Publician Campus Diary

Publician Campus Diary All About Public University Student Campus Life. Campus & Career Based Online Bangla News Portal. Visit Now @ www.campusreport24.com

✅ প্রতিদিন টাকা উত্তোলন করতে পারবেন✅ বিকাশে অথবা নগদে টাকা উত্তোলন করতে পারবেন।✅ রেফার করলে আকর্ষণীয় বোনাস সুবিধা✅ কোনো ...
28/01/2026

✅ প্রতিদিন টাকা উত্তোলন করতে পারবেন
✅ বিকাশে অথবা নগদে টাকা উত্তোলন করতে পারবেন।
✅ রেফার করলে আকর্ষণীয় বোনাস সুবিধা
✅ কোনো অভিজ্ঞতা লাগবে না
✅ পার্ট টাইম / ফুল টাইম করা যাবে
✅ ঘরে বসে কাজ

সাইনআপ করার লিঙ্ক: https://bd.lotterywork.online/register?invite=pwrttg

28/01/2026

✅ প্রতিদিন টাকা উত্তোলন করতে পারবেন
✅ বিকাশে অথবা নগদে টাকা উত্তোলন করতে পারবেন।
✅ রেফার করলে আকর্ষণীয় বোনাস সুবিধা
https://bd.lotterywork.online/register?invite=pwrttg

Send a message to learn more

🖐 বাংলার অষ্টাদশী মেয়ে ভাগীরথীকে না জানলে        জেনে নিন     =================================" স্বেচ্ছায় নিজের দেহ দ...
27/07/2020

🖐 বাংলার অষ্টাদশী মেয়ে ভাগীরথীকে না জানলে
জেনে নিন
=================================
" স্বেচ্ছায় নিজের দেহ দিয়ে পাকিস্তানিদের খুশি করতেন ! “
( দৈনিক আজাদ, ৩ ফেব্রুয়ারী ১৯৭২ )

“ মহাদেবের জটা থেকে নয়, বাংলা
মায়ের নাড়ী ছিড়ে জন্ম নিয়েছিলেন যে সোনার মেয়ে সে ভাগীরথীকে ওরা জ্যান্ত জিপে বেধে শহরের রাস্তায় টেনে টেনে হত্যা করেছে।

খান দস্যুরা হয়ত পরখ করতে চেয়েছিল ওরা কতখানি নৃশংস হতে পারে ।

বলতে হয় এক্ষেত্রে ওরা শুধু সফলই হয়নি,বরং বর্বরতার সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে ।

#অষ্টাদশী ভাগীরথী ছিল বরিশাল জেলার ততকালীন পিরোজপুর থানার বাঘমারা কদমতলীর এক বিধবা পল্লীবালা ।

#বিয়ের এক বছর পর একটি পুত্র সন্তান কোলে নিয়েই তাকে বরণ করে নিতে হয় সুকঠিন বৈধব্য ।
স্বামীর বিয়োগ ব্যথা তার তখনও কাটেনি । এরই মধ্যে দেশে নেমে এল ইয়াহিয়ার ঝটিকা বাহিনী ।

গত মে মাসের এক বিকেলে ওরা চড়াও হল ভাগীরথীদের গ্রামে। হত্যা করল অনেক কে, যাকে যেখানে যেভাবে পেল । এই নির্বিচার হত্যাযজ্ঞের মাঝেও ভাগীরথীকে ওরা মারতে পারল না।

ওর দেহ'লাবণ্য দস্যুদের মনে যে লালসা জাগিয়ে ছিল তাতেই হার মানল তাদের রক্তপিপাসা ।

ওকে ট্রাকে তুলে নিয়ে এল পিরোজপুরে । তারপর ক্যাম্পে তার উপর চালানো হল হিংস্র পাশবিক অত্যাচার ।

সতী নারী ভাগীরথী। এ পরিস্থিতিতে মৃত্যুকে তিনি একমাত্র পরি'ত্রানের উপায় বলে ভাবতে লাগলেন। ভাবতে ভাবতেই এক সময় এল নতুন চিন্তা, হ্যা মৃত্যুই যদি বরণ করতে হয়
ওদেরই বা রেহাই দিব কেন ?

