22/03/2026
বাংলাদেশের হাজার হাজার মেয়ের বিদেশে থাকা ছেলের সাথে বিয়ে হয়। এসব ছেলে বিয়ের জন্য এসে ১৫-৩০ দিন থাকে এরপর বিয়ে করে চলে যায়।
আবার ২-৩ বছর পর আসে,কেউ কেউ ৫-৬ বছর পর আসে। বিদেশ চলে যাওয়ার সময় এরা বউয়ের পেটে একটা বাচ্চা দিয়ে যায়,৫ বছর পর এসে আরেকটা বাচ্চা দিয়ে যায়।
দেখা যায় বিয়ের ১০ বছরে এসব মেয়ে সব মিলিয়ে স্বামীকে ১ বছর ও কাছে পায় না। মেয়েগুলো শশুর বাড়িতে জাস্ট কাজের মহিলার মতো থাকে।
একটা কাজের মহিলার সাথে আদৌ এদের জীবনের কোনো পার্থক্য নেই। সারাদিন কলুর বলদের মতো সংসারের কাজ, আর রাত হলে স্বামীর সাথে কথা বলাই এদের জীবন!!
বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই স্বামী বিদেশ থাকলে শশুরবাড়ির লোকেরা অনেক খারাপ আচরণ করে। আর শশুর বাড়ির মানুষ বেশি খারাপ হলে তো শারীরিক মানসিক নির্যাতন আছেই।
স্বামীরা আবার এসব কথা শুনতে চান না। তোরে বিয়া করছি,ভাত কাপড় দিতেছি ব্যাস আর কি লাগে?
সত্যি এটাকি জীবন?? এভাবেও সারাজীবন বেচে থাকা যায়? আমার প্রশ্ন হলো সবকিছু জেনেও এরকম ছেলেদের কাছে বাবা মায়েরা কেন মেয়েদের বিয়ে দেয়?
এসব মেয়ে কি বেশিরভাগই অল্প পড়াশোনা করা গরিব ঘরের মেয়ে? জাস্ট মেয়েকে একজনের ঘাড়ের ওপর দিতে পারলেই বাবা মায়েরা বেঁচে যান।
নিজেরা ভাত কাপড় দিতে পারছেন না,আরেকজনের কাছে দিলে ভাত কাপড় পাবে এজন্যই বিয়ে দেন!! এর নাম কি আসলেই বিয়ে??
স্বামী স্ত্রী যদি বছরের পর বছর এভাবে দুজন দুজায়গায় থাকে এটা বিয়ে হয় কিভাবে?
এটা জাস্ট একজনের ঘরে বান্ধা বুয়া হয়ে থাকা।
বিনিময়ে ভাত কাপড় পাওয়া। সমাজ কে দেখানো যে এই মেয়েটা অবিবাহিত না,তার বিয়ে হয়েছে এই যা!
এর থেকে রিকশাওয়ালার বউরা ভাগ্যবতী। রিকশাওয়ালারা সারাদিন রিকশা চালিয়ে বাসায় এসে বউ বাচ্চার মুখ দেখে। বউ বাচ্চাও ঐ রিকশাওয়ালাকে কাছে পায়।
এখানে যারা অবিবাহিত মেয়ে আছেন তাদের কে বলবো প্লিজ এরকম বিয়ে করবেন না। পড়াশোনা করুন, দেশে ছোট চাকরি করলেও দেশে থাকা ছেলে বিয়ে করুন।
প্রয়োজনে নিজেও পরিপূর্ণ পর্দার সহিত কিছু করুন। অল্প খান তাও স্বামী স্ত্রী একসাথে থাকুন।
মেয়েদের বিভিন্ন গ্রুপে স্বামী বিদেশ থাকা অনেক আপুর পোস্ট দেখলে সত্যি উনাদের জন্য খুব কস্ট লাগে। (যারা স্বামী সহ বিদেশ থাকেন তাদের কথা আলাদা)।
স্বামী ছাড়া শুধু শশুর বাড়ি থাকার জন্য বিয়ে করবেন না' যেখানে ছোটরাও আপনাকে অপমান করতে পিছপা হবে না। আর স্বামী কে কিছু বললে আপনি হবেন খারাপ স্ত্রী।