আলোচনায় আজ

আলোচনায় আজ দেশ-দুনিয়ার সর্বশেষ খবর, ভাইরাল ঘটনা, আলোচিত ও সমালোচিত বিষয়—সবকিছু জানতে চোখ রাখুন ‘আলোচনায় আজ’-এ।

জাহানারা ইমামের বয়ানে শেখ মুজিব। "... আমাদের অত্যন্ত শ্রদ্ধেয় নেতা শেখ মুজিবের কিছু পারিবারিক ব্যাপারে দূর্বলতা ছিলো। নি...
15/08/2026

জাহানারা ইমামের বয়ানে শেখ মুজিব।

"... আমাদের অত্যন্ত শ্রদ্ধেয় নেতা শেখ মুজিবের কিছু পারিবারিক ব্যাপারে দূর্বলতা ছিলো। নিজের ছেলে, নিজের ভাগ্নেকে তিনি কন্ট্রোল করতে পারতেন না।
তাঁর যে ভাই খুলনায় মা* গিয়েছিলেন, আমি শুনেছি লোকের মুখে সেখানকার লোকেরা নাকি আনন্দে মিলাদ পড়িয়েছে। তিনি এতোই অত্যাচারী ছিলেন। এসব বলতে খারাপ লাগে, কষ্ট লাগে। কিন্তু এমন ঘটনা ঘটেছে তো।

তারপর তাঁর ভাগ্নে শেখ মণিকে তো অনেকে পছন্দ করতো না। তাঁর আরও আরও আত্মীয়স্বজন এগুলো যে করতো অনেককে অ/ ত্যাচার করা, অন্যায় সুযোগ সুবিধা দেওয়া এগুলো সে সময়কার লোকেরা সবাই জানে।
কিন্তু শেখ স্নেহে অন্ধ হয়ে এগুলোর কিছু করেননি। এসব ঘটনা ঘটে যাওয়ায় সেই সময় লোকদের মন সত্যিই খুব বিরুপ হয়েছিলো।
তা ছাড়া একদলীয় শাসন, সেটাও আমি মনে করি আমাদের দেশের জন্যে ক্ষতি হয়েছিল এবং রক্ষী বাহিনীর সৃষ্টিটাও আমাদের দেশের জন্য ক্ষতি করেছিলো।"

— জাহানারা ইমাম।
(সরদার ফজলুল করিমকে দেয়া সাক্ষাৎকার / দৈনিক প্রথম আলো, ঈদসংখ্যা - ২০০৯)

কি একটা যুগ আসলো রে!!! এতো দেখি হিন্দি সিরিয়াল ফেইল...  ঘটনা হচ্ছে,  নোয়াখালীতে একটা বিয়ে হচ্ছিলো। তো কনে হচ্ছে নাবালিক...
15/08/2026

কি একটা যুগ আসলো রে!!! এতো দেখি হিন্দি সিরিয়াল ফেইল... ঘটনা হচ্ছে, নোয়াখালীতে একটা বিয়ে হচ্ছিলো।
তো কনে হচ্ছে নাবালিকা! সকালে খবর পেয়েই ম্যাজিস্ট্রেট সাহেব বীরত্বপূর্ণ এন্ট্রি নিয়ে বাল্যবিবাহ বন্ধ করে জামাইকে বাসায় ফেরত পাঠিয়ে দিয়েছে।

এদিকে বিকেলবেলা বয়ফ্রেন্ডের সাথে পালিয়ে গেছে নাবালিকা বউ।🙂

মানেহ ম্যাজিস্ট্রেট সাহেব কাগুজে আইন দিয়ে বিয়ে থামাতে পারলেও, হিন্দি সিনেমার স্টাইলে স্ক্রিপ্ট লিখে রাখা নাবালিকার প্রেম থামাতে পারেননি!
আইনের হাত লম্বা হতে পারে, কিন্তু প্রেমিকের বাইকের গতি যে তার চেয়েও বেশি নোয়াখালীর এই ঘটনার পর তা প্রমাণের অপেক্ষা রাখে না।

