Self Driven Car BD

Self Driven Car BD It's a car lover page that tries to provide car-related different information, videos, images, etc.

24/05/2022

Ultimate fail!

23/05/2022
22/05/2022

Tesla Full Self Driving and Tesla Autopilot Explained by Shree who currently own a Tesla Model 3. Indian Vlogger in this Hindi Vlog. By This Indian.

02/03/2022

Following information Written by:- Ah Turab
প্রশ্ন : গাড়ির ইঞ্জিন ওভার হিট হলে কি করবেন?
গাড়ি রেগুলার চালান এমন লোক খুব কমই আছেন যে রানিং অবস্থায় হিট কাটা আচমকা হাই হয়ে গিয়েছে এমন পরিস্থিতির শিকার হননি।
চলুন আগে জেনে নেই কি কারনে ইঞ্জিন ওভারহিট হয়।
অনেকগুলো কারণে ইঞ্জিন ওভারহিট হয় তারমধ্যে,
১) ইঞ্জিন এর ভিতর পানি বা কুলান্ট যথেষ্ট না থাকার কারণে ওভারহিট হয়।
২) রেডিয়েটর ,হোস পাইপ লীক করে পানি বা কুলেন্ট পড়ে গেলে ওভারহিট হয়।
৩) ওয়াটার পাম্প কাজ না করলে ওভারহিট হয়।
৪) ফ্যান বেল্ট ছিড়ে গেলে বা ফ্যানের লাইন ছেড়ে গেলে ওভার হিট হয়।
৫) কুলান্ট এর পরিমান কম থাকলে ওভারহিট হয়।
৬) রেডিয়েটরের পর্যাপ্ত পরিমাণে বাতাস না লাগলে ওভার হিট হয়।
৭) রেডিয়েটর ক্যাপ খারাপ হলে ওভার হিট হয়।
এছাড়াও থার্মোস্ট্যাট ভালভ কাজ না করলে ওভারহিট হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
কিভাবে বুঝবেন ইঞ্জিন ওভারহিট হয়ে গেছে?
১) গাড়ির ইন্সট্রুমেন্ট ক্লাস্টারে একটা ডেডিকেটেড হিটিং ইন্ডিকেটর থাকে যেখানে C আর H লিখা একটা ইন্ডিকেশন থাকবে কাঁটা সহ।
যখন কাঁটাটা C থেকে H এর দিকে যেতে থাকবে তখন বুঝবেন ইঞ্জিন ওভারহিট হচ্ছে।
আপডেটেড গাড়িগুলোয় ডেডিকেটেড হিটিং ইন্ডিকেটর থাকেনা তার বদলে সাইন শো করবে। যদি হিট সাইন নীল বা হলুদ থেকে লাল হলে বা জ্বলে উঠলে বুঝবেন ওভারহিট হচ্ছে।
২) বনেটের চারপাশ দিয়ে ধোয়া বের হলে বুঝবেন সেই লেভেলের
ওভারহিট হয়েছে।
যদি দুই নাম্বার পয়েন্ট হয় তবে নিকটস্থ ওয়ার্কশপে যোগাযোগ করুন নতুবা ইঞ্জিন স্টার্ট আর করতে পারবেন না।
ইঞ্জিন ওভার হিট হলে আপনি তাৎক্ষনিক ভাবে কি কি কাজ করবেন,
১) ভয় পেয়ে ঘাবড়ে যাবেন না, শান্ত থাকুন।
২) বামে ইন্ডিকেটর দিয়ে গাড়ি ব্রেক করে দাঁড় করান।
৩) ইঞ্জিন পুরোপুরি অফ করে দিবেন। মেক সিউর পুরোপুরি যেন অফ অফ হয়ে যায় মোস্ট ইম্পটেন্টলি এসি অন থাকা যাবেনা।
৪) বনেট তুলে রেডিটের কুল্যান্ট বা পানি চেক করুন।(উল্লেখ্য রেডিয়েটর ক্যাপ খোলার পূর্ব অভিজ্ঞতা না থাকলে খুলতে যাবেন না তাতে আপনি অন্তত নিরাপদ থাকবেন অন্যথায় গরম পানিতে আপনার মুখ হাত পা পুড়ে যেতে পারে)।
আর অভিজ্ঞতা থাকলে রেডিয়েটর ক্যাপ খুলে পানি অথবা কুলান্ট দিয়ে রিফিল করুন।
নেক্সটাইম ওভারহিটের হাত থেকে গাড়িকে বাঁচাতে এই প্র্যাকটিস গুলো করবেন,
১) ঘর থেকে গাড়ি বের করার পূর্বে রেডিয়েটরের পানি বা কুলান্ট চেক করুন। লাগলে রিফিল করুন।
২) গাড়ি পার্কিং (যে জায়গায় পার্ক করেন ) সেই জায়গায় পার্ক করা অবস্থায় নিচে পানি পড়ে আছে কিনা তা খেয়াল করুন। পড়লে রেডিয়েটর ক্যান লিক আছে;রিপ্লেস করা লাগবে।
৩) ১০ হাজার কিলোমিটার পড়ে পড়ে রেডিয়েটর ফ্লাশিং করুন।
যদি কখনো ইঞ্জিন ওভার হিট হয়ে যায় আর আপনার না বুঝার কারণে বারবার ইঞ্জিন স্টার্ট করার পরে ইঞ্জিন অটোমেটিক অফ হয়ে যায় তবে ইঞ্জিন কে কমপক্ষে 1 ঘন্টা ঠান্ডা করতে দিন তারপর একজন ইঞ্জিন মেকানিক দিয়ে ইঞ্জিনের কন্ডিশন গুলো চেক করান।

