Efran Ahamed Masba

Efran Ahamed Masba plz like and sher

11/02/2026

ওই দেকেন কাকা কি বলে

কল্পনা করেন আপনার আদরের ছোট্ট মেয়েটির কথা।বয়স ১২ কিংবা ১৩। ফুলের মতো পবিত্র, চোখে একরাশ স্বপ্ন। একদিন তাকে বলা হলো, তাকে...
04/02/2026

কল্পনা করেন আপনার আদরের ছোট্ট মেয়েটির কথা।
বয়স ১২ কিংবা ১৩। ফুলের মতো পবিত্র, চোখে একরাশ স্বপ্ন। একদিন তাকে বলা হলো, তাকে একটি বিশেষ বৃত্তি দেওয়া হয়েছে। বলা হলো, সে বিশ্বের সবচেয়ে জ্ঞানী, ধনী এবং প্রভাবশালী মনীষীদের সাথে দেখা করার সুযোগ পাবে।

সরল বিশ্বাসে মেয়েটি প্লেনে উঠল। কিন্তু সে জানত না, চকচকে ওই প্লেনটির নাম 'ললিটা এক্সপ্রেস' (Lo**ta Express)। সে জানত না, এই প্লেনটি তাকে স্বপ্নের দেশে নয়, বরং দ!জ্জ!লিক সভ্যতার এক গোপন জ!হ!ন্ন!মে নিয়ে যাচ্ছে। যার গন্তব্য প্রশান্ত মহাসাগরের বুকে অবস্থিত বিচ্ছিন্ন দ্বীপ 'লিটল সেন্ট জেমস'।

দ্বীপটি দেখতে দুনিয়াবী জান্নাতের মতো। চারদিকে নীল সমুদ্র, মাঝখানে রাজকীয় প্রাসাদ। কিন্তু প্রাসাদের ভেতরে ঢুকতেই মেয়েটির স্বপ্ন কাঁচের মতো চুরমার হয়ে গেল। সে দেখল, টিভির পর্দায় যাদের সে হিরো হিসেবে দেখেছে, নোবেল বিজয়ী বিজ্ঞানী, বিশ্বনেতা, হলিউড সুপারস্টার তারা সেখানে বসে আছে। কিন্তু তাদের চোখে মমতা নেই, আছে এক আদিম, পৈশ!চিক ক্ষুধা।
মেয়েটি চিৎকার করে বলেছিল, "আমি মায়ের কাছে যাব!" কিন্তু তার কান্না চাপা পড়ে গিয়েছিল প্রশান্ত মহাসাগরের গর্জনে আর শ্যাম্পেনের বোতল খোলার শব্দে। তাকে বলা হতো, "চুপ থাকো! এরা এই পৃথিবীর ঈশ্বর। এদের সেবা করাই তোমার কাজ।" দিনের পর দিন, এই নিষ্পাপ শিশুদের ছিঁ//(ড় খেয়েছে তারা, যাদের পোস্টার আপনারা ঘরের দেয়ালে টাঙিয়ে রাখেন।

আপনারা হয়তো ভাবছেন, এত বড় বড় রুই-কাতলারা জড়িত, তাহলে এই খবর বের হলো কীভাবে?
জেফ্রি এপস্টেইন ছিল অত্যন্ত চতুর। সে তার ক্লায়েন্টদের নাম এবং কন্টাক্ট ডিটেইলস লিখে রাখত একটি ছোট কালো ডায়েরিতে, যা 'দ্য ব্ল্যাকবুক' (The Black Book) নামে পরিচিত। এটি ছিল তার ইনস্যুরেন্স পলিসি। সে ভাবত, এই রাঘব-বোয়ালদের নাম তার কাছে আছে বলে কেউ তাকে ছোঁবে না।
কিন্তু পাপ বাপকেও ছাড়ে না। 'ভার্জিনিয়া জুফরে' (Virginia Giuffre) নামের এক সাহসী নারী, যে ছোটবেলায় এই পিশাচদের শিকারে পরিণত হয়েছিল, সে এপস্টেইনের সহযোগী এবং রক্ষিতা ঘিসলাইন ম্যাক্সওয়েল এর বি:রু:দ্ধে মামলা ঠুকে দেয়। সেই মামলার সূত্র ধরেই যুক্তরাষ্ট্রের আদালতের নির্দেশে হাজার হাজার পৃষ্ঠার সিলড ডকুমেন্ট জনসমক্ষে প্রকাশ করার আদেশ দেওয়া হয়। বিশ্ববাসী অবাক হয়ে দেখল, এতদিন তারা যাদের ভদ্রলোক ভেবে এসেছে, আদালতের নথিতে তাদের নামগুলো জ্বলজ্বল করছে জ_[ঘ]_ন্য সব অপরাধের সাথে।

