FAHAD

FAHAD আমার যা ভালো লাগে আমি তাই পোষ্ট করি কা?

24/05/2020

🔴♥ঈদ মোবারক♥🔴

সবাইকে ইদূল ফিতরের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন
❤💝

জরুরী বার্তা....আজ  ২১-০৫-২০২০ থেকে ঢাকা থেকে বের হতে এবং ঢাকায় ঢুকতে হলে মুভমেন্ট পাশ লাগবে। চলমান পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ...
21/05/2020

জরুরী বার্তা....

আজ ২১-০৫-২০২০ থেকে ঢাকা থেকে বের হতে এবং ঢাকায় ঢুকতে হলে মুভমেন্ট পাশ লাগবে। চলমান পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ পুলিশ অনলাইনে আবেদনের মাধ্যমে যথোপযুক্ত কারণ দেখিয়ে বাইরে যাবার পারমিশন দিচ্ছে। আবেদনের ঠিকানা-

https://movementpass.police.gov.bd

উক্ত লিংকে ঢুকে মুভমেন্ট পাসের জন্য আবেদন করতে হবে। মুভমেন্ট পাস ক্লিক করে আপনার মোবাইল নাম্বারটি প্রবেশ করাতে হবে। অতঃপর আপনার মোবাইলে একটি ওটিপি চলে যাবে। ওটিপি প্রবেশ করালে আপনি পাস এর জন্য আবেদন করতে পারবেন।

Abir Exclusive ...

মুভমেন্ট পাস এর জন্য কি কি লাগবে?
১. যে থানা এলাকা থেকে যাবেন
২. যে থানা এলাকায় যাবেন
৩. আপনার নাম
৪. লিঙ্গ
৫. বয়স
৬. ভ্রমণের কারণ
৭. পাস ব্যবহারের তারিখ ও সময়
৮. পাশের মেয়াদ শেষের তারিখ ও সময়
৯. পরিচয় পত্র
১০. নিজস্ব গাড়ি কি
১১. আপনার ছবি

যে সকল কারণে আপনি বাইরে যেতে পারবেন:
১. মুদি মালামাল কেনাকাটা
২. কাঁচা বাজার
৩. ঔষধ ক্রয়
৪. চিকিৎসা
৫. চাকরি
৬. কৃষিকাজ
৭. পণ্য পরিবহন
৮. পণ্য সরবরাহ
৯. ত্রাণ বিতরণ
১০. পাইকারি/খুচরা ক্রয়
১১. পর্যটন
১২. মৃতদেহ সৎকার
১৩. ব্যবসা
১৪. অন্যান্য

পরিচয় পত্র হিসেবে কি কি ব্যবহার করা যাবে?
১. জাতীয় পরিচয় পত্র
২. ড্রাইভিং লাইসেন্স
৩. পাসপোর্ট
৪. জন্ম নিবন্ধন
৫. স্টুডেন্ট আইডি

আপনাকে প্রতিবার যাতায়াতের জন্য পাস নিতে হবে, একটি পাস একবার ব্যবহারযোগ্য। যাওয়া এবং আসার জন্য দুইটি আলাদা পাসের আবেদন করুন।

সঠিক ভাবে আবেদন করা হলে মুভমেন্ট পাস পেয়ে যাবেন। পুলিশ চেকপোস্টে এ উক্ত পাসটি দেখাবেন।

Abir Exclusive ...

আপনার পরিবার ও আপনজন যেন করোনাভাইরাস এর ভয়াবহতা থেকে মুক্ত থাকে সে কারণে আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে সকলকে আইন মেনে ভ্রমণ করার জন্য বিনীত অনুরোধ করছি।

05/05/2020
16/04/2020
 #লকডাউন করবেন ভালো কথা দেখে শুনে করবে,যেন বাঁশ খোলার আগে জরুরী রোগী মরে না যায়।
07/04/2020

#লকডাউন করবেন ভালো কথা দেখে শুনে করবে,যেন বাঁশ খোলার আগে জরুরী রোগী মরে না যায়।

২৫শে জুন, ২০২০লকডাউনের আজ নব্বই দিন হলো। বিগত বাইশ দিন ফ্ল্যাটের বাইরে পা রাখিনি। গতকাল থেকে পেটে কিছু পড়েনি। শুধু বাচ্চ...
06/04/2020

