GPO BOX NO. DHAKA

GPO BOX NO. DHAKA Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from GPO BOX NO. DHAKA, Arts and entertainment, Dhaka.

✍️গরিব কেন সারা জীবন গরিব থাকে? 🤔আয় সাধারণত তিন ধরনের হয়ে থাকে:1. একটিভ ইনকাম2. প্যাসিভ ইনকাম3. পোর্টফোলিও ইনকাম---✍️১. ...
06/03/2025

✍️গরিব কেন সারা জীবন গরিব থাকে? 🤔

আয় সাধারণত তিন ধরনের হয়ে থাকে:
1. একটিভ ইনকাম
2. প্যাসিভ ইনকাম
3. পোর্টফোলিও ইনকাম

---

✍️১. একটিভ ইনকাম

একটিভ ইনকাম মানে হচ্ছে এমন আয় যা আপনি সরাসরি পরিশ্রম এবং সময় দিয়ে উপার্জন করেন। যেমন: চাকরি, ব্যবসা, অথবা এমন কোনো কাজ যা আপনি যতটুকু সময় দেবেন, ততটুকু আয় করবেন। উদাহরণস্বরূপ, আপনি যদি একটি দোকান চালান, তবে আপনি যতক্ষণ দোকান চালাবেন, ততক্ষণ আয় হবে; কিন্তু যদি আপনি দোকানে না যান, তবে আয় হবে না।

এই ধরনের আয় বেশিরভাগ মানুষের কাছে সহজ এবং দ্রুত মনে হয়। এটি সাধারণত সবার কাছে পরিচিত একটি মাধ্যম, এবং বেশিরভাগ মানুষ একটিভ ইনকামের দিকে ছুটে চলে। উদাহরণস্বরূপ, চাকরি পাওয়া, মাসে নির্দিষ্ট স্যালারি পাওয়া, কিংবা ছোটখাটো ব্যবসা করা। কিন্তু এই ধরনের আয় সীমিত, কারণ আপনি যতটুকু পরিশ্রম করবেন, ততটুকু আয় হবে। আর একজন মানুষ প্রতিদিন সর্বোচ্চ ১০-১২ ঘণ্টা পরিশ্রম করতে পারে, এর বেশি নয়।

যত বড় ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার বা অভিনেতা হোন না কেন, একটিভ ইনকামে আপনি সর্বোচ্চ কতটুকু আয় করতে পারেন? এর পরিমাণ নির্দিষ্ট, এবং এক সময় আপনি সেই সীমার মধ্যে আটকে পড়বেন। তাই, একটিভ ইনকাম দীর্ঘমেয়াদী ধন-সম্পদ গড়ার জন্য যথেষ্ট নয়।

---

✍️২. প্যাসিভ ইনকাম

প্যাসিভ ইনকাম হচ্ছে এমন আয় যা আপনি কাজ না করেও উপার্জন করতে পারেন। অর্থাৎ, আপনি ঘুমাচ্ছেন, বা অন্য কোনো কাজ করছেন, তবুও আপনার আয় চলতে থাকে। যারা প্যাসিভ ইনকাম তৈরি করেন, তারা অনেক সময় ধনী হয়ে ওঠেন। কারণ, প্যাসিভ ইনকামের একটা বড় সুবিধা হলো, এটি সময়ের সাথে বৃদ্ধি পায় এবং কখনো থেমে যায় না।

উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, আপনি যদি একটি বাড়ি ভাড়া দেন, তবে আপনি প্রতি মাসে ভাড়া পাবেন, আর আপনাকে বাড়ির দিকে কোনো বিশেষ মনোযোগ দিতে হবে না। এছাড়া বই লেখা, ইউটিউব চ্যানেল চালানো, ওয়েবসাইট তৈরি করে আয় করা, ফেসবুক পেজ বা ইনস্টাগ্রাম থেকে আয়, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং, সিপিএ (Cost Per Action) এই সবই প্যাসিভ ইনকামের উদাহরণ।

প্যাসিভ ইনকাম শুরু করা সহজ নয়, কারণ এর জন্য প্রথমে কিছু সময় এবং পরিশ্রম দিতে হয়। আপনি যদি ইউটিউব চ্যানেল শুরু করেন, তবে প্রথম কয়েক মাস হয়তো আপনি আয় পাবেন না, কিন্তু একসময় যখন আপনার ভিডিওগুলো জনপ্রিয় হবে, তখন আয় আসতে থাকবে। অনেক সময়, এই ধরনের ইনকাম শুরু করতে কিছু পুঁজি এবং পরিকল্পনা প্রয়োজন।

এ কারণে অধিকাংশ মানুষ প্যাসিভ ইনকাম এর প্রতি আগ্রহী নয়, এবং তারা একটিভ ইনকামে আটকে থাকে। তবে যাদের প্যাসিভ ইনকাম থাকে, তারা কখনো অর্থ কষ্টে পড়েন না, কারণ তাদের আয় কখনো বন্ধ হয় না। তাই, যদি আপনি জীবনে সফল হতে চান, তবে একটিভ ইনকাম থেকে কিছু টাকা বাঁচিয়ে প্যাসিভ ইনকামের উৎস তৈরি করুন।

---

✍️৩. পোর্টফোলিও ইনকাম

পোর্টফোলিও ইনকাম হল সেই আয় যা মূলত ইনভেস্টমেন্টের মাধ্যমে আসে। যারা টাকা আছে, তারা সেই টাকা বিভিন্ন জায়গায় বিনিয়োগ করে আয় করেন। এই ধরনের ইনকামের জন্য তাদের কোনও কঠোর পরিশ্রম করতে হয় না।

উদাহরণস্বরূপ, আপনি শেয়ার বাজারে বা মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগ করতে পারেন। এছাড়া, আপনি যদি কোনো ব্যবসায়িক উদ্যোগে বিনিয়োগ করেন, তবে সেই ব্যবসা থেকে আয় পাবেন, যদিও আপনার কোনও সরাসরি অংশগ্রহণের প্রয়োজন নেই।

ধনী মানুষ সাধারণত এই ধরনের ইনভেস্টমেন্টে অর্থ রাখেন। কারণ, ব্যাংকে টাকা রাখলে, আসল অর্থের মূল্য দিন দিন কমে যায়। অর্থাৎ, সময়ের সাথে সাথে আপনার টাকা ক্ষয় হতে থাকে। তবে, যদি আপনি সেই টাকা শেয়ার বাজারে, মিউচুয়াল ফান্ডে বা কোনো ভালো ব্যবসায়িক উদ্যোগে বিনিয়োগ করেন, তবে আপনার টাকা বৃদ্ধি পাবে এবং আপনি ধনী হতে পারবেন।

যারা পোর্টফোলিও ইনকামে আগ্রহী নয়, তারা হয়তো জানেন না যে বিনিয়োগের মাধ্যমে কীভাবে তারা তাদের সম্পদ বৃদ্ধি করতে পারেন।

---

২০-৮০ সিস্টেম এবং আপনার ভবিষ্যৎ

আপনার যদি প্যাসিভ ইনকাম কিংবা পোর্টফোলিও ইনকামের প্রতি আগ্রহ না থাকে, তাহলে আপনি হয়তো ২০-৮০ সিস্টেমে আটকে যাবেন। এই সিস্টেম অনুযায়ী, ২০% মানুষ ধনী হয়, এবং ৮০% মানুষ গরিব থাকে। পৃথিবীর সম্পদের বড় একটা অংশ ২০% মানুষের কাছে থাকে।

এই কারণে, আপনি যে প্রফেশনে আছেন না কেন, চেষ্টা করুন প্যাসিভ ইনকাম শুরু করতে। আপনি যদি শুধুমাত্র একটিভ ইনকামে আটকে থাকেন, তবে আপনার আয় এক সময় সীমাবদ্ধ হয়ে যাবে। আর প্যাসিভ ইনকাম অথবা পোর্টফোলিও ইনকাম না থাকলে, আপনি সেই ৮০% মানুষের মধ্যে পড়ে যাবেন, যারা সারাজীবন অর্থ কষ্টে ভুগবে।

তাই, আজ থেকেই আপনার আয় বাড়ানোর পরিকল্পনা করুন এবং একটিভ ইনকাম থেকে কিছু টাকা বাঁচিয়ে প্যাসিভ ইনকাম অথবা পোর্টফোলিও ইনকাম তৈরি করুন।

