Near Chittagong Port Area

Near Chittagong Port Area Country Moves With Us Welcome
The Chittagong Port is the principal seaport of Bangladesh handling about 92% of import-export trade of the country.
(374)

As such its importance in the national economy is paramount. The Chittagong Port Authority (CPA) is a basic services provider. Its objective focuses mainly on providing necessary services and facilities to the port users efficiently and effectively at competitive price.

06/05/2024

বৃদ্ধাশ্রম নয় যৌবনাশ্রম 👍

লেখাটা বেশ ভালো লেগেছে তাই শেয়ার করলাম। আপনারও ভালো লাগলে একটা লাইক ও শেয়ার দিবেন।

" বাড়ি ঘর জায়গা জমি সন্তানদের লিখে দিবেন না ।
আপনার ঘরে আপনি বসবাস করবেন । দরকার হলে ছেলে মেয়েরা বাড়ি ঘর তৈরি করে 'যৌবনাশ্রমে ' থাকবে " :

পরিণত বয়সে এসে আমাদের অনেকেরই হয়তো কাজেও লাগতে পারে গল্পটি!!!

"যৌবনাশ্রম খুঁজে দেখো!"

আব্দুর রহমান সাহেব ক'মাস ধরেই কিছু আঁচ করছিলেন। উনি তিন বছর হয় রিটায়ার করেছেন। সরকারী উচ্চপদে ছিলেন। ভাল অঙ্কের পেনশন পান। স্ত্রী গত হয়েছেন বহুদিন আগে।

দুটি ছেলেকে বড় যত্নে মানুষ করেছেন। বাবা এবং মায়ের দুজনের স্নেহ দিয়ে ভালভাবে লেখাপড়া করে তারা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তারপর বড় ছেলের বিয়ে দিলেন। একটি নাতি হল। উনার মনে আর আনন্দ ধরে না ।

এরপর ছোট ছেলে নিজের পছন্দের মেয়ে খুঁজে বাবাকে জানালে তিনি সানন্দে সেই মেয়েকে ঘরে নিয়ে এলেন। রিটায়ারের আগেই বড় ছেলের বিয়ে হয়েছিল। তারপর ছোট বৌমা এল।

আব্দুর রহমান সাহেব এখন নাতিকে নিয়ে বেশ সময় কাটান। সংসারের অনেকটা ব্যয় ভার বহন করেন।

একদিন ইজি চেয়ারে বসে সকালে কাগজ পড়ছেন বড় বৌমার গলা পেলেন, আজ বাজার শর্ট আছে.রাতে রান্না হবে না। সে চাকরী করে। বলছে জা কে।

এ বাড়িতে ছেলেদের জন্মের আগে থেকে কাজের মেয়ে জয়নব আছে। সে তাঁর ছেলেদের থেকে বেশ কিছুটা বড়। জয়নব মাতৃহারা দুই ছেলেকে অপার স্নেহে আগলে রেখেছিল।

সে বলল--ভাইজানরা কেউ এনে দেবে।

বড় বৌ বলল--কেন বাবা তো বসে আছেন বাজারটা রোজ করলেই পারেন।

আব্দুর রহমান সাহেবের কানে কথাটা বাজল। বুঝলেন সংসারে তাঁর প্রয়োজন ফুরিয়েছে।

নিজের মনকে বললেন-- মন তুই তৈরী থাক।

এরপর থেকে বৌদের নানা আচরণে তাঁর প্রতি বিরূপতা প্রকাশ পেতে থাকল।

একদিন সকালে বড় ছেলে রাগত গলায় বৌকে বলছে--আমার শার্টটা লণ্ড্রী থেকে আনা হয়নি?

বড় বৌ বললো-- না যাবার সময় হয়নি।

বড় ছেলে -বাবা একটু আনতে পারল না? সারাদিন তো বসেই থাকে।

আব্দুর রহমান সাহেবের কানে গেলে ভাবলেন-- যুগধর্ম!