কাদের নাম নেই সেখানে? তালিকাটি দেখলে আপনার পায়ের তলার মাটি সরে যাবে।

১. বিল ক্লিনটন: আমেরিকার সাবেক প্রেসিডেন্ট, গণতন্ত্রের ফেরিওয়ালা। তিনি এই দ্বীপে এবং এপস্টেইনের প্লেনে চড়েছেন বহুবার। নথিতে তাকে নিয়ে বহু চাঞ্চল্যকর তথ্য রয়েছে।

২. প্রিন্স এন্ড্রু: ব্রিটিশ রাজপরিবারের অহংকার। যার আভিজাত্যের গল্প শুনে আপনারা বড় হয়েছেন, সেও ছিল এই দ্বীপের নিয়মিত খদ্দের।

৩. স্টিফেন হকিং: যার বিজ্ঞান আর কসমোলজি নিয়ে আপনারা মুগ্ধ। তিনিও গিয়েছিলেন সেই পাপের দ্বীপে। নথিতে তার নামও উঠে এসেছে মাইনরদের সাথে সম্পর্কিত এক প্রসঙ্গে।

৪. বিল গেটস: বিশ্বের সেরা ধনী এবং ফিলানথ্রোপিস্ট। আফ্রিকায় শিশুদের টিকা দেয় (যদিও মহামারী ছড়িয়ে দেয়ার টিকা, বিভিন্ন ভাইরাস টেস্ট করার টিকা) তারও ঘনিষ্ঠতা ছিল এই শিশু পাচারকারীর সাথে।

৫. ডোনাল্ড ট্রাম্প: বিশ্ব রাজনীতির আরেক মোড়ল।
৬. হলিউড ও গ্ল্যামার ওয়ার্ল্ড: কেভিন স্পেসি থেকে শুরু করে নামকরা সব মডেল ও অভিনেতারা, যারা আপনাদের আইডল, তারা অনেকেই ছিলেন এই চক্রের অংশ।

04/01/2026

Muslim World League - رابطة العالم الإسلامي

১। Internet আবিষ্কৃত হয় 1969 সালে।২। Email আবিষ্কৃত হয় 1971 সালে।৩। Hotmail আবিষ্কৃত হয় 1996 সালে।৪। Google আবিষ্কৃত ...
25/10/2025

