচেয়ে নিরাপদ বুয়েট ক্যাম্পাসে ভর্তি হউক এবং তাদের বিচরণে হয়ে উঠুক বুয়েট ক্যাম্পাস প্রানবন্ত ও আলোকিত এবং সবার পদধ্বনিতে বুয়েট হয়ে উঠুক আবার মুখরিত এইটাই একজন বুয়েটিয়ান এর প্রত্যাশা।

Md Arifur Rahman
Assistant Professor, BUET.

এডমিশন টাইমে সবচেয়ে ছেড়াব্যাড়া বিষয় হলো কয়েক জায়গায় পড়তে গিয়ে তালগোল পাকিয়ে ফেলা.. এই যে আমরা অনেকেই আছি এডমিশন টাইমে শু...
09/01/2022

এডমিশন টাইমে সবচেয়ে ছেড়াব্যাড়া বিষয় হলো কয়েক জায়গায় পড়তে গিয়ে তালগোল পাকিয়ে ফেলা.. এই যে আমরা অনেকেই আছি এডমিশন টাইমে শুধুমাত্র একটা জায়গাতেই প্রস্তুতি নিয়েছি.. সমস্যা হয়নি কোন..

পড়াশোনা নিজের কাছে.. বিষয়টা হলো এই সময়ে তুমি কতটা সহজ করে সবগুলো টপিকস পড়তে পারো এবং খুব সহজে অনেক বেশি মনে রাখতে পারো এবং সাথে তোমার রেগুলারিটি..

রেগুলার থাকবা দেখবা যেকোন কোর্সই তোমাকে কাংখিত লক্ষ্যে পৌঁছে দিবে..

আহারে এই ভাইয়ার কাছে পড়তে পারলাম না, ওইখানে কয়েকজন সেরা লেভেলের ভাইয়া আপু মিলে নতুন কোর্স নামাচ্ছে, ওই কোচিংয়ে ঢুকতে পারলাম না, আমার ওই ফ্রেন্ড ৩/৪ জায়গায় পড়তেছে.. না জানি কত আগাইয়া গেছে.. কত কিছু এক্সট্রা দিচ্ছে..

নারে ভাই এডমিশনে এক্সট্রা দেওয়ার কিছুই নাই.. ওই সেইম-ই জিনিস.. বোরের সীমাবদ্ধতা তুমি আমি চাইলেও কোনদিন পরিবর্তন করতে পারবো না..

৩/৪ জায়গায় পড়ুয়াদের খোঁজ নিয়ে দেখ একটু.. দেখবে সে অলরেডি তাল-গোল পাকিয়ে বসে আছে.. কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না..

অতিরিক্ত লোড নিতে গিয়ে একুল অকুল দুকূল হারিয়ে ফেলাটা ভুল..

** kung Fu Panda ** Movie টা যদি দেখে থাকো তাহলে দেখবা - বুড়ো কচ্ছপটা যখন বিদায় নেয় একটা Dialogue দেয়. নিচে এড করে দিলাম Dialogue টা.. ভেবে দেখবা কি বলা হয়েছে এখানে -

- শুভ হোক সবার এই এডমিশন যাত্রা এই কামনাই থাকবে সবসময়... ❣️❣️❣️

©Boni Amin Opu Vaiya

কি লাভ এতো পড়াশোনা করে যদি ধৈর্যই ধরে না রাখতে পারি?? হতাশা অভিমান স্বপ্নভঙ এরপর সুইসাইড !!!!Sourav Sen ছেলেটি আর নেই !!...
09/01/2022

কি লাভ এতো পড়াশোনা করে যদি ধৈর্যই ধরে না রাখতে পারি??

হতাশা অভিমান স্বপ্নভঙ এরপর সুইসাইড !!!!
Sourav Sen ছেলেটি আর নেই !!
নটরডেম কলেজ স্বপ্ন বোনার কারিগর,এখানেই স্বপ্ন দেখায় পৃথিবী ছুঁয়ে দেখার।
এর প্রথম সিড়ি থাকে বুয়েট মেডিকেল ঢাবির টপ টপ সাবজেক্টে ভর্তি হওয়া।
এদের মধ্যে কেউ কেউ মেধাবী হয়েও যখন প্রথম সিড়ি স্পর্শ করতে পারে না তখন সুইসাইড করার কথা ভাবে অথবা করতেও যায়।
এরমধ্যে কেউ কেউ সত্যিই অভিমানে চলে যায় না ফেরার দেশে সবাইকে কষ্ট দিয়ে।
সৌরভকে নটরডেমে চান্স পাবার আগে থেকে একটা সূত্রে চেনা জানা,
এরপর BUET এ চান্স না পেয়ে হতাশা, তখনও সে সুইসাইড করার চেষ্টা করেছিল একবার।
পরে RUET এ আর্কিতে ভর্তি,
অতঃপর ইন্ডিয়াতে স্বপ্নের NIT তে চান্স পাওয়া।
ওখানে পরীক্ষার হল থেকে এসে স্যারের সাথে অভিমান হতাশায় রুমে ফ্যানের সাথে সুইসাইড!!!!!!!!!!
এভাবেই না ফেরার দেশে চলে গেলে বাবা মা আত্মীয় স্বজন কে কাঁদিয়ে।যারা দেশে থাকে এখনও তার মুখটা দেখতে পায়নি।
সৌরভ যেখানেই থাকো ভালো থেকো।
মানুষের জীবনে উত্থান পতন হতাশা অভিমান সবকিছুই থাকে।এমনকি ভগবানও পৃথিবীতে মানুষের রুপে ছিলেন যখন তারও ছিল। তবে এভাবে সবাইকে কাঁদিয়ে চলে যাওয়া উচিত হয়নি তোমার।
©

Someone graduated at the age of 22, but waited 5 years before securing a good job.Someone became a CEO at 25, and died a...
09/01/2022

Someone graduated at the age of 22, but waited 5 years before securing a good job.

Someone became a CEO at 25, and died at 50.
While another became a CEO at 50, and lived to 90 years.

Someone is still single, while someone from his school group has become grandfather.

Obama retired at 55 & Trump started at 70.

Everyone in this world works based on their time zone.

People around you might seem ahead of you & some might seem to be behind you.

But everyone is running their own race, in their own time.

Do not envy them.
They are in their time zone, and you are in yours.

So, relax.

You're not late.
You're not early.
You are very much on time.

Address

Dhaka
DHAKA-1215

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Fahim Shahriyar posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category