RebelAnt - A Film Weaver

RebelAnt - A Film Weaver An original content based studio & visual production house. Organized by some creative minds, Rebel Ant finding their way in the visual journey.

Rebel Ant, a content based studio & production house of Chittagong, tending to create visual art through the process of making.

'দ্য কন্টেন্ডার' (২০০০), কিন্তু বেশ ভালো পলিটিকাল সিনেমা ছিল। এবং স্বভাবতই, সাধারণের রাডারের বাইরে থেকে গেছে। আরো কিছু স...
01/05/2022

'দ্য কন্টেন্ডার' (২০০০), কিন্তু বেশ ভালো পলিটিকাল সিনেমা ছিল। এবং স্বভাবতই, সাধারণের রাডারের বাইরে থেকে গেছে। আরো কিছু সাধবাক্য এই সিনেমা পেতে পারে। পাওয়ার ক্ষমতাও এই সিনেমার আছে। পলিটিকাল ড্রামা, তবে গতিটা উত্তেজনাময় থ্রিলারের। আগ্রহী হয়ে উঠবার মতো যথার্থ গল্প আছে, প্রয়োজনীয় বাঁকও আছে গল্পে। রড ল্যুরি'র নিজের লেখা চিত্রনাট্যটার প্রশংসা করতে হয়। রাজনীতির মাঠে; ক্ষমতার নীতি, বৈষম্যের রাজনীতি, নারীবিদ্বেষ, যৌনতার রাজনীতি- এসবের চিত্রায়নে বেশ বাস্তবিকতা আর প্রগাঢ়তা মিশে ছিল (এই উপমহাদেশীয় ওসব দেশ/সমাজ বদলে দেওয়া ফ্যান্টাস্টিক্যাল কিছু তো মোটেও নয়)। আর এসবকে, সিনেমার গল্প এগোনোর সাথে সাথে যেভাবে প্রকাশ করা হয়েছে, তা তো থ্রিলারের মেজাজেই। ওসময় যা বলছিলাম আরকি।
পরিচালক ও চিত্রনাট্যকার রড ল্যুরি, আগে চিত্রসমালোচক ছিলেন। এতে উপকার যা হয়েছে, প্রত্যাশিত পাড়গুলোকে; চরিত্রদের চেনা বিটগুলোকে বেশ মসৃণভাবে সাবভার্ট করেছেন তিনি। পরিচালনাও বেশ বুদ্ধিদীপ্ত। নিয়ন্ত্রিত সবকিছুতে। রাজনীতির চিত্রটা যে তিনি দারুণ বুঝেন, তা ওমন খোলাখুলি চিত্রবর্ণনাতেই পরিষ্কার। আর সেই প্রকাশভঙ্গীও চিন্তার উদ্রেক ঘটানোর মতো। তিনি চরিত্রগুলোকে ভিন্ন চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যে যথার্থ চরিত্র হিসেবেই গড়ে তুলতে পেরেছেন। প্রত্যেক রাজনীতিবিদের রাজনৈতিক উদ্দেশ্য, গোপনীয়তা, কৌশল অবশ্যই আলাদা। আর সেই 'আলাদা' করতে পারার গুণাগুণটাই এতে আছে। আর কাস্টিংও ওমন ফাইন! প্রভাবশালী অভিনয় সকলের। তবে আলাদা করে বলবো গ্যারি ওল্ডম্যানের অভিনয়ের কথা। ভদ্রলোকের যেই চরিত্র, সেই চরিত্রটা যেমন শেকড়জাতভাবে পাবার মতো করে রূপায়ন করেছেন; তাতে অভিভূত হতেই হয়। বলবো; "এটা তার 'লেস টকড গ্রেট পারফরম্যান্স'গুলোর মাঝে অন্যতম!" আপত্তির জায়গা আছে, সিনেমার শেষটা নিয়ে। ড্রামার দানগুলো যতটা উঁচুতে উঠিয়েছেন রড ল্যুরি, সেগুলোর মাটিতে পদার্পণ আকস্মিক এবং ছন্দহীন। সাথে, ওমন এজেন্ডাভিত্তিক উপসংহারে না ঘেঁষে এই সিনেমা আরো সুপিরিয়র হতে পারতো। তবে 'দ্য কন্টেন্ডার' যে, তার জনরার ঐতিহ্যবাহী রীতিতে খুবই উপভোগ্য আর সময়জ্ঞান রাখা এক চতুর ও শক্তিশালী পলিটিকাল ড্রামা; সেই বিষয়ে ভ্রুকটি কাটবার সুযোগ নেই।

Not quite absorbed by the show. I appreciate the sitcom setting. The costume designers and set designers did a great job...
19/04/2022

Not quite absorbed by the show. I appreciate the sitcom setting. The costume designers and set designers did a great job. They perfectly captured those eras. But it has to be more than that, right? And that's where it gets baffled. Seemed something Truman Show-ish at first, but there's a deep laden mystery. Which is obvious for plot sake. After first few episodes, the tone of the show, got occasionally confused. It deals with themes like; grief, insecurities, inherent loneliness, nostalgia. Well yeah, that bubble up the surface. But without new insight or proper density. The emotional stakes are small, right until the finale. And though the stakes do get higher, but doesn't quite cover up the artificiality within it. Olsen & Kathryn are amazing by the way.