২৫শে জুন, ২০২০

লকডাউনের আজ নব্বই দিন হলো। বিগত বাইশ দিন ফ্ল্যাটের বাইরে পা রাখিনি। গতকাল থেকে পেটে কিছু পড়েনি। শুধু বাচ্চাটার জন্য একটু ভাত বাঁচিয়ে রেখেছিলাম, নুন দিয়ে মেখে ওর মা খাইয়ে দিয়েছে। জানালা দিয়ে তাকালে বাইরে কবরস্থানের নিস্তব্ধতা। রাস্তায় স্তুপাকৃতি জঞ্জাল।

সাফাই করার লোক নেই। সপ্তাহে একদিন আসে। ওদের বস্তিতে অধিকাংশই করোনা আক্রান্ত। শুনছি অনেক জায়গায় রাস্তায় পড়ে আছে মৃতদেহ, কবর কে দিবে। সরকারি গাড়ি মাঝে মাঝে এসে তুলে নিয়ে জ্বালিয়ে দিয়ে আসছে

সরকারি হাসপাতাল গুলোতে পিলপিল করছে রুগী। টিভিতে আজকাল মাঝেমধ্যেই পুরোনো খবর দেখায়। সাংবাদিক খুব একটা বেচে নেই। খবর দেবে কে?

আমাদের সোসাইটির ছত্রিশটা পরিবারের মধ্যে আমাদের নিয়ে বারোটি পরিবার এখনো টিকে আছি। বাকিরা সরকারি হাসপাতালে বন্দী, অথবা কবরস্থানে, শ্মশানে ছাই হয়ে উড়ে গেছে।

সারাদিনে দু'ঘন্টা বিদ্যুৎ পাচ্ছি। পাম্প চালানোর সিকিউরিটি নেই। নিজেদেরই গিয়ে চালাতে হচ্ছে। বস্তিগুলো খাঁ খাঁ করছে। ওরাই প্রথমদিকে সবচেয়ে বেশি রাস্তায় বেরোত। ওখান থেকেই করোনার আউটব্রেক শুরু হয়।

তারপর যা ভাবা হয়েছিল, তার চেয়েও বহুগুণ বেশী হারে ছড়িয়েছে covid-19। সারা দেশে এক চিত্র। দেশের জনসংখ্যার চল্লিশ শতাংশ আক্রান্ত। মৃত্যু কোটি ছাড়িয়েছে, সরকারি পরিসংখ্যান এই। সরকার যতদিন পেরেছে হাসপাতালে ভরেছে, এখন বলছে বাড়িতেই থাকতে, কোনও ওষুধ নেই। রোজকার ওষুধগুলোও আর পাচ্ছি না। করোনায় না মরলেও সুগার, প্রেশারে মরছে লোকজন। দেশে হাহাকার পরিস্থিতি।

সরকার হাল ছেড়ে দিয়েছে। বিদেশি বিভিন্ন টিভি চ্যানেলে বলছে প্রচন্ড ঘন বসতিপূর্ণ এলাকায় লোকজন সাবধানতা অবলম্বন করলে এই আউটব্রেক হোত না। তারা নিয়মিত জমায়েত, আড্ডা সব কিছু করে গেছে সরকারি নিষেধাজ্ঞার তোয়াক্কা না করে। যার ফল এই মহামারী। জুন' মাসের এই অসহ্য গরমে দিনে দু'ঘন্টা বিদ্যুৎ। ইন্টারনেট পরিষেবা খুবই খারাপ। অত্যন্ত স্লো চলছে নেট।

সবচেয়ে মুশকিল হোল মানুষ এখন পেটের টানে মরিয়া হয়ে উঠে বাইরে বেরিয়ে পড়তে চাইছে। পেটের খিদায় বের হলাম কিন্তু অধিকাংশ দোকানদারই করোনা আক্রান্ত হওয়ায় দোকানও খুলছে না পণ্য নিয়ে বাড়ি চলে গেছে আবার অনেক দোকান ভেঙ্গে লুটপাট করে সব কিছু নিয়ে গেছে! দেখে মনে হয় খোলা গরুর ঘর।

