Osman Miji

Osman Miji প্রতিদিনের সেরা সংবাদ ও গুরুত্বপুর্ন তথ্য পেতে আমার ফেইজ এ লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন। ধন্যবাদ

এই ছোট্র জীবনে যা কিছু পাওয়া, সবই তো প্রভুর দেওয়া। যা কিছু হারিয়েছি তা, সবইতো প্রভুরই চাওয়া
23/09/2022

এই ছোট্র জীবনে যা কিছু পাওয়া, সবই তো প্রভুর দেওয়া।
যা কিছু হারিয়েছি তা, সবইতো প্রভুরই চাওয়া

টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য টাইগারদের দল ঘোষণা করেছে বিসিবি। দলে নেই রিয়াদ, থাকছেন শান্ত ও সাব্বির।অভিজ্ঞতা বলতে শুধু সা...
14/09/2022

টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য টাইগারদের দল ঘোষণা করেছে বিসিবি। দলে নেই রিয়াদ, থাকছেন শান্ত ও সাব্বির।
অভিজ্ঞতা বলতে শুধু সাকিব আর সৌম্য।

চট্টগ্রামের রাউজানে বাজারের একটি হোটেলে বসলাম। লক্ষ্য ছিলো সিংগাড়া খাবো।  লোভে পড়ে খাই। আমি সব সময় হোটেল-রেস্টুরেন্টের এ...
12/09/2022

চট্টগ্রামের রাউজানে বাজারের একটি হোটেলে বসলাম। লক্ষ্য ছিলো সিংগাড়া খাবো। লোভে পড়ে খাই।

আমি সব সময় হোটেল-রেস্টুরেন্টের এক কোণায় গিয়ে বসি। একটু লুকিয়ে থাকার ইচ্ছে আরকি। আমি অবশ্যই অন্তর্মুখী মানুষ।

গতকাল কোণার টেবিল ফাঁকা না থাকায় ম্যানাজারের খুব কাছের একটি টেবিলে বসলাম। তার সব কথা শুনতে পাচ্ছিলাম।

একজন বয়োঃবৃদ্ধা ভিক্ষুক এলেন। কাতর কন্ঠে বললেন, "বাবা, খুব ক্ষুধা লেগেছে। কিছু খেতে দিতে পারো?"

ম্যানেজার একটা টেবিল দেখিয়ে বললেন, "ঐ জায়গায় গিয়ে বসেন খালা।"

তারপর চিৎকার দিয়ে বললেন, "খালাকে এক প্লেট খিচুড়ি দে।"

আমি মুগ্ধ হয়ে দেখছিলাম। ছোট্ট হোটেল। তেমন বেচাকেনা হয় বলেও মনে হলো না।

দুই তিন মিনিটের মধ্যেই আরো একজন বৃদ্ধা ভিক্ষুক ভিক্ষা নিতে এলেন। ম্যানেজার বললেন, "খাওয়া দাওয়া হয়েছে খালা?"

খালাকে নিশ্চুপ দেখে আগের খালার পাশের চেয়ারে বসালেন এবং তাকেও এক প্লেট খিচুড়ি দেওয়া হলো। দুই জন ক্লান্ত পরিশ্রান্ত বয়োঃবৃদ্ধাকে খেতে দেখে কী যে ভালো লাগছিলো!

এরপর আরো একজন বয়োঃবৃদ্ধা ভিক্ষুক এলেন। ম্যানাজারের সামনে দাঁড়ালেন। বললেন, "বাবা, ভিক্ষা করতে এসেছিলাম। তেমন ভিক্ষা পাইনি আজ। বাড়ি যাওয়ার ভাড়া নেই। ভাড়াটা দিতে পারো।"

ম্যানাজার বললো, "আমার তেমন বিক্রি হয়নি খালা। আপনি বরং একটু খেয়ে যান। দেখেন কেউ ভাড়াটা দিতে পারে কিনা।"

এতোক্ষণ যে বয়টি খাবার পরিবেশন করছিলো সে বললো, "খালা কয় টাকা ভাড়া লাগে বাড়ি যেতে?"