WandaVision (2021)

আর্নেস্ট লুবিচের শত বৎসর আগেকার এই সাইলেন্ট কমেডি, 'দ্য ডল' (১৯১৯) একদম প্রথম দৃশ্যেই তার সৃষ্টিশীলতা দিয়ে আকৃষ্ট করে। জ...
16/04/2022

আর্নেস্ট লুবিচের শত বৎসর আগেকার এই সাইলেন্ট কমেডি, 'দ্য ডল' (১৯১৯) একদম প্রথম দৃশ্যেই তার সৃষ্টিশীলতা দিয়ে আকৃষ্ট করে। জাদুকরী সিনেমা। এবং তার সবচেয়ে অদ্ভুত (এক্সেন্ট্রিক অর্থে) স্বভাবের সিনেমাও হয়তো এটি। একটা খেলনার বাক্স নানান সরঞ্জামাদি বের করে দুটো খেলনা পুতুলের ঘরবাড়ি, উঠোন, পুকুর বানানো হয়। গাছ, পাহাড় ও আছে। তারপর ঘরের মধ্যে রাখা রাখা দুটো পুতুল তাদের ছোট্ট খেলনার পৃথিবীতে জীবন্ত হয়ে চলতেফিরতে গিয়ে একদম বাস্তবের সীমানায় নেমে আসে। যেখানে এক যুবক, তার মতের অমতে হতে থাকা বিয়ে আর রাজ্যের ঝঞ্ঝাট থেকে বাঁচতে এক আশ্রমে আশ্রয় নেয়। সেখান থেকে আইডিয়া পায়, রক্তমাংসের মানুষের মতো অবিকল দেখতে এক পুতুলকে বিয়ে করার। কিন্তু ঘটনাচক্রে আর কূটচালে মানবীরই প্যাঁচে পড়ে সে। এর শুরুর অংশটায় কিন্তু পৃষ্ঠতলে যেমনটা দেখা যায়, সেখান থেকে ছেঁকে আরো গভীর কিছুর প্রতি ইঙ্গিত কিংবা রূপকের আভাস পাওয়া যায়। হাতে তৈরি পুতুল হতে মানুষে রূপান্তর, সেখান থেকে চক্র ভেঙে ঝঞ্ঝাট কুড়ানো। এবং তারই দুষ্টচক্রে বাঁধা পড়া। বিগ পিকচারের আভাস এখান থেকেই ছেঁকে নেওয়া যায়। আবার সেটা লুবিচ নিজেই করেন প্রারম্ভিক দৃশ্যে সশরীরে এসে। তাই ওই ব্যাপারটা আরো অমোঘ হয়। যাক সেসব। পৃষ্ঠতলে যা আছে সেখানেও লুবিচ তার ক্লাসিক 'লুবিচ টাচ'-এ কামনা-বাসনা, গভীর প্রেমবোধ, অস্তিত্বের মতো বিষয়াদির অবতারণা করেছেন। এবং বিষয়াদির সেদিক থেকে ১৯১৯ সালের কথা ভাবলে, যখন সিনেমা মাধ্যমটা হাঁটতে চলতে শুরু করেছে; নতুন আঙ্গিক; নতুন কৌশল পেয়ে পরিণত হচ্ছে- সময় অনুযায়ী অবিশ্বাস্য রকমের সাহসী এই সিনেমা।

যেই কৃত্রিম উপকরণ দিয়ে সিনেমার শুরু হয়, সেই সেটাপকে, সেই টেক্সচারকে, গুণাগুণকে গোটা সিনেমাতেই অক্ষুণ্ণ রেখেছেন গ্রেট লুবিচ। জার্মান থিয়াট্রিক্সকে ব্যবহার করেছেন গর্বিতভাবে। গোটা সিনেমাটায় একটা ঘোরলাগা আবহের সৃষ্টি করেছেন। জাদুকরের জালের মতো। তাইতো 'জাদুকরী' বিশেষণ চড়িয়ে দিয়েছিলাম প্রথমেই। সিনেমার তখনকার নির্বাক অবস্থায়; চিত্রভাষার মাধ্যমে একটা গল্পের বয়ানভঙ্গীমা দাঁড় করানো, নন্দনকেও সেই শৈল্পিক মাত্রা দেওয়ায় তার যেই সুগভীর এবং দূরদর্শী দক্ষতা, সিনেমার অদ্ভুত সব উপাদানের সুসংবদ্ধ বিন্যাসে তা পূর্ণরূপে দৃশ্যমান। নিখাদ হাস্যরস আর বিস্ময়ের পাড়কে জাগিয়ে সৃষ্টিশীলতা আর শৈল্পিকতার অনন্য এক উদাহারণ হয়ে উঠেছে 'দ্য ডল'। দেখতে দেখতে 'সিনেমা' মাধ্যমটার তখনকার অসামান্য ও উদ্ভাবনী সব কৌশল, শৈল্পিক মাত্রা থেকে (আজকের) অগ্রসরমান প্রযুক্তিকে নিজ কার্যে, জাঁদরেলি স্বভাবে ব্যবহার করার ক্ষমতার কথা ভেবে আরো হতবাক হতে হয়, দর্শক হিসেবে।