বেচারা সকালবেলার বরের জন্য শুধুই সমবেদনা!🥹

15/08/2026

মানুষের পাশে দাঁড়ানো কোনো একদিনের কাজ নয়—এটি একটি অঙ্গীকার। ❤️

২০২৩ সালের বন্যা থেকে ২০২৬ সালের বন্যা—সামর্থ্যের সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও মানুষের প্রয়োজনের সময়ে পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। তিনটি ইউনিয়নে আমাদের টিম, স্বেচ্ছাসেবক, দাতা ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ত্রাণসামগ্রী পৌঁছে দেওয়ার এই পথচলা আমাদের জন্য শুধু একটি কার্যক্রম নয়, মানবতার প্রতি দায়িত্ব।

যারা অর্থ, শ্রম, সময়, ত্রাণসামগ্রী কিংবা দোয়া দিয়ে পাশে ছিলেন—প্রত্যেকের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা। আপনাদের সহযোগিতাই আমাদের এগিয়ে যাওয়ার শক্তি। 🤲

ইনশাআল্লাহ, ত্রাণের পাশাপাশি ভবিষ্যতে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পুনর্বাসন ও দীর্ঘমেয়াদি সহায়তায়ও পাশে থাকার চেষ্টা থাকবে।

মানুষের পাশে ছিলাম, আছি এবং ইনশাআল্লাহ থাকব। ❤️

— ইমরান বিন আউয়াল
প্রতিষ্ঠাতা — One Ummah Network
প্রতিষ্ঠাতা — UMMAH FOUNDATION BD

#মানবতার_সেবায় #মানুষের_পাশে

১৫ আগস্টের প্রহর কোনো আকস্মিক ঘটনা ছিল না, বরং তা ছিল শেখ মুজিবের অপশাসন ও দুঃশাসনের বিরুদ্ধে এক অনিবার্য গণবিস্ফোরণ! তা...
15/08/2026

১৫ আগস্টের প্রহর কোনো আকস্মিক ঘটনা ছিল না, বরং তা ছিল শেখ মুজিবের অপশাসন ও দুঃশাসনের বিরুদ্ধে এক অনিবার্য গণবিস্ফোরণ! তার চরম ক্ষমতার অপব্যবহার, নীতিহীনতা ও সীমাহীন লুটপাটের কারণে গঠিত রক্ষীবাহিনী তখন ভিন্নমতের ৪০ হাজার মানুষকে হত্যার পাশাপাশি রাতের আঁধারে নারীদের তুলে নিয়ে চরম বেহায়াপনায় মেতে উঠতো।

যখন দুর্নীতিবাজি ও স্বজনপ্রীতির কারণে সৃষ্ট ১৯৭৩ সালের দুর্ভিক্ষে ১৫ থেকে ৩০ লাখ মানুষ অনাহারে ধুঁকে ধুঁকে মারা যাচ্ছিল, তখন নির্লজ্জতার চূড়ান্ত সীমা পার করে শেখ কামালের রাজকীয় বিয়ের জমকালো আয়োজন করেছিল মুজিব সরকার।

নিয়মিত সেনাবাহিনীকে সুকৌশলে পঙ্গু করে দলীয় রক্ষীবাহিনীকে ক্ষমতায় বসানোর এই ধূর্তামি ও হঠকারিতা মূলত দেশকে ভারতের গোলামির শৃঙ্খলে বেঁধে ফেলার এক গভীর ষড়যন্ত্র ছিল। জাতির এই চরম নৈতিক দেউলিয়াপনা, লুণ্ঠন ও জুলুমের অন্ধকার অধ্যায় থেকে সার্বভৌমত্বকে বাঁচাতে মেজর ডালিমসহ দেশপ্রেমিক সেনাসদস্যরা ১৫ আগস্টের সেই ঐতিহাসিক পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হয়েছিলেন।

তাদের এই সাহসী হস্তক্ষেপের মাধ্যমেই জাতি মুক্তি পেয়েছিল এক ভয়াবহ বিশ্বাসঘাতকতা, দলবাজি ও ভণ্ডামির কবল থেকে।


৬ মাসে ৬১ জন হেফাজতে খু*, আর আপনারা ব্যস্ত পুলিশের পোশাক বদলানোর স্টান্ট নিয়ে!!! সরকারকে কড়া সর্তকবার্তা দিলেন রুমিন ফার...
15/08/2026

৬ মাসে ৬১ জন হেফাজতে খু*, আর আপনারা ব্যস্ত পুলিশের পোশাক বদলানোর স্টান্ট নিয়ে!!! সরকারকে কড়া সর্তকবার্তা দিলেন রুমিন ফারহানা......🫠

রুমিন ফারহানা বলেন, শেখ হাসিনার আমলে উন্নয়নের কোনো অভাব ছিলো না। ​ মেট্রোরেল, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, পদ্মা সেতু ছিলো উন্নয়নের কমতি ছিলো না। কিন্তু সমস্যা ছিলো দুর্নীতি আর মানবাধিকার হরণে। এখন যদি একই পথে বর্তমান সরকারও হাঁটে, তবে প্রশ্ন তো উঠবেই!

