Lollipopz

Lollipopz Promoting Entertainment and Happiness!!! Are you tired of hearing negativity!! You need a break!! We are here to give you some entertainment to be cheer for!!!

Share your happiness and moments!!

শিশুরা যত বড় দুষ্টই হোক তাকে হ্যান্ডেল করার অনেক টেকনিক আছে!! আমাদের সাধারনের ধারনা অনুযায়ি স্কুল শিক্ষকদের সেই টেক্নিক ...
24/01/2026

শিশুরা যত বড় দুষ্টই হোক তাকে হ্যান্ডেল করার অনেক টেকনিক আছে!!

আমাদের সাধারনের ধারনা অনুযায়ি স্কুল শিক্ষকদের সেই টেক্নিক গুলো শেখাই থাকে,তারা বাচ্চা হ্যান্ডেলে একেকজন এক্সপার্ট বলেই আমরা বিশ্বাস করি!কিন্তু যতবার এমন চিত্র সামনে আসে ততবার আমরা বুঝতে পারি আমরা কতবড় ভুলের স্বর্গের বাস করি!!

বাচ্চা স্কুল থেকে ফেরার পর তার সাথে গল্প করুন তার স্কুল সম্পর্কে, ক্লাসে কি হলো, কোন টিচার কি বলেছে, কি কি পড়া দিয়েছে এবং সে কোনো দুষ্টুমি করেছে কিনা।দুষ্টুমি করেছে শুনলে বকবেন না মন খারাপ করে বলবেন এইটা তো খুউব একটা শেইমের ব্যাপার হলো। ক্লাসে কেউ একজন বারবার আপনার সন্তানকে বুলি করলে ব্যাবস্থা নিন।টিচার বুলি করলে সেটারও ব্যাবস্থা নিন।

আপনার সন্তানের একমাত্র আস্থার জায়গা আপনি, সেটা নষ্ট হতে দেবেন না।

Protect your child.

শুভ সকাল ললিজ!! ভাবতেসি দুই চাইরটা ক্রাইম কইরাই ফালাই 😍কিন্তু জেলের ভিত্রে প্রেম হইলো কেম্নে!!সেল না আলাদা হওয়ার কথা!!'ভ...
24/01/2026

শুভ সকাল ললিজ!!

ভাবতেসি দুই চাইরটা ক্রাইম কইরাই ফালাই 😍

কিন্তু জেলের ভিত্রে প্রেম হইলো কেম্নে!!সেল না আলাদা হওয়ার কথা!!

'ভারতের রাজস্থানে জেলবন্দি অবস্থায় শুরু হওয়া এক চাঞ্চল্যকর প্রেমের গল্প পরিণয়ে রূপ নিতে যাচ্ছে।

আদালতের বিশেষ অনুমতিতে শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) আলওয়ার জেলার বারোদামেভ এলাকায় বিয়ের পিঁড়িতে বসছেন হত্যামামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামি প্রিয়া শেঠ ওরফে নেহা শেঠ এবং হনুমান প্রসাদ।

রাজস্থান হাইকোর্ট এই যুগলকে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করার জন্য ১৫ দিনের জরুরি প্যারোল মঞ্জুর করেছে। প্রায় ছয় মাস আগে জয়পুরের সাঙ্গানের ওপেন জেলে বন্দি থাকাকালে তাদের পরিচয় হয় এবং সেই পরিচয়ই পরবর্তী সময়ে প্রণয়ে রূপ নেয়।

বিয়ের এই খবরে ভারতজুড়ে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে কারণ এই দম্পতির দুজনের অতীতই অত্যন্ত ভয়াবহ। কনে প্রিয়া শেঠ ২০১৮ সালে টিন্ডারের মাধ্যমে দুষ্যন্ত শর্মা নামের এক যুবককে প্রেমের ফাঁদে ফেলে অপহরণ এবং মুক্তিপণ না পেয়ে নির্মমভাবে হত্যার দায়ে দণ্ডিত।

আদালত তাদের মানবিক দিক বিবেচনায় প্যারোল দিলেও সাফ জানিয়ে দিয়েছে যে ১৫ দিনের মেয়াদ শেষ হওয়ামাত্রই তাদের আবারও নিজেদের সেলে ফিরে আসতে হবে। অপরাধের অন্ধকার জগৎ থেকে শুরু হওয়া এই বৈবাহিক সম্পর্ক শেষ পর্যন্ত কোন দিকে মোড় নেয়, এখন সেটিই দেখার বিষয়।"

"অস্কারে ৯৭ বছরের ইতিহাসে রেকর্ড ভাঙা ‘সিনার্স’ সিনেমায় কি আছে?বলা হতো ২০২৫ সালের যে সিনেমাটি নাকি হলিউড ধ্বংস করে দেবে-...
23/01/2026

"অস্কারে ৯৭ বছরের ইতিহাসে রেকর্ড ভাঙা ‘সিনার্স’ সিনেমায় কি আছে?