১। Internet আবিষ্কৃত হয় 1969 সালে।
২। Email আবিষ্কৃত হয় 1971 সালে।
৩। Hotmail আবিষ্কৃত হয় 1996 সালে।
৪। Google আবিষ্কৃত হয় 1998 সালে।
৫। Facebook আবিষ্কৃত হয় 2004 সালে।
৬। Youtube আবিষ্কৃত হয় 2005 সালে।
৭। Twitter আবিষ্কৃত হয় 2006 সালে।
৮। বিশ্বে ইন্টারনেট চালু হয় ১৯৬৯সালে
৯। বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহার চালু হয়
১৯৯৩ সালে।
১০। বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহার সবার
জন্য উন্মুক্ত হয় ১৯৯৬ সালে।
১১। বাংলাদেশে 3g চালু হয় 14
OCTOBER,2012।
১২। বাংলাদেশে স্থাপিত প্রথম
কম্পিউটার "IBM-1620 ‘ যা স্থাপিত হয়
বাংলাদেশ পরমানু শক্তি কমিশনে ১৯৬৪
সালে।
১৩। ২১মে ২০০৬ সালে কক্সবাজারের
ঝিলংজা-তে ল্যান্ডিং স্টেশন স্থাপনের
মাধ্যমে বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবলে
যুক্ত হয়।
১৪। বাংলাদেশর বিজ্ঞানীরা
প্রথমাবারের মতো ‘জীবনরহস্য‘ উন্মোচন
করেছেন মহিষের।
১৫। ২০১৩সালে দেশি পাটের জীবন রহস্য
উন্মোচনে নেতৃত্ব দেন ড মাকসুদুল আলম।
১৬। ১৯৮১ এপসন কোম্পানি সর্বপ্রথম
ল্যাপটপ কম্পিউটার প্রচলন করেন তার
নামঅসবর্ন-১।
১৭। বিশ্বের একমাত্র কম্পিউটার জাদুঘরটি
অবস্থিতযুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টায়।
১৮। বাংলা সামাজিক মাধ্যম ‘‘বেশত‘‘ চালু
হয় ২৮ ফ্রেব্রু ২০১৩।
১৯। বাংলাদেশের ‘টেলিফোন শিল্প
সংস্থা লিমিটেড(টেশিস) কর্তৃক তৈরী
প্রথম ল্যাপটপ --এর নামদোয়েল।
২০। জাতিসংঘ রেডিও বাংলা যাত্রা শুরু
করে ২১ ফ্রেব্রু:২০১৩।
২১। বাংলাদেশের প্রথম সার্চ ইঞ্চিন
‘‘পিপীলিকা‘‘ উদ্ধোধন করা হয় ১৩এপ্রিল,
২০১৩।
২২। বাংলাদেশে দ্রুত গতির ইন্টারনেট
‘‘ওয়াইম্যাক্স‘ চালু হয় >>June,2009, Banglalion।
২৩। বাংলাদেশে কবে , কোথায় সাইবার
ক্যাফে চালু হয় ১৯৯৯ সালে,বনানীতে।
২৪। বাংলাদেশের প্রথম মোবাইল ফোন
কোম্পানীর সিটিসেল ডিজিটাল, ১৯৯৩
সাল।
২৫। বাংলাদেশে প্রথম ডিজিটাল
টেলিফোন ব্যবস্থা চালূ হয় ৪ জানুয়ারী,
১৯৯০।
২৬। বাংলাদেশে কখন থেকে কার্ড ফোন
চালূ হয় ১৯৯২ সালে।
২৭। প্রথম ডিজিটার জেলা যশোর।
২৮। প্রথম ওয়াই ফাই নগর সিলেট।
২৯। সাইবার সিটি সিলেট।
৩০। প্রথম ডিজিটাল টেলিফোন এক্সচেঞ্জ
মিঠাপুকুর ,রংপুর।
=> GIF এর পূর্ণরূপ — Graphic Interchangeable
Format
=> BMP এর পূর্ণরূপ — Bitmap
=> JPEG এর পূর্ণরূপ — Joint Photographic Expert
Group
=> PNG এর পূর্ণরূপ — Portable Network
=> Wi-Fi র পূর্ণরূপ — Wireless Fidelity
=> HTTP এর পূর্ণরূপ — Hyper Text Transfer
Protocol
=> HTTPS এর পূর্ণরূপ — Hyper Text Transfer
Protocol Secure
=> URL এর পূর্ণরূপ — Uniform Resource Locator
=> IP এর পূর্ণরূপ— Internet Protocol
=> VIRUS এর পূর্ণরূপ — Vital Information
Resource Under Seized
=> UMTS এর পূর্ণরূপ — Universal Mobile
Telecommunication System
=> RTS এর পূর্ণরূপ — Real Time Streaming
=> AVI এর পূর্ণরূপ — Audio Video Interleave
=> SIS এর পূর্ণরূপ — Symbian OS Installer File
=> AMR এর পূর্ণরূপ — Adaptive Multi-Rate Codec
=> JAD এর পূর্ণরূপ — Java Application Descriptor
=> JAR এর পূর্ণরূপ — Java Archive
=> MP3 এর পূর্ণরূপ — MPEG player lll
=> 3GPP এর পূর্ণরূপ — 3rd Generation
Partnership Project
=> 3GP এর পূর্ণরূপ — 3rd Generation Project
=> MP4 এর পূর্ণরূপ — MPEG-4 video file
=> SIM এর পূর্ণরূপ — Subscriber Identity Module
=> 3G এর পূর্ণরূপ — 3rd Generation
=> GSM এর পূর্ণরূপ — Global System for Mobile
Communication
=> CDMA এর পূর্ণরূপ — Code Divison Multiple
Access
=> AAC এর পূর্ণরূপ — Advanced Audio Coding
=> SWF এর পূর্ণরূপ — Shock Wave Flash
=> WMV এর পূর্ণরূপ — Windows Media Video
=> WMA এর পূর্ণরূপ — Windows Media Audio
=> WAV এর পূর্ণরূপ — Waveform Audio
1) GOOGLE : Global Organization Of Oriented
Group Language Of Earth
2) YAHOO : Yet Another Hierarchical Officious
Oracle
3) WINDOW : Wide Interactive Network
Development for Office work Solution
4) COMPUTER : Common Oriented Machine
Particularly United and used under Technical and
Educational Research
5) VIRUS : Vital Information Resources Under
Siege
6) UMTS : Universal Mobile Telecommunications
System
7) AMOLED: Active-matrix organic light-emitting
diode