এরপর একদিন এক ছুটির দিনে সকালে ব্রেকফাস্ট টেবিলে এসে দেখলেন--সবাই আগে ভাগেই উপস্থিত।

জয়নব প্লেটে গরম লুচি, আলু ভাজি আর সন্দেশ পরিবেশন করছে।

বড় ছেলে বলল --বাবা একটা কথা ছিল।

আব্দুর রহমান সাহেব বুঝলেন এরা সকলে কিছু প্ল্যান করেছে। বললেন, বল।

বড় ছেলে বললো, জানো বাবা কাল অফিসের কাজে গাজীপুর গিয়েছিলাম। কাজের ফাঁকে সময় পেয়ে ওখানকার দর্শনীয় জায়গা গুলো দেখতে বেড়িয়েছিলাম। দেখলাম নদীর ধারে স্বাস্থ্যকর পরিবেশে একটা সুন্দর বৃদ্ধাশ্রম চালু হয়েছে। দেখেই ভাবলাম তুমি ওখানে মনোরম পরিবেশে শেষ জীবনটা থাকতে পারো। আমরা যাব আসব। কিরে ভাই কি বলিস?

ছোট ছেলে বলল, বেশ ভালো হবে।

আব্দুর রহমান সাহেব হেসে বললেন--সব তো শুনলাম। কিন্তু বাবারা তোমরা যেমন আমার জন্য ভাবো, আমিও তোমাদের জন্য ভাবি। তাই আমারও একটা প্রস্তাব আছে তোমাদের জন্য। তোমরাই বরং যুতসই এবং মনোরম পরিবেশের একটা যৌবনাশ্রমের খোঁজ করে নিয়ে সেখানে গিয়ে থাকোনা কেন। বাড়ীটাতো আমারই, পেনশনও পাই ভাল। জয়নব মাকে নিয়ে আমরা বাপ বেটিতে বেশ ভালই থাকব। তোমরাও আসবে যাবে।

এই ভাবে তিনি এক ছক্কায় বাজীমাত করে দিলেন। জয়নবকে বললেন--জয়নব মা, লুচিগুলো ঠাণ্ডা হয়ে গেল। গরম গরম নিয়ে আয় তো।

ছেলেরা আর ছেলেদের বৌয়েরা রীতিমতো হতভম্ব হয়ে গেল, বাকরুদ্ধ হয়ে বসে রইলো.....!!

দিন কাল পালটাচ্ছে। তাই যোগ্য জবাব দেবার জন্য তৈরী থাকা উচিৎ ........

তা নাহলে ভবিষ্যতে বড় বিপদে পড়তে হতে পারে।

লেখকের নাম কেউ জানলে দয়া করে জানাবেন। জড়িয়ে ধরে একটু বুকে বুক মিলাবো 😎

25/02/2024

হিরো আলমের মতো লোক গণমাধ্যম কর্মীদের যে তুই তুকারি করে ধমকিয়েছে, এটা গণমাধ্যম কর্মীদের প্রাপ্য। কারণ একজন শিক্ষাহীন, সংস্কারহীন, রুচিহীন হিরো আলমকে জাতীয় ব্যক্তিত্বে পরিনত করেছে আমাদের গণমাধ্যম কর্মীরাই।

শু য়ো রে র বা চ্চা দে র যখন দাঁত গজায় তখন তারা নাকি প্রথমে বাপের পাছায় কামড় দিয়ে দাঁতের ধার পরীক্ষা করে। হিরো আলম আমাদের গণমাধ্যমের সন্তান। সে তার গজানো দাঁতের ধার পরীক্ষার জন্য গণমাধ্যম কর্মীদের পাছায় কামড় দেয়ায় তাই আশ্চর্য হচ্ছি না।