24/02/2022

আপনার যদি একটি গাড়ি থাকে, তাহলে নিশ্চিতভাবে সেই গাড়ির সামনে ও পিছনে নাম্বারপ্লেট লাগানো আছে। আর যদি গাড়ি না-ও থাকে তাহলে নিশ্চয়ই প্রতিদিন চলতে ফিরতে যত গাড়ি দেখেন, সেই সব গাড়ির নাম্বার প্লেটে বর্ণসহ নাম্বার নিশ্চয়ই দেখে থাকবেন।

প্রতিটি গাড়ির নাম্বার প্লেট অনেকটা একইরকম দেখতে হলেও সেগুলোর নাম্বার কিন্তু আলাদা। যেমন- ঢাকা মেট্রো ক ১১-১২৩৪, ঢাকা মেট্রো খ ৩১-২৩৪৫ ইত্যাদি ইত্যাদি। এখানে- ঢাকা মেট্রো বলতে যে গাড়িটি ঢাকা মেট্রোপলিটনের আওতাধীন তা সহজেই অনুমান করা যায়। পরবর্তী ‘১১’ হচ্ছে গাড়িটির রেজিস্ট্রেশন নাম্বার এবং ‘১২৩৪’ হচ্ছে গাড়ির সিরিয়াল নাম্বার।

নাম্বার প্লেট লেখার ফরম্যাট:
ক্যাটাগরি অনুসারে গাড়ির নাম্বার নির্ধারণ করার জন্য বিআরটিএ’র একটি নির্দিষ্ট ফরম্যাট রয়েছে। ফরম্যাটটি হল-
শহরের নাম- গাড়ির ক্যাটাগরি- গাড়ির নাম্বার।
এই ফরম্যাটের মাঝের অংশে গাড়ির ক্যাটাগরি বুঝাতেই বাংলা বর্ণগুলো ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

বিআরটিএ যখন কোন গাড়িকে অনুমোদন দিয়ে থাকে, তখন গাড়ির ধরণ অনুসারে গাড়িকে একটি ক্যাটাগরিতে স্থান দেয়া হয়ে। কোন গাড়ি কোন ক্যাটাগরিতে পড়ছে, সেই ক্যাটাগরি অনুসারে গাড়ির জন্য একটি বর্ণ নির্ধারণ করা হয়ে থাকে। নাম্বারপ্লেট প্রদানের ক্ষেত্রে বিআরটিএ’র নিয়ম অনুসারে মোট ১৯টি ক্যাটাগরি রয়েছে। এর মধ্যে একটি ক্যাটাগরি হচ্ছে- প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের গাড়ি, বাকি ১৮টি ক্যাটাগরিই জনসাধারণের গাড়ির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।