​যে কারণে ১৭ বছর ধরে একটা স্বৈরাচারী সরকারের বিরোধিতা করেছি, এখন ঠিক একই ব্যর্থতা দেখতে হচ্ছে!
​৬ মাসও পার হলো না, অথচ ইতিমধ্যে ৬১ জন মানুষ হেফাজতে নি\\:র্যাতনে মা** গেছে!
তিনি প্রশ্ন করেন, এত বড় র/ ক্তক্ষয়ী অভ্যুত্থান কি শুধু শাসকের মুখ আর পোশাক বদলানোর জন্য হয়েছিলো?
সরকারের নজর নাকি পুলিশের জামাকাপড় বদলানোতে? পোশাক বদলাইয়া লাভ নাই, জবাবদিহিতা নিশ্চিত করেন। হেফাজতে একটা লা* পড়লেও দায় কিন্তু সরকারকেই নিতে হবে!

তিনি আরো বলেন, সরকারের মূল ফোকাস হওয়া উচিত কাস্টোডিয়াল ডেথ মানে হেফাজতে মৃ** শূন্যে নামিয়ে আনা। জেলখানা বা হেফাজতে একটি মৃ** হলেও তার পূর্ণ দায় সরকারকেই নিতে হবে!🙂

​ #আলোচনায়

মাত্র ৩ বছর বয়সে হারিয়েছিলেন দৃষ্টিশক্তি......🙂এই মানুষটির নাম দর্পণ ইনানি, মাত্র তিন বছর বয়সে তিনি Stevens–Johnson synd...
14/08/2026

মাত্র ৩ বছর বয়সে হারিয়েছিলেন দৃষ্টিশক্তি......🙂
এই মানুষটির নাম দর্পণ ইনানি, মাত্র তিন বছর বয়সে তিনি Stevens–Johnson syndrome-এ আক্রান্ত হন এবং সম্পূর্ণভাবে দৃষ্টিশক্তি হারান। পরবর্তী সময়ে তাঁর চোখে বহু অস্ত্রোপচারও করা হয়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত দৃষ্টিশক্তি আর ফিরে আসেনি।

অনেক পরিবার হয়তো তখন সন্তানের ভবিষ্যৎ নিয়ে ভেঙে পড়ত। কিন্তু দর্পণের বাবা-মা সতীশ ইনানি ও বিমলা ইনানি অন্য সিদ্ধান্ত নিলেন।
তাঁরা দর্পণকে আলাদা করে রাখতে চাননি। বরং তাঁকে সাধারণ শিশুদের মতোই বড় করতে চেয়েছেন।

দর্পণ ভর্তি হলেন একটি সাধারণ স্কুলে, Baroda High School, Alkapuri-তে। সেখানে তিনি ছিলেন স্কুলের একমাত্র দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী। বই পড়ার জন্য তখন পর্যাপ্ত অডিওবুক বা ই-বুকও ছিলো না। তাঁর বাবা-মা অনেক সময় বইয়ের লেখা টাইপ করে দিতেন, যাতে তিনি screen-reading software ব্যবহার করে পড়তে পারেন।
আর আশ্চর্যের বিষয় হলো৷ দৃষ্টিশক্তি না থাকলেও পড়াশোনায় তিনি ছিলেন অসাধারণ।🖤

দর্পন নিয়মিত ৯০ শতাংশের বেশি নম্বর পেতেন এবং ক্লাসের সেরা তিনজনের মধ্যে থাকতেন। দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষায় তাঁর ফল ছিল ৯৯.৭৫ শতাংশ। পরে তিনি ভাদোদরার Maharaja Sayajirao University থেকে B.Com সম্পন্ন করেন।