রহমান বর্ণিল

আগামীকাল চলে আসুন রেজিষ্ট্রেশন উৎসবে ❤️
20/02/2023

আগামীকাল চলে আসুন রেজিষ্ট্রেশন উৎসবে ❤️

বিজ্ঞপ্তি,  বিজ্ঞপ্তি,ছেলেটিকে এই মাত্র নিউমুরিং রোড় মহব্বত আলী সওদাগরের বাড়ির সামনে পাওয়া গিয়েছে। ছেলেটি তার মা-বাবা-বো...
26/10/2022

বিজ্ঞপ্তি, বিজ্ঞপ্তি,

ছেলেটিকে এই মাত্র নিউমুরিং রোড় মহব্বত আলী সওদাগরের বাড়ির সামনে পাওয়া গিয়েছে। ছেলেটি তার মা-বাবা-বোনের নাম বলেছে আর তার বাড়ির নাম বলছে বানিয়াচং তবে এইখানের কোন সঠিক তথ্য সে দিতে পারছে না।আমরা তাকে এইদিকের মোটামুটি সব জায়গায় নিয়ে গিয়েছি সে কিছু চিনতে পারছে না।তাই আমরা বর্তমানে তাকে আমাদের হেফাযতে রেখেছি। যদি কোন হৃদয়বান ব্যক্তি চিনে তাকেন তাহলে নিউমুরিং রোডস্থ আলা হযরত হার্ডওয়্যার এর মালিক মোঃ সাজ্জাদ এর কাছে রয়েছে। যদি কেউ তাকে চিনেন এবং ছেলেটি যদি তাকে চিনতে পারে তাহলে সরাসরি উক্ত টিকানায় যোগাযোগ করার জন্য বিনিত অনুরোধ রইল

সল্টগোলা রেলক্রসিং,নিউমুরিং রোড়, পানির ট্যাং এর সামনে আলা হযরত ইন্জিনিয়ারিং ওয়ার্কসব
মোবাইল ০১৮১৪৫০৪৭৮৫
মোবাইল ০১৮৪০৪৪৩৭৫৩

একজন সাহাবীর প্রয়োজন মেটানোর জন্য রাসূল সা:  এক ইহুদির কাছ থেকে ঋণ নেন। নবিজী (সা:) ইহুদিকে একটি তারিখ বলেন, যে তারিখে ত...
22/10/2021

একজন সাহাবীর প্রয়োজন মেটানোর জন্য রাসূল সা: এক ইহুদির কাছ থেকে ঋণ নেন। নবিজী (সা:) ইহুদিকে একটি তারিখ বলেন, যে তারিখে তিনি ঋণ ফেরত দিবেন।

একদিন নবিজী (সা:) সাহাবীদেরকে নিয়ে একটি জানাযা থেকে ফিরছেন। তাঁর সাথে ছিলেন আবু বকর, উমরের (রাঃ) মতো মহান সাহাবী।

ঠিক সেই সময় ঐ ইহুদি লোকটি রাসূল সা: এর গলার চাদরে ধরে রাগতস্বরে, অভদ্র ভাষায় বললো-

“ও মুহাম্মদ! আমার কাছ থেকে যে ঋণ নিয়েছিলে, সেটা কখন দিবে? আমি তো তোমার পরিবারকে চিনি। ঋণ নিলে তোমাদের আর কোনো খবর থাকে না!”

নবিজী সা: তখন মদীনা রাষ্ট্রের রাষ্ট্রপ্রধান। তাঁকে সবার সামনে এতো বড়ো অপমান করা হলো অথচ ঋণ পরিশোধের যে তারিখ ধার্য করা হয়েছিলো, সেটা এখনো বাকি আছে। একেত সময়ের আগেই চেয়েছে তাও আবার অভদ্র ভাষায়। উমর (রা) সহ্য করতে পারলেন না। তিনি বললেন- “ইয়া রাসূলাল্লাহ! আপনি অনুমতি দিন, তার গলা থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন করে ফেলি?”
নবিজীর (সা:) এক্ষেত্রে যেমন ক্ষমতা ছিলো, তেমনি তিনি ছিলেন ন্যয়পরায়ণ। ইহুদির অমার্জিত আচরণকে তিনি শাস্তি দিতে পারেন। তাকে আইনের আওতায় এনে শাস্তি দেবার অধিকার রাখেন।