তাহলে জেনে নেয়া যাক ১৯টি ক্যাটাগরি সম্বন্ধে-
ক –
প্রাইভেটকার, ৮০০ সিসি’র প্রাইভেট কারের নাম্বারপ্লেটে ব্যবহার করা হয়ে থাকে বাংলা ব্যাঞ্জন বর্ণের প্রথম বর্ণটি।
খ –
প্রাইভেটকার, ১০০১-১৩০০ সিসি’র প্রাইভেট কার বুঝাতে নাম্বারপ্লেটে ‘খ’ লেখা থাকে।
গ –
প্রাইভেটকার, ১৫০০-১৮০০ সিসি’র যেসব প্রাইভেটকার রয়েছে সেগুলোর নাম্বারপ্লেটে খেয়াল করলে দেখা যাবে ‘গ’ বর্ণ দেয়া আছে।
ঘ –
জীপগাড়ি, জীপগাড়ির ক্যাটাগরি নির্ধারণের জন্য ‘ঘ’ বর্ণটি ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
চ –
মাইক্রোবাস, মাইক্রোবাসের নাম্বার প্লেটে ব্যবহার করা হয় বাংলা বর্ণমালার ৫ম বর্ণ ‘চ’।
ছ –
আবার ভাড়ায় চালিত মাইক্রোবাস যেগুলো, সেগুলোর নাম্বার প্লেটে থাকে ‘ছ’। লেগুনার জন্যও এই বর্ণটি নির্ধারিত।
জ –
মিনিবাসের ক্যাটাগরি বুঝানোর জন্য নাম্বার প্লেটে ‘জ’ বর্ণটি ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
ঝ –
বড় বাস বা কোস্টার বাসের ক্যাটাগরি বুঝাতে ব্যবহার করা হয় ‘ঝ’ বর্ণটি।
ট –
কোন গাড়ির নাম্বার প্লেটে যদি ‘ট’ বর্ণটি লেখা থাকে তাহলে বুঝতে হবে, এটা বড় ট্রাকের নাম্বার প্লেট।
ঠ –
নাম্বার প্লেটে ‘ঠ’ থাকলে বুঝতে হবে, নাম্বার প্লেটটি কোন ডাবল কেবিন পিক-আপ এর নাম্বার প্লেট।।
ড –
মাঝারি ট্রাকের নাম্বার প্লেটের দিকে খেয়াল করলে দেখবেন সেখানে ব্যবহার করা হয়েছে ‘ড’ বর্ণটি।
ন –
কোন গাড়ি যদি ছোট পিক আপ ক্যাটাগরির হয়ে থাকে তাহলে নাম্বার প্লেটে ‘ন’ বর্ণ ব্যবহার করে ক্যাটাগরি নির্দিষ্ট করা হয়ে থাকে।
প –
ট্যাক্সি ক্যাবের জন্য নির্ধারিত ক্যাটাগরি। সাধারণত ট্যাক্সি ক্যাবের নাম্বার প্লেটে ‘প’ বর্ণটি থাকে।
ভ –
২০০০+ সিসি প্রাইভেটকার বুঝাতে গাড়ির নাম্বার প্লেটে শহরের নামের পর ‘ভ’ বর্ণ ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
ম –
পণ্য পরিবহন এবং ডেলিভারির জন্য ব্যবহৃত পিক-আপ বুঝানোর জন্য বাংলা বর্ণমালার ‘ম’ বর্ণটি ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
দ –
প্রাইভেট বা নিজস্ব পরিবহনের জন্য যেসব প্রাইভেট সিএনজি চলাচল করে থাকে সেগুলোর নাম্বার প্লেটে ‘দ’ বর্ণটি ব্যবহার করা হয়।
থ –
ভাড়ায় চলিত সিএনজির ক্ষেত্রে ‘থ’ বর্ণ ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
হ –
৮০-১২৫ সিসি’র মোটরবাইক হয়ে থাকলে সেই বাইকের নাম্বারপ্লেটে ‘হ’ বর্ণ দিয়ে চিহ্নিত করা হয়ে থাকে।
ল –
যদি কোন মোটরবাইক ১৩৫-২০০ সিসি’র হয়ে থাকে তাহলে সেই বাইকের নাম্বারপ্লেটে ‘ল’ দিয়ে চিহ্নিত করা হয়ে থাকে।
ই –
ভটভটি টাইপের ট্রাকের নাম্বারপ্লেট অনুমোদন দেয়ার সময় তাতে ‘ই’ বর্ণটি দিয়ে ক্যাটাগরি ঠিক করে দেয়া হয়।
য-
প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের গাড়িগুলো চিহ্নিত করতে নাম্বার প্লেটে ‘য’ ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

Source:CarHub BD

05/02/2022

গাড়িতে CNG সিলিন্ডার থাকায় ১৫ হাজার টাকার মামলা!!

