Priyo

Directions Contact the establishment

Priyo আপনার মনের মত সকল ধরনের পোষ্ট
পেতে আমাদের পেজে লাইক দিয়ে পাশে থাকুন। বাস্তবিক কিছু গল্প কবিতা নিয়ে আমাদের পেজটি । আপনাদের সার্পোট ও সহযোগীতা কামনা করছি ।

04/06/2026

পৃথিবীর বয়স ৪৫০ কোটি বছর।কত মানুষ এর মাঝে এসেছেন গিয়েছেন,অনেকেই হয়তো অনেক প্রতাপশালী ছিলেন কিন্তু আজ তাদের কোন অস্তিত্বও নেই⁉️
এসব নিয়ে একবার কল্পনা করলে আপনি নিজেকে নিয়ে খুব একটা বড়াই করতে পারবেন না❗

24/05/2026

মানুষ আর বাঁচে কয়দিন? মানুষের এক যুগ কেটে যায় শৈশব থেকে বড় হতে আর একযুগ কেটে যায় জীবন গড়তে, আর বাকি জীবন কেটে যায় সুখের অপেক্ষায় নয়তো জীবনের বিষন্নতায়, তারপর একদিন দুনিয়া থেকে চলে যেতে হয়!🙂

মেয়েদের দেরীতে বিয়ে দেওয়া এত ভয়াবহ। বাস্তব সত্য সবাই জানে, কিন্তু বলে না...। কিন্তু আমি আজ বলছি।বর্তমানে মেয়েরা বেশীরভাগ...
17/05/2026

মেয়েদের দেরীতে বিয়ে দেওয়া এত ভয়াবহ। বাস্তব সত্য সবাই জানে, কিন্তু বলে না...। কিন্তু আমি আজ বলছি।

বর্তমানে মেয়েরা বেশীরভাগ জেনারেল লাইনে পড়ুয়া কিছু মাদ্রাসা লাইনেও আছে। যদি মেয়ে একটু লম্বা সুন্দরি বা মুটামুটি সুন্দরি বা পরিবার টা শিক্ষিত ভালো ভদ্র তবে মর্ডান পর্দাশীল মেয়ে হয় বা ডিজিটাল পর্দা করে। বেশীরভাগ মেয়ে বিয়ে করতে চায় না...।

অযুহাত হিসাবে দেখায় বয়স কম মাষ্টার্স পাশ করে বিয়ে বসবে। চাকরি করবে, সেটেল হবে, মন মতো পেলে বিয়ে করবে, বুঝাপরা লাগবে মানে প্রেম বা রিলেশনশিপ লাগবে। আরো নানা অযুহাত থাকতে পারে এর মধ্যে একটা হলো সরকারি চাকরি...! তো যে যেই কারনেই হোক মেয়েরা এভাবে বিয়ে করে না। আরো ভালো বুঝে বা এমনি দেরি করে যায়। অন্য দিকে বয়স বাড়ে দিন দিন, এভাবে দিন, মাস বছর পেরিয়ে ২৪+ এর ভিতর পৌঁছে যায়..!!

তখন হুশ হয় বিয়ে তো করা দরকার...! ছেলে খুজো এবার

তো আপনি ভাবুন আমি এভারেজ ২৫ ধরলাম, ২৫ বছরের মেয়ের জন্য কত বছরের পাত্র চাই...!

সবাই বলবে ৩০ বছর হলেই এনাফ। আমি বলবো হ্যা, যথেষ্ট কিন্তু কখনোই সহজে ৩০ বছরের কোন ছেলে পারিবারিক ভাবে বিয়ে করলে ২৫-২৮ বছরের কাউকে বিয়ে করতে চাইবে না...।

দুই একজন থাকতে পারে এইটা ভিন্ন কথা। এ্যাভারেজ সবাই আমতা আমতা করবে। কেন করবে?