আপনার ভবিষ্যত সুরক্ষিত হবে এবং আপনি ধনী হতে পারবেন।

---

উদাহরণ আরও কিছু:
- বই লেখা: আপনি যদি একটি বই লিখে প্রকাশ করেন, তবে প্রতি বিক্রির সাথে আপনাকে কিছু পরিমাণ আয় হবে, যা অবিরাম চলতে থাকবে।
- ইনভেস্টমেন্ট: আপনি যদি স্টক মার্কেট, রিয়েল এস্টেট অথবা কিপট (Crypto) মার্কেটে বিনিয়োগ করেন, তবে আপনি প্যাসিভ ইনকাম উপার্জন করতে পারবেন।
- অনলাইন কোর্স তৈরি করা: আপনি যদি কোনো বিশেষ বিষয়ে দক্ষ হন, তাহলে আপনি একটি অনলাইন কোর্স তৈরি করতে পারেন, যা মানুষ কিনে নেবে এবং আপনাকে অবিরাম আয় এনে দিবে।

সুতরাং, জীবনে সফল হতে এবং ধনী হতে হলে, একটিভ ইনকাম ছাড়াও প্যাসিভ ইনকাম এবং পোর্টফোলিও ইনকামের প্রতি মনোযোগ দিন।

27/01/2025

যারা জেমস এর কয়েকটা গান শুনেই বলো জেমসের সব গান শোনা শেষ। তাদের জন্য এই তালিকাটি...🫠

* প্রথম অ্যালবাম: স্টেশন রোড(ব্যান্ড)
১. *স্টেশন রোড
২. *ঝর্না থেকে নদী
৩. একদিন ছিল উচ্ছ্বল নদী
৪. আমায় যেতে দাও
৫. *আগের জনমে
৬. আর নয় যুদ্ধ
৭. *যদি এমন হতো
৮. সত্যের সুন্দর

দ্বিতীয় অ্যালবাম: অনন্যা(একক)
১.*রিকশাওয়ালা
২. *ফেরারি
৩. *দুরন্ত মেয়ে
৪. *অনন্যা
৫. রংবাজ
৬. রাজনীতি
৭. পলাতক
৮. *রাতের ট্রেন
৯. হৃদয়ের দাবিতে
১০. টেলিফোন
১১. তুমি জান

তৃতীয় অ্যালবাম: জেল থেকে বলছি(ব্যান্ড-১৯৯৩)
১. *জেল থেকে বলছি
২. *নীল আকাশ
৩. *ইচ্ছের পালক
৪. *ভাবনা
৫. জোসি প্রেম
৬. *আমার ভালবাসা
৭. *হৃদয়ের একলা প্রান্তরে
৮. *পেশাদার খুনি
৯. *ঝড়ের রাতে
১০. ঢাকার প্রেম
১১. *তোমাকে খুঁজি
১২. *প্রাণের শহর

চতুর্থ অ্যালবাম : পালাবে কোথায়(একক-১৯৯৪/৯৫)
১. *পালাবে কোথায়
২. *প্রিয় আকাশি
৩. *নাযায়েজ
৪. পূর্ণিমা নৃত্য
৫. *হেরেমের বন্দিনী
৬. *সাদা অ্যাশট্রেটা
৭. *ভুলব কেমন করে
৮. *সাড়ে তিন হাত ভূমি
৯. জবাব চাই
১০. *ভালবাসার যৌথ খামার

পঞ্চম অ্যালবাম : নগর বাউল(ব্যান্ড-১৯৯৫/৯৬)
১. মন্নান মিয়ার তিতাস মলম
২. হারাগাছের নূরজাহান
৩. *তারায় তারায়
৪. *নগর বাউল
৫. *হোমায়রার নিশ্বাস
৬. একটা প্রেম দাও
৭. নাগ- নাগিনীর খেলা
৮. *কতটা কাঙাল আমি
৯. যাত্রা
১০. *জঙ্গলে ভালবাসা
১১. *নবজীবনের কথা বলছি
১২. *তবে বন্ধু নৌকা ভেড়াও

ষষ্ঠ অ্যালবাম : দুঃখিনী দুঃখ করো না(একক-১৯৯৭)
১. *দুঃখিনী দুঃখ করো না
২. *বিবাগী
৩. *গিটার কাঁদতে জানে
৪. *জিকির
৫. লুটপাট
৬. *সবুজ ওড়না উড়ে যায়
৭. ঈশ্বর
৮. সুলতানা বিবিয়ানা
৯. তুমি যদি নদী হও
১০. *যার যার ধর্ম
১১. *যদি কখনও
১২. *ঘুমাও

সপ্তম অ্যালবাম: লেইস ফিতা লেইস(ব্যান্ড-১৯৯৮)
১. *পথ
২. লেইস ফিতা লেইস
৩. *সারথি
৪. দে দৌড়
৫. সিনায় সিনায়
৬. বায়োস্কোপের খেলা
৭. লাগ ভেলকি লাগ
৮. *রাখে আল্লাহ্ মারে কে
৯. হাউজি
১০. *খুলে দেখ মনটা
১১. *পুবের হাওয়া
১২. *দয়াল

অষ্টম অ্যালবাম: ঠিক আছে বন্ধু(একক-১৯৯৯)
১. *এপিটাফ
২. মীরাবাঈ
৩. *পত্র দিও
৪. *পাখি উড়ে যা
৫. শারাবে শারাব
৬. কথা
৭. *জাত যায়
৮. সুধাংশু
৯. হা-ডু-ডু
১০. *এমনও নিশিরাতে

নবম অ্যালবাম : দুষ্ট ছেলের দল(ব্যান্ড-২০০১)
১. *দুষ্ট ছেলের দল
২. বিজলি
৩. *একা
৪. *চিরটাকাল
৫. *ছোট্ট কিছু আশা
৬. গতিরাজ
৭. *গ্যারান্টি নাই
৮. *জয় তরুণের জয়
৯. *কিছুই পেলাম না
১০. *মা ও মাটি

দশম অ্যালবাম : আমি তোমাদেরই লোক(একক-২০০৩)
১. *সাক্ষী আকাশ
২. দিদিমনি
৩. *দিল
৪. *আজিজ বোর্ডিং
৫. *দুখের পথ
৬. *লহো সালাম
৭. *যা কিছু বুঝেছ তুমি
৮. *আল্লাহু আকবর
৯. *জিন্দেগি টেস্টিং
১০. *আমি তোমাদেরই লোক

এগারতম অ্যালবাম: জনতা এক্সপ্রেস(একক-২০০৫)
১. শুরু হবে
২. জনতা এক্সপ্রেস
৩. যদি এ শীতে
৪. নিঝুম
৫. পোড়া চোখে
৬. লিডার আসছে
৭. *সাঁঝের কবি
৮. অঙ্গে অঙ্গে
৯. *লোকে বলে
১০. *কৈ কাউশ

বারতম অ্যালবাম: তুফান(একক-২০০৬)
১. *উঠেছে তুফান
২. নগর আলি
৩. *এই বুকটা চিরে
৪. *একমুখী রাস্তা
৫. *সুরাইয়া
৬. অবরোধ
৭. শারাবি
৮. কূলহারা
৯. যেদিকে তাকাই
১০. তুমি কাঁদলেই

তেরতম অ্যালবাম: কাল যমুনা(একক-২০০৯)
১. কাল যমুনা
২. *মাঝবয়সী মন
৩. ভাঁজ খোলো
৪. *পুলকিত বিলাস
৫. উঠছি
৬. *বন্ধু আমার
৭. *রব্বানা
৮. *মেয়ে গো

মিক্সড অ্যালবাম :
------------------------
অ্যালবাম: টুগেদার
১. *পরাধীন বাংলা
২. *নাটোর স্টেশন

অ্যালবাম: শেষ দেখা
১. *এই গানই শেষ গান

অ্যালবাম: গাঁয়ের খবর
১. গাঁয়ের খবর
২. *অধিকার নেই

অ্যালবাম: সোনালি বিকেল
১. *জেগে আছি
২. *রইব নারে
৩.তোমাকে বাঁশির মত বাজাই(গুরুর একমাত্র ডুয়েট গান মিতালির সঙ্গে)