★OLED : Organic light-emitting diode
9) IMEI: International Mobile Equipment Identity
10) ESN: Electronic Serial Number
11) UPS: uninterrupted power supply
12) HDMI: High-Definition Multimedia Interface
13) VPN: virtual private network
14) APN: Access Point Name
15) SIM: Subscriber Identity Module
16) LED: Light emitting diode
17) DLNA: Digital Living Network Alliance
18) RAM: Random access memory
19) ROM: Read only memory
20) VGA: Video Graphics Array
21) QVGA: Quarter Video Graphics Array
22) WVGA: Wide video graphics array
23) WXGA: Wide screen Extended Graphics Array
24) USB: Universal serial Bus
25) WLAN: Wireless Local Area Network
26) PPI: Pixels Per Inch
27) LCD: Liquid Crystal Display
28) HSDPA: High speed down-link packet access
29) HSUPA: High-Speed Uplink Packet Access
30) HSPA: High Speed Packet Access.

কপি পোস্ট রাশিয়ার ওশ স্টেট মেডিকেল ইউনিভার্সিটি ক্যান্সার  বিশেষজ্ঞ ডা. গুপ্তপ্রসাদ রেড্ডি (বি ভি) বলেছেন “ক্যান্সার কোন...
20/10/2025

কপি পোস্ট রাশিয়ার ওশ স্টেট মেডিকেল ইউনিভার্সিটি ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ ডা. গুপ্তপ্রসাদ রেড্ডি (বি ভি) বলেছেন “ক্যান্সার কোনো মরণব্যাধি রোগ নয়, মানুষ এই রোগে মারা যায় শুধুমাত্র উদাসীনতার কারণে।” উক্ত পোস্টগুলোতে বলা হয় চিনি খাওয়া ছেড়ে দিলে, লেবুর রস গরম পানির সাথে মিশিয়ে খেলে এবং এবং প্রতিদিন সকালে বা রাতে চিন চা চামচ নারকেল তেল খেলে ক্যান্সার সেরে যাবে।

ভাইরাল হওয়া পুরো পোস্টটি পড়ুন এখানে-

“ #ক্যান্সার_সচেতনতাঃ

ওশ স্টেট মেডিকেল ইউনিভার্সিটি, মস্কো, রাশিয়ার ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ ডা. গুপ্তপ্রসাদ রেড্ডি (বি ভি) বলেছেন, ক্যান্সার কোনো মরণব্যাধি নয়, কিন্তু মানুষ এই রোগে মারা যায় শুধুমাত্র উদাসীনতার কারণে।

তার মতে, মাত্র দুটি উপায় অনুসরণ করলেই উধাও হবে ক্যান্সার। উপায়গুলো হচ্ছে:-

১. প্রথমেই সব ধরনের সুগার বা চিনি খাওয়া ছেড়ে দিন। কেননা, শরীরে চিনি না পেলে ক্যান্সার সেলগুলো এমনিতেই বা প্রাকৃতিকভাবেই বিনাশ হয়ে যাবে।