ফলো করো- জান্নাতি জীবন
ক্যাপশনটি পড়া শেষ হলে সওয়াবের আশায় ক্যাপশনটি শেয়ার করে সবাইকে পড়ার সুযোগ করে দিও..

মেয়েদের যৌবনের শুরুটাই আসল সময়, ১৬-২২ বছর পর্যন্ত উত্তম আকর্ষনীয় সময়। যে কেউ এখন কাছে পেতে চায় এটাই সত্য। তো ২৫+ মানে আপনার রূপ লাবন্যতায় বয়সের ছাল স্পষ্ট আপনাকে মহিলা বললে ভুল হবে না...!

মেডিকেল সাইন্স বলে মেয়েদের মনোপোজ বা (ঋতুচক্র বন্ধ) শুরু হয় ৪৫ বছরে বা আগে পরে। আপনি ভাবেন যে ছেলেটা ৩০ বছরে আপনাকে বিয়ে করবে ১৫-১৭ বছর পর আপনার যৌবন শেষ হয়ে যাবে আরো পরিষ্কার করে যদি বলি যৌনতার প্রতি আপনার অনিয়া ৩৫ এর পর ই চলে আসবে।

তো সবাই জানে ছেলেদের যৌবন বা যৌন শক্তি মরন পর্যন্ত্য আপনি কয়প্ত হয়ে বিয়ে করলে বাকি জীবন ছেলে তার চাহিদা পূরনে কাকে পাশে পাবে...?

এই জন্য বয়স বাড়লে মেয়ের প্রতি ছেলেনের চাহিদা থাকে না। কারন এইটাই হ্যা এইটাই সত্য। এবার সমাজে চোখ বুলান। কতো মেয়ে আছে ১৫-৩০ বছরে?

অনেক ২৫ বছর পেরিয়ে গেলেই ঐ পাত্রীর জন্য বিয়ের প্রস্তাব আসে না কেনো?

কারন ২৬+ এই বয়সের ছেলেরা বিয়ে করে 99% ছেলেই এই বয়সে বিয়ে করে ফেলে। তারা বিয়ের জন্য ১৮-২২ বছরের পাত্রী অহরহ পায়। কেউ কেনো যৌবনের কথা ভেবে বেশী বয়সী কাউকে বিয়ে করবে..?

হয় ও ভাই করে না বা করলেও % হার খুব কম।

আর যেই আপনি অযুহাত দিতেন ভালো ছেলেদের ফিরিয়ে দিতেন। আপনি এখন বাটি চালান নিয়েও পাত্র কাছে টানতে পারছেন না...! বরকত কি আল্লাহ তুলে দিয়েছেন নাকি আপনি নিজের হাতে নষ্ট করেছেন?

সাবধান হোন ২০ বছরের আগে ভালো হয় ২২-২০ বছরের এর বেশী কখনোই যেন না হয়। কথা গুলো আপনাদের প্রতি উৎসর্গ। ভুল হলে ক্ষমা প্রার্থী...!

বই: হে আমার মেয়ে

13/05/2026

আমি সেরা নই, তবে আমি প্রতিশ্রুতি দিতে পারি যে আমি তোমাকে আজীবন আগলে রাখবো ভীষণ যত্নে..!❤️🥀

29/03/2026

নারীকে তর্কে মানায় না, নারীকে হতে হবে শান্ত স্বভাবের ও বিনয়ী!

