Dhaka College Cultural Club - DCCC

Dhaka College Cultural Club - DCCC The Dhaka College Cultural Club evokes multiculturalism through its infrastructure and actions.

❝নিজ হাতে খেতে পারতাম নাবাবা বলতো–"খোকা ও খোকা"যখন আমি থাকবোনা,কি করবিরে বোকা?❞কখনো আকাশ ছুয়েছেন?কিংবা অবলোকন করেছেন,আকা...
21/06/2026

❝নিজ হাতে খেতে পারতাম না
বাবা বলতো–"খোকা ও খোকা"
যখন আমি থাকবোনা,
কি করবিরে বোকা?❞

কখনো আকাশ ছুয়েছেন?কিংবা অবলোকন করেছেন,আকাশের বিস্তৃতি?মাথার অনেক ওপরে থাকা অসীম বিস্তৃতি কি আমাদের কৌতূহল জাগায় না?নিশ্চই জাগায়!

বাবা শব্দটিতো শুনেছেন?
পরিবারের সুখের পেছনে যে মানুষটি নিজের ক্লান্তি, দুঃখ আর অপূর্ণতাগুলো নীরবে লুকিয়ে রাখেন, তিনিই বাবা। যাঁর উপস্থিতি হয়তো অনুধাবন করা যায় না সবসময়, কিন্তু অনুপস্থিতি পুরো পৃথিবীকে শূন্য করে দেয়।
পরিবারে বাবার ভূমিকা যেন সেই দূরাকাশ এর ন্যায়–যার ছায়া সর্বত্র আমাদের উপর বিদ্যমান এবং পরিবারে তার তাৎপর্য সেই আকাশের বিস্তৃতিস্বরূপ!
তবে,সচরাচর মায়ের তুলনায় বাবাদের সাথে আমাদের সখ্যতা হয়তো কম গড়ে ওঠে তার কর্মক্ষেত্রের কারণে,তাইনা?
আমার কাছে, বাবার ভূমিকা কে বৃক্ষের শেকড়ের ন্যায় মনে হয়।যেই শেকড় এর ওপর ভর করেই পরিবার নামক বৃক্ষ বেড়ে ওঠে কিন্তু শেকড়ের দিকে দৃষ্টি পড়ে না;বাবা নিজে তার অস্তিত্ব জাহিরও করেন না।অথচ বৃক্ষ নামক পরিবারকে সচল রাখতে তার প্রয়াসের কমতি নেই!
হয়তো আমরা সবসময় বলতে পারি না—"বাবা, তোমাকে ভালোবাসি"।
যাদের কাঁধের ওপর ভর করে আমাদের জীবন নামক রেলগাড়ীর বিনির্মাণ ঘটে– সেই সকল বাবার প্রতি রইলো শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা।
❝শুভ বাবা দিবস।❞

চিত্র :জয় মিত্র
লেখনী : সুমিত সাহা

বাংলার গগনে যে কয়টি নক্ষত্র আজও দ্বীপ্তিমান বেগম সুফিয়া কামাল তাদের মাঝে একজন। তিনি ১৯১১ সালের ২০ই জুন বরিশালের শায়েস্ত...
20/06/2026

বাংলার গগনে যে কয়টি নক্ষত্র আজও দ্বীপ্তিমান বেগম সুফিয়া কামাল তাদের মাঝে একজন। তিনি ১৯১১ সালের ২০ই জুন বরিশালের শায়েস্তাবাদ গ্রামের এক রক্ষণশীল পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর সময়ে নারীদের ঘর থেকে বের হওয়া ছিল পাপ সেইখান থেকেই নারীদের অধিকার ও নারীশিক্ষার জন্য তিনি বিভিন্ন সমাজসেবা ও আন্দোলন এর মধ্যে ও সংস্পর্শে ছিলেন। তিনি তাঁর কবিতায় যেমন এঁকেছেন কোমলতার স্পর্শ, অন্যদিকে অন্যায়ের বিরুদ্ধে ছিলো তাঁর প্রতিবাদী কণ্ঠস্বর।

তিঁনি ছিলেন সাহিত্য, সংস্কৃতি ও নারী জাগরণের পথিকৃৎ যার মহান ব্যক্তিত্ব আমাদের আজও প্রেরণার উৎস।