বলা হতো ২০২৫ সালের যে সিনেমাটি নাকি হলিউড ধ্বংস করে দেবে-শেষ পর্যন্ত সেটিই হয়ে উঠল বছরের সবচেয়ে আলোচিত ও প্রভাবশালী চলচ্চিত্র। সিনার্স সিনেমাটি জিম ক্রো যুগের দক্ষিণাঞ্চলের প্রেক্ষাপটে নির্মিত এক ভ্যাম্পায়ার হরর গল্প নিয়ে নির্মিত। যেখানে অধিকাংশ চরিত্রই কৃষ্ণাঙ্গ। আর সিনেমাটি ধারণ করা হয়েছে আইম্যাক্স সেভেন্টি এমএম ফরম্যাটে।

পরিচালক রায়ান কুগলার- যিনি ব্ল্যাক প্যান্থার ফ্র্যাঞ্চাইজির মাধ্যমে মার্ভেল এ নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ রেখেছেন। এই ছবিটি নিয়ে শুরু থেকেই সন্দেহের মুখে ছিলেন। শোনা যায়, মাত্র দুই মাসে লেখা একটি স্ক্রিপ্ট নিয়ে প্রায় একশ মিলিয়ন ডলারের বাজেটের সিনেমা বানানোয় অনেকে মনে করেছিলেন—এটি কুগলারের সাধ্যের বাইরে।

ইস্টার উইকএন্ড-এ মুক্তি পেয়ে ছবিটি যেন নিজেই এক ‘পুনরুত্থানের’ গল্প লিখে ফেলে। বিশ্বব্যাপী আয় করে তিনশ আটষট্টি মিলিয়ন ডলার, হয়ে ওঠে গত পনেরো বছরের মধ্যে সর্বাধিক আয় করা মৌলিক চলচ্চিত্র এবং সর্বকালের দশম সর্বোচ্চ আয় করা আর-রেটেড সিনেমা। টার্মিনেটর টু কিংবা দ্য হ্যাংওভার—এর চেয়েও বেশি আয় করে নেয় সিনার্স।

এমন এক সময়ে, যখন কৃষ্ণাঙ্গ ইতিহাস ও সংস্কৃতি আবারও রাজনৈতিক চাপের মুখে, সিনার্স নতুন করে আলোচনায় আনে ব্ল্যাক হিস্ট্রি, সাংস্কৃতিক মুছে ফেলা এবং বিনোদন শিল্পের ক্ষমতার রাজনীতি। ছবির ‘জুক জয়েন্ট’ দৃশ্য নিয়ে যেমন মিম তৈরি হয়েছে, তেমনি গভীর বিশ্লেষণও হয়েছে—এই স্থানগুলো আমেরিকান সঙ্গীতের ইতিহাসে কীভাবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে তা নিয়ে।

এই সাফল্যের পেছনে রয়েছে কুগলারের দীর্ঘ গবেষণা। যদিও স্ক্রিপ্ট লিখতে সময় লেগেছে মাত্র দুই মাস, কিন্তু এর পেছনে ছিল মিসিসিপি ডেল্টা-র লোককথা, দাসপ্রথা-পরবর্তী সংস্কৃতি এবং ব্লুজ সংগীত নিয়ে বছরের পর বছর ধরে করা অধ্যয়ন।

ছোটবেলায় তার প্রয়াত চাচা তাকে যে ব্লুজ রেকর্ডগুলোর সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন, সেখান থেকেই শুরু হয়েছিল এই যাত্রা। উনিশশো ত্রিশের দশকের ফটোগ্রাফি, নেটিভ আমেরিকান মিথ, এমনকি দক্ষিণাঞ্চলের চাইনিজ ইমিগ্র্যান্টদের ইতিহাস—সবই জায়গা পেয়েছে ছবিতে।

