Crafting Work Ctg

Crafting Work Ctg Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Crafting Work Ctg, Art, Chittagong.

18/03/2026

আলবিদা মাহে রমজান 🥹
দেখতে দেখে চলে যাচ্ছে বছরের শ্রেষ্ঠ সময়টা। জানি না কতো টা আমল করতে পেরেছি, কিন্তু আল্লাহ-র কাছে এই টাই প্রার্থনা-তিনি জেনেও আমাদের ক্ষমা করে দেন।🤲🥹

🌙✨ ঈদ সালামি কার্ড কালেকশন ২০২৬ ✨🌙আমাদের কার্ড আপনারা আপনাদের পছন্দ মতো নিতে পারবেন,কাস্টমাইজড করে নিতে পারবেন,ইচ্ছে মতো...
18/03/2026

🌙✨ ঈদ সালামি কার্ড কালেকশন ২০২৬ ✨🌙
আমাদের কার্ড আপনারা আপনাদের পছন্দ মতো নিতে পারবেন,কাস্টমাইজড করে নিতে পারবেন,
ইচ্ছে মতো নামও লিখে নিতে পারবেন 🤩
যা অন্য কোথাও আপনারা পাবেন না।

দাম: মাত্র ২০ টাকা






اللَّهُمَّ إِنَّكَ عَفُوٌّ تُحِبُّ الْعَفْوَ فَاعْفُ عَنِّا🤲
16/03/2026

اللَّهُمَّ إِنَّكَ عَفُوٌّ تُحِبُّ الْعَفْوَ فَاعْفُ عَنِّا🤲



15/03/2026

রাসূলুল্লাহ ﷺ এর জুতা মোবারকের নকশা সম্বলিত এই পিনটি আপনার ব্যাগ, পোশাক বা হিজাবে যুক্ত করে রাখতে পারেন প্রিয় নবী ﷺ এর স্মরণ হিসেবে। একটি ছোট পিন, কিন্তু অনুভূতিতে অসীম 💚🫀


15/03/2026

💝আমাদের সাথে সংযুক্ত প্রবাসীদের সুবিধার্থে~

💠লায়লাতুল ক্বদরে নফল নামায

♦️শবে কদরের নামাযের নিয়ত:

نَوَيۡتُ اَنۡ اُصَلِّىَ لِلّٰهِ تَعَالٰى رَكۡعَتَىۡ صَلٰوةِ لَيۡلَةِ الۡقَدۡرِ نَفۡلٍ مُتَوَجِّهًا اِلٰى جِهَـةِ الۡكَعۡـبَةِ الشَّرِيۡفَةِ اَللّٰهُ اَكۡبَرُ

উচ্চারণ: নাওয়াই্তু আন্ উসাল্লিয়া লিল্লা-হি তা'আলা রক্'আতাই সালা-তি লাইলাতিল্ ক্বদ্‌রি নাফ্‌লি মুতাওয়াজ্জিহান্ ইলা- জিহাতিল্‌ কা'বাতিশ্‌ শারী-ফাতি আল্লা-হু আকবার।

♦️যে ব্যক্তি লাইলাতুল ক্বদরে
ইবাদতের উদ্দেশ্যে গোসল করবে আল্লাহ তার সমস্ত গুনাহ পা ধৌত করার আগে ক্ষমা করে দিবেন ইনশা আল্লাহ।

♦️সওয়াব অর্জন:
২৭ তারিখ রাতে দুই রাক'আত নামায আদায় করবে। প্রত্যেক রাকআতে সূরা ফাতিহার পর সূরা ইনশিরাহ্ একবার, সূরা ইখলাস তিনবার পাঠ করবে, সালাম ফেরানোর পর ২৭ বার ‘সূরা কদর' পাঠ করবে। ইনশা-আল্লাহ্ অসংখ্য সওয়াব অর্জনের ক্ষেত্রে এ নামায খুবই উত্তম।