জ্বী ঘটনা আসলেই হয়েছে, নিচে যে স্লিপটা দেখতে পাচ্ছেন সেখানে একজনকে আসলেই ১৫ হাজার টাকার মামলা দেওয়া হয়েছে। এখন এটা দেখে অনেকেই প্যানিক হয়ে গেছে এ আবার কেমন রুল! যতদূর জানতে পেরেছি আসলেই এরকম একটা রুল আছে যে আপনি যদি কনভার্সন করেন তাহলে সেটার একটা পেপার আপনার BRTA থেকে নিতে হবে। যেখানে কনভার্সন করেছেন সেখান থেকে প্রপার কাগজপত্র নিয়ে BRTA থেকে একটা ছাড়পত্র টাইপ কাগজ নিতে হবে যেটা গাড়িতে রাখবেন 🙂

05/02/2022

গাড়িতে স্টিল বাম্পার কতটুকু কার্যকরী?

▪️বাংলাদেশে শতকরা বেশিরভাগ গাড়িতেই মানুষ স্টিল/এ্যালুমিনিয়ামের বাম্পার লাগিয়ে থাকেন। অনেকেই হয়তো চিন্তা করেন, এই বাম্পার গাড়িকে এক্সিডেন্ট এর ক্ষয়ক্ষতি থেকে রক্ষা করবে। কথাটা কিছুটা সঠিক, তবে পুরোপুরি সঠিক না।
▪️এবার আসি আসল কথায়, স্টিল বাম্পার গাড়ি লাগানো একেবারেই উচিত না। কারণ, প্রত্যেকটা গাড়িতেই সামনে কিছু সেন্সর থাকে, যেইগুলা গাড়িতে কখনো বড় ধাক্কা আসলে এবং সেন্সর ডিটেক্ট করতে পারলে, যাত্রীদের নিরাপত্তার জন্য যে এয়ারব্যাগ গাড়িতে থাকে, সেইগুলো ফুলে বেরিয়ে আসে। যেটা অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটা সেইফটি ফিচার্স। শুধুমাত্র গাড়ির এয়ার ব্যাগ একটা এক্সিডেন্ট থেকে মানুষকে বড় আঘাত এমনকি মৃত্যু ঝুঁকি থেকেও রক্ষা করতে পারে। কিন্তু, গাড়ির সামনে যদি বাম্পার লাগানো থাকে, তাহলে এক্সিডেন্ট করলে অনেকসময় গাড়ির সেন্সরগুলো বুঝতে পারে না যে গাড়ি বড় কোনও ধাক্কার সম্মুখীন হচ্ছে! যার কারণে অনেকসময় এয়ারব্যাগ বের হয় না। যেইটা অনেক বড় ঝুঁকি। কিছুদিন আগেও একটা প্রিমিও ২০১৬/১৭ মডেলের গাড়ির এক্সিডেন্ট এর ছবি দেখছিলাম, যেটায় বেশ জোরেশোরেই একটা পিলার এর সাথে ধাক্কা খাইছিলো। কিন্তু এয়ারব্যাগ ডিপ্লয় হয় নাই। সেই গাড়িতেও সামনে স্টিল বাম্পার ছিলো।
▪️একটা বাম্পার শুধুমাত্র আপনার গাড়িকে ছোটখাটো স্ক্র‍্যাচ, জ্যামের মধ্যে রিকশা/সিএনজির ছোটখাটো খোঁচা থেকে হয়তো রক্ষা করতে পারবে। তবে, বড় এক্সিডেন্ট এ স্টিল বাম্বার বিন্দুমাত্রও আপনার গাড়ির কোনও সুরক্ষার কাজে আসবে না। তবে মনেরাখবেন, সামান্য স্ক্র‍্যাচ থেকে নিরাপদ রাখতে, আপনি এবং আপনার পরিবার গাড়িতে অনিরাপদ হয়ে যাচ্ছেন না তোহ?
▪️একটা গাড়ি বছরের পর বছর রিসার্চ করে কোম্পানি বাজারে ছাড়ে। সাথে এমনভাবে গাড়িটা বানায়, যাতে গাড়িতে বাড়তি আর কিছুর প্রয়োজন না হয়। বাম্পার যদি এতোই প্রয়োজন হয়ে যেতো, তাহলে কোম্পানিই গাড়ির সাথে স্টিল বাম্বার লাগায় দিতো। বাংলাদেশের মতো হাতেগোনা কয়েকটা দেশ ছাড়া, পৃথিবীর বেশিরভাগ দেশেই কেও গাড়ির সাথে স্টিল বাম্বার ব্যবহার করে না। এছাড়াও স্টিল বাম্পার গাড়ির সৌন্দর্য ও নষ্ট করে।
▪️আরেকটা কথা, গাড়ি ড্রাইভ করার সময় অবশ্যই অবশ্যই সিটবেল্ট ব্যাবহার করবেন। সিট বেল্ট বাঁধা না থাকলেও অনেকসময় গাড়ির এয়ারব্যাগ বের হয় না। সিটবেল্ট ও আপনার নিরাপত্তার জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ। গাড়িতে যতজন যাত্রী থাকবে, একদম প্রত্যেকেরই সিট বেল্ট বাঁধা উচিত। গাড়ির ড্রাইভার যদি সিটবেল্ট না বাধে, তাহলে গাড়ি থেকে একটা এলার্ট সিগনাল আসে, অনেক ড্রাইভার গাড়ির সেই এলার্ট সিগনাল বন্ধ করার জন্য অর্থাৎ এককথায় গাড়িকে বোকা বানানোর জন্য, সিটের উপরে শরীরের পেছন দিয়ে সিটবেল্ট লক করে রাখে। যেই কাজ কখনোই করবেন না।
▪️মনে রাখবেন, নিজের এবং নিজ পরিবারের জীবন, নিরাপত্তা সবার আগে. Safe Drive
-Collected.