এই ইতিহাসের ভার সত্ত্বেও সিনার্স কখনোই তার মূল হরর-নির্ভর বেঁচে থাকার গল্প থেকে বিচ্যুত হয়নি। কস্টিউম ডিজাইনার রুথ ই কার্টার, সেট ডেকোরেটর মনিকে শ্যাম্পেন এবং প্রযোজক জিনজি কুগলার-এর সহায়তায় ছবির প্রতিটি স্তর হয়ে উঠেছে অর্থবহ।

অভিনয়ে বিশেষভাবে উজ্জ্বল হেইলি স্টেইনফেল্ড, ডেলরয় লিন্ডো ও ওয়ুনমি মোসাকু। মোসাকুর উপস্থিতি ভেঙে দিয়েছে হলিউড-এর প্রচলিত ধারণা—যে নায়িকারা কেবল তরুণ, রোগা ও ফর্সাই হতে হবে। অন্যদিকে মাইকেল বি জর্ডান তার ক্যারিয়ারের অন্যতম সেরা অভিনয় উপহার দিয়েছেন, দ্বৈত চরিত্রে এনে দিয়েছেন গভীরতা ও মানবিকতা।

প্রেক্ষাগৃহে হোক কিংবা এইচবিও ম্যাক্স-এ স্ট্রিমিংয়ের মাধ্যমে—সিনার্স মানুষকে কথা বলতে বাধ্য করেছে। সময়ের সংকট, ইতিহাসের দায় এবং সিনেমার ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে ভাবিয়েছে দর্শককে।

সব সংশয়, প্রশ্ন আর সমালোচনার পর রায়ান কুগলার এক কথায় নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন- আমি সিনেমায় বিশ্বাস করি। প্রেক্ষাগৃহে সিনেমা দেখার অভিজ্ঞতায় বিশ্বাস করি। এটি সমাজের একটি অপরিহার্য স্তম্ভ। দর্শকদের প্রতিক্রিয়া আমাকে নতুন করে অনুপ্রাণিত করেছে।'

শুভ সকাল ললিজ!! দাঁত সাম্লে!🤪🤪🤪©vallagenaa 🫰
23/01/2026

শুভ সকাল ললিজ!!

দাঁত সাম্লে!

🤪🤪🤪

©vallagenaa 🫰

শুভ সকাল ললিজ!!সকাল সকাল মনটা ভেংগে গেল!!আমার জান শাহরুখ খানকে এই চাপা ভাংগা তুর্কি নাচা মহিলা বলেছে আংকেল!!আংকেল!!আচ্ছা...
22/01/2026

শুভ সকাল ললিজ!!

সকাল সকাল মনটা ভেংগে গেল!!

আমার জান শাহরুখ খানকে এই চাপা ভাংগা তুর্কি নাচা মহিলা বলেছে আংকেল!!

আংকেল!!

আচ্ছা জগতে কি কেউ কেউ এমন থাকেন না যারা এজলেস বিউটি, যাদের অওরা (aura) যাদের ভাইব একটা আদার ওয়ার্ল্ডলি ফিলিংস দেয়!! শাহরুখ কি তেমনই নন!!বরং যত বয়স বারছে তত যেন তিনি আরও ছাড়িয়ে যাচ্ছেন নিজেকে, যেন একজন ম্যাজিক ম্যান!!

আরে তুর্কি চাপা ভাংগা বেডি তরেও আমরা চিনিনা!!

বি:দ্র: ইহা হয় একটি ফেইক নিউজ 😬😁

21/01/2026

সিরিয়াল লাভার!!

তবে উনার একটা জিনিস ভালো! এটলিস্ট রোস্টারশিপ করেননি!!

রোস্টারশিপ কি জানেন না!
একসাথে অনেকের সাথে রোমান্টিক বা ফিজিকাল সম্পর্ককে রোস্টারশিপ বলে!কি সুন্দর একটা নাম!

এই ললিজ!কেউ আবার নিজের গায়ে নিয়েন না যেন!!😬😬😬😬😬😬😬😬😬😬😬😬😬😬😬😬

© ডায়ামন্ড সিটি পেইজ 🫰

শুভ সকাল ললিজ!নেটিজেনরা যে কি!!এমন একটা মিম তারা কিভাবে বানালো!একদম যাতা!খুউব খারাপ লাগছে আমার!!নতুন একটি টেলিভিশন অনুষ্...
21/01/2026

শুভ সকাল ললিজ!