-১৫ টাকা বাবা।

হোটেল বয়টি পকেট থেকে ২০ টাকার একটা নোট বের করে খালার হাতে দিয়ে বললেন, "নেন, এটা রাখেন। একটু খিচুড়ি খেয়ে বাড়ি যান। আমি খিচুড়ি দিচ্ছি।"

হোটেল ম্যানাজার হাসতে হাসতে বললেন, "শালা যেমন ম্যানাজার, তেমন তার কর্মচারীরা! কেউ মানুষকে ফিরাতে জানে না।"

তারপর বললেন, "শোন, কোন ভিক্ষুক যেন খেতে এসে না ফিরে যায়। সবাইকে খাওয়াবি।"

আমি সব দেখছিলাম। মাথা নিচু করে বসে আছি। চোখ ঝাপসা হয়ে আসছে। মনের ভেতর তোলপাড় চলছে।

ম্যানাজারকে এক সময় কাছে গিয়ে ফিসফিস করে বললাম, "ভাই, আপনার ঐ কর্মচারী ছেলেটি সম্পর্কে আমাকে একটু বলুন তো প্লিজ। কয় টাকা বেতন দেন ওকে।"

- ব্যবসা তো তেমন চলে না ভাই। সারাদিন হোটেল খোলা। রাত নয়টা পর্যন্ত। ওকে ১২০ টাকা দিই।

- বাড়িতে কে কে আছে ওর?

- কেউ নেই তেমন। মা মারা গেছে। বাবা আরেকটি বিয়ে করেছে। ওর নানা-নানি বয়স্ক হয়ে গেছে। কোন কাজ করতে পারে না। এই ছেলেটি কাজ করে নানা-নানিকে খাওয়ায়।

আমার কাছে এবার অনেক কিছু পরিস্কার হয়ে গেল। সারাজীবন ভালোবাসা, মায়া, স্নেহ বঞ্চিত বলেই, এই ছেলেটার হৃদয় ভালোবাসা আর মায়ায় পরিপূর্ণ।

ছোট্ট ছেলেটিকে কাছে ডাকলাম। বললাম, "লেখাপড়া করেছো?"

- না স্যার।

- ঢাকার দিকে কোন কাজ ম্যানেজ করে দিলে যাবা? একটু বেশি বেতনের?

- নানা-নানি চলতে পারে না। তাদের গোসল করার পানি তুলে দিতে হয়। টয়লেটের, অযুর। খাওয়ার রান্না করতে হয়। আমি এদের রেখে যেতে পারবো না স্যার।

আরো কিছুক্ষণ কথা বলে ফিরে এসেছি। মনটা কেমন ভার হয়ে আছে। ছেলেটা সারাদিন কাজ করে একশত কুড়ি টাকা পায়। তিন জন মানুষের সংসার। কীভাবে চলে! এর থেকে সে আবার অসহায়দের দান করে!

মন খারাপ হলে আমি আল-কুরআন খুলে বসি। আজও কুরআনুল কারীম খুলতেই সূরা আল-বাকারার একটি আয়াতে চোখ আটকে গেল। "এরা নিজেদের রিজিক থেকে অসহায়দের দান করে.. "

আমি আয়াতটির তাফসীর পড়া শুরু করলাম। সেখানে লেখা, "মানুষের এমন পরিমাণ দান করা উচিত, যাতে তার নিজের খাবারে টান পড়ে।"

মনের মধ্যে তোলপাড় হচ্ছে। নিজের খাবারে টান পড়া মানে, গোশত খেতাম, দান করার কারণে এখন মাছ খেতে হচ্ছে। দুই প্লেট ভাত খেতাম এখন এক প্লেট খেতে হচ্ছে।

কী অদ্ভুতভাবে আয়াতটি আমার কাছে খুলে যাচ্ছে! তাবুক যুদ্ধের সময় আল্লাহর রাসূল মুহাম্মদ(সাঃ) বললেন, "আজ কে বেশি দান করতে পারো দেখি?"

উসমান (রাঃ) একশত উট দিয়েছিলেন। উমর (রাঃ) তার সম্পদের অর্ধেক দিয়েছিলেন। আবু বকর (রাঃ) দিয়েছিলেন এক মুষ্টি খেজুর বা একটু যব জাতীয় কিছু আর তার বাড়িতে ঐটুকু সম্পদই ছিলো।

রাসূল (সাঃ) যা বলেছিলেন তার সারমর্ম হলো, আবু বকর সিদ্দিক (রাঃ) দানে প্রথম হয়েছে। সে তার সম্পদের শতভাগ দিয়েছে।