ভাগীরথী কৌশলের আশ্রয় নিল এবার। এখন আর অবাধ্য মেয়ে নয় দস্তরমত খানদের খুশী করতে শুরু করল। ওদের আস্থা অর্জনের
আপ্রাণ চেষ্টা চালাতে লাগল।

বেশী দিন লাগল না। অল্প ক'দিনেই নারীলোভী ইয়াহিয়া বাহিনী ওর প্রতি দারুণ আকর্ষণ অনুভব করল। আর এই সুযোগে ভাগীরথী ওদের কাছ থেকে জেনে নিতে শুরু করল পাক বাহিনীর সব
গোপন তথ্য।

এক পর্যায়ে বিশ্বাস ভাজন ভাগীরথী কে ওরা নিজ গ্রামে যেতেও দিল। আর কোন বাধা নেই।

ভাগীরথী এখন নিয়মিত সামরিক ক্যাম্পে যায় আবার ফিরে আসে নিজ গ্রামে। এরই মাঝে চতুরা ভাগীরথী তার মূল লক্ষ্য অর্জনের পথে এগিয়েও গেল অনেকখানি।

গোপনে মুক্তিবাহিনীর সাথে গড়ে তুলল ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ। এরপরই এল আসল সুযোগ।

জুন মাসের একদিন ভাগীরথী খান সেনাদের নিমন্ত্রন করল তার নিজ গ্রামে। এদিকে মুক্তি বাহিনী'কেও তৈরি রাখা হল যথারিতী। ৪৫ জন খানসেনা সেদিন হাসতে হাসতে বাগনারা কদমতলা এসেছিল কিন্তু তার মাঝে মাত্র ৪/৫ জন ক্যাম্পে ফিরতে পেরেছে বুলেটে'র ক্ষত নিয়ে। বাকিরা ভাগীরথীর গ্রামেই শিয়াল,কুকুর, শকুনের খোরাক হয়েছে। এরপর আর ভাগীরথী ওদের ক্যাম্পে যায়নি। ওরাও বুঝেছে এটা ওরই কীর্তি।

কীর্তিমানরা তাই হুকুম দিল জীবিত অথবা মৃত ভাগীরথীকে যে ধরিয়ে দিতে পারবে তাকে নগদ এক হাজার টাকা পুরস্কার দেয়া হবে।

কিন্তু ভাগীরথী তখনও জানত না ওর জন্যে আরো দুঃসহ ভবিষ্যত অপেক্ষা করে আছে।

একদিন রাজাকার'দের হাতে ধরা পড়ল ভাগীরথী। তাকে নিয়ে এল পিরোজপুর সামরিক ক্যাম্পে। খান সেনারা এবার ভাগীরথীর উপর তাদের হিংস্রতার আয়োজন করল।

এক হাট বারে তাকে শহরের রাস্তায় এনে দাড় করানো হল জনবহুল চৌ'মাথায়। সেখানে প্রকাশ্যেতার অংগাবরন খুলে ফেলল কয়েকজন খান সেনা। তার পর দু'গাছি দড়ি ওর দু'পায়ে বেধে একটি জীপে বেধে জ্যান্ত শহরের রাস্তায় টেনে বেড়াল ওরা মহাউৎসবে। ঘন্টা খানেক রাজ'পথ পরিক্রমা'র পর আবার যখন ফিরে এল সেই চৌ'মাথায় তখনও তার দেহে প্রাণের স্পন্দন রয়েছে। এবার তারা দুটি পা দু'টি জীপের সাথে বেধে নিল এবং জীপ দুটিকে চালিয়ে দিল বিপরীত দিকে। ভাগীরথী দু'ভাগ হয়ে গেল। সেই দু'ভাগ দু'জীপে আবার শহর পরিক্রমা শেষ করে জল্লাদ খানরা আবার ফিরে এল সেই চৌ'মাথায় এবং এখানেই ফেলে রেখে গেল সেই বিকৃত
মাংস গুলো।

একদিন-দুদিন করে মাংসগুলো ঐরাস্তার সাথেই একাকার হয়ে গেল একসময়। বাংলা মায়ের ভাগীরথী আবার এমনিভাবে মিশে গেল বাংলার ধুলিকণার সাথে। কেবল ভাগীরথী নয়, আরো দু' জন মুক্তিযোদ্ধাকে ওরা এভাবেই হত্যা করেছে পিরোজপুর শহরে “