নারীর সৌন্দর্য শুধু তার মুখমণ্ডলে নয়, বরং তার আচরণ, কথাবার্তা ও ব্যবহারে ফুটে ওঠে। একজন নারী যত বেশি শান্ত, ধৈর্যশীল ও বিনয়ী হন, তত বেশি তিনি শ্রদ্ধার যোগ্য হয়ে ওঠেন। সমাজে পরিবার থেকে শুরু করে কর্মক্ষেত্র-সব জায়গায় একজন নারীর নম্রতা ও সংযম তার প্রকৃত শক্তি হিসেবে কাজ করে। অথচ আজকাল অনেক নারী "স্বাধীনতা" আর "আত্মপ্রকাশ" এর নামে অহেতুক তর্কে জড়িয়ে পড়েন, যা সম্পর্ক ও মর্যাদা-দুটোই নষ্ট করে ফেলে।

নারী ও তর্ক: সম্পর্কের ভারসাম্য হারায় বাব

তর্ক স্বাভাবিকভাবে উত্তেজনা বাড়ায়। বিশেষ করে দাম্পত্য বা পারিবারিক সম্পর্কে নারী যদি অহেতুক তর্কে জড়িয়ে পড়েন, তা সম্পর্ককে দুর্বল করে দেয়।

বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের ২০২২ সালের একটি সমীক্ষায় দেখা যায়, ৬৭% স্বামী বলেন তাঁদের স্ত্রীর অতিরিক্ত তর্ক ও আবেগপ্রবণতা পারিবারিক শান্তি নষ্ট করে। তর্কের সময় নারী সাধারণত আবেগের বশে কথা বলেন, আর পুরুষরা যুক্তি দিয়ে উত্তর দিতে চান। এই দুই মনস্তাত্ত্বিক পার্থক্যই সংঘাত সৃষ্টি করে।

মনোবিজ্ঞানী ড. শবনম ফেরদৌস (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, সমাজবিজ্ঞান বিভাগ) তাঁর গবেষণায় দেখিয়েছেন, "যেসব নারী ধৈর্য ধরে, নম্রভাবে নিজের মত প্রকাশ করেন, তাদের সংসার জীবনের সুখ ও মানসিক স্থিতি তুলনামূলকভাবে বেশি।"

শান্ত ও বিনয়ী নারীর শক্তি

বিনয় কোনো দুর্বলতা নয়, বরং এটি এক ধরনের মহত্ত্ব। শান্ত স্বভাবের নারী শুধু পরিবারের নয়, সমাজেরও স্থিতির প্রতীক।

বাংলাদেশ গার্হস্থ্য জীবন গবেষণা কেন্দ্র (২০২১)-এর এক রিপোর্টে দেখা যায়,

"যেসব নারী সংযত ও বিনয়ী আচরণ করেন, তাঁদের পরিবারে মানসিক চাপ ৪৫% কম থাকে, আর সন্তানরাও বেশি ভারসাম্যপূর্ণভাবে বড় হয়।"

ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেও শান্ত স্বভাবের নারীকে সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ বলা হয়েছে। ইসলামে বলা হয়েছে-"সবচেয়ে উত্তম নারী সে, যে তার স্বামীর প্রতি বিনয়ী ও শ্রদ্ধাশীল থাকে।" (তিরমিজি শরীফ)

বিনয় নারীর সৌন্দর্যের মূলে

একজন নারী যত বেশি জেদি ও তর্কপ্রবণ হন, তত দ্রুত তাঁর সামাজিক ও মানসিক সৌন্দর্য ক্ষয় হয়। অপরদিকে, বিনয়ী নারী চারপাশে এমন এক প্রশান্তি তৈরি করেন যা কথায় প্রকাশ করা যায় না। মনোবিজ্ঞানী ড. তানভীর আহমেদ (রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়) এক গবেষণায় বলেন,

"নরম স্বরে কথা বলা, শ্রবণশীল মনোভাব ও সহমর্মিতা-এই তিনটি গুণের মাধ্যমে নারী সহজেই অন্যের মন জয়

29/03/2026

আমারও একটা মহারানী আছে!! যাকে আমি প্রচন্ড ভালোবাসি.! যদিও সে আমার থেকে অনেক দূরে.! কিন্তু সে থাকে সব সময় আমারই বুকের বাম পাশে!