জন্মদিনে তাঁকে জানাই গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা। তাঁর আদর্শ ও ব্যক্তিত্ব প্রতি ঘরে-ঘরে লালিত হোক–সে কামনাই নিরন্তর।

শুভ জন্মদিন,কবি বেগম সুফিয়া কামাল।

লেখা: সুমিত সাহা

"খাঁ খাঁ রোদে তপ্ত দুপুর, মাঠের ঘাসও শুকনো,নদী পাড়ে গরুর পাল, রাখাল চলে উন্মন।শীতল জলে নামল গরু, লেজ নাড়িয়ে জল ছিটায়,শান...
19/06/2026

"খাঁ খাঁ রোদে তপ্ত দুপুর, মাঠের ঘাসও শুকনো,
নদী পাড়ে গরুর পাল, রাখাল চলে উন্মন।
শীতল জলে নামল গরু, লেজ নাড়িয়ে জল ছিটায়,
শান্ত নদীর ঠান্ডা হাওয়া রাখালেরও প্রাণ জুড়ায়।"
গ্রীষ্মকাল বললেই মনে চলে আসে সেই উত্তপ্ত গরম এবং ঘামে জর্জরিত ক্লান্ত শরীরের কথা । তবে অনেকেই হয়তো আম, কাঁঠাল, লিচু সহ নানা রসালো ও সুস্বাদু ফলের মোহে যেন হারিয়ে যেতে চায়। শহরে বেশিরভাগ মানুষেরই এই অসহ্য গরমে নাজেহাল অবস্থা হলেও গ্রামের শিশু-কিশোররা যেন তাদের শৈশবের সবচেয়ে দূরন্তময়ী ও স্মরণীয় সময় কাটায়।
উপরিউক্ত ছবিটিও সেই গ্রীষ্মকালের কথাই স্মরণ করিয়ে দেয় । গ্রামের সেই আঁকাবাঁকা মেঠোপথ , রাস্তার পাশেই দাঁড়ানো আমগাছ , ছোট ছোট ঘর এবং খড়ের স্তূপ, বয়ে চলা ছলছল নদী সবকিছুই গ্রামবাংলার রূপকে ধারণ করে । আর এই প্রকৃতির মাঝেই রাখাল গরুকে সুশীতল পানিতে নামানোর মাঝেই স্বস্তি খুঁজে পান ।

লেখনী: মোহাম্মদ ইরফান
চিত্র: তাহসিন আস-শাফি আল নাহিয়ান
ডিসিসিসি আইডিঃ DCCC-26-A-047

17/06/2026

❝আমি বেঁচে আছি তোমার স্পর্শে তুমি আমার সত্য- আমি ভালোবাসি, তোমায় তুমি আমার❞
"প্রেম ও বিরহ" –শব্দদ্বয়ের সহিত আমরা পরিচিত।প্রেমের পরিচিতি কেবল এর উচ্চারণের স্বল্পতার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়,বস্তুত এর বিস্তৃতি যেন হৃদয়ের সর্বোচ্চ অনুভবকেও ছাড়িয়ে!এর সঙ্গে জড়িয়ে, "বুকের ভেতর জমাট বাঁধা অনুভবের দুর্দমনীয়তা"–যা হয়তো কখনো নিজের গন্তব্যের ঠিকানায় পৌঁছে,নয়তো গন্তব্যের মাপকাঠি খুঁজেই বের করতে পারে না।তখন নিয়ামক হিসেবে ভূমিকা নেয় এই মহাকাল!প্রকৃতির বিধানকেই সেসময় স্বীকার করে নেওয়া হয়,অপ্রাপ্তিকে কিছুটা স্বস্তি দিতে!যাকে ঘিরে জন্মে এ অনুভব। তাকে জীবনে পাওয়াকে রূপায়িত করা হয়,"আকাশের চাঁদ যেন তার আলয়েই নেমে এসেছে!"

কিন্তু প্রেমকে কি কখনো ব্যাধিরূপে কল্পনা করা যায় না?

