অনিন্দ্য আবৃত্তি পর্ষদ

অনিন্দ্য আবৃত্তি পর্ষদ অনিন্দ্য আবৃত্তি পর্ষদ - একটি অনলাইন ভিত্তিক আবৃত্তি সংগঠন ।

 #প্রিয়_কবিতা
26/07/2026

#প্রিয়_কবিতা

কবি ভাস্কর চৌধুরীর মৃত্যুতে অনিন্দ্য আবৃত্তি পর্ষদ গভীরভাবে শোকাহত।আমরা কবির বিদেহী আত্মার চিরশান্তি কামনা করছি ও তার শো...
28/06/2026

কবি ভাস্কর চৌধুরীর মৃত্যুতে অনিন্দ্য আবৃত্তি পর্ষদ গভীরভাবে শোকাহত।
আমরা কবির বিদেহী আত্মার চিরশান্তি কামনা করছি ও তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি রইল আমাদের আন্তরিক সমবেদনা ।

উল্লেখ্য সত্তরের দশক থেকে লেখালেখি শুরু করা এই কবি ও সাহিত্যিক প্রধানত বরেন্দ্র অঞ্চলের মাটি ও মানুষের জীবনধারা নিয়ে সাহিত্যচর্চা করেছেন। তার কবিতা "আমার বন্ধু নিরঞ্জন" এবং উপন্যাস "ধনসা মাতি ও তার জীবনবৃক্ষ" ব্যাপক পাঠকপ্রিয়তা লাভ করেছে।
Vashkar Chowdhury

27/06/2026

আসুন জেনে নিই আপনার প্রিয় তিনজন বাঙালী কবির নাম।
লিখুন কমেন্ট বক্সে।

26/06/2026

মুহররম
___কাজী নজরুল ইসলাম

নীল সিয়া আসমান লালে লাল দুনিয়া –
আম্মা লাল তেরী খুন কিয়া খুনিয়া,
কাঁদে কোন ক্রন্দসী কারবালা ফোরাতে?
সে কাঁদনে আঁসু আনে সিমারের ও ছোঁরাতে।
রূদ্ধ মাতম ওঠে দুনিয়া দামেস্কে –
জয়নালে পরালো এ খুনিয়ারা বেশ কে ?
হায় হায় হোসেনা ওঠে রোল ঝঞ্ঝায়,
তলোয়ার কেঁপে ওঠে এজিদের-ও পান্জায়
উন্মাদ দুলদুল ছুটে ফেরে মদিনায়
আলীযাদা হোসেনের দেখা হোথা যদি পায় !

মা ফাতিমা আসমানে কাঁদে খুলি কেশপাশ
বেটাদের লাশ নিয়ে বধুদের শ্বেতবাস
রণে যায় কাশিম ঐ দু’ঘড়ির নওশা
মেহেদির রং টুকু মুছে গেল সহসা –
হায় হায় কাঁদে বায় পূরবী ও দখিনা
কঙ্কন-পৈঁচী খুলে ফেল সকিনা

কাঁদে কে রে কোলে করে কাশেমের কাটা শির
খান খান খুন হয়ে ক্ষরে বুক ফাঁটা নীর
কেঁদে গেছে থামি হেথা মৃত্য ও রুদ্ধ
বিশ্বের ব্যাথা যেন বালিকা এ ক্ষুদ্র
গড়াগড়ি দিয়ে কাঁদে কচি মেয়ে ফাতিমা
আম্মাগো পানি দাও ফেঁটে গেল ছাতি মা
নিয়ে তৃষা সাহারার দুনিয়ার হাহাকার
কারবালা প্রান্তরে কাঁদে বাছা আহা কার !
দুই হাত কাটা তবু শের-নর আব্বাস
পানি আনে মুখে হাঁকে দুশমন-ও ‘সাব্বাস’ ।

দ্রিম দ্রিম বাজে ঘন দুন্দুভী দামামা
হাকে বীর ‘শীর দেগা নেহী দেগা আমামা’
কলিজা কাবাব সম ভূনে মরু রোদ্দুর
খাঁ খাঁ করে কারবালা নাই পানি খজ্জুর্র
মার স্তনে দুধ নাই বাচ্চারা তড়পায়
জিভ চুষে কচি জান থাকে কিরে ধড়টায় ?
দাউ দাউ জ্বলে শিরে কারবালা ভাষ্কর
কাঁদে বানু পানি দেও মরে যাদু আসগর
পেলনা তো পানি শিশু পিয়ে গেল কাঁচা খুন
ডাকে মাতা ‘পানি দেব ফিরে আয় বাছা শোন -‘