i love you আমার মহারানী..!❤️🥀

সূরাতুল ক্বদর, লাইলাতুল ক্বদর এর ইবাদতসমূহের ফযিলত ও গুরুত্ব। সূরা আল-ক্বদর আল-কুরআনের অত্যন্ত মর্যাদামসম্পন্ন একটি সূরা...
10/03/2026

সূরাতুল ক্বদর, লাইলাতুল ক্বদর এর ইবাদতসমূহের ফযিলত ও গুরুত্ব।

সূরা আল-ক্বদর আল-কুরআনের অত্যন্ত মর্যাদামসম্পন্ন একটি সূরা। এটি মক্কা নগরীতে অবতীর্ণ হয়। এর আয়াত সংখ্যা ৫ (পাঁচটি)। সূরা আল ক্বদর কুরআন মজিদের ৯৭ তম সূরা। এ সূরায় 'লাইলাতুল ক্বদর' এর ফজিলত বর্ণনা করা হয়েছে। এ সূরায় লাইলাতুল ক্বদর শব্দটি মোট তিনবার এসেছে। এর ক্বদর শব্দ থেকে এ সূরার নাম রাখা হয় সূরা আল-ক্বদর।অবতীর্ণের প্রেক্ষাপটঃ

একদা রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বনি ইসরাইলের এমন একজন লোক সম্পর্কে আলোচনা করছিলেন, যিনি সমস্থ রাত ইবাদতে লিপ্ত থাকতেন এবং সারা দিন জিহাদ করতেন। এভাবে এক হাজার মাস যাবত অবিরাম আল্লাহ তায়ালার ইবাদতে মগ্ন থাকেন। এ বিবরণ শুনে সাহাবিগণ বিস্ময় প্রকাশ করলেন। অতঃপর নিজেদের মধ্যে এ নিয়ে আফসোস করতে লাগলেন।

সাহাবিগণ ভাবলেন - আমরা এক হাজার মাস ইবাদত করার সুযোগ পাব না। অথচ পূর্ববর্তীগণ বহু বছর বেচে থাকতেন। বেশি দিন ইবাদত করার সুযোগ পেতেন। ফলে আমরা ইবাদতের সাওয়াবে কোন দিন তাদের সমান হতে পারব না। সাহাবিগণের আফসোসের পরিপ্রেক্ষিতে আল্লাহ তায়ালা এ সূরা নাজিল করেন। এতে তিনি জানিয়ে দেন যে, লাইলাতুল ক্বদরের এক রাতের ইবাদত হাজার মাস ইবাদত করার চেয়েও উত্তম।সূরা এবং এর অর্থঃ

بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ

আল্লাহর নাম নিয়ে (আরম্ভ করছি), (যিনি) রহমান (--পরম করুণাময়, যিনি অসীম করুণা ও দয়া বশতঃ বিশ্বজগতের সমস্ত সৃষ্টির সহাবস্থানের প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা অগ্রিম করে রেখেছেন), (যিনি) রহীম (--অফুরন্ত ফলদাতা, যাঁর অপার করুণা ও দয়ার ফলে প্রত্যেকের ক্ষুদ্রতম শুভ-প্রচেষ্টাও বিপুলভাবে সাফল্যমণ্ডিত ও পুরস্কৃত হয়ে থাকে)।

إِنَّا أَنْزَلْنَاهُ فِي لَيْلَةِ الْقَدْرِ

নিঃসন্দেহ আমরা এটি অবতারণ করেছি মহিমান্বিত রজনীতে।

وَمَا أَدْرَاكَ مَا لَيْلَةُ الْقَدْرِ

আর কী তোমাকে বুঝতে দেবে মহিমান্বিত রজনীটি কি?