নেটিজেনরা যে কি!!এমন একটা মিম তারা কিভাবে বানালো!একদম যাতা!খুউব খারাপ লাগছে আমার!!

নতুন একটি টেলিভিশন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে পর্দায় ফিরছেন তিনি। এতে একজন উপস্থাপক হিসেবে দেখা যাবে তাকে। বেসরকারি একটি টেলিভিশনের একটি পারিবারিক গেম শো’র সিজন-২-এর উপস্থাপক হিসেবে দেখা যাবে তারকাকে আর সেটাকে এভাবে বানিয়ে দিয়েছে!!

এগুলো সহ্য হয়?!

শুভ সকাল ললিজ!!আমি প্রথমে ভেবেছি মেক ওভার ধুয়ে ফেলার কারনে হয়তো চিনতে পারেনি!কিন্তু ঘটনা আসলে তা না!!"বিয়ের আয়োজন, নতুন ...
20/01/2026

শুভ সকাল ললিজ!!

আমি প্রথমে ভেবেছি মেক ওভার ধুয়ে ফেলার কারনে হয়তো চিনতে পারেনি!কিন্তু ঘটনা আসলে তা না!!

"বিয়ের আয়োজন, নতুন জীবনের স্বপ্ন- সবই চলছিল স্বাভাবিকভাবে। কিন্তু বাসররাতে কনে মুখ ধোয়ার পর মুহূর্তেই বদলে যায় দৃশ্যপট। বর রায়হান কবির অভিযোগ করেন, যাকে বিয়ের আগে দেখানো হয়েছিল, বাসরঘরে বসে থাকা নববধূ সেই নারী নন, তিনি অন্য কেউ। এই অভিযোগকে কেন্দ্র করেই বিয়ের আনন্দ পরিণত হয় সন্দেহ, উত্তেজনা ও মামলার জটিলতায়।

‘কনে বদল’–এর এই অভিযোগ এখন ঠাকুরগাঁও জেলাজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রে। ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার ভান্ডার এলাকায় ঘটে যাওয়া এই ঘটনায় বিয়ের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিয়ে গড়িয়েছে আদালত শেষে কারাগার পর্যন্ত।

গত বছরের ১ আগস্ট জিয়ারুল হকের মেজো মেয়ের সঙ্গে একই জেলার পীরগঞ্জ উপজেলার চন্ডিপুর এলাকার মৃত ইব্রাহীমের ছেলে রায়হান কবিরের বিয়ে হয়। ওই রাতেই কনে বদলের অভিযোগ তোলে বর ও তার পরিবার। ঘটনাটি মীমাংসার জন্য একাধিকবার দুই পক্ষ আলোচনায় বসলেও কোনো সমাধান হয়নি। পরে গত বছরের ২৭ আগস্ট কনের বাবা জিয়ারুল হক রায়হান কবির ও তার দুলাভাই মানিক হাসানকে আসামি করে ঠাকুরগাঁও আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। এরপর ২ সেপ্টেম্বর রায়হান কবির কনের বাবা ও ঘটক মোতালেবকে আসামি করে পাল্টা মামলা করেন।

উভয়পক্ষের মামলার পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার (১৯ জানুয়ারি) আদালত রায়হান কবিরের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

বর রায়হান কবিরের মামা বাদল অভিযোগ করে সাংবাদিকদের বলেন, ঘটক মোতালেবের মাধ্যমে রায়হানের জন্য পাত্রী খোঁজা হচ্ছিল। জুলাই মাসের শেষের দিকে রাণীশংকৈলের শিবদিঘী এলাকার একটি চায়ের দোকানে ঘটক একটি মেয়েকে দেখান। মেয়েটিকে পাত্র ও উপস্থিত স্বজনদের পছন্দ হলে তা ঘটককে জানানো হয়। পরবর্তীতে মেয়েপক্ষের লোকজন ছেলেপক্ষের বাড়িতে এসে আত্মীয়তার প্রস্তাব দেয় এবং নতুন করে মেয়ে না দেখিয়েই বিয়ের আয়োজন সম্পন্ন করার অনুরোধ জানায়। তাদের দ্রুত বিয়ে সম্পন্ন করার তাগিদও ছিল বলে জানান তিনি।"

তথ্য - ঢাকা পোস্ট 🥰

বি: দ্র: মেলাদিন পর যেহেতু পেইজের রিচ বেশ ভালো তাই একে আর থামতে দেয়া উচিৎ হবেনা,তাইনা!!সাথে থাকুন ললিপপজ!

