Kumar Gaurav Barua

Kumar Gaurav Barua Travel Details

অপার্থিব আমিয়াখুমঃপ্রথমে আসি "খুম" কি?খুম একটি মারমা শব্দ। যার মূল অর্থ জলপ্রপাত বা খুম হচ্ছে সেই জায়গা যেখানে উপর থেকে ...
18/01/2023

অপার্থিব আমিয়াখুমঃ
প্রথমে আসি "খুম" কি?
খুম একটি মারমা শব্দ। যার মূল অর্থ জলপ্রপাত বা খুম হচ্ছে সেই জায়গা যেখানে উপর থেকে অনেক পানি এসে পড়ে বিশাল গর্তের সৃষ্টি করছে আর সবসময়ই সেখানে পানি থাকে। ঝর্না সাধারণত শুকিয়ে যায়।খুমের পানি কমতে বা বাড়তে পারে কিন্তু একেবারে শুকায় না। আর সব খুমেই মাছ পাওয়া যায়।

আমিয়াখুমঃ
পাহাড়ি খরস্রোতা পাথুরে খাল রেমাক্রি তার চলার পথে অসংখ্য খুমের সৃষ্টি করে গেছে বিভিন্ন স্থানে। একেকটা খুমের একেকটা নাম আছে। যেমনঃ আমিয়াখুম, নাফাখুম, রেমাক্রিখুম, সাতভাইখুম, নাইক্ষ্যাংখুম সহ আরো অনেকে খুম আছে বান্দরবানের গহীনে। তার মধ্যে নাফাখুম অন্যতম এবং যাকে অনেকে আবার "বাংলার নায়াগ্রা" বলে। নাফাখুম নামটাও মূলত মারমা ভাষার। যার ভাঙ্গলে, নাফা অর্থ দাঁড়ায় মাছ আর "খুম" অর্থ জলপ্রপাত। বুজাই যায় নাফাখুমে প্রচুর মাছ পাওয়া যায় এবং তা নিজ চোখেও প্রমাণ দেখেছি।

যেভাবে যাবেনঃ
চট্টগ্রাম থেকে বাসে বান্দরবান চলে যান। লোকসংখ্যা বেশি হলে একটা চাঁদের গাড়ি রিজার্ভ করে থানচি চলে যান। খরচ কমাতে বাসেও যেতে পারেন। সেক্ষেত্রে থানচি পর্যন্ত বাস ভাড়া পড়বে মাত্র ২০০ টাকা। তারপর গাইড নিয়ে বিজিবি ক্যাম্পে নাম লিখিয়ে ট্রলারে উঠবেন। যা খরস্রোতা সাঙ্গু বা শাঙ্খ নদী ধরে আপনাকে রেমাক্রি পর্যন্ত নিয়ে যাবেন। পথে তিন্দুর দিকে দেখবেন রাজা পাথরের অঞ্চল। এখানে আপনি দেখবেন বিশাল বিশাল পাথরের বোল্ডার। রেমাক্রি পৌঁছে দেখতে পাবেন রেমাক্রি ক্যাসকেড। সুন্দর্য বিচারে এটিও কোন দিকে কম নয়। তবে আমার কাছে বর্ষায়কাল থেকে শীতকালের রুপটাই ভালো লাগে। আসলে খুমে যাওয়ার মূখ্যম সময়টাই শীতকাল। তখন আপনি খুমগুলো বা ক্যাসকেডগুলোতে ধাপে ধাপে পানি পড়ার সৌন্দর্যটা দেখতে পাবেন, যা বর্ষাকালে পানির অভারফ্লোর কারনে বুজাও যায় না। ওইদিন আপনি রেমাক্রিতেই কোন একটা গেস্ট হাউজে থেকে জান। আর উপভোগ করুন শাঙ্খ নদীর পাড়ে আপনার জীবনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সকাল।
তারপর, খাওয়াদাওয়া শেষ করে সকাল ৬ টার মধ্যে বেরিয়ে পড়ুন নাফাখুম দর্শনে। তবে সেজন্য আপনাকে পূর্ব থেকে ট্রেকিং এর প্রস্তুতি নিয়ে বান্দরবান আসতে হবে। অবশ্যই পাওয়ার ব্যাংক, ট্রাকিং উপযোগী গ্রীপের স্যান্ডেল(স্পোর্টসের জুতা) আর কাপড়চোপড় সাথে নিতে হবে। এইবার ব্যাগ গেস্ট হাউজে রেখে ট্যাকিং সু বা স্যান্ডেল পড়ে বেরিয়ে পড়ুন। রেমাক্রী বাজার হতে জোরে হাটলে ২ ঘন্টা এবং ধীর পায়ে হাঁটার ক্ষেত্রে নাফাখুম ঝর্নায় পৌছতে ৩ ঘন্টার মতো সময় লেগে যায়।