২. এরপর এক গ্লাস গরম জলে একটি লেবু চিপে মিশিয়ে নিন। টানা তিন মাস সকালে খাবারের আগে খালি পেটে এই লেবু মিশ্রিত গরম জল পান করুন। উধাও হয়ে যাবে ক্যান্সার।

মেরিল্যান্ড কলেজ অব মেডিসিন- এর একটি গবেষণায় বলা হয়েছে, কেমোথেরাপির চেয়ে এটি হাজার গুণ ভাল।

৩. প্রতিদিন সকালে ও রাতে তিন চা চামচ অর্গানিক নারিকেল তেল খান, ক্যান্সার সেরে যাবে।

চিনি পরিহারের পর নিচের দুটি থেরাপির যেকোনো একটি গ্রহণ করুন। ক্যান্সার আপনাকে ঘায়েল করতে পারবে না। তবে অবহেলা বা উদাসীনতার কোনো অজুহাত নেই।

উল্লেখ্য, ক্যান্সার সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করতে ডা. গুপ্তপ্রসাদ গত পাঁচ বছর ধরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে এই তথ্যটি প্রচার করছেন।

 #যারা সান জু-র 'The Art of War' পড়েছেন, তারা এই প্যাটার্নটা ধরতে পারবেন।সান জু বলেছেন, 'যেকোনো যুদ্ধের মূল ভিত্তি হলো ধ...
20/10/2025

#যারা সান জু-র 'The Art of War' পড়েছেন, তারা এই প্যাটার্নটা ধরতে পারবেন।
সান জু বলেছেন, 'যেকোনো যুদ্ধের মূল ভিত্তি হলো ধোঁকা'।

আর এখানের সবচেয়ে বড় ধোঁকাটা হলো আমাদের নিজেদের দুর্বলতাকেই ঢাল হিসেবে ব্যবহার করা।

আমাদের যে ঘনঘন 'দুর্ঘটনায়' আগুন লাগার ইতিহাস আছে, ঠিক সেটাকেই ইউজ করে পারফেক্টলি 'আড়াল' করার জন্য তত্ব হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে।

এটাই সাইকোলজিক্যাল অপারেশন বা PSYOPS. ওরা আমাদেরকেই দ্বিধায় ফেলে দিয়েছে যে এটা কি পরিকল্পিত স্যাবোটাজ, নাকি আমাদের নিজেদের অবহেলা? এই কনফিউশনটাই আসল আক্রমণ।

সান জু এটাকে বলেন 'অগ্নি-আক্রমণ'। এটা শুধু আগুন লাগানো না, এটা কৌশলগত টার্গেট ধ্বংস করা যেমন: আমাদের 'গুদাম' (গার্মেন্টস ফ্যাক্টরি) এবং আমাদের 'সাপ্লাই লাইন' (এয়ারপোর্ট কার্গো)।

এটা কোনো এলোমেলো অগ্নিসংযোগ নয়; এটা শত্রুর লজিস্টিকস এবং অর্থনৈতিক সম্পদের উপর সুনির্দিষ্ট আঘাত।

এর লক্ষ্য একটাই: 'বিনা যুদ্ধে শত্রুকে পরাজিত করা'। ওরা কোনো সৈন্য পাঠায়নি। ওরা শুধু আমাদের অর্থনীতির মেরুদণ্ডটা পুড়িয়ে দিয়ে, আতঙ্ক ছড়িয়ে, ভেতর থেকেই দেশকে পঙ্গু করে দিচ্ছে। যুদ্ধ ঘোষণার আগেই যুদ্ধ জয়।

আর এই অপারেশন সফল হচ্ছে কারণ ৫ই আগস্টের পর থেকে ডিজিএফআই, এনএসআই এর মতো গোয়েন্দা সংস্থাগুলো ঠিকমতো কাজ করছে না, অথবা করতে পারছে না।

ভেতরে মনে হচ্ছে দুটি গ্রুপ সক্রিয়: একটা গ্রুপ জনগণের ইচ্ছার বিরুদ্ধে গিয়ে দেশকে অস্থিতিশীল করতে চাইছে, আর অন্য গ্রুপটি হয়তো এসব স্যাবোটেজ নিউট্রেলাইজ করার চেষ্টা করছে।

