Pathway With Patwary

Pathway With Patwary Trying to explore every corner of Bangladesh from Heritage to Natural gems.

সন্তোষ জমিদার বাড়ির মন্দির,টাঙ্গাইলবর্তমানে বাড়িটি মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অংশ।টাঙ্গাইলের অনে...
08/08/2026

সন্তোষ জমিদার বাড়ির মন্দির,টাঙ্গাইল

বর্তমানে বাড়িটি মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অংশ।টাঙ্গাইলের অনেক জায়গায় বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম সন্তোষপুর বিশ্ববিদ্যালয় নামে চিনে।মন্দিরটিকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন রক্ষনাবেক্ষন করছে।

02/08/2026

রামগোপাল চাকি জমিদার বাড়ি,পাবনা

22/07/2026

নাগরপুর চৌধুরী বাড়ি,টাঙ্গাইল

18/07/2026

পাবনা জেলার সুজানগর উপজেলার তাঁতীবন্দ গ্রামে অবস্থিত তাঁতীবন্দ জমিদার বাড়ি, যা স্থানীয়ভাবে বিজয় বাবুর জমিদার বাড়ি নামে অধিক পরিচিত, বাংলাদেশের অন্যতম প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী জমিদারবাড়িগুলোর একটি। আনুমানিক অষ্টাদশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে তৎকালীন নাটোর কালেক্টরেটের সেরেস্তাদার উপেন্দ্র নারায়ণ চৌধুরী এই জমিদার বংশের ভিত্তি স্থাপন করেন। পরবর্তীতে তাঁর বংশধর গুরু গোবিন্দ চৌধুরীর পুত্র জমিদার বিজয় গোবিন্দ চৌধুরীর শাসনামলে এই জমিদারির প্রভাব, প্রতিপত্তি ও সমৃদ্ধি সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছে। তাঁর উদ্যোগেই প্রায় শতাধিক বিঘা জমির ওপর গড়ে ওঠে এই সুবিশাল রাজপ্রাসাদ, যার এক-তৃতীয়াংশজুড়ে ছিল দৃষ্টিনন্দন অট্টালিকা, রাজকীয় নাচঘর, পারিবারিক থিয়েটার, দুর্গা মন্দির এবং সুপেয় পানির জন্য একাধিক বড় দিঘি।

এই জমিদারবাড়ির অন্যতম বৈশিষ্ট্য ছিল এর বিলাসবহুল জীবনযাপন ও রাজকীয় আয়োজন। জমিদার বিজয় গোবিন্দ চৌধুরী বিনোদনের জন্য একাধিক হাতি পালন করতেন এবং প্রজাদের আনন্দ দেওয়ার উদ্দেশ্যে নিয়মিত ‘হস্তী নাচ’-এর আয়োজন করতেন। তবে এসব হাতির রক্ষণাবেক্ষণে বিপুল ব্যয় মেটাতে তিনি ‘হস্তী পোষনার্থী হাতি খরচ’, সংক্ষেপে ‘হাতি খরচ’ নামে একটি বিশেষ কর বা খাজনা চালু করেছিলেন। কঠোর প্রশাসক হলেও তিনি ছিলেন প্রজাদরদি ও অসাম্প্রদায়িক। খরা, বন্যা বা অনাবৃষ্টির কারণে ফসল নষ্ট হলে তিনি হিন্দু ও মুসলিম-উভয় সম্প্রদায়ের দরিদ্র প্রজাদের খাজনা সম্পূর্ণ মওকুফ করে দিতেন।

তাঁতীবন্দ জমিদার বাড়ির সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য স্থাপনা হলো প্রায় ২৫ বিঘা আবাসিক এলাকার ভেতরে নির্মিত দুটি সুউচ্চ ও কারুকার্যমণ্ডিত মঠ, যা আজও ‘বিজয় বাবুর মঠ’ নামে সমগ্র পাবনা জেলায় পরিচিত। কালের বিবর্তনে এবং দীর্ঘদিনের অবহেলা, রক্ষণাবেক্ষণের অভাব ও প্রাকৃতিক ক্ষয়ের কারণে মূল প্রাসাদের অধিকাংশ ভবন ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। অট্টালিকার ছাদ ও দেয়ালজুড়ে জন্ম নিয়েছে বট ও পরজীবী গাছের শেকড়, আর লতাপাতায় ঢেকে গেছে একসময়কার ঐশ্বর্যময় প্রাসাদ।

"ইন্দ্রমোহন সুইটস" - যার খ্যাতি দেশ ছাড়িয়ে বিদেশে চলে গেছে।সাল ১৮৯০।খুলনার তখন যৌবন কাল।নদীর পাশে অনেক ঘাট আর ছিলো বড় বড়...
15/07/2026

"ইন্দ্রমোহন সুইটস" - যার খ্যাতি দেশ ছাড়িয়ে বিদেশে চলে গেছে।

সাল ১৮৯০।খুলনার তখন যৌবন কাল।নদীর পাশে অনেক ঘাট আর ছিলো বড় বড় বণিক ব্যবসায়ীর ভীড়(ইংরেজ আমল)।বড় বাজার এলাকার হেলাতলায় দোকান দেন মানিকগঞ্জের কিশোর ইন্দ্রনাথ দে। কাজ করতে আসেন বরিশাল থেকে সুরেন দাশ।তার মিষ্টির নাম ছড়িয়ে যায় দেশে দেশে।২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারি মাসেও বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত আর্ল রবার্ট মিলার আসেন এই দোকানে।আরও অনেক বিখ্যাত ব্যক্তিবর্গ ও খেয়েছেন।খুলনায় মিষ্টির দোকান একটি হওয়ায় শুনা যায় সে
আমলে নেতাজি সুভাসচন্দ্র বসুর পেটেও গিয়েছে এই মিষ্টি।