কখন যাওয়ার উপযুক্ত সময়ঃ
বর্ষার সময় ঝর্নার আকার বড় হয় আর পানির অভারফ্লোর কারনে মূল সৌন্দর্য পাওয়া যায় না। আর শীতের দিনে তা ক্ষীন হয়ে যায়। তবে সেপ্টেম্বর অক্টোবর মাসে নাফাখুমের প্রকৃত সৌন্দর্য দেখা যায়।

খরচঃ
সব মিলিয়ে ৪/৫ জনের একটা টিমের ৭০০০ এর মধ্যে হয়ে যাবে আশা করি।

কিছু কথাঃ
১. যারা সাতার জানে না তারা অবশ্যই লাইফ জ্যাকেট নিয়ে যাবেন। অথবা বিজিবি ক্যাম্প থেকে দিন হিসাব করে ভাড়া নিবেন। তবে সবসময় পর্যাপ্ত থাকে না। তা নিয়ে যাওয়া ভালো
২. অবশ্যই গ্রিপের স্পোর্টস জুতা বা স্যান্ডেলগুলো পড়বেন।
৩. এইটা ৩ নাম্বার হলেও সবার আগে এইটাই মূল বিষয়... অবশ্যই জাতীয় পরিচিয় পত্র বা স্টুডেন্ট আইডি কার্ড সাথে রাখবেন।
৪. থানচির পর থেকে আর কোন মোবাইল নেটওয়ার্ক নাই। তাই অবশ্যই ফ্যামিলি মেম্বারদের জানিয়ে যাবেন যে দুইদিন আপনাকে মোবাইলে পাবে না।

....................................................

ঘুরে আসলাম চঞলা চপলা তিনাপ সাইতার থেকে। অদ্ভুত সুন্দর জায়গা না দেখে বর্ণনা করা অসম্ভব।আমরা গিয়েছিলাম আত্তাপাড়া রুট দিয়ে।...
24/06/2019

ঘুরে আসলাম চঞলা চপলা তিনাপ সাইতার থেকে। অদ্ভুত সুন্দর জায়গা না দেখে বর্ণনা করা অসম্ভব।আমরা গিয়েছিলাম আত্তাপাড়া রুট দিয়ে।বান্দরবান শহর থেকে বাসে রুমা বাজার।রাতে চাকমা রির্সোট এ থাকলাম। পরদিন রুমাবাজার আর্মি ক্যাম্প থেকে অনুমতি নিয়ে ল্যন্ড ক্লুজার জীপে করে বেথেলপাড়া-মংপ্রুপাড়া হয়ে আত্তাপাড়া।রুমা বাজার থেকে আত্তাপাড়া যাওয়ার রাস্তাটুকু এক কথায় ভয়ংকর সুন্দর।এই রাস্তা দিয়ে নিজে না গেলে বোঝা যাবে না কতটা বিপদজনক রাস্তা।কিন্তু যাওয়ার সময় পাহাড়ে মেঘের আলো-আঁধারের খেলা দেখলে এক নিমিষেই ভয় উড়ে যাবে।

মুন্নামপাড়া আর্মি ক্যাম্পে রির্পোট করে হাঁটা শুরু করলাম তিনাপ সাইতার এর দিকে।এইবার আমাদের গ্রুপের অধিকাংশ সদস্য নতুন।খুব ভয়ে ছিলাম। কিন্তু কোন রকম বড় বিপদ ছাড়াই ১.৩০ মিনিট হেঁটে তিনাপ সাইতার পৌঁছে গেলাম। ১২ ফুট ৯৮* ডিগ্রি এঙ্গেলে দুইটা বাঁশ ধরে নামালাম তারপর তিনাপ সাইতার প্রথম দেখে কিছু সময় হাঁ করে তাঁকিয়ে ছিলাম।অদ্ভুত তার রুপ।তিনাপ সাইতার ছেড়ে আসতে ইচ্ছা করছিল না।তারপরও আসতেই হবে।আবার ২ ঘন্টা হেঁটে মুন্নামপাড়া আর্মি ক্যাম্পে ঠিক মত পৌঁছেছি রিপোর্ট করে গাড়ীতে রুমা বাজার চলে আসলাম।রুমা বাজার আর্মি ক্যাম্পে রিপোর্ট করলাম।
রাতে রুমা বাজার থেকে পরদিন সকালে রিঝুক ঝর্না তারপর বোটে করে বান্দরবান।

প্রতিবার বান্দরবান থেকে ফেরার পর মনে হয় আর এত কষ্ট করতে পারব না আর বান্দরবান যাব না।কিন্তু আসার পর থেকেই আবার বান্দরবানকে মিস করা শুরু করি।আমার দেহ থাকে চট্টগ্রাম আর মন বান্দরবান।অদ্ভুত অজানা এক ভাললাগা বার বার টেনে হিঁচড়ে আমাকে বান্দরবান নিয়ে যায়।