২০১৫ সালে তিনি ভারতের অত্যন্ত প্রতিযোগিতামূলক CAT পরীক্ষায়ও অংশ নেন। বেশ কয়েকটি IIM থেকে ডাক পান এবং IIM Lucknow-এ MBA করার সুযোগও পেয়েছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তিনি MBA না করে Chartered Accountancy (CA) এবং দাবাকে নিজের পেশাগত জীবনের কেন্দ্রে রাখেন।

দর্পণ বিভিন্ন খেলায় অংশ নিয়েছিলেন। কিন্তু ১৩ বছর বয়সের দিকে দাবার প্রতি তাঁর বিশেষ আগ্রহ তৈরি হয়।
দাবা তাঁর কাছে শুধু একটি খেলা ছিল না এটি হয়ে ওঠে এমন একটি জায়গা, যেখানে চোখে দেখা নয়, মস্তিষ্ক দিয়ে দেখা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি দৃষ্টিসম্পন্ন খেলোয়াড়দের বিরুদ্ধেও খেলেছেন এবং গুজরাটের হয়ে U-13, U-15 ও U-17 পর্যায়ের জাতীয় দাবা প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছেন।🖤

২০১০ সালে মাত্র ১৬ বছর বয়সে তিনি ভারতের সবচেয়ে কম বয়সী National Blind Chess Champion হন। এই রেকর্ডটি দীর্ঘদিন ধরে তাঁর নামের সঙ্গে যুক্ত ছিলো।
এরপর আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তাঁর যাত্রা আরও শক্তিশালী হয়।

২০১৩ সালে Serbia-তে World Junior Blind Chess Championship-এ তিনি ব্রোঞ্জ পদক জেতেন। এটি ছিল ভারতের জন্যও একটি গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য।

২০১৮ সালে ফ্রান্সের Creon Open Chess Tournament-এ তিনি তাঁর rating category-তে প্রথম হন। বিশেষ ব্যাপার হলো, এটি ছিল দৃষ্টিসম্পন্ন খেলোয়াড়দের জন্য উন্মুক্ত একটি আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট। অর্থাৎ সেখানে তিনি শুধু অন্য দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী খেলোয়াড়ের সঙ্গে নয়, সাধারণ খেলোয়াড়দের সঙ্গেও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন।

২০২১ সালে Greece-এ অনুষ্ঠিত 16th IBCA World Chess Olympiad for Visually Impaired-এ তিনি নিজের বোর্ডে ব্রোঞ্জ পদক জেতেন।
তাঁর ক্যারিয়ারের সর্বোচ্চ FIDE rating ছিল 2135, যা ভারতের দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী দাবাড়ুদের মধ্যে একটি ঐতিহাসিক উচ্চতা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।🖤

কিন্তু সবচেয়ে বড় অধ্যায় আসে ২০২৩ সালে।
চীনের হাংঝুতে অনুষ্ঠিত Asian Para Games 2023-এ দর্পণ ইনানি ইতিহাস সৃষ্টি করেন।
পুরুষদের Individual Rapid VI-B1 Chess বিভাগে তিনি জেতেন স্বর্ণপদক।

এখানেই শেষ নয়.......🤭
তিনি Team Rapid VI-B1 বিভাগেও ভারতের হয়ে স্বর্ণপদক জেতেন।
অর্থাৎ একই আসরে তাঁর ঝুলিতে আসে দুটি স্বর্ণপদক। Asian Para Games-এর অফিসিয়াল ফলাফলেও Individual Rapid VI-B1-এ Darpan Satish Inani-কে প্রথম ও স্বর্ণপদকপ্রাপ্ত হিসেবে দেখানো হয়েছে।
এই সাফল্যের পর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও তাঁকে অভিনন্দন জানান।

আরও একটি বিষয় বিশেষভাবে উল্লেখ করার মতো, দর্পণ শুধু একজন দাবাড়ুই নন, তিনি একজন Qualified Chartered Accountant-ও। অর্থাৎ যে মানুষটি দাবার বোর্ডে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করেছেন, তিনিই একই সঙ্গে হিসাববিজ্ঞানের কঠিন পেশাগত পরীক্ষাতেও সফল হয়েছেন।

দর্পণ ইনানির জীবনের সবচেয়ে বড় শিক্ষা সম্ভবত এখানেই। তিনি নিজেই বলেছেন,
“It’s all about vision and not visibility.”
অর্থাৎ সফল হওয়ার জন্য চোখে দেখা সবকিছু নয়; আসল বিষয় হলো আপনার দৃষ্টিভঙ্গি, লক্ষ্য এবং মানসিক শক্তি।