অ্যালবাম: শক্তি
১. *জানালা ভরা আকাশ
২. *আমি ও আঁধার

অ্যালবাম: রঙ্গমেলা
১. রঙ্গমেলা

অ্যালবাম: আলোড়ন
১. *গ্রিনরুমের বাতি

অ্যালবাম: স্ক্রু-ড্রাইভার
১. *বাংলার লাঠিয়াল
২. *যে পথে পথিক নেই
৩. *মধ্যরাতের ডাকপিয়ন
৪. *বেদুঈন
৫. *ব্যাবিলন

অ্যালবাম: ক্যাপ্সুল ৫০০ মি.গ্রা.
১. *কতটা কষ্টে আছি
২. *দূরে আছি তাই
৩. *যতটা পথ
৪. *হে পাগলি
৫. *নিষিদ্ধ ইতিহাস

অ্যালবাম: ধুন
১. চিরহরিৎ
২. একের ভিতর তিন

বেস্ট অভ জেমস
নতুনটা হলো:
১. তুমি ভাল নেই

অ্যালবাম: এখনও দু'চোখে বন্যা
১. *মা

অ্যালবাম: হারজিৎ
১. *বাবা

অ্যালবাম: তারাদের গুঞ্জনে
১. শুধু পথচলা

অ্যালবাম: তারকামেলা
১. *যত দূরে যাও

অ্যালবাম: একটি গোলাপ
১. *ভালবাস ভালবেসে যাও

অ্যালবাম: বিতৃষ্ণা জীবনে আমার
১. *লিখতে পারি না কোন গান
২. *ভালবেসে চলে যেও না

অ্যালবাম: শুধু তোমারই কারণে
১. প্রথম স্পর্শ

অ্যালবাম: দশে দশ
১. আকাশনীলা

অ্যালবাম: দেখা হবে বন্ধু
১. দুঃখ উড়াই

অ্যালবাম: দেয়াল দুই হৃদয়ের মাঝে
১. *ফুল নেবে না অশ্রু
২. *দেয়াল

অ্যালবাম: স্রোত
১. *পাপী

অ্যালবাম: ও আমার প্রেম
১. *কবিতা

অ্যালবাম: সাদাকালো
১. *ডায়েরি

অ্যালবাম: অপরিচিতা
১. *স্বপ্নহারা
২. সুরের টানে

অ্যালবাম: নীরবতা
১. *সাদাকালো
২. *কিছুটা আশা
৩. গান গাও
৪. *বন্ধু

অ্যালবাম: মেয়ে
১. *দেখে যারে তুই

অ্যালবাম: দাগ থেকে যায়
১. *ভুল

অ্যালবাম: বহুরূপী
১. আমি এক বহুরূপী

অ্যালবাম: পিয়ানো
১. *বাংলাদেশ
২. *তুমি জানলে না
৩. *সমাধি
৪. *এক নদী যমুনা
৫. *দেবদাস

অ্যালবাম: দিওয়ানা মাস্তানা
১. দিওয়ানা মাস্তানা
২. বুকের পথ ধরে
৩. *এক আঁজলা চোখের জল
৪. *পেছনে তাকালেই
৫. *এক জনমের দুঃখ

অ্যালবাম: পাগলা হাওয়া
১. পাগলা হাওয়া
২. আসছ বসেছ ভবে
৩. *নদী
৪. *প্রেম যমুনার জলে
৫. *জুয়াড়ি

অ্যালবাম: আঁচল
১. কোন্ ফুলে দেব
২. *রাখেনি আমায়
৩. জলের তলে
৪. *ভুল ভালবাসা
৫. ধরতে পারি না

অ্যালবাম: বারো মাস
১. রাজকুমারী
২. *লিখে নিও তুমি স্মৃতির পাতায়

অ্যালবাম: বাজনা
১. বদলাইনি আমি
২. *একলা
৩. জানুয়ারি- ফেব্রুয়ারি
৪. মোট দশটা পাতা

অ্যালবাম: বৃহস্পতি
১. *দুঃখওয়ালা
২. *শততম দুঃখবার্ষিকী
৩. তেরো নদী সাত সমুদ্দুর
৪. *মাঝে মাঝে
৫. শুরু হলো ভালবাসা

অ্যালবাম: চলতে চলতে
১. আমি-তুমি
২. চলতে চলতে
৩. এখন সে চাঁদ
৪. লুটোপুটি
৫. শুধু তোর লাগি

অ্যালবাম: দেবী
১. *বোমা মফিজ

অ্যালবাম: দেশে ভালবাসা নাই
১. দেশে ভালবাসা নাই
২. *বিদায় বান্ধবী বিদায়
৩. *সবই অভিনয়
৪. *জীবনটা সিগারেটের ছাই
৫. *রং করা পুতুল

অ্যালবাম: ধোঁয়া
১. *সখির পত্র
২. *পালকি

অ্যালবাম: দহন শুধু তোমার জন্য
১. *ফুলসজ্জা সন্ধ্যা
২. *ওরে পাগলি

অ্যালবাম: দোস্ত দুশমন
১. আসমানের চাঁদ
২. *দোস্ত দুশমন
৩. সাঝেঁর বেলায়
৪. *চলেই যেতাম
৫. ঈশানে জবর মেঘ

অ্যালবাম: দুঃখিনী মা
১. *কাছ থেকে দূরে যাও

অ্যালবাম: একটি নারী অবুঝ
১. রাষ্ট্র

অ্যালবাম: ইস্কার টেক্কা
১. *আর নয়

অ্যালবাম: জগৎবাড়ি
১. *ব্যথার তোপধ্বনি
২. *কবর
৩. পাখি গান ধর

অ্যালবাম: টোন অ্যান্ড টিউন
১. *শৈশব
২. *এই রাত

অ্যালবাম: দাঁড়ারে
১. দাঁড়ারে
২. *আদালতে দেখা হবে

অ্যালবাম: যন্ত্রণা
১. গুরু
২. *বিদ্রোহী
৩. *যদি ভুল করে
৪. *নস্টালজিয়া
৫. *অন্ধ

অ্যালবাম: খেলারাম খেলে যা
১. খেলারাম খেলে যা
২. বনের পাখি
৩. চলো যাই
৪. *সাধুগঞ্জে
৫. *লিখলাম চিঠি

অ্যালবাম: কুসুম কুসুম প্রেম
১. ভুল করে মন ভালোবেসেছে
২. চাওয়া পাওয়া
৩. কুসুম কুসুম প্রেম
৪. পাখির রূপ

অ্যালবাম: মেহেদি রাঙা হাত
১. *আমি গান গাইলে

অ্যালবাম: সারেগামা
১. *দুঃখ ভোলার দিন
২. *পরবাসী মন
৩. পুবের বাতাস
৪. *শূন্য করে বুক
৫. *টিফিনের পয়সা

অ্যালবাম: সাত রঙের কষ্ট
১. চিরকুট
২. *অপরাধী
৩. *খুব নিশীথে
৪. নায়ক
৫. *নিয়ম শাসন বারণ

অ্যালবাম: উড়ু উড়ু মন
১. সবাই চলে আগে আগে
২. আমি এত যে তোমায়
৩. *কোনখানে কোন একদিন

অ্যালবাম: প্রিয়তমা বন্ধু আমার
১. আমার যত গান
২. মন পিপাসায় বুক ফাটে

অ্যালবাম: মাটি
১. *মাওলা তুমি কাছে নাই
২. একটা কিছু কর গুরু
৩. *চলরে মন
৪. *আর কত কাঁদাবে
৫. *চাকুরী

অ্যালবাম: দীর্ঘশ্বাস
১. পাগলা বাবা
২. *নন্দিনী ও নন্দিনী
৩. নিবেদিতা
৪. *স্যার
৫. *বৃষ্টি

অ্যালবাম: প্রতারণা
১. সুলতানা
২. মন লাগেনা
৩. *আজ থেকে তুমি পর
৪. ও ভ্যালেন্টাইন
৫. *আহা কবিতা