১৩০ বছরের বেশী এই দোকানটি এখনো বাকি ৫-১০ টা বিখ্যাত দোকানের মতো করেননি কোন শাখা।এখনো পুরনো একটি বিল্ডিং এর নিচতলায় ব্যবসায় চালাচ্ছেন ইন্দ্রনাথ বাবুব ৩য় প্রজন্ম।

রূপসা জমিদার বাড়ি,চাঁদপুর
14/07/2026

রূপসা জমিদার বাড়ি,চাঁদপুর

চিনি মসজিদ,নীলফামারীনীলফামারী জেলার ঐতিহ্যবাহী সৈয়দপুর শহরের ইসলামবাগ এলাকায় অবস্থিত চিনি মসজিদ (যা ‘চীনা মসজিদ’) বাংল...
13/07/2026

চিনি মসজিদ,নীলফামারী

নীলফামারী জেলার ঐতিহ্যবাহী সৈয়দপুর শহরের ইসলামবাগ এলাকায় অবস্থিত চিনি মসজিদ (যা ‘চীনা মসজিদ’) বাংলাদেশের অন্যতম দৃষ্টিনন্দন ও ব্যতিক্রমধর্মী স্থাপত্য নিদর্শন। ১৮৬৩ সালে স্থানীয় দুই ধর্মপ্রাণ ব্যক্তি হাজী বাকের আলী ও হাজী মুকুর উদ্যোগে ছন, বাঁশ ও মাদুর দিয়ে একটি ছোট ইবাদতখানা নির্মাণের মধ্য দিয়ে এর যাত্রা শুরু হয়। মুসল্লিদের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় অল্প সময়ের মধ্যেই এটি টিনের দোচালা মসজিদে রূপান্তরিত হয়। পরবর্তীতে ১৯২০ সালে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও ইমাম হাজী হাফিজ আবদুল করিমের উদ্যোগে মসজিদের প্রথম পাকা ভবন নির্মাণ করা হয়। তিনি নিজ হাতে প্রায় ৩৯ ফুট প্রস্থ ও ৪০ ফুট দৈর্ঘ্যের প্রাথমিক নকশা প্রণয়ন করেন, যা মসজিদটির আধুনিক রূপের ভিত্তি স্থাপন করে।

১৯৬৫ সালে প্রতিষ্ঠাতা পরিবারের উত্তরসূরি উজির আলী আহমেদ এবং তাঁর দুই ছেলে মফিজউদ্দিন আহমেদ ও শফিউদ্দিন আহমেদের উদ্যোগে মসজিদের দক্ষিণ অংশ সম্প্রসারণ করা হয়। এই পর্যায়ের নির্মাণকাজে নকশা প্রণয়ন করেন মো. মোখতুল ও নবী বক্স। তাঁদের তত্ত্বাবধানে কলকাতা থেকে আগত স্থাপত্যশিল্পী ও স্থানীয় দক্ষ কারিগরদের অক্লান্ত পরিশ্রমে মসজিদটির নান্দনিক অবয়ব গড়ে ওঠে। স্বাধীনতার পর বাংলাদেশ আমলে উত্তর দিক সম্প্রসারণের মাধ্যমে মসজিদটি বর্তমান রূপ লাভ করে।

চিনি মসজিদের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ এর অনন্য অলংকরণশৈলী। সে সময় দেশে সিরামিক শিল্পের প্রসার না থাকায় কলকাতা থেকে শত শত শংকর মার্বেল আনা হয় এবং বগুড়ার একটি গ্লাস ও গ্যাস কারখানা প্রায় ২৫ টন চিনামাটির টুকরো ও রঙিন কাঁচের ভগ্নাংশ বিনামূল্যে সরবরাহ করে। দক্ষ কারিগরেরা এসব চিনামাটি ও কাঁচের টুকরো দিয়ে দেয়ালজুড়ে ফুল, লতাপাতা, চাঁদ-তারা, ফুলদানি ও জ্যামিতিক নকশার মনোমুগ্ধকর মোজাইক কারুকাজ ফুটিয়ে তোলেন। স্থানীয়ভাবে এই অলংকরণ পদ্ধতি ‘চিনি করা’ নামে পরিচিত ছিল এবং সেখান থেকেই মসজিদটির নাম হয় চিনি মসজিদ।

চর কুকরি মুকরি,ভোলা
11/07/2026

চর কুকরি মুকরি,ভোলা

10/07/2026

রায়েরকাঠী মঠ,পিরোজপুর

সুচিত্রা সেনের বাড়ি,পাবনা
09/07/2026

সুচিত্রা সেনের বাড়ি,পাবনা

Address

Dhaka

Telephone

+8801857805373

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Pathway With Patwary posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Establishment

Send a message to Pathway With Patwary:

Shortcuts

Share