আরও গ্রুপও থাকতে পারে হয়তো অন্য কারো পারপাস সার্ভ করছে। এটা ভয়ংকর অ্যালার্মিং। এভাবে একটা রাষ্ট্র চলতে পারে না।

দায়িত্বপ্রাপ্ত সরকারের শুরুতেই এই সিস্টেমগুলোতে প্রয়োজনীয় 'পার্জ' বা শুদ্ধি অভিযান চালানো উচিত ছিল। (Ahnaf Tahmin )

এবার আসেন কয়েকটা ডট মনে করিয়ে দেয়।

১.যখন বাংলাদেশ শক্তিশালী হতে চাইছে, যেমন চীন আর ইতালি থেকে যুদ্ধবিমান কেনার ঘোষণা দিলো তখনি দেশে আগুণ লাগা শুরু হইলো।

(গতদিন এয়ারপোর্টে পুড়ছে মূলত রাশিয়া থেকে আসা রাসায়নিক পদার্থ যেখান পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ১৮ টন সরঞ্জামসত গুরুত্বপূর্ণ আমদানিকৃত পণ্য ছিলো)

যখন বাংলাদেশের পোশাক বিশ্ব বাজারে দাদাদের থেকে রপ্তানি এগিয়ে যাচ্ছে তখনি গার্মেন্টসগুলোতে আগুন।

২. যখন বাংলাদেশ ভারতের একচেটিয়া লাভবান প্রজেক্ট "মিরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চল "মোংলা বন্দর এর ডিল বাতিল করে দেয়।

ঠিক তার পরের দিন আগুণ লাগে ঢাকা ও চট্রগ্রামের দুইটা গার্মেন্টস ফ্যাক্টরিতে।

৩,কিছুদিন আগে আমেরিকা দাদাদের পণ্যে ৫০% ট্যারিফ নির্ধারণ করছে।

যেখানে বাংলাদেশের জন্য ৩৭% তারা চাইছিলো বাংলাদেশকে হাব বানিয়ে আমেরিকাতে তাদের পন্য রপ্তানি করার প্রস্তাব দিছিলো কিন্তু বাংলাদেশ রাজি হয়নি।

৪,তখনি আগুণ যখন মিলিটারির কিছু খুনির বিচার নিয়া পুরো বাংলাদেশ কনসার্ন। গুম ,খুন বিচার নিয়া মানুষ সিরিয়াস।

মিলিটারি আর আদালতের মধ্যেও টান টান উত্তেজনা চলছে।

কারণ মিলিটারি চাইছে অপরাধীরা মিলিটারির জেলে থাকুক।

কিন্তু জুডিশিয়ারি চাইছে আদালতে বিচার করে বাংলাদেশের কারাগারে থাকুক।

২২ তারিখ ১৫ জন খুনিকে আদালতে পাঠানোর কথা।

৫, তখনি আগুন যখন জুলাই সনদ নিয়া রাজনৈতিক দলগুলো এক্য করতে চাইছে।
জুলাই সনদ নিয়া এখন আর কথা হচ্ছে না। সিগনেচারের বিতর্ক নিয়া কোন সমাধানেও এগোচ্ছে না।
এখন সবাই পড়ে আছে আগুন নিয়া।

৬,তখনি আগুণ যখন একের পর এক হাসিনার ১৫ বছরের দুঃশাসনের লোমহর্ষক ঘটনাগুলো সামনে আসছে।
একের পর এক রায় হচ্ছে, হয়তো ফাসির রায় আসবে।

বাংলাদেশের মানুষ কিন্তু এখন বিচার নিয়া ভাবছে না।

ভাবছে মূলত আগুণ নিয়া।

একটা ঘটনা ধামাচাপা দিতে আরেকটা দুর্ঘটনা হাজির করার যে সংস্কৃতি সেটা এদেশে নতুন না।

তবে যে কোন মূল্যে আগুণ সন্ত্রাস বন্ধ করতেই হবে।

তা না হয় এদেশ বড় চ্যালেঞ্জে পড়ে যাবে!!!

Address

Comilla
11220

Telephone

01690135601

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Efran Ahamed Masba posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share