The Doll (1919) / German
Dir- Ernst Lubitsch

ভালো মিউজিক্যাল হলে, কে না ভালোবাসবে! একপাক্ষিক ভালোবাসা; বিরহ; গ্রহণযোগ্যতার এই চেনা ঢঙের গল্প, সময়ের সাথে যেটা ক্লাসিক...
08/04/2022

ভালো মিউজিক্যাল হলে, কে না ভালোবাসবে! একপাক্ষিক ভালোবাসা; বিরহ; গ্রহণযোগ্যতার এই চেনা ঢঙের গল্প, সময়ের সাথে যেটা ক্লাসিক হয়েছে, তা বিমোহিত হবার মতো রূপটা পেয়েছে জো রাইটের কারণে। জো রাইটের ভিজ্যুয়াল ভাষাই অনন্য এক রূপ দিয়েছে 'সাইরানো' (২০২১)-কে। তার বুদ্ধিদীপ্ত, চতুর ফিল্মমেকিং স্টাইল পিরিয়ডিক্যালে বরাবরই দারুণ কাজ করে ('প্রাইড এন্ড প্রেজুডিস', 'এটোনমেন্ট', 'আন্না কারেনিনা')। ফ্রেমগুলোতে সচরাচরই চিত্রকলার অনুপ্রেরণা ব্যবহার করেন তো, তাই ভিজ্যুয়ালটা ওমন জাঁকজমকপূর্ণ আর মাদকতায় ভারী হয়। সঙ্গীতও সেই আবহ তৈরিতে কাজ করে অবিচ্ছেদ্যভাবে। 'সাইরানো'তে সাইরানোর বিরহ আর হতাশার অংশটাকে আন্ডারকাট করেছেন অবশ্য। খুব বেশি রাখেননি। তাতে কিন্তু সমস্যা হয়নি। হবারও কথা না যদি পর্দায় থাকে পিটার ডিংকলেজের এমন শক্তিশালী ও অনুনাদি অভিনয়, সোলফুল সঙ্গীতায়োজন আর জো রাইটের সমৃদ্ধ ভিজ্যুয়াল।

ফ্রান্সিস 'গডফাদার' ফোর্ড কপোলা এবং তাঁর গ্রেটনেসকে যথাযথভাবে জানতে, বুঝতে গুরুত্বপূর্ণ ৩ বই। (আজ তাঁর জন্মদিন) কপোলার ক...
07/04/2022

ফ্রান্সিস 'গডফাদার' ফোর্ড কপোলা এবং তাঁর গ্রেটনেসকে যথাযথভাবে জানতে, বুঝতে গুরুত্বপূর্ণ ৩ বই। (আজ তাঁর জন্মদিন) কপোলার ক্যারিয়ারকে সামারাইজ করা বেশ কঠিন কাজ। অবিরতভাবে, সিনেমাকে নিত্যনতুন ভাষা দিতে নিরীক্ষা করে গেছেন এই ভিশনারি ফিল্মমেকার। তা করতে গিয়ে যেমন স্টুডিও গড়েছিলেন, তেমনি হারিয়েছেনও। ৯০ দশকের পর, গত দুই দশক ধরেই তো ফিল্মমেকিংয়ে নিজের সীমানাকে ক্রমাগত ধাক্কা দিয়ে চলেছেন তিনি। এই দুইদিন আগেই তাঁর গুরু রজার করম্যানের জন্মদিন গেল। আজ তাঁর। ৬০ দশকে শুরুটা যে করম্যানের হাত ধরেই। বি-মুভির মায়েস্ত্রো করম্যান। কপোলা, স্করসেজি, জোনাথন ডেম, লুকাস; এরা সবাই, যারা ৭০ এর নব্যতরঙ্গের প্রবাদপুরুষ, তারা তো করম্যানেরই শিষ্য। বলতে গেলে ওঁর হাত ধরেই সব। বাজেট ছাড়াই কী করে সিনেমা নির্মাণ করতে হয়; তা হাতেকলমে শিখিয়েছিলেন করম্যান। তাইতো ষাটে ছোটছোট প্রোডিউসিং থেকে করম্যানের 'দ্য টেরর'-এর কিছু ফুটেজ তোলা, তারপর তারই সহায়তায় 'ডিমেনশিয়া ১৩' নামের সম্পূর্ণ একটা হরর সিনেমা বানানো, এরপর 'ইউ আর আ বিগ বয় নাও', 'ফিনিয়ান'স রেইনবো'র মতো আরো নিরীক্ষাধর্মী কাজ করে নিজের ভিশনকে আরো পরিপক্ব করে তোলা। ওগুলোর মাঝে হালে পানি পাওয়া সিনেমা 'দ্য রেইন পিপল'। স্বাধীনতা, স্বকীয়তা, বিদ্রোহী চেতনা- সবকিছুকে এক করে সিনেমার ফর্ম তৈরি করেছেন। 'দ্য গডফাদার- ১,২', 'দ্য কনভার্সেশন', 'অ্যাপোক্যালিপ্স নাও'; গোটা ৭০ দশকে চলচ্চিত্র ইতিহাসের পরপর ৪টা শ্রেষ্ঠ সিনেমা দিয়ে আশিতে ঢুকতেই আবার নিজের 'পারসোনাল' কাজে ফেরত গেলেন। সফলতার তুঙ্গে থাকা অবস্থাতেই নিজের শৈল্পিক সত্ত্বা এবং সেই সত্ত্বার স্বাধীনতার প্রয়োজনে নিত্যনতুন ভাষা নিয়ে নিরীক্ষায় ফিরলেন আবার 'ওয়ান ফ্রম দ্য হার্ট' (১৯৮২) দিয়ে। গ্রহণ করুক কি বর্জন করুক!