ইঞ্জিন ফ্ল্যাশ কি আপনার গাড়ির ইঞ্জিনের জন্য ভালো? আপনার গাড়ির ইঞ্জিনের কি ফ্ল্যাশিং এর প্রয়োজন আছে? আজকে আমি কথা বলব গাড়...
02/02/2022

ইঞ্জিন ফ্ল্যাশ কি আপনার গাড়ির ইঞ্জিনের জন্য ভালো? আপনার গাড়ির ইঞ্জিনের কি ফ্ল্যাশিং এর প্রয়োজন আছে?

আজকে আমি কথা বলব গাড়ির ইঞ্জিন ফ্ল্যাশিং এর ব্যাপারে।সাথে সাথে আপনাদের কিছু্র প্রশ্নের উত্তর আর ভুল ধারনাগুলোর সমাধান করার চেষ্টা করব। চলুন শুরু করা যাক।

ইঞ্জিন ফ্ল্যাশঃ এটি একটি আফটার মারকেট ক্যামিকাল প্রোডাক্ট,যা ইঞ্জিন অয়েলের ফিলার পোর্ট দিয়ে ঢেলে ১০-১৫ মিনিট রেখে দিলে সেটা ইঞ্জিন অয়েল এর সাথে মিশে পুরো ইঞ্জিনের ভিতর দিতে প্রবাহিত হয়ে ভারী আর হালকা উভয় ধরণের কার্বন ডিপোজিট ক্লিন করে বের করে দিতে পারে।

কিভাবে ইঞ্জিনের কার্বন ডিপোজিট জমেঃ আমি বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে বলি। প্রথমেই বলব আমাদের দেশের ডাস্ট আর ময়লার পরিমাণ বেশি। আর ঢাকার কথা তো আপনিও জানেন আর আমিও জানি নতুন করে বলার কিছু নাই।

১।এয়ার ফিল্টার দিয়ে এয়ার ক্লিন হওয়ার পরেও অনেক ডাস্ট পারটিকেল Combustion Chamber এ গিয়ে বার্ন হয়ে শেষে কার্বন ডিপোজিটে পরিণত হয়।

২। বাংলাদেশের অকটেন রেটিং খুবই বাজে। মাত্র ৭০ বা আর একটু কম।যেখানে টয়োটার ইঞ্জিনগুলোতে মিনিমাম ৮৪ লেভেল এর অকটেন লাগে। বাকি ব্র্যান্ডগুলোতেও কাছাকছি লেভেলের লাগে। এজন্য সঠিকভাবে ফুয়েল বার্ন না হইয়ে শেষ পর্যন্ত ইঞ্জিন এর কিছু অংশে কার্বন জমা করে। সহজে Improper Combustion।