لَيْلَةُ الْقَدْرِ خَيْرٌ مِنْ أَلْفِ شَهْرٍ

মহিমান্বিত রজনী হচ্ছে হাজার মাসের চাইতেও শ্রেষ্ঠ।

تَنَزَّلُ الْمَلَائِكَةُ وَالرُّوحُ فِيهَا بِإِذْنِ رَبِّهِمْ مِنْ كُلِّ أَمْرٍ

ফিরিশ্‌তাগণ ও রূহ্ তাতে অবতীর্ণ হয় তাদের প্রভুর অনুমতিক্রমে প্রতিটি ব্যাপার সন্বন্ধে --

سَلَامٌ هِيَ حَتَّىٰ مَطْلَعِ الْفَجْرِ

শান্তি -- ফজরের উদয় পর্যন্ত তা চলতে থাকবে।

ব্যাখ্যাঃ

লাইলাতুল ক্বদর বা ক্বদরের রাত অত্যন্ত মর্যাদাবান ও মহিমান্বিত রাত। আল্লাহ তায়ালা এ রাতেই পবিত্র কুরআন নাজিল করেন। এ রাতের ইবাদত হাজার মাস একাধারে ইবাদত করার চাইতেও উত্তম। এক হাজার মাস ৮৩ বছর ৪ মাসের সমান। আমাদের আয়ুষ্কাল খুবই সীমিত। এ অবস্থায় এ রাতে ইবাদত করলে আমাদের নেকির পরিমাণ অন্নেক বেড়ে যায়। এটি আল্লাহ তায়ালার বিশেষ নিয়ামত স্বরুপ। এ রাতে আল্লাহ তায়ালা ফেরেশতাকে রহমত, বরকত ও শাস্তির সওগাত দিয়ে প্রেরণ করেন। এ রাতের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সুখ-শান্তি ও রহমত বিরাজ করতে থাকে।

শিক্ষাঃ

১। লাইলাতুল ক্বদর অত্যন্ত মহিমান্বিত রাত।

২। এ রাতের ইবাদত হাজার মাসের ইবাদত অপেক্ষা উত্তম।

৩। এ রাতে ফেরেশতাগণ শান্তি ও কল্যাণ নিয়ে দুনিয়ায় নেমে আসেন।

৪। এ রাতে সারাক্ষন শান্তি ও রহমত বর্ষিত হয়।

আমরা যথাযথভাবে লাইলাতুল ক্বদর উৎযাপন করব। বেশি বেশি নফল ইবাদত বন্দেগি করব। এ রাতের সামান্য সময়ও আমরা ইবাদত না করে কাটাব না। তাহলে আমরা হাজার মাসের ইবাদত অপেক্ষা বেশি সাওয়াব লাভ করব। আল্লাহ তায়ালা আমাদের জীবনে শান্তি ও কল্যাণ দান করুন।

এ সম্পর্কিত বিস্তারিতঃ

১। লাইলাতুল ক্বদরের ফযিলত।

২। ক্বদরের ইবাদত / নামাযের নিয়ম।

৩। সূরাতুল ক্বদরের ফযিলত।

৪। সূরাতুল ক্বদর এর অর্থ, ব্যাখ্যা, অবতীর্নের প্রেক্ষাপট।

৫। লাইলাতুল ক্বদর সম্পর্কে মহান আল্লাহ তায়ালার নির্দেশনা।

08/03/2026

যে ব্যক্তি শুক্রবার দিনে-রাতে.!!
২ রাকাত নফল নামাজ পড়বে! ১১ বার আয়াতুল কুরসি পাঠ করে। ১১ বার সূরা ইখলাস পাঠ করে।

একশতবার দুরুদ শরীফ পাঠ করে ঘুমায়,এই ব্যক্তি সেই রাতে প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) কে স্বপ্নে দেখবে.!'🤍

সুবহানাল্লাহ!