কিন্তু, তিনি উল্টো উমর রা: কে বললেন:
“উমর, তোমার কাছ থেকে তো উত্তম ব্যবহার আশা করা যায়। তুমি এভাবে না বলে বরং আমাকে বলতে পারতে- ‘আপনি তাঁর ঋণ পরিশোধ করুন’। কিংবা তাকে বলতে পারতে- আপনি সুন্দরভাবে ঋণের কথা বলতে পারতেন।”

অসুন্দরের জবাব সুন্দর দ্বারা, অনুত্তমের জবাব কিভাবে উত্তম দ্বারা দিতে হয় সেটা নবিজী (সা) উমর সহ সাথে উপস্থিত সাহাবীদেরকে শেখালেন।
অতঃপর রাসূলুল্লাহ সা: উমরকে নির্দেশ দিলেন-
“উমর, যাও তার সাথে এবং তাকে তার ঋণ পরিশোধের পর আরো বিশ সা’ (৩২ কেজি) খেজুর দিও। কারণ, তুমি তাকে ভয় দেখিয়েছো।”
উমর (রাদিয়াল্লাহু আনহু) ইহুদিকে সাথে নিয়ে গেলেন। তাকে তার প্রাপ্য ঋণ প্রদান করলেন এবং সাথে আরো ৩২ কেজির মতো খেজুর দিলেন। ইহুদি তো অবাক!

সে একে তো সময়ের আগেই পাওনা দাবি করেছে, তারউপর সবার সামনে নবিজীকে অপমান করেছে; তবুও নবিজী সা: তাকে পাওনা দিয়ে দিলেন, সাথে দিচ্ছেন আরো ৩২ কেজি খেজুর!?

সে জিজ্ঞেস করলো, “অতিরিক্ত এগুলো কেনো?”
উমর (রা:) বললেন, “কারণ, আমি তোমাকে হুমকি দিয়েছি। সেটার কাফফারা হিশেবে নবিজী এগুলো দিতে বললেন।”

এটা শুনে ইহুদি বললো, “উমর, তুমি কি জানো আমি কে?”

উমর (রাঃ) বললেন, “না, আমি জানি না। তুমি কে?”

ইহুদি বললো, “আমি যায়িদ ইবনে সু’নাহ।”
তার নাম শুনে উমরের চক্ষু চড়কগাছ!

যায়িদ ইবনে সু’নাহ? মদীনার সেই বিখ্যাত ইহুদি রাবাই (ইহুদিদের আলেম)? উমর তার নাম জানতেন, কিন্তু তিনিই যে ঐ ব্যক্তি, সেটা তিনি জানতেন না।

যায়িদ ইবনে সু’নাহ বললেন, “হ্যাঁ, আমিই সেই ইহুদি রাবাই। আমাদের ধর্মগ্রন্থ অনুসারে মুহাম্মদ এর নবী হবার প্রমাণের যতো ভবিষ্যৎবাণী পাওয়া যায়, সবগুলোই আমি তাঁর মধ্যে পেয়েছি। শুধু দুটো বিষয় পরীক্ষা করা বাকি ছিলো।”

সেই দুটো ছিলো:

তাঁকে কেউ রাগালে তিনি সহনশীলতা দেখাবেন।
কোনো মূর্খ তাঁর কাছে এসে মূর্খের মতো আচরণ করলে তিনি বরং সেই মূর্খের সাথে ভালো আচরণ করবেন। অর্থাৎ তিনি মন্দের জবাব ভালোর মাধ্যমে দিবেন, অনুত্তমের জবাব উত্তমের মাধ্যমে।
যায়িদ ইবনে সু’নাহ নবিজীর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মধ্যে সেই দুটো গুণও এবার দেখতে পান। তিনি নবিজীকে (সা) রাগানো সত্ত্বেও নবিজী (সা) তাঁর সাথে রাগ করেননি; উল্টো তার পাওনা অর্থের বেশি তাকে দিয়েছেন।

