Apex Gameshop

Apex Gameshop Gaming page 100% reall

01/09/2023
🔰কম টাকায় বেশি ডায়মন্ড কিনুন বিশ্বাসের সাথে 🔰 🔥 শুধুমাত্র ইউআইডি কোড লাগবে 👈✴️210 diamond 💎—150Tk✴️645 diamond 💎—250TK...
28/05/2022

🔰কম টাকায় বেশি ডায়মন্ড কিনুন বিশ্বাসের সাথে 🔰

🔥 শুধুমাত্র ইউআইডি কোড লাগবে 👈
✴️210 diamond 💎—150Tk

✴️645 diamond 💎—250TK

✴️1080 diamond 💎—400 TK

✴️2200 diamond 💎—800 TK

✴️4450 diamond 💎—1400 TK

✴️5600 diamond 💎—2000 TK

🥰তাছাড়া রয়েছে আমাদের কাছে!

MONTHLY = 650 tk

WEEKLY = 155 tk

🕑 Delevary time : 2-5 মিনিট ⏱️

🔰কম টাকায় বেশি ডায়মন্ড কিনুন বিশ্বাসের সাথে 🔰 💝 আপনাদের সেবা আর নিরাপত্তা দেওয়াই আমাদের মূল লক্ষ্য 💝🔥 শুধুমাত্র আইডি ক...
27/05/2022

🔰কম টাকায় বেশি ডায়মন্ড কিনুন বিশ্বাসের সাথে 🔰
💝 আপনাদের সেবা আর নিরাপত্তা দেওয়াই আমাদের মূল লক্ষ্য 💝

🔥 শুধুমাত্র আইডি কোড
✴️210 diamond 💎—150Tk

✴️645 diamond 💎—250TK

✴️1080 diamond 💎—400 TK

✴️2200 diamond 💎—800 TK

✴️4450 diamond 💎—1400 TK

✴️5600 diamond 💎—2000 TK

🥰তাছাড়া রয়েছে আমাদের কাছে!

MONTHLY = 650
WEEKLY = 155

👉 Delivery time instant 🤘
🕑 Delevary time : 2-5 মিনিট ⏱️

25/04/2020

👉আপনার টাইমলাইনে শেয়ার দিয়ে রাখার অনুরোধ
⭕সময়োপযোগী শিক্ষনীয় বিষয়ে আপডেট হচ্ছে

https://www.facebook.com/islamandromjan/

Promo free fire shop ����

কিছু টিপস যা অাপনার দিনকে অারো সুন্দর করবে--- ১। মাথাব্যথা হলে প্রচুর মাছ খান।মাছের তেল মাথাব্যথা প্রতিরোধে দারুণকার্যক...
24/04/2020