আপনি সেভিংস করতে চান, ইচ্ছাও আছে। কিন্তু মাস শেষে কিছুই জমে না। কারণ সেভিংস শুধু টাকা জমানোর খেলা না— এটা কিছু জিনিস ছে'...
24/02/2026

আপনি সেভিংস করতে চান, ইচ্ছাও আছে। কিন্তু মাস শেষে কিছুই জমে না।

কারণ সেভিংস শুধু টাকা জমানোর খেলা না— এটা কিছু জিনিস ছে'ড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত।

বেশিরভাগ মানুষ ভাবে— “আরো ইনকাম হলেই সেভ করবো।”

কিন্তু সত্যিটা হলো— ইনকাম বাড়ে, খরচও বাড়ে। আর সেভিংস সেইখানেই আটকে যায়।

যদি সত্যি সেভ করতে চান, তাহলে এই ৩টা জিনিস বাদ দিতেই হবে।

১। ইম্পালসিভ খরচ (Impulsive Spending):

যেটা দরকার না, কিনে ফেলি শুধু মন চাইছে বলে।
ডিসকাউন্ট দেখেই কেনা, অন্যকে দেখে কেনা— এই খরচগুলো ছোট মনে হয়, কিন্তু সেভিংস খেয়ে ফেলে নীরবে।

নিজেকে প্রশ্ন করুন— “এটা না কিনলে কি সত্যিই ক্ষতি হবে?”

লোক দেখানো লাইফস্টাইল— আমরা অনেক সময় নিজের জন্য না, অন্যকে দেখানোর জন্য খরচ করি।

২। ব্র্যান্ড, গ্যাজেট, ঘোরাঘুরি:

সবকিছু যদি ইনকামের সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ে, তাহলে সেভিংসের জায়গা থাকে না। সেভিংস মানে সব বাদ দেওয়া না, সেভিংস মানে প্রায়োরিটি ঠিক করা।

৩। “পরে করবো” মাইন্ডসেট:

সবচেয়ে বড় শ'ত্রু এইটা। “এই মাসটা যাক।” “পরের মাসে শুরু করবো।” এই “পরে” কখনো আসে না। সেভিংস শুরু হয় আজ থেকে, অল্প দিয়ে।

🤔 তাহলে কী করবেন?

▪️আগে নিজেকে পে করুন

▪️অল্প হলেও নিয়মিত সেভ করুন

▪️খরচের আগে ভাবুন, ইমোশনে নয়

▪️লাইফস্টাইল নয়, ভবিষ্যৎকে প্রাধান্য দিন

🌱 আসল শিক্ষা কী?
সেভিংস করতে অনেক কিছু যোগ করতে হয় না, সেভিংস করতে কিছু জিনিস ছাড়তে হয়।

আপনি যতটা না আয় করেন, তার চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ
আপনি কতটা ছাড়তে পারেন। আজ যদি এই ৩টা জিনিস ছাড়তে পারেন, কাল সেভিংস নিজেই তৈরি হবে।

শুধুমাত্র টাকা না, দয়া, ভালোবাসা সবকিছু সেভিংস করুন।

-সংগৃহীত।

সেবা নাকি শয়তানের নীল নকশা?ঘর। একই ছাদ।শ্বশুর— বাবার মতো।শ্রদ্ধার পাত্র।কিন্তু...শয়তান বড় চতুর!সে রক্তে মেশে।সে শিরায় হা...
23/02/2026

সেবা নাকি শয়তানের নীল নকশা?
ঘর। একই ছাদ।
শ্বশুর— বাবার মতো।
শ্রদ্ধার পাত্র।
কিন্তু...

শয়তান বড় চতুর!
সে রক্তে মেশে।
সে শিরায় হাঁটে।
পুত্রবধূ হিসেবে—
আপনি তার জন্য রান্না করবেন।
তৃপ্তি ভরে ভাত বেড়ে দেবেন।
অসুস্থ হলে পথ্য দেবেন।
তার ময়লা কাপড়গুলো পরিষ্কার করবেন।
এগুলো আপনার মহত্ত্ব, আপনার সওয়াব।

কিন্তু সাবধান!