এবার যায়িদ ইবনে সু’নাহ বললেন:
“ও উমর, তুমি সাক্ষী থাকো- আমি আল্লাহকে আমার রব হিশেবে, ইসলামকে আমার ধর্ম হিশেবে এবং মুহাম্মদকে (সা) আমার নবী হিশেবে মেনে নিলাম। আমার অনেক সম্পদ আছে। আমি আমার অর্ধেক সম্পদ ইসলামের তরে দান করে দিলাম।”

তথ্যসূত্র:
সহীহ ইবনে হিব্বান: ২৮৮, আল-বায়হাকী: ১১০৬৬, মুস্তাদারক হাকিম: ৬৫৪৭। ইমাম হাকিম (রাহিমাহুল্লাহ) হাদীসটিকে ‘সহীহ’ বলেছেন।
(পরিমার্জিত)

[গণটিকা কার্যক্রম স্থগিতকরণ প্রসঙ্গে]মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ৭ই আগস্ট থেকে ১২ই আগস্ট পর্...
05/08/2021

[গণটিকা কার্যক্রম স্থগিতকরণ প্রসঙ্গে]

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ৭ই আগস্ট থেকে ১২ই আগস্ট পর্যন্ত গণটিকাদান কার্যক্রমের পদক্ষেপ টিকা স্বল্পতার কারণে আপাতত সীমিত করা হয়েছে।

আগামী ৭ই আগস্ট কেবলমাত্র একদিন সিটি করপোরেশনের সকল ওয়ার্ডের মনোনীত প্রতিটি টিকাকেন্দ্রে অগ্রিম রেজিস্টেশনের ভিত্তিতে বয়োবৃদ্ধ, অসুস্থ, নারী, প্রতিবন্ধীদের অগ্রাধিকার দিয়ে সর্বমোট ৩০০ জনকে টিকা দেওয়া হবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর মূখ্য সচিব মহোদয়ের সাথে আলোচনা সভায় এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। আগামী ১৪ই আগস্ট থেকে টিকা প্রাপ্তি সাপেক্ষে এই কর্মসূচি পুনরায় শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

19/07/2021

গতকাল নাইট ডিউটি দিয়ে আজকে শেষ হলো আমার জাতীয় হিসেবে ৮ম বারের কোভিড ডিউটি।অতীতের সব কষ্টকে অতিক্রম করে গিয়েছে এবারের ডিউটি।আমি পরকালে প্রচন্ডভাবে বিশ্বাসী।নিশ্চয়ই আল্লাহতালা তার বান্দার রূহের প্রতি মুহুর্তের কষ্ট দেখছেন।

গতকাল রাত ১০.১০ এর দিকে নীচে যখন আমি ডনিং হচ্ছিলাম,তখন উপরের আরেকজন নাইট ডক্টর প্যানিক হয়ে ফোন দিলো,বললো-আপু আপনি কোথায়?তাড়াতাড়ি আসেন।উপরে যেয়ে দেখি ইভিনিং ডাঃ দীপান্বিতা দিদিও আছেন,সব ফ্লোরের সিস্টাররা চলে এসেছে।এডি শাহীন স্যারের সাথে কথা হচ্ছে।আমাদের জায়গা নেই,অক্সিজেন মিটার পর্যন্ত নেই।ওদিকে রোগী আসছে,আমাদের লোকবল কম।এডি শাহীন স্যার আমাকে পারসোনালি ফোন দিয়ে বললেন-সানজিদা ইমার্জেন্সিতে বলা হয়েছে যাদের অক্সিজেন লাগছে না,স্যাচুরেশন ৯৫-৯৬-৯৭ তাদের ফেরত দেয়া হচ্ছে।কিছু করার নেই।এই সিচুয়েশনে যদি কিছু করা যায়,তাহলে সেটা তুমিই পারবা।সবাইকে ডাকো,ডেকে ব্রিফিং দাও।
আমি কিছুক্ষন ভাবলাম,সব সিস্টারদের,এম এল এস এস দের ডাকলাম।বললাম-যেসব রোগীর স্যাচুরেশন ভালো তাদের মিটার খুলে আনেন।যাদের খারাপ ৫০-৬০-৭০,এখন আসছে,সারারাত আসবে তাদের দিবেন।এম এল এস এস রা কিছুক্ষণ পরে ফেরত এসে বলে-ম্যাডাম আপনি চলেন,আমরা কিছুতেই পারছি না।শেষে আমি ওয়ার্ডে হেটে মিটার খোলা শুরু করলাম,রোগীদের সে কি চীৎকার,প্যানিক অবস্থা।এছাড়া আমার আর কিছু করার ছিলো না।সিভিয়ার রোগী যারা আসছিলো,হিসেব করে তাদের দিলাম।