ভয়ংকর সিরিয়াল কিলার আটক সাভারে!!"সাভারের পৌর কমিউনিটি সেন্টারটি দিনের বেলায় যেমন নিরীহ, রাত নামলেই তেমনই হয়ে উঠত বিভীষ...
19/01/2026

ভয়ংকর সিরিয়াল কিলার আটক সাভারে!!

"সাভারের পৌর কমিউনিটি সেন্টারটি দিনের বেলায় যেমন নিরীহ, রাত নামলেই তেমনই হয়ে উঠত বিভীষিকার ঠিকানা। আলো-আঁধারির ভেতর সেখানে ঘুরে বেড়াত এক বিকৃত মানসিকতার মানুষ-যার চোখে ভিকটিমরা মানুষ ছিল না, ছিল শুধু শিকার। তার নাম মশিউর রহমান খান সম্রাট, পুলিশের খাতায় এখন পরিচিত ‘সাইকো সম্রাট’ নামে।

পরপর পাঁচটি লাশ উদ্ধারের ঘটনায় পুরো সাভার জুড়ে প্রথমে ছড়িয়ে পড়ে গুজব, সংশয় আর অবিশ্বাস। অনেকেই বিশ্বাস করতে চাননি-একই জায়গায় ধারাবাহিকভাবে হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে আর এসব হত্যাকাণ্ডের পিছনে সম্রাট জড়িত থাকতে পারে। ভবঘুরে মানুষদের মৃত্যু বলে ঘটনাগুলোকে হালকাভাবে নেওয়ার প্রবণতাও ছিল। কিন্তু পুলিশের চোখ এড়ায়নি একটি বিষয়-মৃত্যুগুলো ছিল অস্বাভাবিক, পরিকল্পিত এবং নৃশংস।

তদন্তের শুরুতেই পুলিশ বুঝতে পারে-এটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। এটি একটি সিরিয়াল প্যাটার্ন।
সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণে বেরিয়ে আসে ভয়ংকর সত্য। প্রতিটি ঘটনার আগে ও পরে একই ব্যক্তির উপস্থিতি, গভীর রাতে কমিউনিটি সেন্টারে ঢোকা, ভোরের আগে বেরিয়ে যাওয়া-সবকিছু মিলিয়ে একটাই নাম ঘুরে ফিরে আসে: মশিউর রহমান খান সম্রাট।

পুলিশ সূত্র জানায়, সম্রাট ছিল চরম বিকৃত মানসিকতার অধিকারী। সে ইচ্ছাকৃতভাবে ভবঘুরে নারী ও পুরুষদের টার্গেট করত। কারণ তারা সমাজের কাছে অদৃশ্য-নিখোঁজ হলেও কেউ খোঁজ নেয় না, মারা গেলেও কেউ দাবি করে না। এই সুযোগটাই ছিল তার অপরাধের সবচেয়ে বড় ঢাল।
তার বিকৃত মানসিকতার ভয়াবহতা সবচেয়ে স্পষ্ট হয়ে ওঠে তানিয়া ওরফে সোনিয়ার ঘটনায়।

শুক্রবার দিবাগত গভীর রাতে বাসায় ফেরার পথে দৈনিক মানবজমিনের সাংবাদিক সোহেল রানা কমিউনিটি সেন্টারের ভেতর থেকে এক নারীর চিৎকার শুনে সাহসিকতার সঙ্গে ভেতরে প্রবেশ করেন, তিনি দেখতে পান সেখানে একাধিক লোকজনের উপস্থিতি। পরবর্তীতে পুলিশসহ ভেতরে প্রবেশ করে দেখা যায় এক অটিস্টিক প্রতিবন্ধী নারী-তানিয়া ওরফে সোনিয়াকে। পাশে শুয়ে ছিলেন সম্রাট। জিজ্ঞাসাবাদে সোনিয়া জানায়, সম্রাট তার ভাই।

সেখানে থাকা পুলিশ কর্মকর্তারা বলছেন, ওই মুহূর্তে সম্রাট অত্যন্ত স্বাভাবিক আচরণ করছিল। যেন কিছুই ঘটেনি। তাকে ঘটনাস্থল থেকে সরে যেতে বললেও, সে সরে যায়নি। এই স্বাভাবিক মুখোশটাই ছিল তার সবচেয়ে ভয়ংকর দিক।