♦উত্তম নামাজ:
কদরের রাতে দুই রাক‘আত করে ১২ রাক'আত নামায আদায় করা উত্তম। প্রথম চার রাক'আতের প্রতি রাকাআতে সূরা ফাতেহার পর একবার সূরা কদর ও তিনবার সূরা ইখলাস পড়তে হবে। এরপর সালাম ফিরিয়ে একশত বার দরুদ শরীফ পাঠ করতে হবে। দ্বিতীয় চার রাক'আতের প্রতি রাকাআতে সূরা ফাতেহা ও সূরা কদরের পর সূরা এখলাস দশ বার পড়তে হবে। এরপর সালাম ফিরিয়ে একশতবার দরূদ শরীফ পড়তে হবে। তৃতীয় চার রাক'আতে একই নিয়মে সূরা ইখলাস ২৫ বার পড়তে হবে। এরপর একশত বার দরূদ শরীফ পড়ে মোনাজাত করবে।

♦️বিশেষ ফযিলত:
এ রাতে যে ব্যক্তি দুই রাকআত নামাযে প্রত্যেক রাকআতে সূরা ফাতিহার পর সূরা কদর একবার, সূরা ইখলাস তিনবার পাঠ করবে, তিনি শবে কদরের সওয়াব অর্জন করবেন এবং হযরত ইদ্রিস (আ), হযরত শোআ'ব (আ), হযরত দাউদ (আ) ও হযরত নূহ (আ) এর ন্যায় তাকে সওয়াব প্রদান করা হবে। সাথে সাথে তাকে জান্নাতে এমন এক সুবিশাল শহর প্রদান করা হবে, যেটার দৈর্ঘ্য পূর্ব থেকে পশ্চিম পর্যন্ত সুবিস্তৃত থাকবে। [ফাদাইলুল আইয়্যামি ওয়াশশুহুরি]

♦️গুনাহ ক্ষমা ও জান্নাত দর্শন:
হুজুর আকরাম (ﷺ) ইরশাদ ফরমান, যে ব্যক্তি শবে কদরে দুই রাক'আত নফল নামায আদায় করবে, প্রত্যেক রাকআতে সূরা ফাতিহার পর সূরা ইখলাস সাতবার করে পাঠ করবে, নামায সমাপ্ত করে নিম্নোক্ত তাসবীহটি সত্তরবার পাঠ করবে—

اَسْتَغۡفِرُ اللّٰهَ الۡعَظِيۡمَ الَّذِيۡ لَآ إلٰهَ إلَّا هُوَ الۡحَيُّ الۡقَيُّوۡمُ وَاَتُوۡبُ إلَيۡهِ

উচ্চারণ: আস্তাগ্ ফিরুল্লা-হাল 'আযী-মাল্ লাযী- লা- ইলা-হা ইল্লা- হুওয়াল্‌ হাইয়্যুল ক্বাইয়্যু-মু ওয়া আতূ-বু ইলায়হি।
👉ওই ব্যক্তি স্বীয় নামাযের স্থান থেকে উঠার পূর্বে আল্লাহ তা'আলা তার ও তার মাতা-পিতার গুনাহ ক্ষমা করে দেবেন এবং ফিরিশতাদের হুকুম দেবেন যাতে তার জন্য জান্নাতে ফলের গাছ বপন করতে থাকে, মহল প্রশস্ত করতে থাকে এবং শহর তৈরি করে। এ নামায আদায়কারী যতক্ষণ এগুলো স্বপ্নে দেখতে না পায়, ততক্ষণ তার মৃত্যু আসবে না। [তাফসীরে ইয়াকুব ছারখী]

♦️মৃত্যু সহজ হওয়া:
২৭ তারিখ রাতে যে ব্যক্তি চার রাক'আত নামায আদায় করবে, প্রত্যেক রাকআতে সূরা ফাতিহার পর সূরা তাকাছুর একবার, সূরা ইখলাস তিনবার পাঠ করব।
👉ওই ব্যক্তির উপর মৃত্যু খুবই সহজ হবে। কবরের শাস্তি রহিত করা হবে। তাকে জান্নাতে চারটি স্তম্ভ বা মিনারা প্রদান করা হবে, প্রত্যেক স্তম্ভে হাজারটি মহল থাকবে। [নুযহাতুল মাজালিছ, ১ম খণ্ড]