এর আগে মর্নিং ডিউটিতে আমাদের অক্সিজেন সিলিন্ডার এর গাড়ী আসতে দেরী করছিলো,ওদিকে সেন্ট্রাল লাইনে উপরে জায়গা ছিলো না।আমার চেয়েও কম বয়সী একটা মেয়ে পাগলের মতো দৌড়াচ্ছিলো আর আমাকে এসে বারবার বলছিলো-একটু দয়া করেন,আমার স্বামীটাকে বাচান।
আমিও একজন মানুষ,এসব সহ্য করা যায় না।আমি দীর্ঘদিন হল প্রভোস্ট এর দায়িত্ব পালন করেছি।কিছুক্ষণ চিন্তা করলাম।আমি বের হয়ে আই সি ইউর সিস্টারকে ডেকে বললাম-দেখেনতো আমাদের কোন পেশেন্ট টা একটু স্ট্যাবল।সিস্টার বললো-ম্যাডাম,ঐ কোনায় একটা পেশেন্ট এর অক্সিজেন স্যাচুরেশন ৮৮।সে এখন অক্সিজেন ছাড়াই বাথরুমে গিয়েছে।আমি সিস্টারকে বললাম-ঐ বেডের পেশেন্ট এখনি নামান,এই মেয়েটার হাসবেন্ড কে তুলুন।তার অক্সিজেন স্যাচুরেশন ৪৬।আমরা একটা শেষ চেষ্টা করি।
যখন আগের পেশেন্টকে নামাতে গেলাম,পেশেন্ট এর লোক চীৎকার করে আমাকে বললো-আমাদের পেশেন্ট এর যদি কিছু হয় তার জন্য দায়ী থাকবেন আপনি।আমি শুধু বললাম-বাবা,আমি ডাঃ।আমার সবার দিকে তাকাতে হবে।
মেয়েটার হাসবেন্ড আই সি ইউর বেডে উঠে গেলো।ওদিকে ঐ বেডের আগের মহিলা পেশেন্ট এসে দেখে তার বেড দখল হয়ে গিয়েছে।সে হতভম্ব হয়ে দাড়িয়ে থাকলো।মহিলা যাতে কষ্ট না পায়,এজন্য আমি তার হাতটা ধরলাম,বললাম-মা,আপনি আসেন আমার সাথে,আপনি গাড়ী আসলেই কিছুক্ষনের ভিতর অক্সিজেন পাবেন,আরেকজনকেও একটু বাচতে দিন,আপনাকে আরেকজায়গায় বসিয়ে দেই,একটু অপেক্ষা করেন।
পুরো ওয়ার্ডে রোগী,এটেন্ডেন্স,সিস্টার,এম এল এস এস চুপ হয়ে দেখছিলো।দেখছিলো আমি একজন অসহায় ডাঃ তার রোগীর হাত ধরে হেটে যাচ্ছে ধীরেধীরে।আমি পরদিন ইভিনিং ডিউটি তে যেয়ে প্রথমে ঐ রোগীর কাছে গিয়েছি,রোগী সারভাইভ করে গিয়েছে।মেয়েটা আমাকে দেখে পরদিনও কাদছিলো আর বলছিলো-"শুধু আপনার জন্য আমার স্বামী গতকাল বেচেছে।"আমার একটা দীর্ঘশ্বাস পড়লো।মনে হচ্ছিলো রোগী না,আমি নিজেই আমার লাংস দিয়ে শ্বাস নিচ্ছি।