কিছু টিপস যা অাপনার দিনকে অারো সুন্দর করবে---
 ১। মাথাব্যথা হলে প্রচুর মাছ খান।
মাছের তেল মাথাব্যথা প্রতিরোধে দারুণ
কার্যকর। খেতে পারেন আদা। প্রদাহ এবং
ব্যথা নিরাময়ে তা বিশেষভাবে কার্যকর।
 ২। জ্বর হলে খেতে পারেন ইয়োগার্ট।
মধুও খেতে পারেন।
 ৩। স্ট্রোক প্রতিরোধ চা খান।
বিভিন্ন সমীক্ষায় দেখা গেছে নিয়মিত
চা খেলে ধমনীর গাত্রে ফ্যাট জমতে
পারে না। ফলে ঝুঁকি কমে আসে অনেকখানি।
 ৪। অনিদ্রার সমস্যায় মধু কার্যকর।
 ৫। হাঁপানিতে পেঁয়াজ খান।
শ্বাসনালীর সংকোচন রোধে তা
ইতিবাচক ভূমিকা রাখে।
 ৬। পেটের পীড়ায় খেতে পারেন
কলা, আদা। আদা মর্নিং সিকনেস এবং
বমি বমিভাব দূর করে।
 ৭। ঠান্ডা লাগলে রসুন খান।
 ৮। স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধে
গমজাত খাদ্য, বাঁধাকপি কার্যকর।
 ৯। আলসারের সমস্যায় বাঁধাকপি
বিশেষভাবে উপযোগী। এতে থাকা
খাদ্যোপাদান গ্যাস্ট্রিক এবং
ডিওডেনাল আলসার হিল করতে সাহায্য করে।
 ১০। নানাগুণের অধিকারী মধু।
অসাড়তা, গলাব্যথা, মানসিক চাপ,
রক্তস্বল্পতা, অস্টিও পোরেসিস,
মাইগ্রেনসহ নানা শারীরিক সমস্যায় মধু
বিশেষভাবে কার্যকর।
 ১১। কাঁচা দুধে তুলা ভিজিয়ে ঠোটে
ঘষুন ,কালো দাগ তো উঠবেই সাথে ঠোটে
গোলাপী ভাব আসবে ।
 ১২। কনুইয়ের কালো দাগ দূর করতে
লেবুর খোসায় চিনি দিয়ে ভালো করে
ঘষুন ।চলে যাবে ।
 ১৩। ব্রনের উপর রসুনের কোঁয়া ঘষে
নিন ,তাড়াতাড়ি মিলিয়ে যাবে ।
 ১৪। পেডিকিউর মেনিকিউর আপনার
কাছে ঝামেলা লাগে ?আরে আমি আছি
না ?আজ থেকে যখনই আপেল খাবেন তখনই
আপেলের খোসাটা হাত পায়ে ঢলে নিন ।
ফর্সা হবে পরিস্কার হবে
 ১৫। পায়ের গোড়ালী ফাটলে ,
পেয়াজ বেটে প্রলেপ দিন । ক্রীম কিংবা
স্ক্রাব এর ঝামেলায় যেতে হবে না ।
 ১৬। প্রতিদিন টুথপেষ্ট দিয়ে দাত
মাজেন কুলি করেন তবুও মুখে দুর্গন্ধ সৃষ্টি
হয় ? ব্যাপার না , নিঃশ্বাসের দুর্গন্ধ
থেকে মুক্তি পেতে টানা দুইমাস
নিয়মিত দুই কোঁয়া করে কমলালেবু খান ।
__________________________________________
এ ধরণের আরো অনেক ধরণের গুজব বা কুসংস্কার
আমাদের সমাজে প্রচলিত, যেগুলোর কোনো ভিত্তি বা
বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা নেই।
__________________________________________
বিঃদ্রঃ আমাদের পোষ্টগুলো যদি আপনাদের ভাল
লাগে তাহলে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন। আপনার
যদি লিখতে কষ্ট হয় তাহলে সংক্ষেপে
T=Thanks
G=Good,
V=Very Good
E=Excellent
T, G, V কিংবা E লিখে কমেন্টস করবেন।
নিয়মিত স্বাস্থ্যতথ্য পেতে অামাদের পেইজে লাইক
দিন৷ ভালো লাগলে শেয়ার করে অন্যদের জানান৷

👉রমজানের খাবার কেমন হবে🔴রমজানের রোজা ইসলামের ৫টি স্তম্ভের মধ্যে অন্যতম একটি। রমজান মাসে এবাদতের সওয়াব অনেক অনেক বেশী। রম...
24/04/2020

👉রমজানের খাবার কেমন হবে🔴

রমজানের রোজা ইসলামের ৫টি স্তম্ভের মধ্যে অন্যতম একটি। রমজান মাসে এবাদতের সওয়াব অনেক অনেক বেশী। রমজানের রোজা আমাদেরকে সংযম শিক্ষা দেয়। এ মাসে খাবারের ব্যাপারে সংযম পালন করে সঠিক খাবারটি সঠিক সময় খেয়ে বেশি বেশি ইবাদত করার জন্য শরীর সুস্থ রাখা অতীব জরুরি।

রমজান মাসে রোজার সময় সুবহে সাদিক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত সবরকমের পানাহার থেকে মুক্ত থাকতে হয়। সাথে সাথে সবধরনের অশ্লিল, খারাপ কাজ ও কথাবার্তা থেকে বিরত থাকাটাও রমজানের রোজার শিক্ষার অন্তর্ভূক্ত। এবারের রোজা পড়েছে গ্রীষ্মকালে এবং দীর্ঘকালীন সময় ধরে প্রায় ১৪-১৫ ঘণ্টা পানাহার না করে থাকতে হবে। তাই খাবার দাবারের ব্যাপারে একটু বেশি সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।

কারণ খেয়াল রাখতে হবে অসুস্থ হয়ে পড়লে এবাদত করতে কষ্ট হবে। রোজার মাসে খাবার দাবারের ব্যাপারে বিশেষ কোন বিধি নিষেধ আরোপ করা হয়নি। খাদ্যের ব্যাপারে কোরআন হাদিসে যে সব সাধারণ বিধি নিষেধ আরোপ করা আছে এখানেও সেটাই প্রযোজ্য। একজন মানুষ যে ধরনের খাবারে অভ্যস্ত সে ধরনের খাবারও এখানে খাবেন। তবে যেহেতু রমজান সংযমের মাস এবং খারাপ কাজ থেকে বিরত থাকার মাস, সেহেতু যেসব খাদ্য শরীরের জন্য ক্ষতিকর এধরনের খাদ্য না খাওয়ার প্র্যাকটিস এই মাসেই শুরু করা উচিত। সুষম খাদ্য খাওয়ার অভ্যাস এ মাসেই করা উচিত। এটা রমযান মাসের জন্যও ভাল এবং পরবর্তী মাসগুলোতে সুস্থ থাকার জন্যও ভাল।