আর তাঁর বাবার একটি কথাও তিনি বহুবার স্মরণ করেছেন,
“যতক্ষণ না জিতছ, ততক্ষণ লড়াই শেষ হয়নি।”
এই কথাটাই যেন দর্পনের জীবনের দর্শন হয়ে গেছে।

দর্পণের জীবন নিয়ে তৈরি হয়েছে ‘Algorithms’ নামের একটি ডকুমেন্টারি, যেখানে ভারতের blind chess-এর জগত এবং দর্পণসহ কয়েকজন তরুণ দাবাড়ুর জীবন ও সংগ্রাম তুলে ধরা হয়েছে।
এমনকি তাঁর জীবনকাহিনি নিয়ে HDFC Life-এর ‘Bounce Back’ বিজ্ঞাপনও তৈরি হয়েছিল। সেখানে প্রতিকূলতার কাছে হার না মানা দর্পণের গল্পই তুলে ধরা হয়।

চোখ দিয়ে পৃথিবী দেখা যায়, কিন্তু স্বপ্ন দেখতে লাগে অন্য কিছু।লাগে সাহস।লাগে অধ্যবসায়।লাগে এমন একটা মানসিকতা, যে আমি পারব-ই।”

দর্পণ ইনানির চোখে হয়তো পৃথিবীর আলো নেই, কিন্তু তাঁর মনের দৃষ্টিটা এতটাই পরিষ্কার যে, তিনি ৬৪ ঘরের একটি দাবার বোর্ড থেকেই নিজের জন্য পুরো পৃথিবী জয় করে নিয়েছেন।
চোখে নয়, স্বপ্নে আলো থাকলেই মানুষ অনেক দূর যেতে পারে।🖤

চাকরির প্রথম দিনেই ডাক্তার বললেন, “আমি আর এই হাসপাতালে কাজ করবো না!”ঘটনা হচ্ছে........চণ্ডীগড়ের চিকিৎসক ডা. প্রভলীন কৌর...
14/08/2026

চাকরির প্রথম দিনেই ডাক্তার বললেন, “আমি আর এই হাসপাতালে কাজ করবো না!”
ঘটনা হচ্ছে........চণ্ডীগড়ের চিকিৎসক ডা. প্রভলীন কৌর একটি বেসরকারি হাসপাতালে যোগ দিয়েছিলেন ভালো বেতন ও নতুন কর্মজীবনের প্রত্যাশা নিয়ে।
কিন্তু প্রথম দিনেই নাকি এমন কিছু দেখলেন, যা তাঁর চিকিৎসক হিসেবে বিবেক মেনে নিতে পারেনি।💔

তাঁর অভিযোগ ছিলো, এমন রোগীকেও হাসপাতালে ভর্তি করার চাপ ছিল, যাদের ক্ষেত্রে ভর্তি হওয়া চিকিৎসাগতভাবে জরুরি না।
কিছু রোগীকে প্রয়োজনের তুলনায় দীর্ঘ সময় ICU-তে রাখার প্রবণতা তিনি দেখেছেন বলে দাবি করেন।

তাঁর মতে, এতে রোগীর চিকিৎসা-খরচ বাড়তে পারে এবং হাসপাতালের আয়ও বাড়ে। এমনকি রোগী ব্যবস্থাপনার কিছু সিদ্ধান্ত চিকিৎসাগত প্রয়োজনের বদলে অন্য প্রভাবেও পরিচালিত হচ্ছিলো বলে তিনি অভিযোগ করেন।

আর তাই প্রথম দিনই চাকরি ছেড়ে দেন তিনি।🙂

ভাবুন একবার…একজন ডাক্তার, যিনি ভালো বেতন পাচ্ছেন, নতুন চাকরি পেয়েছেন তিনি চাইলে চুপচাপ কাজ চালিয়ে যেতে পারতেন।

কিন্তু তিনি দাবি করলেন,
আমার বিবেক আমাকে এই কাজ করতে দিচ্ছে না।

ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই শুরু হয় তীব্র আলোচনা। কেউ বলছেন, এটি একজন চিকিৎসকের নৈতিক সাহসের উদাহরণ। আবার কেউ বলছেন, শুধু একটি ভাইরাল ভিডিও শুনে পুরো হাসপাতাল বা চিকিৎসক সমাজকে দোষী করা ঠিক নয়।