ক্লাসিসিজম থেকে সরে আধুনিক ভাষায় বানালেন 'দ্য আউটসাইডারস' আর 'রাম্বল ফিশ'। 'রাম্বল ফিশ'কে বিশেষায়িত করেছিলেন, "(আলবের) কাম্যু ফর কিডস" বিশেষণে। বিশাল বাজেটের 'দ্য কটন ক্লাব'-এ নিজের সিনেম্যাটিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা আর ক্লাসিসিজম তো অক্ষুণ্ণ রইলো তবে স্টুডিও ডুবলো। 'গার্ডেনস অফ স্টোন'-এর মিসফায়ারের কথা বাদ দিলে 'পেগি স্যু গট ম্যারিড' আর 'টাকার: দ্য ম্যান এন্ড হিজ ড্রিম'-এ স্টাইল, পুরোনো আভিজাত্যের পাশাপাশি স্মৃতি রোমান্থনকারী এক কপোলা'কে পাওয়া যায়। এরপর তো 'গডফাদার ৩', 'ড্রাকুলা' এলো। ভাষা নিয়ে নিরীক্ষার ক্ষেত্রে 'ড্রাকুলা' গুরুত্বপূর্ণ সিনেমা। নিজের থিয়েটারপ্রেমী সত্ত্বাকে সম্মান জানানোর পাশাপাশি, জার্মান এক্সপ্রেশনিজমের স্টাইলে কপোলার স্বকীয় ভিশনটাকেই সামনে এনেছিল 'ড্রাকুলা'। কপোলার আর্টিস্টিক স্বাধীনতার বিষয়ে, এই সিনেমা একটা অর্জনই। উদ্ভট 'জ্যাক'-এর পর আসা 'দ্য রেইনমেকার' কিন্তু তাঁর শক্তিশালী ফিল্মমেকার সত্ত্বার কিছু চিহ্ন রেখে যায়। এরপর তো শেষ দুই দশকের হাতেগোণা কাজে সর্বদা নিরীক্ষা করতে চাওয়া সত্ত্বাকেই বারবার সামনে এনেছেন। সেল্ফ-ইন্ডালজেন্সের মাত্রা বাড়িয়েছেন ক্রমশ। তাঁর গোটা ফিল্মমেকিং ক্যারিয়ারটা পাঠযোগ্য বিষয়ই। ছবি দেওয়া ৩'টা বইয়ের মাঝে প্রথম বইয়ের নামটাই সেক্ষেত্রে যথাযথ। অতিরঞ্জন নয়। দ্য গ্রেট ফ্রান্সিস ফোর্ড কপোলা, চলচ্চিত্রের ভাষা ও নন্দন পাঠে এনসাইক্লোপিডিয়া'ই।

'Peter's Friends' (1992) is the 3rd directional venture of Kenneth Branagh. A smart & entertaining film. It addresses AI...
05/04/2022

'Peter's Friends' (1992) is the 3rd directional venture of Kenneth Branagh. A smart & entertaining film. It addresses AIDS directly, which was a brave thing to do, in those days. It also talks about gender roles, class. Though in a very cunning way. But the ensemble cast really uplifts the film. The one liners are terrific. And Branagh knows how to roll the dice and keep the game going in a lively manner.

TED K (2021)'টেড কে'র প্লটটাই আকর্ষিক। একজন নাশকতাকারীকে নিয়ে, বোমাবাজকে নিয়ে গল্প। অথচ লোকটা কিন্তু ভার্সিটির ম্যাথ প্র...
03/04/2022

TED K (2021)

