12/10/2020
অনেকেই জানতে চায়, বান মারা এটা কি ও কেমন...
দেখুন ভালো করে ....
একটি কবরস্থান থেকে উদ্ধার করা হয় একটি পুতুল!! এটিকে একজন বিশেষ মানুষের জামা,চুল,নখ প্রভৃতি দিয়ে একদমই একজন মানুষের মত করে দাফন করে দেয়া হয় একটি কবরের উপরে। যাকে কালো যাদুর বান বলে।
যার ফলে যার নামে বান মারা হয়েছে ওই জীবন্ত মানুষটি এর প্রভাবে আস্তে আস্তে শেষ হয়ে মারা যাবে। #নাউজুবিল্লা
নবীজি বলেছেন:- যারা অন্যের ক্ষতির জন্য এমন কাজ করে, তারা ঈমান নিয়ে মরতে পারবেনা।
কিভাবে যাচাই করবেন আসলেই আপনি যাদুগ্রস্থ কিনা তাদের জন্য এই পোস্ট উপকারী হবে, নিচের লক্ষণগুলো মিলিয়ে দেখুন আপনার সাথে কতগুলো লক্ষণ মিলেঃ
১। চোখের অবস্থা অস্বাভাবিক বা অসুন্দর লাগা।
২। কোন কারণ ছাড়াই শরীর গরম থাকা।
৩। ব্যাকপেইন। বিশেষত মেরুদণ্ডের নিচের দিকে ব্যথা করা।
৪। (মহিলাদের ক্ষেত্রে) অনিয়মিত মাসিক (পুরুষদের ক্ষেত্রে) প্রস্রাবে ইনফেকশন এর সমস্যা।
৫। প্রায়সময় পেট ব্যথা থাকা।
৬। দীর্ঘদিন চিকিৎসা করেও কোন রোগ ভালো না হওয়া।
৭। তীব্র মাথা ব্যথা, ঔষধ খেয়েও তেমন লাভ হয়না।
৮। হঠাৎ করে কারো প্রতি তীব্র ঘৃণা বা তীব্র ভালোলাগা অনুভব হওয়া।
৯। পরিবার, বাসা, সমাজের প্রতি তীব্র বিতৃষ্ণা থাকা।
১০। বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত খুব অস্বস্তিতে ভুগা অথবা মেজাজ খারাপ থাকা।
১১। কোন কারণ ছাড়াই বাড়ি থেকে দৌড় দিয়ে বের হয়ে যেতে ইচ্ছা হওয়া।
১২। শরীরের বিভিন্ন জয়েন্টে অতিরিক্ত ব্যথা হওয়া।
১৩। ঠিকমত ঘুমাতে না পারা। ঘুমালেও ভয়ংকর স্বপ্ন দেখা।
১৪। স্বপ্নে কোনো গাড়ি বা প্রাণিকে আক্রমণ করতে বা ধাওয়া করতে দেখা (যেমনঃ কুকুর, বিড়াল, গরু, মহিষ, বাঘ, সিংহ, সাপ)।
১৫। স্বপ্নে কোন ফাঁকা বাড়ি, মরুভূমি বা গোরস্থানে হাঁটাচলা করতে দেখা।
১৬। স্বপ্নে বিভিন্ন যায়গায় পানি দেখা (যেমন সাগর, নদী, পুকুর, ইত্যাদি)।
১৭। স্বপ্নে ঘনঘন কোথাও আগুন জ্বলতে বা কিছু পোড়াতে দেখা।
১৮। স্বপ্নে নিজেকে উড়তে দেখা বা কোন পাখি অথবা বড়বড় গাছ দেখা।
এসব লক্ষণ যদি মিলে যায় তাহলে ভেবে নিবেন আপনি যাদুগ্রস্ত।
হাত 🤲এমন ভাবে করে- শুরা ইখলাস,সূরা নাস,সূরা ফালাক এইভাবে এক সাথে ৩ বার পরে হাতে ফু দিয়ে সারা শরীরে মুছে দিলে সমস্ত প্রকার জাদু,বান,জ্বীনের দৃষ্টি থেকে আল্লাহ বাচিয়ে রাখবেন ইনশা আল্লাহ❤
যখন হযরত মুহাম্মাদ (স) বান মারা হয়েছিল তখন এই ৩ টি সূরা নাজিল হয় এবং এইভাবে পড়ার ফলে তিনি বান থেকে মুক্তি পান😊সুবানহান আল্লাহ
একদিন নবীজী জাদুর প্রভাবে মাঝে মাঝে দিশেহারা হয়ে পড়তে লাগলেন এবং যে কাজটি করেননি তাও করেছেন বলে অনুভব করতে লাগলেন। প্রায় ছ‘মাস এই অবস্থায় কাটল। এ সময় পর্যন্ত জিব্রাইল তার কাছে কোন ওহী নিয়ে আগমন করেনি।
একদিন নবী স্বপ্নে দেখলেন দু‘ব্যক্তি তার কাছে এল। তাদের একজন তার শিয়রে বসল ও অন্যজন পায়ের কাছে। শিয়রে উপবিষ্ট ব্যক্তি অন্যজনকে বলল, ‘তার অসুখটা কি?’
সে বলল, ‘ইনি জাদুগ্রস্থ।’
প্রথম ব্যক্তি বলল, ‘কে জাদু করল?’
সে বলল, ‘ইহুদিদের মিত্র লবীদ ইবনে আ‘সামের পরিবার।’
প্রথম ব্যক্তি বলল, ‘কি বস্তুতে জাদু করেছে?’
সে বলল, ‘একটি চিরুণীতে।’
প্রথম ব্যক্তি বলল, ‘চিরুণীটি কোথায়?’
সে বলল, ‘খেজুর ফলের আবরণীতে ‘বির যরওয়ান’ কূপে (Well of Dharwan)।’
পরদিন নবীজী লোক পাঠিয়ে কূপ থেকে সেটি উদ্ধার করে আনালেন। অতঃপর যখন তার গ্রন্থিগুলো খুলে দেয়া হল তিনি সুস্থ্য হলেন। এর পরপরই ফালাক ও নাস সূরাদ্বয় অবতীর্ণ হয়-
বল, আমি আশ্রয় গ্রহণ করেছি প্রভাতের পালনকর্তার, তিনি যা সৃষ্টি করেছেন তার অনিষ্ট থেকে। অন্ধকার রাত্রির অনিষ্ট থেকে যখন তা সমাগত হয়, গ্রন্থিতে ফুঁৎকার দিয়ে জাদুকারিণীদের অনিষ্ট থেকে এবং হিংসুকের অনিষ্ট থেকে যখন সে হিংসা করে।-(১১৩:১-৫)
বল, আমি আশ্রয় গ্রহণ করেছি মানুষের পালনকর্তার, মানুষের অধিপতির, মানুষের মা‘বুদের কাছে তার অনিষ্ট থেকে, যে কূ-মন্ত্রণা দেয় মানুষের অন্তরে জ্বিনের মধ্যে থেকে অথবা মানুষের মধ্যে থেকে।-(১১৪:১-৬)