৩। বাংলাদেশে গাড়ির চলার ধরনটাও খুব ভালো না। যেমন মনে করে কিছুক্ষণ পর পর আপনাকে ব্রেক দিতে হচ্ছে । তারপরে আবার Accelerator দিতে হচ্ছে। এই কাজ দুইটির কারণেও খুব সহজে ইঞ্জিনের কার্বন জমে যায়।

৪। বিশেষ করে যারা অনেক দিন যাবত মিনারেল অয়েল ব্যাবহার করে আসছেন তাদের ইঞ্জিন এ কার্বন এর পরিমাণ সাধারণ এর চেয়ে একটু বেশিই হয়।

গাড়ির যা ক্ষতি হয়ঃ যেখান দিয়ে ইঞ্জিন অয়েল প্রবাহিত হয় সে পথ ছোট হয়ে আসে। ইঞ্জিন পিস্টন, আপার ভালব, পিস্টন এর নিচের অংশে কার্বন জমে যায়। তখন গাড়ি সহজে হাই রেভ করতে পারে না। গাড়ির ফুয়েল এফিসিয়েন্সি কমে যায়। গাড়ির ইঞ্জিন ক্ষমতা কমে যায়। গাড়ির কমপ্রেশন সঠিক থাকে না। ধীরে ধীরে ইঞ্জিন এর ইনার পার্টসগুলো ডেমেজ হতে শুরু করে।

সমাধানের উপায়ঃ একমাত্র সহজ উপায় ইঞ্জিন ফ্ল্যাশ করুন। ইঞ্জিন ফ্ল্যাশ এর মধ্য কিছু ডিটারজেন্ট রিয়েজেন্ট থাকে যা খুব সহজে এইসব শক্ত বা নরম কার্বন ডিপোজিটকে পুরান ইঞ্জিন অয়েল এর সাথে মিশিয়ে রিমুভ করে ফেলে। আর এরপরে ইঞ্জিন অয়েল এর সাথে বের হয়ে যায়। এখন আসি আপনাদের কিছু প্রশ্ন নিয়েঃ

১। সিনথেটিক ইঞ্জিন অয়েলে তো ডিটারজেন্ট বেস রিয়েজেন্টগুলো থাকে তাহলে ইঞ্জিন ফ্ল্যাশ ব্যাবহার করার প্রয়োজন কি?
- হ্যাঁ থাকে। বর্তমানে যে সকল সিন্থেটিক অয়েল রয়েছে কমে বেশি সব গুলোতেই এই রিয়েজেন্ট থাকে। কিন্তু একটা ইঞ্জিন অয়েলের কাজ তো শুধু আপনার ইঞ্জিনের কার্বন পরিষ্কার করা না। তাই খুব কম পরিমাণে এই বা লিমিটেড পরিমাণে এই রিয়েজেন্ট থাকে,যা
শুরুর দিকে ভালো কাজ করলেও, প্রচুর তাপে সময়ের সাথে সাথে ডিটারজেন্ট বেস রিয়েজেন্ট এর কাজ ক্ষমতা কমে আসে।

২। এই ফ্ল্যাশ ব্যাবহার করার পর আমার ইঞ্জিন অয়েল লিক করেছে ভাই!
- এর সহজ উত্তর হল ভাই আপনার ইঞ্জিন এর পিস্টন রিং বা সিল আগে থেকেই লিক ছিল। এতদিন কার্বন ওই অংশকে ব্লক বা সিল করে রেখেছিলো। এখন কার্বন চলে গিয়ে আপনার সমস্যা ধরা পড়েছে। আপনার ইঞ্জিন এখন ঠিক করান। পরবর্তীতে আমার কথা শুনে তার উপকার হয়েছে বলে সে আমাকে জানায়।

৩। ভাই ইঞ্জিন অয়েল তো কখনো পুরোপুরি বের করা সম্ভব না, যদি চেম্বারে এই অ্যাডিটিভ থেকে যায় তখন কি হবে?
-প্রথমেই বলি এটি একটি পেট্রোলিয়াম বেস ডিসল্ভ যেখানে প্রধান ডিটারজেন্ট এজেন্ট হিসেবে Calcium আর Magnesium থাকে। তাই যদি এই পেট্রোলিয়াম যুক্ত রিয়েজেন্ট এর কিছু অংশ থেকেও যায়, চিন্তা করবেন না। এরা খুব দ্রুত আপনার ইঞ্জিন অয়েল থেকে আলাদা হয়ে উড়ে চলে যাবে বা শুকিয়ে যাবে। এভাবেই ডিজাইন করা। এরা কিছুটা উচ্চ তাপমাত্রা গেলেই আরও দ্রুত শুকায়। তাই আপনার ইঞ্জিন এই পদার্থ ৫ মিনিটও টিকবে না।