♦️দোয়া কবুল হওয়ার নামাজ:
২৭ তারিখ রাতে চার রাক'আত নামায আদায় করবে, প্রত্যেক রাকআতে সূরা ফাতিহার পর সূরা কদর তিনবার, সূরা ইখলাস পঞ্চাশবার করে পাঠ করবে। নামায সমাপ্ত করার পর নিম্নোক্ত তাসবীহটি পাঠ করে মহান আল্লাহ্ পাকের দরবারে যে দোআ করবে, তাঁর দরবারে তা কবুল হবে।

سُبۡحَانَ اللّٰهِ وَالۡحَمۡدُ لِلّٰهِ وَلَٓا اِلٰهَ اِلَّا اللّٰه وَاللّٰهُ أكۡبَرُ
উচ্চারণ: সুবহা-নাল্লা-হি ওয়াল্‌হাম্‌দু লিল্লা-হি ওয়ালা- ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়াল্লা-হু আকবার।

♦️গুনাহ মাফের নামাজ:
২৭ তারিখ রাতে চার রাকআত নফল নামায আদায় করবে, প্রত্যেক রাকআতে সূরা ফাতিহার পর সূরা কদর একবার, সূরা ইখলাস ২৭ বার করে পাঠ করবে।
👉ওই ব্যক্তি গোনাহ থেকে এমনভাবে পূতঃপবিত্র হবে, যেন নিষ্পাপ শিশু সদ্য ভূমিষ্ট হয়েছে এবং তাকে জান্নাতে হাজার মহল প্রদান করা হবে।

📚তথ্যসূত্র:
👍🏻মাসিক তারজুমান-এ আহলে সুন্নাত ওয়াল জাম'আত।
👍🏻বারো মাসের নফল ইবাদাত।
👍🏻গাউসিয়া তারবিয়াতি নেসাব।
👍🏻কোরআন সুন্নাহর আলোকে শবে বরাআত, শবে ক্বদর ও মাহে রমজান।

সালামান্তে~
গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ।

➡️আমাদের সাথে সংযুক্ত প্রবাসীদের সুবিধার্থে~🔰শবে ক্বদরে ওযীফা:♦️হযরত আলী (রা) ইরশাদ করেন, 'যে ব্যক্তি শবে কদরে এশা নামায...
15/03/2026

➡️আমাদের সাথে সংযুক্ত প্রবাসীদের সুবিধার্থে~
🔰শবে ক্বদরে ওযীফা:

♦️হযরত আলী (রা) ইরশাদ করেন, 'যে ব্যক্তি শবে কদরে এশা নামাযের পর ৭ বার সূরা কদর পাঠ করবে, সে প্রত্যেক প্রকারের বিপদ থেকে মুক্তি পাবে, হাজারো ফিরিশতা তার জন্য জান্নাত লাভের দোয়া করবেন।
[গুনিয়াতুত্ব তালিবীন, নুযহাতুল মাঝালিস]

♦️২৭ তারিখ রাতে ৭বার 'হা-মীম' (সূরা দুখান) পাঠ করবে, এ সাতবার 'হা মীম' তাকে কবরের শাস্তি থেকে পরিত্রাণ দেবে এবং পাপ মোচনের জন্য খুবই উপকারী হবে।

♦️২৭ তারিখ রাতে ‘সূরা মূলুক' ৭ বার পাঠ করবে, এটা গোনাহ্ ক্ষমার জন্য খুবই উত্তম আমল।

♦️হযরত কা'ব (রা) ইরশাদ করেন, যে ব্যক্তি শবে কদরে একনিষ্ঠতা ও সঠিক হৃদয়ে তিনবার لا اله الا الله (লা- ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু) পাঠ করবে, মহান আল্লাহ পাক প্রথমবার পাঠ করার ফলে ওই ব্যক্তির গোনাহ ক্ষমা করে দেবেন। দ্বিতীয়বার পাঠের মাধ্যমে তাকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেবেন এবং তৃতীয়বার পাঠের মাধ্যমে তাকে জান্নাতের হক্বদার বানিয়ে দিবেন।