যখনই বিষয়টি—
শারীরিক স্পর্শে পৌঁছায়...
যখনই বিষয়টি—
একাকী নির্জন কক্ষে গড়ায়...
ঠিক তখনই—
শয়তান তার বিষাক্ত ডানা মেলে।

বৃদ্ধ শ্বশুরের শরীর মালিশ করা।
তাকে ধরে ধরে বাথরুমে নেওয়া।
কিংবা অতি ঘনিষ্ঠ হয়ে সেবা করা।
আমাদের সমাজ এটাকে 'পুণ্য' মনে করলেও,
শয়তান এই সুযোগেই—

তার সবথেকে বড় তীরটি নিক্ষেপ করে।
সেবা আর লালসা—
এক সুতোয় গেঁথে ফেলে সে।

হাদিসের সেই বজ্রকঠিন সতর্কবার্তা:

একবার নবীজী ﷺ ঘরে প্রবেশ করলেন।
ঘরে তখন—
হযরত আবু বকর (রা.) বসা ছিলেন।
আর আয়েশা (রা.)-এর কাছে—
একজন ব্যক্তি বসা ছিল।

নবীজী ﷺ তাকে দেখেই রাগান্বিত হলেন।
তাঁর পবিত্র চেহারা—
বিবর্ণ হয়ে গেল।

আয়েশা (রা.) বললেন:
"ইয়া রাসুলাল্লাহ!ﷺ ইনি তো আমার (দুগ্ধ) ভাই।"
নবীজী ﷺ তখন কঠোরভাবে সতর্ক করলেন:

> "হে আয়েশা! তোমরা ভালো করে লক্ষ্য করো তোমাদের ভাই কারা। কারণ দুগ্ধপানের সম্পর্ক তখনই সাব্যস্ত হয় যখন ক্ষুধার কারণে (শিশুকালে) দুধ পান করা হয়।"
> (সহিহ বুখারী)
>
একটু ভাবুন!
আম্মাজান আয়েশা (রা.)—
যাঁর পবিত্রতার সাক্ষী স্বয়ং আল্লাহ দিয়েছেন।

হযরত আবু বকর (রা.)—
যিনি জান্নাতের সুসংবাদপ্রাপ্ত।

তাঁদের উপস্থিতিতেও যদি—
নবীজী ﷺ পরপুরুষের অবস্থান দেখে রাগ করেন,

তবে আপনার আমার ঘরে—
শ্বশুরের অতি ঘনিষ্ঠ শারীরিক সেবা কি নিরাপদ?
শয়তান বড় চতুর!
সে বলবে— "উনি তো বাবার মতো!"
সে বলবে— "এতে দোষের কিছু নেই!"

মিথ্যা!
সবই তার সাজানো মায়া।
ওয়াসওয়াসা এভাবেই শুরু হয়।
পবিত্রতার পোশাকে—
সে হৃদয়ে ঢোকায় জেনার বিষ।

বোন আমার!
আপনার হায়া আপনার ঢাল।
ভাত বেড়ে দিন, কাপড় ধুয়ে দিন।
কিন্তু শারীরিক স্পর্শ থেকে—
নিজেকে দূরে রাখুন।

বাবার ব্যক্তিগত সেবা— ছেলের দায়িত্ব।
মায়ের সেবা— সন্তানের ওপর ফরজ।
পুত্রবধূর ওপর নয়।
পাপের দরজা খোলার আগেই—
তাতে ঈমানের তালা মেরে দিন।
লজ্জা নারীর শ্রেষ্ঠ অলংকার।
আল্লাহ আমাদের ঘরগুলোকে—
পবিত্র রাখুন।

ওয়াসওয়াসা থেকে বাঁচিয়ে রাখুন।
আমীন।
[অন্য বোনদের সচেতন করতে পোস্টটি শেয়ার করুন]
--
ভালো লাগলে পেইজটি ফলো করবেন।

©

Address

Chittagong
3600

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Priyo posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Establishment

Send a message to Priyo:

Shortcuts

Share