'টেড কে'র প্লটটাই আকর্ষিক। একজন নাশকতাকারীকে নিয়ে, বোমাবাজকে নিয়ে গল্প। অথচ লোকটা কিন্তু ভার্সিটির ম্যাথ প্রফেসর ছিলেন। সাধারণ প্রফেসরও নয়, একজন প্রডিজি! কিন্তু হলো কী। একাডেমিক ক্যারিয়ার ছেড়ে হঠাৎ একদম নির্জনে গিয়ে আদিম জীবনযাপন করতে লাগলেন। বিদ্যুৎ ও ছিল না তার ঘরে। কারণ প্রযুক্তি পছন্দ করতেন না। ধীরেধীরে সেই ঘৃণাটা তাকে গোঁড়া আর অন্ধ করে তোলে। আধুনিক সমাজ আর প্রযুক্তির প্রতি নির্ভরতার উপর কোন বিশ্বাস ছিল না তার। সেই থেকেই তার এলাকার একেকটা বৈদ্যুতিক খুঁটি ধ্বংস করার কাজ শুরু করেন। ওই উন্মত্ততা আরো বাড়তে থাকে। তৈরি করতে থাকেন বোমা। চিহ্নিত হয়ে উঠেন টেরোরিস্ট হিসেবে। পুলিশের কাছে ধরা পড়ার আগ অব্দি নিজের ডায়েরীতে লিপিবদ্ধ থাকা বম্বিংয়ের ঘটনাগুলোকে ঘিরেই এই বায়োগ্রাফিক্যাল, ক্রাইম সিনেমা 'টেড কে'।

এই সিনেমার বিষয়বস্তু যেমন ভিন্ন, ট্রিটমেন্টেও সেই ভিন্নতার আভাস পাওয়া যায়। বয়ানভঙ্গীমা সেই দিকটা নিশ্চিত করে। ধ্বংসাত্মক প্যাশন থেকে ধীরেধীরে এক্সট্রিমিস্ট হয়ে উঠার গ্যামাট'টা; কোনরকম ম্যানুপুলেশন ছাড়াই, ধরে এগিয়েছেন টনি স্টোন। প্রশংসাযোগ্য যেটা। ড্রামার মেকানিজমটা অবশ্য ডকুমেন্টেশনের মতো করে তৈরি করেছেন। সেটার ইতিবাচক উদ্দেশ্যটা বোঝাও যায়। তবে চিত্রনাট্য লেখা উচিত ছিল আরো সুচারু উপায়ে। সম্পাদনাও হওয়া উচিত ছিল তেমন। তাহলে ওমন ছন্দহীন হয়ে পড়তো না মাঝেমাঝে। সেটা কিন্তু খুব বেশি চেপে বসে না এই অননুমেয় চরিত্রটার বরাতে। তার পাগলামি তাকে কোথায় নিয়ে যায়, আর কী কী সে করে বা করতে চায়; বিষয়টা পুরোটা সময়ই দর্শককে ভাবায়। ওই অননুমেয়তার জন্য অজান্তেই দর্শক তার মনস্তত্ত্ব নিয়ে বিশ্লেষণে আগ্রহী হয়। তার হতাশার জায়গাটা বুঝতে চেষ্টা করে।

বলা যায়, বিষয়বস্তুর সবটুকু সুবিধা চিত্রনাট্যকার এবং পরিচালক টনি স্টোন পেয়েছেন। এবং ব্যবহারেও অসৎ হননি। তার ফিল্মমেকিং কিন্তু সেইটাই নিশ্চিত করে। ফুল শটে প্রকৃতির খাঁটি সৌন্দর্যকে ধরেছেন। স্বপ্নালু আবেশ তৈরি করে। এই সৌন্দর্যকেই অপরিবর্তনীয় রাখতে চেয়েছিল 'টেড কে'। সে চায়নি, প্রযুক্তি উন্নয়ন করতে গিয়ে সেই আদিমতা নষ্ট করুক। খুব বেশি জারিং স্টাইলের নন্দনে না যাওয়া তাই বুদ্ধিদীপ্ত সিদ্ধান্তই। আবার এই আরামদায়ক ভিজ্যুয়াল ভাষাটা কিন্তু মূল চরিত্রের উদ্দেশ্য, গতিবিধি, মনস্তত্ত্বের জায়গা থেকে একটা দ্বান্দ্বিক কোণ তৈরি করে। সেই স্বভাবসুলভ দ্বান্দ্বিকতাই গোটা বিষয়টাকে আরো আগ্রহপূর্ণ করে তুলেছে। টনি স্টোন, ফিল্মমেকিংটা বুদ্ধি আর দক্ষতার সাথে করতে পেরেছেন বলেই ফলাফলটা ভালো হয়েছে। আর সবকিছুর কেন্দ্রে আছে শার্লটো কোপলির অনবদ্য অভিনয়। একদম নিয়ন্ত্রিত অভিনয় যাকে বলে। নিখুঁত কাস্টিং হয়েছে। ডকুমেন্টেশনের ভাবটার সাথে কোপলির দারুণ বোঝাপড়া চরিত্রের গতিবিধিটা যখন যোগ হয়, তখন রীতিমতো বাস্তবের টেডকেই দেখছি; এমনটা বিশ্বাস করতে হয়। এবং ওটার চেয়ে বড় অর্জন বোধকরি আর হয় না।

A Faithful Man (2018) / ফ্রেঞ্চ- "আ ফেইথফুল ম্যান, একটা ফেইথফুল ফ্রেঞ্চ ফার্স (প্রহসন)।" সিনেমার প্রারম্ভিক দৃশ্যেই দেখা...
31/03/2022