তবে,একজনের অভিযোগের দায়ে পুরো চিকিৎসক সমাজকে বিচার করা অন্যায়।
আজও অসংখ্য ডাক্তার, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মী নিজেদের স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে মানুষের জীবন বাঁচানোর জন্য দিন-রাত কাজ করছেন। 🖤

গতকাল দুপুরের ঘটনা....আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের সামনে রাব্বি নামের ২৫ বছরের এক তরুণকে দেশি অ** নিয়ে হা' মলা করা হয়। প্রাণ ...
14/08/2026

গতকাল দুপুরের ঘটনা....আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের সামনে রাব্বি নামের ২৫ বছরের এক তরুণকে দেশি অ** নিয়ে হা' মলা করা হয়। প্রাণ বাঁচাতে পাশের একটি দোকানে ঢুকেছিলেন তিনি। কিন্তু হামলাকারীরা সেখানেও ঢুকে পড়ে।
কু**য়ে গুরুতর আহত করা হয় রাব্বিকে। ভাই রিয়াদ তাঁকে বাঁচাতে এগিয়ে এলে তাকেও কু*য়ে আহত করা হয়। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক রাব্বিকে মৃ* ঘোষণা করেন।🙂

ঘটনার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই র‍্যাবের হাতে গ্রেপ্তার হন ২৭ বছর বয়সী আবদুল খালেক।
আর সংবাদ সম্মেলনের পর সাংবাদিকদের সামনে খালেক যে বক্তব্য দেন, সেটিই এখন পুরো ঘটনাকে নতুন মাত্রা দিয়েছে।
খালেকের ভাষায়,
এটা নাকি হঠাৎ কোনো ঝামেলার ফল নয়, বরং পুরোনো প্রতিশোধ। তার দাবি, ২০১৮ সালে রাব্বির পক্ষের লোকজন তাঁর বাবা ফজলুল হককে মা*ধর করে তাঁর একটি হাত বি* চ্ছিন্ন করে দিয়েছিলো। সেই ঘটনার ক্ষোভ নাকি বছরের পর বছর জমে ছিলো।
খালেকের ভাষায়, "স**সী মার ছি, আমার বাপেরে কো*ইছে, আমিও কো*ইছি।”

এরপর আরও বিস্ফোরক দাবি করেন তিনি। তিনি বলেন,
“আমার বাপেরে ওরা ১৫ জনে মিইল্লা কো*ইছে আর আমরা দুই ভাইয়ে মিইল্লা ওরে কো*ইছি।”

অর্থাৎ তাঁর দাবি অনুযায়ী, বাবার ওপর হা/ মলার প্রতিশোধ নিতেই রাব্বিকে হ** করা হয়েছে।😑

তবে গল্প এখানেই শেষ নয়।
খালেক রাব্বির বিরুদ্ধে এলাকায় চাঁদাবাজির অভিযোগও তোলেন। তাঁর দাবি, বিভিন্ন দোকান থেকে ২০০ টাকা করে চাঁদা নেওয়া হতো এবং টাকা না দিলে মা*ধর করা হতো।
তবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, খালেকের এসব অভিযোগের সত্যতা এখনো নিশ্চিত করেনি র‍্যাব।

এদিকে হ**কাণ্ডের পর পরিস্থিতি আরও ভয়ংকর হয়ে ওঠে। বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী অভিযুক্তদের বাড়িঘরে আগুন ধরিয়ে দেয়। বাড়িঘর পু**য়ে দেওয়ার প্রসঙ্গ তুলেও ক্ষোভ ঝাড়েন খালেক।
তিনি বলেন,
“আমি বাইরাইতে পারলে তাদের কপালে শনি আছে, যারা আমার বাড়িঘর পু* ড়াইছে।”

এই বক্তব্যের মধ্যেই যেন বোঝা যাচ্ছে, একটি হ**র পর প্রতিশোধের আগুন আবার নতুন প্রতিশোধের জন্ম দিতে পারে।🙂

র‍্যাবের তথ্য অনুযায়ী, হ**কাণ্ডে সরাসরি চারজন জড়িত থাকার প্রাথমিক তথ্য পাওয়া গেছে। তাঁদের পেছনে আরও ৮ থেকে ১০ জনের একটি গ্রুপ থাকতে পারে। ঘটনার আগের দিন দুই পক্ষের মধ্যে একটি সালিসও হয়েছিলো বলে জানা গেছে।