🔰শবে ক্বদরে দোয়া:

ক্বদরের রাতে একজন মুমিন কি দোয়া পড়বে এ প্রসঙ্গে হযরত আয়শা (রা) রসূলে পাক (ﷺ) কে জিজ্ঞাসা করলেন, হে আল্লাহর রসূল (ﷺ) যদি আমার সৌভাগ্যে শবে কদর মিলে তখন আমি কী পড়ব? রাসুল (ﷺ) বললেন, তুমি পড়বে-

اَللّٰهُمَّ إنَّكَ عَفُوٌّ كَرِيۡمٌ تُحِبُّ الۡعَفۡوَ فَاعۡفُ عَنِّىۡ يَا غَفُوۡرُ يَا غَفُوۡرُ يَا غَفُوۡرُ

আল্লা-হুম্মা ইন্নাকা ’আফুউ-উন কারী-মুন তুহিব্বুল ’আফওয়া ফা’ফু ’আন্নী ইয়া গফূ-রু ইয়া গফূ-রু ইয়া গফূ-র।

অর্থাৎ, হে আল্লাহ! আপনি নিশ্চয়ই মহানুভব ক্ষমাশীল। ক্ষমা করে দেওয়া তো আপনি পছন্দ করেন! সুতরাং আমাকেও ক্ষমা করুন। হে ক্ষমাশীল! হে ক্ষমাশীল! হে ক্ষমাশীল! [তিরমিযী, মুসনদে আহমদ]

♦️হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা) বলেন, এ রাতে পড়ার জন্য আল্লাহর রসূল যে দোয়া শিখিয়েছেন তা হলো—

اَللّٰهُمَّ ارۡزُقۡنِيۡ فِيۡهِ فَـضۡـلَ لَيۡلَةَ الۡقَدۡرِ وَصَيِّرۡ أُمُوۡرِىۡ فِيۡهِ مِنَ الۡعَسۡرِ اِلَى الۡيَسۡرِ وَاقۡبِلۡ مَعَاذِيۡرِىۡ وَحُطَّ عَنِّى الذَّنۡبَ وَالۡوِزۡرَ يَا رَؤُوفًا بِعِبَادِهٖ الصَّالِحِيۡنَ

হে আল্লাহ! আজকের রাতে আমাকে শবে কদরের ফজিলত দান করো। আমার কাজ কর্মকে কঠিন থেকে সহজতর দিয়ে নিয়ে নাও। আমার অক্ষমতা কবুল করো। আমার পাপ সমূহ মার্জনা করো। হে যোগ্য বান্দাদের প্রতি মেহেরবান খোদা!

♦️হযরত আয়েশা (রা)'র অন্য এক বর্ণনায় রয়েছে, হুজুর করীম (ﷺ) সিজদারতবস্থায় ছিলেন, তখন আমি তাঁর (ﷺ) নিকটবর্তী হয়ে কান লাগিয়ে দিলাম, এমতাবস্থায় হুজুর করীম (ﷺ) নিম্নোক্ত দোয়াটি পাঠ করেছিলেন:

أعوذ بعفوك من عقابك واعوذ برضاك من سخطك واعوذ بک منک جل وجهک اللهم لا أحصي ثناء علیک أنت كما اثنيت على نفسك

উচ্চারণ: আ'ঊ-যু বি'আফইউকা মিন 'ইক্বাবিকা ওয়া আ'ঊ-যু বিরিদ্বা-কা মিন সাখাতিকা ওয়া আ'ঊ-যু বিকা মিনকা জাল্লা ওয়াজহুকা। আল্লাহম্মা লা উহসী ছানাআন 'আলায়কা আনতা কামা- আছনায়তা আলা নাফছিকা।