অ্যালবাম: দেনা পাওনা
১. *আমি বাদ হয়ে
২. ফিরে আসবো বাংলায়
৩. *পাগলী

অ্যালবাম: আমায় ভুলিসনা
১. রাস্তাঘাট দেইখা চলিস
২. এখানে সারাবেলা

অ্যালবাম: পাগলা পানি
১. *কত যে খুঁজেছি

অ্যালবাম: সন্ধি
১. বর্ষা আমার চোখের প্রিয় ঋতু

অ্যালবাম: নকশী কাথা
১. *বড় অচেনা
২. গোপনে

এ্যালবাম: তুমি
১. সূর্য

এ্যালবাম: সীমানা
১. *বৃষ্টির জলে ভিজেছে

এ্যালবাম: প্রয়োজন
১. *ভালোবাসা দে

এ্যালবাম: একা উদাসী মনে
১. খোদা ভগবান ঈশ্বর

এ্যালবাম: সুন্দরী
১. *তোমারই কারনে
২. বিধাতা
৩. ছুঁয়ে দেখো

এ্যালবাম: দিল
১. ঘর বানিয়ে
২. *শুনতে কি পাও
৩. ডাকাডাকি
৪. তুমি কার কে তোমার
৫. কাল রাতে

এ্যালবাম: ভালবাসতে মন লাগেরে
১. *পাগল আমি
২. *কত সহজে বদলায় মন
৩. *আমি তোর মনের মত
৪. বাপের বাড়ি
৫. কাগজের মত করে

এ্যালবাম: উতলা ঢেউ
১. দুই চোখে / উতলা ঢেউ
২. যে অন্তরে
৩. মেঘের সাথে
৪. তাহার রুপে
৪. তুমি পেরেছিলে

এ্যালবাম: নয় ছয়
১. নয় ছয
২. পড়লে চোখের পলক
৩. কাকন
৪. *কানামাছি
৫. বন্ধু তোমার মনে আমি প্রশ্ন

এ্যালবাম: তিতা মিঠা
১. তুমি গতকাল ছিলে আমার
রিমেক :
১. বিজলী (রিমেক ভার্সন)
২. মা(রিমেক ভার্সন)
৩. যাত্রা(রিমেক ভার্সন)

নাটকের গান:
১. *চৈতা পাগল
২. রোশনী

সিনেমার গান:
১. ভিগি ভিগি
২. চাল চালে
৩. আলবিদা
৪. রিশতে
৫. আসবার কালে আসলাম একা
৬. ঘুমন্ত এক শিশু
৭. ভোলা মন রে
৮. বেবাসি
৯. আসছে দেশা আসছে
১০. প্রেম ও ঘৃণা
১১. এত কষ্ট কষ্ট লাগে
১২. বিধাতা(আমি আকাশের কাছে জানতে চাই)
১৩. তোর প্রেমেতে অন্ধ হলাম

* এছাড়া ২০২২ এবং ২০২৩ সালে গুরু "আই লাভ ইউ এবং সবই ভুল" নামে দুইটি নতুন গান প্রকাশ করেছেন।

*নগরবাউল জেমস এর সকল ব্যান্ড এবং একক অ্যালবামের ৯৯.৯৯% গানের সুর ও সংগীত তার নিজের করা। এছাড়াও বেশকিছু মিক্সড এবং ডুয়েট অ্যালবামের গানের সুর ও সংগীত করেছেন তিনি।

সেই নব্বইয়ের সম্রাট
সেই গোল্ডেন ভয়েজের রেকর্ড করা
সমস্ত গান বেঁচে থাকবে অনন্তকাল..!

07/06/2021

Stoic bliss

08/05/2021

আপনি অনলাইনে বিক্রি অথবা ই-কমার্স ব্যবসা শুরু করতে চান, কিন্তু বুঝতে পারছেন না কোন প্রোডাক্ট নিয়ে কাজ করবেন, তাহলে এই আর্টিকেলটি আপনার জন্য। এই আর্টিকেলে মোটামুটি সঠিক প্রোডাক্ট নির্বাচনের জন্য যে বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করতে হবে তার সবকিছুই সহজভাবে তুলে ধরা হয়েছে।
প্রথমেই আপনাকে অভিনন্দন অনলাইন ব্যবসা শুরু করার সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য। বিপুল সম্ভাবনার এই সেক্টরে সফল হবার জন্য দরকার একটু বুদ্ধি আর পরিশ্রমের। শুরুতে অনেকেই বুঝে উঠতে পারেন না কোন পণ্য নিয়ে কাজ করবেন বা কিভাবে শুরু করবেন। এই সিদ্ধান্তটি অনেক চিন্তাভাবনা করে নিতে হবে কারণ আপনার অনলাইন ব্যবসার মূল ভিত্তি নির্ভর করছে এটার উপর। এই আর্টিকেলটি যদিও একটু বড় তারপরেও একটু কষ্ট করে পুরোটা পড়লে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সুবিধা হবে। তাহলে আসুন মূল আলোচনায় আসা যাক।
কেন সবদিক চিন্তা করে প্রোডাক্ট সিলেক্ট করা গূরুত্বপূর্ণ?
একটি অনলাইন ব্যবসার অনেকগুলো পার্ট থাকে যেমন: ব্র্যান্ডিং , মার্কেটিং, ডেলিভারি , ওয়েবসাইট ইত্যাদি। এই পার্টগুলোর প্রত্যেকটির সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে আপনি অনলাইনে কি বিক্রি করবেন তার সাথে। তার মানে যদি আপনার প্রোডাক্ট নির্বাচনে ভুল হয় তাহলে পরবর্তিতে প্ৰত্যেকটি ধাপে আপনার জন্য অপেক্ষা করছে কঠিন সময়। হাজারো প্রোডাক্ট থেকে আপনার জন্য কোনটা সঠিক সেটা ঠিক করা অবশ্যই অনেক কঠিন একটি কাজ। তবে কিছু জিনিস মাথায় রেখে প্রোডাক্ট নিৰ্বাচন করলে সফল হবার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যাবে। একটা উদাহরণ থেকে বিষয়টা একটু পরিষ্কার হয়ে নেওয়া যাক। যেমন ধরুন আপনি ঠিক করলেন অনলাইনে টিভি বিক্রি করবেন, কিন্তু এত বড় একটা জিনিস সারাদেশে কিভাবে ডেলিভারি করবেন সেটা ভেবে দেখেছেন? অথবা ঠিক করলেন ওষুধ বিক্রি করবেন, সেক্ষেত্রে ওষুধ বিক্রির যে লাইসেন্স বা লিগাল ডকুমেন্টস লাগে সেটা কিভাবে ম্যানেজ করবেন? দিনশেষে আপনি কি বিক্রি করবেন তার উপর সরাসরি প্রভাব রয়েছে নিচের বিষয়গুলোর:
• ব্র্যান্ডিং ও ডিজাইন: আপনার ওয়েবসাইট বা ফেইসবুক পেজের আউটলুক কেমন হবে সেটা পুরোটাই নির্ভর করে কি বিক্রি করবেন তার উপর। ফুলের দোকানের ওয়েবসাইট আর জুতার দোকানের ওয়েবসাইট নিশ্চই এক হবে না? আবার ছেলেদের প্রোডাক্টের ব্র্যান্ডিং নিশ্চই মেয়েদের প্রোডাক্টের মতো হবে না। আপনার লোগো, ব্র্যান্ড কালার, ব্যানার এগুলোর সবকিছুতেই যে পণ্য বিক্রি করবেন তার ছোঁয়া থাকাটা খুবই জরুরি।
• মার্কেটিং: মার্কেটিং পুরোটাই নির্ভর করে আপনার বাজেট এবং টার্গেট কাস্টমার এর উপর। আর টার্গেট কাস্টমার কারা সেটা নির্ভর করছে আপনি কি বিক্রি করবেন তার উপর।
• নিজের প্রশান্তি : আপনাকে এটা সবসময় মনে রাখতে হবে যে আপনার নিজের লাইফের অনেক বড় একটা সময় কাটাতে হবে আপনার ব্যবসা নিয়ে। তাই এমন কোনো প্রোডাক্ট নিয়ে কাজ করা উচিত যেটার প্রতি আপনার ভালোলাগা আছে বা যেটা নিয়ে লম্বা সময় কাজ করতে আপনার বিরক্তি লাগবে না।