A Faithful Man (2018) / ফ্রেঞ্চ

- "আ ফেইথফুল ম্যান, একটা ফেইথফুল ফ্রেঞ্চ ফার্স (প্রহসন)।" সিনেমার প্রারম্ভিক দৃশ্যেই দেখা যায়, দম্পতির মাঝে স্ত্রী তার স্বামীকে ছেড়ে দিচ্ছে, স্বামীরই বেস্ট ফ্রেন্ডের জন্য! একটা সুসংবাদ বয়ে নিয়ে ঘরে আসা স্বামী ততক্ষণে বিহ্ববল দিশেহারা। কিন্তু কিছু করার নেই, স্ত্রী চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত যে নিয়ে ফেলেছে। বিরহকে কেন্দ্রে এনে, এর সাথে হাস্যরসের আবহটা মৃদুভাবে সৃষ্টি করার পরপরই সিনেমা চলে যায় কয়েক বছর পরের দৃশ্যপটে। প্রাক্তন স্ত্রীর ক্ষণকাল আগে পর্যন্ত বর্তমান থাকা স্বামী, মানে ওই যুবকের বেস্টফ্রেন্ড, গত হয়েছেন। অন্ত্যোষ্টিক্রিয়ার সবাই উপস্থিত হয়েছেন। প্রাক্তন স্ত্রী ম্যারিয়েনকে সান্তনা দিচ্ছে তার প্রাক্তন স্বামী আবেল। বলা ভালো, আবেলের মধ্য থেকে পুরোনো আবেগটা বাষ্পীভূত হয়নি সম্পূর্ণ। সেই কারণেই কিছু হ্যা/না/যদি/কিন্তু/তবুও'র স্তর পার করে আবার প্রাক্তন স্ত্রীর বর্তমান পার্টনার হয় আবেল। কিন্তু দৃশ্যপটে আরেকজনকে লাগবে যে। সেই আরেকজন হলো গত হওয়া বেস্টফ্রেন্ডের বোন ইভ। বেশ বেড়ে উঠেছে এই ক'বছরে। শয়নেস্বপনে আবেলকে ভেবেই বেড়ে উঠেছে। আবেল সেটা জানতে পারার পর, ম্যারিয়েনকে জানায়। ম্যারিয়েনের মাথায় কি যেন খেলে যায় আর সে আবেলকে বলে ইভের কাছে যেতে। এদিকে ইভ যখন বুঝতে পারে, আবেল ম্যারিয়েনের দয়ার দান, তখন আবেলকে চলে যেতে বলে ম্যারিয়েনের কাছে। বলা যায় যে, দুই নারীর হিংসা,অহম আর অধিকারের মাঝখানে আগুপিছু ঘুরতে থাকে বেচারা আবেল! একেবারে বিশুদ্ধ প্রহসন যাকে বলে।

আমরা তো 'দুই বধূ এক স্বামী' সিনেমা দেখে বড় হয়েছি। সমাজও সেসব সিনেমার পক্ষে। এক স্বামীর দুই বধূ, সেটা সমাজের কাছে একটা যোগ্য, যৌক্তিক, বাস্তব 'ক্রাইসিস'। কিন্তু এক স্বামী দুই বধূর মাঝখানে ব্যালে নৃত্যের ছন্দে ঘুরছে, এটা সমাজের পৌরুষে লাগার মতো বিষয়ই বটে। সেই চিত্রের দানটা উল্টে দিয়েই তো হাস্যরসের জায়গাটাকে পুষ্ট করে তুলেছে এই সিনেমা। হয়েছে তার জনরার মধ্যে একটু ভিন্ন গোছের। স্বাদে, গন্ধে একদম খাঁটি ফ্রেঞ্চ সিনেমা। দৈর্ঘ্যের প্রায় পুরোটা সময়ই অন্দরমহলগুলোতে থাকা এক 'চেম্বার-কমেডি'। ফরাসি বুর্জোয়া শ্রেণীর অভ্যন্তরীণ প্রহসন বলা যাক।

নিগূঢ় রসবোধযুক্ত এই সিনেমা কিন্তু চরিত্রনির্ভর ড্রামা হিসেবেও বেশ আকর্ষণীয়। ৭৫ কি ৮০ মিনিটের ছোট্ট রানটাইমের মধ্যেই, জাঁ-ক্লদ ক্যারিয়ে আর লুই গ্যারেলের চিত্রনাট্য ভালো পরিমাণ ডিটেলের সমন্বয় করেছে। সংক্ষিপ্ত সব বর্ণনা আর ছোট, সূক্ষ্ম সব ডিটেলকে জড়ো করে একটা গোছানো ন্যারেটিভ দাঁড় করিয়েছে। এই সময়ের ভালোবাসার চিত্রটাকে অ্যাবসার্ড উপায়েই উপস্থাপন করেছে। তবে হাসির দমকায়, ড্রামার সিরিয়াস ভাবটা মাঝেমাঝে জোরপূর্বক কন্ঠরোধ করে। তখন চরিত্রগুলোকে মনে হয়, অনেকটা অসংলগ্ন তাদের আচরণ। আবার হাসির দমকা আসলে সেসব মুছে যায়। সেই অসংলগ্নতাই অবশ্য বর্তমান সময়ের ভালোবাসা, যেখানে প্রেম মানে শূন্যতার বিনিময়। সংগমের শেষে বুক থেকে গ্লানির চিল উড়ে যায়।