সেসময় অদৃশ্যরূপে বহমান কিন্তু প্রধান প্রভাবক হিসেবে বিরাজমান থাকে"বিরহ"।সীমাহীন ভালোবাসার পরেও,নিজ ত্রুটি কোথায় ছিলো সে হিসেবেও যেন মেলে না!
কল্পজগত যেন সুসময়ের বন্ধুরূপে তখন কড়া নাড়ে এই হৃদয়ের মণিকোঠায়!অপ্রাপ্তিকে ধীরে-ধীরে প্রাপ্তিরূপে অনুভূত হয়;প্রেমের স্পর্শ যেন আবিষ্ট করে তাকে।সেই স্পর্শই যেন আমাদের বাঁচিয়ে রাখে এবং বেঁচে থাকার প্রেরণা জোগায়।এ যেন এক দিবাস্বপ্ন,তবে রঙিন!যা আমরা চাইলেও উপেক্ষা করতে পারি না।

তাই বলা যায়–
"প্রেম কখনো প্রাপ্তির আনন্দ, আবার কখনো বিরহের বেদনাতেই তার গভীরতম সৌন্দর্য খুঁজে পায়।"

লিখনী: সুমিত সাহা

কন্ঠ : নুসরাত ফেরদৌস

বাংলাদেশের কথাসাহিত্যের অন্যতম কালজয়ী  উপন্যাসিক সেলিনা হোসেন। তাঁর রচিত  'হাঙর নদী গ্রেনেড' হোক বা 'যাপিত জীবন' এই দুই...
14/06/2026

বাংলাদেশের কথাসাহিত্যের অন্যতম কালজয়ী উপন্যাসিক সেলিনা হোসেন। তাঁর রচিত 'হাঙর নদী গ্রেনেড' হোক বা 'যাপিত জীবন' এই দুই গ্রন্থে দেখিয়েছেন বাঙালির কালজয়ী ইতিহাস। তার লেখনী শুধু আমাদের গল্প শেখায় না শেখায় সৃজনশীলতা, সময়ের কথা, মানুষের কথা, সংগ্রামের কথা এবং স্বপ্ন আর বেঁচে থাকার কথা। তিনি তার লেখায় প্রতিটি শব্দে দেখিয়েছেন বাংলার ইতিহাস, সংস্কৃতি আর মানবতাবোধ এবং আমাদেরকে শিখিয়েছেন অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে,সত্যকে ধারণ করতে, মানুষের প্রতি ভালোবাসা রাখতে।
এই বাংলা কথাসাহিত্যের কালজয়ী উপন্যাসিক এর আজ ৭৯‌ বছর জন্মদিনে ঢাকা কলেজ কালচারাল ক্লাবের পক্ষ থেকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও গভীর শ্রদ্ধা।

লেখনী :মোহাম্মদ ইরফান
পোস্টার:তাসকিন রহমান ইসতি

সময় নদীর স্রোতের মতো।এই স্রোতে কত মুখ ভেসে আসে আবার হারিয়ে যায়।বছরের পর বছর ধরে আজ পর্যন্ত কত পায়ের ছাপ এখানে এসেছে ...
08/06/2026

সময় নদীর স্রোতের মতো।এই স্রোতে কত মুখ ভেসে আসে আবার হারিয়ে যায়।

বছরের পর বছর ধরে আজ পর্যন্ত কত পায়ের ছাপ এখানে এসেছে আবার বেরিয়ে গিয়েছে।
সব পদযাত্রা যেন নদীর স্রোতের মতো মিলিয়ে গিয়েছে সমুদ্রে এসে।
কিন্তু সেই শুরু থেকে আজও রয়ে গেল ইট, সিমেন্ট দিয়ে তৈরি মূল ফটকটি,ফটকের সামনে থাকা বৃক্ষ, এই দেয়ালগুলো!
তারা যেন অনেক কিছুরই নিরব সাক্ষী।কেউ এই বৃক্ষের ছায়ার নিচে বসে তার প্রথম স্বপ্নটি দেখেছিল আবার কেউ শেষ বিদায়ে অশ্রুশিক্ত হয়েছিল।
এই সবকিছুই এখানে হয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে শত বছর ধরে।
কত পদচিহ্ন মুছে গেছে,কত গল্প হারিয়ে গেছে সময়ের পরিক্রমায় কিন্তু তবুও তারা রয়ে গেছে কালের নিরব সাক্ষী হয়ে।