রমজানে কি ধরনের খাবার খাওয়া উচিতঃ ১.টাটকা শাক-সবজি- যার মধ্যে থাকে প্রচুর পরিমাণ আঁশ, ভিটামিন এবং খনিজ পদার্থ। শিম জাতীয় খাদ্য যেমন- সীম, মটরশুটি, ডাল প্রভৃতি। বাদাম সব সময়ের জন্যই উপকারী। ২.তাজা ফল ও ফলের রস। ৩.আমিষের জন্য মাছ, মাংস, কম চর্বি যুক্ত দুধ ও দুগ্ধ জাতীয় খাদ্য। মাছ, মাংস বেশি ভাজি করে না খাওয়া ভাল। ফ্রাই করার চেয়ে বেকিং বা গ্রীল করে খাওয়া ভাল। ডিম প্রতিদিন একটি করে খাওয়া যেতে পারে। ৪.শষ্যদানার মধ্যে উত্তম হল লাল আটার রুটি, লাল চালের ভাত এবং আলু।

যেসব খাদ্য পরিহার করা উচিতঃ ভাজাপোড়া খাদ্য সেটা মাংস হোক আর অন্য কিছু হোক রোজা রেখে না খাওয়া ভালো। কলিজা, মগজ, মুরগীর চামড়া খাদ্য তালিকা থেকে বাদ থাকবে। অতিরিক্ত চর্বি যুক্ত যেকোন খাদ্য এ সময়ে চলবে না। আইসক্রীম, পেস্ট্রি, বেশি বেশি মিষ্টি খাওয়া চলবে না। নারকেলে ক্ষতিকর চর্বি জাতীয় তেল বেশি থাকে বলে না খাওয়া ভাল।

রমজানে দীর্ঘ উপবাসের পর ইফতার দিয়ে খাওয়া শুরু হয়ে সেহরী পর্যন্ত খাবার-দাবার চলে। এসময় অতিভোজনের ব্যাপারে সজাগ থাকতে হবে। মনে রাখা ভাল রমজান ইবাদতের মাস, আল্লাহর সান্নিধ্যে আসার মাস। তাই এসময় সুস্থ সতেজ থাকাটা অবশ্যই বাঞ্চণীয়। রমজান মাসকে যেন আমরা খাদ্য উৎসবের মাসে পরিণত না করি। খেজুর দিয়ে ইফতার শুরু করা ভাল, প্রতিদিন ২-৩টি খাওয়া যেতেই পারে। খেজুরের অনেক উপকারিতা আছে। দীর্ঘ উপবাসের পর খেজুর শরীরে দ্রুত শক্তি যোগান দেয়। খেজুর সহজ পচ্য-বেশী আঁশ থাকার কারণে পায়খানা পরিস্কার হয়। খেজুর ভিটামিন ও খনিজ লবণ সমৃদ্ধ। খেজুর খেলে অতিরিক্ত খাওয়ার প্রবণতা কমিয়ে দিয়ে অতি ভোজন থেকে রক্ষা করে। সাথে সাথে সরবত যেমন চিনি-লবন-লেবুর সরবত, ইসুপগুলের ভুষির সরবত এবং তাজা ফলের রস খাওয়া খুবই ভাল। দুধ ও ফল দিয়ে বানানো পানীয় যেমন- ব্যানানা শেক, ম্যাংগো শেক ইত্যাদিও রোজা ভাঙ্গার পর শক্তির উৎস হিসেবে ভাল কাজ করে। তারপর সবজী বা চিকেন স্যুপ খাওয়া যেতে পারে। স্বাস্থ্য-সম্মত ভাবে রান্না করা হালিম খাওয়া যেতে পারে। অনেকের ইফতার করার সময় চিড়া-দই-কলা খাওয়ার অভ্যাস আছে। সেটাও চলে। অনেকে কাঁচা বুট খান সেটাও ভাল। আমাদের দেশে বুট, মুড়ি, পিয়াজু এবং বেগুনী ইফতারের একটা অপরিহার্য অংশ। এটা যেন না হলেই চলে না। তবে এব্যাপারে পরিমিত হওয়া ভাল। সব কিছুই স্বাস্থ্য সম্মত ভাবে তৈরী হওয়া উচিত। বুট বা ছোলায় ভিটামিন, খনিজ লবণ ও উচ্চ মানের প্রোটিন থাকে। জিলাপির ব্যাপারে সতর্কতা অবলম্বন করা ভাল। বিশেষ করে পরিমাণের ব্যাপারে, বিশেষ করে যাদের ডায়াবেটিস আছে বা শরীরের ওজন বেশি। কি তেল দিয়ে ভাজা হচ্ছে সেটাও দেখার বিষয়। মোটকথা অতিরিক্ত ভাজা পোড়া এবং বেশি মিষ্টি জাতীয় খাদ্য ইফতারের সময় পরিহার করা উচিত।

