17/11/2024
বিষদ পরিকল্পনা পর্ব পেরিয়ে স্বল্প সময়ের প্রস্তুতি পর্ব, শেষ মুহূর্তের অনিবার্য গন্ডগোল কাটিয়ে অবিলম্বে একটা সমাধান বের করা; হুড়োহুড়ি ছুটোছুটির মাঝে অনুষ্ঠান সঞ্চালনা বা হিসাব মিলাতে গিয়ে বিপাকে পড়া- এসব কিছুই বোধহয় স্বার্থক হয় যখন জুনিয়রদের হাসি দেখে নিজের ঠোঁটে হাসি ফুটে মনের অজান্তেই।
যা বুঝলাম বরণটা আসলে কখনোই কেবলমাত্র নবীনদের জন্য হয় না, আমরা নিজেরাও বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে এত মজা করে, এত ঘটা করে আর কোনো আয়োজন করবো কিনা জানা নেই- তার উপর যখন নিজেদের সিনিয়ররাও সাহায্যের হাত বাড়িয়ে আগিয়ে আসে, তখন যেন ক্ষণিকের আভাসে দেখতে পাই নিজেদের ভবিষ্যৎ। হ্যা, আমরাও তো চাইবো এই সময় ফিরে যেতে, পুনরায় আরেকটা নবীন ব্যাচকে বরণ করে নিতে।
সেই সাথে নবীনদের মাঝে দেখতে পাই নিজেদেরই অতীত, নতুন জায়গার স্বাভাবিক জড়তা,কিছুটা সংকোচ এবং তারই সাথে কৌতূহল- এই বরণ জিনিসটা আবার কি?
কিন্তু সেই অনুজদের দলই যখন আবার আমাদের রুমে বিশাল এক ফুলের তোড়া সহ চিঠি দিয়ে যায়, যে আমাদের জন্য তারা কৃতজ্ঞ; মনে হয় কিছু তো একটা ঠিক করছি, নিজেরাই নিজেদের পিঠ চাপড়াই!
কাপড়ের পটে যখন ফুটে উঠছিল রঙিন ছবি, আমাদের নির্ঘুম চোখে পড়ছিল গাঢ় কালি, সকল ক্লান্তি ভুলে বরণের দিন হেসেছি প্রাণ খুলে, ঢাকের তালে নাচ আর গলায় গলায় গান- আনন্দের সময় শেষে অতঃপর নিজের প্রায় কোনো ছবিই না থাকা, সকলই আমাদের বরণের অংশ। আমাদের পটবরণ ২০২৪।