কিছু কিছু মসজিদ থেকে মাইকে মোয়াজ্জেম আজান শেষ করেই কান্না শুরু করে দিয়েছে ইয়া আল্লাহ্ আমাদের তুমি বাঁচাও তুমি ছাড়া আর কেউ নেই। প্রিয় মুচুল্লি কেরাম আপনারা সবাই ঘরে বসে নামাজ আদায় করুন , ক্ষমা প্রার্থনা করুন, আল্লাহ যেন আমাদের সবাই কে ক্ষমা করে দেয় এই বিপদ থেকে রক্ষা করে।

খুদার যন্ত্রণা ও শহরের এই পরিস্থিতি দেখে পুরাতন সাইকেলের পিছনে ছেলে ও তার মাকে বসিয়ে গ্রামের বাড়িতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলাম। শক্তির অভাবে পায়ে যেন কেউ শিকল বেঁধে রেখেছে! যতদূর যাই শূন্য রাস্তা কাউকে দেখছি না, চার পাশে গাছ গুলো নিরব স্তব্ধ হয়ে দাঁড়িয়ে আছে আর চার পাশ থেকে গন্ধে যেন দম বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। সেই জমজমাট গ্রামের বাজার অতিরিক্ত করতে দেখি সব বন্ধ কিছু দোকানে খোলা কিন্তু ভিতরে কিছু নেই সব শূন্য অথচ এখানে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ শুরুর দিকে প্রশাসনের নির্দেশনা না মেনে সরকারি ছুটিতে আসা গ্রামের মানুষ গুলো অবাধে আড্ডা দিয়েছে। অবশেষে ৪০ মিনিটের রাস্তা ৩ ঘন্টা ৩৬ মিনিটে এসে পৌঁছেছি কিন্তু চাবি কাজ করছে না, দরজার তালায় মরিচা ধরছে। অনেক চেষ্টা করেছি তালা খোলার জন্য হঠাৎ পিছন থেকে পাশের ঘরের একজন এসে বললো আলহামদুলিল্লাহ তোরা এখনো জিন্দা আছোস, কবরস্থানের পাশে অনেকের পড়ে থাকা লাশ থেকে গন্ধ বের হচ্ছে মাটি চাপা দেওয়ার কাজে একটু সহযোগিতা করতে হবে চল। আমি ক্ষুধার্ত পেটে তার কঙ্কাল শরীর দেখে চেহারা চিনতে পারছিলাম না!

এই মূহুর্তে সরকারের সদিচ্ছার অভাব নেই, কিন্তু যে লোকগুলো কাজ করবে তারাও আক্রান্ত। কাদের নিয়ে লড়বে সরকার? সবই এখন অদৃষ্টের হাতে। লোকজন যদি প্রথমেই খেলার ছলে না নিয়ে গৃহবন্দিত্বকে গুরুত্ব দিতো তাহলে আজ দেশের এই হাল হোত না। পুরোপুরি ভাবে কাঠামো শেষ হয়ে গেছে। কবে যে দেশ ঘুরে দাঁড়াতে পারবে, কিংবা আদৌ পারবে কিনা সেটাই প্রশ্ন এখন।

বিঃ দ্রঃ উপরের সব ঘটনাই কাল্পনিক এবং বাংলাদেশের পেক্ষাপট বিবেচনায় লিখিত। যদি এই দিন দেখতে না চান, তবে সবাই প্রশাসনের নির্দেশ গুলো অক্ষরে অক্ষরে মেনে চলুন। দোয়া করবেন আল্লাহ যেন এটি আমাদের জন্য সত্য না করে অথবা নসিবে না রাখে...আমিন

05/04/2020

কাউকে সাহায্য করার আগে আপনার মোবাইল ফোন আর ক্যামেরা বাসায় রেখে আসুন

03/04/2020

প্রায় ২-৩ সপ্তাহ ধরে আমরা বাসায় বন্দী। কতজনের কতরূপী স্ট্যাটাস, আসুন এই অবস্থায় মানুষের কিছু ফেইসবুক স্ট্যাসের নমুনা দেখি!