 #স্বপ্নের_বান্দরবন
03/03/2019

#স্বপ্নের_বান্দরবন

৷৷৷৷৷৷৷৷  ৷৷৷৷৷৷৷ দামতুয়া৷৷৷৷৷৷৷৷৷৷৷৷৷  কিছু বিস্ময়ের জন্মই হয় প্রকৃতিতে মুগ্ধতা ছড়াতে। কিছু বিশালতার মধ্যে ক্ষুদ্র হয়েও...
03/03/2019

৷৷৷৷৷৷৷৷ ৷৷৷৷৷৷৷ দামতুয়া৷৷৷৷৷৷৷৷৷৷৷৷৷

কিছু বিস্ময়ের জন্মই হয় প্রকৃতিতে মুগ্ধতা ছড়াতে। কিছু বিশালতার মধ্যে ক্ষুদ্র হয়েও আনন্দে ভাসতে ইচ্ছে করে সারাক্ষণ। বাংলাদেশের প্রকৃতি পরতে পরতে আড়াল করে লুকিয়ে রেখেছে নিজের সেরা সৌন্দর্যগুলোকে।

খোঁজ -- মেঘ-পাহাড়ের দেশ রুপের রানী বান্দরবান। চঞ্চলা চপলা তিনাপ সাইতার এর পর মন কাড়ে ‘দামতুয়া জলপ্রপাত’।

বান্দরবানের আলীকদম বাসস্ট্যান্ড থেকে দামতুয়া যাওয়ার জন্য ‘আলীকদম-থানচি’র নতুন রাস্তা ধরে ১৭ কিলোমিটার যেতে হয়। মোটরসাইকেলে এক লহমায় মেঘ ফুঁড়ে উড়ে বাংলাদেশের সবচেয়ে উঁচু এই রাস্তা । অদ্ভুত এই পাহাড়ি রাস্তা সৌন্দর্যের দিক দিয়ে হার মানিয়ে দেয় বাংলাদেশের আর সব পাহাড়ি রাস্তাকে। একখানে খাড়া নিচে নেমে যেতে হয় তো অন্যখানে চিত হয়ে ওপরের দিকে উঠতে হয়! এই দেখা গেল ঘন জঙ্গলের ভেতর দিয়ে রাস্তা চলে গেছে আবার একটু পরেই মেঘের ভেতর হি হি করে কাঁপতে কাঁপতে আকাশ ছুঁয়ে ছুঁয়ে উড়ে চলে যেন। একবার মোটা মোটা গাছের সারি তো অন্যবার দূর পাহাড়ে বাড়ি! এই করতে করতে একসময় পৌঁছে যাবেন ১৭ কিলোমিটার দূরের আদুপাড়ায়। তারপর স্থানীয় গাইড নিয়ে মন কাড়ে দামতুয়ার পথে.......

এ পথের পাহাড়গুলো একটু অন্য রকম, বান্দরবানের অন্য পাহাড়গুলোর মতো ঢাল নেই এখানে, এক্কেবারে খাড়া, পাথুরে শরীর। দেখলেই মনে হয় অতিকায় দানব হাঁ করে আছে! একপাশে জুমের খেত আর একপাশে ঢাল নিয়ে পথ চলতে চলতে হঠাৎ শুনতে পাবেন পানির শব্দ। যাঁরা পাহাড়ে হাঁটেন, তাঁরা জানেন ঝরনার শব্দের চেয়ে মধুর কিছু আর নেই! এই শব্দ গলার ভেতর না ভেজালেও মুহূর্তেই কলিজাটা ভিজিয়ে দেয়, শব্দ লক্ষ্য করে তাকাতেই দেখবেন বিস্ময়! একসঙ্গে চার-পাঁচটি পানির ধারা পাশের পাহাড় থেকে হুমহাম করে নেমে আসছে। দেখে মনে হবে চেরাপুঞ্জির সেভেন সিস্টার ওয়াটারফলসের খুদে সংস্করণ! থেমে থাকবেন না, যেতে হবে আরও দূর! ঝরনাগুলোকে মনের ফ্রেমে বন্দী করে আবার পা বাড়াতে হবে আরও বিশাল কিছু দেখার জন্য। হঠাৎ দেখতে পাবেন চলতি পথে বিশাল ঝিরি! সেটার নাম ‘তুক অক'।পাহাড়ি ভাষার ‘তুক অ’ মানে ‘ব্যাঙ ঝিরি’।

পাহাড় এর উচুঁ নিচু পথ ডিঙ্গিয়ে ক্লান্ত শরীর নিয়ে সামনে এগিয়ে যা দেখবেন সেটার জন্য আসলেই কেউ প্রস্তুত থাকবে না। মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ের মতো বিশাল এলাকা নিয়ে গড়গড়িয়ে পানি গড়িয়ে পড়ছে নিচের দিকে! বিশাল এক ক্যাসকেইড!

