14/05/2026
বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সিং দুনিয়ায় একটা ইন্টারেস্টিং ঘটনা ঘটেছে।
আমার খুব পরিচিত একজন প্রায় তেরো বছর ধরে এক বিদেশি ক্লায়েন্টের সাথে কাজ করে। এত বছরের relationship, trust, নিয়মিত কাজ। মাসে অনেক ডলারের লেনদেন।
কিছুদিন আগে বড় ঝামেলা হলো।
লোকটা বিভিন্ন সোশ্যাল লিংক আর লিড পাঠাইছিল। সবগুলোই real, absolutely legitimate।
কিন্তু ক্লায়েন্ট বলতেছে, “আমার AI software check করে বলতেছে ৬০০টার মধ্যে ৪০০টা ঠিক আছে, ২০০টা valid না।”
সবচেয়ে interesting ব্যাপার হলো —এই software আবার কোনো কোম্পানির না।
বিদেশি ক্লায়েন্ট নিজেই coding (ভাইব সম্ভবত) করে AI-based verification system বানিয়েছে! মানে এখন ক্লায়েন্ট শুধু service buyer না, সে নিজেই developer, নিজেই AI tool বানাচ্ছে, নিজেই worker verify করছে।
অথচ ওই ভাই বারবার বলতেছে, “সবগুলো real। আমি fake দেই নাই।”
কিন্তু ক্লায়েন্টের একটাই কথা: “AI report-এর বাইরে আমি কিছু বিশ্বাস করব না।”
এই কথাটা অনেক গভীর।
তেরো বছরের relationship, trust, reputation একদিকে। আরেকদিকে একটা self-made AI system.
আগে ক্লায়েন্ট বলতো, “আমি এই লোককে চিনি।”
এখন বলতেছে, “Software কী বলছে?”
শেষ পর্যন্ত কথা কাটাকাটি ও আপাতত সম্পর্ক শেষ!
পৃথিবী খুব দ্রুত বদলাচ্ছে।
আজকে AI শুধু কাজ করছে না, AI এখন মানুষের credibility judge করাও শুরু করেছে। সবচেয়ে ভয়ের ব্যাপার হলো, আগে বিদেশি ক্লায়েন্ট শুধু কাজ outsource করতো। এখন তারা নিজেরাই AI tool বানিয়ে worker monitor করছে, verify করছে, decision নিচ্ছে।
বাংলাদেশের জন্য এটা বড় একটা signal।
কারণ আমাদের অনেকের advantage ছিল: cheap labor + long-term relationship.
কিন্তু AI relationship-এর জায়গায় data আর verification বসিয়ে দিচ্ছে।
ভবিষ্যতে হয়তো শুধু skill থাকলেই হবে না। প্রমাণও দিতে হবে যে আপনার কাজ “system-approved”.
যদিও সিস্টেম নিজেই ভুল করতেছে। 🙄