★বাড়িটা জেলখানা
★খুব বোরিং লাগতেছে
★আমি বন্দী কারাগারে
★মুসলমানির পর এই প্রথম এতোদিন ঘরে
★আমারে পাবনা রাইখা আয় তবু বাসাত্তোন বাইর কর
★বাড়ি নাকি কবর
★ক্যামনে যে দিন যায় আমার ক্যামনে যে রাত যায়
★সরকার আমগো না খাওয়াইয়া মারবো
★সেনাবাহিনী গো দয়া-মায়া নাই
★আমরা চা খেতে এসছি আড্ডা দিতে নয়

আরে ভাইরে ভাই,
ইতালির এক ডক্টর কাঁদতে কাঁদতে বলেছে "মানুষ যদি জানতো করোনা ভাইরাস কতটা মারাত্মক তাহলে ভয়ে কেউ জানালা দিয়েও উঁকি দিতো না!"

আদোতে, মানুষ করোনা ভাইরাসকে চোখের সম্মুখে দেখতে পাচ্ছেনা তো তাই তারা বুঝতে পারছেনা, তাদের কেন লক ডাউন, হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে!

যদি মিনা কার্টুনের মতো, করোনা ভাইরাসগুলো
আমাদের চোখের সামনে দৃশ্যমান হইতো তাহলে হয়তো মানুষজন বুঝতো অবিরত তারা কতটা মারাত্মক পরিস্থিতির মধ্যে বাইরে ঘোরাফেরা করছে!

মহান আল্লাহ রাব্বুল-আল-আমিন, রহমানের-রহিমের পরম করুণায়, বাঙালীরা করোনার ভয়াবহতা থেকে এখন দূরে! কিন্তু তাদের কথা তারা করোনার সাথে লড়ছে, হাইরে বোকা জাতি!

যেখানে, বৃহৎ রাষ্ট্র চীন, ইতালি, স্পেন নাজেহাল সেখানে বাঙালীরা বাইরে বেরোয় সেনাবাহিনি দেখতে আবার ফেসবুক স্ট্যাটাসে ক্যাপশন দেয়,
"সেনাবাহিনীকে বোকা বানালাম, পাছা লাল হয়নি!"

সেনাবাহিনীরা লাঠির বাড়ি দেওয়ার আগে খাবার তুলে দেবে অনাহারীর হাতে। সরকার দিয়েছে কিন্তু আপনাদের হাতে পৌঁছায়নি। কেন পৌঁছায়নি এটা পুলিশ বা আর্মিকে না জিগিয়ে আপনাদের সুযোগ্য নেতাকে জিজ্ঞাসা করুন!

ভ্যান, রিকশাওয়ালা, ছোট দোকানীরা যারা এতো বিপদ জেনেও, মার খাবে জেনেও নিজের স্ত্রী সন্তানদের মুখে ২ দানা খাবার তুলে বেরিয়েছেন,
সম্ভব হলে তাদের সাথে দামাদামি করবেন না। কই একটা ১৩ টাকার সিগারেট খাওয়ার সময় তো কখনও বলেননি, মামা সিগারেটের দাম কম রাখেন!

সর্বপরি, দেশের সিস্টেম যা নিয়ম করেছে তা আপনাদের ভালোর জন্যই। কিন্তু আপনারা অজুহাত দেখিয়ে বাইরে বের হচ্ছেন। সবাই না, কিছু কিছু মানুষ সত্যিই পেটের দায়ে লাঠির বাড়ি খেয়েও বেরোচ্ছে। কিন্তু কিছু পাবলিক বড়াই করে বের হয়, মনগড়া কারণ নিয়ে বের হয়, ফেইসবুকে পোস্ট দেওয়ার জন্য সেলফি তুলে ক্যাপশন দেয়, "লক ডাউন ব্রেক!"