পুত্র হীনা আর বিধবার কাঁদনে
ছিড়ে আনে মর্মের বত্রিশ বাঁধনে
তাম্বুতে সিজদায় কাঁদে একা জয়নাল
দাদা তেরী ঘর কিয়া বরবাদ পয়মাল
হায়দরী হাঁক হাঁকে দুল দুল আসওয়ার
শমশের চমকায় দুশমনে ত্রাসবার
খসে পড়ে হাত হতে শত্রুর তরবার
ভাসে চোখে কিয়ামতে আল্লার দরবার।

নিঃশ্বেষ দুশমন – ও কে রণশ্রান্ত
ফোরাতের নীরে নেমে মুছে আখি প্রান্ত?
কোথা বাবা আসগর শোকে বুক ঝাঁঝরা
পানি দেখে হোসেনের ফেঁটে যায় পাঁজরা
ধুঁকে ম’লো আহা তবু পানি এক কাতরা
দেয়নি রে বাছাদের মুখে কম-জাতরা
অঞ্জলী হতে পানি পড়ে গেল ঝর ঝর
লূটে ভূমে মহাবাহু খন্জর জর্জর।
হলকুমে হানে তেগ ওকে বসে ছাতিতে ?
আফতাব ছেয়ে গেল আধীয়ার রাতিতে !

আসমান ভরে গেল গোধুলীতে দুপুরে
লাল নীল খুন ঝরে ফোরাতের উপরে
বেটাদের লহুরাঙ্গা পীরহান হাতে আহ্
আরশের পায়া ধরে কাঁদে মাতা ফাতেমা
এয়্ খোদা বদলাতে বেটাদের রক্তের
মার্জনা কর গোনা পাপী কম বখতের !

কত মোহররম এল গেল চলে গেল বহু কাল
ভুলিনি গো আজো সেই শহীদের লহু-লাল
মুসলিম তোরা আজ জয়নাল আবেদীন
ওয়া হোসেনা ওয়া হোসেনা কেঁদে তাই যাবে দিন ?
ফিরে এল আজ সেই মহরম মাহিনা
ত্যাগ চাই মর্সিয়া ক্রন্দন চাহিনা।
উষ্ণীষ কোরআনের হাতে তেগ আরবীর
দুনিয়াতে নত নয় মুসলিম কারো শির।
তবে শোন ঐ শোন বাজে কোথা দামামা !
শমশের হাতে নাও বাঁধ বুকে আমামা
বেজেছে নাকাড়া হাঁকে নাকিবের তুর্য
হুশিয়ার ইসলাম ডুবে তব সুর্য্য
জাগো ওঠো মুসলিম হাঁকো হায়দরী হাঁক
শহীদের দিনে সব লালে লাল হয়ে যাক।

নওশার সাজ নাও খুন খচা আস্তিন
ময়দানে লুটাতে রে লাশ, এই খাস দিন
হাসানের মত পিব পিয়ালা সে জহরের
হোসেনের মত নিব বুকে ছুরি কহরের
আসগর সম দিব বাচ্চারে কোরবান
জালিমের দাঁদ নেব দেব আজ গোর জান
সখিনার শ্বেত বাস দেব মাতা কন্যায়
কাশিমের মত দেব জান, রূধি অন্যায়
মহরম কারবালা কাঁদে হায় হোসেনা
দেখ মরূ সুর্য্য এ খুন যেন শোষেনা !

১০ মহররম ১৪৪৮ হিজরী
২০ জুন ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ

"মাঝে মাঝে তব দেখা পাই " - অনেকেই জানেন না যে, এই গানটি রবীন্দ্রনাথের পূজা /প্রার্থনা পর্বের গান।  এই গানটিকে হাল-ফ্যাশা...
25/05/2026

"মাঝে মাঝে তব দেখা পাই " - অনেকেই জানেন না যে, এই গানটি রবীন্দ্রনাথের পূজা /প্রার্থনা পর্বের গান। এই গানটিকে হাল-ফ্যাশানের প্রেমের গান মনে করা ভীষণ ভুল হচ্ছে।

26/03/2026

সবাইকে মহান স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা।

20/03/2026

সকল বন্ধু ও সুহৃদকে
জানাই
ঈদ মোবারক!