- মুক্তির মন্দির সোপান'তলে, কত প্রাণ হলো
বলিদান, লেখা আছে অশ্রুজলে।

💕 সংগৃহীত

25/07/2020

😁😁😂😂😂

18/07/2020

গার্লফ্রেন্ড ও বয়ফ্রেন্ড এর শূন্যতার চেয়ে 😐

MB এর শূন্যতা বেশি কষ্টের 😥😥😥

ফাহিম সালেহর হত্যাকারী ধরা পড়েছে। ধন্যবাদ NYPD কে ৪৮ ঘন্টার মধ্যে খুনীকে গ্রেফতারের জন্য। খুব ঘনিষ্ঠ মানুষদেরই নাকি কারো...
18/07/2020

ফাহিম সালেহর হত্যাকারী ধরা পড়েছে। ধন্যবাদ NYPD কে ৪৮ ঘন্টার মধ্যে খুনীকে গ্রেফতারের জন্য।

খুব ঘনিষ্ঠ মানুষদেরই নাকি কারো ক্ষতি করার সবচেয়ে ভাল সুযোগ থাকে। ফাহিম হয়ত ভাবেইনি সবচেয়ে বিশ্বাস করা, একসাথে দিনরাত কাজ করা আর উঠবস করা ছেলেটাই তাকে খুন করে খন্ড বিখন্ড করবে।

খুনী ফাহিমের ব্যক্তিগত সহকারী, ২১ বছরের তরুণ Tyrese Devon Haspil। ডেভন কিছুদিন ধরে ফাহিমের হাজার হাজার ডলার চুরি করছিল। ধরা পড়ার পর ফাহিম পুলিশে রিপোর্ট না করে ডেভনকে ইন্সটলমেন্টে পুরো টাকা পরিশোধের সুযোগ করে দিয়েছিল। এইখানে ফাহিম মানুষ চিনতে বড় ভুল করেছে। পুলিশে রিপোর্ট করা থাকলে ডেভন ওর ক্ষতি করার সাহস করত না। টাকা পরিশোধ না করার জন্য ডেভন ফাহিমকে খুনের পরিকল্পনা করে।

সোমবার দুপুরেই ফাহিমের এপার্টমেন্টে ওকে খুন করা হয়। লিফট হতে বের হবার পর এপার্টমেন্টে প্রবেশের আগে দুজনের মধ্যে ধস্তাধস্তি হয়৷ ডেভন একটা টিজার গান ব্যবহার করে ফাহিমকে অজ্ঞান করে এবং পরে এপার্টমেন্টের ভিতরে নিয়ে গলা আর ঘাড়ে কয়েকবার ছুরি মেরে হত্যা করে। সেদিন ডেভন চলে গিয়ে পরদিন লাশ গুম করে দেয়ার জন্য মঙ্গলবার দুপুরে আবার ফিরে আসে। ইলেক্ট্রিক করাত দিয়ে কেটে ব্যাগে ভরার সময় ওর বোন এসে বেল দিলে ডেভন ওভাবেই সব ফেলে পিছনের সিঁড়ি দিয়ে পালিয়ে যায়।

ডেভনই যে খুনী তার আরেকটা প্রমাণ হিসেবে ওর কাছ থেকে ফাহিমের ক্রেডিট কার্ডও উদ্ধার করেছে পুলিশ। এই কার্ড ব্যবহার করে ডেভন ইতিমধ্যে প্রচুর কেনাকাটাও করেছে।

যে মানুষটা ওকে চুরির দায়ে জেলে না দিয়ে আরেকটা সুযোগ দিয়েছিল, তাকেই হত্যা করল ডেভন। এজন্যই বলা হয়, মানুষের চাইতে নিষ্ঠুর আর অকৃতজ্ঞ প্রাণী আর হয় না।

ডেভন শুধু একটা নিরীহ প্রাণই হত্যা করেনি,...
হত্যা করেছে কোন বাবা-মায়ের একমাত্র পুত্র সন্তানকে...
হত্যা করেছে একটা অমিত সম্ভাবনাময় বাঙালি যুবককে....
যার মাধ্যমে লাল-সবুজের সুনাম বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়ত...
হত্যা করেছে লাখ লাখ মানুষের জীবন আর জীবিকা গড়ে উঠার সম্ভাবনাকে....