চিত্র:তাহসিন আস-শাফি আল নাহিয়ান (DCCC-26-A-047)

ঢাকা কলেজ কালচারাল ক্লাবের সদস্য ও কলেজের একাদশ শ্রেণীর বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী তৌসিফ শাহরিয়ারের পরলোকগমনে আমরা শোকাহ...
07/06/2026

ঢাকা কলেজ কালচারাল ক্লাবের সদস্য ও কলেজের একাদশ শ্রেণীর বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী তৌসিফ শাহরিয়ারের পরলোকগমনে আমরা শোকাহত

আমরা এমন একটা পৃথিবীর স্বপ্ন কি দেখতে পারি না, যেখানে কোনো কাঁটাতারের বেড়া নেই? যেখানে মানুষ, প্রাণী, নদী, পাহাড়, সমুদ্র...
05/06/2026

আমরা এমন একটা পৃথিবীর স্বপ্ন কি দেখতে পারি না, যেখানে কোনো কাঁটাতারের বেড়া নেই? যেখানে মানুষ, প্রাণী, নদী, পাহাড়, সমুদ্র সবাইকে আলাদা করে নয়, একই অস্তিত্বের অংশ হিসেবে দেখা হয়? নাকি আমরা ভুলেই গেছি যে পৃথিবীটা আসলে একটাই ঘর?চারিদিকে বিশ্বায়ন, নগরায়ন নিয়ে কত কথা হয়,আসলেই সব ঠিক দিকে এগিয়ে যাচ্ছে তো নাকি বিশ্বায়নের পিছনে ছুটতে ছুটতে পৃথিবীর জলবায়ু, বাস্তুসংস্থান হুমকির পথে!!
এই কথাগুলো ভাবছিল সমুদ্রের ধারে বসে থাকা এক কিশোর। ঢেউয়ের শব্দ শুনতে শুনতে তার মনে হচ্ছিল, মানুষ কি সত্যিই বোঝে পৃথিবীর প্রতিটি প্রাণের সাথে তার নিজের সম্পর্ক কত গভীর?
হঠাৎ কল্পনার জগতে সে যেন সমুদ্রের গভীরে পৌঁছে গেল। সেখানে এক প্রবালের উপর বসে ছোট্ট এক অক্টোপাস ছানা আর ডলফিন ছানার কথোপকথন শুনতে পেল।
ডলফিন ছানা বলছিল, “মানুষের কলকারখানার গরম পানি আর তেল সমুদ্রে এসে মিশে। পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধির ফলে পানি গরম হয়ে যাচ্ছে, আমাদের প্রবালের ঘরগুলো সাদা হয়ে মরে যাচ্ছে।”অক্টোপাস ছানা দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলল, “আমাদেরও শান্তি নেই। জাহাজের শব্দে মায়ের ডাক পর্যন্ত শুনতে পাই না। নদী থেকে বয়ে আসা রাসায়নিক বর্জ্যে খাবারগুলোও বিষ হয়ে যাচ্ছে।❝ডলফিন ছানা হঠাৎ থেমে দীর্ঘশ্বাসে বলল,সমুদ্রের পানিতে অজস্র পলিথিন আর অন্যান্য বর্জ্যের জন্য মাছগুলোও বিপদের পথে।হিমবাহ গলে গিয়ে আজ সবকিছুই কেমন যেন এলোমেলো,পানিতে অক্সিজেনের মাত্রাও অনেক কম।মানুষ ভাবে আকাশ, মাটি আর সমুদ্র আলাদা। অথচ সবই তো একই ঘর। ইশ, মানুষ যদি বুঝত আমার ঘরে আগুন লাগলে তোমার ঘরেও ধোঁয়া পৌঁছাবে। আমাদের বাঁচিয়ে রাখলেই তারা নিজেরা বাঁচে ❞
পৃথিবী ধ্বংসের করুণ ঘটনা মনে করে কিশোরটি আর কিছু ভাবতে পারল নাহ। শুধু সমুদ্রের দিকে তাকিয়ে রইল। তার মনে হলো, সুন্দর একটা পৃথিবী আমরাও গড়তে পারতাম যেখানে প্রতিটি জীব বাচতে পারত,এত দূষন থাকত নাহ।প্রাণ ভরে মানুষও অক্সিজেন নিতে পারত।তবে আফসোস আমরা মানুষেরা নিজেদের প্রয়োজনে পৃথিবীকে এমনভাবে ব্যাবহার করছি যার জন্য আজ ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অসংখ্য জীব বিপন্ন হয়ে যাচ্ছে,আমরাও সম্মুখীন হচ্ছি অসংখ্য বিপর্যয়ের সামনে।আমরাও যদি নিজেদের সাথে সাথে তাদের কথাও ভাবতাম,তাহলে হয়তো আজ পৃথিবী অন্যরকম হতো,সবাই সত্যি এক আচ্ছাদনের নিচেই বেড়ে উঠতাম সমান ভাবে।