কিন্তু এর একদিন পর রোববার (১৮ জানুয়ারি) দুপুরে যখন কমিউনিটি সেন্টার থেকে উদ্ধার হওয়া দুটি লাশের পরিচয় প্রাথমিক শনাক্ত হয়, তখন সবাই স্তব্ধ। একটি লাশ ছিল সোনিয়ার।

যে নারী অটিজমের কারণে বাস্তবতা পুরোপুরি বুঝতে না পেরে “ভাই” সম্বোধন করে বাঁচতে চেয়েছিল, তাকেও নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। এই ঘটনাই স্পষ্ট করে দেয়-সম্রাটের কাছে কোনো সম্পর্কের মূল্য ছিল না। মানবিকতার শেষ চিহ্নটুকুও তার ভেতরে অবশিষ্ট ছিল না।

পুলিশের তদন্ত সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা বলেন,“সে শুধু মানুষ হত্যা করেনি, সে মানুষের বিশ্বাস, দুর্বলতা আর অসহায়ত্বকে ব্যবহার করেছে অস্ত্র হিসেবে।”

তদন্তে আরও জানা যায়, নিহতদের মধ্যে কেউ ছিলেন মানসিক ভারসাম্যহীন, কেউ প্রতিবন্ধী, কেউ দীর্ঘদিন পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন। তারা প্রত্যেকেই একসময় কারও সন্তান ছিল, কারও বোন, কারও ভাই। কিন্তু জীবনের কঠিন বাস্তবতায় তারা ছিটকে পড়েছিল ফুটপাথে।

একজন নারী ভিকটিম-যার পরিচয় আজও অজানা-কয়েক বছর আগে হয়তো স্বামী হারিয়ে রাস্তায় নেমেছিলেন। আরেকজন পুরুষ ভিকটিম হয়তো ছিলেন একসময় রিকশাচালক। অসুস্থতার পর কাজ হারিয়ে আশ্রয় নিয়েছিলেন ভবঘুরে জীবনে। এই মানুষগুলোর মৃত্যুতে কেউ চোখের পানি ফেলেনি-এই সুযোগটাই নিয়েছিল ‘সাইকো সম্রাট’।

রোববার দুপুরে দুটি লাশ উদ্ধারের পর সাভার মডেল থানা পুলিশের তৎপরতা ছিল চোখে পড়ার মতো। মাত্র দুই ঘণ্টার মধ্যে সিসিটিভি ফুটেজ, স্থানীয় ভিডিও, প্রত্যক্ষদর্শীর তথ্য ও পারিপার্শ্বিক আলামত বিশ্লেষণ করে সম্রাটকে গ্রেপ্তার করা হয়।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একাধিক টিম একযোগে কাজ করেছে। কেউ ফুটেজ বিশ্লেষণ করেছে, কেউ ভিকটিমদের গতিবিধি ট্র্যাক করেছে, কেউ আশপাশের মানুষের বক্তব্য সংগ্রহ করেছে। হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে থানা পুলিশের সঙ্গে যোগ দেয় ডিবি পুলিশ, সিআইডি, পিবিআই, র‍্যাব ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন ইউনিটে কর্মরত গোয়েন্দারা। সার্বক্ষণিক খোঁজ খবর রাখছিলেন ঢাকা জেলা পুলিশসহ পুলিশ সদর দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এই সমন্বিত তদন্তই দ্রুত গ্রেপ্তারের পথ তৈরি করে।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সম্রাট পরপর পাঁচটি হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করেছে বলে নিশ্চিত করেছেন তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। তবে পুলিশ আশঙ্কা করছে-সংখ্যাটি আরও বাড়তে পারে। তদন্ত এখনও চলমান।

প্রশ্ন উঠছে-এই সমাজে আর কত সোনিয়া হারিয়ে যাবে, আর কত ভবঘুরে মানুষ নিঃশব্দে খুন হবে, আর কতদিন আমরা অবহেলিতদের জীবনকে তুচ্ছ করে দেখব?