নিজের ভালো পাগলেও বুঝে, কিন্তু বাঙালী বোঝেনা। সময় আছে আর ২ টা সপ্তাহ একটু কষ্ট করে ঘরে থাকুন। আপনি করোনায় আক্রান্ত হলে আপনার লাশের দাফন কাফনেও কেউ এগিয়ে আসবে না! সুতরাং নিজ নিজ জায়গা থেকে সতর্ক হোন, ভাব নেওয়া মানুষগুলারে কানের উপর লাগাইয়া ঘরে পাঠান। কেননা সেই একজন অজান্তেই দশজনের মাঝে করোনা ছড়াতে পারে!

সৃষ্টিকর্তার তার সুরক্ষার হাত মাথার উপর থেকে তুলে নিলে, নিমিষেই সব ধুলিষ্যাৎ হয়ে যাবে। তাই শুধু নিজে সতর্ক হলে হবেনা। নিজের আশে পাশের বোকাগুলোকেও সামলে রাখতে হবে অন্তত নিজেদের জন্য!

#ঘরে_থাকুন_
#নিরাপদ_থাকুন

যে ভাবে ভাইরাস ছড়ায় দেখুনতাই সব সময় হাত পরিস্কার রাখুননিজে সচেতন হোন,অন্যকে সচেতন করুন💜💘
28/03/2020

যে ভাবে ভাইরাস ছড়ায় দেখুন
তাই সব সময় হাত পরিস্কার রাখুন

নিজে সচেতন হোন,অন্যকে সচেতন করুন💜💘

ইতালিকে পাঠানো চীনের মেডিকেল মাস্কের বাক্সের ওপর লেখা- (রোমান ভাষায়)"দিন শেষে আমরা তো একই সাগরের ঢেউ "চীনের উহানে পাঠানো...
26/03/2020

ইতালিকে পাঠানো চীনের মেডিকেল মাস্কের বাক্সের ওপর লেখা- (রোমান ভাষায়)
"দিন শেষে আমরা তো একই সাগরের ঢেউ "

চীনের উহানে পাঠানো জাপানের সাহায্য বাক্সের ওপর লেখা- (চীনা ভাষায়)

"নদী আর সাগরের দিক থেকে আমরা হয়তো আলাদা, কিন্তু একই আকাশ, সূর্য আর চাঁদের আলোর নীচে আমাদের বসবাস "

বাংলাদেশকে পাঠানো চীনের মেডিকেল ইকুইপমেন্ট বক্সের ওপর লেখা-(বাংলা ভাষায়)

"ভালবাসার নৌকা পাহাড় বাইয়া চলে"

একেকটা লাইন!
কি গভীর! কি প্রেমময়! কি ভালবাসায় ভরা!

উপহারের চেয়ে এই লাইনগুলো বড়। ওই উপহার, ওই সাহায্য এখুনি শেষ হবে। কিন্তু ওই লাইনগুলো মানুষ মনে রাখবে বহুকাল, চিরজীবন।

পৃথিবী ভরে উঠুক ভালবাসায়, পৃথিবী লড়ুক এক সাথে।

*এলাকায় জরুরী ফান্ড ক্রিয়েট করতে হবে!* গণ জমায়েত পুরোপুরি বন্ধ করতে হবে।* মাস্ক পড়তে হবে।অন্য এলাকায় আসা যাওয়া বন্ধ/কমিয়...
23/03/2020

*এলাকায় জরুরী ফান্ড ক্রিয়েট করতে হবে!

* গণ জমায়েত পুরোপুরি বন্ধ করতে হবে।

* মাস্ক পড়তে হবে।
অন্য এলাকায় আসা যাওয়া বন্ধ/কমিয়ে দিতে হবে।

* বিনা প্রয়োজনে বাজারঘাটে যাওয়া বন্ধ করতে হবে।

* হাত মুখ বারবার সাবান দিয়ে ধোয়ার ব্যাপারে উদ্বুদ্ধ করতে হবে।

*বৃদ্ধদের আইসোলেশনে রাখতে হবে। ভাল হয় ইতেকাফ এ বসিয়ে দিলে।

Address

Cumilla

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when FAHAD posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share