অভিনেতা কাম পরিচালক, লুই গ্যারেল 'হয়তো' সেটাই চিত্রায়িত করতে চেয়েছেন ভেতরকার বক্তব্যে। 'হয়তো' বলার কারণটা আসলে সিনেমার টোনের অসমতাতেই শুয়ে/বসে কিংবা লুকিয়ে আছে। টোনের সমতার ক্ষেত্রে গ্যারেল একটু পিছিয়ে পড়েছেন বৈ। উপাদানের পাল্লা যতখানি ভারী, সেই তুলনায় দৈর্ঘ্য কিন্তু কমই। এবং সেটা বেশ অনুভব হয়। তবে ওইটুকু অবশ্য প্রহসনের ভেতর দিয়ে, ভালোবাসার ক্ষেত্রে স্বাধীনতা থাকার যেই জায়গাটা এখানে গুরুত্বপূর্ণভাবে উঠে এসেছে, তা নিয়ে ভাবতে ভাবতে কেটে যায়।

'Death On The Nile' (2022) dies in the 'obviousness'. But Branagh's portrayal of the character Hercule Poirot, remains s...
29/03/2022

'Death On The Nile' (2022) dies in the 'obviousness'. But Branagh's portrayal of the character Hercule Poirot, remains superior. As for the film, if I say honestly, by this time Agatha Christie's stories has nothing more to offer on TV & Films. We've seen enough and enjoyed enough. Though this one is slightly better than Branagh's previous 'Murder on the Orient Express'. The production design is lavish and the all-star cast helped to get through this dizzy ride.

নিজের সিনেমায় ভায়োলেন্স সম্পর্কে টারান্টিনো বলেন,"আমার কাছে ভায়োলেন্স একটা অ্যাস্থেটিক বিষয়। 'আমি সিনেমায় ভায়োলেন্স পছন্...
27/03/2022

নিজের সিনেমায় ভায়োলেন্স সম্পর্কে টারান্টিনো বলেন,

"আমার কাছে ভায়োলেন্স একটা অ্যাস্থেটিক বিষয়। 'আমি সিনেমায় ভায়োলেন্স পছন্দ করি না', এটা শুনতে লাগে, আমি সিনেমায় নাচের দৃশ্য পছন্দ করি না; এমন। আমি যদিও সিনেমায় নাচের দৃশ্য পছন্দ করি, কিন্তু না করলেও, নাচের দৃশ্য সিনেমায় থাকাটা তো আর আমি বন্ধ করতে পারি না। আপনি যখন সিনেমায় ভায়োলেন্স রাখবেন, একটা বড় সংখ্যাই সেটা পছন্দ করবে না। ইনিয়েবিনিয়ে অযৌক্তিক সমালোচনা করবে। কারণ এটা হলো ওমন উঁচু একটা পাহাড়, যেখানে তারা চড়তে পারে না। তারা কিন্তু ভোঁদাই/আহম্মক না। এটা তাদের কম্ম না আরকি। হতেও হবে না। সিনেমায় ভায়োলেন্স ছাড়া আরো অনেককিছু আছে, যা তারা দেখতে পারে। তবে আপনি যদি ওই পাহাড়ে (ভায়োলেন্স) চড়তে চান, তাহলে আমি আপনাকে চড়ার জন্য রশিটা কিন্তু ঠিকঠাক ছুঁড়ে দেবো।"

ভায়োলেন্সকে শৈল্পিক এবং নান্দনিক মাত্রায় সিনেমায় উপস্থাপনে টারান্টিনো অনন্য। স্বকীয়, শক্তিশালী এক কন্ঠস্বর। আজ তাঁর জন্মদিন। জন্মদিনের শুভেচ্ছা রইলো তার প্রতি।

সুইডিশ সিনেমা 'ব্ল্যাক ক্র‍্যাব' (২০২২)। পোস্ট অ্যাপোক্যালিপ্টিকের ভাইবওয়ালা সিনেমা। ভবিষ্যতের এক সময়ের গল্প বলে, পৃথিবী...
21/03/2022