তাই কি বিক্রি করবেন এবং আপনার টার্গেট কাস্টমার হবে সেটা ঠিক করাটাকে কোনোভাবেই হালকাভাবে নেওয়া যাবে না। এজন্য যথেষ্ট সময় দিয়ে মার্কেট রিসার্চ করে নেওয়াটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। চলুন এবার মার্কেট রিসার্চের বিষয়গুলো আরো ভালোভাবে দেখে নেওয়া যাক।
কাস্টমার বেস ঠিক করা
প্রোডাক্ট নির্বাচনের পর খুব ভালোভাবে বুঝে নিতে হবে কারা আপনার টার্গেট কাস্টমার মানে কারা আপনার প্রোডাক্টটি টাকা দিয়ে কিনতে আগ্রহী। টার্গেট কাস্টমারদের সম্পর্কে খুব ভালোভাবে জানা থাকলে আপনার প্রোডাক্টের দাম, মার্কেটিং কৌশল সর্বোপরি আপনার ব্র্যান্ডের গল্পটি ক্রেতার সামনে তুলে ধরতে সাহায্য করবে।
টার্গেট কাস্টমার ঠিক করার সময় নিচের বিষয়গুলো খেয়াল রাখতে হবে :
• কাস্টমারের জনপ্রকৃতি বুঝে নেওয়া : আপনার কাস্টমারের ভালোভাবে বুঝতে হবে, তাদের বয়স কত? তারা নারী, পুরুষ নাকি তরুণ তরুণী, তাদের আর্নিং সোর্স কি? – এগুলো নিয়ে কিছুটা রিসার্চ করে নিতে হবে। ঠিকমতো কাস্টমারের প্রকৃতি বুঝতে পারলে তাদের কাছে মার্কেটিং করার কৌশল খুব সহজেই বুঝতে পারবেন।
• কাস্টমারের মানসিকতা বুঝে নেওয়া : জনপ্রকৃতি বোঝার পাশাপাশি কাস্টমারের মানিসকতা ও চিন্তাভাবনা সম্পর্কেও ধারণা নিতে হবে। এজন্য তারা কোথায় যায়, তাদের সোশ্যাল স্ট্যাটাস কেমন, কোন বিষয়ে তাদের আগ্রহ বেশি, কোথায় তারা বেশি সময় কাটায়, – সেগুলো সম্পর্কে ভালো ধারণা রাখতে হবে। একবার কাস্টমারের মন বুঝতে পারলে তাদের কাছে বিক্রি করা অনেক সহজ হয়ে যাবে।
• দামের ব্যাপারে কাস্টমের মনোভাব বুঝে নেওয়া : পণ্যের দামের ব্যাপারে টার্গেট কাস্টমারের মনোভাবটাও বুঝে নেওয়া জরুরি। আপনার পণ্যের দাম যদি তাদের সামর্থের বাইরে হয় তাহলে অনেক কাস্টমার ইচ্ছা থাকলেও কিনতে পারবে না। টার্গেট কাস্টমার উচ্চবিত্ত, মদ্ধবিত্ত নাকি মাঝামাঝি সেটা জানা থাকলে পণ্যের সঠিক দাম নির্ধারণ করতে পারবেন।
এরকম আরো অনেক বিষয় আছে যেগুলো পর্যালোচনা করে কাস্টমারের সম্পর্কে ধারণা আরো স্পষ্ট করে নেওয়া যায়। তবে শুরু করার জন্য বেসিক বিষয়গুলা সম্পর্কে ধারণা থাকলে আগেই নিশ্চিত হওয়া যাবে যে আপনার পণ্য কাস্টমারের চাহিদা ও প্রয়োজনীয়তা পূরণে সক্ষম। উপরের ফ্যাক্টরগুলো ছাড়াও কিছু প্রশ্ন নিজেকে করতে পারেন কাস্টমারকে আরও ভালোভাবে বুঝতে। যেমন:
কেন কাস্টমার আপনার পণ্যটি খুঁজছে?
কি কারণে তারা টাকা দিয়ে পণ্যটি কিনতে চায়?
পণ্যটি কি তারা তাদের দৈনন্দিন কাজের জন্য খুঁজছে নাকি তাদের লাইফ স্টাইল উন্নত করার জন্য খুঁজছে?
আপনার পণ্যটি আরো অনেকেই বিক্রি করছে তাহলে কাস্টমার কেন আপনার থেকে পণ্যটি কিনবে?
আপনি তাদেরকে অতিরিক্ত কি দিচ্ছেন?
আসলে প্রথমে কাস্টমার চায় পণ্যটি যেন তার কোনো সমস্যার সমাধান করে, সেই সাথে পণ্যটি মান খুব ভালো প্রত্যাশা করে। যেমন ভালো জায়গা থেকে কোনো পণ্য কিনে ভালো লাগলে কাস্টমার সেটা ফেইসবুকে বন্ধুদের সাথে শেয়ার করে একটা ভালোলাগার অনুভূতি নিতে চায় অথবা কফি শপ এর আড্ডায় পণ্যটি হাতে পাবার পর পণ্যটি কেমন excited ছিল সেটা নিয়ে গল্প করতে চায়। আপনি যদি ওই experience কাস্টোমারকে দিতে পারেন তাহলে আরো হাজার জায়গায় পণ্যটি পাওয়া গেলেও আপনার কাছ থেকেই কাস্টমার পণ্যটি কিনবে।
কাস্টমারের সাথে সম্পর্ক স্থাপন
কি পণ্য বিক্রি করবেন আর কারা আপনার টার্গেট কাস্টমার সেটা ঠিক হয়ে গেলে চিন্তা করতে হবে তাদের কাছে কিভাবে পৌঁছানো যায় বা সোজা করে বললে তাদের সাথে কিভাবে যোগাযোগ স্থাপন করা যায়। কাস্টমারের কাছে পৌঁছানো অনেকটা কোনো মেয়ে/ছেলেকে পছন্দ হলে তারসাথে বন্ধুত্ব তৈরী করার ধাপগুলোর মতো। কি ধরণের পণ্য তাদের জীবনকে আরো সহজ করবে বা তাদের সোশ্যাল স্ট্যাটাস বাড়াবে সেটা জেনে নিতে হবে। তারপর তাদের সেই সমস্যাগুলো সমাধান করতে পারে এরকমভাবে আপনার প্রোডাক্টলাইন সাজানোর চেষ্টা করতে হবে। এভাবে আপনি শুধু একজন পণ্য বিক্রেতা না হয়ে ওই সেক্টরে একজন এক্সপার্ট হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করতে পারলে কাস্টমার শুধু আস্থা ও বিশ্বস্ততার জন্যই আপনার পণ্য কিনবে।
মার্কেট রিসার্চ
মার্কেট রিসার্চকে অনেকেই ব্যয়বহুল, জটিল ও কঠিন কাজ মনে করে থাকেন। আসলে কিন্তু বিষয়টি অতো জটিল কিছুনা। এই যুগে একটু চোখ কান খোলা রাখলে আর একটু বুদ্ধি করে কাজ করলে খুব সহজেই মার্কেট রিসার্চ করে ফেলতে পারবেন। মার্কেট রিসার্চ করা থাকলে ব্যাবসার প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান ও কাস্টমারের গতি প্রকৃতি সম্পর্কে ধারণা আরও স্পষ্ট হবে। অনলাইন বিজনেসে সফল হতে তাই এর কোনো বিকল্প নেই। মূলত নিচের দুইটি বিষয়ের উপর রিসার্চ করতে নিতে হবে :
• মার্কেট ট্রেন্ড : আপনার যদি ইতিমধ্যে ধারণা থাকে যে কি প্রোডাক্ট নিয়ে কাজ করবেন তাহলে বর্তমান বাজারে সেটি কেমন চলছে সেটার উপর নজর রাখতে হবে। আর যদি প্রোডাক্ট ঠিক না করে থাকেন তাহলে বাজারে/মার্কেটপ্লেসে কোন প্রোডাক্ট কেমন চলছে সেদিকে একটু খেয়াল রাখতে হবে। এজন্য পত্রিকা, টিভিতে, অনলাইনে বা ফেইসবুক টাইমলাইনে কোন পণ্যের বিজ্ঞাপন বেশি চোখে পড়ছে সেদিকে একটু খেয়াল করলে কিছুটা ধারণা পাবেন। যদি কোনো নিৰ্দিষ্ট পণ্য নিয়ে কাজ করার প্ল্যান থাকে তাহলে ওই ইন্ডাস্ট্রি নিয়ে পত্রপত্রিকায় কোনো আর্টিকেল, রিপোর্ট বা গবেষণা প্রকাশিত হলে সেগুলোতে চোখ রাখতে হবে। তাহলে বাজারে কোন পণ্য বেশি জনপ্রিয় সেটি বুঝতে পারবেন। অন্য অনলাইন শপগুলো কোন ধরণের প্রোডাক্টগুলো বেশি প্রচার করছে সেটা দেখেও মার্কেট ট্রেন্ড সম্পর্কে ধারণা নিতে পারেন। এছাড়াও ফেইসবুকে Buy এন্ড Sell গ্রুপগুলো এবং অনলাইন বিজনেস নিয়ে গ্রুপ গুলোতে চোখ রাখলেও কারেন্ট মার্কেট ট্রেন্ড বুঝতে পারবেন।