আমি সবসময়ই বলি-জীবন এক দুদিনের ভ্রমণ।আপনার এই ভ্রমণকে আনন্দদায়ক করুন।আত্মকেন্দ্রিক হবেন না।এতে আর যাই হোক,শান্তি পাওয়া যায় না।আমার কোভিডে ডিউটির এতোবার যে কথাটা আমি বহুবার রোগীর কাছ থেকে শুনেছি-"ম্যাডাম,আপনাকে দেখলে একটু সাহস পাই।"এই কথা আমাকে আরো মানুষের পাশে দাড়ানোর অনুপ্রেরণা দেয়।আমাকে যদি আবারও জিজ্ঞেস করা হয়-সেকেন্ড টাইম আমি কি হতে চাই?আমি উত্তরে একটা কথাই বলবো-আমি বারবার একজন চিকিৎসক হয়েই জন্মাতে চাই।

ডাঃ সানজিদা শহিদ

সল্টগোলা শপিং মলে একটা সুপারশপ খুবই প্রয়োজন। যারা একমত তারা পোস্টটি শেয়ার করে ছড়িয়ে দিন যাতে সুপারশপ কর্তৃপক্ষ দৃষ্টি আক...
16/05/2021

সল্টগোলা শপিং মলে একটা সুপারশপ খুবই প্রয়োজন। যারা একমত তারা পোস্টটি শেয়ার করে ছড়িয়ে দিন যাতে সুপারশপ কর্তৃপক্ষ দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সক্ষম হই।

09/05/2021

চট্টগ্রাম আওয়ামী-যুব ও ছাত্রলীগের অন্তত ১৫ সিন্ডিকেট

01/05/2021

- সাংবাদিকরা কেমন ?
- দুনিয়ার খারাপ।
- আর পুলিশ ?
- ও তো আরো বড় খারাপ।
- ডাক্তার ?
- ওরে আল্লাহ্ কসাই।
- ইঞ্জিনিয়ার ?
- টাকা ছাড়া কিছু বোঝে না।
- উকিল ?
- ওরা তো শকুন .. একবার ধরলে শেষ।
- সরকারী চাকুরীজীবী ?
- ঘুষখোর।
-রাজনীতিবিদ ?
- ওরাই তো সব নষ্টের গোড়া।
- শিক্ষক?
- প্রাইভেট/কোচিং ছাড়া কিছু বোঝে না।
- কর্পোরেট জব ?
- নব্য ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানী।
- ব্যবসায়ী ?
- ভেজালের কারবারী।
- ব্যাঙ্কার ?
- সুদের কারবারী।
- কবি সাহিত্যিক ?
- ধান্দাবাজ।
- কণ্ঠশিল্পী -অভিনেতা ?
- নাউজুবিল্লাহ
- ইমাম - মুয়াজ্জিন
- ধর্ম ব্যবসায়ী।
- তাহলে ভালো কে ?
- ক্যান ! আমি ।
আপনি কে?
আমি বাল পাকনা, না বুঝে চিল্লানো আমজনতা!
নিজেকে এবং নিজের কাজ/ পেশাকে সম্মান করতে শিখুন।

বাংলাদেশের চিকিৎসা ব্যবস্থায় এক ভয়াবহ দুর্নীতির পাকচক্র আছে। আজকে একটা উদাহরণ দিচ্ছি। বেশীরভাগ বেসরকারী ডায়াগনস্টিক সেন্...
23/04/2021