অর্থ: হে আল্লাহ! আমি আপনার ক্ষমার মাধ্যমে আপনার শাস্তি থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করছি। আপনার সন্তুষ্টির মাধ্যমে আপনার শাস্তি থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করছি। আপনার মাহাত্মের মাধ্যমে আপনার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি। আপনার জ্যোতির্ময় নূরানী তাজাল্লি খুবই মহীয়ান। আপনার এত অধিক প্রশংসার দিক রয়েছে, যার পরিসংখ্যান আমার পক্ষে সম্ভবপর নয়। আপনি আপনার প্রশংসা যেমনি করেছেন, সেটাই যথার্থ। কারো পক্ষে সম্ভব নয়।

📚তথ্যসূত্র:
👍🏻মাসিক তারজুমান-এ আহলে সুন্নাত ওয়াল জাম'আত।
👍🏻বারো মাসের নফল ইবাদাত।
👍🏻গাউসিয়া তারবিয়াতি নেসাব।
👍🏻কোরআন সুন্নাহর আলোকে শবে বরাআত, শবে ক্বদর ও মাহে রমজান।

সালামান্তে~
গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ।

ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদিমদেরকে ভাতা দেয়া প্রাথমিকভাবে শুরু করায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ধন্যবাদ💚।জাযাকাল্লাহ খা...
14/03/2026

ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদিমদেরকে ভাতা দেয়া প্রাথমিকভাবে শুরু করায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ধন্যবাদ💚।জাযাকাল্লাহ খাইরান।


নারায়ে হায়দারিইয়া আলি 💚🌸২১শে রমাদ্বানুল মুবারক সৈয়্যদুনা মাওলা আলী শেরে খোদা মরতুদ্বা (রা) এর দিবস🌸🟡 নাম ও পরিচয়:শাহান ...
11/03/2026

নারায়ে হায়দারি
ইয়া আলি 💚

🌸২১শে রমাদ্বানুল মুবারক সৈয়্যদুনা মাওলা আলী শেরে খোদা মরতুদ্বা (রা) এর দিবস🌸

🟡 নাম ও পরিচয়:

শাহান শাহে বেলায়ত, দরইয়া সাখাওয়াত, দস্ত কুদরত, সাহেবে কারামাত, মাওলায়ে কায়েনাত, আমীরুল মু'মিনীন, ইমামুল মুসলিমীন, হায়দারে কারার, সাহেবে যুলফিকার (রা)-এর নাম মােবারক আলী। উপনাম আবুল হাসান, এবং আবূ তােরাব, তাঁর উপাধী আসাদুল্লাহিল গালিব (আল্লাহর বিজয়ী সিংহ)। তিনি স্বয়ং আবু তােরাব (মাটি ওয়ালা) উপাধীটি বেশী ভালবাসতেন, যেহেতু স্বয়ং নবী করীম (ﷺ) তাঁকে এ নামে ডেকেছেন। তাঁর উপাধি ছিলো مرتضی ও حیدر,اسد اللہ পিতার নাম- আবু তালিব। কুরাইশ বংশের হাশেমী গােত্রের সন্তান। বাল্যকাল থেকে রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) এর তত্ত্বাবধানে বড় হন। তিনি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর চাচাত ভাই এবং জামাতা ছিলেন।

🔹হাদীস বর্ণনা:

হযরত আলী (রা) এর ফজীলতের উপর আল্লামা শাসমুদ্দিন মুহাম্মদ যাহাবী (রা) فتح المطالب فی مناقب علی بن ابی طالب নামক স্বতন্ত্র একটি পুস্তক রচনা করেন। তিনি তাবুক অভিযান ব্যতীত সকল যুদ্ধে অংশগ্রহণ করে কৃতিত্বের পরিচয় দেন। ৩৫ হি. সনে ২৪ যিলহজ্ব খলিফা নিযুক্ত হন। তিনি জ্ঞান বিজ্ঞানের সাগর এবং বেলায়তের সম্রাট ছিলেন। তাঁর বর্ণিত হাদিসের সংখ্যা ৪৮৬টি। যৌথভাবে ইমাম বুখারী ও মুসলিম বর্ণনা করেন ২০টি এবং এককভাবে বুখারী ৯টি ও মুসলিম ১৫টি হাদিস বর্ণনা করেন। তাঁর থেকে অসংখ্য সাহাবী এবং তাবেয়ী হাদিস বর্ণনা করেন।

