13/05/2026
একটা চার বছরের ছোট্ট শিশু... যার পৃথিবীটা ছিল শুধু খেলাধুলা আর মিষ্টি হাসিতে ভরা। যে হয়তো ঠিকমতো কথাও গুছিয়ে বলতে পারতো না। সেই নিষ্পাপ শিশুটিও রেহাই পেল না ন/র/প/শু/দের লা/ল/সা/র হাত থেকে! 😢
সিলেটের সদর উপজেলার ছোট্ট ফাহিমা। প্রতিবেশী যে লোকটাকে সে 'চাচা' বলে জানতো, সেই বিশ্বাসী মানুষ রূপী পশু জাকিরই হয়ে উঠলো তার ঘা/ত/ক। নানা প্র/লো/ভ/ন দেখিয়ে নিজের ফাঁকা বাড়িতে ডেকে নিয়ে ছোট্ট ফাহিমাকে পা/শ/বি/ক নি/র্যা/ত/ন করে সে। এরপর গ/লা টি//পে নি/র্ম/ম/ভা//বে হ//ত্যা করে স্ত্রীর ওড়নায় পেঁচিয়ে ছোট্ট শরীরটা ছুঁ//ড়ে ফেলে বাড়ির পাশের ডোবায়!
একবার ভাবুন তো, ওইটুকু একটা শিশু সেই মুহূর্তে কতটা কষ্ট পেয়েছিল? কতটা ভয় পেয়েছিল? য/ন্ত্র/ণা/য় কতটা ছ/ট/ফ//ট করেছিল? ভাবতেই বুকটা কেঁ//পে ওঠে, চোখে জল আটকে রাখা যায় না। 💔
সবচেয়ে বড় ক্ষোভের জায়গা হলো অপরাধীর নির্লজ্জতা। গ্রেপ্তারের পর থানায় দাঁড়িয়ে একেবারে ঠান্ডা মাথায় সে নিজের অপরাধ স্বীকার করেছে। তার কথায়, তার চোখেমুখে অ/নু/তা/পে/র লেশমাত্র ছিল না! আর সবচেয়ে অদ্ভুত লাগে যখন দেখি, এমন জঘন্য একজন অপরাধীকে থানায় যত্ন করে পানি খাইয়ে দেওয়া হচ্ছে! একটা ধ//র্ষ//ক, একটা খুনির জন্য এত কিসের যত্ন? যে পশু একটা ফুলের মতো শিশুকে ছিঁ/ড়ে//খুঁ//ড়ে ডোবায় ফেলে আসতে পারে, তার প্রতি এই তথাকথিত ‘মানবিকতা’ দেখে সত্যিই ঘৃণা হয়।
জাকিরকে গ্রেপ্তারের খবরে বি/ক্ষু/ব্ধ/ এলাকাবাসী যে ক্ষোভ দেখিয়েছে, তার বাড়িতে যে হা/ম/লা পালিয়েছে— তা সাধারণ মানুষের জমে থাকা ক্রোধেরই বহিঃপ্রকাশ। ফাহিমা নামের ওই ছোট্ট পাখিটা আর কোনোদিন মায়ের কোলে ফিরে আসবে না। কিন্তু এই ন/র/প/শু/র যদি দৃষ্টান্তমূলক ও কঠোর বিচার না হয়, তবে আমাদের সমাজ কখনোই নিরাপদ হবে না।
আমরা ফাহিমা হ//ত্যা/র/ ন্যায্য ও কঠোর বিচার চাই! জাকিরের এমন শা/স্তি হওয়া উচিত, যা দেখে ভবিষ্যতে আর কোনো নরপশু কোনো নিষ্পাপ শিশুর দিকে হাত বাড়ানোর আগে হাজারবার ভাবে।
ফাহিমা, ক্ষমা করে দিস মা আমাদের। আমরা তোদের জন্য একটা নিরাপদ পৃথিবী গড়তে পারিনি। 😭
#সিলেট