ডেভনকে শুধু একবার যাবজ্জীবন বা মৃত্যুদন্ড দেয়াও অনেক কম শাস্তি হয়ে যায়....

© Atique Ua Khan

জাপানের বাংলাদেশকে এত সাহায্য করার কারন কী?জাপান বাংলাদেশকে এতো সহায়তা করার পেছনে রয়েছে এক বাঙালি বিচারপতির ক্যারিশমা; য...
06/07/2020

জাপানের বাংলাদেশকে এত সাহায্য করার কারন কী?

জাপান বাংলাদেশকে এতো সহায়তা করার পেছনে রয়েছে এক বাঙালি বিচারপতির ক্যারিশমা; যার নাম রাধা বিনোধ পাল

বাংলাদেশের একেবারে নিঃস্বার্থ বন্ধু দেশ কোনটি? নিঃসন্দেহে জাপান। কখনো প্রশ্ন জেগেছে কেন জাপান বাংলাদেশকে এতো সহায়তা করে?

তাহলে আসুন জেনে নিই...

ফিরে যাওয়া যাক দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আগের জাপানে। জাপানিদের চাওয়া ছিল পশ্চিমাদের মত এশিয়াতে তারাও কলোনিয়াল ব্যবস্থা গড়ে তুলবে। এ নেশায় তারা বিভিন্ন দেশে একের পর এক আক্রমণ চালিয়ে নিজেদের দখলে নিতে শুরু করে। আর এখনকার জাপান যতোটা সভ্য, শান্তশিষ্ট তখনকার জাপান ছিলো এর ঠিক বিপরীত মেরুতে। ফলস্রুতিতে দখলদারিত্ব বজায় রাখার জন্য তারা তাদের চূড়ান্ত হিংস্র রূপ দেখিয়েছিলো।

১৯৩৭ সাল। বর্তমান চীনের নানজিং এ জাপানিরা চাইনিজদের একপ্রকার কচুকাটা করেছিলো। খুন, ধর্ষণ থেকে শুরু করে বেয়নেট দিয়ে ক্ষতবিক্ষত করার এমন নজির খুব কমই দেখেছে বিশ্ব। এ হত্যাযজ্ঞ থামে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে প্রতিপক্ষ কর্তৃক তাদের জব্দ হওয়ার পর।

এরপর জাপানিরাও বুঝতে পারে যে নেশায় তারা এসব করছে তার আগুন তাদের নিজেদেরকেও পুড়িয়ে দিচ্ছে। এ রক্তপাত বন্ধ করে তারা সভ্য জাতি হিসেবে গড়ে তোলার কথা ভাবে। কিন্তু বাধা হয়ে দাঁড়ায় তাদের ফেলে আসা কীর্তিগুলো। জাপানিদের দ্বারা হওয়া সকল বর্বরতার বিচারের জন্য গঠিত হয় যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল এর 'টোকিয়া ট্রায়াল'...

১১ টি দেশের ১১ জন প্রতিনিধি নিয়ে গঠিত হয় টোকিও ট্রায়াল। যেখানের একজন ছিলেন বাঙ্গালি বংশোদ্ভূত। কুষ্টিয়ায় জন্ম নেওয়া এই বাঙালি বিচারপতির নাম রাধা বিনোধ পাল। তারই প্রজ্ঞা আর দৃঢ় কৌশলগত কারণে জাপানিরা বেঁচে যায় অনেক বড় ক্ষতির হাত থেকে। জাপানিরা যা করেছিলো, তার পেছনে অল্প কয়েকজন মানুষের হাত থাকলেও মিত্র শক্তি চেয়েছিলো পুরো জাতিকেই এর ঋণের বোঝা চাপিয়ে দিতে যেটি রাধা বিনোধ পালের কারণে সম্ভব হয়নি।

আর তাই জাপানি সম্রাট হিরোহিতো কৃতজ্ঞতা স্বীকার করে বলেছিলেন, যতদিন জাপান থাকবে, বাঙালি খাদ্যাভাবে, অর্থকষ্টে মরবেনা। জাপান হবে বাঙালির চিরকালের নিঃশর্ত বন্ধু।