হ**র ঘটনায় নিহত রাব্বির বাবা বাদী হয়ে মামলা করেছেন। সেখানে ১১ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে এবং অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে।

এখন তদন্তকারীদের সামনে বড় প্রশ্ন, ২০১৮ সালের সেই পুরোনো ঘটনা আসলে কী ছিল?
রাব্বির বিরুদ্ধে ওঠা চাঁদাবাজির অভিযোগের সত্যতা কতটুকু?কারা এই হ**কাণ্ডের সঙ্গে সরাসরি জড়িত?
আর এই প্রতিশোধের গল্প এখানেই কি শেষ হবে? সবচেয়ে ভয়ংকর বিষয় হলো, প্রতিশোধের এই চক্র যদি থামানো না যায়, তাহলে পরের আগুন কোথায় জ্বলবে সেটাই এখন বড় প্রশ্ন।🙂
কি মনে হয় আপনাদের?? খালেকের কাজ কতটুকু যৌক্তিক??

~ Diary of She

14/08/2026

📍 সাতকানিয়ার বাজালিয়ায় শ্রমিক দলের সাংগঠনিক কর্মীসভা অনুষ্ঠিত।
নেতাকর্মী, সমর্থক ও তরুণদের উপস্থিতিতে জমজমাট আয়োজনে সাংগঠনিক কার্যক্রম নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা।
বিস্তারিত থাকছে আমার বাংলা 24-এ। 📰
#বাজালিয়া #সাতকানিয়া #শ্রমিকদল #চট্টগ্রাম #আমারবাংলা24 #স্থানীয়সংবাদ

নির্লজ্জ চাটুকার আর দুর্নীতিবাজদের এই মূর্খ সমাজে শরীফ ওসমান হাদির মতো খাঁটি দেশপ্রেমিকের নির্মম মৃত্যু আমাদের এক চূড়ান্...
14/08/2026

নির্লজ্জ চাটুকার আর দুর্নীতিবাজদের এই মূর্খ সমাজে শরীফ ওসমান হাদির মতো খাঁটি দেশপ্রেমিকের নির্মম মৃত্যু আমাদের এক চূড়ান্ত ব্যর্থতা! শুক্রবার এলেই তার নির্বাচনী প্রচারণার ভিডিওগুলো দেখে চোখ ভিজে যায়, যিনি অন্যায়কারী আর দুর্নীতিবাজদের মুখের ওপর কড়া জবাব দিলেও তার অন্তরটা ছিল একদম পরিষ্কার, যেখানে কোনো মিথ্যা, বাটপারি, জোচ্চুরি বা কপটতা ছিল না।

তিনি ছিলেন সত্য ও ন্যায়ের এক নির্ভীক সৈনিক; যার বুকে ছিল মানুষের জন্য, মজলুম, প্রবাসী, আলেম সমাজ, মা-বোন, জিয়া পরিবার এবং জুলাইয়ের বিপ্লবের প্রতি অগাধ ভালোবাসা। দুর্নীতি ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী এই নেতা নিরপরাধ লীগের দরদে এবং অন্যায়কারীর বিচারের দাবিতে দ্বারে দ্বারে ঘুরে তৈরি করেছিলেন 'ইনকিলাব মঞ্চ', গতকালই যার দ্বিতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পার হলো।

দেশের প্রতি গভীর মায়া ও প্রেমে আবদ্ধ এবং জ্ঞান, শিক্ষা ও বুঝদানে অনন্য এই মানুষটিকে, একজন দেশপ্রেমিক নেতা, ভাই, বন্ধু, সিনিয়র ও পিতাকে কেবল কথা বলার অপরাধে কেন হত্যা করা হলো, সেই জবাব আজ চাই! ওপারে ভালো থেকো প্রিয় শরীফ ওসমান হাদি; জনতার হাদি, ইনকিলাবের হাদি, জুলাইয়ের হাদি এবং বাংলাদেশের হাদি।

তুমি ছিলে এবং চিরকাল আমাদের হৃদয়ের গভীরে সম্মান, ভালোবাসা ও দোয়ায় বেঁচে থাকবে।

Address

Chittagong
4000, 4100, 42XX

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আলোচনায় আজ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category