🟡হুজুর কারীম (ﷺ) ও হযরত আলী (রা) এর মহাব্বাত:

উম্মে আতিয়্যাহ থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ একটি সেনাদল প্রেরণ করেন। আলী ঐ দলের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। উম্মে আতিয়্যাহ বলেন, আমি শুনলাম, রাসূলুল্লাহ দু'হাত তুলে দু'আ করছেন, হে আল্লাহ! আলীকে পুনরায় না দেখিয়ে আমাকে মৃত্যু দিও না।

🔸হযরত বারা ইবন আযিব (রা) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, আমরা বিদায় হজ্বের সময় নবী করীম (ﷺ)-এর সাথেই ছিলাম, তিনি রাস্তায় নেমে লােকদের জমায়েত করার জন্য নির্দেশ দিলেন এবং হযরত আলীর হাত ধরে বললেন,

✨আমি কি মু'মিনের প্রাণের চেয়েও অধিক মালিক নই? সাহাবীগণ বললেন, হ্যাঁ, তিনি বলেন, ‘আলী (রা) সে ব্যক্তির ওলী যে ব্যক্তির আমি মাওলা হই, ওহে আল্লাহ ! ‘আলী (রা) এর সাথে যে বন্ধুত্ব রাখে আপনি তার সাথে বন্ধুত্ব রাখুন আর যে ‘আলীর সাথে শত্রুতা রাখে আপনি তার সাথে শত্রুতা রাখুন”।

🔶হযরত আবদুল্লাহ ইবন আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত নবী করীম (ﷺ) হযরত আলীর দিকে তাকিয়ে এরশাদ করেন,
“ওহে ‘আলী (রা)! তুমি দুনিয়ার-আখেরাতের সরদার, তোমার বন্ধু আমার বন্ধু, আর আমার বন্ধু আল্লাহর বন্ধু, এবং তােমার শত্রু আমার শত্রু, আর আমার শত্রু আল্লাহর শত্রু। আর দোযখের শাস্তি তার জন্যে, আমার পরে যে তােমার প্রতি দুশমনি রাখে”

🔶হযরত আম্মার ইবন ইয়াসার (রা) থেকে বর্ণিত, নবী করীম (ﷺ) এরশাদ করেছেন,

يا على طوبى لمن أحبك وصدق فيك وويل من ابغض وكذب فيك

“ওহে ‘আলী ! সুসংবাদ তার জন্যে যে তােমার সাথে মুহাব্বত রাখে, তােমাকে সত্যায়িত করে, ধ্বংস তার জন্যে যে তােমাকে ঘৃণা করে এবং তােমার ব্যাপারে মিথ্যা বলে”

🔶 আল-হারেস বলেন, ‘আলী (রা) বলেন, আমার ব্যাপারে দুই ধরনের লােক ধ্বংস হবে; মিথ্যুক-ঘৃণাকারী এবং অতিশয় ভক্তিকারী।

🔸উম্মে সালামা বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ্ -কে বলতে শুনেছি- যে আলীকে গালি দেয় সে আমাকেই গালি দেয়।

🟡হুজুর কারিম (ﷺ)-এর পতাকাবাহক:

জাবির ইবন সামুরা থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, সাহাবীগণ জিজ্ঞেস করলাে, ইয়া রাসূলাল্লাহ, কিয়ামতের দিন আপনার পতাকা কে বহন করবে? তিনি বললেন, আর কে? কিয়ামতে আমার পতাকা সেই বহন করবে, যে দুনিয়ায় তা বহন করে অর্থাৎ আলী ইব্ন আবু তালিব।

বদর যুদ্ধে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) নিজের যুলফিকার তলােয়ার আলীকে দান করেছিলেন। এরপরে তিনি তা আলীকে স্থায়িভাবে দিয়ে দেন।

আলী (রা) বাইআতুর রিজওয়ানের ঘটনার সময় উপস্থিত ছিলেন।

কাতাদাহ বলেন, “বদর যুদ্ধসহ অন্যান্য সকল যুদ্ধেই ‘আলী (রা) রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর পতাকাবাহক ছিলেন।