***"কপি নয়, শেয়ার করুন"***© অনিন্দ্য আবৃত্তি পর্ষদ  "আবৃত্তি কেবল সুন্দর করে কবিতা পড়া নয়, এটি নিজের ব্যক্তিত্বকে শাণিত ...
06/03/2026

***"কপি নয়, শেয়ার করুন"***
© অনিন্দ্য আবৃত্তি পর্ষদ

"আবৃত্তি কেবল সুন্দর করে কবিতা পড়া নয়, এটি নিজের ব্যক্তিত্বকে শাণিত করার একটি শক্তিশালী মাধ্যম। আপনি যদি আবৃত্তি চর্চা শুরু করেন, তবে দৈনন্দিন জীবনে এর বেশ কিছু বাস্তবমুখী সুফল পাবেন।

আবৃত্তি শেখার ১০টি উল্লেখযোগ্য উপকারিতা নিচে তুলে ধরা হলো:

১. প্রমিত ও শুদ্ধ উচ্চারণ
আবৃত্তির প্রথম শর্তই হলো শব্দের সঠিক উচ্চারণ। নিয়মিত চর্চায় আঞ্চলিকতা দূর হয় এবং প্রতিটি বর্ণের সঠিক উচ্চারণ আয়ত্তে আসে, যা আপনাকে যেকোনো জায়গায় মার্জিতভাবে কথা বলতে সাহায্য করে।

২. আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি
জনসম্মুখে বা স্টেজে দাঁড়িয়ে কথা বলার ভয় (Stage Fright) কাটাতে আবৃত্তি জাদুর মতো কাজ করে। এটি আপনার জড়তা কাটিয়ে মানুষের সামনে আত্মবিশ্বাসের সাথে নিজেকে উপস্থাপনের সাহস জোগায়।

৩. শ্বাস-প্রশ্বাসের নিয়ন্ত্রণ ও ফুসফুসের কার্যকারিতা
আবৃত্তির সময় দীর্ঘক্ষণ শ্বাস ধরে রাখা এবং পরিমিতভাবে তা ছাড়ার প্রয়োজন হয়। এটি এক ধরনের চমৎকার শ্বাস-ব্যায়াম, যা ফুসফুসকে শক্তিশালী করে এবং স্নায়ুকে শান্ত রাখতে সাহায্য করে।

৪. কণ্ঠস্বরের গভীরতা ও পরিমিতি
কোথায় উচ্চস্বরে বলতে হবে আর কোথায় স্বর নিচু করতে হবে—আবৃত্তি এই কৌশলটি শেখায়। এর ফলে আপনার কণ্ঠস্বর আরও শ্রুতিমধুর ও নিয়ন্ত্রণযোগ্য হয়ে ওঠে।

৫. শব্দভাণ্ডার ও ভাষাজ্ঞান
আবৃত্তি করতে গিয়ে আপনাকে প্রচুর উন্নতমানের কবিতা ও সাহিত্য পড়তে হয়। এতে অনেক নতুন শব্দের সাথে পরিচয় ঘটে, যা আপনার ব্যক্তিগত ও পেশাদার জীবনে ভাব প্রকাশের ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়।

৬. প্রখর স্মৃতিশক্তি
দীর্ঘ কবিতা বা ছন্দের পঙ্ক্তিগুলো মনে রাখার অভ্যাস মস্তিষ্কের ব্যায়াম হিসেবে কাজ করে। এটি তথ্য মনে রাখার ক্ষমতা বা মেমোরি রিটেনশন উন্নত করতে দারুণ কার্যকর।

৭. আবেগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রকাশভঙ্গি
কবিতার ভাব বুঝে তাতে আবেগ মিশিয়ে পাঠ করতে হয়। এটি আপনার ভেতরের সূক্ষ্ম অনুভূতিগুলোকে প্রকাশ করতে এবং অন্যের আবেগ বুঝতে (Empathy) সাহায্য করে।

৮. ধৈর্য ও একাগ্রতা বৃদ্ধি
একটি কবিতাকে পূর্ণাঙ্গ রূপ দিতে অনেক সময় ও ধৈর্যের প্রয়োজন হয়। শব্দের কাটাছেঁড়া আর বারংবার অনুশীলনের মাধ্যমে আপনার মনোযোগ দেওয়ার ক্ষমতা বা ফোকাস বৃদ্ধি পায়।

৯. ব্যক্তিত্বের বিকাশ
একজন ভালো আবৃত্তিকারের কথা বলার ধরন এবং শরীরী ভাষা (Body Language) অন্যদের থেকে আলাদা ও আকর্ষণীয় হয়। এটি আপনার সামগ্রিক ব্যক্তিত্বে একটি আভিজাত্য নিয়ে আসে।

১০. মানসিক প্রশান্তি ও বিনোদন
যান্ত্রিক জীবনের ক্লান্তি দূর করতে আবৃত্তি একটি চমৎকার শখ হতে পারে। সুন্দর ছন্দ আর শব্দের ঝংকার মনের চাপ কমিয়ে প্রশান্তি দেয়।

> মনে রাখবেন: আবৃত্তি কেবল মঞ্চের জন্য নয়, এটি নিজেকে নতুনভাবে আবিষ্কার করার একটি পথ।"

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when অনিন্দ্য আবৃত্তি পর্ষদ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share