আজ সাভারের সেই কমিউনিটি সেন্টার শুধু একটি ভবন নয়। এটি একেকটি নিঃশব্দ আর্তনাদের সাক্ষী। আর ‘সাইকো সম্রাট’-সে শুধু একজন ঘাতক নয়, সে আমাদের সমাজের অদেখা ব্যর্থতার প্রতিচ্ছবি।

এ ব্যাপারে সাভার মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আরমান আলী মানবজমিনকে বলেন, “প্রাথমিক তদন্তে আমরা নিশ্চিত হয়েছি, এটি পরিকল্পিত সিরিয়াল হত্যাকাণ্ড। অভিযুক্ত সম্রাটের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। তাকে সোমবার আদালতে তোলা হবে। আমরা নিশ্চিত করতে চাই-আর কোনো ভিকটিম যেন অন্ধকারে হারিয়ে না যায়।”

তদন্ত এখনও চলমান। পুলিশ খতিয়ে দেখছে-এই পাঁচটি জীবনই কি শেষ সংখ্যা, নাকি অন্ধকারে চাপা পড়ে আছে আরও কিছু নিঃশব্দ আর্তনাদ।"

তথ্য: মানবজমিন।

এটা কেমন কথা!বছরও ঘুরলোনা তো! ইশ!!বিস্তারিত কমেন্টে!
10/01/2026

এটা কেমন কথা!বছরও ঘুরলোনা তো! ইশ!!

বিস্তারিত কমেন্টে!

এরই মাঝে সবাই এই খবর পড়ে আতংকিত! আর সেটাই স্বাভাবিক। এই ঘটনাকে একটি এলার্ম হিসেবে নিতে হবে এবং সচেতন হতে হবে।গৃসকর্মী নি...
09/12/2025

এরই মাঝে সবাই এই খবর পড়ে আতংকিত! আর সেটাই স্বাভাবিক।

এই ঘটনাকে একটি এলার্ম হিসেবে নিতে হবে এবং সচেতন হতে হবে।

গৃসকর্মী নিয়োগের সাথে সাথে তার এনআইডি কার্ডের কপি, তার ফোন নাম্বার ছবি সংগ্রহ করে সেইভ করে রাখুন, বিশ্বস্ত আপনজনদের কাছে দিয়ে রাখুন,বাড়িওয়ালার কাছে দিয়ে রাখুন।

ভাড়াটেদের ডিটেইলস যেমন থানায় দিতে হয় গৃসহকর্মীদের ডিটেইলস দেয়ারও একটা বাধ্যবাধকতা তৈরী করা উচিৎ, কিন্তু যতদিন তা হচ্ছে না ততদিন নিজেদের সচেতন এবং সাবধান থাকতে হবে।

বিপদ অসাবধানতা থেকেই আসে।

সচেতন হোন, নিরাপদে থাকুন।

"আম্মাকে বললাম, 'আম্মা, আমি যুদ্ধে যাচ্ছি।'আম্মা বললেন, 'যুদ্ধে যাবি, সে তো ভালো কথা; তোর আব্বাকেও বলে যা।'আব্বা সরকারি ...
05/12/2025

"আম্মাকে বললাম, 'আম্মা, আমি যুদ্ধে যাচ্ছি।'
আম্মা বললেন, 'যুদ্ধে যাবি, সে তো ভালো কথা; তোর আব্বাকেও বলে যা।'

আব্বা সরকারি চাকরিজীবী, বেশ গম্ভীর মানুষ। কাছে গিয়ে কাঁচুমাচু করে, ভয়েভয়ে বললাম, 'আব্বা, আমি যুদ্ধে যাচ্ছি…'

আব্বা আমার দিকে কয়েকক্ষণ তাকিয়ে থেকে মৃদু হেসে দিলেন। তারপর হাসিমুখেই বললেন, 'যা, তবে দেশটা স্বাধীন না করে ফিরিস না।'

—বীর মুক্তিযোদ্ধা আজম খান,
পপগুরু ও বাংলা ব্যান্ডের জনক।

২১ বছর বয়সে মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেন বাংলাদেশের পপ ও ব্যান্ড সংগীতের গুরু খ্যাত আজম খান।

ভারতের মেঘালয়ের প্রশিক্ষণ ক্যাম্পে কখনও বাটি, চামচ, কৌটা, ডিব্বায় টুংটাং সুর তুলে গানের তালে সহযোদ্ধাদের উজ্জীবিত করেছেন; কখনও অস্ত্র হাতে যোগ দিয়েছেন সাহসী গেরিলা অপারেশনে।"

Address

Dhaka

Telephone

+8801820555310

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Lollipopz posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Establishment

Send a message to Lollipopz:

Share