সেহরীর সময় জটিল, শর্করা জাতীয় আঁশ সমৃদ্ধ খাদ্য খাওয়া উচিত। এধরনের খাদ্য ধীরে ধীরে হজম হওয়ার কারণে দীর্ঘ সময় পর্যন্ত শরীরে শক্তি যোগান দেয়। এসময়ে লাল আটার রুটি, ভাত মুল খাদ্য হিসেবে খাওয়া যেতে পারে। সাথে শাক-সবজী, ফল-মূল আঁশযুক্ত খাদ্যের বাড়তি যোগান দেবে। সেহরীর সময় মিষ্টি না খাওয়া ভাল। তাতে খিদে বেড়ে যেতে পারে। বেশী লবণ যুক্ত খাদ্য খেলে পানির পিপাসা বেড়ে যায় বলে রোজা রাখতে কষ্ট হবে। চা-কফি পান করলে প্রস্রাবের পরিমাণ বেড়ে গিয়ে পানি শূণ্যতা দেখা দিতে পারে। বরং সেহরীর সময় তাজা ফলের রস খাওয়া যেতে পারে। সেহরীর সময় তাড়াহুড়া করে বেশী পানি পান না করা ভাল। বরং ইফতার ও সেহরীর মধ্যবর্তীকালীন সময়ে পানি বেশি পান করা শ্রেয়।

তারাবির পর এবং শুইতে যাওয়ার আগে কিছু খাওয়া ভাল। তবে এটা নির্ভর করে পূর্ববর্তী ইফতারের ধরণের উপর। ভারি ইফতার খেয়ে থাকলে এসময়ে হালকা খাবার খাওয়াই ভাল। অনেকে ইফতার কম খেয়ে তারাবির পর বেশি খাবার খেয়ে থাকেন। আবার এই মধ্যবর্তী সময়ে কিছু না খেয়ে সেহরীর সময় ভূড়ি ভোজন করাও ঠিক নয়। এই মধ্যবর্তী সময়কার খাবার-দাবার সেহরীর মতই হবে। যথা জটিল শর্করা জাতীয় খাদ্য, আঁশযুক্ত খাদ্য এবং আমীষ সমৃদ্ধ খাদ্য। সাথে তাজা ফল-মূল, তাজা শাক-সবজিও থাকবে। এই সময় বেশি পানি পান করা যেতে পারে। ডায়াবেটিস, কিডনী রোগ ইত্যাদি বিশেষ বিশেষ অসুখে খাবার-দাবারের ব্যাপারে অভিজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।

উপসংহার: রমজান মাস শ্রেষ্ঠ রহমতের মাস। সংযম পালনও সংযম শিক্ষার মাস। এ মাস যেন খাদ্য উৎসবের মাসে পরিণত না হয়। সুষম খাদ্য খেয়ে পরিমিত ভোজন করে শরীরকে সুস্থ-সবল রেখে বেশি বেশি ইবাদত করতে পারাই হবে উত্তম কাজ।

লেখক: অধ্যাপক, মেডিসিন বিভাগ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা।

24/04/2020
24/04/2020

আপ্নাদের অনুরোধ করি আমরা এখন ৬৮ জনের পরিবার।
পেইজ থেকে সামান্য উপকার পেয়ে থাকলে আপনার প্রিয় ৫ জন ফ্রেন্ডস ইনভাইট করুন।
প্লিজ👋প্লিজ👈

24/04/2020

🙏প্রার্থনা করি
যারা যাকে ভালোবাসে
তাকেই যেন পায় !
কেন না অসমাপ্ত ভালোবাসা
সত্যি খুব কাদায়💓

Address

Ho
Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Apex Gameshop posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category