সুইডিশ সিনেমা 'ব্ল্যাক ক্র‍্যাব' (২০২২)। পোস্ট অ্যাপোক্যালিপ্টিকের ভাইবওয়ালা সিনেমা। ভবিষ্যতের এক সময়ের গল্প বলে, পৃথিবী যখন ভেঙেচুরে পড়েছে চলতে থাকা যুদ্ধের বিভীষিকায়। গুমোট হাহাকারে পৃথিবীর বাতাস ভারী। মৃত্যুর মিছিলও দীর্ঘ হচ্ছে ক্রমাগত। সেইসাথে ভয়ংকর শীত সুইডেনকে করেছে আরো শীর্ণকায় আকৃতির। এমন সময় বেছে নেওয়া হয় ৬ জন দক্ষ সৈন্যকে। একটা গুরুত্বপূর্ণ আর রহস্যময় প্যাকেজ তাদেরকে দেওয়া হয় ডেলিভারি করতে। ওটাই যুদ্ধের ইতি ঘটাতে পারে। কিন্তু বিপদ তো আর কম নয়। তারচেয়েও বিপদের কথা, এই প্যাকেজ পৌঁছে দিতে হবে, বরফের উপর স্কেটিং করে। সফল হবার মাত্রা আরো কমে যা এতে। এ যে 'সুইসাইড মিশন'।

পরিচালক অ্যাডাম বার্গের এই সিনেমার প্রাইমারি গল্পটা মোটাদাগে, ভিন্ন কিছু না। কিন্তু সকল আকর্ষণ টেনে নেয়, 'স্কেটিং' এর বিষয়টা। যুদ্ধের মুখে কিংবা যুদ্ধের মাঝে গোপন মিশন/সুইসাইড মিশন নিয়ে সিনেমা তো কম হয়নি। কিন্তু বরফের উপর স্কেটিং করে, তারউপর দিয়েই শত্রুপক্ষকে ঘায়েল করে মিশন সফল করার গল্প আছে বলে মনে পড়ে না। এটাকেই সিনেমার আগ্রহেত কেন্দ্রবিন্দু বানিয়েছেন পরিচালক। এবং বুদ্ধিদীপ্ততার সাথেই সেই অংশের ফিল্মমেকিং করেছেন। সুইডেনের শীতকাতুরে পরিবেশে এমন প্লটই তো বুনবে। চতুরতার সাথেই সেই পরিবেশটা কাজে লাগিয়েছেন। একদম আইসি ভিজ্যুয়াল। গরমে ঘামতে ঘামতে দেখলেও, শীতল ঝটকানি হঠাৎ হঠাৎ বাতাস কেটে শরীর ছুঁতে পারার মতোই অনুভূতি দেয়। সেদিক থেকে যথার্থ ভিজ্যুয়াল ভাষা। কিন্তু টেক্সটে খুব বেশিকিছু নেই। বরঞ্চ গোপন মিশন সম্বন্ধীয় সিনেমাগুলোর চেনাজানা অলংকারগুলোতেই ঘুরপাক খেয়েছে। ক্লেশ জাগায় সেটা। হ্যা; যুদ্ধের উদ্দেশ্য, নৈতিকতা, নৈরাজ্য নিয়ে বক্তব্য আছে। তবে তা এমন উপায়েও আসেনি যে, আলাদা করে উল্লেখ্য হয়ে উঠতে পারে। যেই অ্যাপোক্যালিপ্টিক ন্যারেটিভটা ডিজাইন করেছে এই সিনেমা, তাতে আরো কিছুটা মাংস দিয়ে শক্তিশালী করা উচিত ছিল। মূল চরিত্রে আছে নুমি রাপাস। ভালোই করেছে। তবে একই বৃত্তের চরিত্রেই কয়েক সিনেমা পরপর ঘুরেফিরে আসছে সে। 'চাইল্ড ৪৪', 'এঞ্জেল অফ মাই', 'দ্য সিক্রেটস উই কিপ', এটা। তাই চরিত্রের রূপরেখা দেখে, তার কাস্টিং প্রত্যাশিতই ঠেকে।

তা যাক। তো 'ব্ল্যাক ক্র‍্যাব' দেখা যেতে পারে এমন অন্যরকম প্রিমাইজের ধূর্ততা আর সেটার যথার্থ ফিল্মমেকিংয়ের কারণে।

সিনেমার জনক, গ্রিফিথের সাইলেন্ট শর্ট 'আ লোনলি ভিলা' (১৯০৯)। 'হোম-ইনভ্যাসন' সাবজনরার প্রথম সিনেমা বলা যেতে পারে। বুর্জোয়া...
19/03/2022

সিনেমার জনক, গ্রিফিথের সাইলেন্ট শর্ট 'আ লোনলি ভিলা' (১৯০৯)। 'হোম-ইনভ্যাসন' সাবজনরার প্রথম সিনেমা বলা যেতে পারে। বুর্জোয়া চিত্র, দারিদ্র্যতা; সেখান থেকে অপরাধ- এভাবে খন্ডন করা যায় এই সিনেমাকে। ১১ মিনিট দেখতে দেখতে এও মনে আসে, (চলচ্চিত্র) মাধ্যমটা শুরু থেকেই কতশত বিস্ময়ের জন্ম দিয়েছে, আজো দিয়ে যাচ্ছে।
দেখতে চাইলে- https://youtu.be/kaLZ6sRPk2M

Address

House No 887, 333 Commerce College Road, Mogul Tooly, Agrabad
Chittagong
4000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when RebelAnt - A Film Weaver posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Establishment

Send a message to RebelAnt - A Film Weaver:

Share