লেখনী :সাদমান জায়েদ ও মোহাম্মদ ইরফান।
পোস্টার: সাইফুল্লাহ ফুয়াদ

02/06/2026

"ও যে মানে না মানা...
বিধুর বিকল হয়ে খ্যাপা পবনে,
ফাগুন করিছে হাহা ফুলের বনে..."

প্রেমের অমোঘ শক্তি কোনো বাধার শৃঙ্খলেই আবদ্ধ থাকতে চায় না। হৃদয়ের বুকে যখন ফাগুনের হাওয়া এসে দোলা দেয়, তখন ভেতরের অবাধ অনুভূতিগুলো যেন কোন শাসন মানতে চায় না। বিদায়ের সন্নিকটে এসে যেন সকল যুক্তি হারিয়ে যায় এক তীব্র আকুলতার কাছে।

কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর যেন মনোভুবনের সেই আকুতিকেই প্রকৃতির সুরে বেঁধে পৌঁছে দিতে চান আমাদের হৃদয়ের দুয়ারে, বিশ্বকে জানাতে চান সেই অসহায় হৃদয়ের ব্যাকুলতা। যে ব্যাকুলতা কোনো বারণ শোনে না, কোনো যুক্তির সীমানায় থেমে যায় না; শুধু এক বুক না বলা কথা হয়ে হারিয়ে যায় সময়ের অন্তরালে।

আমাদের প্রিয় কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সেই গান, "ও যে মানে না মানা"-

কন্ঠ :নুসরাত ফেরদৌস অরভিন
লেখনী :সাকিব আবরার খান

"তুমি যে গেছ বলে মোর তরে ত্রিভুবনে কেহ নাই?আমি তো তেমনি কাঁদিয়া ফিরি গো, তেমনি বিলাপ গাই।"ত্রিভুবনে কেউ কারো হয় না। মৃত্...
30/05/2026

"তুমি যে গেছ বলে মোর তরে ত্রিভুবনে কেহ নাই?
আমি তো তেমনি কাঁদিয়া ফিরি গো,
তেমনি বিলাপ গাই।"

ত্রিভুবনে কেউ কারো হয় না। মৃত্যুর পরে সকলেই ভুলে যায়। তবে মৃতদের দলে যোগ হয়েও পৃথিবীতে অমর কীভাবে হওয়া যায় তা দেখিয়ে দিয়ে গেছেন কাজী নজরুল ইসলাম। তিনি সেই বিষাদময় জীবনে থেকে দেখিয়েছেন বাচতে হয় কীভাবে, কীভাবে সংগ্রাম করতে হয়, তিনি তার সাহিত্যের মাধ্যমে শিখিয়েছেন প্রেম এবং দ্রোহের সংজ্ঞা।তিনি তার অনবদ্য কৃতিত্বের জন্যই অমরত্ব অর্জন করে আমাদের মাঝে বেচে থাকবেন অসীম হতে অসীম কালব্যাপী।

চিত্র :জয় মিত্র

Address

Mirpur Road
Dhaka
DHAKACOLLEGE,NEWMARKET,DHAKA-1205

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dhaka College Cultural Club - DCCC posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Establishment

Send a message to Dhaka College Cultural Club - DCCC:

Share