আর কুষ্টিয়ায় জন্ম নেয়া সেই বাঙালি বিচারকের নাম এখনো জাপানী পাঠ্যপুস্তকে পাঠ্য। তাঁর নামে জাপানে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বেশ কিছু মেমোরিয়াল ও মনুমেন্ট। এই বিস্মৃত বাঙালির নাম বিচারপতি রাধা বিনোদ পাল (১৮৮৬-১৯৬৭)। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও হেগের আন্তর্জাতিক আদালতের বিচারক ছাড়াও জীবদ্দশায় অনেক বড় বড় দায়িত্ব পালন করেছিলেন। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আগে তিনি কুষ্টিয়ায় নিজ গ্রামের স্কুল ও রাজশাহী কলেজের ছাত্র ছিলেন। কর্মজীবনের শুরুতে ময়মনসিংহের আনন্দমোহন কলেজে প্রভাষক ছিলেন। কিছুদিন ময়মনসিংহ কোর্টে আইন ব্যবসাও করেছিলেন।

জাপান এই ট্রায়ালের উপর একটা মিনি সিরিজ তৈরি করে ২০১৬ সালে। যেখানে রাজা বিনোধ পালের ভূমিকায় ছিলেন ইরফান খান।

বলা যায়, এই জাপানি মিনি টিভি সিরিজটি এমন এক সত্যিকার ইভেন্টের উপর নির্মিত যেটি পালটে দিয়েছিলো পুরো জাপানের ভবিষ্যত...বলা যায় পুরো পৃথিবীর ভবিষ্যত...!

সংগ্রহীত

ডক্টর আব্দুস সালাম একমাত্র পাকিস্তানি, যিনি পদার্থবিদ্যায় নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন। পুরস্কার পাওয়ার পর তিনি ভারতে আসেন আর ...
04/07/2020

ডক্টর আব্দুস সালাম একমাত্র পাকিস্তানি, যিনি পদার্থবিদ্যায় নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন। পুরস্কার পাওয়ার পর তিনি ভারতে আসেন আর তদানীন্তন প্রধানমন্ত্রী শ্রীমতি ইন্দিরা গান্ধীকে অনুরোধ করেন, তাঁর প্রাক্তন শিক্ষক শ্রীঅনিলেন্দু গাঙ্গুলীর খোঁজ বার করে দিতে।

শ্রীঅনিলেন্দু গাঙ্গুলী অবিভক্ত ভারতের লাহোরে সনাতন হিন্দু ধর্ম কলেজে অংকের অধ্যাপক ছিলেন। ডক্টর সালাম তাঁর কাছে ১৯৩৪ থেকে ১৯৩৮ সাল পর্যন্ত অংক শিখেছিলেন। স্বাধীনতার পরে শ্রীগাঙ্গুলী লাহোর ছেড়ে কলকাতা চলে আসেন এবং যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

শেষপর্যন্ত ডক্টর সালাম ভারত সরকারের সাহায্যে শ্রীগাঙ্গুলীর ঠিকানা পান। উনি ১৯৮১ সালের ১৯শে জানুয়ারি কলকাতা আসেন আর শ্রীগাঙ্গুলীর বাড়িতে যান।

তখন শ্রীগাঙ্গুলী বার্ধক্যজনিত অসুস্থতার কারণে শয্যাশায়ী। বিছানা ছেড়ে ওঠার ক্ষমতাও নেই। ডক্টর সালাম তাঁর শয্যার পাশে দাঁড়িয়ে পকেট থেকে নোবেল পদকটি বার করে তাঁর শীর্ণ হাতে দেন, আর বলেন, "এই পদকের ওপর অধিকার আমার চেয়ে আপনার বেশি। আপনি আমাকে অংক ভালোবাসতে শিখিয়েছিলেন।"
(সংগৃহীত)

03/07/2020

"My computer" software in Computer😁😁
Copyright:Troll Corporates

https://www.kalerkantho.com/online/country-news/2020/07/01/929724
02/07/2020

https://www.kalerkantho.com/online/country-news/2020/07/01/929724

সদ্য প্রকাশ হওয়া ৩৮তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফলাফলে শিক্ষা ক্যাডারে ইংরেজিতে প্রথম স্থান অর্জন করেছেন মুন্নী রানী।

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Publician Campus Diary posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Establishment

Send a message to Publician Campus Diary:

Share