৪। কার্বন যদি আমার ইঞ্জিন অয়েল এর লাইন ব্লক করে তখন?
- ভাই আপনার ইঞ্জিনে যে কার্বন জমবে টা যতই কঠিন হউক না কেন, এই Calcium,Magnesium আর প্রেট্রলিয়াম আগেই বিক্রিয়া করে তাকে ডিসল্ভ করে দিবে।

যেসকল ক্ষেত্রে এই ফ্ল্যাশ ব্যাবহারের দরকার নাই-

১। আপনার ইঞ্জিন যদি নতুন হয়(০-১০০০০ কিমি)
২। আপনি যদি সিন্থেটিক অয়েল ব্যাবহার করেন আর প্রতিবার সময়মত চেঞ্জ করেন।(এয়ার ফিল্টার, ইঞ্জিন অয়েল ফিল্টারও)
৩। দয়া করে ৯০ এর দশক বা এর আগের গাড়িতে এটি ব্যাবহার করবেন না। এত পুরাতন টেকনোলোজিতে এটি ঠিক কাজ করে কি না কোন প্রমাণ নেই।

যে ক্ষেত্রে আর যেভাবে এটি ব্যাবহার করবেনঃ

১। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে প্রায় সব গাড়িতেই ব্যাবহার করা উচিত। যদি উপরের দুইটি শর্ত ঠিক না থাকে তাহলে।

বিশেষ করে-
২। আপনি মিনারেল অয়েল অনেকদিন যাবত ব্যাবহার করলে।
৩। ইঞ্জিন অয়েল গ্রেড বা ব্র্যান্ড চেঞ্জ করার সময়।
৪। আসলে নতুন ইঞ্জিন অয়েল ভরার সময়ই ফ্ল্যাশ করা উত্তম।
৫। দয়া করে বেঞ্জিন বা Alcohol আছে এরকম ফ্ল্যাশ ব্যাবহার করবেন না। এতে করে আপনার ইঞ্জিনের রাবারের সিলগুলো লিক হবার হাই চান্স থাকে। আমি শুধু Liqui Moly Motor Flush Plus(https://oilco.com.bd/product/liqui-moly-engine-flush-plus-300ml) ব্যাবহারের জন্য বলব। এটি ৬ লিটার অয়েল পর্যন্ত ট্রিট করতে পারে, যা বাংলাদেশে পাওয়া যায় আর পুরো বিশ্বে সেরা। ইভেন ওরা নিজেরাও ইঞ্জিন প্রটেকশন এর গ্যারান্টি দেয়।

যেভাবে ফ্ল্যাশ করবেনঃ ইঞ্জিন অয়েল চেঞ্জ করার সময় পুরানো ইঞ্জিন অয়েলের সাথে পুরো বোতলটি ঢেলে দিবেন, ইঞ্জিন অয়েল যেদিক দিয়ে দেন সেদিকে। ১০-১৫ মিনিট জাস্ট স্টার্ট করে রেখে দিবেন।গাড়ি অফ করে তারপরে পুরো ইঞ্জিন অয়েল ড্রেন দিয়ে দিবেন। কার্বন সহ সবকিছুই বের হয়ে যাবে।

উপকারঃ
১। ইঞ্জিন এর কর্ম ক্ষমতা বেড়ে যাবে।
২। ফুয়েল এফিসিয়েন্সি অনেক বাড়বে।
৩। কমপ্রেশন সঠিক ভাবে হবে।
৪। Acceleration বেড়ে যাবে।
৫। এমিশন কমাবে, ইঞ্জিন হিট কমাবে।

সহজেঃ ইঞ্জিন কে নতুন জীবন দিতে পারে ফ্লাশিং। নিয়ম মেনে সঠিকভাবে ইঞ্জিন ফ্ল্যাশ করুন। আপনার টাকা বাচবে,ইঞ্জিন এর লাইফ বাড়বে। ইঞ্জিন এর ক্ষতি হবে না কোন।

Written By: #অমিয়_রহমান

600 BDT

Address

Khilgaon
Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Self Driven Car BD posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share