আবু হুরাইরা (রা) সহ অন্যান্যরা বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) খায়বারের দিন বলেন, “নিশ্চয়ই আমি আগামীকাল এমন ব্যক্তির হাতে পতাকা দেব, যে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলকে ভালােবাসে আর যাঁকে আল্লাহ ও তাঁর রাসূল ভালােবাসেন। তাঁর হাতেই বিজয় সংঘটিত হবে।

🟡রসূল (ﷺ)এর ভাষায় আলী (রা):

ইমাম আহমদ ইবন হাম্বল (র) বলেন, সাহাবীয়ে রাসূল (ﷺ) এর মধ্যে হযরত আলীর মত ফযীলত আর কারাে বেলায় বর্ণিত হয়নি। যেমন-

✨হাদীস নং-১
হযরত জাবির (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি নবী করীম (ﷺ) থেকে এরশাদ করেছেন,
يا على الناس من شجرة شتی و آنا وانت من شجرة واحدة
“ওহে ‘আলী ! মানুষ বিভিন্ন বৃক্ষ হতে, তুমি আর আমি একই বৃক্ষ হতে”।

✨হাদীস নং-২
হযরত আলী হলেন সৈয়্যদুল আরব, হযরত জাবির (রা) থেকে বর্ণিত, নবী করীম (ﷺ) এরশাদ করেছেন, ‘আরবের সরদারকে ডেকে নিয়ে এসাে, তখন উম্মুল মু'মিনীন হযরত আয়শা (রা) আরয করলেন ইয়া রাসূলাল্লাহ ! আপনি কি ‘আরবের সরদার নন? তাঁর উত্তরে নবী করীম (ﷺ) এরশাদ করেন,
أنا سيد ولد ادم وعلى سيد العرب
“আমি বনী আদমের সরদার, আলী (রা) আরবের সরদার।"

✨হাদীস নং-৩
ইবনে হাজর আসক্বালানী (র) থেকে বর্ণিত, তিনি হযরত আবদুর রহমান ইবন আবদুর রব (রা)-এর সূত্রে বর্ণনা করছেন, নবি কারিম (ﷺ) এরশাদ করেছেন,
إن الله ولی وانا ولی المؤمنين ، من کنت مولاه فعلی مولاة -

“নিশ্চয় আল্লাহ তা'আলা আমার মালিক, আর আমি মু'মিনের মালিক, আমি যার মালিক, হযরত আলী (রা) তার মালিক”

✨হাদীস নং-৪
হযরত আবদুল্লাহ ইবন আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী করীম (ﷺ) এরশাদ করেছেন,
على باب حطة من دخل منه كان مؤمنا و من خرج منه كان كافرا .

“হযরত আলী হিত্বত্বার দরজার মত, যে ব্যক্তি তাতে প্রবেশ করেছেন সে প্রকৃত মু'মিন, আর যে বের হয়ে গেছে সে কাফির”


কাফেররা ইসলামকে অপমান করার চেষ্টা করে এবং এর সম্মানিত বিষয়গুলোকে বিকৃতভাবে উপস্থাপন করতে চায়। কিন্তু তারা কখনোই এতে সফল ...
06/03/2026

কাফেররা ইসলামকে অপমান করার চেষ্টা করে এবং এর সম্মানিত বিষয়গুলোকে বিকৃতভাবে উপস্থাপন করতে চায়। কিন্তু তারা কখনোই এতে সফল হবে না। আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর পবিত্র নালাইন মোবারকের অবমাননা করা হচ্ছে, যা মুসলমানদের হৃদয়কে গভীরভাবে কষ্ট দেয়। আমরা সবাই এর প্রতিবাদ জানাই এবং যারা এমন কাজ করে তাদের বয়কট করি।

আসসালামু আলাইকুম 💚এখন থেকে পেয়ে যাবেন এ সুন্দর নালাইন পাক পিন।
05/03/2026

আসসালামু আলাইকুম 💚
এখন থেকে পেয়ে যাবেন এ সুন্দর নালাইন পাক পিন।








Address

Chittagong

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Crafting Work Ctg posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category