বাংলাদেশের চিকিৎসা ব্যবস্থায় এক ভয়াবহ দুর্নীতির পাকচক্র আছে। আজকে একটা উদাহরণ দিচ্ছি। বেশীরভাগ বেসরকারী ডায়াগনস্টিক সেন্টারে আপনি যদি একশো টাকার টেস্ট করান তাহলে ক্ষেত্র বিশেষে ডাক্তার ৩০-৫০% কমিশন পায়। এটা অবিশ্বাস্য। সবাই যে কমিশন নেয় তা নয়। অত্যন্ত সৎ ও হৃদয়বান চিকিৎসক অনেক আছেন যারা এই দুর্নীতির ধারে কাছেও যান না, কিন্তু এই কমিশন খাওয়াটা একটা সাধারণ ধারা। আমার অনুমান ৬০-৭০% চিকিৎসক এই দুর্নীতির সাথে সরাসরি যুক্ত। এটা নিয়ে কেউ কথা বলেনা৷ কিন্তু সবাই এটা জানে। এটা কে শুরু করেছে কেন শুরু করেছে কবে শুরু করেছে সেটার আলোচনায় না গিয়ে বরং আমরা এই সমস্যাটা নিয়েও আলাপ করি। এর ফলে সমস্যা হচ্ছে দুইটা, চিকিৎসা ব্যয় বেড়ে যাচ্ছে আর অপ্রয়োজনীয় টেস্ট করাতে দেয়ার সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে। ডাক্তারদের উপরে যেহেতু কোন নিয়ন্ত্রণ নাই তাই যা খুশী টেস্ট দেয়া কেউ ঠেকাতে পারবে না।

এটা নৈতিকতার সমস্যা নয় এই সমস্যা কোন কার্যকর আধুনিক ম্যানেজমেন্ট না থাকা। আর এটাই আসলে রাষ্ট্রের কাজ। এই কাজ করতে পারবে বলেই আমরা রাষ্ট্রকে শক্তিমান করে গড়ে তুলি।

রাষ্ট্র যদি ফাংশন না করে তাহলে সেটা আপনার জীবন ও সম্পদকে কীভাবে আক্রান্ত করে তার উদাহরণ হিসেবে এই বিষয়টা মাথায় রাখতে পারেন।

এ থেকে উত্তরণ কী সম্ভব। হ্যা সম্ভব। নিয়ন্ত্রণ করা যাবে দুই বছরের মধ্যেই আর একেবারে নির্মুল করে দেয়া যাবে পাচ থেকে দশ বছরের মধ্যেই। এই সমস্যার সমাধান কোন জটিল বিষয় না। কিন্তু এই চেইঞ্জটা করতে হবে একজন দক্ষ, মেধাবী, শক্ত ও নিজের কাজের মাধ্যেমেই জনপ্রিয় হয়ে ওঠা মানুষকে দিয়ে। নইলে তাকে এই সিস্টেমের বেনিফিসিয়ারিরা উষ্টায়ে দিবে দুইদিনেই।

আপাতত কীভাবে আপনি এই পাকচক্র থেকে মুক্তি পাবেন? আপনি আপনার টেস্টগুলো আইসিডিডিআরবি, বারডেম, আর্মি প্যাথলজি, বি এস এম এম ইউ থেকে করতে পারেন। সরকারি ডায়াগনস্টিক থেকে করলে আপনি ভালো ফল পাবেন খরচ ও কমে আসবে। আমার জানা মতে অল্প হলেও বেসরকারি ডায়াগনস্টিকও এই ধুনফুনে নাই। আমি তাদের নাম নিলাম না সঙ্গত কারণেই, তাহলে ভাববে আমি তাদের প্রমোশনের জন্য এই পোষ্ট দিয়েছি। কিন্তু কমবেশী আপনারা তাদের নাম জানেন বলেই আমার বিশ্বাস।

©

Address

Chittagong Port
Chittagong
4100

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Near Chittagong Port Area posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Establishment

Send a message to Near Chittagong Port Area:

Share