• বাজারে প্রতিযোগিতা:আপনার প্রোডাক্ট যদি একেবারে ইউনিক না হয় তাহলে বাজারে কিছুটা প্রতিযোগিতা থাকবে এটাই স্বাভাৱিক। তবে প্রতিযোগিতা খুব বেশি নাকি খুব কম সেটা বোঝা জরুরি, তা না হলে ব্যবসার রিস্ক অনেক বেড়ে যাবে। বাজারে আপনার প্রোডাক্টের প্রতিযোগিতা বোঝার জন্য নিচের কাজগুলা করতে হবে:
o প্রথমে আপনার প্রোডাক্ট আরও কারা বিক্রি করছে তাদের একটা লিস্ট করে ফেলতে হবে। এই কাজটি ঘরে বসেই গুগল সার্চ করেই করে ফেলা যায়। এই ডাটা থেকে আপনি বুঝতে পারবেন বাজারে আর কে কে আছে আর কতজন আছে।
o এরপর ডাটা দেখে সেগুলোকে কিছু ক্যাটাগরিতে ভাগ করে ফেলতে হবে। কি কি ক্যাটাগরি হবে সেটা ডাটা দেখলেই বুঝতে পারবেন। যেমন: বড় প্রতিযোগীদের একটা ক্যাটাগরি করতে পারেন আর ছোট প্রতিযোগীদের আরেকটা ক্যাটাগরি।
o তারপর সব প্রতিযোগীদের ওয়েবসাইট আর ফেইসবুক পেজ ভিসিট করতে হবে। তারা কোন প্রোডাক্ট হাইলাইট করছে, কিভাবে সেগুলোর ব্র্যান্ডিং করছে, পণ্যের দাম কত রাখছে সেগুলো সম্পর্কে ধারণা নিতে হবে।
o যদি তাদের সাইটে নিউজলেটার সাবস্ক্রিপশন অপসন থাকে তাহলে সেখানে সাবস্ক্রাইব করতে হবে। তাহলে তাদের প্রমোশনাল ইমেইলগুলো আপনার কাছে নিয়মিত আসবে এবং সেগুলো দেখে আপনি বুঝতে পারবেন অপনার প্রতিযোগীরা কিভাবে তাদের টার্গেট কাস্টোমারদের কাছে মার্কেটিং করছে।
এই মার্কেট রিসার্চের মূল বিষয় হলো বাজারে অন্যরা কিভাবে প্রোডাক্টের মার্কেটিং করছে সেটা জানা এবং সেখান থেকে মার্কেট স্ট্যান্ডার্ড সম্পর্কে ধারণা নেওয়া আর সেই অনুযায়ী আপনার নিজের মার্কেটিং স্টার্টেজি ঠিক করা যাতে অন্যদের থেকে আপনার প্রোডাক্ট কাস্টমারের কাছে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করতে পারেন।
কত ধরণের প্রোডাক্ট নিয়ে কাজ করবেন?
কত ধরণের প্রোডাক্ট নিয়ে কাজ করবেন সেটি ঠিক করে নেওয়াটাও খুব জরুরি। বেশি প্রোডাক্ট নিয়ে কাজ করলে বেশি সেল হবে এই ধারণাটা সঠিক নয়। প্রোডাক্টের রকম ও সংখ্যা নির্ভর করছে আপনার বাজেট এবং সময় এর উপর। আপনার বাজেট কম হলে শুরুতে একটি বা দুইটি প্রোডাক্ট নিয়েও শুরু করা যেতে পারে। প্রোডাক্টের ভেরিয়েশন না বাড়িয়ে মূল একটি প্রোডাক্ট এবং সেগুলোর একসেসোরিজ নিয়ে কাজ করলে ভালো ফল পাবার সম্ভাবনা বেশি। যেমন ধরুন যদি হিজাব নিয়ে কাজ করতে চান তাহলে সাথে কামিজ, টি-শার্ট এগুলো নিয়ে কাজ না করে বরং হিজাব এর একসেসোরিজ নিয়ে কাজ করাটা বেশি যুক্তিসঙ্গত, কারণ যারা হিজাব কিনবে তাদের লাইফস্টাইল আর যারা টি-শার্ট কিনবে তাদের লাইফস্টাইল এক নয়।
প্রোডাক্টের খরচ
প্রোডাক্টের দাম কতো হবে সেটার অনেকটাই নির্ভর করে প্রোডাক্টটির পেছনে আপনার কত খরচ হয়েছে সেটার উপর। তাই কোন প্রোডাক্ট বিক্রি করবেন সেটা ঠিক করার জন্য প্রোডাক্টটি তৈরী করতে বা সংগ্রহ করতে কেমন খরচ পড়বে সেটা পর্যালোচনা করে দেখা জরুরি। মূলত দুইভাবে প্রোডাক্ট সংগ্রহ করা যাবে:
• নিজে তৈরী করা: আমাদের দেশে অনলাইন সেলারদের মধ্যে যারা ক্র্যাফট বা ঘর সাজানোর জিনিস নিয়ে কাজ করেন তারা নিজেরা প্রোডাক্ট উৎপাদন করে থাকেন। এখানে মূল খরচ হচ্ছে কাঁচামাল কেনা, শ্রমিকের পারিশ্রমিক ও ডেলিভারি চার্জ।
• হোলসেলার বা Supplier দের থেকে সংগ্রহ করা: আমাদের দেশে হোলসেলারদের থেকেই বেশিরভাগ অনলাইন ব্যবসায়ী প্রোডাক্ট সোর্স করে থাকেন। এখানে মূল খরচ হচ্ছে প্রোডাক্টের দাম, প্রোডাক্ট নিজের ইনভেন্টরিতে মজুদের খরচ আর ডেলিভারি চার্জ।
প্রোডাক্টের পেছনে আপনার খরচের পাশাপাশি কিভাবে আপনি প্রোডাক্টটি সোর্স করছেন তার উপর অনলাইন বিজনেসের সফলতা অনেকখানি নির্ভর করে। যদি আপনার ট্যালেন্ট ও প্রয়োজনীয় অবকাঠামো থাকে তাহলে নিজে প্রোডাক্ট তৈরী করে অনলাইনে বিক্রি করলে আপনার কাস্টমার থেকে পণ্য এবং আপনি নিজে প্রশংসা পাবেন। নিজে প্রোডাক্ট উৎপাদন করলে কতগুলো বানাবেন, দাম কত রাখবেন, প্রোডাক্টের গুণগত মান কেমন হবে সেগুলো সহজেই নিয়ন্ত্রণ করা যায়। টি-শার্ট, ঘর সাজানোর জিনিস, ছেলে/মেয়েদের ড্রেস এই ধরণের প্রোডাক্ট নিয়ে কাজ করতে চাইলে নিজে উৎপাদন করা সম্ভব। তবে নিজে উৎপাদন করলেও কিছু বিজনেস ফ্যাক্টর অবশ্যই মাথায় রাখা জরুরি:
• আপনার কাঁচামাল কার থেকে সংগ্রহ করবেন এবং সেগুলো কিভাবে সংগ্রহ করবেন?
• কাঁচামালের দাম কত পড়বে আর কাঁচামালের দামের উপর তৈরী করা প্রোডাক্টের দামের কতটা প্রভাব থাকবে?
• প্রোডাক্ট তৈরী করতে কত সময় লাগে? মার্কেট চাহিদা অনুযায়ী আমি প্রোডাক্ট নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রোডাক্ট তৈরী করতে পারব তো?
• যদি কাস্টমার কাস্টম বানিয়ে দিতে বলে তাহলে ঠিকভাবে দিতে পারব তো?
এই প্রশ্নগুলোর উত্তর পজিটিভ হলে নিজে প্রোডাক্ট তৈরী করে বিক্রি করাটাই শ্রেয়। এখানে মূল সুবিধা হলো থার্ড পার্টির উপর আপনার প্রোডাক্ট সংগ্রহ করার জন্য আপনাকে নির্ভর করতে হচ্ছে না। উৎপাদন নিজে করলে প্রোডাক্ট কস্টিংও কম হবে ফলে প্রফিট বেশি হবার সম্ভাবনা বেশি। তবে আপনার রেসপনসিবিলিটি একটু বেড়ে যাবে যেহেতু প্রোডাক্ট উৎপাদন ও বিক্রি দুইটি আলাদা বিষয়, তখন দুইদিকেই সময় দিতে হবে সঠিকভাবে বিজনেস চালানোর জন্য।
অপরদিকে যদি নিজে প্রোডাক্ট উৎপাদন করাটা আপনার জন্য সুবিধাজনক না হয় তাহলে হোলসেলার থেকে প্রোডাক্ট কিনে বিক্রি করতে হবে। সেক্ষেত্রে দায়িত্ব কিছুটা কমবে কিন্তু প্রোডাক্টের দাম ঠিক করা এবং চাহিদা অনুযায়ী সাপ্লাই দেবার ব্যাপারে আপনার নিজের কন্ট্রোল কমে যাবে। আর কতগুলো প্রোডাক্ট কিনে রাখবেন সেই সিন্ধান্তটাও বাজারের চাহিদা বুঝে নিতে হবে। এক্ষেত্রে আপনার হোলসেলারের সাথে সহজ ও সুন্দর সম্পর্ক স্থাপন করাটা গুরুত্বপূর্ণ। পণ্যের রিটার্ন পলিসি, ডিসকাউন্ট এই বিষয়গুলো নিয়ে আগে থেকে হোলসেলারের আলাপ করে নিতে হবে যাতে কোনোভাবেই আপনার কাস্টমারের উপর নেগেটিভ প্রভাব না পরে।