আমার চোখে ইসলামের ইতিহাসের সেই সোনালী দিন, আজকের ঐ হোটেল কর্মচারী আর আল-কুরআনের আয়াত "তারা রিজিক থেকে অসহায়দের দান করে" এই বিষয়গুলো এক অসহ্য ভালোলাগার এবং পরিতাপের বিষয় হয়ে উঠলো। কী করতে পারলাম জীবনে ভাবতে গিয়ে চোখ থেকে টপ টপ করে কয়েক ফোঁটা পানি পড়লো আল-কুরআনের পাতায়।

আমি তাড়াতাড়ি কুরআনুল কারীম বন্ধ করে আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকলাম। আরশে আজীম থেকে আল্লাহ তায়ালাও নিশ্চয় আমার দিকে তাকিয়ে আছেন। কোন কিছুই তো তার দৃষ্টির আড়ালে নয়।

- [সংগৃহীত]

একটা লোক প্রতিদিন এক বৃদ্ধার কাছ থেকে আপেল কিনে নিয়ে যেতো। আপেল কেনার পর লোকটি প্রতিদিনের মতো একটা আপেল বের করে বলতো, আপ...
05/09/2022

একটা লোক প্রতিদিন এক বৃদ্ধার কাছ থেকে আপেল কিনে নিয়ে যেতো। আপেল কেনার পর লোকটি প্রতিদিনের মতো একটা আপেল বের করে বলতো, আপনার আপেলগুলো আজও পানসে, একদম মিষ্টি না! এই নেন একটা খেয়ে দেখুন।
এই বলে নিজের কেনা আপেল থেকে একটা আপেল বৃদ্ধার দিকে বাড়িয়ে দেয়। বৃদ্ধা আপেলটা খেয়ে যে মাত্র বলবে মিষ্টি ঠিকঠাক আছে তখনি লোকটি চলে যায়।

লোকটির সাথে প্রতিদিনকার মতো আজকেও তার স্ত্রী আছে। হাঁটতে হাঁটতে স্ত্রী বলো, তুমি প্রতিদিন মিথ্যা বলো কেন? আমি আপেলগুলো খেয়ে দেখেছি! বেশ ভালো এবং মিষ্টি।

লোকটি বললো, আসলে আপেলগুলো মিষ্টি আমি জানি। কিন্তু তুমি দেখনি বৃদ্ধার চেহেরা! অনেক কষ্টে তার পেটের খাবার জোটে। আমি না হয় প্রতিদিন মিথ্যা বলে নিজের ভাগের একটা করে আপেল তাকে দিয়ে দেই।

এদিকে আপেল বিক্রি করা বৃদ্ধার পাশে বসেন এক তরকারি বিক্রেতা। তিনি প্রতিদিন এই ব্যপারটা লক্ষ্য করেন। আজকে হঠাৎ বৃদ্ধাকে বললেন, আমি প্রতিদিন লক্ষ্য করি আপনি ওই লোকটাকে নিদিষ্ট ওজনের চেয়ে একটু বেশি আপেল বাড়িয়ে দেন!

বৃদ্ধা হেসে বললো, আমি জানি সে প্রতিদিন আমাকে মিথ্যা বলে একটা খাইয়ে দিয়ে চলে যায়। সে মনে করেছে আমি তা বুঝিনা।
তার প্রতি ভালোবাসা রেখে আমার ওজনের পাল্লাটাও নিজে নিজে ঢলে পড়ে।

কিছু কিছু মায়া, মমতা, ভালোবাসাগুলো বর্ণনা করে বুঝানো যায়না। এগুলো টাকার পরিমাণেও মাপা যায়না। এগুলো শুধু অনুভব করা যায়।
এরকম আড়ালে আমরা অনেকেই অনেকের কেয়ার করি কিন্তু কেউ কাউকে বুঝতে দেইনা।
বেঁচে থাকুক আড়ালে ভালোবাসা গুলো ।

_সিগারেট হারাম.!❌খায় ডান হাতে•!                                    _পানি হালাল•!✅                                      ...
05/09/2022

_সিগারেট হারাম.!❌
খায় ডান হাতে•!