বগালেক এক রুপকথার নগরীবান্দরবানে যে কয়েকটি দর্শনীয় স্থান আছে বগালেক তার মধ্যে অন্যতম।এটা একটা প্রাকৃতিক মিষ্টি ও গভীর ...
03/03/2019

বগালেক এক রুপকথার নগরী

বান্দরবানে যে কয়েকটি দর্শনীয় স্থান আছে বগালেক তার মধ্যে অন্যতম।এটা একটা প্রাকৃতিক মিষ্টি ও গভীর জলের হ্রদ, প্রকৃতি তার আপন খেয়ালে এখানে পাহাড়ের উপর জলরাশি সঞ্চার করে তৈরি করেছে এই হ্রদ। সমুদ্র সমতল হতে প্রায় ১৭০০ ফিট উপরে পাহাড় চূড়ায় ১৫ একর জায়গা জুড়ে বিস্তৃত এই অত্যাশ্চর্য হ্রদটি। বিষয়টি যতটা না অবিশ্বাস্য, যতটা না অলৈাকিক তার চাইতেও বেশী এর সৌন্দর্য। বান্দরবান জেলার রুমা উপজেলা থেকে ১৭ কিলোমিটার দূরে কেওক্রাডং পাহাড়ের কোল ঘেসে সমুদ্রপৃষ্ট থেকে প্রায় ১২০০ ফুট উচ্চতায় ২০০০ বছর আগে প্রাকৃতিক ভাবে সৃষ্ট এক হ্রদ। ভূ-তত্ত্ববিদগনের মতে এটি মৃত কোন আগ্নেয়গিরির জ্বালামুখ অথবা উল্কাপিণ্ডের পতনের ফলে এই লেক তৈরী হয়েছে

বগালেকের পাশে একটি বম পাড়া এবং একটি মুরং পাড়া আছে। স্থানীয় আদিবাসীরা বম, মুরং বা ম্রো, তঞ্চংগ্যা এবং ত্রিপুরাসহ অন্যান্য আদিবাসী। স্থানীয় আদিবাসীদের উপকথা অনুযায়ী, অনেক কাল আগে পাহাড়ের গুহায় একটি ড্রাগন বাস করতো। বম ভাষায় ড্রাগনকে "বগা" বলা হয়। ড্রাগন-দেবতাকে তুষ্ট করতে স্থানীয়রা গবাদী পশু উৎসর্গ করতেন। কিন্তু একবার কয়েকজন এই ড্রাগন দেবতাকে হত্যা করলে চূঁড়াটি জলমগ্ন লেকে পরিণত হয় এবং গ্রামগুলোকে ধ্বংস করে ফেলে। যদিও এই উপকথার কোনো বাস্তব প্রমাণ নেই, তবুও উপকথার আগুন উদগীরণকারী ড্রাগন বা বগা এবং হ্রদের জ্বালামুখের মতো গঠন মৃত আগ্নেয়গিরির ধারণাটির সাথে মিলে যায়। (উইকিপিডিয়া)

এবার আসা যাক এর সৌন্দর্যে। অভূতপূর্ব সৌন্দর্য অপেক্ষা করবে আপনাদের জন্য ।

বগালেকে ভ্রমনটা অনেক কষ্টসাধ্য ও রিস্কি। পাহাড়ী আকাবাকাঁ , উচুঁ, ঢালু পথ বেয়ে অনেকটা পথ ....। ক্লান্ত হয়ে পড়বেন, তবে বগালেকে পৌছে সকল ক্লান্তি যেন এক নিমিষেই দুর হয়ে যাবে।

রাত গভীর হতেই সৌন্দর্য নিজ রুপে ধুয়ে দিবে।মনে হবে রুপকথার নগরী যেন চোখের সামনে। ঝুল বারান্দা থেকে সামনে লেক, পাশে সুবিশাল পাহাড়রাশি, আকাশে চাঁদের হাসি, উফ! অভাবনীয় সৌন্দর্য পাগল করে দিবে।

রাতে আদিবাসীদের হাতের রান্না করা আলু ভর্তা, ডাল, মুরগী। :)

বেড়িয়ে আসতে পারেন, গ্যারান্টি দিচ্ছি ভাল লাগবেই।

Address

Chittagong

Telephone

+8801789065544

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Kumar Gaurav Barua posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Establishment

Send a message to Kumar Gaurav Barua:

Share

Category