এই পর্যায়ে আমরা যথেষ্ট জেনেবুঝে মার্কেট রিসার্চ করে প্রোডাক্ট সিলেক্ট করেছি এবং সেগুলো সোর্স করার ব্যাপারেও সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছি। এখন সব থেকে মজার কাজ, সেটি হলো প্রোডাক্টের দাম ঠিক করা। প্রোডাক্টের সঠিক দাম আপনাকে মার্কেটে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে এবং প্রফিটেবল অনলাইন বিজনেস পরিচালনা করতে সহায়তা করবে।
কিভাবে প্রোডাক্টের দাম ঠিক করবো?
আমাদের দেশে হরহামেশাই দেখা যায় একই প্রোডাক্টের দাম একেক অনলাইন শপে একেকরকম। বেশিরভাগ অনলাইন ব্যাবসায়ী সব দিক চিন্তা না করে নিজের মনের মতো একটা দাম ঠিক করে থাকেন । অনুমান করে দাম ঠিক করার বড় অসুবিধা হলো সব রকম কস্ট ফ্যাক্টর প্রোডাক্টদের দামের মধ্যে যুক্ত হয় না, ফলে অনেকসময় এমন হতে পারে যে আপনার বিজনেস পরিচালনার খরচই উঠে আসছে না। তাই প্রোডাক্টের দাম ঠিক করার আগে একটু ম্যাথ/অঙ্ক করে নিতে হবে। নিচের চারটি ধাপ অনুসরণ করে খুব সহজেই লজিক্যালি প্রোডাক্টের দাম ঠিক করে ফেলা যাবে :
• প্রথম ধাপঃ ওভারঅল প্রোডাক্টের খরচ নির্ধারণ করুন
প্রোডাক্ট বিক্রির আগে কিছু খাতা কলমের হিসাব করে নেওয়া দরকার। পণ্য উৎপাদনের খরচ, বিপণন খরচ, সেলস খরচ, পরিবহন খরচ, ডেলিভারি খরচ ইত্যাদি।
আসুন একটি ছোট অঙ্ক করে দেখি, কিভাবে একটি পণ্যের মূল্য নির্ধারণ করবো। ধরুন এই শীতে আপনি চান হুডি বিক্রি করবেন। ঢাকার সব বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বর্তমানে পাঠরত সব ছাত্রছাত্রীরা আপনার টার্গেট অডিয়েন্স। তাদের হুডীর সামনে লিখে দিবেন, “Proud To Be A ….. Graduate“
— প্রত্যেকটি হুডির খরচঃ ১৮০-২২০ টাকা (নির্ভর করে কি পরিমাণ আপনি বানাবেন, মোটামুটি এই টাকার মধ্যে আপনি ভালো একটি হুডি পেয়ে যাবেন)
— প্রত্যেকটি হুডির বিক্রির পিছনে মার্কেটিং খরচঃ ১০০ টাকা
— প্রত্যেকটি হুডির বিক্রির পিছনে ইনভেন্টরি, লজিস্টিকস, ম্যানপাওয়ার খরচঃ ১০০ টাকা
— প্যাকেজিং খরচঃ ১০ টাকা
— ডিজাইন ও প্রিন্টিং খরচঃ ৫০ টাকা
সর্বমোট খরচ: ২২০ + ১০০ + ১০০+ ১০ + ৫০ = ৪৪০ টাকা।
• দ্বিতীয় ধাপঃ আপনার ব্যবসার কাঙ্ক্ষিত লাভের লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করুন
এইবার এই পণ্য দিয়ে আপনি আসলে কত লাভ অর্জন করতে চান, সেই মানটি সেট করুন। কিছু ব্যাপার আপনাকে সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করবে। যেমন ধরুন, আপনি কত সংখ্যক হুডি বিক্রি করবেন? এটি কি আপনার এককালীন ব্যবসা? আপনার লাভের মার্জিন আপনি বাজারের চলতি প্রতিযোগিতাকে হার মানাতে কত কম দামে বিক্রি করতে পারবেন? আপনার আসল লক্ষ্য কি, বেশি পরিমাণে বিক্রি করে লাভ তুলে আনা নাকি অল্প সংখ্যক বিক্রি করেই বেশি দাম রেখে লাভের অঙ্কটি তুলে আনবেন।
ধরুন, আপনি ঠিক করলেন আপনি লাভ করতে চান ১৭০ টাকা প্রতি হুডিতে।
তাহলে আপনার প্রত্যেকটি হুডির দাম দাঁড়াবে , ৪৮০ + ১৭০ টাকা = ৬৫০ টাকা, যা কিনা বাজারের চলতি দাম হিসেবে যথেষ্টই প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ। আপনি চাইলে আপনার লাভের মার্জিন অনুসারে হুডির দাম এদিক ওদিক করতে পারেন হাল্কা পাতলা। এর মধ্যে খেয়াল করে দেখুন চাইলে আপনার ডেলিভারি কস্ট ও অ্যাড করা আছে। চাইলে আপনি ফ্রি ডেলিভারিও অফার করতে পারেন। অথবা আরেকটু দাম বাড়িয়ে ফ্রি ডেলিভারি সুবিধা দিতে পারেন। এগুলো পুরোই আপনার পরিকল্পনার অংশ। আর লাভের অঙ্ক যদি বেশি রাখতে চান তবে কোন কোন জায়গায় খরচ কমাতে পারেন সেগুলো নিয়ে আরেকটু ব্রেইনস্টর্মিং করে রাখতে পারেন।
নিচের বিষয় গুলো অবশ্যই মাথায় রাখতে হবে যখন আপনি পণ্যের দাম নির্ধারণ করবেনঃ
• আপনার পণ্যের ভ্যালু এডিশনঃ ক্রেতা যখন পণ্য কিনে তখন সে শুধু পণ্যই কিনে না, সাথে যেন এক জীবন্ত অভিজ্ঞতা কিনে। ক্রেতাকে বিশেষভাবে গণ্য মনে করানো বিক্রেতা হিসেবে আপনার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কাজ। বিশেষ আকর্ষণীয় কোন প্যাকেজিং, ফ্রি রিটার্ন সুবিধা এই ধরনের সুবিধা যোগ করে দিন পণ্যের সাথে। যদি আপনি এমন কিছু অফার করছেন যা আপনার প্রতিদ্বন্দ্বীরা করছে না নির্ভয়ে তার জন্যে ও আপনি চার্জ করতে পারেন।
• ওভারপ্রাইসিংঃ ওভারপ্রাইসিং আপনার পণ্যের বিশ্বাস হারাবে। সাথে সেলস তো কমবেই। লোভের গুড় না যাতে পিঁপড়া খেয়ে ফেলে সেদিকে নজর দিতে হবে।
• আন্ডারপ্রাইসিংঃ পণ্যের কম দাম আবার আপনার পণ্যের মান নিয়ে ক্রেতার মনে প্রশ্ন জাগাবে। এতে ব্র্যান্ডিং এর ও এক ধরনের ক্ষতি হতে পারে সময়ে অসময়ে।
পরিশেষেঃ
সবসময় মনে রাখা উচিত, যেই পণ্যই আমরা নির্বাচন করি না কেন সেটাই হবে ইকমার্স বিজনেস এর আদি ভিত্তি। এর উপর নির্ভর করেই আগামী দিনে আপনি আরও কি কি পণ্য যোগ করবেন আপনার সাইটে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
পণ্য নির্বাচনের প্রথম ধাপে অতি অবশ্য ভিত্তিতে আপনার টার্গেট অডিয়েন্স সিলেক্ট করে নিন। অনেক উত্তেজনা ও শিহরণ কাজ করছে আপনার মাথায়। অনেক নতুন সম্ভাবনার স্বপ্ন দেখতে পাচ্ছেন। দিনশেষে একটু সময় নিন। চেয়ারে বসে জিরিয়ে নিন। ভাবুন। স্ট্র্যাটেজিক সিদ্ধান্ত গুলো এক এক করে আবার চোখ বুলিয়ে নিন। পণ্য নিয়ে ভাবুন। কাকে কাকে এখানে সম্ভাব্য ক্রেতা হিসেবে যোগ করা যায় এই ব্যাপারগুলোই আবার ভেবে চিন্তে দেখুন।