_পানি হালাল•!✅
খায় বাম হাতে•🚫

_বিয়ে হালাল•!🥰
করে অর্ধেক বয়স চলে গেলে•❌

_প্রেম হারাম•❌
করে বাচ্চা কাল থেকে‼️

_যৌতুক হারাম•❌
নেয় ওপেনে•‼️
দেন মোহর হালাল•✅
মাফ চায় গোপনে•🚫

এই হলো বর্তমান সময়ের অবস্থা।✅💔

__আল্লাহ আমাদের সবাইকে সঠিক বুঝ দান করুক।- আমিন

04/09/2022

আলহামদুলিল্লাহ 😍
আল্লাহ সুস্থ রেখেছেন

নারায়ে তাকবীর, আল্লাহু আকবার
09/02/2022

নারায়ে তাকবীর, আল্লাহু আকবার

31/01/2022

যাদের হৃদয়ে আছে আল্লাহর ভয়,তারা কভু পথ ভুলে যায়না।
আল্লাহর প্রেম ছাড়া এই ভুবনে, কারো কাছে কোনো কিছু চায়না।

10/01/2022

আপাতত বন্ধ হচ্ছেনা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এইমাত্র পাওয়া। আজকের খবর
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ নিয়ে চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানালেন শিক্ষামন্ত্রী ড. দীপু মনি।
#আজকের_খবর #করোনা_পরিস্থিতি

subscribe YouTube Channel: youtube.com/otvonlinebd

দেশে করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পেলেও আপাতত বন্ধ হচ্ছে না শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত আকারে শিক্ষার্থীদের সশরীরে ক্লাসে পাঠদান করানো হবে।

রবিবার কোভিড-১৯ সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বৈঠক শেষে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি।

কারিগরি পরামর্শক কমিটির সদস্য, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ভাইরোলজিস্ট অধ্যাপক ডা. নজরুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সভা সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে যেভাবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত আকারে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শ্রেণি পাঠদান করানো হচ্ছে সেভাবে পাঠদান অব্যাহত থাকবে। ওমিক্রন পরিস্থিতি বিস্তার হলেও আপাতত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হবে না।

অধ্যাপক ডা. নজরুল ইসলাম বলেন, বৈঠকে বিধিনিষেধসহ অনেক বিষয়েই আলোচনা হয়েছে।

এরমধ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নিয়ে দীর্ঘক্ষণ আলোচনা হয়েছে। সবশেষে আপাতত বিধিনিষেধ এলেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা রাখার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, প্রথমে এক সপ্তাহ দেখা হবে। ওই সপ্তাহের পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করে পরবর্তীতে করণীয় ঠিক হবে।

বৈঠকের সকল সিদ্ধান্ত নিয়ে সোমবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি ব্রিফ হবে। সেখানে বিস্তারিত সকল কিছু জানানো হবে।

জানা গেছে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা রেখে শিক্ষার্থীদের ভ্যাকসিনেশনের প্রতি জোর দেওয়া হবে। যারা টিকা নিয়েছে তারা সশরীরে ক্লাসে উপস্থিত হবে। যারা এখনো টিকা নিতে পারেনি তারা বাসায় বসে অনলাইনে ক্লাসে যুক্ত হবে।

মহিলাদের ডেলিভারিতে কেন পুরুষ ডাক্তার?             -------------আপনার, আমার মা -বোন -স্ত্রী-কন্যাদের দিকে কেউ তাকালে তার...
09/12/2021

মহিলাদের ডেলিভারিতে কেন পুরুষ ডাক্তার?
-------------
আপনার, আমার মা -বোন -স্ত্রী-কন্যাদের দিকে কেউ তাকালে তার চোখ উপড়ে ফেলার অবস্থা হয়। কিন্তু একজন ডাক্তার ই,সি,জি করার সময় নারীর বুকে হাত দিচ্ছে, আল্ট্রা করতে তল পেটে হাত দিচ্ছে। ডেলিভারি করার সময় লজ্জা স্থানে🤐🤐কিন্তু কেন? এর কি কোনো প্রতিকার নেই?প্রতিটা হাসপাতালের দিকে তাকালে দেখা যায় মহিলা রুগি সবচেয়ে বেশি ।
চিকিৎসার খাতিরে মা বোনেরা নিজের ইজ্জত আব্রু খুলে দেখাতে হচ্ছে একটা পরপুরুষ কে😥😥তাই মা-বোনদের ইজ্জত রক্ষার্থে মহিলাদের সকল প্রকার চেকআপ ও ডেলিভারি তে মহিলা ডাক্তার অতিব প্রয়োজন । সবাইকে সচেতন ও স্বোচ্ছার হওয়ার আহবান জানাই।

সংগৃহীত

08/12/2021

গানের গলা আসলেই সুন্দর।
#টাকলুমুরাদ
#টাকলামুরাদ

Address

Dhaka
1217

Telephone

+8801867902062

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Osman Miji posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Establishment

Send a message to Osman Miji:

Share