28/11/2020

পুরুষকে কেউ কোনদিন বিয়ে করেনি, বিয়ে করেছে তার সাফল্য বা সামর্থকে।

14/11/2020
10/11/2020

আগামী আট-দশবছর পরে দেখবেন এদেশে প্রচুর পঁয়ত্রিশ উর্ধ্ব মেয়ে অবিবাহিতা। বিয়ে করতে চাইবে কিন্তু ছেলে খুঁজে পাবে না। এখনকার দিনে মেয়েরা মাস্টার্স শেষ করে বিয়ের পিঁড়িতে বসতে আগ্রহী। এরপরে পাত্র খুঁজতে খুঁজতে সময় অনেক পার করে দেয়।
২৮/২৯ বছর বয়স্কা এভেইলেবল পাত্রী এখন ঢাকা শহরে ভুরিভুরি। এদের জন্য যে পাত্র একসময় আসেনি তা নয়। আমার চোখে দেখা ছোট বলে বিয়ে দেয়নি অনেক অভিভাবক। কিংবা বিয়েভীতিতে বিয়ে বসতে কন্যা রাজি হয়নি। বিয়েকে এখন মিডিয়া কিংবা সামাজিক-কালচার ভীতিকর করে ফেলেছে। পুরুষের প্রকৃতিগত কারণেই যেকোনো বয়সে গিয়ে ম্যাচ করে বিয়ে করা সম্ভব।
একজন মেয়ে ত্রিশ পার হলে সমাজের চোখে মেয়াদোর্ত্তীনের খাতায় নাম উঠে যায়। চিকিৎসাবিজ্ঞান মেয়েদের গর্ভবতী হওয়াটা ঝুঁকিপূর্ণ বলে ত্রিশের পর থেকেই। পঁয়ত্রিশ তো পুরোই ঝুঁকি। মেয়েরা যদি নিজেদের ভালো না বুঝে তাহলে কে বুঝাবে। চারবছর আগে একটা মেয়েকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম কখন বিয়ে করবে। সে খুবই রাগ করলো আমার সাথে। তখন তার বয়স ছিলো ছাব্বিশ। এখনো বিয়ে হয়নি তার। একটা মেয়ের যৌবন কয়দিন থাকে!!! পুরুষের সাথে পাল্লা দিয়ে নিজের যোগ্যতা প্রমাণ করতে গিয়ে আখের নিজেকে অপাংক্তেয় প্রমাণ হয়ে যায়।
সারমর্ম হচ্ছে এরা যোগ্য পাত্র খুজতে খুজতে এক সময় নিজেদেরই অযোগ্য করে ফেলেন😓😓

(সংগৃহীত ও পরিমার্জিত)

আপনার মতে সময়ের সাথে চলতে মেয়েদের কখন বিয়ে করা উচিৎ?
কালেক্টেড

মাত্রাতিরিক্ত গাছ প্রেমি হয়ে গেলে যা হয় 😑pic:collected🐸
05/10/2020

মাত্রাতিরিক্ত গাছ প্রেমি হয়ে গেলে যা হয় 😑

pic:collected🐸

 #খানদের_পরবর্তী_যুগআমার মনে হয় খানেদের সময় প্রায় শেষ । না । এটা নয় যে তারা পারছে না । তবে সবকিছু একটা শেষ আছে । এটা মান...
04/10/2020

#খানদের_পরবর্তী_যুগ

আমার মনে হয় খানেদের সময় প্রায় শেষ । না । এটা নয় যে তারা পারছে না । তবে সবকিছু একটা শেষ আছে । এটা মানতেই হবে । খানেরা যাওয়া পর বলিউডে বিপুল পরিবর্তন আসতে পারে । বলিউড দখলে থাকবে নতুনদের । আর আমার পোষ্টটা আজকে বলিউডের পরবতীঁ শাসকদের নিয়ে ।

আমার মনে হয় খানদের পরে বলিউড মাতাবে রানবীর কাপুর ও রানভীর সিং । তাদের আগের মুভিগুলো আর পরবর্তী মুভির লিষ্ট দেখলেই বুঝতে পারবেন কেন তাদের কথা বলছি । আর তাদের ফ্যানও অনেক । এই লিষ্ট যুক্ত হতে পারে শাহিদ কাপুরের না । তিনিই কয়েক বছর ধরে বেশ ভালই করছেন ।

নতুনদের মধ্যে টাইগারের সম্ভবনা বেশ ভাল । মাস অডিয়েন্স তার দিকেই ঝুকে থাকবে । কার্তিক আরিয়ান এখানে কিছুটা ভাগ বসাতে পারে ।

বলিউডে এখন নতুন কনসেপ্টের গল্প বেশ ভাল চলছে । স্বল্প বাজেটের এই মুভিগুলোর আয় ঈর্ষনীয় । ভিন্ন রকম কিছু মানেই আয়ুশমান আর রাজকুমার রাও । যদি ভারতে দর্শকদের মনোভাব চেঞ্জ হয় তাহলে এই দুইজন সব হিরোর জন্য ভয়ের কারণ হতে পারে ।

সিদ্ধাতের ফ্যান ভালই আছে । তবে তাকে ভাল কিছু করতে হবে । বারুণের বেলাতেও একই ।

প্যান ইন্ডিয়ান মুভিগুলো বেশ ভালোই ব্যবসা করছে । তাই বলিউডে সাউথের কাউকে রাজ করতে দেখলে খুব একটা অবাক হবো না ।

এছাড়াও আরো অনেকে আছে । নাওয়াজদ্দিনের মতো আরো কয়েকজন অভিনেতা যারা অভিনয় দিয়ে দর্শকদের জয় করেছে । তাদের সম্ভাবনাও কম নয় ।

[বি.দ্র.:অক্ষয়,রিত্তিক আরো কিছু হিরো রাখি নি এই লিষ্ট কারণ তারা নিজেদের অবস্থান অলরেডি তৈরী করে নিয়েছে ]

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when GPO BOX NO. DHAKA posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share